Category: দূর্ঘটনা

  • কলাপাড়ার নদীর পাড়ের মানুষের ঈদ আনন্দ ভাসছে পানিতে

    কলাপাড়ার নদীর পাড়ের মানুষের ঈদ আনন্দ ভাসছে পানিতে

    পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার লালুয়া ইউনিয়নে রাবনাবাদ পাড়ের দীর্ঘ সাত কিলোমিটার বিধ্বস্ত বেড়িবাঁধের কারনে আট গ্রামের অন্তত আড়াই হাজার কৃষক-জেলে পরিবারের ঈদ উৎসব অস্বাভাবিক জোয়ারের পানিতে ভাসছে। এসব দরিদ্র জনগোষ্ঠীর এই দুঃখ দীর্ঘ থেকে ক্রমশ দীর্ঘতর হচ্ছে। প্রায় এক যুগের এই দুঃখ-কষ্ট এখন পরিণত হয়েছে দূর্যোগে। চারিপাড়া, চৌধুরীপাড়া, মুন্সীপাড়া, নয়াকাটা, পশুরবুনিয়া, নাওয়াপাড়া, ছোট পাঁচ নং, বড় পাঁচ নং গ্রামের এসব মানুষ এখন দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। এসব মানুষ ৫দিন থেকে ফের জোয়ার-ভাটার পানিতে ভাসছে। গ্রামের মানুষ ও তাদের সম্পদসহ জমিজমা জলোচ্ছ্বাসের কবল থেকে রক্ষার বেড়িবাঁধটি সিডরের তান্ডবে প্রথম লন্ডভন্ড হয়ে যায়। এরপর কয়েক দফা কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে কখনও বিকল্প বাঁধ, কখনও রিংবেড়িবাঁধ কিংবা জরুরি মেরামত করা হয়েছে। কিন্তু গত দুই বছর আর কোন পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। এই বেড়িবাঁধের রক্ষণাবেক্ষণসহ মেরামতে অনেকের ভাগ্যের চাকা খুলে গেছে, কিন্তু ভোগান্তি যায়নি নদীপাড়ের মানুষের। এখন বেড়িবাঁধটি রাবনাবাদ নদীর পাড়ের ফসলী জমির সঙ্গে মিশে গেছে। প্রায় আড়াই কিমি অংশের এমন দশা। এছাড়া পশুরবুনিয়া থেকে চান্দুপাড়া পর্যন্ত অসংখ্য স্পটে বাঁধটি রয়েছে ছিন্ন-ভিন্ন। অমাবস্যার প্রভাবের সঙ্গে চার দিনের টানা প্রবল বৃষ্টির কারণে এখন গ্রামগুলোর সকল পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন। এসব পরিবারে কিছু চাল-ডালসহ অন্যান্য সামগ্রী রয়েছে কিন্তু পানিবন্দীদশায় তারা চরম বিপাকে পড়েছেন। শত শত পরিবার রান্না পর্যন্ত করতে পারছেন না। পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষ ও শের-ই বাংলা নৌঘাঁটির জন্য ওই এলাকার অধিকাংশ জমি অধিগ্রহণের আওতায় পড়ায় পানি উন্নয়ন বোর্ড রাবনাবাদ পাড়ের বিধ্বস্ত বেড়িবাঁধটি মেরামতের কাজও করছে না। ফলে এসব মানুষের এখন হয়েছে অন্তহীন ভোগান্তি। তাদের জীবন-যাপন দুর্বিসহ হয়ে গেছে। ঈদ উৎসব এখন অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে। চারিপাড়া গ্রামের শাহজাহান প্যাদা, বেল্লাল হাওলাদার, হেলাল হাওলাদার, আলমগীর হাওলাদার জানান, জমিজমা আবাদ করে লাভ নেই। যখন ধানের শীষ বের হবে তখন লোনা পানিতে সব নষ্ট হয়ে যাবে। আর এখন জোয়ারের পানিতে সব থৈ থৈ করছে। বাড়িঘরে থাকা তো দুরের কথা। চলাচলের রাস্তা পর্যন্ত ডুবে যায়। মসজিদে নামাজ পর্যন্ত পড়া যায় না। এদের ঈদের উৎসব এখন চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে। নাওয়াপাড়া, চৌধুরীপাড়ার শতাধিক পরিবার প্রতিদিনকার জোয়ারের ঝাপটা থেকে রক্ষায় বাড়িঘর সরিয়ে নিয়েছেন। যাদের সঙ্গতি নেই তারা এখন প্রতিদিন জোয়ারের দুই দফা প্লাবনে-ভাসছেন।
    চৌধুরীপাড়ার মাহমুদা ও বাবুল শিকদার দম্পতি জানান, বাড়িঘরসহ রান্নার চুলা পর্যন্ত ডুবে গেছে জোয়ারের পানিতে। জোয়ারের সময় ঘরে বন্দী থাকেন। আর ভাটায় কাদাপানি পেরিয়ে চলাচল করেন। তাও অনেক দুর্ভোগের মধ্য দিয়ে। এভাবে লালুয়ার রাবনাবাদ পাড়ের মানুষের দূর্ভোগ কবে নাগাদ শেষ হবে তা তারাও বলতে পারছেন না। চারিপাড়ার মানুষ জানান, সরকার যদি তাদের ঘরবাড়ি জমিজমার টাকা দিয়ে দিত তাইলে অন্য কোথায় গিয়ে বাড়িঘর করে থাকতে পারতেন। তাও সহজে-পাচ্ছেন-না।
    লালুয়া ইউপি চেয়ারম্যান শওকত হোসেন তপন বিশ্বাস বলেন, শেরে বাংলা নৌঘাটি করার জন্য ড্রেজার দিয়ে বালি উঠানোর কারনে পানি যাওয়ার কোন ব্যবস্থা নেই। তারা ড্রেন করে দেয়ার কথা থাকলে করে দিচ্ছেনা। এমনিতো লালুয়া ইউনিয়নে আটটি গ্রামে জোয়ারের পানিতে সব থৈ থৈ করছে। বাড়িঘরে থাকা তো দুরের কথা। চলাচলের রাস্তা পর্যন্ত ডুবে যায়। মসজিদে নামাজ পর্যন্ত পড়া যায় না। ঈদের উৎসব এখন চরম দুর্ভোগে রয়েছে।
    কলাপাড়ার পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) দায়িত্বরত কর্মকর্তা এসডিই কুমার জানান, কলাপাড়া উপজেলার লালুয়া ইউনিয়নে বেরিবাঁধের নির্মানের প্রক্রিয়া চলছে জরুরিভাবে রক্ষা করার জন্য ।

  • ‘বিয়ের’ গাড়ি সাজানোর সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বরের মৃত্যু!

    ‘বিয়ের’ গাড়ি সাজানোর সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বরের মৃত্যু!

    মাদারীপুরের কালকিনিতে বিয়ের গাড়ি সাজানোর সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক বরের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (৭ জুন) দুপুরে উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের বীর মোহন এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

    মারা যাওয়া যুবকের নাম রবিউল সরদার (২৩)। তিনি একই এলাকার সালাম সরদারের ছেলে ও বাংলাদেশ আনসার বাহিনীর সদস্য ছিলেন।

    পুলিশ ও রবিউলের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, আজ দুপুরে তার সঙ্গে কমলাপুর এলাকার রাজ্জাক চৌকিদারের মেয়ে সোনিয়া আক্তারের বিয়ে হওয়ার কথা ছিল। কনের বাড়িতে যাওয়ার জন্য মাইক্রোবাস রবিউলদের বাড়ির সামনের মসজিদের পাশে রাখা হয়। পরে রবিউল নিজেই ফুল দিয়ে মাইক্রোবাসটি সাজানো শুরু করেন। সাজানোর শেষ মুহূর্তে রবিউল মসজিদের জানালার গ্রিল ধরে দাঁড়ান। কিছু সময় পরে বাড়ির লোকজন এসে দেখেন রবিউল গ্রিল ধরেই দাঁড়িয়ে আছে, কোনো কথা বলছে না। তখন তারা বুঝতে পারের রবিউল বিদ্যুতায়িত হয়ে পড়েছেন। পরে তাকে বরিশাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

    স্থানীয়রা জানায়, বীরমোহন উচ্চ বিদ্যালয় থেকে রোজার সময় ওই মসজিদে অস্থায়ীভাবে বিদ্যুতের সংযোগ নেওয়া হয়। একপর্যায়ে বিদ্যুতের তার টিনের চালের সঙ্গে লেগে ছিঁড়ে যায়। এতে চালসহ ওই গ্রিল বিদ্যুতায়িত হয়েছে বলে তাদের দাবি।

    নিহতের ছোট ভাই বাবু সরদার বলেন, ‘ভাইর এমন মৃত্যু কোনো ভাবেই মানতে পারছি না। বাবা-মা মৃত্যুর খবর শুনে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন।’ তার অভিযোগ,‘অব্যবস্থাপনার কারণেই তার ছিঁড়ে মসজিদের গ্রিলে লেগে ছিল। কর্তৃপক্ষের সচেতন থাকলে এই ঘটনা ঘটত না।

    এ ব্যাপারে ডাসার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. গোলাম কিবরিয়া বলেন, ‘শুনেছি এক যুবক বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা গেছেন। সেখানে আমাদের পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিদ্যুৎ বিভাগ বা মসজিদ কমিটির বিষয়ে নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে আমাদের কাছে কোনো অভিযোগ আসেনি। তারা যদি অভিযোগ করলে তদন্ত করে আমরা আইনগত ব্যবস্থা নেব।’

  • ঈদে মহাসড়কে ঝরল ৯ তাজা প্রাণ

    ঈদে মহাসড়কে ঝরল ৯ তাজা প্রাণ

    চালকদের গাফিলতি ও বেপোরোয়া গতির কারণে ঈদের ছুটিতে সিরাজগঞ্জের মহাসড়কে ঝরে পড়েছে তরতাজা ৯টি প্রাণ। স্বজনদের সঙ্গে ঈদ আনন্দ কাটাতে যাবার সময় সিরাজগঞ্জের মহাসড়কের কয়েকটি পয়েন্টে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় এ ৯জন প্রাণ হারায়। দুর্ঘটনায় প্রায় ৪৫জন গুরুতর আহত হয়েছে।
    হতাহতদের পরিবারেগুলোতে ঈদ আনন্দের পরিবর্তে শোকের ছায়া নেমে আসে।নিহতরা হলো, গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার কিশমত হলদীয়া গ্রামের জয়নাল আবেদীনের ছেলে ফজলুল হক (৪০), একই উপজেলার তালুক সর্বানন্দা গ্রামের এলাহী বক্সের ছেলে শাহজাহান মিয়া (৩৫), কুটিপাড়া গ্রামের বুলুমিয়ার ছেলে হামিদুল ইসলাম (৪০), রংপুরের মির্জাপুরের মহুরীপাড়া মহল্লার আব্দুর রহিমের ছেলে আতাউর রহমান (৩২), নেত্রকোনা জেলার বাসিন্দা ফারুক (৪০), চন্দন (৩৮), ফরিদপুর জেলার বোয়ালমারি উপজেলার কলেন সরদিয়া গ্রামের আব্দুল মালেকের ছেলে ও অগ্রণী ব্যাংকের কর্মকর্তা এমারুল হোসেন (৪২) এবং প্রাইভেটকার চালক রুবেল (৪৫)।পুলিশ জানায়, ঈদের আগের দিন ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কে জেলার রায়গঞ্জ উপজেলার দথিয়া এলাকায় ঢাকা থেকে গাইবান্ধাগামী  জারিফ পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস দ্রুতগতির কারণে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে খাদে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই ৪জন মারা যায়। এ ঘটনায় আহত হয় অন্তত ৩০ জন।

    ঈদের দিন বুধবার দুপুর আড়াইটার দিকে ৫জুন মহাসড়কের রায়গঞ্জ উপজেলার ভুইয়াগাঁতী পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় মুরগীবাহী মিনি ট্রাকের সঙ্গে একটি বড় ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে মুরগির ট্রাকের চালক ফারুক ও হেলপার চন্দন আহত হয়।

    উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পর সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুজনই মারা যান।

    একইদিন সকালে তবারিপাড়া এলাকায় ঢাকাগামী ডিপজল পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে বিপরীতমুখী একটি ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে বাসের হেলপারসহ ৮ জন আহত হন।

    আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পর বাসের হেলপার মারা যায়।

    এছাড়াও মহাসড়কের ষোলমাইল এলাকায় ঢাকাগামী আদর পরিবহনের একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে গিয়ে ৭ যাত্রী আহত হয়।

    ঈদের পরদিন বৃহস্পতিবার সকালে হাটিকুমরুল- বনপাড়া মহাসড়কের উল্লপাড়া উপজেলার হরিনচড়া বাজার দ্রুতগামী একটি প্রাইভেটকার চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলায় কারটি খাদে পড়ে যায়। এতে প্রাইভেট কারে থাকা ব্যাংক কর্মকর্তা ও চালক নিহত হন।

    হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল কাদের জিলানী জানান, চালকদের গাফিলতির কারইে সড়ক দুর্ঘটনাগুলো ঘটেছে। দুর্ঘটনায় নিহতদের লাশ উদ্ধার করে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আহতদের বিভিন্ন হাসপাতাল ও ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে।

  • কুয়াকাটা সৈকতে গেল মোটরসাইকেল চালকের প্রাণ

    কুয়াকাটা সৈকতে গেল মোটরসাইকেল চালকের প্রাণ

    পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় চালক সুজন হাওলাদার (৩০) নিহত হয়েছেন। এতে হৃদয় খান (১৬) নামে এক পর্যটক গুরুতর আহত হয়েছে।

    শুক্রবার ভোর সাড়ে ৫টায় সমুদ্র সৈকতের ঝাউ বাগান পয়েন্টে এ ঘটনা ঘটে। আহত হৃদয়কে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।

    ট্যুরিস্ট পুলিশের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মো. জহিরুল ইসলাম জানান, ঝাউ বাগান পয়েন্টে ভাঙা ব্রিজের পিলারে ধাক্কা লেগে মোটরসাইকেল চালক সুজন হাওলাদার (৩০) মারা যান। এ সময় হৃদয় খান (১৬) নামে এক পর্যটক গুরুতর আহত হলে তাকে কলাপাড়া হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়।

    নিহত সুজন কুয়াকাটা কান্দুপাড়া এলাকার বাসিন্দা হাবিব হাওলাদারের ছেলে। আহত হৃদয় কোটালিপাড়ার মিলন খানের ছেলে।

  • পটুয়াখালীতে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আরোহী নিহত

    পটুয়াখালীতে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আরোহী নিহত

    পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় সুজন হাওলাদার (৩০) নামে এক আরোহী নিহত হয়েছেন। এতে গুরুতর আহত হয়েছেন হৃদয় খান (১৬) নামে এক পর্যটক।

    শুক্রবার (০৭জুন) সকালে সমুদ্র সৈকতের ঝাউ বাগান পয়েন্টে এ ঘটনা ঘটে। আহত হৃদয়কে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

    ট্যুরিস্ট পুলিশের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মো. জহিরুল ইসলাম বরিশালটাইমসকে জানান, ঝাউ বাগান পয়েন্টে ভাঙা ব্রিজের পিলারে ধাক্কা লেগে মোটরসাইকেল চালক সুজন হাওলাদার (৩০) মারা যান।

    এ সময় হৃদয় খান (১৬) নামে এক পর্যটক গুরুতর আহত হন। তাকে কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

    নিহত সুজন কুয়াকাটা কান্দুপাড়া এলাকার বাসিন্দা হাবিব হাওলাদারের ছেলে। আহত হৃদয় কোটালিপাড়ার মিলন খানের ছেলে।

  • কক্সবাজার চট্রগ্রাম মহাসড়কে বাস-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে ১ নারীসহ সড়ক দূঘটনায় দুইজন নিহত হয়।

    কক্সবাজার চট্রগ্রাম মহাসড়কে বাস-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে ১ নারীসহ সড়ক দূঘটনায় দুইজন নিহত হয়।

    নিউজ ডেস্কঃ

    কক্সবাজার চট্রগ্রাম মহাসড়কের খুটাখালী মেধাকচ্ছপিয়া ঢালায় বাস-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে ১ নারীসহ সড়ক দূঘটনায় দুইজন নিহত হয়। কমবেশী আহত হয়েছে আরো ৫/৬ জন। তাদেরকে চকরিয়া উপজেলার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শুক্রবার সকাল পৌনে ১১ টার সময় ঘটে এ দুর্ঘটনা। মালুমঘাট হাইওয়ে পুলিশ সুত্রে জানা গেছে, এদিন সকাল পৌনে ১১ টার সময় মহাসড়কের খুটাখালী মইক্ক্যাঘোনার ঢালায় কক্সবাজারমুখি ইউনিক বাস (১০৪০) এর সাথে চকরিয়ামুখী মাইক্রোবাস (৪০৮৯) মুখোমুখি সংঘর্ষে নারীসহ ২ জন নিহত হয়েছে। নিহতরা হলেন উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়নের উত্তর ফুলছড়ি গ্রামের খলিলুর রহমানের স্ত্রী রওশন আরা(৪২), ও ডুলাহাজারা ইউনিয়নের চা বাগান এলাকার দিপক পালের পুত্র সনাক পাল (২৭)। গুরুতর আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে প্রেরণ করেছে পুলিশ। মালুমঘাট হাইওয়ে পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) জসিম উদ্দীন দুর্ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বাস দুটি জদ্ধ করা হয়েছে। লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল রিপোর্ট তৈরী পুর্বক নিহতদের স্বজনদের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।

  • ভোলায় বাসচাপায় ২ জনের মৃত্যু

    ভোলায় বাসচাপায় ২ জনের মৃত্যু

    আজ বৃহস্পতিবার বিকাল তিনটার দিকে জেলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার বড় মানিকা এলাকার ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    স্থানীয়রা জানায়, ইকবাল ও সোহাগ দুই ভাই দুপুরে বোরহানউদ্দিন উপজেলায় দাওয়াত খেতে আসে। দাওয়াত শেষে মোটরসাইকেল যোগে দৌলতখান যাওয়ার পথে বড় মানিকার ইদারার মোড় এলাকায় পৌঁছালে চরফ্যাশনগামী রবিন চৌধুরী এক্সপ্রেস নামের একটি বাস চাপা দেয় তাদের। এতে সোহাগ ঘটনাস্থলেই মারা যান ও ইকবাল গুরুতর আহত হন। স্থানী লোকজন ইকবালকে বোরহানউদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকেও মৃত ঘোষণা করেন।

    বোরহানউদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এনামুল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে বাসটি জব্দ করে। তবে চালক পালিয়ে গেছে।

  • বন্ধুর বাড়িতে ঈদ করতে এসে বজ্রপাতে নিহত

    বন্ধুর বাড়িতে ঈদ করতে এসে বজ্রপাতে নিহত

    চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলায় ঈদে বন্ধুর বাড়ি বেড়াতে এসে বজ্রপাতে ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার শাকিল মোল্লা (২৭) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন।

    বুধবার ঈদের দিন দুপুরে উপজেলা সীমান্তের গোয়ালপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। অপর দুই যুবকের সঙ্গে শাকিল এ সময় বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত দেখতে চ্যাংখালী জিরো পয়েন্টে যাচ্ছিলেন। বজ্রপাতে তার এক বন্ধু মনির (২৫) আহত হয়েছেন। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাড়ি নেয়া হয়েছে।

    জানা যায় জীবননগর উপজেলার হরিহরনগর গ্রামের আব্দুল খালেকের ছেলে সাজ্জাদ হোসেন (২৮) ফরিদরপুর জেলার সদরপুর উপজেলার অকোটেরচর ইউনিয়নের জিএম ডাঙ্গি গ্রামের জাকির মোল্লার বাড়িতে কাজ নেন। জাকির মোল্লার ছেলে শাকিলের সঙ্গে তার বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। ঈদে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত দেখার জন্য সাজ্জাদের সঙ্গে শাকিল জীবননগর বেড়াতে আসেন।

    সকালে ঈদের নামাজ পড়ে সীমান্ত দেখতে বেরিয়ে পড়েন তিনজন। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে আকস্মিক বজ্রবৃষ্টি শুরু হলে তারা গোয়ালপাড়ার স্টক ইয়ার্ডের সামনের গোলঘরে অবস্থায় নেন। এ সময় সেখানে আরও চারজন পথচারী অবস্থান করছিলেন।

    এ সময় হঠাৎ বজ্রপাতে শাকিল মাটিয়ে লুটিয়ে পড়েন। তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে কর্তব্য চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

  • ঈদের দিন-মা’র মৃত্যুর খবর শুনে ছেলের মৃত্যু

    ঈদের দিন-মা’র মৃত্যুর খবর শুনে ছেলের মৃত্যু

    আখাউড়ায় ঈদের দিন মায়ের মৃত্যুর ১৫ মিনিট পর হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ছেলের মৃত্যু হয়েছে। ঈদের দিন বুধবার বিকালে উপজেলার উত্তর ইউনিয়নের কল্যাণপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

    মৃতরা হলেন- ওই গ্রামের কাইয়ুম মিয়ার স্ত্রী সাহেরা বেগম ও তার বড় ছেলে আবুল কাশেম।
    পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বিকাল পৌনে ৫টার দিকে অসুস্থতাজনিত কারণে সাহেরা বেগমের মৃত্যু হয়। মায়ের মৃত্যুর খবরে হঠাৎ করে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে আবুল কাশেমও মারা যান। মাত্র ১৫ মিনিটের ব্যবধানে মা-ছেলের এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

    মৃত আবুল কাশেমের স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।

    আখাউড়া থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আরিফুল আমিন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ঘটনাটি খুবই মর্মান্তিক।

  • বরিশালে অটো রিক্সার ধাক্কায় ব্যাবসায়ী মৃত্যুর মুখে

    বরিশালে অটো রিক্সার ধাক্কায় ব্যাবসায়ী মৃত্যুর মুখে

    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন বরিশাল-ভোলা সড়কের মুখে অটো রিক্সার ধাক্কায় মিজানুর রহমান নামের এক ব্যবসায়ী গুরুতর আহত হয়ে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে বলে জানিয়েছেন তার পরিবার।

    আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১ টার দিকে এ দূর্ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় উদ্ধারকারীরা। আহত ফল ব্যাবসায়ী ভোলা ভেদুরিয়া গ্রামের মোঃ সাদেক রহমানের ছেলে মিজানুর রহমান। তিনি বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় সামনে ফলের ব্যবসা করেতেন।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন মিজান বিশ্ববিদ্যালয় বরিশাল-পটুয়াখালী সড়ক অতিক্রমকালে দ্রুত বেগে আসা একটি অটো রিক্সার সাথে ধাক্কা লেগে ছিটকে পড়লে তার মাথায় প্রচন্ড জখম হয়। পরে তাকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে চিকিৎস্বাধীন অবস্থায় রয়েছেন।