Category: নারী ও শিশু

  • বরিশালের সেই অপহৃত স্কুলছাত্রীর ইজ্জতের মূল্য ২৫ হাজার টাকা!

    বরিশালের সেই অপহৃত স্কুলছাত্রীর ইজ্জতের মূল্য ২৫ হাজার টাকা!

    অনলাইন ডেস্ক:

    বরিশালের গৌরনদী উপজেলার গৌরনদী গার্লস স্কুল এ্ন্ড কলেজের ষষ্ঠ শ্রেনীর এক ছাত্রী ২রা ফেব্রুয়ারী স্কুল ছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়। ঢাকা থেকে ছাত্রীকে উদ্ধার করে ৩ ফেব্রুয়ারী গৌরনদী পৌর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ছাত্রীর ইজ্জতের মূল্য ধরা হয়েছে ২৫ হাজার টাকা এবং স্কুল ছাত্রীকে দুদিনের মধ্যে এলাকা ছাড়ার নির্দ্দেশ দিয়েছেন ওই যুবলীগ নেতা।

    যুবলীগ নেতার এ রায় কার্যকর হওয়ায় এলাকায় তোলপার সৃষ্ঠি হয়েছে।

    স্থানীয় ও স্কুল ছাত্রীর পরিবার এবং সালিশ বৈঠক সুত্রে জানা গেছে, গৌরনদী গালর্স স্কুল এন্ড কলেজের ষষ্ঠ শ্রেনীর ছাত্রী উপজেলার উত্তর পালরদী গ্রামে নানার বাড়ি থেকে পড়ালেখা করে আসছিল। ওই ছাত্রীকে স্কুলে যাওয়া আসার পথে প্রায়ই উত্ত্যক্ত করত একই গ্রামের আকবর বিশ্বাসের পুত্র রাকিব (২২)।

    এ ঘটনায় স্কুল ছাত্রীর অবিভাবকরা ছেলের অবিভাবকদের জানালে রাকিব ক্ষিপ্ত হয়ে গত ৩১ জানুয়ারী স্কুল ছাত্রী প্রাইভেট পরার জন্য নানা বাড়ি থেকে বেড় হলে রাকিব তার যোগীদের নিয়ে স্কুল ছাত্রীকে জোড়পূর্বক অপহরণ করে নিয়ে যায়। গত ২রা ফেব্রুয়ারী স্কুল ছাত্রী ও রাকিবকে ঢাকার রায়ের বাজার এলাকা থেকে স্থানীয়দের সহযোগীতায় উদ্ধার করে এলাকায় নিয়ে আসা হয়।

    সালিশ বৈঠক সুত্রে জানা গেছে, ৩ ফেব্রুয়ারী গৌরনদী পৌর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আল আমীন হাওলাদারের নিজ বাসভবনে গৌরনদীর কসবা গ্রামে এক সালিশ বৈঠক বসে। সালিশ বৈঠকে রাকিবের পরিবারকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা ও ২৪ ঘন্টার মধ্যে ছেলে মেয়ে উভয়কে এলাকা ছাড়ার রায় দিয়ে স্টাম্পে ছেলের মুচলেকা রেখে ছেড়ে দেয়া হয়। জরিমানার টাকা ২৪ ঘন্টার মধ্যে পরিশোধের নির্দ্দেশ দেয়া হয়। সালিশ বৈঠকের পর স্কুল ছাত্রীকে স্কুল বন্ধ করে ঢাকায় তার মায়ের কাছে পাঠানো হয়। কিন্তু রাকিব এখনও এলাকায় প্রকাশ্যে ঘুরছে বেড়াচ্ছে।

    এ ব্যাপারে যুবলীগ নেতা আল আমীন হাওলাদার সাংবাদিকদের জানান, সালিশ বৈঠক ও জড়িমানার বিষয়টি সত্য নয় উভয় পক্ষ আমার কাছে গেলে বখাটে রাকিবকে সাশানো হয়। স্টাম্পের ব্যাপার হলো ওকে ভয় দেখানো হয়েছে যাতে ভবিষ্যতে এ রকম কাজ না করে।

    এ ব্যাপারে গৌরনদী থানার কর্মকর্তা ইনচর্স (ওসি) মোঃ গোলাম ছরোয়ার বলেন,এ ব্যাপারে থানায় কোন লিখিত অভিযোগ আসেনি অভিযোগ আসলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • একে একে হাসপাতালে ভর্তি হলো ৪৭ শিক্ষার্থী

    একে একে হাসপাতালে ভর্তি হলো ৪৭ শিক্ষার্থী

    হাসপাতালে ভর্তি হলো- চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার নন্দনপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শতাধিক শিক্ষার্থী অজ্ঞাত রোগে আক্রান্ত হয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে ৪৭ জনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

    এর মধ্যে সাতজন শিক্ষার্থী প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছে। আরও ৪০ জন শিক্ষার্থী স্থানীয় বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসা নিচ্ছে।নন্দনপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হারাধন চন্দ্র ভৌমিক বলেন, দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রী হঠাৎ করে শ্রেণিকক্ষে ঘুরে পড়ে।

    পরে তাকে দেখে প্রাথমিক বিদ্যালয় ও উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জ্ঞান হারিয়ে শ্রেণিকক্ষে ঘুরে পড়তে থাকে। এ অবস্থা চলে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। অজ্ঞাত রোগে আক্রান্ত শিক্ষার্থীদের কচুয়া সদর হাসপাতালসহ স্থানীয় বিভিন্ন ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়।

    খবর পেয়ে কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নীলিমা আফরোজ, সহকারী কমিশনার (ভূমি) রুমন দে ও কচুয়া থানা পুলিশের ওসি (তদন্ত) শাহজাহান কামাল বিকেলে হাসপাতালে গিয়ে আক্রান্ত শিক্ষার্থীদের খোঁজখবর নেন।

    স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ডা. সোহেল রানা বলেন, আমাদের ধারণা প্রথমে যে ছাত্রী আক্রান্ত হয়েছে সে না খেয়ে বিদ্যালয়ে এসেছে। ক্ষুধার কারণে সে ঘুরে পড়তে পারে। তার এ অবস্থা দেখে আতঙ্কে অন্যরা আক্রান্ত হতে থাকে।এটিকে গণহিস্টিরিয়া বলা হয়। আক্রান্ত শিক্ষার্থীদের নিয়ে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। উপযুক্ত চিকিৎসায় দ্রুত হয়ে উঠবে তারা।

  • জামিনে মুক্ত নিপুণ রায় চৌধুরী

    জামিনে মুক্ত নিপুণ রায় চৌধুরী

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের পুত্রবধূ এবং দলটি নির্বাহী কমিটির সদস্য নিপুণ রায় চৌধুরী জামিনে মুক্তি পেয়েছেন।

    মঙ্গলবার বিকেল ৪টায় কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তিনি মুক্তি পান বলে গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের ব্যক্তিগত সহকারী মো. শাহিন গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    গত ১৫ নভেম্বর নাশকতার মামলায় রাত ৮টার দিকে কাকরাইলের নাইটিঙ্গেল মোড় থেকে নিপুণ রায় এবং সঙ্গীতশিল্পী ও বিএনপি নেত্রী বেবী নাজনীনকে আটক করে পুলিশ। পরে বেবী নাজনীনকে ছেড়ে দিলেও নিপুণ রায়কে তিনটি মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়।

    প্রসঙ্গত, নিপুণ রায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের পুত্রবধূ ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান নিতাই রায় চৌধুরী মেয়ে।

  • স্যান্ডেল সেলফি’ই বছরের সেরা ছবি

    স্যান্ডেল সেলফি’ই বছরের সেরা ছবি

    অনলাইন ডেস্ক:

    দেশ জুড়ে সাড়াজাগানো (জু-তা) সেলফি ক্যামেরা নেই হাতে তবে স্যান্ডেলকে ক্যামেরা মনে করেই সেলফির পোজ দিচ্ছে পাঁচটি শিশু।
    তাদের সবার মুখে রাজ্যের হাসি।

    স্মার্টফোন নেই, তাতে কী! তাই বলে সেলফি তুলব না। স্যান্ডেলের দিকে তাকিয়ে ভারতের পাঁচ শিশুর সেই হাসিমাখা সেলফি তোলার ছবিটিই এখন ‘সেলফি অব দি ইয়ার’। সোমবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যম।

    বলা হচ্ছে, খালি চোখে দেখলে মনে হবে ছবিটিতে কিছুই নেই। তবে এর ভেতরে যে একটা গভীর অর্থ লুকিয়ে আছে, তা স্পষ্ট। সেলফি তোলার নূন্যতম উপকরণও নেই এই শিশুদের কাছে। কিন্তু তাদের হাতে থাকা স্যান্ডেলই স্মার্টফোনের কাজ করেছে।

    গণমাধ্যমটির মতে, ছবিটি ভাইরাল হয়ে গেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। কিন্তু ছবিটি কোথা থেকে কে তুলেছেন তা জানা যায়নি। ছবিটি শেয়ার করেছেন বলিউড তারকারাও।

    ছবিটি ভাইরালও হয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। বাংলাদেশের অনেকের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ওয়ালেও শোভা পাচ্ছে ছবিটি।

    আর সম্প্রতি এই ছবিটি পোস্ট করে বিতর্কে পড়ে গেছেন বলিউডের ‘বিগ বি’ অমিতাভ বচ্চন। অনুপম খের, সুনীল শেঠিসহ বলিউডের নামজাদা সব তারকারা পর্যন্ত ছবিটি নিয়ে কথা বলছেন।

    অমিতাভ বচ্চন লিখেছেন,যথাযথ সম্মান দিয়েই বলছি, আমার মনে হচ্ছে ছবিটি ফটোশপ করা। মনে রাখতে হবে যে, হাতে ধরা স্যান্ডেলটি বাচ্চাটির শরীরের অন্যান্য অংশের চেয়ে আলাদা।

    ছবিটির বিষয়ে অনুপম খের লিখেছেন, কোনো জিনিস তখনই সেরা হয়ে ওঠে, যখন কেউ তার মধ্যে ভালো কিছু খুঁজে পায়।

    সুনীল শেঠিও লিখেছেন, সুখ আসলে একটি মানসিক অবস্থা।

  • বরিশালে পুত্রবধূকে বিয়ে করতে কাজি নিয়ে গেলেন শ্বশুর

    বরিশালে পুত্রবধূকে বিয়ে করতে কাজি নিয়ে গেলেন শ্বশুর

    অনলাইন ডেস্ক:

    নিজের পুত্রবধূকে বিয়ে করতে কাজি নিয়ে ছেলের শ্বশুরবাড়ি গেলেন বাবা। কিন্তু এতে আপত্তি তোলে থানা পুলিশকে খবর দেন পুত্রবধূ। একই সঙ্গে শ্বশুরের বিরুদ্ধে মামলাও করেন তিনি।

    বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলায় এ ঘটনা ঘটে। পরে পুত্রবধূর দায়ের করা মামলায় শ্বশুরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে শ্বশুর নুরুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত নুরুল ইসলাম (৫৫) উজিরপুর উপজেলার রাজাপুর গ্রামের ৪নং ওয়ার্ডের মৃত দলিল উদ্দিন বেপারীর ছেলে।

    বিষয়টি নিশ্চিত করে আগৈলঝাড়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আফজাল হোসেন বলেন, আগৈলঝাড়া উপজেলার পশ্চিম খাজুরিয়া গ্রামের এক মেয়ের (২১) সঙ্গে নুরুল ইসলামের বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী ছেলে সোহাগ বেপারীর সাত মাস আগে বিয়ে হয়।

    সোমবার পুত্রবধূর বাবার বাড়িতে বেড়াতে আসেন শ্বশুর নুরুল ইসলাম। ওইদিনই পুত্রবধূকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে কাজি নিয়ে আসার কথা বলেন শ্বশুর। কিন্তু শ্বশুরকে বিয়ে করতে আপত্তি জানান পুত্রবধূ। বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় ওইদিন রাত ৮টার দিকে পুত্রবধূকে ঘরে একা পেয়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালান শ্বশুর নুরুল ইসলাম।

    মঙ্গলবার সকালে বিষয়টি জানাজানি হয়ে যায়। পরে পুত্রবধূ বাদী হয়ে শ্বশুরের বিরুদ্ধে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে মামলা করেন। ওই মামলায় শ্বশুর নুরুল ইসলামকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

    স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. ইউনুস মিয়া বলেন, বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী ছেলে সোহাগকে তালাক দিয়ে গৃহবধূকে বিয়ের প্রস্তাব দেন শ্বশুর নুরুল ইসলাম। একই সঙ্গে পুত্রবধূকে বিয়ে করতে স্থানীয় কাজি নূর হোসেনকে ডেকে আনেন নুরুল ইসলাম।

    তবে কাজি নূর হোসেন বিষয়টি জেনে গৃহবধূর সঙ্গে কথা বলেন। সেই সঙ্গে শ্বশুরের সঙ্গে পুত্রবধূর বিয়ে পড়াতে অস্বীকৃতি জানান কাজি নূর। এরই মধ্যে দুপুরে নূরুল ইসলামকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।

  • ঝালকাঠিতে মোবাইলে ডেকে নিয়ে কলেজছাত্রীকে কুপিয়ে হত্যা

    ঝালকাঠিতে মোবাইলে ডেকে নিয়ে কলেজছাত্রীকে কুপিয়ে হত্যা

    স্টাফ রিপোর্টার//

    ঝালকাঠির নলছিটিতে বেনজির জাহান মুক্তা (১৯) নামে এক কলেজছাত্রীকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। সোমবার দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার বারইকরণ কাপুড়িয়া বাড়ির সামনে এ ঘটনা ঘটে।

    নিহত বেনজির জাহান মুক্তা ঝালকাঠি সরকারি মহিলা কলেজের বিএ প্রথম বর্ষের ছাত্রী। তিনি বারইকরণ গ্রামের (অবসরপ্রাপ্ত) শিক্ষক জাহাঙ্গীর হাওলাদারের মেয়ে।

    পুলিশ ও নিহতের স্বজনরা জানায়,দুপুরে কলেজ থেকে বাড়ি ফেরেন মুক্তা। এরপর তাকে মোবাইল ফোনে বাড়ির বাইরে ডেকে নিয়ে দুর্বৃত্তরা এলোপাতাড়ি কুপিয়ে পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে নেয়ার পথে কলেজ খেয়াঘাট এলাকায় তার মৃত্যু হয়।

    নিহত কলেজছাত্রীর মোবাইল ফোন ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঝালকাঠি সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

    নলছিটি থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. সোলায়মান জানান, নিহতের গলায়, হাতে এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে তার মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে সুরতহাল রিপোর্টে পাওয়া গেছে।

  • বরিশালে কলেজছাত্রীর কীটনাশক পানে আত্মহত্যা, পেটের পিড়া সইতে না পেরে

    বরিশালে কলেজছাত্রীর কীটনাশক পানে আত্মহত্যা, পেটের পিড়া সইতে না পেরে

    অনলাইন ডেস্ক:

    বরিশালের গৌরনদীতে জরায়ু ক্যান্সার রোগে আক্রান্ত হয়ে পেটের পিড়া সইতে না পেরে অর্পনা রানী দাস ওরফে অপু রানী দাস (১৮) নামের এক কলেজ ছাত্রী কীটনাশক পানে আত্মহত্যা করেছে।

    উপজেলার উত্তর চাঁদশী গ্রামে এ আত্মহত্যার ঘটনা ঘটে। এ ব্যাপারে ওই ছাত্রীর বাবা বাদি হয়ে রাতেই গৌরনদী থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করেন। নিহত অর্পনা সরকারি গৌরনদী কলেজের দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্রী ও উপজেলার উত্তর চাঁদশী গ্রামের সুনীল দাসের কন্যা।

    ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে গৌরনদী মডেল থানার এসআই মো. আসাদুজ্জামান জানান, দীর্ঘদিন ধরে কলেজ ছাত্রী অর্পনা রানী দাস ওরফে অপু রানী দাস (১৮) জরায়ু ক্যান্সার রোগে ভূগছিলেন। ঢাকা মহাখালীর ক্যান্সার হাসপাতালের এক ডাক্তারের ব্যবস্থাপত্র নিয়ে তার জরায়ু ক্যান্সার ভাল হয়নি।

    কয়েকদিন ধরে সে পেটের পিড়া সইতে না পেরে শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে পরিবারের সদস্যদের চোখের আড়ালে কীটনাশক পান করে। এরপর ওই কলেজ ছাত্রী অস্স্থু হয়ে পড়লে স্বজনরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে নেয়ার পথিমধ্যে সে মারা যায়।

  • ধর্ষণের সময় চিৎকার করায় শিশুকে হত্যা করলো শিক্ষক

    ধর্ষণের সময় চিৎকার করায় শিশুকে হত্যা করলো শিক্ষক

    রাঙ্গামাটির কাপ্তাই উপজেলার রাইখালী পূর্বকোদালা বড়খোলা পাড়ায় তৃতীয় শ্রেণির এক শিশু ছাত্রীকে ধর্ষণের সময় চিৎকার করলে শ্বাসরোধে হত্যা করে শিক্ষক। বাচিংমং মারমা (৪০) নামের ওই প্রাইভেট শিক্ষককে আটক করেছে চন্দ্রঘোনা পুলিশ। রবিবার সকালে এলাকাবাসীর সহায়তায় বাচিংমং মারমাকে আটক পুলিশের কাছে সোপর্দ করা করা হয়।

    চন্দ্রঘোনা থানার অফিসার ইনচার্জ আশরাফ উদ্দিন জানান, বাচিংমং মারমা তৃতীয় শ্রেণির ৪-৫ জন শিক্ষার্থীকে প্রাইভেট পড়ায়। প্রতিদিনের মতো শনিবারও শিক্ষার্থীরা প্রাইভেট পড়তে যায়। প্রাইভেট শেষে শিক্ষার্থীদের স্কুলে যাওয়ার কথা।

    কিন্তু শনিবার সকাল ৭টা থেকে ৯টা পর্যন্ত সব শিক্ষার্থীকে প্রাইভেট পড়িয়ে ছুটি দিলেও তৃতীয় শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে অসৎ উদ্দেশ্যে রেখে দেয় বাচিংমং মারমা। সবাই চলে যাওয়ার পর ওই ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা করে বাচিংমং। এ সময় শিশুটি চিৎকার দিয়ে কান্না শুরু করলে তাকে হত্যা করে বাচিংমং মারমা।

    সারাদিন মেয়েটির খবর না পেয়ে খোঁজা-খুঁজি করতে থাকে স্বজনরা। এলাকার লোকজন রাতে এলাকায় পাহাড়া বসায়। এক পর্যায়ে গভীর রাতে প্রাইভেট শিক্ষক নিখোঁজ ছাত্রীকে বস্তায় ভরে বাসার পাশে ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করে। ওই সময় লোকজন তাকে হাতে নাতে আটক করে পুলিশে দেন।

    তিনি জানান, বাচিং মং মারমা নানা বাড়ি বসবাস করে। বাসায় সে ছাড়া আর কেউ থাকতো না। একই এলাকার ছোট, ছোট শিশুদের গৃহ শিক্ষক হিসাবে সে প্রাইভেট পড়াতো।

    চন্দ্রঘোনা থানার অফিসার ইনচার্জ আশরাফ উদ্দিন বলেন, ‌‘নিহত ছাত্রীকে অনৈতিক কাজ করতে চেয়ে ছিল প্রাইভেট শিক্ষক। ছাত্রী চিৎকার করলে শ্বাসরোধ করে ছাত্রীকে হত্যা করে। ঘাতক তার ঘরের সিলিং এর উপর রেখে দেয়। পরে রাতে বস্তাভর্তি করে ফেলে দেওয়ার সময় এলাকার লোকজন তাকে আটক করে পুলিশে খবর দেন।ঘাতক শিশু হত্যার কথা পুলিশের কাছে স্বীকার করেছে বলে জানান তিনি।

    লাশ ময়নাতদন্তের জন্য রাঙ্গামাটি পাঠানো হয়েছে। ঘাতক চন্দ্রঘোনা থানা আটক আছে এবং মামলা দায়ের করা হয়েছে।

  • স্ত্রী মিতুকে রিমান্ডে চায় পুলিশ

    স্ত্রী মিতুকে রিমান্ডে চায় পুলিশ

    অনলাইন ডেস্ক:

    চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক মোস্তফা মোরশেদ আকাশের আত্মহত্যার ঘটনায় প্ররোচনার অভিযোগে গ্রেফতার স্ত্রী তানজিলা হক চৌধুরী মিতুকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করেছে পুলিশ।

    শনিবার বিকেলে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের প্রসিকিউশন শাখায় আবেদনটি জমা দিয়েছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা।

    বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নগর পুলিশের সহকারী কমিশনার (প্রসিকিউশন) কাজী মো. শাহাবুদ্দিন আহমেদ।

    চান্দগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল বাশার বলেন, ‘কারাগারে থাকা তানজিলা হক চৌধুরী মিতুকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাতদিনের রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে। আজ (শনিবার) হওয়ায় শুনানির সময় নির্ধারণ হয়নি। আগামীকাল (রোববার) প্রটেকশন ওয়ারেন্ট জারি এবং রিমান্ড শুনানির সময় নির্ধারণ করা হতে পারে।

    এর আগে গতকাল শুক্রবার বিকেলে নগরের চান্দগাঁও থানায় মৃত আকাশের মা জোবেদা খানম বাদী হয়ে চিকিৎসক মোস্তফা মোরশেদ আকাশের আত্মহত্যার ঘটনায় প্ররোচনার অভিযোগে তার স্ত্রী তানজিলা হক চৌধুরী মিতু ও তার বাবা-মা, এক বোন ও দুই প্রেমিকের বিরুদ্ধে মামলা করেন। এছাড়া বৃহস্পতিবার রাত ১২টার দিকে নগরের নন্দনকানন এলাকার এক আত্মীয়ের বাসা থেকে আটক করা হয় আকাশের স্ত্রী মিতুকে।

    আকাশ চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার বাংলাবাজার বরকল এলাকার মৃত আব্দুস সবুরের ছেলে। তিনি এমবিবিএস শেষ করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগে কর্মরত ছিলেন। সঙ্গে এফসিপিএস পড়ছিলেন।

    গত বৃহস্পতিবার ভোরে নগরীর চান্দগাঁও থানা এলাকায় নিজবাসায় শরীরে বিষাক্ত ইনজেকশন পুশ করে আত্মহত্যা করেন। এর আগে ফেসবুকে দুটি স্ট্যাটাসে তিনি তার মৃত্যুর জন্য স্ত্রী মিতুকে দায়ী করেন এবং বিস্তারিত ঘটনার আবেকঘন বর্ণনা দেন।

    যেখানে তিনি স্ত্রী মিতুকে ‘চিটার’ হিসেবে উল্লেখ করেন এবং সর্বশেষ লেখেন ‘ভালো থেকো আমার ভালোবাসা তোমার প্রেমিকদের নিয়ে।

  • পরীক্ষা দেওয়া হলো না রুনার, মায়ের নাম ভুল থাকায়

    পরীক্ষা দেওয়া হলো না রুনার, মায়ের নাম ভুল থাকায়

    অনলাইন ডেস্ক:

    প্রবেশপত্রসহ সব কাগজপত্রে মায়ের নাম ভুল হওয়ার কারণে দাখিল পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি রুনা আক্তার নামে এক মাদ্রাসাশিক্ষার্থী। এতে রাগ, ক্ষোভ ও অভিমানে সে বাড়িতে আত্মহননেরও চেষ্টা চালায়।

    শনিবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে চাঁদপুর সদর উপজেলার লক্ষ্মীপুর মডেল ইউনিয়নের বহরিয়া গ্রামের মোল্লা বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। রুনা মোল্লা বাড়ির নুরু মোল্লার মেয়ে। তার মায়ের নাম পারভীন বেগম।

    সে ওই ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর মোহাম্মদীয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে দাখিল পরীক্ষার্থী ছিলো।

    রুনার বাবা নুরু মোল্লা বলেন, মাদ্রাসার অন্যান্য পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র এলেও রুনার প্রবেশপত্র পরীক্ষার আগে না আসায় ক্ষোভ ও অভিমানে সে পরিবারের লোকজনের অগোচরে আত্মহত্যার চেষ্টা চালায়। এ খবর ছড়িয়ে পড়ার পর মাদ্রাসা সুপার পলাতক।

    মাদ্রাসার অফিস সহকারী আব্দুল খালেক হাওলাদার বলেন, বাবার নাম ঠিক থাকলেও রুনার মায়ের নাম প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে ভুল দেওয়ার কারণে তার প্রবেশপত্র দিনাজপুর জেলায় চলে যায়। কিন্তু পরীক্ষার আগ পর্যন্ত এ সমস্যার সমাধান করা সম্ভব হয়নি।

    ওই মাদ্রাসার সুপার (প্রধান) আহসান উল্যার কাছে প্রবেশপত্র না আসার কারণ জানার জন্য মাদ্রাসায় গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। তার ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বরটিও বন্ধ পাওয়া যায়।

    শিক্ষার্থীর মামা ওমর ফারুক বলেন, প্রতিষ্ঠানের সুপার আহসান উল্যাহর দায়িত্বে অবহেলার কারণে আমার ভাগনি পরীক্ষা দিতে পারেনি। একটি বছর পিছিয়ে পড়লো। পরীক্ষার আগে তার সব বকেয়া বাবদ পাঁচ হাজার টাকা পরিশোধ করা হয়েছে।

    এ ঘটনায় ওই শিক্ষার্থীর বাবা নুরু মোল্লা চাঁদপুর মডেল থানা ও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ করেছেন।

    চাঁদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কানিজ ফাতেমা বলেন, ওই ছাত্রী পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারার কারণ তদন্ত করে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।