Category: ক্রিকেট

  • জাতীয় দলে কখনো ফিরতে পারবে নাফীস, বিজয়, নাসিররা?

    জাতীয় দলে কখনো ফিরতে পারবে নাফীস, বিজয়, নাসিররা?

    বাংলাদেশের ক্রিকেটের উত্থানলগ্নে যেমন অসংখ্য নতুন নতুন তারকার জন্ম হয়েছে, তেমনি ঝরে পড়েছে একসময়ের ২২ গজ দাপিয়ে বেড়ানো অনেক ক্রিকেটার। এনামুল হক বিজয়ের কথাই ধরা যাক। জাতীয় দলের এই ক্রিকেটার ২০১৫ সালে অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ডে অনুষ্ঠিত ওয়ানডে বিশ্বকাপে ইনজুরিতে পড়ে দল থেকে বাদ পড়েন। এরপর আর জাতীয় দলে ফিরতে পারেননি তিনি।

    কিছুদিন আগে শেষ হয়ে যাওয়া জাতীয় ক্রিকেট লিগেও ছয় ম্যাচে ৬১৯ রান করে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক ছিলেন বিজয়।

    আরেকজন ক্রিকেটার শাহরিয়ার নাফিস শেষ ওয়ানডে খেলেছেন ২০১১ সালের ডিসেম্বর মাসে। টেস্ট খেলেছেন ২০১৩ সালে। এরপর বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ, বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগ এবং ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে নিয়মিত পারফর্ম করেছেন নাফিস। সর্বশেষ ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে ১৬ ম্যাচে ৬০০ রান করেন তিনি।

    প্রায়শঃই দেখা যায় জাতীয় দলের জন্য প্রাথমিকভাবে যে ৩০ জনের নাম ঘোষণা করা হয় সেখানে জায়গা করে নিচ্ছেন বিজয় কিংবা নাফিস। কিন্তু শেষ পর্যন্ত চূড়ান্ত দলে তাঁদের ঠাই হয়না। শাহরিয়ার নাফিস কিংবা এনামুল হক বিজয়ের মতো অনেকটা একই অবস্থা পার করছেন অলরাউন্ডার নাসির হোসেন।

    সম্প্রতি জাতীয় ক্রিকেট লিগে নাসির খেলেছেন ২৯৫ রানের একটি ইনিংস, যা বাংলাদেশের প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। এছাড়া ঢাকা প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগে আট ম্যাচ খেলে ৪৮০ রান করেন নাসির হোসেন। কিন্তু জাতীয় দলে নিয়মিত জায়গা হচ্ছে না একসময় ‘দ্য ফিনিশার’ খেতাব পাওয়া এই অল-রাউন্ডারের। তিনি কখনো দলে অন্তর্ভুক্ত হচ্ছেন, আবার কখনো দল থেকে ছিটকে পড়ছেন।

    জাতীয় দলে ফিরে আসা কতটা কঠিন? জানতে চাইলে শাহরিয়ার নাফীস বলেন, ‘কেউ ভালো পারফর্ম করে সুযোগ পায়, কেউ অনেক ভালো পারফর্ম করে সুযোগ পায়। একবার জাতীয় দল থেকে বের হয়ে গেলে ফিরে আসাটা অনেক কঠিন। যদি ঘরোয়া ক্রিকেটের পারফরম্যান্স মূল্যায়ন হত তবে এতোটা কঠিন হত না।’

    কিন্তু বাংলাদেশের ঘরোয়া ক্রিকেটের মান এতটাই নিচু যে, এখান থেকে জাতীয় দলের জন্য কোনো তারকাকে বিবেচনা করা কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। এজন্য দরকার এক্সটা অর্ডিনারি কোনো পারফর্মেন্স। নাসির-নাফীসদের পারফর্মেন্স বিসিবি কর্তাদের নজর কেড়েছে। তাহলে কেন সুযোগ পাচ্ছেন না তারা। একবার জাতীয় দল থেকে বাদ পড়লে পুনরায় দলে ঢোকার রাস্তাটাই বা কী?

    বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক শফিকুল হক হীরা মনে করেন, জাতীয় ক্রিকেট দল ও ঘরোয়া ক্রিকেটের মধ্যে যোগাযোগ সেতু হিসেবে কাজ করতে পারে ‘এ’ দল। তার ভাষায়, ‘পুরো বছর ‘এ’ দলের নিয়মিত দেশের বাইরে ট্যুর আয়োজন করতে হবে, ফলে দেশের বাইরে সিরিজগুলোতে মানিয়ে নেয়ার সমস্যাগুলো তেমন থাকবে না।’

    তাছাড়া ক্রিকেটার নির্বাচনের পদ্ধতি ঠিক আছে কিনা সে বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। নির্বাচক বা ক্রিকেট অপারেশনস কমিটি নিয়মিত খেলা দেখছে না বলেও অভিযোগ আছে তার। মি. হীরা বলেন, অনূর্ধ্ব ১৩, ১৫, ১৭ বা ১৯ লেভেলে দল রয়েছে। কিন্তু এরপর যোগাযোগের জন্য একটা সেতু প্রয়োজন হয়। সেই সেতু হতে পারে ‘এ’ দল। কিন্তু এ দলের অস্তিত্বই তো দেখা যায় না।

    বাংলাদেশ দলের সাবেক এই অধিনায়ক বলেন, ‘জাতীয় দল থেকে বাদ পড়া মানেই শেষ না, ওদের খেলার মধ্যে রাখতে হবে। ‘এ’ দলের আলাদা কোচিং স্টাফ প্রয়োজন, যে নিয়মিত মূল দলের কোচকে জানাবেন দলের অবস্থান সম্পর্কে।’

  • ক্রিকেটার সাব্বির রহমানের ভাগ্য নির্ধারণ সোমবার

    ক্রিকেটার সাব্বির রহমানের ভাগ্য নির্ধারণ সোমবার

    ‘পৃথিবীর জীবন নামক নাট্যমঞ্চে আমরা সবাই অভিনেতা-অভিনেত্রী। শুধু চরিত্রগুলো ভিন্ন’—কাল ফেসবুকে দার্শনিক এক স্ট্যাটাস দিয়েছেন সাব্বির রহমান। আরেকটি ছবি পোস্ট করে বুঝিয়েছেন শুক্রবার ছুটির দিনে বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে সময়টা তাঁর কাটছে বেশ। আসলেই কি সময়টা ভালো যাচ্ছে সাব্বিরের? তিন বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে সাব্বির অনেকবারই সংবাদ শিরোনাম হয়েছেন নেতিবাচক ঘটনায়। শাস্তি হিসেবে নামের পাশে কখনো যোগ হয়েছে ডিমেরিট পয়েন্ট, কখনো হয়েছে আর্থিক জরিমানা। তবে এবার রাজশাহীতে জাতীয় লিগের শেষ রাউন্ডে এক কিশোর মারধরের অভিযোগে ভালো বিপাকেই পড়েছেন বাংলাদেশ দলের এই তরুণ ব্যাটসম্যান। তাঁর ব্যাপারে বিসিবি সিদ্ধান্ত নেবে আগামী পরশু, সোমবার।

    বিসিবির শৃঙ্খলা কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান শেখ সোহেল আজ বলেছেন, ‘এ ব্যাপারটা নিয়ে সোমবার দিন বসব। কাল আমি প্রতিবেদনটা দেখব। সেখানে যদি মনে হয় তাকে ডাকা দরকার, ডাকব। যদি মনে করি ডাকার দরকার নেই, তাহলে তো হলোই। ওর অপরাধ দুটি। প্রথমত সে এক কিশোর দর্শককে মারধর করেছে। দ্বিতীয়ত ম্যাচ অফিশিয়ালদের সঙ্গে বাজে ব্যবহার করেছে। খুবই অবাকই হয়েছি, একজন তারকা খেলোয়াড় হয়ে একটা বাচ্চা ছেলের সঙ্গে সে বাজে আচরণ করেছে! ছেলেটা হয়তো ওরই ভক্ত হিসেবে খেলা দেখতে গিয়েছিল।’

    ম্যাচ রেফারির দেওয়া প্রতিবেদন অনুযায়ী সাব্বির আচরণবিধির ‘লেভেল-৪’ ভেঙেছেন। যেটির শাস্তি হিসেবে সর্বোচ্চ ৫ লাখ টাকা জরিমানা ও ঘরোয়া ক্রিকেটে বেশ কিছু ম্যাচে নিষিদ্ধ হতে পারেন। কিন্তু গুঞ্জন ছড়িয়েছে, শাস্তি হিসেবে বিসিবির কেন্দ্রীয় চুক্তি থেকেও বাদ পড়তে পারেন সাব্বির। কিংবা অন্তত ছয় মাস নিষিদ্ধ হতে পারেন ঘরোয়া ক্রিকেট থেকে। সেটি হলে আগামী ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ ও বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগ (বিসিএল) খেলা হবে না সাব্বিরের।

    শেখ সোহেল অবশ্য মনে করেন সাব্বিরের শাস্তি নিয়ে এখনই চূড়ান্ত কিছু বলার সময় হয়নি, ‘কাল চিঠিটা দেখি। কী শাস্তি হবে এখনই বলতে পারছি না। তবে এতটুকু বলতে পারি, বড় শাস্তিই হবে তার।’

  • পাপন খুব চালাক: হাথুরুসিংহে

    পাপন খুব চালাক: হাথুরুসিংহে

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান নাজমুল হাসান পাপনকে ‘খুবই চালাক’ বলে অভিহিত করেছেন শ্রীলঙ্কার জাতীয় দলের কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহে।

    খেলাধূলা বিষয়ক ওয়েবসাইট ক্রিকবাজকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে টাইগারদের সদ্য সাবেক কোচ এ মন্তব্য করেন। ‘পাপন বলেছেন, দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টেস্টে সাকিব আল হাসানের বিশ্রামের সিদ্ধান্ত আপনার চাকরি ছাড়ার অন্যতমন কারণ ছিল’- ক্রিকবাজের প্রশ্নে হাথুরুসিংহে ওই মন্তব্যটি করেন।

  • স্বেচ্ছায় নয়, শচীনকে অবসরে বাধ্য করা হয়েছিল! গোপন খবর ফাঁস

    স্বেচ্ছায় নয়, শচীনকে অবসরে বাধ্য করা হয়েছিল! গোপন খবর ফাঁস

    ভারতের ক্রিকেট কিংবদন্তি শচীন টেন্ডুলকার নিজে থেকে অবসরের ঘোষণা না দিলে তাকে দল থেকে ছেঁটে ফেলা হতো বলে গোপন খবর ফাঁস করলেন টিম ইন্ডিয়ার প্রাক্তন প্রধান নির্বাচক সন্দীপ পাতিল।

    সম্প্রতি দেশটির একটি প্রথম সারির সংবাদ মধ্যামে বিস্ফোরক সাক্ষাৎকারে পাতিল জানান, ২০১২ সালের ডিসেম্বর মাসে আমরা (নির্বাচকমণ্ডলী) শচীনকে তাঁর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে জিজ্ঞাসা করা হয়। তখন শচীন জানিয়েছিল, তিনি তখনও অবসরের কথা ভাবছেন না। তবে ম্যানেজমেন্ট এবং বোর্ড তাঁকে নিয়ে যে একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছে সে কথা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়।

    শচীন বুঝতে পারে এবং একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেয়। শচীন তখন সরে না গেলে, তাঁকে দল থেকে বাদ দেওয়া হত বলেও জানান সন্দীপ পাতিল।

    শচীনের অবসর প্রসঙ্গে সন্দীপ পাতিল আরও বলেন, “মাস্টার ব্লাস্টার টেস্ট ক্রিকেটেই মনোনিবেশ করেছিল। আমার এবং সঞ্জয়ের (তৎসময়ের বিসিসিআই সেক্রেটারি) সঙ্গে কথা বলেই একদিনের আন্তর্জাতিক থেকে অবসর নেওয়ার কথা জানায় শচীন।”

    সূত্র: জি নিউজ

  • বিশ্ব সেরার তকমা ধরে রেখেছেন সাকিব

    বিশ্ব সেরার তকমা ধরে রেখেছেন সাকিব

    ভারত-শ্রীলংকা টি২০ সিরিজ শেষে নতুন র‌্যাংকিং প্রকাশ করেছে ক্রিকেটের প্রধান সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। আর এ তালিকায় ব্যাটসম্যান ও বোলারদের শীর্ষ স্থানের লড়াইতে রদবদল হলেও সাকিবকে হঠিয়ে বিশ্ব সেরা অলরাউন্ডারের খেতাব কেড়ে নিতে পারেননি কোনও ক্রিকেটার।

    নতুন র‌্যাংকিং প্রকাশের আগে ব্যাটসম্যানদের তালিকায় সবার উপরে ছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের এভিন লুইস। তাকে সরিয়ে শীর্ষস্থান দখলে নিলেন অস্ট্রেলিয়ার অ্যারন ফিঞ্চ। তার রেটিং এখন ৭৮৪। ৪ রেটিং কম নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন লুইস। ব্যক্তিগত কারনে শ্রীলংকার বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি২০ সিরিজে অংশ না নেয়া ভারতের অধিনায়ক বিরাট কোহলি নেমে গেছেন তৃতীয়স্থানে। তার রেটিং ৭৭৬। লুইসের সাথে কোহলির রেটিং ব্যবধান ৪।

    বোলারদের র‌্যাংকিং-এ শীর্ষস্থান হারালেন ভারতের পেসার জসপ্রিত বুমরাহ। শ্রীলংকার বিপক্ষে প্রথম দু’ম্যাচে উইকেটশুন্য ছিলেন তিনি। ফলে তৃতীয় ম্যাচে দলে সুযোগই হয়নি বুমরাহর। ভারতের ডান-হাতি পেসার উইকেট না পাওয়ায়, কোন আন্তর্জাতিক ম্যাচ না খেলেও শীর্ষে উঠলেন পাকিস্তানের ইমাদ। ৭১৮ রেটিং নিয়ে সবার উপরে আছেন ইমাদ। ১ রেটিং কম নিয়ে দ্বিতীয়স্থানে রয়েছেন আফগানিস্তানের লেগ-স্পিনার রশিদ খান। শীর্ষস্থান হারিয়ে ৭০২ রেটিং নিয়ে তৃতীয়স্থানে নেমে গেছেন বুমরাহ। এই তালিকায় সপ্তম ও নবমস্থানে রয়েছেন যথাক্রমে বাংলাদেশের মুস্তাফিজুর রহমান ও সাকিব আল হাসান।

    ব্যাটসম্যান ও বোলারদের তালিকার শীর্ষস্থানে পরিবর্তন হলেও, এই ফরম্যাটে অলরাউন্ডারদের শীর্ষস্থানে কোন পরিবর্তন হয়নি। ৩৫৩ রেটিং নিয়ে শীর্ষেই রয়েছেন সাকিব আল হাসান।

  • তবে কি ‘ডাইরেক্টর অফ কোচিং’ হয়েই আসছেন কারস্টেন!

    তবে কি ‘ডাইরেক্টর অফ কোচিং’ হয়েই আসছেন কারস্টেন!

    খুব বেশী আগে নয়। এই মাত্র ৪৮ ঘন্টা আগের খবর। বাংলার মুখের পাঠকরা জেনেই গেছেন রিচার্ড পাইবাস আসছেন না। এ ইংলিশ হেড কোচের বাংলাদেশের ক্রিকেটের সাথে জড়িত হবার সম্ভাবনা শুন্যের কোঠায়। তারপর ইন্টারভিউ দিয়ে যাওয়া ফিল সিমন্সকেও পছন্দ নয় বোর্ডের।

    আজ বোর্ড সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনের কন্ঠে তাই প্রতিধ্বনিত হলো। তিনি পাইবাস ও ফিল সিমন্সের নাম বেমালুম উচ্চারণ না করে একজন নতুন কোচের কথা বলেছেন। যার নাম গ্যারি কারস্টেন। তবে তিনি সারা বছর কোচিং করাতে পারবেন না। আর শুধু জাতীয় দলের প্রথাগত কোচ হিসেবেও কাজ করবেন না। তার পদ হবে ডাইরেক্টর কোচিং। তার অধীনে ব্যাটিং, বোলিং আর ফিল্ডিং কোচরা দল পরিচালনা তথা কোচিং করাবেন।

    আজ দুপুরে দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক ওপেনার গ্যারি কারস্টেনের নাম উল্লেখ করে নাজমুল হাসান পাপন বলেন, ‘গ্যারি কারস্টেনের সাথে আমাদের যে কথা হয়েছে, তা হেড কোচ হিসেবে নয়। তার সঙ্গে কথা হয়েছে কনসালটেন্ট হিসেবে এবং শুধু জাতীয় দলের হয়ে নয়, সে সব বিষয়ে কাজ করবে। তবে ফেব্রুয়ারির আগে তাকে পাওয়া যাবে না।’

    প্রসঙ্গতঃ উল্লেখ্য বিগ ব্যাশে কোচিং করাচ্ছেন গ্যারি কারস্টেন। আগামী ফেব্রুয়ারির আগে ফ্রি হবেন না। তার পর হয়ত তার সাথে কথা বার্তা হবে। বোর্ড প্রধানের ওপরের কথোপকোথনে পরিষ্কার , বিসিবি হেড কোচ পদে এখনো পছন্দের কাউকে পায়নি। তাই গ্যারি কারস্টেনকে ডাইরেক্টর কোচিং করে আনার চিন্তা ভাবনা চলছে। তবে সেটাও শতভাগ চূড়ান্ত নয়, আলোচনা সাপেক্ষে। সেটা যে খুব সহসাই হবে, তাও নয়।

    বাংলাদেশ সব সময়ই একজন হেড কোচের পাশাপাশি ব্যাটিং, বোলিং ও ফিল্ডিংয়ে তিনজন স্পেশালিস্ট কোচ নিয়োগ দিয়ে আসছে। এই তো সেদিনও হেড কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহের সাথে কোর্টনি ওয়ালশ বোলিং কোচ, থিলান সামারাবীরা ব্যাটিং কোচ হিসেবে কাজ করেছেন।

    ভাবা হচ্ছিলো এবং বোর্ড থেকেও বলা হয়েছে , আগে একজন পুরোদস্তুর হেড কোচ নিয়োগ দেয়া হবে। কিন্তু হাথুরুসিংহে চলে যাবার পর তাহলে কারস্টেনকে ডাইরেক্টর অফ কোচিং করে আনার প্রশ্ন আসছে কেন ? এ প্রশ্ন কিন্তু উঠছে।

    এর সত্যিকার জবাব দেননি বিসিবি প্রধান। তবে জানিয়েছেন, বাংলাদেশ এখন এমন এক জায়গায় অবস্থান করছে, যাকে তাকে কোচ করে আনা যায় না। ‘আসলে বাংলাদেশ এখন যে পর্যায়ে গেছে, সেখানে যে কোনো কোচ আনলে তো হবে না। একটু ভেবেচিন্তে কোচ আনতে হবে। আগেরবারের চেয়ে এখন কোচ নেয়া কঠিন। আগেরবার দল হারের মধ্যে ছিলো। এখন কিন্তু বড় পরিবর্তন আনা সহজ নয়। হঠাৎ পরিবর্তন আনলে দলের উপর বাজে প্রভাব পড়তে পারে। তাই ভেবে চিন্তে ভালো কোচ নিয়োগ দেয়ার চেষ্টা করছি।’

    বোর্ড সভাপতির ওপরের কথা যেমন সত্য, তেমনি এটাও সত্য যে আসলে বিসিবি সেই মানের হাই প্রোফাইল কোচ পাচ্ছে না। অনেককেই অফার করা হয়েছে। বিপিএলে কোচিং করাতে আসা টম মুডি, কুমার সাঙ্গাকারা আর মাহেলা জয়াবর্ধনে- তিনজকেই প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল। কিন্তু কেউ রাজি হননি। কারণ তারা নানা ফ্র্যাঞ্চাইজির সাথে যুক্ত। বছরে গড়পড়তা বাংলাদেশকে কোচিং করিয়ে যা পাবেন , তার চেয়ে অনেক বেশি অর্থ মিলে আইপিএল, বিগ ব্যাশ ও অন্যান্য জায়গায় কোচিং করিয়ে।

    এর বাইরে পাইবাস আর ফিল সিমন্স মিশনও নেতিবাচক। তাই বাধ্য হয়ে গ্যারি কারস্টেনের দিকে ছোটা। এবং সেটা হেড কোচ ফর্মুলা থেকে সড়ে, তাকে ডাইরেক্টর অফ কোচিং হিসেবে ধরেই। কারণ কারস্টেন আগেই জানিয়ে দিয়েছেন, তার পক্ষে প্রথাগত কোচিং করানো সম্ভব নয়। তার সে সময় নেই। অন্য জায়গায় কাজ কর্ম আছে।

    ওই সব কাজ ছেড়ে সারা বছর বাংলাদেশ জাতীয় দলকে নিয়ে কাজ করা কারস্টেনের পক্ষে সম্ভব নয়। তার চেয়ে বরং তাকে ডাইরেক্টর অফ কোচিং পদে নিয়োগ দিয়ে ব্যাটিং, বোলিং আর ফিল্ডিংয়ে তিনজন অভিজ্ঞ ও হাই প্রোফাইল স্পেশালিস্ট কোচ রাখা হলে তার পক্ষে কাজ করা সম্ভব।

    শেষ পর্যন্ত হয়ত কারস্টেনের এই প্রস্তাব মেনেই তাকে নিতে আগ্রহী বিসিবি। বোর্ড সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনের কথায় তেমন ইঙ্গিতই মিললো।

    ভেতরের খবর, বিসিবির শীর্ষ কর্তাদের পছন্দ ছিলেন রিচার্ড পাইবাস। এ ইংলিশ কোচের মেধা, মনন ও প্রজ্ঞার প্রতি বোর্ডের আস্থা ছিল। তিনি যে লক্ষ্য ও পরিকল্পনা উপস্থাপন করেছেন, তাও নাকি বেশ মনে ধরেছিল বোর্ড শীর্ষ কর্তাদের। এমনকি ক্রিকেটারদের আধুনিক কলা কৌশল শেখানোর পাশাপাশি কঠোর অনুশাসনে রাখা এবং তাদের ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রন প্রতিষ্ঠার পর্যাপ্ত ক্ষমতা আছে জেনেও খুশি হয়েছিল বিসিবির নীতি নির্ধারক মহল।

    তারপরও বোর্ডকে পাইবাসকে কোচ না করার সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। কারণ এক ও অভিন্ন, সিনিয়র ক্রিকেটারদের চরম অপছন্দ। ভেতরের খবর, মাশরাফি-সাকিব-মুশফিকসহ সিনিয়র ক্রিকেটারদের প্রায় সবাই পাইবাসকে কোচ না করার অনুরোধ জানিয়েছেন বোর্ড প্রধান নাজমুল হাসান পাপনকে।

  • প্লে-অফ ম্যাচে জয় পেল তামিমের পাখতুনস

    প্লে-অফ ম্যাচে জয় পেল তামিমের পাখতুনস

    টি-টেন লিগের প্রথম প্লে-অফের ম্যাচে বেঙ্গল টাইগার্সের বিপক্ষে ৬ উইকেটে জয় পেয়েছে তামিমের পাখতুনস।

    দলের তৃতীয় ম্যাচ আর নিজের দ্বিতীয় ম্যাচে সন্ধ্যা ৬টায় বেঙ্গল টাইগার্সের মুখোমুখি হয় তামিম-আফ্রিদির দল পাখতুন।

    ম্যাচে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ১০ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে ১২৬ রান করে বেঙ্গল টাইগার্স। যার ফলে পাখতুনকে ১২৭ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য ছুঁড়ে দেয় বেঙ্গল টাইগার্স।

    জবাবে ব্যাট করতে নেমে সুবিধা করতে পারেনি তামিম। ৮ রানেই সাঝঘরে ফেরেন তিনি। এরপর শেহজাদ (৩৮), আফ্রিদি (২৩), ফাখার জামান (৩১) রানে আউট হন। তবে ৯ রানে স্মিথ ও ১৬ রানে দশন অপরাজিত ছিলেন। যার ফলে ১০ ওভারে ১২৭ করে ৬ উইকেটে জয় পায় পাখতুন।

  • আফ্রিদির হ্যাটট্রিকে তামিমদের জয়

    আফ্রিদির হ্যাটট্রিকে তামিমদের জয়

    বিপিএলে উইকেট নিয়ে সমালোচনা করায় বিসিবির শুনানির কারণে আরব আমিরাতে অনুষ্ঠিত টি-টেন লিগে নিজেদের প্রথম ম্যাচে খেলতে পারেননি তামিম। তবে আফ্রিদির হ্যাটট্রিকে আসরের দ্বিতীয় ম্যাচে মারাঠা অ্যারাবিয়ান্সকে ২৫ রানে হারিয়েছে তামিমের পাখতুন্স।

    টস হেরে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ১০ ওভারে মাত্র ৪ উইকেট হারিয়ে ১২১ রানের বড় সংগ্রহ করে পাখতুন্স। দলের পক্ষে ২২ বলে ৪৫ রান করে অপরাজিত থাকেন ফখর জামান। ২৩ বলে ৪৪ রানের ইনিংস খেলে লিয়াম ডসন। মারাঠা অ্যারাবিয়ান্সর পক্ষে ইমাদ ওয়াসিম শিকার করেন দুটি উইকেট।

    জয়ের লক্ষ্যে খেলতে নেমে শুরুতেই উইকেট খুইয়ে খেই হারিয়ে ফেলে মারাঠা অ্যারাবিয়ান্স। পাখতুন্সের বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে একের পর এক উইকেট হারাতে থাকে দলটি। দলের পক্ষে কেবল অ্যালেক্স হেলস ২৬ বলে করেন ৫৭ রান। পাখতুন্সের পক্ষে হ্যাটট্রিক করেন শহীদ আফ্রিদি। এছাড়া মোহাম্মদ ইরফান ও সোহেল খান একটি করে উইকেট লাভ করেন।

  • আগামী বিপিএলে দুই ম্যাচ নিষিদ্ধ হচ্ছেন তামিম!

    আগামী বিপিএলে দুই ম্যাচ নিষিদ্ধ হচ্ছেন তামিম!

    সকালে বিসিবিতে এসেছিলেন ডিসিপ্লিনারি কমিটির ডাকে। সেখানে বোর্ডের ডিসিপ্লিনারি কমিটির মুখোমুখি হবার আগে খানিক দুশ্চিন্তা ছিল। এমনও রটে গিয়েছিল, শারজায় ‘টি টেন’ টুর্নামেন্ট খেলা নাও হতে পারে। বিপিএল চলাকালীন শেরে বাংলার উইকেট নিয়ে সমালোচনা করে হয়ত সাময়িক নিষেধাজ্ঞার মুখেও পড়তে পারেন জাতীয় দলের ওপেনার তামিম ইকবাল।

    তবে সে সব কিছুই হয়নি। আপাতত কোন নিষেধাজ্ঞার খাঁড়ায় পড়েননি তামিম। এক ঘণ্টার একটু বেশি সময় বিসিবির ডিসিপ্লিনারি কমিটির সাথে কথা বলে হাসি মুখেই বেরিয়ে যান মিরপুর বিসিবি অফিস থেকে।

    বিসিবি ছাড়ার আগে তার শরীরি অভিব্যক্তি আর কথা-বার্তায় মনে হয়েছে মনের ভিতরে যে খানিক দুশ্চিন্তা বাসা বেঁধেছিল, তা দুর হয়ে গেছে। তাই তো উপস্থিত সাংবাদিকদের সাথে আলাপে বলে যান, ‘সবাই জানেন যে, উইকেট এবং আউটফিল্ড নিয়ে একটা কমেন্টের ব্যাপারে আমাকে ডাকা হয়েছিল। উনারা (বিসিবি ডিসিপ্লিনারি কমিটি) উনাদের কনসার্ন আমাকে জানিয়েছেন। আমিও স্বীকার করেছি যে, হয়তো আরেকটু ভালো কোন শব্দ ব্যবহার করতে পারতাম। হয়তো খুব ভালোভাবে কথাটা বলতে পারিনি। উনাদেরকে এটাই বলেছি। আর উনারাও ব্যাপারটাকে বেশ ভালোভাবেই নিয়েছেন। আমি বাংলাদেশের হয়ে খেলি। বিসিবি আমার অভিভাবকের মতো। এই মাঠ, উইকেট বা আউটফিল্ড সবই আমাদের নিজেদের সম্পদ। তাই আমার মনে হয় যে আমি অন্য কোন শব্দ ব্যবহার করতে পারতাম। ভবিষ্যতে আমি এটা নিয়ে সতর্ক থাকবো।’

    এটুকু বলার পাশাপাশি তামিম আরও কিছু কথা বলেন। জানিয়ে যান, ‘আমি আজ (বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার ফ্লাইটে দুবাই যাচ্ছি। আমার এনওসি নিয়ে তারা (ডিসিপ্লিনারি কমিটির লোকজন) কোন কথা বলেননি। আমাকে টুর্নামেন্টের জন্য শুভকামনা জানিয়েছেন। ২৭ তারিখ থেকে সম্ভবত জাতীয় দলের অনুশীলন শুরু হচ্ছে। ইনশাল্লাহ সেদিন থেকে আমি অনুশীলনে যোগ দিতে পারবো।’

    এতেই পরিষ্কার হয়েছে আপাততঃ কোন শাস্তির খাঁড়ায় ঝুলতে হচ্ছে না তামিমকে। এদিকে আজ সন্ধ্যা ছয়টার ফ্লাইটে দেশের এক নম্বর ওপেনার আরব আমিরাতের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছেন। ঘণ্টা চারেকের মধ্যে তিনি পৌছেও যাবেন। ওই আসরে পাক টন্স দলের হয়ে খেলবেন তামিম।

    তামিম খুশি মনে চলে গেছেন টি-টেন খেলতে। এও জানিয়ে গেছেন, টি-টেন টুর্নামেন্ট খেলে ২৭ ডিসেম্বর থেকে জাতীয় দলের যে ক্যাম্প শুরু হবে, তাতে অংশ নেবেন।

    তবে কি বিসিবি ডিসিপ্লিনারি কমিটি তামিম ইকবালের কথা বার্তা, তার আচরণ ও ব্যাখ্যায় পুরোপুরি সন্তুষ্ট? তার কোন শাস্তিই হবে না? ডিসিপ্লিনারি কমিটির চোখে কি তাহলে তামিম নির্দোষ?

    ওপরের অংশ পড়ে এমন মনে হতেই পারে; কিন্তু ব্যাপারটা আসলে তা নয়। ভিতরের খবর ভিন্ন। ভিতরের খবর হলো, তামিমকে শাস্তির মুখে পড়তেই হবে। অর্থ দÐের পাশাপাশি তার ওপর ম্যাচ সাসপেন্সনের খাঁড়াও নেমে আসতে পারে।

    তামিম যদিও স্বীকার করেছেন, তিনি কথাটা আরও অন্যভাবে উপস্থাপন করতে পারতেন। তাতে পুরোপুরি সন্তুষ্ট নয় ডিসিপ্লিনারি অ্যাকশন কমিটি। বিসিবির তিন শীর্ষ কর্মকর্তা মাহবুব আনাম, জালাল ইউনুস আর শেখ সোহেলের গড়া ওই কমিটি তামিমের সাথে কথা বলে বিসিবি সভাপতির কাছে একটা সুপারিশ পেশ করবেন।

    সে সুপারিশেই নাকি অর্থ দÐের পাশাপাশি ম্যাচ সাসপেন্সনের কথাও উল্লেখ থাকবে। এক অতি নির্ভরযোগ্য সূত্র জাগো নিউজকে জানিয়েছে, ‘তামিমের দু’ধরনের শাস্তির সম্ভাবনা খুব বেশি। প্রথমতঃ তার অর্থ দÐ হতে পারে। পাশাপাশি তাকে আগামী বছর বিপিএলের অন্তত দুই ম্যাচ সাসপেন্ড করা হতে পারে। সে সংখ্যা বেড়ে তিনে দাঁড়ালেও অবাক হবার কিছু থাকবে না।’

    এ বিষয়ে বোর্ড পরিচালক ও ডিসিপ্লিনারি কমিটির দুই অন্যতশ শীর্ষ সদস্য মাহবুব আনাম ও জালাল ইউনুস আনুষ্ঠানিকভাবে কোনরকম মন্তব্য করতে রাজি হননি। দু’জনই জাগো নিউজকে জানান, ‘বিষয়টি একটু স্পর্শকাতর। এটা নিয়ে কোন আনুষ্ঠানিক মন্তব্য না করাই ভাল। ডিসিপ্লিনারি কমিটি তামিমের সাথে কথা বলেছে। তার ব্যাখ্যা শুনেছে। এখন সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’

    মাহবুব আনাম সরাসরি কোন মন্তব্য করতে না চাইলেও আকার-ইঙ্গিতে বোঝানোর চেষ্টা করেছেন, ‘বিপিএল চলাকালীন হোম অব ক্রিকেটের পিচ-আউটফিল্ডের সমালোচনা করে তামিম যে মন্তব্য করেছেন, তা বোর্ডের সঙ্গে তার চুক্তির বরখেলাপের আওতায় পড়ে।’

    তার মানে তামিমের মন্তব্যটা শৃঙ্খলা ভঙ্গের সামিল। এসব ক্ষেত্রে বোর্ডের নীতিমালা আছে। সেটারও স্তর আছে। সর্বনি¤œ অপরাধে শুধুই সতর্ক করে দেয়া হয়। তারচেয়ে বড় হলে অর্থদÐ। আর বেশি তথা শৃঙ্খলা ভঙ্গের মত ঘটনা ঘটলে ম্যাচ সাসপেন্ড করার নিয়মও আছে। এটুকু বলে থামেন মাহবুব আনাম।

    তার কথায় একটা বড় ধরনের ইঙ্গিত আছে। অবস্থাদৃষ্টে পরিষ্কার মনে হচ্ছে আগামী বছর বিপিএলে প্রথম দুই তিন ম্যাচ সাসপেন্ড করা হতে পারে তামিম ইকবালকে

  • ভারত-ইংল্যান্ডের ‘নতুন অ্যাশেজ’

    ভারত-ইংল্যান্ডের ‘নতুন অ্যাশেজ’

    ক্রিকেটে সবচেয়ে জনপ্রিয় দ্বৈরথ কোনটি? সবাই এক বাক্যে বলবেন, শতবর্ষী পুরোণো ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়ার অ্যাশেজ। অ্যাশেজ কি একাই মাঠ কাঁপাচ্ছে?

    ক্রিকেটে নতুন আরেক অ্যাশেজের জন্ম হচ্ছে। জনপ্রিয়তার নিরিখে যেটি ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়ার অ্যাশেজের সমান কাতারেই দাঁড়িয়ে গেছে। সেই দ্বৈরথটা হলো ভারত আর ইংল্যান্ডের টেস্ট সিরিজ।

    চাহিদার কথা মাথায় রেখে নতুন এফটিপিতে অ্যাশেজের আদলেই টেস্ট সিরিজ রাখা হয়েছে ভারত আর ইংল্যান্ডের। ২০১৯ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে চার বছরে এই দুই দল দুটি পাঁচ টেস্টের সিরিজ খেলবে। অ্যাশেজের পর এটিই একমাত্র সিরিজ যেটি পাঁচ টেস্টের হবে।

    নতুন এফটিপিতে চার টেস্টের সিরিজ আছে মাত্র তিনটি। এর মধ্যে দুটিই ভারত আর অস্ট্রেলিয়ার। একটি ইংল্যান্ড আর দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যে।