Category: আন্তর্জাতিক

  • প্যারাডাইস কেলেঙ্কারিতে কাঁপছে বিশ্ব

    প্যারাডাইস কেলেঙ্কারিতে কাঁপছে বিশ্ব

    বিশ্বের ২৫ হাজারেরও বেশি প্রতিষ্ঠানের অর্থনৈতিক লেনদেন ও মালিকানা সংক্রান্ত গোপন তথ্যভাণ্ডার ফাঁস হয়ে গেছে। ১৮০টি দেশের ধনী, সুপরিচিত ও প্রভাবশালীদের এই তথ্যভাণ্ডার তাদের গোপন বিনিয়োগ, অর্থ পাচারসহ  কর ফাঁকির বিষয় প্রমাণ করে।

    বেশির ভাগ তথ্যই বিভিন্ন দেশের রাজনীতিবিদদের, যারা কর থেকে বাঁচার জন্য বিভিন্ন ট্যাক্স হ্যাভেনে (কর দিতে হয় না কিংবা খুবই নিম্ন হারে কর দেওয়া যায় এমন দেশ) বিনিয়োগ করে আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন। তাই এই কেলেঙ্কারির নাম দেওয়া হয়েছে ‘প্যারাডাইস পেপারস’। স্থানীয় সময় রবিবার এই পেপারস সবার সামনে ফাঁস হওয়ার পর সারা বিশ্বেই হৈচৈ পড়ে গেছে। ফাঁস হয়েছে বিশ্বের ক্ষমতাধর অনেক ব্যক্তির গোপন তথ্য। গোপন নথিতে উঠে এসেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, ব্রিটেনের রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ, কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর মতো হাইপ্রোফাইল মানুষের গোপন তথ্য।

    প্যারাডাইস পেপারসে ১৪ জন বর্তমান ও সাবেক রাষ্ট্রপ্রধানসহ বিশ্বের কমপক্ষে ৪৭টি দেশের ১২৭ জন রাজনীতিক এবং সরকারি কর্মকর্তার সম্পদ ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের দলিল রয়েছে। স্থানীয় সময় রবিবার প্রকাশিত ওই নথিতে আরও উঠে এসেছে সৌদি আরবের বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ, আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট মরিসিও ম্যাকরি, সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট ও আবুধাবির আমির খলিফা জায়েদ বিন সুলতান আল নাহিয়ান, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট পেত্রো প্রসেনকো, কানাডার সাবেক প্রধানমন্ত্রী পল মার্টিন, পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শওকত আজিজ, কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট হুয়ান ম্যানুয়েল সান্তোস, লিবিয়ার প্রেসিডেন্ট এলেন জনসন সারলেফ, জর্দানের রানী নুর আল হুসেইন, সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন নায়েফ বিন আবদুল আজিজসহ শতাধিক ব্যক্তির নাম।

    শুধু তাই নয়, ভারতেরও সাত শতাধিক ব্যক্তির নাম রয়েছে এ তালিকায়। প্যারাডাইস পেপারসে বলা হয়েছে, করের হাত থেকে বাঁচতে দেশের বাইরের বিভিন্ন স্থানে অর্থ খাটিয়েছেন এই আলোচিত বিত্তশালীরা। কর দিতে হয় না বা নামমাত্র কর দিয়ে বিনিয়োগ করা যায় এমন স্থানগুলোই বেছে নিয়েছেন তারা। অনেকেই এসব লেনদেন করেছেন সবার চোখের আড়ালে। অর্থ আয়ের জন্য এমন গোপন বিনিয়োগের সঙ্গে জড়িত অনেকের নাম এরই মধ্যে প্রকাশ করা হয়েছে। সামনে আরও নাম প্রকাশ করা হবে বলে জানা গেছে।   গত বছর ফাঁস হওয়া পানামা পেপারসের মতো এবারও এসব নথি প্রথমে আসে জার্মান দৈনিক সুইডয়চে সাইটংয়ের হাতে। পরে সেসব নথি ইন্টারন্যাশনাল কনসোর্টিয়াম অব ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিস্টসের (আইসিআইজে) হাতে তুলে দেয় তারা। ১ কোটি ৩৪ লাখ গোপন নথির এই ডাটাবেজে রয়েছে ১ হাজার ৪০০ গিগাবাইটেরও বেশি ডাটা।

    নথিগুলোর প্রায় ৬৮ লাখ এসেছে অফশোর আইনি সেবা সংস্থা অ্যাপলবাই এবং করপোরেট সেবা সংস্থা এস্টেরা থেকে। ২০১৬ সালে এস্টেরা আলাদা হয়ে যাওয়ার আগ পর্যন্ত প্রতিষ্ঠান দুটি একসঙ্গে অ্যাপলবাই নামে কর্মকাণ্ড চালাত। আরও ৬০ লাখ নথি ১৯টি আদালতের করপোরেট রেজিস্ট্রি থেকে বের করা হয়েছে। আদালতগুলোর বেশির ভাগই ক্যারিবীয় অঞ্চলের। বাকি অল্প কিছু নথি পাওয়া গেছে সিঙ্গাপুরভিত্তিক আন্তর্জাতিক ট্রাস্ট এবং করপোরেট সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠান এশিয়া সিটি ট্রাস্ট থেকে। প্যারাডাইস পেপারসে ফাঁস করা নথিতে রয়েছে ১৯৫০ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত প্রায় ৭০ বছরের তথ্য। এসব নথি পেয়েছে বিবিসি, গার্ডিয়ানসহ বিভিন্ন দেশের ১০০টি সংবাদমাধ্যম। ৫ নভেম্বর আইসিআইজে তাদের ওয়েবসাইটে এ তথ্য প্রকাশ করেছে।

  • সৌদি আরবে ১১ রাজপুত্রসহ একাধিক মন্ত্রী আটক

    সৌদি আরবে ১১ রাজপুত্রসহ একাধিক মন্ত্রী আটক

    সৌদি আরবে নবগঠিত দুর্নীতি দমন কমিটি দেশটির ১১জন রাজপুত্র, বর্তমান মন্ত্রী এবং বেশ কয়েকজন সাবেক মন্ত্রীকে আটক করেছে। সৌদি ন্যাশনাল গার্ড এবং নৌবাহিনী প্রধানের পদেও করা হয়েছে রদবদল।

    শনিবার সৌদি বাদশাহ নিজে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানকে প্রধান করে ওই দুর্নীতি দমন কমিটি গঠন করেন। যুবরাজ চাইলে যে কাউকে গ্রেফতার করার এবং যে কারো উপরে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা দেবার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে।

    রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গে যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান

    এই কমিটি গঠন করার কয়েকঘণ্টার মধ্যেই গ্রেফতার করার ঘটনা ঘটলো। আটককৃতদের নাম এবং তাদেরকে আটক করার কারণ সম্পর্কে এখনো কিছুই স্পষ্ট করা হয়নি।

    তবে, সৌদি গণমাধ্যম আল-অ্যারাবিয়া জানিয়েছে, ২০০৯ সালে সৌদিতে যে বন্যা হয়েছিল এবং ২০১২ সালে মার্স ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার যে ঘটনা ঘটেছিল এই বিষয়গুলো নিয়ে নতুন করে তদন্ত শুরু হয়েছে।

    যুবরাজ সালমান ন্যাশনাল গার্ড মন্ত্রী প্রিন্স মিতেব বিন আব্দুল্লাহকে এবং নেভি কমান্ডার এডমিরাল আব্দুল্লাহ বিন সুলতান বিন মোহাম্মদ আল সুলতানকে বরখাস্ত করেছেন বলে জানিয়েছে এসপিএ। তবে, তাদের কেন পদচ্যুত করা হয়েছে এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো কারণ ব্যাখ্যা করা হয়নি। সূত্র : বিবিসি

  • ৪ মন্ত্রীকে নিয়ে আত্মসমর্পণ করলেন পুজেমন

    ৪ মন্ত্রীকে নিয়ে আত্মসমর্পণ করলেন পুজেমন

    কাতালোনিয়ার ক্ষমতাচ্যুত ও স্বাধীনতাকামী নেতা কার্লেস পুজেমন ও তার সহযোগী ৪ মন্ত্রী আত্মসমর্পণ করেছেন।

    ইউরোপীয় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পর স্থানীয় সময় রবিবার সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে বেলজিয়াম পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেন।

    খবর আল-জাজিরার।

    এর আগে, বেলজিয়ামে পালিয়ে যাওয়ার পর গতকাল শনিবার কার্লেস পুজেমন এবং তার ৪ মন্ত্রীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে স্পেন।

    পুলিশের এক মুখপাত্র জানান, সোমবার অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্তা সিদ্ধান্ত নেবেন। জামিন পাবেন কিনা, কিংবা স্পেনে নেওয়া হবে কখন, সেটি তখনই বোঝা যাবে।

    গত ১ অক্টোবর গণভোটে স্বাধীনতার পক্ষের রায় দেয় কাতালোনিয়ারা। এর কিছুদিন পরই স্বাধীনতার ঘোষণা করে কাতালোনিয়ার আঞ্চলিক পার্লামেন্ট, কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকার সেই ঘোষণাকে অসাংবিধানিক ঘোষণা দিয়ে কেন্দ্রের শাসন জারি করে। এরপর পুজেমনসহ বাকি চার নেতার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ ও উস্কানি দেওয়ার অভিযোগ আনে স্পেন সরকার। তখন গ্রেফতারি এড়াতে তারা বেলজিয়ামে পালিয়ে যান।

    এদিকে, রাষ্ট্রদ্রোহ ও জনগণকে বিক্ষোভে অংশ নিতে উস্কানি দেওয়া এবং সরকারি তহবিল অপব্যবহারের অভিযোগে কাতালোনিয়ার আঞ্চলিক সরকারের ক্ষমতাচ্যুত ৮ মন্ত্রীকে আটক করা হয়।

    এই ঘটনার প্রতিবাদে বার্সেলোনাসহ কাতালোনিয়ার অনেকগুলো বড় শহরে বিক্ষোভে নামে সাধারণ মানুষজন। যদিও পরে ৫০ হাজার ইউরোর মিনিময়ে তাদের একজনকে জামিন দেওয়া হয়।

  • মেয়ে হয়ে জন্মানোর খেসারত, ট্রেন থেকে চার বোনকে ফেলে দিলেন বাবা!

    মেয়ে হয়ে জন্মানোর খেসারত, ট্রেন থেকে চার বোনকে ফেলে দিলেন বাবা!

    ভারতের উত্তরপ্রদেশে চলন্ত ট্রেন থেকে চার মেয়েকে ফেরে দিয়েছে এক বাবা। গত ২৩ অক্টোবর মধ্যরাতে কামাখ্যা-কাটারা এক্সপ্রেস থেকে ইদ্দু মিঞাঁ নামে এক ব্যক্তি তার পাঁচ মেয়ের মধ্যে চারজনকে ছুঁড়ে ফেলে দেন।

    কপালজোরে বেঁচে যাওয়া চারজনের একজন আলগুনকে পাশে নিয়ে হাসপাতালে কাঁদতে কাঁদতে নিহত শিশুদের মা ৩৬ বছরের আফরীনা খাতুন পুলিশকে জানিয়েছেন, ‘কন্যা-সন্তান জন্ম দেওয়ার মাসুল গুণলেন। ‘

    ওই নারী জানান, লখনউ থেকে প্রায় ৯০ কিলোমিটার উত্তরে সীতাপুর দিয়ে ট্রেনটি যখন যাচ্ছিল, সেই সময় ৪২ বছরের ইদ্দু এক-এক করে চার ময়েকে চলন্ত ট্রেন থেকে ছুঁড়ে ফেলে দেয়।

    আফরীন খাতুন বলেন, মুনিয়া (নিহত মেয়েদের একজন) আমার জন্য মারা গেল। তার দাবি, তিনি জানতেই পারেননি, কখন তার স্বামী শিশুদের ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছিল। বলেন, শেহজাদী নামে এক মেয়েকে নিয়ে তিনি ঘুমাচ্ছিলেন।

    আফরীন খাতুন আরও জানান, ঘুম ভাঙার পর, তিনি চারজনের খোঁজ করতে গিয়ে স্বামীকে প্রশ্ন করলে সে জবাব দেয়, ফেলে দিয়েছি। ইদ্দু যোগ করে, পাঁচ-পাঁচ মেয়েকে খাওয়াবে আর কে বিয়ে দেবে।

    আফরীনের অভিযোগ, কাউকে কিছু বললে সে আমাকে ও শেহজাদীকেও ছুঁড়ে ফেলার হুমকি দেয়। ভয়ে কাউকে কিছুই জানাননি আফরীন।

    তার দাবি, জম্মু পৌঁছে ইদ্দু তাদের দুজনকে ফেলে চলে যায়।

    এদিকে, চলন্ত ট্রেন থেকে ছুঁড়ে ফেলার পরও কপালজোরে কোনও ক্রমে বেঁচে যায় আলগুন। টুকরো হয়ে যাওয়া পা নিয়ে তাকে সীতাপুরের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

    পুলিশ জানিয়েছে, গত ২৫ তারিখ লখিমপুর খেরির মৈগালগঞ্জ স্টেশনের কাছে রেললাইনের ওপর থেকে উদ্ধার করা হয় আলগুন খাতুনকে।

    আফরীনা জানান, জম্মুতে কাজ করার জন্য বিহার স্ত্রী ও মেয়েদের ছাড়ে ইদ্দু। মেয়েদের নিয়ে আফরীন থেকে যান ঝাকরায়। তিনি বলেন, এবার জম্মু থেকে ফিরে স্ত্রী ও মেয়েদের নিয়ে যেতে চায় ইদ্দু।

    তার আফশোস, তিনি যদি একবার টের পেতেন, তার স্বামীর মনে কী মারাত্মক পরিকল্পনা চলছে, তাহলে কখনই ট্রেনে উঠতেন না।

  • ৩০ বছর পর ভারত মহাসাগরে যুদ্ধজাহাজ নামাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

    ৩০ বছর পর ভারত মহাসাগরে যুদ্ধজাহাজ নামাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

    আন্তর্জাতিক মহলকে উত্তপ্ত করে নিজেদের সামরিক বাহিনীকে শক্তিশালী করতে ব্যস্ত বিশ্বের ক্ষমতাধর দেশগুলো। আর তারই জের ধরে ৩০ বছর পর ভারত মহাসাগরে যুদ্ধজাহাজ পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।

    চীনের প্রভাবকে চ্যালেঞ্জ জানাতে ও উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক হুমকি মোকাবিলায় ইউএসএস নিমিতজ-এর নেতৃত্বে রণতরী যাচ্ছে ভারত মহাসাগরে।

    এ ব্যাপারে বৃহস্পতিবার সংবাদমাধ্যম এশিয়ান টাইমস এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী শনিবার তিনদিনের জন্য শ্রীলঙ্কার কলম্বো বন্দরে নোঙর ফেলবে নৌবহরটি। মার্কিন দূতাবাস থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ১৯৮০ সালের পর এই প্রথম কোনো নৌবহর পাঠাচ্ছে তারা।

    জানা গেছে, তিনদিনে মার্কিন নাবিকরা শ্রীলঙ্কা সফরের সুযোগ পাবেন। এখানকার মানুষের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ পাবেন। এছাড়া মার্কিন সেনারা, স্কুল, হাসপাতাল, বৃদ্ধাশ্রমসহ অন্যান্য জনসেবামূলক কাজে অংশ নেবে। মূলত, স্থানীয় হাসপাতালগুলিতেই যাবেন তাঁরা।

    এশিয়ান টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, এর মাধ্যম উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে পারমাণবিক পরীক্ষা নিয়ে স্নায়ুযুদ্ধে শক্তিমত্তা প্রদর্শন করছে যুক্তরাষ্ট্র। চলতি সপ্তাহেই এশিয়া সফর করছেন ট্রাম্প।

    এছাড়া এটি শ্রীলঙ্কায় চীনের প্রভাবকে চ্যালেঞ্জ জানানোর প্রক্রিয়াও হতে পারে।

    অন্যদিকে, চীনকে ঠেকাতে প্রস্তুত ভারত। ভারত মহাসাগরের অন্তত ১০০টি যুদ্ধজাহাজ সাজিয়ে চীনের পথ আটকে দেওয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন দেশটির নৌসেনা প্রধান অ্যাডমিরাল সুনীল লাংবা।

    অ্যাডমিরাল সুনীল লাংবা বলেন, চীন যেভাবে ভারত মহাসাগরের দিকে এগিয়ে আসছে, তা থামাতে ভারত কয়েকটি বন্ধু দেশের সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়ে ভারত মহাসাগর ঘিরে ফেলেছে। যেকোন সময় চীনের নৌসেনাকে আটকাতে প্রস্তুত ওইসব যুদ্ধজাহাজ।

  • শিগগিরই জাকির নায়েককে প্রত্যর্পণের অনুরোধ জানাবে ভারত

    শিগগিরই জাকির নায়েককে প্রত্যর্পণের অনুরোধ জানাবে ভারত

    অবশেষে মালয়েশিয়ায় স্থায়ী আশ্রয় পেয়েছে ভারতের বহুল আলোচিত ধর্ম প্রচারক জাকির নায়েক। মালয়েশিয়া সরকার তাকে দেশটিতে স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতি দিয়েছে।

    তবে আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে জাকির নায়েককে হস্তান্তরের অনুরোধ জানাবে ভারত।

    ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রবীশ কুমার এমনই জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, আমাদের অভ্যন্তরীণ আইনি প্রক্রিয়া শেষের পথে। সেটা সম্পূর্ণ হয়ে গেলে শিগগিরই সরকারিভাবে মালয়েশিয়া সরকারকে অনুরোধ জানানো হবে। আগামী দু’সপ্তাহের মধ্যেই আমাদের অনুরোধের বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে যাবে।

    বক্তব্যের মাধ্যমে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে সংঘাত ও ঘৃণার পরিবেশ তৈরি করার অভিযোগে গত সপ্তাহেই জাকির নায়েকের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেছে এনআইএ। এরপরেই জানা গেছে, মালয়েশিয়ায় বহাল তবিয়তে আছেন জাকির। তাকে স্বাগত জানিয়েছে মালয়েশিয়া সরকার। সেদেশে বেশ জনপ্রিয় এই ধর্মপ্রচারক।

    তাই ভারতের অনুরোধ মেনে মালয়েশিয়া সরকার জাকিরকে প্রত্যর্পণ করবে কি না, সে বিষয়ে যথেষ্ট সংশয় আছে। তবে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সবদিক খতিয়ে দেখে জাকিরের প্রত্যর্পণের বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে।

    এদিকে, গত মাসে মালয়েশিয়ার পুত্রজায়ার এক মসজিদে ড. জাকির নায়েককে প্রকাশ্যে দেখা যায়। এছাড়া জাকির নায়েকের সঙ্গে বৈঠকের ছবি ফেসবুকে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাক।

    তবে ড. জাকির নায়েককে মালয়েশিয়া আশ্রয় দেয়ায় অনেকেই অভিযোগ করেছেন ইসলামি মূল্যবোধ নিয়ে রাজনীতি করছে নাজিব সরকার।

    অন্যদিকে, মালয়েশিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী আহমদ জাহিদ হামিদি পার্লামেন্টে বলেছেন, জাকির নায়েককে স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতি পক্ষপাতমূলকভাবে দেওয়া হয়নি। তিনি এ দেশে বসবাসের সময় কোনো আইন ভঙ্গ করেননি। তাই তাকে গ্রেফতারেরও কোনো আইনি ভিত্তি নেই। এছাড়া জাকির নায়েককে ফেরত দেয়ার বিষয়ে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে কোনো অনুরোধ পায়নি মালয়েশিয়া সরকার।

    গত বছরের ডিসেম্বরে জাকির নায়েকের বিরুদ্ধে ভারতে একটি ফৌজদারি মামলা করা হয়। তার প্রতিষ্ঠান ইসলামিক রিসার্চ ফাউন্ডেশনকে ৫ বছরের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়। তখন থেকেই ড. নায়েক ভারতের বাইরে পলাতক অবস্থায় আছেন।

    উল্লেখ্য, ঢাকায় হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয় হামলা চালানোর পর তরুণরা সন্ত্রাসী কাজে অনুপ্রাণিত করতে পারে, এমন ধারণায় বাংলাদেশ সরকারও পিস টিভি চ্যানেল বন্ধ করেছে।

  • ভারতের শীর্ষ ধনীর স্ত্রী হয়েও ৮০০ টাকার বেতনে চাকরি!

    ভারতের শীর্ষ ধনীর স্ত্রী হয়েও ৮০০ টাকার বেতনে চাকরি!

    ভারতের শীর্ষ ধনী মুকেশ আম্বানির স্ত্রী তিনি। তবে স্বামীর পরিচয়ের বাইরে গিয়ে ক্রিকেট, ফুটবল-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে পা রেখে নিজের স্বতন্ত্র পরিচয় তৈরি করে ফেলেছেন নীতা আম্বানি।

    শুধু তাই নয়, ভারতের প্রথম নারী হয়ে ইন্টারন্যাশনাল অলিম্পিক কমিটির সদস্য হয়েছেন তিনি। গতকাল বুধবার ছিল নীতা আম্বানির জন্মদিন। এ উপলক্ষে সম্প্রতি ভারতের একটি হিন্দি দৈনিকে সাক্ষাৎকার দেন তিনি। সেখানে এমন কিছু তথ্য জানিয়েছেন যা শুনলে চোখ কপালে উঠার কথা সকলেরই।

    ভারতীয় গণমাধ্যম এবেলার খবর, মুকেশ আম্বানির সঙ্গে বিয়ের আগে থেকেই শিশুদের পড়াতে ভালবাসতেন নীতা। একটি বেসরকারি স্কুলে পড়াতেনও তিনি। স্কুলে শিক্ষকতার কাজ যে তিনি চালিয়ে যেতে চান, বিয়ের পরে সেকথা মুকেশকে জানান নীতা। আপত্তি করেননি মুকেশও। তবে ৮০০ টাকা মাসিক বেতনে চাকরি করাটাই অবাক করছে সকলকেই।

    আসলে শিক্ষকতা তিনি ভালোবাসতেন, তাই পেশা ছাড়তে চাননি।

    সাক্ষাৎকারে নীতা আম্বানিআরও জানান, স্কুলে পড়ানোর সময়ই নীতার এক ছাত্রের অভিভাবক ১৯৮৭ সালের বিশ্বকাপের দু’টি টিকিট তাঁকে দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু নীতা তা ফিরিয়ে দেন। সেই বিশ্বকাপের স্পনসর ছিল রিলায়েন্স গ্রুপ (প্রতিষ্ঠাতা নীতার স্বামী মুকেশ আম্বানি)। কিন্তু খেলার দিন ভিআইপি বক্সে নীতাকে দেখে অবাকই হয়ে যান সেই অভিভাবকরা। পরে তাঁরা নীতাকে প্রশ্ন করে জানতে পারেন নীতা মুকেশ আম্বানির স্ত্রী। যেটা শুনে তারা আবারও অবাক হয়ে যান।

  • দেশীয় উপায়ে পরমাণু কর্মসূচি চালু করতে যাচ্ছে সৌদি

    দেশীয় উপায়ে পরমাণু কর্মসূচি চালু করতে যাচ্ছে সৌদি

    এবার দেশীয় উপায়ে ইউরেনিয়াম নিষ্কাশন শুরু করতে যাচ্ছে সৌদি আরব। পরমাণু শক্তিতে নিজেদের এগিয়ে নিতে এমন পরিকল্পনার কথা ভাবছে দেশটি।

    ইতিমধ্যে ইরানের পরমাণু প্রযুক্তি নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে রয়েছে পশ্চিমা বিশ্ব। এমন পরিস্থিতিতে সৌদি আরবের এ ঘোষণা পশ্চিমা বিশ্বের জন্য একটি আঘাত হিসেবে দেখা দিতে পারে।

    তবে দেশটির ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জ্বালানি খাতে স্বয়ংসম্পূর্ণতা আনতে এ পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে।

    সৌদি আরবের কিং আব্দুল্লাহ সিটি ফর অ্যাটমিক অ্যান্ড রিনিউএবল এনার্জি (কেএসিএআরই)-এর প্রধান হাশিম বিন আব্দুল্লাহ ইয়ামেনি জানিয়েছেন, পরমাণু জ্বালানির উদ্দেশে ইউরেনিয়াম নিষ্কাশন শুরু হবে। এটি হবে সম্পূর্ণ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড।

    আবুধাবিতে পরমাণু শক্তি বিষয়ে এক কনফারেন্সে তিনি বলেন, সৌদি আরব ইউরেনিয়াম নিষ্কাশন প্রক্রিয়া শুরু করবে এবং এটি জ্বালানি খাতের সাফল্যের জন্য করা হবে। এর সঙ্গে সামরিক খাতের কোনো সম্পর্ক থাকবে না।

    তবে বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেল উৎপাদনকারী এ দেশটির পরমাণু জ্বালানির দিকে নজর দেয়াকে জ্বালানি খাতে বৈচিত্র্য আনার চেষ্টা বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞরা।

    পারমাণবিক শক্তি উৎপাদনের জন্য ইউরেনিয়ামকে অন্তত ৫ শতাংশ হারে নিষ্কাশন করতে হয়।

    কিন্তু এজন্য যে প্রযুক্তি ব্যবহার করা উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন অস্ত্র উৎপাদনের জন্য একই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।

  • রোহিঙ্গাদের ৭১ হাজার একর জমির ধান কাটছে মিয়ানমার

    রোহিঙ্গাদের ৭১ হাজার একর জমির ধান কাটছে মিয়ানমার

    উত্তর রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ছেড়ে আসা আবাদি জমি থেকে ধান কেটে নিতে শুরু করেছে মিয়ানমার সরকার। স্থানীয কর্মকর্তাদের বরাত ফরাসি বার্তাসংস্থা এএফপি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

    এএফপি বলছে, মিয়ানমার সরকারের এই পদেক্ষেপের ফলে সাম্প্রদায়িক সহিংসতায় পালিয়ে যাওয়া ৬ লাখের বেশি রোহিঙ্গার রাখাইনে ফেরা নিয়ে উদ্বেগ বাড়াতে পারে। গত আগস্টের শেষের দিকে শুরু হওয়া সহিংসতায় মিয়ানমারের এই সীমান্ত অঞ্চলের বেশির ভাগই এখন জনমানবশূন্য। রোহিঙ্গাবিরোধী মিয়ানমার সেনাবাহিনীর অভিযানকে জাতিসংঘ ‘জাতিগত নিধন’ হিসাবে চিহ্নিত করেছে।

    বৌদ্ধ সংখ্যাগরিষ্ঠ মিয়ানমারে ‘রাষ্ট্রহীন সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা’দের রাখাইন ছেড়ে বাংলাদেশে পালিয়ে আসার সংখ্যা ৬ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। উত্তর রাখাইনের রোহিঙ্গাদের শত শত গ্রাম পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারা বলছেন, রাখাইনের উগ্র বৌদ্ধদের সহযোগিতায় মিয়ানমার সেনাবাহিনী সেখানে হত্যা, ধর্ষণ ও অগ্নিসংযোগ করছে।

    আন্তর্জাতিক ব্যাপক চাপের মুখে মিয়ানমার সরকার রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবসনের অঙ্গীকার করেছে। যারা সেদেশের বাসিন্দা হিসেবে প্রমাণ দেখাতে পারবেন শুধুমাত্র তাদেরকেই ফেরত নেয়া হবে বলে দেশটির নেত্রী অং সান সু চি জানিয়েছেন।

    তবে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবসনের এই পরিকল্পনা এখনো আঁধারেই রয়েছে। দেখা দিয়েছে বেশ কিছু প্রশ্নের; কে তাদেরকে ফেরার অনুমতি দেবে, তাদেরকে কীভাবে ফেরত নেয়া হবে এবং কীভাবে তারা ওই অঞ্চলে বসবাস করবেন যেখানে রোহিঙ্গাবিরোধী বিদ্বেষ এখনো আকাশচুম্বী।

    রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম বলছে, শনিবার রাখাইনের মংডুর ৭১ হাজার একর জমির ধান কাটতে শুরু করেছে সরকার। ব্যাপক সহিংসতায় মংডুর অধিকাংশ এলাকা থেকে পালিয়েছে সংখ্যালঘু রোহিঙ্গারা।

    মংডু কৃষি বিভাগের প্রধান কর্মকর্তা থেইন ওয়েই বলেন, আমরা আজ থেকে মিও থু জি গ্রামের জমি থেকে ধান কাটতে শুরু করেছি। আমরা বাঙালিদের কিছু ধানক্ষেত কাটতে যাচ্ছি; যারা বাংলাদেশে পালিয়েছেন। বৌদ্ধ অধ্যুষিত মিয়ানমারের রোহিঙ্গাদের অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসী হিসেবে ডাকা হয়।

    তবে দেশটির সরকার এই ধান কী করবে বা প্রক্রিয়া কি হবে সেবিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য দিতে পারেননি ওই কর্মকর্তা। ফসল কাটার কাজে সহায়তা করার জন্য দেশের অন্যান্য অংশ থেকে শ্রমিকদের নিয়ে আসা হয়েছে বলে রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম গ্লোবাল নিউ লাইট অব মিয়ানমারের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

    রাখাইন থেকে রোহিঙ্গাদের বিতাড়িত করতেই একাজ করা হচ্ছে বলে মিয়ানমার সরকারের ব্যাপক সমালোচনা করেছে মানবাধিকার সংগঠনগুলো। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস ওয়াচের ফিল রবার্টসন বলেন, ফসল কাটায় সরকারি কর্মকর্তার নেতৃত্ব দেয়ায় বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। যে রোহিঙ্গারা এসব জমিতে বীজ বপন করেছিলেন সেটার চেয়ে ফসল কাটতেই বেশি মনযোগী মিয়ানমার সরকার।

    এসব বলপ্রয়োগের অর্থ হচ্ছে বাংলাদেশে পালিয়ে যাওয়া রোহিঙ্গাদের রাখাইন থেকে বার্তা দেয়া হচ্ছে যে, ‘তোমাদের যা ছিল; এখন তা আমাদের এবং তোমাদের ফিরিয়ে নেয়া হবে না।’

    সূত্র : এএফপি, গ্লোবাল নিউ লাইট অব মিয়ানমার।

  • ‘সব হারিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের বেদনা বুঝি’ – শেখ হাসিনা

    ‘সব হারিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের বেদনা বুঝি’ – শেখ হাসিনা

    মিয়ানমার সেনাবাহিনীর অত্যাচার-নির্যাতনের শিকার হয়ে সব হারিয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের দুর্দশার চিত্র তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সব হারিয়ে যারা বাংলাদেশে এসেছেন তাদের বেদনা বুঝি।

    আজ মঙ্গলবার বেলা পৌঁনে ১২টার দিকে কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালংয়ে নিবন্ধিত রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন শেষে জনসভায় তিনি এ কথা বলেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বজন হারানোর বেদনা আমরা বুঝি। ’৭৫-এ বাবা-মা হারিয়ে আমাদেরও রিফিউজি হিসেবে বিদেশে থাকতে হয়েছে। ’৭১-এ পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী আমাদের ওপর এভাবেই অত্যাচার-নির্যাতন চালিয়েছে। পাক হানাদার বাহিনী আমাদের ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দিয়েছিল, আমাদের দেশের মানুষকেও ভারতে আশ্রয় নিতে হয়েছিল।

    তিনি বলেন, ‘মানবিক দিক বিবেচনা করে আমরা তাদের আশ্রয় দিয়েছি। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ও আমাদের মানুষদের ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া হয়। মানুষ উপায় না পেয়ে ভারতে পালিয়ে যায়। তাই আমাদের যতটুকু সামর্থ আছে সাহায্য করছি। এ বিষয়ে আমরা কমিটিও করে দিয়েছি। ’

    শেখ হাসিনা আরও বলেন, ‘বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের খাদ্য, আশ্রয় দেওয়া হচ্ছে। আমি রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমারের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোকে আহ্বান জানাচ্ছি। তবে প্রতিবেশী দেশ হিসেবে আমাদের যা করার দরকার আমরা সেটি করবো। ’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মিয়ানমারে যেভাবে মানুষ হত্যা করা হচ্ছে তাতে কি তাদের বিবেককে নাড়া দেয় না? একজনের ভুলে এভাবে লাখ লাখ মানুষ ঘরহারা হচ্ছে। আমরা শান্তি চাই। ’

    তিনি আরও বলেন, ‘আমরা ১৬ কোটি মানুষের দেশ। সবার খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারছি। সেখানে আরও ৫/৭ লাখ মানুষকেও খেতে দিতে পারবো। ’

    এ সময় স্থানীয়দের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এখন যারা যুবক তারা হয়তো মুক্তিযুদ্ধ দেখেননি। কিন্তু আমরা দেখেছি। তাই রোহিঙ্গাদের যেন কোনও কষ্ট না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। ’

    এসময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী, চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজ, কক্সবাজার-৩ আসনের আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য সাইমুম সরওয়ার কমল, আবু রেজা মোহাম্মদ নিজামউদ্দিন নদভী, মন্ত্রিপরিষদ সচিব শফিউল আলম ও মুখ্য সচিব কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী।

    এর আগে বেলা সোয়া ১০টার দিকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বিমানে করে তিনি কক্সবাজার বিমানবন্দরে পৌঁছান। সেখান থেকে গাড়ি বহরে কুতুপালংয়ের উদ্দেশে রওনা হন। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তিনি ক্যাম্পে পৌঁছান।