Category: দূর্ঘটনা

  • শের-ই-বাংলা মেডিকেলে ৩২ ঘন্টায় ২ জনের মৃত্যু, ভর্তি ৪ শতাধিক

    শের-ই-বাংলা মেডিকেলে ৩২ ঘন্টায় ২ জনের মৃত্যু, ভর্তি ৪ শতাধিক

    বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পবিত্র ঈদের দিন বুধবার সকাল ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার দুপুর ২ টা পর্যন্ত ২ জনের মৃত্যু সহ ৩২ ঘন্টায় প্রায় ৪ শতাধিক বিভিন্ন রোগী ভর্তি হয়েছে।

    হাসপাতালের মেডিসিন ওয়ার্ডের সংস্কার কাজ চলায় শতাধিক রোগী বাহিরের ফ্লোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে।

    বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরী বিভাগের টিকিট কাউন্টার থেকে জরুরী বিভাগের স্টাপ হরে কৃষ্ণ সিকদার জানান বুধবার ঈদের দিন বরিশাল শহরতলী চরবাড়িয়া ৩নং ওয়ার্ডের পিতা অজ্ঞাত আসাদ (ত০) নামের এক যুবক বিদ্যুৎপ্রষ্ট হয়ে হাসপাতালে নিয়ে আসার পূর্বে তার মৃত্যু হয়।

    অপর দিকে জেলার বাখেরগঞ্জ উপজেলার নেয়ামতি ইউনিয়নের নেয়ামতি গ্রামে মোটর সাইকেল দূর্ঘটনায় তাওহিদুল ইসলাম নামের এক শিক্ষার্থীকে নিয়ে আসলে তার মৃত্যু ঘটে।

    এদুটি মৃত্যুর ঘটনা বাখেরগঞ্জ ও বরিশাল মেট্রোপলিটন কাউনিয়া থানায় অবহিত করা হয়েছে।

    এছাড়া হাসপাতালে ঈদেরদিন পটকাবাজি ফুটাতে গিয়ে ২ যুবক সহ বিভিন্ন রোগের প্রায় ৪ শত রোগী হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি হয়েছে।

    এ ব্যাপারে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডাঃ বাকির হোসেন বলেন, বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২ শত ২৪ জন চিকিৎসকের স্থলে ১শত ১৮টি চিকিৎসকের পদ খালী রয়েছে।

    বর্তমানে ঈদ উপলক্ষে ইন্টার্নী ও কনসালটেন্ট এবং বিভিন্ন চিকিৎসক সহ ১০৬ জন সুন্দরভাবে তারা চিকিৎসা সেবার দায়ীত্ব পালন করছেন।

    এছাড়া মেডিসিন ওয়ার্ড কক্ষের সংস্কার কাজ চলার কারনেই প্রাথমিক ভাবে রোগীদের রাখা হয়েছে।

  • বরিশালে ঘরে ফেরা হলো না কলেজ ছাত্র তাওহিদুলের

    বরিশালে ঘরে ফেরা হলো না কলেজ ছাত্র তাওহিদুলের

    ঈদে বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে বেরিয়ে আর ঘরে ফেরা হলো না কলেজছাত্র তাওহিদুল ইসলামের (২২)। মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ঝরে গেছে তার প্রাণ।

    বুধবার (০৫ জুন) ঈদুল ফিতরের দিন দুপুর ২টায় বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার নিয়ামতি ইউনিয়নের নিয়ামতি গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিয়ামতি গ্রামের আব্দুস ছালাম মৃধার ছেলে তাওহিদুল ঢাকার একটি কলেজে পড়াশোনা করতেন। ঈদের ছুটিতেই তিনি গ্রামের বাড়িতে ঈদ করতে এসেছিলেন।

    স্বজনদের বরাত দিয়ে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের ওয়ার্ড মাস্টার মশিউর রহমান ফিরদাউস জানান, ঈদের নামাজ পড়ে বন্ধুদের সঙ্গে মোটরসাইকেল যোগে ঘুরতে বের হয় তাওহিদুল।

    ‘পরে মোটরসাইকেলের চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেললে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে মোটরসাইকেলে থাকা তিনজনই আহত হয়। তাদের উদ্ধার করে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে নিয়ে আসলে জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক তাওহিদুলকে মৃত ঘোষণা করেন।

    এছাড়া বাকি দু’জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।’

  • ঝালাকাঠিতে থ্রি-হুইলার ও ট্রাকের সংঘর্ষে ৫ জন আহত

    ঝালাকাঠিতে থ্রি-হুইলার ও ট্রাকের সংঘর্ষে ৫ জন আহত

    স্টাফ রিপোর্টার//তানজিম হোসাইন রাকিব:

    ঝালকাঠির নলছিটিতে যাত্রীবাহী মাহিন্দ্রা (থ্রি-হুইলার) ও ট্রাকের সংঘর্ষে একই পরিবারের তিনজনসহ পাঁচজন আহত হয়েছেন।

    মঙ্গলবার (৪ জুন) দুপুরে এ দুর্ঘটনা ঘটে। আহতদের উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তারা সবাই মাহিন্দ্রার যাত্রী ছিলেন।

    আহতরা হলেন- নলছিটি উপজেলার আমিরাবাদ এলাকার সুলতানের স্ত্রী রানী (৫৫), তার ছেলে ইমরান (২২) ও মেয়ে আসমা (২০), জুয়েল (৫০) ও রাজু (১৮)।

    আহতদের মধ্যে আসমার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে- দুপুরে ঝালকাঠি-বরিশাল মহাসড়ক দিয়ে মাহিন্দ্রাটি যাত্রী নিয়ে বরিশাল শহরের দিকে আসছিল। পথে কালিজিরা ব্রিজের কাছাকাছি এলে নলছিটির রায়াপুর নামক এলাকায় ঝালকাঠিগামী একটি ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মাহিন্দ্রার পাঁচ যাত্রী আহত হন।

    শেবামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্রাদার আনোয়ার হোসেন আহতদের ভর্তির বিষয়টি ‘‘বাংলার মুখ টুইনটি ফোর ডট কম” কে নিশ্চিত করেছেন।’

  • মাদারীপুরের মাহেন্দ্র-নসিমনের সংঘর্ষে প্রাণ গেল তরুণের

    মাদারীপুরের মাহেন্দ্র-নসিমনের সংঘর্ষে প্রাণ গেল তরুণের

    মাদারীপুরের শিবচরে মাহেন্দ্র-নসিমনের সংঘর্ষে এক তরুণ নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন দুজন। আজ মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের শিবচরের বাখরেরকান্দি এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহতের নাম চান মিয়া (২২)। তিনি ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার শান্তিপুর গ্রামের সোহরাব মিয়ার ছেলে। আহতেরা হলেন, সাচ্চু মিয়া ও নাঈম। পুলিশ জানিয়েছে, আহত দুজন নিহত তরুণের ভাগনে।

    পুলিশ ও নিহতের স্বজনদের সূত্রে জানা গেছে, ঈদের ছুটিতে ঢাকা থেকে চান মিয়া ও তাঁর দুই ভাগনে কাঁঠালবাড়ি ঘাট থেকে তিন চাকার যান মাহেন্দ্রতে করে ফরিদপুরের ভাঙ্গা যাচ্ছিলেন। কিন্তু শিবচরের বাখরেরকান্দি এলাকায় এলে বিপরীত দিক থেকে আসা নসিমনের সঙ্গে ওই মাহেন্দ্রর সংঘর্ষ হয়। এতে গুরুতর আহত হন চান মিয়া। তাৎক্ষণিক স্থানীয়রা চান মিয়াকে শিবচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। আহত সাচ্চু মিয়া ও নাঈম হোসেনকে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। তবে অবস্থা গুরুতর হওয়ায় নাঈমকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

    শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকির হোসেন বলেন, সংশ্লিষ্ট বাহন দুটি পুলিশ জব্দ করেছে। মাহেন্দ্র ও নসিমনের চালক তুলনামূলক কম আহত হয়েছেন। নসিমনটি মালবাহী ছিল। এ ব্যাপারে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

  • বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলায়

    বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলায়

    স্টাফ রিপোর্টার// শাওন অরন্য:

    বরিশালের উজিরপুর উপজেলায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শিহাব (১১) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

    এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছে মুন্না (১১) নামে আরেক শিশু।

    গতকাল ২ জুন রবিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে উপজেলার জয়শ্রী এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। শিহাব জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার ভূতেরদিয়া এলাকার ওমর হোসেনের ছেলে। সে পরিবারের সঙ্গে জয়শ্রী এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতো এবং শিকারপুর নূরানী মাদ্রাসার ছাত্র ছিল।

    অপরদিকে গুরুতর আহত মুন্নাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সে মাদারীপুরের মাইশপাড়া এলাকার মো. মহসিনের ছেলে এবং জয়শ্রী এলাকায় নানা বাড়িতে থেকে স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ে পড়াশুনা করতো।

    স্থানীয়রা জানায়, মৃত শিহাবের বাড়ির পাশের একটি পুকুরে বৈদ্যুতিক তার ছিড়ে পড়ে। এতে পানি বিদ্যুতায়িত হয়ে পুকুরের মাছগুলো ভেসে উঠতে থাকে। সন্ধ্যার দিকে শিহাব ও মুন্না মাছ ধরার জন্য বিদ্যুতায়িত ওই পুকুরে নামে।

    এ সময় তারা বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গুরুতর আহত হয়। পরে তাদের উদ্ধার করে উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক শিহাবকে মৃত ঘোষণা করেন।

    উজিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শিশির কুমার পাল বলেন, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক শিশুর মৃত্যু ও একজন আহত হয়েছে বলে শুনেছি। ঘটনাস্থলে পুলিশের টিম পাঠানো হয়েছে। তারা ফিরে এলে বিস্তারিত জানা যাবে।

  • দুর্ঘটনায় নুসরাত হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তার গাড়ি, নিহত ৩

    দুর্ঘটনায় নুসরাত হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তার গাড়ি, নিহত ৩

    ফেনী পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মনিরুজ্জামানকে বহনকারী গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা পোশাক কর্মীদের চাপা দিয়েছে। এতে ঘটনাস্থলেই তিন নারী শ্রমিক নিহত এবং ছয়জন আহত হয়েছেন।

    সোমবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চৌদ্দগ্রাম উপজেলার মিয়াবাজার সংলগ্ন চানন্দুল এলাকার ড্রাগন সোয়েটার অ্যান্ড স্পিনিং মিলের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা ওই কারখানার শ্রমিক ছিলেন। তবে গাড়িতে থাকা পিবিআইয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মনিরুজ্জামানসহ তার সঙ্গীরা আহত হলেও সবাই সুস্থ রয়েছেন।

    নিহতরা হলেন- চৌদ্দগ্রাম উপজেলার সাতবাড়িয়া গ্রামের নাছিমা আক্তার (৩৬), সদর দক্ষিণ উপজেলার জগপুর গ্রামের তানজিনা আক্তার (২৮) ও কাজল বেগম (৩২)।

    জানা যায়, পিবিআইয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মনিরুজ্জামানকে বহনকারী গাড়িতে ছিলেন ফেনীর আলোচিত মাদরাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হত্যাকাণ্ডের মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) পরিদর্শক মো. শাহ আলম ও অন্যান্য কর্মকর্তারা। নুসরাত হত্যা মামলাটির তদারকি করছেন পিবিআইয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মনিরুজ্জামান।

    ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে চৌদ্দগ্রাম মিয়া বাজার হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পুলিশের পরিদর্শক মঞ্জুরুল হক বলেন, ফেনী পিবিআইয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মনিরুজ্জামান ফেনী থেকে ঢাকায় ফিরছিলেন। বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে চানন্দুল এলাকায় তাকে বহনকারী গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে অপেক্ষমান শ্রমিকদের চাপা দিয়ে খাদে পড়ে যায়।

    এতে ৮-৯ জন নারী শ্রমিক গুরুতর আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ (কুমেক) হাসপাতালে আনার পর তিন নারী শ্রমিকের মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনায় তিনজনের মৃত্যু হলেও পিবিআইয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এবং একই গাড়িতে থাকা একজন পুলিশ পরিদর্শক ও দুইজন কনস্টেবল আহত হয়েছেন। তবে বর্তমানে তারা সবাই সুস্থ ও নিরাপদে রয়েছেন।

    PBI1

    এ বিষয়ে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) পরিদর্শক মো. শাহ আলম বলেন, ফেনী পিবিআইয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মনিরুজ্জামান ফেনী থেকে ঢাকায় ফিরছেলেন। বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে চানন্দুল এলাকায় আমাদের বহনকারী গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে অপেক্ষমান শ্রমিকদের চাপা দিয়ে খাদে পড়ে যায়। এতে ৮-৯ জন নারী শ্রমিক গুরুতর আহত হন। এর মধ্যে তিনজনের মৃত্যু হলেও পিবিআই কর্মকর্তারা সুস্থ রয়েছেন।

    আহত শ্রমিকরা জানান, কারখানা ছুটি শেষে তারা গাড়ির জন্য অপেক্ষা করছিলেন। হঠাৎ পুলিশের গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তাদের চাপা দিলে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনায় আহত শ্রমিকদের কুমেক ও চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

    প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসার আলিম পরীক্ষার্থী নুসরাত জাহান রাফিকে যৌন নিপীড়ের দায়ে ওই মাদরাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ৬ এপ্রিল ওই মাদরাসার সাইক্লোন শেল্টারের ছাদে নিয়ে অধ্যক্ষের সহযোগীরা তার শরীরে আগুন ধরিয়ে দেয়। টানা পাঁচদিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে মারা যান নুসরাত জাহান রাফি।

    এ ঘটনায় তার বড় ভাই মাহমুদুল হাসান নোমান বাদী হয়ে অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলাসহ আটজনের নাম উল্লেখ করে সোনাগাজী মডেল থানায় মামলা করেন। মামলার এজাহারভুক্ত আট আসামিসহ এখন পর্যন্ত ২১ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ও পিবিআই।

  • বরিশালে দুই বাসের সংঘর্ষে চালকসহ আহত ২০

    বরিশালে দুই বাসের সংঘর্ষে চালকসহ আহত ২০

    বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের উজিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী বামরাইল বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন বাগান বাড়ি এলাকায় দুটি যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে উভয় বাসের চালকসহ কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়েছে। এদের মধ্যে দুর্ঘটনা কবলিত দুই বাসের চালক ও যাত্রীসহ ৫ জনকে আশংকাজনক অবস্থায় বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    রোববার (২ জুন) দুপুরে মহাসড়কের ওই স্থানে দুর্ঘটনাটি ঘটলে প্রায় এক ঘন্টা যান চলাচল বন্ধ থাকে এবং মহাসড়কের দুই পাশে প্রায় এক কিলোমিটার দীর্ঘ যানযটের সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে উজিরপুর ফায়ার সার্ভিস ও গৌরনদী মডেল থানা পুলিশ সদস্যদের ঘন্টাব্যাপী প্রচেষ্টায় যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

    প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গতকাল দুপুরে বরিশাল থেকে মাওয়াগামী কাফেলা পরিবহনের (ঢাকা মেট্রো-ব-০২-০৫৫৯) একটি যাত্রীবাহি বাসের সাথে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মাদারীপুর থেকে বরিশালগামী তাসনিফ (ফরিদপুর-ব ১১-০০৮০) নামের বেপরোয়া গতির যাত্রিবাহি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে উভয় গাড়ির চালকসহ ২০ যাত্রী আহত হয়েছে।

    খবর পেয়ে উজিরপুর ফায়ার সার্ভিস ও গৌরনদী থানা পুলিশ সদস্যরা আহতদের উদ্ধার করে বরিশাল শেবাচিম ও গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। গৌরনদী মডেল থানা পুলিশ দুর্ঘটনা কবলিত বাস দুটিকে আটক করেছে। গৌরনদী হাইওয়ে থানার ওসি শেখ আতিয়ার রহমান এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

  • পিরোজপুরে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় গৃহবধূ নিহত

    পিরোজপুরে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় গৃহবধূ নিহত

    নিউজ ডেস্ক: পিরোজপুর পৌরসভার খানাকুনিয়ারি গ্রামে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় শাহানারা বেগম (৪০) নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। আজ সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তিনি মারা যান।

    শাহানারা বেগম পিরোজপুর পৌরসভার খানাকুনিয়ারি গ্রামের সিদ্দিকুর রহমানের স্ত্রী।

    প্রত্যক্ষদর্শী, হাসপাতাল ও নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, আজ বেলা ১১টার দিকে শাহানারা বেগম বাড়ির সামনের রাস্তা পার হওয়ার সময় ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল তাঁকে ধাক্কা দেয়। এতে শাহানারা বেগম ও মোটরসাইকেলের আরোহী গোলেনূর বেগম (৫০) গুরুতর আহত হন।

    স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে পিরোজপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক শাহানারা বেগমকে মৃত ঘোষণা করেন। পিরোজপুর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক নিজাম উদ্দিন বলেন, শাহানারা বেগমকে হাসপাতালে মৃত অবস্থায় নিয়ে আসা হয়েছিল। গোলেনূর বেগম চিকিৎসাধীন আছেন।

    পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউল হক বলেন, ‘সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের কোনো খবর আমি পাইনি।’

  • ঢাকা থেকে বরিশালগামী অ্যাডভেঞ্চার-৯ লঞ্চে আগুন

    ঢাকা থেকে বরিশালগামী অ্যাডভেঞ্চার-৯ লঞ্চে আগুন

    স্টাফ রিপোর্টার// শাওন অরন্য:

    রাজধানীর সদরঘাটে বরিশালগামী অ্যাডভেঞ্চার-৯ লঞ্চের ভিআইপি কেবিনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

    তবে এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি বলে জানা গেছে।

    শনিবার (০১ জুন) সন্ধ্যা ৭টার দিকে লঞ্চটির ৩৭৭ নম্বর কেবিনে আগুন লাগে বলে খবর পাওয়া গেছে।

    সদরঘাট ফাঁড়ির এসআই মো. এনামুল হক গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে অ্যাডভেঞ্চার-৯ লঞ্চের ভিআইপি কেবিনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে আগুন নিভিয়ে ফেলার কারণে কেউ হতাহত হয়নি।

    লঞ্চে অগ্নিকান্ডের ঘটনার সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে যমুনা টিভি ও সময় টিভির সাংবাদিকদের লাঞ্চিত করা হয়।

    এ ব্যাপারে বিআইডব্লিউটিএর যুগ্ম পরিচালক আলমগীর কবির গণমাধ্যমকে বলেন, একটা ঝামেলা হয়েছে। আমরা সেটি মিটিয়ে ফেলার চেষ্টা করছি।

  • পাঁচ মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রায় দুই হাজার মানুষের প্রাণহানি

    পাঁচ মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রায় দুই হাজার মানুষের প্রাণহানি

    চলতি বছরের প্রথম ৫ মাসে জাতীয় মহাসড়ক, আন্তঃজেলা সড়ক ও আঞ্চলিক সড়কসহ সারাদেশে এক হাজার ৭৯২টি সড়ক দুর্ঘটনায় ঘটেছে। এসকল ঘটনায় এক হাজার ৫৫২ জন নিহত ও তিন জন ৫৪৩ জন আহত হয়েছে। নিহতের তালিকায় ২৪২ নারী ও ৩১২ শিশু রয়েছে। বেসরকারি সংগঠন নৌ সড়ক ও রেলপথ রক্ষা জাতীয় কমিটির (এনসিপিএসআরআর) পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনে এই তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

    আজ রবিবার প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, জানুয়ারিতে ৩৮৩টি দুর্ঘটনায় ৪১১ জনের প্রাণহানি এবং ৭২৫ জন আহত হয়েছে। ফেব্রুয়ারিতে ৪০১টি দুর্ঘটনায় নিহত ও আহত হয়েছে যথাক্রমে ৪১৫ জন ও ৮৮৪ জন আহত। মার্চে ৩৮৪টি দুর্ঘটনায় ৩৮৬ জন নিহত ও ৮২০ জন আহত হয়েছে। এপ্রিলে দুর্ঘটনা ঘটেছে ৩২৭টি। এতে ৩৪০ জন নিহত ও ৬১০ জন আহত হয়েছে। আর মে মাসে ২৯৭টি দুর্ঘটনায় ৩৩৮ জন নিহত হয়েছে। এ সময়ে আহত হয়েছে ৫০৪ জন।

    প্রতিবেদনে দেখা যায়, মার্চ মাসের তুলনায় এপ্রিলে সড়ক দুর্ঘটনা ও হতাহতের সংখ্যা কমেছে। তবে জাতীয় কমিটির পর্যবেক্ষণে সড়ক দুর্ঘটনার জন্য যে ১০টি প্রধান কারণ চিহ্নিত করা হয়েছিল সেগুলো অপরিবর্তিত রয়েছে উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনে। কারণগুলো হলো- চালকদের প্রতিযোগীতামূলক মনোভাব ও বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানো, দৈনিক-চুক্তিতে চালক, কন্ডাক্টর বা হেল্পারের কাছে গাড়ি ভাড়া দেওয়া, অদক্ষ ও লাইসেন্সবিহীন চালক নিয়োগ, সড়কে চলাচলে পথচারীদের অসতর্কতা, বিধি লঙ্ঘন করে ওভারলোডিং ও ওভারটেকিং, দীর্ঘক্ষণ বিরামহীনভাবে গাড়ি চালানো, ত্রুটিপূর্ণ গাড়ি চলাচল বন্ধে আইনের যথাযথ প্রয়োগের অভাব, জনবহুল এলাকাসহ দূরপাল্লার সড়কে ট্রাফিক আইন যথাযথভাবে অনুসরণ না করা, সড়ক-মহাসড়কে মোটরসাইকেলসহ তিন চাকার যানবাহন চলাচল বৃদ্ধি এবং স্থানীয়ভাবে তৈরি ইঞ্জিনচালিত ক্ষুদ্রযানে যাত্রী ও পণ্য পরিবহন।

    এ বিষয়ে নৌ সড়ক ও রেলপথ রক্ষা জাতীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক আশীষ কুমার দে কালের কণ্ঠকে বলেন, শুধু কঠোর আইন প্রণয়ন করে সড়ক দুর্ঘটনা রোধ করা সম্ভব না। এজন্য সুষ্ঠু পরিকল্পনার মাধ্যমে সড়কখাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা প্রয়োজন।

    তিনি বলেন, আইনের যথাযথ প্রয়োগ যেমন দরকার, তেমনি আইন সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য হতে হবে। সেক্ষেত্রে সড়ক পরিবহনখাতে বিরাজমান নৈরাজ্য ও বিশৃঙ্খলার বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট সকল মহলকে সোচ্চার করে তোলা অপরিহার্য। এছাড়া যাত্রী ও পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে সড়কের ওপর অধিক নির্ভরশীলতা কমাতে নৌ ও রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্প্রসারিত ও আধুনিকায়ন করার আহ্বান জানান তিনি।