Category: আন্তর্জাতিক

  • জেরুজালেমকে রাজধানী স্বীকৃতির প্রতিবাদে শুক্রবার বিক্ষোভ

    জেরুজালেমকে রাজধানী স্বীকৃতির প্রতিবাদে শুক্রবার বিক্ষোভ

    মুসলমানদের পবিত্র শহর আল কুদসকে (জেরুজালেম) ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির শায়খুল ইসলাম আল্লামা শাহ আহমদ শফী ও মহাসচিব আল্লামা জুনাইদ বাবুনগরী।

    বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এক যুক্ত বিবৃতিতে তারা বলেন, পবিত্র মসজিদুল আকসাকে ঘিরে গড়ে ওঠা জেরুজালেম নগরীকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসেডিন্ট অন্যায়ভাবে ইসরাইলের রাজধানী ঘোষণা করে মুসলিম উম্মাহর বিরুদ্ধে যুদ্ধ লাগিয়ে দিয়েছে। তার সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসী সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে বিশ্ব মুসলিম নেতারা ও জনসাধারণকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

    তারা বলেন, জেরুজালেম শুধু ফিলিস্তিনি মুসলমানদের নয়, গোটা মুসলিম উম্মাহর। ইসলামের প্রথম কেবলা বায়তুল মুকাদ্দাসের এ ভূমি মুসলমানদের রক্তের চাইতেও পবিত্র। এটা কখনও কোনো ইহুদি গোষ্ঠীর হতে পারে না।

    হেফাজত নেতৃদ্বয় আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রেসিডেন্ট একজন মস্তিষ্কবিকৃত লোক। তার একের পর এক নানা বিতর্কিত ও আগ্রাসনমূলক সিদ্ধান্তে বিশ্বশান্তি মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের ভাবমূর্তিকে বিশ্ববাসীর কাছে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।

    তারা বলেন, বিশ্ববাসীর কর্তব্য হলো শান্তি নিরাপত্তার স্বার্থে এ উগ্রবাদী প্রেসিডেন্টের লাগাম টেনে ধরতে সোচ্চার প্রতিবাদে শামিল হওয়া। কারণ, যুক্তরাষ্ট্রের কূট রাজনীতি ও আগ্রাসী সমরনীতির কারণে গোটা মধ্যপ্রাচ্যসহ এশিয়া ও আফ্রিকার বহু দেশে চরম অস্থিতিশীলতা ও সংঘাতময় পরিস্থিতি বিরজ করছে।

    হেফাজত নেতৃদ্বয় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কর্তৃক অধিকৃত ফিলিস্তিনের জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে একতরফাভাবে স্বীকৃতি দেয়ার প্রতিবাদে আগামীকাল শুক্রবার বাদ জুমা হেফাজতে ইসলামের উদ্যোগে সারা দেশে বিক্ষোভ মিছিলে শামিল হওয়ার জন্য হেফাজত নেতাকর্মী, ওলামায়ে কেরাম ও জনসাধারণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

  • রোহিঙ্গা’ শব্দ উচ্চারণ করায় তোপের মুখে পোপ

    রোহিঙ্গা’ শব্দ উচ্চারণ করায় তোপের মুখে পোপ

    বাংলাদেশ সফরের সময় পোপ ফ্রান্সিস রোহিঙ্গা শব্দটি উচ্চারণ করায় মিয়ানমারে সোশাল মিডিয়ায় তার তীব্র সমালোচনা হচ্ছে। ঢাকায় রোহিঙ্গা শব্দটি বললেও এর মাত্র কয়েকদিন আগে পোপ ফ্রান্সিস যখন মিয়ানমারে ছিলেন তখন তিনি এই শব্দটি এড়িয়ে গেছেন। শুক্রবার ক্যাথলিক খৃস্টানদের ধর্মীয় এই নেতা ঢাকার একটি গির্জায় কয়েকজন রোহিঙ্গার দুর্দশার কথা শোনেন এবং তিনি নিজেও রোহিঙ্গা শব্দটি উচ্চারণ করেন।
    রোহিঙ্গা শব্দটি মিয়ানমারের কর্তৃপক্ষের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। তারা রোহিঙ্গাদেরকে কোন জাতিগোষ্ঠী হিসেবেও স্বীকার করে না। তাদের কাছে তারা অবৈধ বাঙালি। মিয়ানমারে গিয়ে তিনি যখন রোহিঙ্গা শব্দটি বলেন নি তখন মিয়ানমারের ক্ষুদ্র ক্যাথলিক গোষ্ঠী তার এই সিদ্ধান্তের প্রশংসা করেছিলো। প্রশংসা করেছিলেন কট্টরপন্থী বৌদ্ধরাও।
    কিন্তু পোপ ফ্রান্সিস ঢাকায় রোহিঙ্গা শব্দটি উচ্চারণ করেছেন এবং একই সাথে বাংলাদেশ থেকে রোমে ফিরে আসার পথে বিমানের ভেতরে সাংবাদিকদের কাছে তিনি ব্যাখ্যা দিয়েছেন কেন তিনি মিয়ানমারে রোহিঙ্গা শব্দটি না বলার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।
    বার্তা সংস্থা এএফপি বলছে, পোপ ফ্রান্সিস রোহিঙ্গা শব্দটি উচ্চারণ করার পর মিয়ানমারের অনলাইনে এর ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া চোখে পড়ছে। দেশটিতে পাঁচ দশকের মতো সময় মত প্রকাশের ক্ষেত্রে কঠোর বিধিনিষেধ ছিলো। কিন্তু এখন এই দেশটিতে লোকজন সোশাল মিডিয়া ব্যবহার করছেন।
    অং সো লিন নামে একজন ফেসবুকে এই মন্তব্য করেন, ‘তিনি হচ্ছেন একটা গিরগিটির মতো, আবহাওয়ার কারণে যার গায়ের রঙ বদলে গেছে।’
    অন্যদিকে মিয়ানমারে একটি রাজনৈতিক দলের নেতা মং থোয়ে চুন পোপের সিদ্ধান্তের প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেছেন, মানবাধিকার গ্রুপের চাপ সত্ত্বেও মিয়ানমারে তিনি ‘রোহিঙ্গা’ বলেন নি। তার অর্থ তিনি মিয়ানমারের লোকজনকে ভালোবাসেন। এই শব্দটি তিনি বাংলাদেশে বহুবার উচ্চারণ করেন নি। মাত্র একবারই এটা বলেছেন। আমার মনে হয়, মানবাধিকার সংগঠনগুলোকে সন্তুষ্ট করার জন্যে তিনি একাজ করেছেন। বিবিসি
  • কম্বোডিয়ার সঙ্গে ১০টি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত

    কম্বোডিয়ার সঙ্গে ১০টি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত

    বাণিজ্য-বিনিয়োগ, পর্যটন ও তথ্য-প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা এগিয়ে নিতে কম্বোডিয়ার সঙ্গে ১০টি সমঝোতা স্মারক এবং একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ।

    সোমবার নমপেনে কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় পিস প্যালেসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী হুন সেনের উপস্থিতিতে এসব সমঝোতা স্মারক ও চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন দুই দেশের প্রতিনিধিরা। খবর বাসসের।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের এবং হুন সেন কম্বোডিয়ার প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন।
    চুক্তি স্বাক্ষরের আনুষ্ঠানিকতার আগে দুই প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে একান্তে এবং দুই দেশের প্রতিনিধিদলের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হয়। চুক্তি স্বাক্ষরের পর শেখ হাসিনা ও হুন সেন যৌথ বিবৃতিতে দুই দেশের সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

  • পারমাণবিক জুয়া খেলায় মেতেছেন ট্রাম্প, উ. কোরিয়ার হুঁশিয়ারি!

    পারমাণবিক জুয়া খেলায় মেতেছেন ট্রাম্প, উ. কোরিয়ার হুঁশিয়ারি!

    উত্তর কোরিয়া বিশ্বজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছে। উত্তর কোরিয়া যে ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির ক্ষেত্রে বেশ খানিকটা এগিয়ে গেছে, সেকথা স্বীকারও করে নিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এদিকে, উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্রের হুঁশিয়ারি, কোরীয় উপদ্বীপে ট্রাম্প একটি ভয়াবহ বিপজ্জনক পারমাণবিক জুয়া খেলায় মেতে উঠেছেন। বিবৃতিতে ট্রাম্পকে একটি ‘পারমাণবিক রাক্ষস’ এবং ‘বিশ্ব শান্তি বিনষ্টকারী’ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।

    উত্তর কোরিয়ার মতে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার প্রশাসন ‘আন্তরিকভাবে পরমাণু যুদ্ধ কামনা’ করছে। পিয়ংইয়ংকে ভয় দেখাতে যখন বিশাল সামরিক মহড়া করছে যুক্তরাষ্ট্র এবং দক্ষিণ কোরিয়া, ঠিক তখন এমন হুঁশিয়ারি দিলেন কিম জং উন। উত্তর কোরিয়া গত মঙ্গলবার এই যাবতকালের সবচেয়ে শক্তিশালী আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালানোর পর ওয়াশিংটন ও সিউল এক মহড়ার কর্মসূচি ঘোষণা করে। ওই ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার পরদিন জাতিসংঘে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত নিকি হ্যালি নিরাপত্তা পরিষদের এক বৈঠকে উত্তর কোরিয়াকে ‘পুরোপুরি ধ্বংস’ করে ফেলার হুমকি দেন। এছাড়া, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে আরো ‘কঠোর নিষেধাজ্ঞা’ আরোপের হুমকি দিয়েছেন।

    এদিকে, ইন্টারন্যাশনাল ইন্সটিটিউট ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডি’র ক্ষেপণাস্ত্র বিশেষজ্ঞ মাইকেল ইলম্যান জানান, সম্প্রতি উত্তর কোরিয়া ক্ষেপণাস্ত্রের যে সব ছবি প্রকাশ করেছে, তা আগের ক্ষেপণাস্ত্র চেয়ে অনেক বড় এবং শক্তিশালী। প্রাথমিকভাবে হিসেব করে জানা যাচ্ছে- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডের যেকোন প্রান্তে এই ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানতে পারে।

  • হোয়াইট হাউসে ইঁদুর, তেলাপোকা আর পিঁপড়ার উপদ্রব

    হোয়াইট হাউসে ইঁদুর, তেলাপোকা আর পিঁপড়ার উপদ্রব

    হোয়াইট হাউসে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কর্মকর্তারা রক্ষণাবেক্ষণ কর্মীদের কাছে কয়েক ডজন সমস্যার কথা জানিয়েছিলেন। যার মধ্যে ছিল ইঁদুর-তেলাপোকা-পিঁপড়ার উপদ্রব আর সেই সাথে টয়লেটের ভেতর ভাঙ্গা সিট।

    হোয়াইট হাউজে রক্ষণাবেক্ষণ কাজের আদেশের একটি তালিকা সংগ্রহ করেছে এনবিসি ওয়াশিংটন। এর মধ্যে বারাক ওবামার প্রশাসনের শেষ বছরের কার্যাদেশও রয়েছে। সেই তালিকা থেকেই এসব তথ্য জানা গেছে।

    এর আগে হোয়াইট হাউসে নৌবাহিনীর কর্মকর্তাদের মেসে খাবার সরবরাহ করা হয় যেখান থেকে, সেখানে এবং হোয়াইট হাউসের সিচুয়েশন রুমেও ইঁদুর দেখা গেছে বলে অভিযোগ করা হয়। গত দু বছরে এসব সমস্যার সমাধানের জন্য কয়েকশো অনুরোধ জানানো হয়েছিল।

    ইউএস জেনারেল সার্ভিসেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (জিএসএ) রক্ষণাবেক্ষণ কাজগুলোর তদারকি করে। এর সাবেক ইন্সপেক্টর জেনারেল ব্রায়ান মিলার এনবিসি ওয়াশিংটনকে বলেন, ‘সেগুলোতো খুব পুরনো ভবন । এরকম পুরোনো বাড়ি যাদের আছে, তারা জানে যে এরকম বাড়িতে কী পরিমাণ কাজ থাকে । ‘

    এই কার্যাদেশ তালিকা দেখে বোঝা যাচ্ছে, ডাইনিং রুমে তেলাপোকা আর চিফ অব স্টাফ কোয়ার্টারগুলোতে পিঁপড়া খুব বড় সমস্যা।

    সাংবাদিকরা কাজ করেন যে প্রেস লবিতে, সেখানকার রান্নাঘরে তেলাপোকা আর পিঁপড়া, দুটিরই উপদ্রব।

    এ বছরের শুরুতে ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তারা যখন হোয়াইট হাউসে আসেন, তখন এসব উপদ্রব মোকাবেলার পাশাপাশি আরও অনেক মেরামতের কাজের অনুরোধ জানানো হয়েছিল।

    সাবেক প্রেস সেক্রেটারি শন স্পাইসার তার অফিসের আসবাবপত্র সরানোর জন্য আবেদন করেছিলেন।

    অন্যদিকে ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স তার ফায়ার প্লেসের সামনের বিখ্যাত ‘মার্থা ওয়াশিংটন চেয়ার’- এর পায়া মেরামত করার জন্য রক্ষণাবেক্ষণ কর্মী চেয়েছেন।

    এছাড়াও ফার্স্ট লেডির তিন তলার ইস্ট উইং অফিসে সাজানোর জন্য নতুন পর্দা লাগানোর অনুরোধ করা হয়েছিল। মিলার বলেন, যে হোয়াইট হাউসের রক্ষণাবেক্ষণ করা সাঙ্ঘাতিক কাজ, এর একটা বড় কারণ স্থানটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব।

  • আজানের সময় ভাষণ থামালেন মোদি

    আজানের সময় ভাষণ থামালেন মোদি

    আজান চলাকালীন বক্তব্য থামালেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বুধবার বিকালে গুজরাটের আহমেদাবাদের নির্বাচনী প্রচারণায় বক্তব্য রাখছিলেন মোদি।

    সেসময়ই পাশের একটি মসজিদ থেকে আজানের শব্দ ভেসে আসে। সাথে সাথে বক্তব্য থামিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী, আজান শেষ না হওয়া পর্যন্ত তিনি মঞ্চেই দাঁড়িয়ে থাকেন। এরপর আজান শেষে ফের ভাষণ শুরু করেন।

    আগামী ৯ ডিসেম্বর গুজরাট বিধানসভার প্রথম দফার নির্বাচন। তার আগে দক্ষিণ গুজরাটের নবসারিতে প্রচারণায় গিয়েছিলেন মোদি। সেখানেই আজান চলাকালীন মাঝপথে নিজের ভাষণ থামিয়ে দেন মোদি।

    তবে এবারই প্রথম নয়, আজান চলাকালীন এর আগেও একবার নিজের ভাষণ থামিয়ে দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। গত বছরেই পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার নির্বাচনী প্রচারণায় রাজ্যটির খড়গপুরে এক প্রচারণায় যোগ দিতে এসে আজানের সময় নিজের বক্তব্য সাময়িক বন্ধ রাখেন মোদি।

    সেসময় পোডিয়ামে রাখা গ্লাস থেকে পানি খেয়ে টানা তিন মিনিট নীরবতা পালন করেন।

    পরে আজান শেষে মোদি জানিয়েছিলেন ‘প্রার্থনা চলাকালীন সময়ে আমি কারো ব্যাঘাত করতে চাই না। সেই কারণেই আমি কিছুটা বিশ্রাম নিয়ে নিলাম। ’

  • ‘অশ্লীল’ শব্দ ব্যবহারের অভিযোগে নগ্ন করা হলো ৮৮ ছাত্রীকে

    ‘অশ্লীল’ শব্দ ব্যবহারের অভিযোগে নগ্ন করা হলো ৮৮ ছাত্রীকে

    প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ‘অশ্লীল’ শব্দ লিখেছিল স্কুলের কোনো এক ছাত্রী। কিন্তু তার খোঁজ না পেয়ে অশ্লীল শব্দ লেখার অপরাধে নগ্ন করা হলো স্কুলের ৮৮ জন ছাত্রীকে।

    সম্প্রতি ভারতের অরুণাচল প্রদেশের পাপুম পারা জেলার কস্তুরবা গান্ধী বালিকা বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই গোটা এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

    জি নিউজের খবর, ‘অভিযুক্তকে’ খুঁজে বের করতে ক্লাস সিক্স এবং সেভেনের ৮৮ জন ছাত্রীকে পোশাক খুলে শাস্তি দেওয়া হয়। গান্ধী বালিকা বিদ্যালয়েরই ৩ শিক্ষক ওই এ কাজ করেন বলে অভিযোগ।

    খবরে বলা হয়, গত ২৩ নভেম্বর ওই ঘটনা ঘটলেও তা প্রকাশ্যে আসে ২৭ নভেম্বর। জানা যায়, ২৭ নভেম্বর অল সাগলি স্টুডেন্ট ইউনিয়নে অভিযোগ দায়ের করে ৮৮ জন ছাত্রী। এরপরই বিষয়টি নিয়ে হইচই শুরু হয়। প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ‘অশ্লীল’ শব্দ প্রয়োগ করা হয়েছে সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই শালীনতার মাত্রা ছাড়িয়ে গিয়ে শাস্তির এমন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন স্কুলের দুই সহকারী শিক্ষক ও এক জুনিয়র শিক্ষক।

    পুলিশ জানিয়েছে, শিক্ষার্থী এবনং তাদের অভিভাবকদের অভিযোগের ভিত্তিতে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে গান্ধী বালিকা বিদ্যালকের ৩ শিক্ষককে।

    তদন্ত করেই যাবতীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

  • মুসলিম বিদ্বেষী ভিডিও শেয়ার দিলেন ট্রাম্প

    মুসলিম বিদ্বেষী ভিডিও শেয়ার দিলেন ট্রাম্প

    ব্রিটেনের চরম ডানপন্থী একটি দলের তিনটি উস্কানিমূলক মুসলিম বিদ্বেষী ভিডিও নতুন করে টুইট (রি-টুইট) করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ব্রিটেন ফার্স্ট নামে দলটির উপনেতা জেইডা ফ্রানসেনের প্রথম টুইট বার্তায় এক ভিডিওতে দাবি করা হয়- একজন মুসলিম অভিবাসী ক্র্যাচ নিয়ে চলা এক প্রতিবন্ধীর ওপর হামলা করেছে।
    এরপর তিনি আরো দুই ব্যক্তির একই ধরনের দু’টি ভিডিও পোস্ট করে দাবি করেন তারাও মুসলমান। এর একটিতে দেখানো হয় মুসলিমরা একটি খ্রিস্টান মূর্তি ভাঙছে আর অন্যটিতে তারা এক বালককে হত্যা করছে। এই তিনটি ভিডিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট তার নিজের টুইটারে অ্যাকাউন্ট থেকে শেয়ার করেন।
    ব্রিটিশ ফার্স্ট দলটি গঠিত হয়েছিল ২০১১ সালে। উগ্র ডানপন্থী ব্রিটিশ ন্যাশনাল পার্টির (বিএনপি) সাবেক সদস্যরা এটি গঠন করে। ‘যুক্তরাজ্যের ইসলামীকরণ’ উল্লেখ করে দলটি বিতর্কিত বিভিন্ন পোস্ট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দিয়ে মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। ফার্স্ট নেতা ফ্রানসেনকে টুইটে অনুসরণ করে ৫২ হাজার ব্যবহারকারী। মূল ভিডিওটি প্রথমে শেয়ার করেন আমেরিকার রক্ষণশীল একজন ভাষ্যকার অ্যান কুলটার। মার্কিন প্রেসিডেন্ট এই টুইট শেয়ার করার পর ফ্রানসেন খুবই উত্সাহের সঙ্গে তার উত্তরে লেখেন ‘এই ভিডিওগুলো ট্রাম্প নিজে নতুন করে টুইট করেছেন। তার ফলোয়ারের সংখ্যা প্রায় চার কোটি ৪০ লক্ষ। ঈশ্বর ট্রাম্পের মঙ্গল করুন! আমেরিকার মঙ্গল করুন!’
    সম্প্রতি বেলফাস্টে দেয়া এক ভাষণে হুমকি দেয়া, অপমানজনক ভাষা ব্যবহার এবং আচরণের জন্য ফ্রানসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। আগামী ১৪ই ডিসেম্বর বেলফাস্ট ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে তাকে হাজির হতে বলা হয়েছে। তার উস্কানিমূলক ভিডিওগুলো ট্রাম্প রি-টুইট করায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র প্রতিক্রিয়া চলছে। টিভি উপস্থাপক ও সাংবাদিক পিয়ের্স মরগ্যান মার্কিন প্রেসিডেন্টকে ‘বন্ধু’ বলে অভিহিত করে থাকেন। তিনি এক টুইট বার্তায় বলেছেন, ‘আপনি এটা কি কাণ্ড করছেন! এই পাগলামো বন্ধ করুন এবং টুইটগুলো সরিয়ে ফেলুন’। একই ধরনের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন আরো অনেকে। বিবিসি।
  • গায়ের কালো রঙেই আজ বিখ্যাত তিনি

    গায়ের কালো রঙেই আজ বিখ্যাত তিনি

    বছর দশেক আগের কথা। মা ও ভাই-বোনদের হাত ধরে দক্ষিণ সুদান থেকে রিফিউজি ক্যাম্প হয়ে কেনিয়া যান তিনি। অবশেষে খালি পায়ে পৌঁছান যুক্তরাষ্ট্রে। সে সময় তার বয়স ছিল মাত্র ১৪ বছর।

    তিনি আর কেউ নন, আন্তর্জাতিক মডেলিং দুনিয়ায় যার পরিচিতি ‘কুইন অফ দ্য ডার্ক’ নামে; তার প্রকৃত নাম নেয়াকিম গ্যাটওয়েক। ‘মডেল’ শব্দের অর্থ কী, ১৪ বছর বয়স পর্যন্ত সেটাই জানতেন না তিনি।

    noakim-2

    ভাগ্যের কী লীলা! ২৪ বছর বয়সে এসে সেই তারই ইনস্টাগ্রামে ফলোয়ারের সংখ্যা প্রায় তিন লাখ। অথচ এক সময় গায়ের রংয়ের কারণে উঠতে-বসতে তাকে হয়রানির শিকার হতে হয়েছে।

    নেয়াকিম জানান, যুক্তরাষ্ট্রে এসে তিনি স্কুলে ভর্তি হন। প্রথম দিকে সেখানেও তাকে গায়ের রঙের জন্য বিড়ম্বনায় পড়তে হয়। কিন্তু হার মানার মেয়ে নন তিনি।

    noakim-2

    নিজের সাফল্যের প্রধান কারণ হিসেবে নেয়াকিম জানান, নিজেকে ভীষণ ভালবাসি। ভালবাসি আমার গায়ের রং। নিজেকে ভাল না বাসলে, অন্য কেউ আপনাকে ভালবাসবে না।

    সফল এই মডেল চান বিশ্ব দরবারে সুদানের কথা তুলে ধরতে। তার খুব ইচ্ছে, নিজের জন্মভূমির জন্য কিছু করার। বিশেষ করে সেখানকার ছোট ছোট অসহায় মেয়েদের জন্য কিছু করার।

  • এবার গোটা যুক্তরাষ্ট্র হাতের নাগালে, দাবি কিমের

    এবার গোটা যুক্তরাষ্ট্র হাতের নাগালে, দাবি কিমের

    আন্তর্জাতিক চাপের মুখেও একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছে উত্তর কোরিয়া। সর্বশেষ হাওয়াজং-১৫ নামে একটি অন্তর্মহাদেশীয় ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালায়, যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডের যে কোনো অংশে আঘাত হানতে সক্ষম বলে দাবি করেছে কিম জং উনের প্রশাসন।

    সম্প্রতি পরীক্ষা চালানো এই ক্ষেপণাস্ত্রটি প্রায় ৯৪০ কিলোমিটার দূরে জাপান সাগরে গিয়ে আঘাত হানে ক্ষেপণাস্ত্রটি। ক্ষেপণাস্ত্রের সর্বোচ্চ উচ্চতা ছিল ৪ হাাজর ৫০০ কিলোমিটার। উত্তর কোরিয়ার দাবি, আগের ক্ষেপণাস্ত্রের উন্নত রূপ এটি। ১৩ হাজার ০০০ কিলোমিটার পাল্লার এই ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানতে পারে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতেও।

    যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কথাযুদ্ধের মধ্যেই এ নিয়ে চলতি বছর ২০টি ব্যলেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালিয়ে উত্তর কোরিয়া। বরাবরের মতো এবারও কড়া নিন্দা করেছে আন্তর্জাতিক মহল। নিন্দা করেছে জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া। এদিন উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার খবর প্রকাশ্যে আসতেই পর পর তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করে পাল্টা শক্তিপ্রদর্শন করে দক্ষিণ কোরিয়া।

    এদিকে, ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার পরপরই জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি বৈঠক আহ্বান করেছে জাপান।

    উত্তর কোরিয়ার এই আচরণকে মেনে নেওয়া অসম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে। কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও।