Category: আন্তর্জাতিক

  • ২০৪০ সালে যুক্তরাষ্ট্রে মুসলিমদের অবস্থান হবে দ্বিতীয়, ইহুদিরা তৃতীয়

    ২০৪০ সালে যুক্তরাষ্ট্রে মুসলিমদের অবস্থান হবে দ্বিতীয়, ইহুদিরা তৃতীয়

    আগামী ২০ বছরের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে মুসলিমদের অবস্থান হবে দ্বিতীয়। ২০৪০ সালে ইহুদিরা নেমে যাবে তৃতীয় স্থানে। যুক্তরাষ্ট্রের ইহুদিদের ছাড়িয়ে যাবে মুসলিমরা। বিশ্বখ্যাত গবেষণা প্রতিষ্ঠান পিউ রিসার্চ সেন্টারের গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে।

    পিউ রিসার্চ সেন্টার বলছে, যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি বছর ১ লাখ মুসলিম যোগ হচ্ছে। মুসলমান অভিবাসী এবং আমেরিকান মুসলমানদের মধ্যে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার বেশি থাকায় এমনটা হচ্ছে।  মুসলমানদের সংখ্যা ইহুদি জনগোষ্ঠীর তুলনায় অনেক দ্রুতগতিতে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
    যুক্তরাষ্ট্রে খ্রিস্টানরাই বৃহত্তম ধর্মীয় জনগোষ্ঠী। বর্তমানে দেশটির জনসংখ্যার শতকরা ৭১ ভাগ খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বী।

    পিউ রিসার্চ সেন্টার জানায়, যুক্তরাষ্ট্রে বর্তমানে প্রথম অবস্থানে রয়েছে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীরা। এরপরেই অবস্থান করছে ইহুদিরা। যুক্তরাষ্ট্রে ২০১৭ সালে মুসলিমদের সংখ্যা ছিল ৩.৪৫ মিলিয়ন, যা মোট জনসংখ্যার শতকরা ১.১ ভাগ।
    অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রে ২০১৫ সালে  ইহুদি জনগোষ্ঠী ছিল ১.৮ শতাংশ।  মুসলিমদের সংখ্যা ছিল মোট জনসংখ্যার ১ শতাংশ।

    গবেষণায় দেখানো হয়, মুসলিমদের সংখ্যা আগামী দুই দশকে দাঁড়াবে ১.৮ শতাংশে। মুসলিমদের মোট সংখ্যা হবে ৮০ লাখের বেশি। ওই সময় ইহুদি জনগোষ্ঠীর সংখ্যা দাঁড়াবে ১.৪ শতাংশে।

    পিউ রিসার্চ সেন্টার জানায়, যুক্তরাষ্ট্রে ইসলাম ধর্ম গ্রহণের প্রবণতা বেড়েছে খুব। এই ধারা অব্যাহত থাকলে যুক্তরাষ্ট্রে দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয়গোষ্ঠী হিসেবে আবির্ভূত হবে মুসলমানরা।

    তথ্যসূত্র: নিউজউইক

  • জাপান উপকূলে আবারও ‘রহস্যময়’ নৌকা, ৮ লাশ উদ্ধার

    জাপান উপকূলে আবারও ‘রহস্যময়’ নৌকা, ৮ লাশ উদ্ধার

    জাপানের মধ্যাঞ্চলীয় উপকূল জলসীমায় আবারও একটি নৌকা ভেসে এসেছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। ভাঙ্গা ঐ নৌকা থেকে আটজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এটি উত্তর কোরিয়ার নৌকা বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    মঙ্গলবার এ ব্যাপারে সিনিয়র পুলিশ কর্মকর্তা হিরোশি অ্যাবে বলেন, গত সপ্তাহ জাপানের মধ্যাঞ্চলীয় কানাজাওয়ায় ভেসে আসা ওই নৌকার ভিতর থেকে কোস্টগার্ড সদস্যরা সাতজনের লাশ উদ্ধার করে। এ নৌকার প্রায় ১৫ মিটার দূর থেকে আরও একজনের লাশ উদ্ধার করা হয়।

    তিনি আরও জানান, লাশগুলো পঁচা শুরু করায় এগুলো চিহ্নিত করা কঠিন হচ্ছে। লাশটি পঁচে গিয়েছিল।

    এদিকে জাপান কোস্টগার্ডের পক্ষ থেকে জানা গেছে, গত বছর রেকর্ড সংখ্যক উত্তর কোরিয়ার মাছ ধরা নৌকা জাপানের জলসীমায় ভেসে আসে। ২০১৬ সালে এ সংখ্যা ৬৬ হলেও গত বছর এ সংখ্যা ছিল ১০৪।

    সূত্র: এএফপি

  • ইউক্রেন সীমান্তে আরও বেশি এস-৪০০ মোতায়েন করল রাশিয়া

    ইউক্রেন সীমান্তে আরও বেশি এস-৪০০ মোতায়েন করল রাশিয়া

    বিশ্বজুড়ে আতঙ্ক আর উত্তেজনা ছড়িয়ে নিজেদের সামরিক বাহিনীকে আরও বেশি শক্তিশালী করছে ক্ষমতাধর দেশগুলো। আর তারই জের ধরে এবার ক্রিমিয়ায় আরও এক ডিভিশন এস-৪০০ মিসাইল মোতায়েন করেছে রাশিয়া।

    এ ব্যাপারে রুশ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শনিবার এইসব মিসাইল মোতায়েন করা হয়েছে। ক্রিমিয়া উপদ্বীপ অঞ্চলে এতে করে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

    জানা গেছে, নতুন মোতায়েন করা ডিভিশনটি সেভাস্টোপল এলাকার একটি শহরের কাছে স্থাপন করা হবে। এখান থেকে ইউক্রেন সীমান্তের আকাশ নিরাপদ রাখতে পারবে মস্কো। মিসাইল বিধ্বংসী করতে সক্ষম এই এস-৪০০ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা রুশ সীমান্ত রক্ষার জন্য নির্মাণ করা হয়েছে। মাত্র পাঁচ মিনিটের মধ্যেই এসব মিসাইলকে নিক্ষেপের উপযোগী করে তোলা যায়।

    রুশ প্রতিরক্ষামন্ত্রক এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থাকে ‘ট্রায়াম্প’ বলে। আকাশে ৪০০ কিলোমিটারের মধ্যে ভেসে থাকা যে কোনো বস্তু এবং ৬০ কিলোমিটারের মধ্যে থাকা ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করতে পারে।

    উল্লেখ্য, মিসাইল মোতায়েনের ফলে ওই অঞ্চলে রাশিয়ার এস-৪০০ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সংখ্যা দাঁড়াল দুই ডিভিশন। এর আগে ২০১৭ সালের বসন্তের বন্দর নগরী ফেডোসিয়াতে প্রথম ডিভিশন মোতায়েন করেছিল রাশিয়া।

  • ‘ভুল’ বোতামে চাপ, যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আতঙ্ক

    ‘ভুল’ বোতামে চাপ, যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আতঙ্ক

    গত বছর জুড়েই যুক্তরাষ্ট্রকে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার হুমকি দিয়ে আসছে উত্তর কোরিয়া। এ বছরও শুরু হয়েছে হুমকির মধ্য দিয়ে। এরইমধ্যে হাওয়াই রাজ্যে মার্কিন নাগরিকদের মোবাইলে ক্ষুদেবার্তায় জানিয়ে দেয়া হলো, ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হতে পারে। তাই সবাই যেন নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যায়।

    এ খবর আমেরিকার হাওয়াই রাজ্যের টেলিভিশন ও রেডিওতেও সম্প্রচার করা হয়। অবশ্য পরে জানানো হয়েছে, এক কর্মী ভুল করে বোতামে চাপ দেয়ায় এ বার্তা সবার কাছে চলে গেছে। এ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।

    রবিবার হাওয়াইয়ের ইমারজেন্সি ম্যানেজমেন্ট এজেন্সির পাঠানো ওই বার্তা নিয়ে তদন্তও শুরু হয়েছে। এ ঘটনায় ক্ষমা চেয়েছেন হাওয়াইরের গভর্নর ডেভিড ইজ। সূত্র : নিউ ইয়র্ক টাইমস

  • প্রথমবারের মতো মাঠে বসে খেলা দেখলেন সৌদি নারীরা

    প্রথমবারের মতো মাঠে প্রবেশাধিকারের অনুমতি পেলেন সৌদি নারীরা। শুক্রবার পুরুষদের মতো মহিলারাও স্টেডিয়ামে বসে ম্যাচ দেখলেন। প্রিয় দলের হয়ে চিৎকার করলেন। এতদিন শুধু টিভির পর্দায় ফুটবল ম্যাচ দেখতে অভ্যস্ত ছিলেন তারা।

    এদিন জেদ্দার কিং আবদুল্লা স্পোর্টস সিটি স্টেডিয়ামে দুই স্থানীয় ক্লাবের মধ্যে ম্যাচ ছিল। সেখানে অবশ্য মহিলাদের জন্য পৃথক বসার জায়গা করা হয়েছিল। বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় যে ছবি ঘোরাফেরা করেছে তাতে দেখা গেছে, মহিলারা বোরখার উপর কমলা রংয়ের জার্সি পড়ে টিমকে সমর্থন জানাতে এসেছেন। কেউ কেউ অন্য দলের হয়েও গলা ফাটিয়েছেন। সব মিলিয়ে এই দিনটি একরকম স্মরণীয় হয়ে থাকল।

    শনিবার রিয়াদের এক স্টেডিয়ামে ম্যাচ দেখার অনুমতি পেয়েছেন মহিলারা। ধীরে ধীরে স্টেডিয়ামগুলোর দরজা মহিলাদের জন্য খুলে দেওয়া হচ্ছে।

  • নির্বাচনের আগে কেন ‘পর্নস্টার’কে কোটি টাকা দিয়েছিলেন ট্রাম্প?

    নির্বাচনের আগে কেন ‘পর্নস্টার’কে কোটি টাকা দিয়েছিলেন ট্রাম্প?

    বরাবরই বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকতে চান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। সেটা নির্বাচিত হওয়ার আগে থেকেই। আর নির্বাচনের পরেও তো সেটা আরও বহু গুণ বেড়ে গেছে। এবার তার সঙ্গে সাবেক এক পর্নস্টারের যৌন সম্পর্কের কথা প্রকাশ্যে এসেছে। শুধু তাই নয়, প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে ওই পর্নস্টারকে মোটা টাকা দিয়েছিলেন মার্কিন এই ধনকুবের, যাতে তাদের সম্পর্কের কথা প্রকাশ্যে ফাঁস করে না দেন। আমেরিকার দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের বরাত দিয়ে এ খবর জানিয়েছে লন্ডনভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম দ্য ইনডিপেন্ডেন্ট।

    খবরে বলা হয়, ট্রাম্পের তার এই সম্পর্কের বিষয়ে মুখ মুখ বন্ধ করতে ২০১৬ সালে অক্টোবরে স্ট্রোরমি ডানিয়েল নামের ওই পর্নস্টারকে ১ লাখ ৩০ হাজার ডলারের চেক দেন ট্রাম্পের আইনজীবী মাইকেল কোহেন। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ১ কোটি ৭ লাখ টাকা। কারণ ট্রাম্প চাননি এই সম্পকের কথা নির্বাচনের সময় ফাঁস হোক। নইলে বিরোধীরা তার সুবিধা নেবে। সেই ভয়ে ট্রাম্প ওই পর্নস্টারের সঙ্গে এই চুক্তি করেন।

    যদিও গোটা বিষয়টিকে গুজব বলে উড়িয়ে দিয়েছেন ট্রাম্পের ওই আইনজীবী। একই দাবি সেই পর্নস্টারেরও। অন্যদিকে হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে খবরের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে।

  • চীন শক্তিশালী হতে পারে, ভারত দুর্বল নয় : ভারতের সেনাপ্রধান

    চীন শক্তিশালী হতে পারে, ভারত দুর্বল নয় : ভারতের সেনাপ্রধান

    ভারত দুর্বল দেশ নয়। ভারত ভূখণ্ডে হানাদারি মেনে নেওয়া হবে না। চীনের উদ্দেশে কড়া বার্তা দিলেন ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল বিপিন রাওয়াত। একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, রাসায়নিক, জৈব, তেজস্ক্রিয় ও পরমাণু অস্ত্রের বিপদ সম্পর্কে আশঙ্কা ক্রমশ বাস্তব হচ্ছে। তার মতে, জঙ্গি-সন্ত্রাসবাদীদের থেকেই এই বিপদ আসতে পারে।

    শুক্রবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে জেনারেল রাওয়াত পাকিস্তানের চেয়েও চীন বড় বিপদ বলে ইঙ্গিত করেছেন। তিনি বলেন, পশ্চিমপ্রান্ত থেকে সরিয়ে এবার উত্তরের দিকে নজর দেওয়ার সময় এসেছে। যে কোন বিদেশি আগ্রাসনের মোকাবিলা করতে সামরিক বাহিনী প্রস্তুত। এই অঞ্চলে চীনের অগ্রগতি প্রতিহত করার ক্ষমতা রাখে বাহিনী।

    উল্লেখ্য, চীন সাম্প্রতিককালে ভারতের বিভিন্ন প্রতিবেশী রাষ্ট্রকে বিপুল আর্থিক সহযোগিতা দিয়ে নিজেদের পক্ষে টানার চেষ্টা করছে। এ প্রসঙ্গে সেনাপ্রধানের মন্তব্য, ভারত তা হতে দেবে না। তিনি বলেন, “চীন শক্তিশালী হতেই পারে। তাই বলে ভারত কোন অংশে দুর্বল নয়।”

  • ট্রাম্পের ‘শিটহোল’ শব্দ নিয়ে বিব্রত সাংবাদিকরা

    ট্রাম্পের ‘শিটহোল’ শব্দ নিয়ে বিব্রত সাংবাদিকরা

    “এসব ‘শিটহোল’ দেশের লোকজন সবাই কেন আমাদের দেশে আসছে”? হোয়াইট হাউজের এক বৈঠকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই বর্ণবাদী মন্তব্য করেন বলে অভিযোগ করা হচ্ছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নাকি হোয়াইট হাউজে রিপাবলিকান এবং ডেমোক্রেট দলীয় সেনেটরদের সঙ্গে এক বৈঠকে এভাবেই হেইতি,এল সালভাডর এবং আফ্রিকান দেশগুলোকে বর্ণনা করেছেন। এই বৈঠকে তিনি সিনেটরদের সঙ্গে অভিবাসন নিয়ে কথা বলছিলেন।

    প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প অবশ্য এই শব্দটি ব্যবহারের কথা অস্বীকার করেছেন। কিন্তু তারপরও ঘটনাটি সাংবাদিকদের রিপোর্ট করতে হয়েছে। আর এই ‘শিটহোলে’র অনুবাদ করতে গিয়ে বিশ্বজুড়েই সাংবাদিকরা বেশ বিপাকেই পড়েছিলেন।

    যুক্তরাষ্ট্রের গণমাধ্যমে ‘শিটহোল’ শব্দটি সরাসরি ব্যবহার করেনি অনেকে। সিএনন এবং এমএসএনবিসি তাদের স্ক্রীনে শব্দটি ব্যবহার করেছে, কিন্তু সংবাদ উপস্থাপক ওলফ ব্লিটজার পুরো শব্দটি না বলে এর চেয়ে কম আপত্তিকর ‘এস হোল’ বলেই ক্ষান্ত দিয়েছেন।

    কিন্তু বাকী দুনিয়ার সাংবাদিকরা কী করেছেন?
    বিবিসি ওয়ার্ল্ড সার্ভিসে কয়েক ডজন ভাষায় সংবাদ প্রচার করা হয়। সেই বিভিন্ন ভাষায় কিভাবে বর্ণনা করা হয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্টের উচ্চারিত এই শব্দটি?

    কিছু কিছু ভাষা বিভাগ ‘শিটহোল কান্ট্রিজে’র একেবারে আক্ষরিক অনুবাদই করেছে। বিবিসি মুন্ডু, যারা মূলত স্প্যানিশ ভাষায় দক্ষিণ আমেরিকার মানুষের জন্য রেডিও অনুষ্ঠান করে, তারা এটিকে অনুবাদ করেছে ‘পেইসেস ডে মিয়েরডা’ বা ‘মল বা বিষ্ঠার দেশ’ বলে।

    বিবিসি তুর্কী ভাষা বিভাগ ‘শিটহোলে’র অনুবাদ করেছে ‘বোক কাকারু’ বা ‘মল ভর্তি গর্ত’ বলে।

    বিবিসি ইন্দোনেশিয়া ভাষা বিভাগ জানিয়েছে, তাদের ভাষায় ‘শিটহোল’ হচ্ছে, ‘লোবাং কোটেরান’, অর্থাৎ ‘মলত্যাগের গর্ত। তারা সংবাদটি পরিবেশনের সময় তাই বলেছে।

    বিবিসি ইন্দোনেশিয়ার লিস্টন সিরেগার বলেন, আমাদের শ্রোতাদের জন্য এটা সেরকম বড় কোন ব্যাপার নয়। এটা একটা অভদ্র এবং বাজে শব্দ। কিন্তু ইন্দোনেশিয়ায় কেউ যখন খুব রেগে যায়, তখন এরকম শব্দ ব্যবহার করে। তবে একজন রাজনীতিক বা প্রেসিডেন্টের মুখ থেকে এটা কেউ আশা করেন না।”

    তবে অন্য অনেক ভাষা বিভাগ সরাসরি এই শব্দের আক্ষরিক অনুবাদ ব্যবহার করতে চাননি এটি খুবই অরুচিকর শোনাবে বলে। উর্দূ ভাষা বিভাগ ব্যবহার করেছে ‘ঘাটিয়া’ বা টয়লেট শব্দটি। বিবিসির ফার্সি বিভাগের সাংবাদিকরা ব্যবহার করেন ‘টয়লেটের মলভান্ড’ শব্দটি।

    রুশ ভাষা বিভাগের ফামিল ইসমাইলভ বলেন, আমাদের ভাষায় এরকম শব্দ আমরা ব্যবহার করতে পারি না, এটা ইংরেজীর চেয়েও অনেক বেশি আপত্তিকর শোনাবে।”তারা এটির অনুবাদ হিসেবে ব্যবহার করেছেন ‘দূর্গন্ধযুক্ত গর্ত’।

    ভিয়েতনামী বিভাগের সাংবাদিক থু ফ্যান বলেন, তারাও আক্ষরিক অনুবাদের পরিবর্তে টয়লেট শব্দটি ব্যবহার করেছেন। তার মতে, যদি তারা আসল শব্দটি ব্যবহার করতেন, তাহলে হয়তো খবরটি ভাইরাল হয়ে যেতে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

    কিন্তু ইংরেজি ভাষাতেই বা ‘শিটহোলে’র আসল অর্থ কী?

    অক্সফোর্ড ইংলিশ ডিকশনারী অনুযায়ী শিটহোলের এক নম্বর অর্থ আসলে ‘রেকটাম’ বা ‘অ্যানাস’, অর্থাৎ মানুষের মলদ্বার। এর তিন নম্বর অর্থ হিসেবে টয়লেটও আছে অবশ্য। তবে বিবিসির থাই সার্ভিস তাদের খবরে ‘শিটহোলের’ অনুবাদ হিসেবে ‘মলদ্বার’কেই বেছে নিয়েছে।

    সূত্র: বিবিসি বাংলা

  • ইরানের সঙ্গে সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক চুক্তি করল চীন

    ইরানের সঙ্গে সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক চুক্তি করল চীন

    যুক্তরাষ্ট্রের চাপের মুখেই ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানকে এক হাজার কোটি ডলার ঋণ দিল চীন। এজন্য দু দেশের মধ্যে একটি চুক্তি হয়েছে।

    জানা গেছে চুক্তি অনুযায়ী, চীনের সিআইটিআইসি গ্রুপ কর্পোরেশন ইরানের কয়েকটি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে অর্থ সরবরাহ করবে। জ্বালানি, প্রাকৃতিক পরিবেশ, পরিবহন ও জল-সম্পদ ব্যবস্থা খাতের নানা প্রকল্প বাস্তবায়নে সে অর্থ ব্যয় করবে তারা। চুক্তি সইয়ের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইরানের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর ওয়ালিউল্লাহ সাইফ।

    পরে তিনি সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, ইরানের ব্যাংকগুলো চিনের সিআইটিআইসি’র কাছ থেকে অক্টোবর মাসের প্রথম দিক থেকে অর্থ পেতে শুরু করবে। তিনি জানান, চীনা সংস্থাটি অনেক বেশি সহজ শর্তে ঋণ দিতে রাজি হয়েছে যা ব্যাংক ইতিহাসে ইতিবাচক সহযোগিতার ভিত্তি হতে পারে।

    উল্লেখ্য, ২০১৫ সালে ইরান ও ছয় জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে পরমাণু সমঝোতা সই হওয়ার পর এটাই হচ্ছে তেহরান এবং বেইজিংয়ের মধ্যে সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক চুক্তি।

  • অাসাম থেকে বিতাড়িত মানুষদের পশ্চিমবঙ্গে স্থান দিতে আর্জি মমতার

    অাসাম থেকে বিতাড়িত মানুষদের পশ্চিমবঙ্গে স্থান দিতে আর্জি মমতার

    ভারতের অাসাম রাজ্য থেকে অত্যাচারিত হয়ে আসা মানুষদের পশ্চিমবঙ্গে আশ্রয় দেওয়ার জন্য রাজ্যের সাধারণ মানুষের কাছে আবেদন রাখলেন রাজ্যটির মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। মঙ্গলবার পশ্চিমবঙ্গের আলিপুরদুয়ারের শামুকপোতায় এক জনসভা থেকে রাজ্যবাসীর কাছে এই আদেবন রাখেন মমতা।

    অাসাম থেকে ‘ন্যাশনাল রেজিস্টার অব সিটিজেনস’ (এনআরসি)-র প্রথম খসড়ায় বাঙালি ও হিন্দী ভাষাভাষী মানুষের বাদ পড়া নিয়ে বিজেপি সরকারকে আক্রমণ করে মমতা ব্যানার্জি বলেন, ‘আজকে অাসামে বাংলা ভাষায় যারা কথা বলছে-অনেক বৈধ নাগরিকের নাম তালিকায় না তুলে, তাদের বিদায় দেওয়ার নাম করে তাদের ওপর অত্যাচার করার প্রবণতা শুরু হয়েছে। মালদা, নদীয়া, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি থেকে গত কয়েক বছর ধরে অাসামে বসবাস করছে ঠিক সেরকম ওখানকার মানুষও আমাদের রাজ্যে আছে। অথচ অাসামে সেই সব মানুষদের মেরে তাড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। কেন এটা হবে?’

    মমতার দাবি, ‘অাসামের ৩.২৯ কোটি মানুষের মধ্যে থেকে ১.২৯ কোটির মানুষকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি-এদের মধ্যে বাংলা ও হিন্দি ভাষাভাষী মানুষও রয়েছে’। এসময় সভায় উপস্থিত মানুষদের উদ্যেশ্যে মমতা বলেন, ‘তারা (অাসাম) কিভাবে ওই মানুষগুলোকে তাড়াতে পারে? আমি আপনাদের সবাইকে সতর্ক থাকতে বলবো। ওখান (অাসাম) থেকে অত্যাচারিত হয়ে যদি কেউ এখানে (পশ্চিমবঙ্গ) আসে তবে নিজের মনে করে তাদের স্থান দেবেন। আপনারা তাদের তাড়িয়ে দেবেন না’।

    মমতা আরও বলেন, ‘আমাদের পাশে ভুটান দেশ, ভুটানকে আমরা খুব ভালবাসি। আমাদের পাশে বাংলাদেশ, ওদের আমরা ভালবাসি, ওরাও আমাদের ভালবাসে। ওদের ভাষা বাংলা, আমাদের ভাষাও বাংলা। পাশে নেপাল আছে তাদের সাথেও আমাদের ভালো সম্পর্ক। ঠিক সেরকম পাশে অাসাম রাজ্যও আছে। এটা আমাদের সীমান্তবর্তী রাজ্য। বাংলা ভাল থাকলে অাসাম ভালো থাকে, আবার অাসাম ভালো থাকলে বাংলা ভালো থাকে। কিন্তু সেখানে কোন গণ্ডগোল হলে বাংলায় তার প্রভাব পড়ে, কিন্তু বাংলাতে কোন গণ্ডগোল হলে অাসামে তার প্রভাব পড়ে না কারণ আমরা নিয়ন্ত্রণে রাখি’।

    তবে এবারই প্রথম নয় এর আগেও অাসামে বৈধ নাগরিকদের তালিকা প্রকাশ নিয়ে নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী। মমতার অভিযোগ, সিটিজেনশিপ অ্যাক্টের নামে অাসামে সবাইকে তাড়িয়ে দেওয়ার চক্রান্ত চলছে।

    এদিকে, এনআরসি নিয়ে মমতার ভূমিকার প্রশংসা করেছেন তাঁরই সরকারের নগরায়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম।  কলকাতা যোধপুর পার্কে একটি অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে এই প্রভাবশালী মন্ত্রী বলেন, ‘পরিস্থিতি যদি সেরকম তৈরি হয় তবে অাসামের বিতাড়িতদের এখানে আশ্রয়ের বিষয়টা গুরুত্বসহকারে ভেবে দেখা হবে’।

    মন্ত্রী জানান, ‘ভারত আমাদের সকলের। এদেশের সব জায়গাই আমাদের সকলের। এদেশে একটা জাতিকে থাকতে দেবে না-এটা দেশের সংবিধানবিরোধী। ভারত সরকারের উচিত সেই রাজ্য সরকারের ওপর কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া’।

    ফিরহাদ আরও জানান, ‘তিনি (মমতা) সত্য কথা বলতে কখনও ভয় পান না। বাঙালির ওপর অত্যাচার হলে মুখ্যমন্ত্রী বলবেনই। এতে বিরোধীরা কি বললো তাতে কিছু যায় আসে না’।