Category: নারী ও শিশু

  • ৪৯ দিনে কোরআনের হাফেজ কুমিল্লার আট বছরের রাফসান

    ৪৯ দিনে কোরআনের হাফেজ কুমিল্লার আট বছরের রাফসান

    অনলাইন ডেস্ক:

    যে শিশুটি এ কীর্তি গড়েছে তার নাম রাফসান মাহমুদ জিসান। বয়স ৮ বছর। কুমিল্লা শহরের ইবনে তাইমিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের হিফজ বিভাগ থেকে এই সম্মান অর্জন করেন তিনি। রাফসান কুমিল্লার মনোহরগঞ্জের বিপুলাসার ইউনিয়নের কাশিপুর গ্রামের প্রবাসী বাহার উদ্দিনের ছেলে।

    প্রতিষ্ঠানটির হিফজ বিভাগের শিক্ষক আবুল হাসান বলেন, ২০১৬ সালের শেষ দিকে নুরানি পড়া শুরু করে রাফসান। ২০১৮ সালের নভেম্বরের আগে নাজেরা শেষ করে। এরপর নভেম্বরের ৪ তারিখে কোরআন শরিফ হেফজ করতে দেওয়া হয় তাকে। এদিন ৩০তম পারা শুরু করে সে। অবাক করার বিষয় হলো যে, দুই দিনে সে ৩০তম পারাটি পুরো মুখস্থ শুনিয়ে দেয়।

    শিক্ষক আরো বলেন, আমরা মনে করি রাফসানের এই পারাটি আগে মুখস্থ ছিল। তাই সে দুই দিনেই পড়া শুনিয়ে দিতে পেরেছে। পরের দিন আমরা তাকে কোরআনের প্রথম পারা মুখস্থ করতে দেই। এবার সে পুরো পারাটি দুই দিনে মুখস্থ করে শুনিয়ে দেয়। এভাবে সে দুই দিনে এক পারা করে মুখস্থ করতে থাকে। ১০ পারা পর্যন্ত এভাবে চলে তার।

    তিনি আরো বলেন, এতে আমরা নিশ্চিত হই যে, রাফসান আর চার-পাঁচটা শিশুর মত নয়। সে অন্যদের থেকে আলাদা। তার মুখস্থ শক্তি প্রখর।

    এরপর রাফসান ১৪ দিনে ১১ পারা থেকে নিয়ে ২৫তম পারা পর্যন্ত মুখস্থ করে। আর বাকি পারা ৪ দিনে মুখস্থ করে।

    ৪৯ দিনে কোরআনের হাফেজ কুমিল্লার আট বছরের রাফসান

    শিক্ষকদের সঙ্গে রাফসান। ছবি: ফেসবুক

    রাফসানের শিক্ষক বলেন, আমরা দেখলাম রাফসান ৪৯ দিনে কোরআন শরিফের পুরো ৩০ পারা হেফজ করেছে। সে এখন পুরো কোরআন শোনাচ্ছে।

    প্রতিষ্ঠানটির সহকারী প্রধান শিক্ষক আমিনুল হক বলেন, রাফসান দেশের বিস্ময় বালক। তার মেধা সাধারণের চাইতে অনেক বেশি।

    প্রসঙ্গত, এর আগে ২৯ দিনে কোরআন মুখস্থ করে বিশ্ব রেকর্ড গড়েছিলেন পাকিস্তানি তরুণী জুয়াইরিয়া।

  • আমরা টুইটারবাসীর পক্ষ থেকে শীতবস্ত্র বিতরন-২০১৯ পালন

    আমরা টুইটারবাসীর পক্ষ থেকে শীতবস্ত্র বিতরন-২০১৯ পালন

    রিপোর্টার/ রাকিব সিকদার নয়ন:

    প্রতি বছরের ন্যায় এবারও শীতবস্ত্র বিতরণ কর্মসূচি ২০১৯ পালন করলো আমরা টুইটারবাসী।দেশি ও প্রবাসী টুইটার ইউজারদের আর্থিক সহায়তায় শীতবস্ত্র বিতরণ কর্মসূচি ২০১৯ পালন হল।

    স্থান- টংকাবতী, বান্দরবান-চট্টগ্রাম। এসময় আমরা টুইটারবাসীর অন্যতম সদস্য আসিফ আহমেদ রসি, মোহাম্মদ রুহুল আমিন, প্রকৌশলী রাকিব সিকদার নয়ন, মোহাম্মদ আসলাম, পাভেল, রাজীব রানা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

    পাহাড়ি এলাকায় অবহেলিতদের মাঝে কম্বল, বাচ্চাদের হুডি, বড়দের গরম পোশাক, ভেসলিন বিতারন করা হয়।

    এসময় স্থানীয় একজন বলেন, আমাদের এই প্রত্যন্ত অঞ্চলে এই কার্যক্রম খুব কম হয়, তাদের আহবান যে, এরকম যেন কর্মসুচি প্রতিবছর পালন করা হয়, স্থানীয় জন প্রতিনিধি আমরা টুইটারবাসীর সকলে সাধুবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

    উল্লেখ্য যে, অনলাইন ভিত্তিক টুইটার ব্যবহারকারীদের সামাজিক সংগঠন “আমরা টুইটারবাসী” পক্ষ থেকে ইতিমধ্যেই বিভিন্ন কর্মসুচি পালন করা হয়েছে। প্রতি বছরই শীত বস্ত্র বিতরণ, এতিমদের ইফতার ও দোয়া মাহফিল, এতিমদের ঈদ পোশাক বিতরণ, মাদ্রাসাতে ফ্যান-পোষাক বিতরন, শ্রমিক ও পথশিশুদের জন্যে খাবার বিতরন ইত্যাদি করে আসছে।

    বাংলাদেশের টুইটার ইউজারদের আর্থিক সহায়তায় এসব মানবিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। এরই মধ্যে দেশের বন্যা কবলিত এলাকা গুলোতেও বিভিন্ন রকম সাহায্য হাত বাড়ানো হয়েছে।

  • গুলিবিদ্ধ মরদেহের বুকে লেখা, ‘ধর্ষণের কারণে তার এই পরিণতি’

    গুলিবিদ্ধ মরদেহের বুকে লেখা, ‘ধর্ষণের কারণে তার এই পরিণতি’

    অনলাইন ডেস্ক:

    ঝালকাঠির কাঁঠালিয়ায় গণধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি সজল জোমাদ্দার নামে এক যুবকের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

    শনিবার দুপুরে উপজেলার বিনাপানি গ্রামের একটি মাঠ থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

    নিহত সজল পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলার নদমুলা গ্রামের আবুল হোসেন জোমাদ্দারের ছেলে। সে ভান্ডারিয়া থানার একটি গণধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি।

    কাঁঠালিয়া থানার ওসি এনামুল হক জানান: দুপুরে বিনাপানি গ্রামের একটি বাগানের পাশের মাঠে সজলের লাশ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেয় স্থানীয়রা। কাঁঠালিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মাথার দুই পাশে দুটি গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করে। নিহতের বুকে লেমিনেটিং করা একটি কাগজে লেখা ছিল তার নাম সজল। সে মাদ্রাসা ছাত্রী কারিমা ধর্ষণ মামলার আসামি। ধর্ষণের কারণে তার এই পরিণতি।

    খবর পেয়ে ঝালকাঠির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (রাজাপুর-কাঁঠালিয়া সার্কেল) মো. মোজাম্মেল হক রেজা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

    ভান্ডারিয়া ও কাঁঠালিয়া থানা পুলিশ জানায়: গত ১২ জানুয়ারি সকাল ১১টার দিকে পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলার নদমুলা গ্রামে এক মাদ্রাসা ছাত্রীকে তুলে নিয়ে গণধর্ষণ করা হয়। ওই ঘটনায় সজলকে প্রধান আসামি করে ১৪ জানুয়ারি ভান্ডারিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের হয়।

    মামলার পর থেকেই সজল জোমাদ্দার নিখোঁজ ছিল বলে তার পরিবার জানিয়েছে।

  • ঢাকা নারায়ণগঞ্জে ওয়াজ শুনতে আসা ছাত্রীকে পুলিশ সদস্যের ধর্ষণ

    ঢাকা নারায়ণগঞ্জে ওয়াজ শুনতে আসা ছাত্রীকে পুলিশ সদস্যের ধর্ষণ

    ওয়াজ শুনতে নানা বাড়িতে গিয়ে নবম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক ছাত্রী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ছুটিতে আসা পুলিশের এক কনস্টেবলসহ দুই যুবক তাকে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ করা হয়।

    ঘটনাটি ঘটে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার কায়েতপাড়া ইউনিয়নের ছাতিয়ান এলাকায়। শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

    শিক্ষার্থী ও তার পরিবারের বরাত দিয়ে রূপগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) লিটন মিয়া জানান, শুক্রবার বিকালে তারাবো হাটিপাড়া এলাকার শিক্ষার্থী তার মায়ের সঙ্গে ওয়াজ শুনতে নানা ওহাব মিয়ার রূপগঞ্জের বাড়িতে আসেন। রাতে বাড়ির লোকজন পার্শ্ববর্তী ছাতিয়ান বেপারী পাড়া মসজিদের বাৎসরিক ওয়াজ মাহফিলে ওয়াজ শুনতে যান।

    এ সুযোগে একই এলাকার লতিফ মিয়ার ছেলে ও পুলিশ লাইনে কর্মরত কনস্টেবল মৃদুল মিয়া (২৩), সোলেয়মানের ছেলে নিজাম মিয়া (২৪), সিয়াম হোসেন (২২) ওই শিক্ষার্থীকে ঘর থেকে অস্ত্রের মুখে তুলে নির্জন স্থানে নিয়ে যান। এসময় তাকে তারা পালাক্রমে ধর্ষণ করেন।

    এসআই আরো জানান, ওয়াজ শেষ করে ঘরে ফিরে মেয়েকে না পেয়ে পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন। পরে অজ্ঞান অবস্থায় শিক্ষার্থীকে বাড়ির পাশ থেকে উদ্ধার করা হয়।

    এদিকে, ধর্ষণের খবর ছড়িয়ে পড়লে রাতেই এলাকাবাসী ওই কনস্টেবলসহ দুজনকে আটক করতে ধাওয়া করে। এলাকাবাসীর উপস্থিতি টের পেয়ে তারা পালিয়ে যায়। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।

    শিক্ষার্থীর মা আকলিমা বেগম বাদী হয়ে রূপগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা দায়ের করেছেন।

    রূপগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল হক ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, এটা ন্যক্কারজনক ঘটনা। অভিযুক্তদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

  • চিকিৎসকের ধর্ষণের শিকার গৃহবধূর আত্মহত্যা

    চিকিৎসকের ধর্ষণের শিকার গৃহবধূর আত্মহত্যা

    নওগাঁয় কর্মস্থলে এক চিকিৎসকের লালসার শিকার হয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নিলেন গৃহবধূ খাদিজা আকতার (৩০)। গত ২২ জানুয়ারি তিনি বিষপানে আত্মহত্যা করেন। খাদিজা মারা যাওয়ার পর তার ফোন রেকর্ড থেকে যৌন নিপীড়নের বিষয়টি স্পষ্ট হলে এ ঘটনায় মামলা করেন গৃহবধূর বাবা। পরে শুক্রবার পুলিশ চিকিৎসক হেলাল আহম্মেদ লিটনকে তার চেম্বার থেকে গ্রেফতার করে।

    পুলিশ ও মৃতের স্বজন জানান, পাঁচ বছর আগে শহরের পাটালীর মোড়ে শাহিন হোসেনের বাসার দুটি কক্ষ ভাড়া নিয়ে পাইলস কিউর সেন্টার স্থাপন করে নড়াইল জেলার নড়াগাতী থানার কলাবাড়িয়া শিবপুর গ্রামের ডা. হেলাল আহম্মেদ। সপ্তাহ তিনেক আগে আয়া কাম চেম্বার সহকারী হিসেবে সেখানে চাকরি নেন এক সন্তানের জননী খাদিজা আকতার। গত ১৮ জানুয়ারি বিকেলে হেলাল তার চেম্বারে একা পেয়ে খাদিজাকে ধর্ষণ করে।

    খাদিজার জা আয়েশা সিদ্দিকা বলেন, ‘ধর্ষণের শিকার হয়ে প্রাণচঞ্চল খাদিজা একেবারে নীরব হয়ে যান। হঠাৎ করে নীরব হয়ে যাওয়ার বিষয়টি বারবার জিজ্ঞাসা করলে তিনি জানান, ডাক্তার তাকে ধর্ষণ করেছেন। এ লজ্জায় স্বামী-সন্তানসহ কারও দিকে তাকাতে পারছেন না। এক পর্যায়ে খাদিজা গত ২০ জানুয়ারি বিকেলের দিকে বিষপান করেন। প্রথমে তাকে নওগাঁ সদর হাসপাতালে এবং পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতে তিনি মারা যান।’ আয়েশা সিদ্দিকা আরও বলেন, ‘বিষয়টি স্পর্শকাতর হওয়ায় আমিও কাউকে কিছু বলিনি। শুধু খাদিজাকে সান্ত্বনা দিয়েছি; কিন্তু সে এমন করে নিজের জীবনটাই দিয়ে দেবে কে জানত।’

    খাদিজার স্বামী জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ময়নাতদন্ত শেষে খাদিজাকে দাফনের পর তার মোবাইল ফোনে ওই ডাক্তার একাধিকবার ফোন করেন। কিন্তু আমি ফোন রিসিভ করিনি। কৌতূহলবশত ফোন চেক করতে গিয়ে দেখি ধর্ষণের বর্ণনাসহ রেকর্ড। খাদিজা বিষয়টি ডাক্তারি চেম্বারের বাড়িওয়ালা শাহিন হোসেনকে বিস্তারিত বর্ণনা দিয়ে মোবাইলে রেকর্ড করে রেখেছেন। পরে নওগাঁ সদর থানায় অবহিত করলে পুলিশের পক্ষ থেকে খাদিজার বাবাকে বাদী করে শুক্রবার একটি মামলা করানো হয়। ওই দিনই পুলিশ ডা. হেলালকে গ্রেফতার করে।

    সদর মডেল থানার ওসি আব্দুল হাই বলেন, ডা. হেলালকে তার পাটালীর মোড়ের চেম্বার থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে খাদিজাকে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে সে।

  • ঢাকার বুড়িগঙ্গা নদীদে লঞ্চের ধাক্কায় নৌকাডুবি, নিহত ৩

    ঢাকার বুড়িগঙ্গা নদীদে লঞ্চের ধাক্কায় নৌকাডুবি, নিহত ৩

    অনলাইন ডেস্ক:

    ঢাকার বুড়িগঙ্গা নদীর সদরঘাট এলাকায় লঞ্চের ধাক্কায় যাত্রীবাহী নৌকাডুবির ঘটনায় স্বামী-স্ত্রীসহ তিনজনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

    গতকাল শুক্রবার রাত ১১টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এখনো নিখোঁজ রয়েছে মৃত দম্পতির ছেলে আশিক হোসেন (৫)।

    মৃত তিনজন হলেন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের খেজুরবাগ এলাকার মতিউর রহমান (৫০), তাঁর স্ত্রী রোজিনা বেগম (৪২) ও ভাবি মমতাজ বেগম (৪৮)।

    পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গতকাল রাতে রাজধানীর পুরান ঢাকার গেন্ডারিয়া এলাকার এক আত্মীয়ের বাসা থেকে খেয়ানৌকায় করে কেরানীগঞ্জে নিজেদের বাড়িতে ফিরছিল মতিউরের পরিবার। নৌকাটি লালকুঠি ঘাট থেকে কেরানীগঞ্জ যাচ্ছিল। তাঁদের বহনকারী নৌকাটি মাঝনদীতে পৌঁছালে সদরঘাট টার্মিনাল থেকে শরীয়তপুরের উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া এমভি মানিক-৩ নামের লঞ্চ নৌকাটিকে ধাক্কা দেয়। এতে খেয়ানৌকাটি ডুবে যায়। এ সময় মাঝি সাঁতরে তীরে উঠতে পারলেও নৌকার ৪ যাত্রী পানিতে ডুবে নিখোঁজ হন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল। রাতেই ঘটনাস্থল থেকে মমতাজ ও রোজিনার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।

    আজ শনিবার সকাল সাড়ে সাতটার দিকে সদরঘাট টার্মিনালের পাশ থেকে উদ্ধার করা হয় মতিউরের লাশ।

    সদরঘাট নৌ-থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আ. রাজ্জাক বলেন, মতিউর রহমান দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের চর কালীগঞ্জ এলাকায় পোশাকের ব্যবসা করতেন। মৃত দম্পতির নিখোঁজ শিশুর সন্ধানে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত আছে।

  • বরিশালে চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে শিক্ষার্থীর মৃত্যু

    বরিশালে চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে শিক্ষার্থীর মৃত্যু

    অনলাইন ডেস্ক:

    বরিশালের আগৈলঝাড়ায় অটোভ্যানের চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে এক কলেজছাত্রীর মৃত্যু হয়েছে।

    আজ শনিবার বিকেলে উপজেলার কান্দিরপাড় এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহত শিক্ষার্থীর নাম লিমা রায় (২৩)। তিনি আগৈলঝাড়ার গৈলা ইউনিয়নের পূর্ব সুজনকাঠি গ্রামের বিমল রায়ের মেয়ে ও বরিশাল বিএম কলেজের অনার্স শেষ বর্ষের ছাত্রী ছিলেন। চিকিৎসক বলছেন, গলায় ফাঁসের কারণে তাঁর মৃত্যু হয়।

    লিমার পরিবার সূত্রে জানা গেছে, আত্মীয়ের বাড়ি বেড়ানো শেষে অটোভ্যানে করে নিজ বাড়িতে ফিরছিলেন লিমা। তিনি আগৈলঝাড়ার জোবারপাড় থেকে ওই ভ্যানে ওঠেন। ভ্যানটি কান্দিরপাড় এলাকায় পৌঁছালে অসাবধানতাবশত তাঁর ওড়না চাকায় পেঁচিয়ে যায়। এতে তাঁর গলায় ফাঁস পড়ে। পরে স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

    আগৈলঝাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক মনন কুমার বলেন, হাসপাতালে পৌঁছার আগেই ওই কলেজছাত্রীর মৃত্যু হয়। মরদেহ স্বজনেরা নিয়ে গেছেন।

  • ঘুমন্ত দুই বোনের ওপর ‘অ্যাসিড’ নিক্ষেপ, বড় বোনের সাবেক স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা

    ঘুমন্ত দুই বোনের ওপর ‘অ্যাসিড’ নিক্ষেপ, বড় বোনের সাবেক স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা

    অনলাইন ডেস্ক:

    জানালা ভেঙে ঘুমন্ত দুই বোনের ওপর ‘অ্যাসিড’ ছুড়ে মারে দুর্বৃত্তরা। এতে বড় বোন গুরুতর আহত হন। শুক্রবার দিবাগত মধ্যরাতে এ ঘটনা ঘটে হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার বাঘাসুরা গ্রামে। এ ঘটনায় আজ শনিবার একজনকে আসামি করে মামলা হয়েছে।

    আহত দুই বোন হলেন বাঘাসুরা গ্রামের এখলাছ মিয়ার মেয়ে হাবিবা আক্তার (২২) ও আয়েশা আক্তার (১২)। তাঁদের প্রথমে হবিগঞ্জ আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়, পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য আজ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। আজ মাধবপুর থানায় অ্যাসিড আইনে মামলাটি করেন আহত দুজনের ভাই সুমন মিয়া। তাঁর অভিযোগ, হাবিবার সাবেক স্বামী এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত। মামলায় তাঁকে আসামি করা হয়েছে।

    পুলিশ ও ভুক্তভোগীদের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার দিন মধ্যরাতে হঠাৎ ঘরের জানালা ভাঙার আওয়াজ পাওয়া যায়। পরিবারের সদস্যরা কিছু বোঝার আগেই ঘরের বাইরে থেকে এই দুজনের ওপর ‘অ্যাসিড’ ছোড়া হয়। লোকজন আসার আগে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। তাৎক্ষণিক তাঁদের হবিগঞ্জ আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়।

    হবিগঞ্জ আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালের চিকিৎসক সাইফুর রহমান বলেন, হাবিবার পুরো মুখ আক্রান্ত হয়। এতে তাঁর মুখে রক্ত জমাট বেঁধে লাল হয়ে আছে। তাঁর বোনের তেমন ক্ষতি হয়নি। তার গায়ে দুই-তিন জায়গায় কয়েক ফোঁটা পড়েছে। তবে এটি অ্যাসিড নাকি কেমিক্যাল-জাতীয় পদার্থ, তা পরীক্ষার আগে বোঝা যাচ্ছে না। তাঁদের অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য আজ ঢাকায় পাঠানো হয়।

    ভাই সুমন মিয়া বলেন, কয়েক বছর আগে হাবিবার বিয়ে হয় পাশের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায়। বনিবনা না হওয়ায় তাঁর বোন আদালতের মাধ্যমে বিয়ে বিচ্ছেদ ঘটিয়ে দুই সপ্তাহ আগে বাবার বাড়ি চলে আসেন। এ ঘটনায় তাঁর সেই স্বামী ক্ষুব্ধ ছিলেন। সুমনের অভিযোগ, এই ‘অ্যাসিড’ ছোড়ার ঘটনায় সেই স্বামী জড়িত।

    মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) চন্দন কুমার চক্রবর্তী বলেন, ঘরের গ্রিল ভেঙে দুর্বৃত্তরা ওই ঘটনা ঘটিয়েছে। পারিবারিক বিরোধ থেকে ঘটনাটি ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তরুণীদের ভাই একজনকে আসামি করে অ্যাসিড আইনে একটি মামলা করেছেন।

  • স্বামীকে ৬ টুকরো করে ওয়্যারড্রোবে রাখেন স্ত্রী

    স্বামীকে ৬ টুকরো করে ওয়্যারড্রোবে রাখেন স্ত্রী

    অনলাইন ডেস্ক:

    পারিবারিক কলহের জের ধরেই গাজীপুরে শ্রমিক রফিকুল ইসলামকে হত্যার পর ছয় টুকরো করে স্ত্রী জীবন্নাহার বেগম। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে হত্যার কথা স্বীকার করেছে বলে দাবি করেন জেলা পুলিশ সুপার সামসুন্নাহার।

    শনিবার দুপুরে নিজ কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

    পুলিশ সুপার সামসুন্নাহার আরও বলেন, শ্বাসরোধে হত্যার পর রফিকুলের লাশ ঘরের ওয়্যারড্রোবে লুকিয়ে রাখে জীবন্নাহার। পরে লাশের পরিচয় গোপন করতেই বটি দিয়ে লাশটি ছয় টুকরা করে সে।

    বেতনের টাকা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে তাদের মধ্যে কলহ চলছিল বলে জানায় পুলিশ। গতকাল শ্রীপুর পৌরসভার গিলারচালা এলাকার একটি বাঁশবাগান থেকে রফিকুলের বস্তাবন্দি ছয় টুকরা লাশ উদ্ধার করা হয়।

    এ ঘটনায় অজ্ঞাতদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন নিহতের বাবা। পরে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রফিকুলের স্ত্রী জীবন্নাহারকে আটক করা হয়।

    পুলিশ সুপার প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের তথ্য দিয়ে বলেন, ‘রফিকুল ও জীবন্নাহার গিলারচালা এলাকায় আব্দুল হাইয়ের বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। রফিকুল ওই এলাকার ‘হাউ আর ইউ’ নামে একটি টেক্সটাইল কারখানায় লোডার পদে আর জীবন্নাহার একই এলাকায় মেঘনা নিট কম্পোজিট কারখানায় সুয়িং অপারেটর।

    তিনি বলেন, রফিকুল বেতন পেতেন সাত হাজার টাকা আর জীবন্নাহারের বেতন ১৩ হাজার টাকা। স্বামী তার স্ত্রীর বেতনের টাকা তার কাছে দিতে বলতেন। কিন্তু জীবন্নাহার তার বেতনের টাকা তার মায়ের কাছে রাখেন। এনিয়ে স্বামী-স্ত্রীর প্রায়ই কলহ বাঁধতো।

    জীবন্নাহারের উপস্থিতিতে পুলিশ সুপার বলেন, বৃহস্পতিবার সকালে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে স্ত্রীকে থাপ্পড় মেরে স্বামী খাটে শুয়ে থাকেন। এ সময় কিছু বুঝে ওঠার আগেই জীবন্নাহার ইট দিয়ে স্বামীর মাথায় আঘাত করলে তিনি খাট থেকে নিচে পড়ে যান। জীবন্নাহার আরও আঘাত করলে রফিকুল অচেতন হয়ে পড়েন।

    এই দম্পতির মারিয়া আক্তার রোজা নামে চার বছরের একটি মেয়ে রয়েছে।

  • একসঙ্গে ৫ সন্তানের জন্ম দিলেন ১৯ বছরের রুবিনা

    একসঙ্গে ৫ সন্তানের জন্ম দিলেন ১৯ বছরের রুবিনা

    প্রথমবারই একসঙ্গে পাঁচ সন্তানের জন্ম দিয়ে ‘রেকর্ড’ করেছেন রুবিনা বেগম (১৯) নামের এক গৃহবধু। বিরল এ ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে। আশ্চর্যের কথা হলো-কোনো সিজার লাগেনি, নর্মালভাবেই পাঁচ সন্তান জন্ম দিয়েছেন রুবিনা। সাধারণত এ সব ক্ষেত্রে প্রচুর রক্তপাতের আশঙ্কা থাকে। তবে রুবিনার তেমন রক্তপাত হয়নি। তিনি পুরোপুরি সুস্থ আছেন।

    এর আগে গর্ভাবস্থায় আল্ট্রাসোনোগ্রাফি করতে গিয়ে ডাক্তার দেখেন,তার গর্ভে একসঙ্গে চারটি সন্তান রয়েছে। আগামী মার্চের শেষে বা এপ্রিলের গোড়ায় দিকে তার প্রসব হওয়ার কথা ছিলো।কিন্তু বৃহস্পতিবার ভোর রাতেই তার প্রসব বেদনা ওঠে। তাকে সকাল সাড়ে ছ’টায় ভর্তি করানো হয় মেখলিগঞ্জ মহকুমা হাসপাতালে। শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে মা হন রুবিনা।

    হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, একসঙ্গে চারটি মেয়ে এবং একটি অপরিণত মাংসপিণ্ডের জন্ম দেন রুবিনা।এ সম্পর্কে রুবিনার চিকিৎসক মহকুমা হাসপাতালের স্ত্রী-রোগ বিশেষজ্ঞ অলোক সাঁতরা জানান, এমন ঘটনা ৮-১০ বছরে একটি ঘটে। আর জিনগত কারণেই এমনটা হয়ে থাকে।

    রুবিনার স্বামী মকসেদ মহম্মদ পেশায় একজন দিনমজুর। ডেলিভারির আগে তার ওজন ছিল মাত্র ৩৯ কেজি। এত কম ওজন আর এতগুলি বাচ্চা নিয়ে পূর্ণ গর্ভাবস্থা কাটানো কঠিন বলেই বিশেষজ্ঞদের মত।

    হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, জন্মের সময়ে চারটি কন্যার ওজন ছিল ৩৮৫ গ্রাম, ৫৮৫ গ্রাম, ৬৮২ গ্রাম, ৯০০ গ্রাম। বাকি অসম্পূর্ণ মৃত সন্তানটির দু’টো পা ও একটি হাত তৈরি হয়েছিল।

    প্রসবের পর মেখলিগঞ্জ থেকে রুবিনা ও তার সন্তানদের জলপাইগুড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। হাসপাতালে নেয়ার পথে তার এক সন্তান মারা গেছে বলে একটি অসমর্থিত সূত্রে জানা গেছে। তবে বাকি তিন সন্তান ও রুবিনা ভাল আছে।