Category: ইসলাম

  • ঐক্যফ্রন্টের সাথে বসতে চায় ইসলামী আন্দোলন

    ঐক্যফ্রন্টের সাথে বসতে চায় ইসলামী আন্দোলন

    একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে পুনর্নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলনের হুমকি দিয়েছে চরমোনাইয়ের পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীমের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন, বাংলাদেশ। দাবি আদায়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে আলোচনায় বসতে চায় দলটি।

    মঙ্গলবার (০১ জানুয়ারি) কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে দলটির আমির রেজাউল করীম বলেন- ‘দেশের সচেতন জনগণ ও যারা দেশের পক্ষে, তাদের সঙ্গেই আমাদের ঐক্য হবে। দাবিগুলো এক হলে ঐক্যফ্রণ্টের সঙ্গে আলোচনায় বসতে পারি।

    ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনকে ‘প্রহসনের নির্বাচন’ আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন- ‘নির্বাচনে জনগণের মতামতের কোনো প্রতিফলন ঘটেনি। তাই এই ফলাফল আমরা প্রত্যাখ্যান করছি। নির্দলীয় সরকারের অধীনে পুনরায় নির্বাচনের দাবি জানাচ্ছি। দাবি মানা না হলে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

    নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ভূমিকা নিয়ে সমালোচনা করে রেজাউল করীম বলেন- ‘২৯৮ আসনে আমরা প্রার্থী দিয়েছিলাম। তাই নির্বাচনে অনিয়মের বিষয়ে আমরা বেশি অবগত। এ বিষয়ে বারবার আমরা ইসিতে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। দলের নেতারা প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেও অভিযোগ জানিয়েছেন। কিন্তু কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি ইসি।

    চরমোনাইয়ের পীর বলেন- ‘আওয়ামী লীগ ও মহাজোটের প্রার্থীরা আচরণবিধি লঙ্ঘন করার পরেও প্রশাসন ছিল নীরব। এবারের নির্বাচনে সব কেন্দ্রেই ‘ভোট ডাকাতি’ হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ও দায়িত্ব পালনরত প্রশাসনিক লোকজন নৌকা ও মহাজোটের প্রার্থীদের জয়ী করতে একযোগে কাজ করেছেন।’

    সংবাদ সম্মেলনে ইসলামী আন্দোলনের সভাপতিম-লীর সদস্য ঢাকা-৪ আসনের প্রার্থী সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল-মাদানী, যুগ্ম মহাসচিব এটিএম হেমায়েতউদ্দীন ও মাবুবুর রহমান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি ইমতিয়াজ আলম এবং ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি ফজলে বারী মাসউদসহ উপস্থিত ছিলেন।

  • জামায়াতকে নির্বাচন করা থেকে বিরত রাখার আইন নেই’

    জামায়াতকে নির্বাচন করা থেকে বিরত রাখার আইন নেই’

    একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক করাটা চ্যালেঞ্জ ছিল। ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট শেষ মুহূর্তে নির্বাচনে আসে। তফসিল ঘোষণার পর মনোনয়ন দাখিল করেন জোটটির প্রার্থীরা। রিটার্নিং অফিসারের কাছে বাছাইয়ে বাদ পড়ে এই জোটের শতাধিক প্রার্থী। পরবর্তীতে নির্বাচন কমিশনে আপিল করে লড়াইয়ে ফেরেন বেশির ভাগ প্রার্থী।

    এবার নির্বাচনের মাত্র সাতদিন আগে নতুন চ্যালেঞ্জে পড়েছে ইসি। আদালতের আদেশে প্রার্থিতা বাতিল বা স্থগিত হয়েছে প্রায় ১৫ প্রার্থীর।
    বিএনপি’র মনোনয়নে একাদশ সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী জামায়াত নেতাদের প্রার্থিতার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে আজ।

    এর আগে চার ব্যক্তি জামায়াত নেতাদের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে উচ্চ আদালতে রিট করেছিলেন। হাইকোর্ট এ নিয়ে রুল জারি করে। একই সঙ্গে জামায়াত নেতাদের প্রার্থিতায় আপত্তি জানিয়ে ইসিতে দাখিল করা আবেদন নিষ্পত্তিরও নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট।

    এদিকে, নির্বাচন কমিশন থেকে আগেই বলা হয়েছে জামায়াত নেতাদের নির্বাচন থেকে দূরে রাখার কোনো আইন নেই। ইসি’র ওই অবস্থান আজ বদলাবে কি না সেদিকে নজর রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের। যেসব আসনে প্রার্থিতা বাতিল হচ্ছে ওইসব আসনে পুনঃতফসিলের দাবি উত্থাপন করা হয়েছে ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে। সেক্ষেত্রে আজ নির্বাচন কমিশন কী সিদ্ধান্ত নেবে তাও দেখার বিষয়।

    গত ২৩শে অক্টোবর সিইসি’র সঙ্গে সাক্ষাৎ করে জামায়াতকে নির্বাচন থেকে দূরে বিরত রাখার দাবি জানায় ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদা নির্মূল কমিটির নেতাদের বলেছেন, জামায়াতের সদস্য বা যুদ্ধাপরাধীদের উত্তরসূরিদের স্বতন্ত্র বা জোটগতভাবে নির্বাচন করা থেকে বিরত রাখতে প্রয়োজনীয় আইন নেই। বিদ্যমান আইনে কী করা সম্ভব তা কমিশনের সদস্যদের সঙ্গে বসে পর্যালোচনা করা হবে। বৈঠক শেষে ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ সাংবাদিকদের সিইসি’র বক্তব্যের কথা জানান।

    গত ৯ই নভেম্বর ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ জানান, জোটগতভাবে নির্বাচন করতে চাইলে তিনদিনের মধ্যে কমিশনকে জানাতে হবে। অনিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের নেতারা নিবন্ধিত দলের সঙ্গে জোটগতভাবে নির্বাচন করতে পারবেন কি না জানতে চাইলে সচিব বলেন, এটি আইনে নেই। কিন্তু কোনো নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল যদি অনিবন্ধিত দলের প্রার্থীকে নমিনেশন দেয়, তাহলে তো আমরা বাধা দিতে পারবো না। এ বিষয়ে আইনে কোনো ব্যাখ্যাও নেই।

  • বরিশাল র‌্যাব-৮এর অভিযানে জেএমবি সদস্য আল-আমিন গ্রেফতার

    বরিশাল র‌্যাব-৮এর অভিযানে জেএমবি সদস্য আল-আমিন গ্রেফতার

    অনলাইন ডেস্ক:

    বরগুনা জেলা সদরে অভিযান চালিয়ে আল-আমিন (২৮) নামে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জামাআতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) এক সক্রিয় সদস্যকে আটক করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) সদস্যরা।
    আল আমিন সদর থানার দক্ষিণ ইটবাড়িয়া এলাকার মৃত আ. হামিদ মুসল্লির ছেলে।

    রোববার (২৩ ডিসেম্বর) দুপুরে র‌্যাবের পক্ষ থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    এতে বলা হয়েছে- প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক আল-আমিন স্বীকার করেছে সে জেএমবির সক্রিয় সদস্য ও বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানায় দায়ের করা একটি মামলায় এজাহার নামীয় আসামি।

    এছাড়া বিভিন্ন গোয়েন্দা তথ্য ও আটক করা অন্যান্য আসামিদের কাছ থেকে জানা গেছে- আল-আমিন মাদ্রাসার শিক্ষকতার পাশাপাশি উগ্রপন্থী বিভিন্ন সদস্যের সঙ্গে গোপন বৈঠকে মিলিত হয়। দীর্ঘ দিন যাবৎ সে দেশের বিভিন্ন এলাকায় জেএমবির প্রচারণার কাজ চালিয়ে আসছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সদর থানার টাউন হল বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন উকিলপট্টি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।

  • ৪৭ বছর পরও নিরপক্ষে নির্বাচনের জন্য সংগ্রাম দুঃখজনক: চরমোনাই পীর

    ৪৭ বছর পরও নিরপক্ষে নির্বাচনের জন্য সংগ্রাম দুঃখজনক: চরমোনাই পীর

    স্বাধীনতার ৪৭ বছর পরও নিরপক্ষে নির্বাচনের জন্য এখনও সংগ্রাম করতে হচ্ছে। তা দেশবাসী আশা করেনি, যা বাংলাদেশের মানুষের জন্য দুঃখ ও লজ্জাজনক। বললেন ইসলামী আন্দোলনের আমির ও চরমোনাই পীর সৈয়দ রেজাউল করীম।

    শুক্রবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে ইসলামী আন্দোলনের ইশতেহার প্রকাশ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।চরমোনাই পীর বলেন, প্রতিদিন গুম, খুন, গ্রেফতার চলছে। নির্বাচন সুষ্ঠু না হলে গৃহযুদ্ধের পরিবেশ সৃষ্টি হতে পারে। প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে অনুরোধ, দেশ রক্ষায়  সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি করুন।

    ইসলামী আন্দোলনের ইশতেহারে ৩৩ দফা ঘোষণা করা হয়েছে। উন্নত কল্যাণ রাষ্ট্র গঠনে ঘুষ, দুর্নীতি, সন্ত্রাস, মাদক, দলীয়করণ বন্ধে ১৬টি অগ্রাধিকার ঘোষণা করা হয়েছে। দলটি ক্ষমতায় যেতে পারলে ২১টি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন ঘোষণা দেওয়া হয়।ইশতেহারে সাংবিধানিক কমিশন গঠন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান ও দারিদ্র্য বিমোচন, কৃষি বিপ্লব ও কৃষকের অধিকার প্রতিষ্ঠা, অর্থনীতি, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ, গ্রামীণ উন্নয়ন, নারীর অধিকার ও ক্ষমতায়ন এবং মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতি রয়েছে।

    সৈয়দ রেজাউল করীম অভিযোগ করেন, সুষ্ঠু নির্বাচনের কোনো পরিবেশ নেই। দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন কখনও সুষ্ঠু হয়নি, এবার হবে তেমন সম্ভাবনাও দেখছি না।নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ইসলামী আন্দোলন সর্বোচ্চ ২৯৯ আসনে প্রার্থী দিয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে স্থানীয় সরকারের নির্বাচনে উল্লেখযোগ্য ভোট পেয়ে আলোচনায় আসা দলটি এবারের ভোটের প্রচারে জোরেশোরে রয়েছে।

  • হামলা চালিয়ে হাতপাখা মার্কার গণজোয়ার থামানো যাবে না : চরমোনাই পীর

    হামলা চালিয়ে হাতপাখা মার্কার গণজোয়ার থামানো যাবে না : চরমোনাই পীর

    ইসলামী আন্দোলনের আমির ও চরমোনাই পীর সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম বলেছেন, আমাদের ওপর হামলা চালিয়ে হাতপাখা মার্কার গণজোয়ার থামানো যাবে না। বাধাগ্রস্ত করা যাবে না আমাদের জয়।

    জনতার উদ্দেশে রেজাউল করীম বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতা হারানোর ভয়ে কাতর। তাদের এক নেতা বলেছেন ক্ষমতায় আসতে না পারলে একদিনে এক লাখ লোক মারা যাবে। আমরা বলতে চাই, ইসলামী আন্দোলন ক্ষমতায় আসলে সবাই শান্তিতে বসবাস করবেন। ইসলামী আন্দোলন এখন রাজনীতিতে তৃতীয় শক্তি হিসেবে গণ্য। কাজেই হুমকি-ধমকি দিয়ে কোনো লাভ নাই। হাতপাখার গণজোয়ার থামানো যাবে না

    রোববার বিকেলে পিরোজপুরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন বালুর মাঠে এক নির্বাচনী পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

    চরমোনাই পীর বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসলে বিএনপি পালায়, আবার বিএনপি ক্ষমতায় আসলে আওয়ামী লীগ পালায়। মানুষ অশান্তিতে বসবাস করে। দুনিয়ার শান্তি আর আখিরাতের মুক্তির জন্য ইসলামের পক্ষে রায় দিন। যতই হুমকি আসুক আল্লাহকে ভয় করুন, আল্লাহ সবাইকে হেফাজত করবেন।

    পিরোজপুর-১ আসনে দলের প্রার্থী হিসেবে হাত পাখা প্রতীকের প্রার্থী হাফেজ মোহাম্মদ মাসুম বিল্লাহকে পরিচয় করিয়ে দিয়ে রেজাউল করীম বলেন, হাতপাখা শান্তির প্রতীক। মাসুম বিল্লাহকে হাতপাখা প্রতীকে ভোট দিন।

    ইসলামী আন্দোলনের জেলা শাখার সভাপতি মাওলানা ইয়াহইয়া হাওলাদারের সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন- দলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব অধ্যাপক মাহাবুবুর রহমান, ইসলামী আন্দোলনের এ আসনের প্রার্থী হাফেজ মো. মাসুম বিল্লাহ, শিহাব উদ্দিন কাসেমী, নজরুল আহসান মিন্টু, ইলিয়াস সেখ, আল আমিন, সেখ মো. ওবায়দুল্লাহ, মাওলানা আব্দুল্লাহ, মিজানুর রহমান, শহীদুল ইসলাম তালুকদার ও মো. শহীদুল ইসলাম প্রমুখ।

  • রাজাপুরে প্রখ্যাত আলেম গালুয়ার হুজুরের জানাযায় জনতার ঢল

    রাজাপুরে প্রখ্যাত আলেম গালুয়ার হুজুরের জানাযায় জনতার ঢল

    ঝালকাঠির রাজাপুরে প্রখ্যাত আলেম গালুয়ার পীর হজরত মাওলানা আঃ হকের আর নেই, (ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্নাইলাইহি রাজিউন)।

    গত বুধবার (১২ ডিসেম্বর) রাত ১০টায় তিনি শেষ নিঃশ্বাষ ত্যাগ করেন। উপজেলার গালুয়ায় নিজ বাড়িতে তার ইন্তেকাল হয়। মৃত্যুকালে তার বয়েস হয়েছিল ৯০ বছর। তিনি ৪ ছেলে, ৩ মেয়ে ও নাতি নাতনীসহ আত্মীয়স্বজন ছাড়াও অসংখ্য মুরিদান ও গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।

    তিনি সকল দল, মতের নেতা-কর্মী, আলেম-ওলামাদের কাছে শ্রদ্ধার পাত্র ছিলেন। এ অঞ্চলের আলেম-ওলামা এবং ইসলামী দলগুলোর মধ্যে ঐক্যের জন্য দীর্ঘকাল প্রচেষ্টা চালিয়ে গেছেন। বৃহস্পতিবার (১৩ ডিসেম্বর) বাদ আছর নিজ বাড়ির মাদরাসা এলাকায় মরহুমের জানাজা অংশগ্রহনের জন্য জনতার ঢল নামে।

    জানাযায় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় পানি সম্পদ মন্ত্রী জনাব আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, বাংলাদেশ-সউদী সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপের চেয়ারম্যান ও ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আলহাজ বজলুল হক হারুন এমপি (ঝালকাঠি-১) অংশ গ্রহন করেন।

    এছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি, এলাকার মুরব্বিগন সহ দক্ষিনাঞ্চলের প্রখ্যাত আলেম-ওলামা, সাংবাদিকসহ সকল শ্রেণি পেশার প্রায় অর্ধ লক্ষ মানুষ উপস্থিত ছিলেন। নামাজের পূর্বে মরহুমের জীবনী নিয়ে দেশ বরেণ্যে আলেম-উলামারা বক্তব্য রাখেন।

    বক্তব্যে তারা বলেন, হজরত মাওলানা আঃ হকের ছিলেন একজন সংগ্রামী আলেমে দ্বীন ও বহুগুণে গুণান্বিত শ্রদ্ধাভাজন মানুষ। দ্বীনি শিক্ষার প্রচার-প্রসার ও বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে তার অবদান অবিস্মরণীয় হয়ে থাকবে। তার মৃত্যুতে ইসলামি অঙ্গনের অপূরণীয় ক্ষতি হলো। বক্তারা তার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন। দল মত নির্বিশেষে সকলই হজরত মাওলানা আঃ হকের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন। জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

  • এককভাবে সবচেয়ে বেশি আসনে লড়ছে ইসলামী আন্দোলন

    এককভাবে সবচেয়ে বেশি আসনে লড়ছে ইসলামী আন্দোলন

    একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে এককভাবে সবচেয়ে বেশি প্রার্থী দিয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। ধর্মভিত্তিক এই রাজনৈতিক দল এবার ২৯৮ আসনে লড়বে।

    ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ২০০৮ সালে ১৫২ জন প্রার্থী নিয়ে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল। ২০১৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচন তারা বয়কট করে। এবার তারা দলীয় হাতপাখা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছে।

    এবারের নির্বাচনে দলটি ৩০০ আসনেই তাদের প্রার্থীর মনোনয়নপত্র জমা দেয়। এর মধ্যে লক্ষ্মীপুর-৪ আসনে দলটি একজন বিকল্প প্রার্থী দেয়।

    রিটার্নিং কর্মকর্তারা দলটির ১৯ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করেন। মনোনয়ন বাতিল হওয়া প্রার্থীরা নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করেন। আপিলে বৈধতা পেয়েছেন ১৬ জন প্রার্থী।

    এখন ২৯৮ আসনে দলটির প্রার্থী ২৯৮ জন।নির্বাচন কমিশন অবৈধ ঘোষণা করায় যশোর-৩ ও হবিগঞ্জ-১ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কোনো প্রার্থী নেই।

    ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের রাজনৈতিক উপদেষ্টা আশরাফ আলী আকন বলেন, বিভিন্ন জোটে ডাক পেলেও তারা এককভাবে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

    জোটের তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে আশরাফ আলী বলেন, ‘ক্ষমতার ভাগাভাগির রাজনীতি করি না। এ দেশে জোটের ফলাফল ভালো না। শেষ পর্যন্ত টেকে না। আমরা জোটে নয়, আদর্শে বিশ্বাস করি।

    সুষ্ঠু নির্বাচন হলে সরকার গঠন করতে পারবে বলে আশা আশরাফ আলীর। তাঁর ভাষ্য, সুষ্ঠু ভোট হলে তাঁরাই জিতবেন। তবে সুষ্ঠু ভোট হওয়ার ব্যাপারে তাঁরা সন্দিহান।

    নির্বাচন কমিশনের কার্যক্রমে হতাশার কথা জানিয়ে আশরাফ আলী বলেন, ইভিএমের ব্যাপারে প্রায় সব দলেরই আপত্তি আছে। কিন্তু তারপরেও ইসি ইভিএম ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    সরকারি দল সুবিধা পাচ্ছে বলে অভিযোগ করেন আশরাফ আলী। তাঁর দাবি, নিয়মের বাইরে গিয়ে সরকারি দল প্রচার চালাচ্ছে। তারা সরকারি সুবিধা নিচ্ছে। পুলিশ ও প্রশাসন তাদের পক্ষে রয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নির্বাচনী অবস্থা দেখবে।

  • মাওলানা সাদবিরোধীদের সমাবেশ

    মাওলানা সাদবিরোধীদের সমাবেশ

    বিশ্ব ইজতেমায় আধিপত্য নিয়ে গত শনিবার রাজধানী টঙ্গিতে তাবলিগ জামাতের দুপক্ষের সংঘর্ষ হয়। এতে একজন নিহত হন। সেই ঘটনার প্রতিবাদে আজ সোমবার দুপুরে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী মোড়ে সমাবেশ ও মিছিল করেছে মাওলানা সাদ কান্ধলভী-বিরোধী অংশ।

    সমাবেশে বক্তব্য দেন বিভিন্ন মাদ্রাসার মাওলানারা। বক্তারা জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে হামলাকারীদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান। ওই দিনের (শনিবার) হামলাকারীদের বিচারের দাবিতে স্লোগানও দেন সমাবেশে অংশ নেওয়া ব্যক্তিরা। সমাবেশ শেষে মোনাজাত করা হয়। মোনাজাত শেষে মিছিল বের হয়। মিছিল শেষে প্রধান সড়কে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে কর্মসূচি শেষ হয়।
    সমাবেশ ও মোনাজাত শেষে মিছিল বের করা হয়। ছবি: আবদুস সালামসমাবেশ ও মোনাজাত শেষে মিছিল বের করা হয়।জোহরের নামাজের পরপরই কর্মীরা যাত্রাবাড়ী মোড় এলাকায় জড়ো হতে থাকেন। ছবি: আবদুস সালামজোহরের নামাজের পরপরই কর্মীরা যাত্রাবাড়ী মোড় এলাকায় জড়ো হতে থাকেন। মিছিল শেষে প্রধান সড়কে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে কর্মসূচি শেষ হয়।মিছিল শেষে প্রধান সড়কে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে কর্মসূচি শেষ হয়।

  • স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি জামায়াত শিবির ও হেফাজত

    স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি জামায়াত শিবির ও হেফাজত

    মার্কিন কংগ্রেসে উত্থাপিত এক প্রস্তাবে জামায়াত ইসলামী , ইসলামী ছাত্রশিবির ও হেফাজতে ইসলামকে বাংলাদেশে স্থিতিশীলতা ও অসাম্প্রদায়িক গণতন্ত্রের জন্য হুমকি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এসব গোষ্ঠীকে থামাতে বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

    মার্কিন কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধিসভায় গত ২০ নভেম্বর প্রস্তাবটি এনেছেন ইন্ডিয়ানা অঙ্গরাজ্যের নির্বাচিত প্রতিনিধি জিম ব্যাঙ্কস। প্রস্তাবটি উত্থাপনের পর পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য তা পাঠানো হয়েছে প্রতিনিধিসভার পররাষ্ট্র-বিষয়ক কমিটিতে।

    ‘বাংলাদেশে ধর্মের নামে পরিচালিত গোষ্ঠীগুলোর কারণে গণতন্ত্র ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি সৃষ্ট হুমকির কারণে উদ্বেগ প্রকাশ’ শীর্ষক উত্থাপিত ওই প্রস্তাবে গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানে অর্থায়ন এবং তাদের সঙ্গে অংশীদারি বন্ধ করতে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ও যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থাকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

    ওই প্রস্তাবের চারটি দফার প্রথমটিতে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ শহীদের আত্মত্যাগ এবং অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক চেতনার ভিত্তিতে বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার বিষয়টি স্বীকার করা হয়েছে। দ্বিতীয় দফায় বাংলাদেশে স্থিতিশীলতা ও অসাম্প্রদায়িক গণতন্ত্রের প্রতি জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী ছাত্রশিবির ও হেফাজতে ইসলামের মতো কট্টর গোষ্ঠীগুলোর হুমকির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এই পরিপ্রেক্ষিতে এসব গোষ্ঠীগুলোকে থামাতে বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। তৃতীয় দফায় শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্য সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশনের অনুরোধকে গুরুত্ব দিতে আহ্বান জানানো হয়েছে বাংলাদেশ সরকারের প্রতি। চতুর্থ দফায় জামায়াত, শিবির ও হেফাজতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের যুক্তরাষ্ট্রের অর্থায়ন এবং তাদের সঙ্গে অংশীদারি বন্ধ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

    বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের তথ্য উল্লেখ করে প্রস্তাবে বলা হয়েছে, গত জাতীয় নির্বাচন ঘিরে ২০১৩ সালের নভেম্বর থেকে ২০১৪ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত বিএনপি,জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবির ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা চালিয়েছিল। তাদের হামলায় হিন্দুদের ৪৯৫টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হিন্দুদের ৫৮৫টি দোকানে হামলা বা লুট হয়েছে। এ ছাড়া ভাঙচুর হয়েছে ১৬৯টি মন্দির।

    প্রস্তাবে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর সম্প্রতি হামলার সঙ্গে জামায়াতে ইসলামী জড়িত। এ ছাড়া বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ও আহমদিয়া মুসলমানদের ওপর ধর্মীয় উগ্রবাদীরা হামলা চালিয়েছে। হেফাজতে ইসলাম অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশকে পুরোপুরি ধর্মভিত্তিক রাষ্ট্রে পরিণত করতে আন্দোলন চালাচ্ছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে প্রস্তাবে। এতে বলা হয়েছে, দাবি মানা না হলে বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে সশস্ত্র জিহাদের হুমকি দিয়েছে হেফাজত।

  • তাবলিগ জামাতের দুই পক্ষের সংঘর্ষে অর্ধশতাধিক আহত

    তাবলিগ জামাতের দুই পক্ষের সংঘর্ষে অর্ধশতাধিক আহত

    বিশ্ব ইজতেমায় আধিপত্য নিয়ে সংঘর্ষে অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। আজ শনিবার ভোর থেকে তাবলিগ জামাতের দুই পক্ষের মুখোমুখি অবস্থান পরে সংঘর্ষে রূপ নেয়। টঙ্গীতে ইজতেমা ময়দানের ১ নম্বর প্রবেশফটকে দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষে ৫০ থেকে ৬০ জন আহত হন। এর মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর। আহত ব্যক্তিদের টঙ্গী সরকারি হাসপাতাল ও উত্তরার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    ঘটনাস্থলে বিপুলসংখ্যক পুলিশ ও সাঁজোয়া যান মোতায়েন রয়েছে। মাওলানা জুবায়েরের অনুসারীরা টঙ্গীর বিভিন্ন মসজিদ থেকে মাইকে তাঁদের পক্ষের মুসল্লিদের ইজতেমা ময়দান দখলের আহ্বান জানাচ্ছেন এবং তাঁদের অনেকে প্রতিপক্ষের কাছে আটক রয়েছেন বলে দাবি করছেন।

    ভোরে বিশ্ব ইজতেমা পরিচালনাসংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে তাবলিগ জামাতের দুই পক্ষ মুখোমুখি অবস্থান নেয়। মাওলানা জুবায়ের ও দিল্লির মাওলানা সাদের অনুসারী দুই পক্ষের হাজার হাজার মুসল্লি পৃথকভাবে টঙ্গীতে ইজতেমা ময়দান ও ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক ও আবদুল্লাহপুর থেকে কামারপাড়া হয়ে আশুলিয়ার দিকে সড়কে অবস্থান নেন। এতে আজ শনিবার টঙ্গী ও রাজধানীর বিমানবন্দরসংলগ্ন এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।

    প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কামারপাড়া থেকে একদল মুসল্লি লাঠিসোঁটা হাতে ইজতেমা ময়দানের ১ নম্বর প্রবেশদ্বারে প্রতিপক্ষের অনুসারীদের ওপর হামলা চালান। মুহূর্তের মধ্যে স্থানটি রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। আধা ঘণ্টা পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষ চলার পর পুলিশের হস্তক্ষেপে তা নিয়ন্ত্রণে আসে। এখন দুই পক্ষকে একে অপরের থেকে নিরাপদ দূরত্বে রেখেছে পুলিশ।

    গাজীপুরের দিকে যান চলাচল ধীরগতিতেই রয়েছে। তবে ঢাকাগামী যানবাহন আগের চেয়ে কিছুটা বেশি গতিতে চলাচল করছে।

    আহত একজনকে মোটরসাইকেলে করে হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে। ছবি: ড্রিঞ্জা চাম্বুগংসংঘর্ষের পর সরেজমিনে দেখা যায়, মাওলানা সাদের অনুসারীরা ময়দানের ভেতর প্রবেশ করে তা দখলের চেষ্টা করছেন। তাঁদের হাতে লাঠিসোঁটা। ইজতেমা ময়দান দখলের জন্য গতকাল থেকে মোটরসাইকেল ও গাড়িতে করে যেসব মুসল্লি মাওলানা জুবায়েরের পক্ষে এসেছিলেন, তাঁদের যানবাহন আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

    মাওলানা জুবায়েরের একজন অনুসারী মো. শাওন দাবি করেন, মাওলানা সাদের অনুসারীরা লাঠিসোঁটার পাশাপাশি রামদা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হঠাৎ হামলা চালান। লাঠির আঘাতে তাঁর হাত কেটে গেছে। তিনি জানান, রাজধানীর এলিফ্যান্ট রোডে ভূঁইয়া কালেকশন নামে তাঁর দোকান রয়েছে। তিনি গতকাল এখানে এসে যোগ দেন।

    এই দুই পক্ষের বিরোধিতার কারণে আসছে বছরের বিশ্ব ইজতেমা স্থগিত ঘোষণা করে সরকার। ১৫ নভেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় তাবলিগ জামাতের বিবদমান দুই পক্ষ ছাড়াও পুলিশের আইজি, ধর্মসচিবসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। আগামী জানুয়ারি মাসে বিশ্ব ইজতেমা হওয়ার কথা ছিল।

    প্রশাসন জানিয়েছে, সরকারের ওই ঘোষণার পর থেকে সময়ে–সময়ে দুই পক্ষ জায়গায় জায়গায় অবস্থান নিয়ে আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা করে। সবশেষ আজ ভোর থেকে দুই পক্ষ মুখোমুখি অবস্থান নিলে সড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।

    আহত একজনকে রিকশায় করে হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে। ছবি: ড্রিঞ্জা চাম্বুগংচাম্বুগংটঙ্গী পূর্ব থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জাহিদুল ইসলাম জানান, ইজতেমার ময়দানের ভেতর ও প্রধান প্রবেশপথগুলো মাওলানা জুবায়েরের অনুসারীরা দখল করে আছেন। অন্যদিকে, মাওলানা সাদের অনুসারীরা ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক ও আবদুল্লাহপুর থেকে কামারপাড়া হয়ে আশুলিয়ার দিকে সড়কে অবস্থান নিয়েছেন। কয়েক হাজার মুসল্লি সড়কে অবস্থান নেওয়ায় রাস্তা সরু হয়ে যান চলাচল করছে ধীরগতিতে। এতে সেখানে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।

    জাহিদুল ইসলাম জানান, পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ইজতেমার মুরব্বিদের সঙ্গে কথা বলে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছেন।

    ঘটনার জের ধরে রাজধানীতে বিমানবন্দরসংলগ্ন এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। সরেজমিনে দেখা যায়, বিমানবন্দর চত্বরে ফুটওভার ব্রিজের কাছে এখনো একটি পক্ষ অবস্থান নিয়ে আছে। জানা গেছে, তাঁরা মাওলানা জুবায়েরের অনুসারী। ঢাকা থেকে মাওলানা সাদের অনুসারীরা যেন টঙ্গীতে গিয়ে তাঁদের পক্ষের মুসল্লিদের সঙ্গে যোগ দিতে না পারেন, সে কারণে তাঁরা প্রতিটি যানবাহন থামিয়ে দেখেন। যাত্রীদের মধ্যে মুসল্লি কেউ থাকলে তাঁকে নামিয়ে দেন। ফলে সেখান থেকে টঙ্গীগামী যানবাহন একটি একটি করে চলাচল শুরু করে। বাস থেকে নামিয়ে দেওয়া মুসল্লিদের অনেকে এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে হেঁটে গন্তব্যের দিকে রওনা দেন।

    উত্তরা জোনের ট্রাফিকের সহকারী কমিশনার জুলফিকার জুয়েল বলেন, ফজরের নামাজের পর এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।