Category: নারী ও শিশু

  • লেফটেন্যান্ট কর্নেল হলেন চার নারী

    লেফটেন্যান্ট কর্নেল হলেন চার নারী

    বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে দীর্ঘমেয়াদি কোর্সের চার নারী অফিসারকে মেজর থেকে লেফটেন্যান্ট কর্নেল পদে পদোন্নতি দেয়া হয়েছে। পদোন্নতিপ্রাপ্তরা হলেন- সানজিদা হোসেন (আর্টিলারি), সৈয়দা নাজিয়া রায়হান (আর্টিলারি), ফারহানা আফরীন (আর্টিলারি) ও সারাহ্ আমির (ইঞ্জিনিয়ার্স)।

    বৃহস্পতিবার সেনাবাহিনীর সদর দফতরে এই চার নারীকে লেফটেন্যান্ট কর্নেল পদের র্যাংকব্যাজ পরিয়ে দেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ। এ সময় ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতরের (আইএসপিআর) সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ রেজা-উল করিম শাম্মী স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘নারীর ক্ষমতায়নে প্রধানমন্ত্রী যে যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছেন সেনাবাহিনীতে দীর্ঘমেয়াদি কোর্সের নারী অফিসারদের লে. কর্নেল পদে পদোন্নতি প্রদানের মাধ্যমে সেই পদক্ষেপের আরও এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো।’

    উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রীর নারীর ক্ষমতায়নের অঙ্গীকারের অংশ হিসেবে ২০০০ সাল থেকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর দীর্ঘমেয়াদি কোর্সে নিয়মিত নারী অফিসার নিয়োগ করা হচ্ছে। ৪৭তম দীর্ঘমেয়াদি কোর্স থেকে শুরু হওয়া এসব নারী অফিসার এরই মধ্যে নিজ নিজ কর্মক্ষেত্রে পেশাগত দক্ষতা প্রদর্শনে সফল হয়েছেন। তাদের এই সক্ষমতার অংশ হিসেবে চারজন নারী অফিসারকে মেজর থেকে লে. কর্নেল পদে পদোন্নতি দেয়া হয়েছে।

  • আসামির অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীর পেটে লাথি, পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা

    আসামির অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীর পেটে লাথি, পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা

    মেহেরপুরে আসামি ধরতে গিয়ে না পেয়ে তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীর পেটে লাথি ও মারধরের অভিযোগ উঠেছে এক পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে এ ঘটনায় সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) লস্কর লাজুল ইসলাম জিয়ার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

    মঙ্গলবার পৌর এলাকার দীঘিরপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। বুধবার বেলা দুইটার দিকে মেহেরপুরের আমলি আদালতে এসআই লস্করের বিরুদ্ধে মামলা করেন মারধরের শিকার মারিয়া খাতুন। ইজিবাইক ভাঙচুরের অভিযোগে করা মামলার পুলিশ তার স্বামী মেহেদি হাসানকে ধরতে গিয়েছিল।

    মেহেদির পরিবারের অভিযোগ, মঙ্গলবার মেহেদিকে ধরতে মেহেরপুর সদর থানার এসআই লস্করসহ তিন পুলিশ সদস্য দীঘিরপাড়া এলাকায় যান। তাকে বাড়িতে না পেয়ে তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী মারিয়ার পেটে লাথি ও তাকে মারধর এবং ঘরের আসবাব ভাংচুর করেন এসআই। পরে ওই বাড়িতে থাকা একটি মোটরসাইকেল নিয়ে চলে যান তিনি। লস্কর চলে যাওয়ার পর মারিয়াকে উদ্ধার করে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন প্রতিবেশীরা।

    ঘটনার ব্যাপারে জানতে হাসপাতালে কথা হয় মেহেদির স্ত্রী মারিয়া খাতুনের সঙ্গে। তিনি জানান, তার স্বামীকে না পেয়ে এসআই লস্কর তাদের বাড়িতে থাকা মোটরসাইকেলের চাবি চান। তিনি দিতে না চাইলে লস্কর তার পেটে লাথি মেরে ফেলে দেন। মারধরও করেন। পরে অন্য পুলিশ সদস্যদের নিয়ে ঘরের ভেতর ভাংচুর করেন তিনি। চলে যাওয়ার আগে তাকে হুমকি দেন তিনি। মেহেদিকে থানায় গিয়ে টাকা দিয়ে মোটরসাইকেল ফেরত নিয়ে আসেতে বলেন এসআই লস্কর।

    এ ব্যাপারে মুঠোফোনে মেহেদির সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান- পৌর শহরের সোহেল ইসলাম নামে এক ব্যক্তির ইজিবাইক ভাঙচুরের ঘটনায় তার বিরুদ্ধে সদর থানায় একটি মামলা আছে। পুলিশ তাকে ধরতে গিয়ে বাড়িতে ভাংচুর করেছে। তার স্ত্রীকেও মারধর করেছে। পুলিশের ভয়ে তাদের পরিবার এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।

    বুধবার দুপুর দুইটার দিকে মেহেরপুরের আমলি আদালতে এসআই লস্করের বিরুদ্ধে মামলা করেন মারিয়া খাতুন। এ ব্যাপারে এসআই লস্কর লাজুল ইসলাম জিয়ার ভাষ্য, মেহেদিকে না পেয়ে তার মোটরসাইকেল থানায় নিয়ে যান, যাতে তিনি থানায় আসেন। তবে তার বিরুদ্ধে ভাংচুরের যে অভিযোগ উঠেছে তা বানোয়াট। তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ সাজানো হয়েছে।

    মেহেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল ইসলাম জানান- মেহেদির বিরুদ্ধে মামলা থাকায় তাকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। যে এসআইকে পাঠনো হয়েছিল তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। একটি মামলাও করা হয়েছে তার বিরুদ্ধে। বিষয়টি পুলিশ সুপার তদন্ত করবেন।

    মেহেরপুরের পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন- এসআই লস্করের বিরুদ্ধে একটি মামলা হয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শেখ জাহিদুল ইসলামকে একটি তদন্ত কমিটির প্রধান করে ঘটনাটি খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগের প্রমাণ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • নয় বছরের শিশু ৬৫ দিনে হাফেজ

    নয় বছরের শিশু ৬৫ দিনে হাফেজ

    অনলাইন ডেস্ক:

    নাম আহমেদ তাইমিয়া। বয়স ৯ বছর হলেও মাত্র ২ মাস ৫ দিনে ৩০ পারা কোরআন মুখস্থ শেষে ‘হাফেজ’ খেতাব অর্জন করে চমক দেখালেন কোটচাঁদপুরের বিস্ময়কর বালক আহমেদ তাইমিয়া। যেখানে সম্পূর্ণ কোরআন মুখস্থ করতে সময় লাগে ২ থেকে ৩ বছর, সেখানে মাত্র ৬৫ দিনে এই খেতাব অর্জন করেছে ঝিনাইদহ জেলার কোটচাঁদপুর উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের আসলাম হোসাইনের ছেলে আহমেদ তাইমিয়া।

    কোটচাঁদপুর শহরের ইসলামীয়া ক্বওমিয়া ক্বিরাতুল কোরআন মাদ্রাসার শিক্ষার্থী আহমেদ তাইমিয়া হাফেজ শামীম হোসাইনের ছাত্র। মাদ্রাসার মুহ্তামিম মুফতি ইবরাহিম খলিল বলেন, আহমেদ গত দু’বছর আগে তাইমিয়া এখানে হয়ে নার্সারী থেকে লেখাপড়া করছে। দ্বিতীয় শ্রেণীতে উঠে রমজানের পর কোরআন শরিফের ‘নাজেরা’ পড়া শুরু করে।

    এরপর কোরআন হাফেজ সবক (মুখস্থ পড়া) দিয়েছে মাত্র ৫০ দিনের মতো। গেল ১৭ জানুয়ারি মাত্র ৬৫ দিনে তার ৩০ পারা কোরআন শরিফ হেফেজ সম্পন্ন হয়েছে।

    তিনি জানান, এ পর্যন্ত ৮০ দিনে কোরআন মুখস্থ করার রেকর্ড থাকলেও মাত্র ৬৫ দিনে হাফেজ হওয়ার ঘটনা এই প্রথম।

    আহমেদ তাইমিয়া যদি নিয়মিত শুধু মুখস্থ করতো, তাহলে ৩০ দিনে ‘হাফেজ’ খেতাব অর্জন করতো। কারণ এমন দিনও আছে সে এক পারা কোরআন মুখস্থ করেছে। এখন সে যথারীতি সবক শোনাচ্ছে।শিক্ষকরা বলেন, আহমেদ তাইমিয়াকে আমাদের বিস্ময়কর বলে মনে হয়েছে।

    তার বাবা আসলাম হোসাইন এবং আমাদের প্রত্যাশা সে একদিন দেশের বড় আলেম হয়ে ইসলাম ও দেশের জন্য কাজ করবে। শারীরিক ভাবে দূর্বল আহমেদ তাইমিয়ার জন্য আমরা সবার কাছে দোয়া চায়।

  • যুক্তরাষ্ট্রে ৯বছর বয়সে কলেজে ভর্তি হয়ে বাংলাদেশী বালকের বিস্মময়কর চমক !

    যুক্তরাষ্ট্রে ৯বছর বয়সে কলেজে ভর্তি হয়ে বাংলাদেশী বালকের বিস্মময়কর চমক !

    নাম তার কায়রান। বয়স মাত্র নয় বছর। কায়রানকে বিস্ময়কর বালক বলাটা বাড়াবাড়ি হবে না মোটেই। যুক্তরাষ্ট্রের কলেজগুলোতে শিক্ষার্থী ভর্তির গড় বয়স যেখানে ১৭ থেকে ১৯, খুব মেধাবী হলেও ১৫ বা ১৪ বছরের নিচে ভর্তির রেকর্ডও যৎসামান্য। সেখানে বাংলাদেশের কায়রান কলেজে ভর্তি হয়েছে মাত্র ৯ বছর বয়সে! তাও যেনতেন কোনো বিষয় নয়, রীতিমতো গণিত ও রসায়ন নিয়ে পড়ছে সে।

    ক্যালিফোর্নিয়ার লাস পজিটাস কলেজে ভর্তি হওয়া কায়রানের এমন অভাবিত প্রতিভাকে প্রথমে সবার সামনে তুলে ধরে হাফিংটন পোস্ট। জানা যায়, কায়রানের মা জু‌লিয়‌া চৌধুরী কাজী ও বাবা মোস্তা‌হিদ কাজী। তাদের পূর্বপুরুষ সিলেটের বাসিন্দা।

    হাফিংটন পোস্টে খবর প্রকাশের পরই আমেরিকায় কায়রানকে ঘিরে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। তাকে আমন্ত্রণ জানানো হয় আমেরিকার জনপ্রিয় টিভি শো গুড মর্নিং আমেরিকাতেও। পরে ডেইলি মেইল,আইরিশ টাইমস ও অন্যান্য পশ্চিমা গণমাধ্যমও কায়রানকে নিয়ে ইতিমধ্যে কয়েকটি সংবাদ ছেপেছে।

    হাফিংটন পোস্টে নিজের সম্পর্কে কায়রান বলেছে, তৃতীয় গ্রেডে থাকা অবস্থায় ডাক্তাররা পরীক্ষা করে জানায়,আমার আইকিউ ৯৯.৯ শতাংশ। আমার ইকিউ বা ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্সও অনেক বেশি। অভিভাবকরাও আমার যত্ন নিতেন। ধরে নেওয়া হয়, আমার কাছে প্রকৃতি প্রদত্ত কিছু রয়েছে। আমি ভর্তি হলাম মিনেসা ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে। অধিক বুদ্ধিসম্পন্ন শিশুদের সাহায্য করার ব্যাপারে আমার মা-বাবাও শিখছিলেন। আমি ডেভিডসন ইনস্টিটিউটের ইয়ং স্কলার নির্বাচিত হই। আমাকে ভর্তি করা হয় বিশেষায়িত স্কুলে। এখন আমি চতুর্থ গ্রেড ও কলেজ— দু’টোতেই পড়ছি।

    প্রাতিষ্ঠানিক পড়ালেখা বিষয়ে কায়রানের বক্তব্য, কলেজে শিক্ষাজীবন শুরুর আগে আমার যেসব বিষয় ভালো লাগত, আমি সেসব বিষয়ে আগ্রহ দেখাতাম ও চেষ্টা করতাম। কলেজের প্রথম কোর্স হিসেবে তারা আমাকে অ্যালজেবরা-১ কোর্সটি নিতে বলে, যেন আমি কলেজের পড়ালেখায় অভ্যস্ত হই। কিন্তু আমি বিরক্ত হতাম ও ক্লাসে ভিডিও গেমস খেলতাম। তবে আমিই মা-বাবাকে পীড়াপীড়ি করি, যেন আমাকে আরও কঠিন কোর্স দেওয়া হয়। যোগ্যতা যাচাই পরীক্ষায় দেখা গেল, আমি ক্যালকুলাস নিতে সক্ষম, যা আমার বর্তমান ধাপেরও চার ধাপ পরের কোর্স। তখন তারা বিশ্বাস করতে শুরু করল, আমি আসলে জানি আমার কী করা প্রয়োজন।

    কায়রান আরও বলে, কলেজে শিক্ষকরা আমাকে আর দশটা শিক্ষার্থীর মতোই দেখেন। আমি অন্যদের মতো একই নিয়ম মেনে চলি। শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের ক্ষেত্রেও আমার জন্য বিশেষ কোনো পদ্ধতি অনুসরণ করা হয় না। এটাও বাকি সবার মতো করেই করা হয়।

    কায়রান জানায়, খুব মিশুক হওয়ায় কলেজে তার অনেক বন্ধু। এমনকি তারা কামরানের কাছে শিখতে চায়। যদিও ক্যাম্পাসে প্রথম প্রথম অন্যরা তার দিকে অদ্ভুতভাবে তাকাত ও আড়ালে ছবি তুলত।

    তারা আমাকে কিউট ও স্মার্ট বলে। আমি তাদের সঙ্গে পরিচিত হই ও বন্ধু হতে চাই,’— মন্তব্য কায়রানের।

    কায়রান বলে, সবাই জানতে চায় আমি অসাধারণ মেধাবী কি না। আমার মা-বাবা বিষয়টিকে দেখেন, মানুষের ওপর প্রভাব ফেলে— এমন বড় বড় সমস্যার সমাধান আমি করতে পারছি কি না, সেই হিসাবে। আমি ৯ বছর বয়সে বেশকিছু বিষয়ের ওপর ভালো দক্ষতা অর্জন করেছি। এদিকে আমার মা বলেন, তিনিই একমাত্র জিনিয়াস, কারণ ঘরের সবকিছু তিনিই সামলে রাখেন। মা আরও বলেন, আইকিউ বা বুদ্ধি সন্তানরা পায় মায়ের এক্স ক্রোমোজোম থেকে। বাবা তখন চোখ পাকায়। মা-বাবার এই খুনসুটিতে পরিবারের আমার সময়টা কাটে বেশ আনন্দেই।

    কম্পিউটার বিজ্ঞানে পারদর্শী কায়রান পাইথন ল্যাঙ্গুয়েজ ও মেশিন লার্নিংয়ে দক্ষতা অর্জন করে মাত্র সাত বছর বয়সে। রাজনীতি নিয়েও প্রবল আগ্রহ রয়েছে তার। কায়রান জানায়, মাত্র তিন বছর বয়স থেকে সে নিয়মিত টেলিভিশনে রাজনৈতিক বিতর্ক দেখত।

  • মৃত্যুশয্যায় বৃদ্ধা মা,পাশে নেই বিসিএস ক্যাডার-বিত্তবান সন্তানেরা

    মৃত্যুশয্যায় বৃদ্ধা মা,পাশে নেই বিসিএস ক্যাডার-বিত্তবান সন্তানেরা

    অনলাইন ডেস্ক:

    ৮০ বছরের বৃদ্ধা মা থাকেন গ্রামের একাকী একটি বাড়িতে। বিসিএস ক্যাডার উচ্চশিক্ষিত ও বিত্তবান ছেলেরা থাকেন বউকে নিয়ে যার যার নিজস্ব বাসায়। বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চতর ডিগ্রি নিয়ে মেয়েরা থাকেন স্বামীর বাড়ি। কিন্তু মায়ের স্থান হয়নি কারো কাছেই। গ্রামের বাড়িতে ছোট একটি ঘরে অনাহারে অর্ধাহারে অযত্ন আর অবহেলায় মৃত্যুমুখী মা। দেখারও কেউ নেই।

    গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে বাড়ির একটি কক্ষে একাকী বৃদ্ধাকে মৃত ভেবে থানায় খবর দেন প্রতিবেশীরা। পরে পুলিশ এসে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে মৃদুলা সাহাকে। পরে ওই মায়ের দেখাশুনার দায়িত্ব নিয়েছে ফেনীর সামাজিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘সহায়’। এমন অমানবিক ঘটনায় ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন পুলিশ সুপার।

    পুলিশ জানায়, ফেনী পৌরসভার মধুপুর এলাকায় বাড়ির পরিত্যক্ত কক্ষে থাকতেন অসুস্থ বৃদ্ধা মৃদুল সাহা। মারা গেছেন ভেবে মঙ্গলবার বিকেলে প্রতিবেশীরা থানায় খবর দেয়। পরে পুলিশ এসে ঘরের দরজা ভেঙ্গে তাকে জীবিত অবস্থায় দেখতে পায়। তাকে উদ্ধার করে ভর্তি করা হয় জেলা সদর হাসপাতালে। চিকিৎসক জানান বার্ধক্যজনিত নানা রোগে আক্রান্ত তিনি।

    ফেনীর সিভিল সার্জন হাসান শাহরিয়ার কবির বলেন,উনি বেশ অসুস্থ। মানসিকভাবেও বিপর্যস্ত। আমরা আমাদের যতটুকু দেয়ার সব দিচ্ছি।

    চিকিৎসার পাশাপাশি তার প্রয়োজন আপনজনের ভালোবাসা। কিন্তু এই বয়সেও পাশে নেই ভালোবাসার মানুষগুলো। স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘ ৪ বছর ধরে মধুপুরের ওই বাড়িতে একা থাকেন বৃদ্ধা মা। তার ছেলে বাপ্পি সাহা ও বিপুল সাহা ফেনী শহরে বাবার রেখে যাওয়া চালের আড়তের মালিক।

    স্ত্রী-সন্তান নিয়ে অন্য বাসায় থাকেন তারা। সুশান্ত সাহা নামে অপর ছেলে কক্সবাজার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করা মেয়ে শর্বরী সাহা ও সুমি সাহা ঢাকায় শ্বশুরবাড়িতে থাকেন। ‘প্রতিষ্ঠিত’ পাঁচ ছেলেমেয়ে থাকার পরও নিজের বাড়িতে একা থাকতেন বৃদ্ধা মৃদুল সাহা। তার চিকিৎসা ও দেখাশুনার দায়িত্ব নিয়েছে একটি সামাজিক সংগঠন, সিভিল সার্জন ও জেলা পুলিশ।

    বৃদ্ধা মায়ের প্রতি সন্তানদের অবহেলার বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানিয়েছেন ফেনীর পুলিশ সুপার এস.এম. জাহাঙ্গীর আলম সরকার। তিনি বলেন, ঘটনার আদ্যোপান্ত আসলে তদন্ত শেষে বলা যাবে। তবে মনে হচ্ছে, এই পরিবারের সদস্যরা তার জন্য যতটুকু করার তা সঠিকভাবে করছে না।

    পাঁচ সন্তানের জননী মৃদুল সাহার স্বামী হরিপদ সাহা ১৯৮৩ সালে মারা যান।

  • শাহনাজের দুই মেয়ের দায়িত্ব নিল উবার

    শাহনাজের দুই মেয়ের দায়িত্ব নিল উবার

    শাহনাজ আক্তার। এক নামেই এখন চেনেন সবাই। তার জীবিকা নির্বাহের বাহন নীল রঙের স্কুটিটি ফেরত পাওয়ার পর এবার পেলেন আরেক সুখবর। তার দুই মেয়ের পড়াশোনার দায়িত্ব নিয়েছে উবার কর্তৃপক্ষ।

    মঙ্গলবার দুপুরে শাহনাজ আক্তার বলেন, দুই দিন আগে উবার কর্তৃপক্ষ ঢাকায় তাদের কার্যালয়ে ডাকে। সেখানে শাহনাজের দুই মেয়ের এক বছরের পড়াশোনার খরচের দায়িত্ব নেয় উবার। ইতোমধ্যে তার মেয়েদের স্কুলে উবার মাসিক বেতন দিয়েও দিয়েছে বলে জানান তিনি।

    শাহনাজের আক্তারের বড় মেয়ে লামিয়া আক্তার নবম শ্রেণিতে পড়েন এবং তার ছোট মেয়ে শারিকা ইসলাম পড়েন প্রথম শ্রেণিতে।

    মোবাইল ফোনের অ্যাপভিত্তিক রাইড শেয়ারিং সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান উবারের অধীনে স্কুটি চালান শাহনাজ। স্কুটিটি যেন তার জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। গত ১৫ জানুয়ারি আকস্মিকভাবে সেটি চুরি হওয়ার পর গণমাধ্যম ও পুলিশের সহযোগিতায় একদিন পর সেটি আবার ফিরে পান।

    নারী হয়েও রাইড শেয়ারিং অ্যাপ উবার চালানোর কারণে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আগে থেকেই বেশ আলোচিত শাহনাজ আক্তার।

  • বরিশালে বাকিতে সিগারেট না দেয়ায় শিশুর মুখ ঝলসে দিল বখাটেরা

    বরিশালে বাকিতে সিগারেট না দেয়ায় শিশুর মুখ ঝলসে দিল বখাটেরা

    বাকিতে সিগারেট না দেয়ায় মো. জুবায়ের (১২) নামে এক শিশুর মুখে গরম পানি ছুড়েছে বখাটেরা। এতে শিশুটির মুখ ঝলছে গেছে। রোববার বিকেলে এ ঘটনায় কোতয়ালি থানায় মামলা হয়েছে।

    আহত জুবায়ের নগরীর বাংলাবাজার এলাকার আর্শেদ আলী গলির আবু ছালেহ জোমাদ্দারর ছেলে এবং ভাটারখাল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র। জোবায়ের বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

    মামলার আসামিরা হলেন- নগরীর ব্রাউন্ড কম্পাউন্ড এলাকার মো. রিফাত (২০), মো. তাজিন (১৯) ও জর্ডান রোড এলাকার মো. আদি (১৯)। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ২/৩ জনকে আসামি করা হয়েছে।

    জুবায়েরের বাবা আবু ছালেহ জোমাদ্দার জানান, গত শুক্রবার সন্ধ্যায় জুবায়ের জিলা স্কুলের সামনে তার মামা আলমগীরের চা-সিগারেটের দোকানে যায়। জুবায়েরকে রেখে তার মামা আলমগীর দোকানের বাইরে যান। এ সময় রিফাত ,তাজিন , আদিসহ আরও দুই তিনজন এসে প্রথমে জুবায়েরের কাছে চা চায়। চা পান শেষে বাকিতে তারা ৫টি বেনসন সিগারেট চায়। বাকি দিতে মামার নিষেধ আছে বললে জুবায়েরকে তারা অকথ্য ভাষায় গালাগালি শুরু করে। একপর্যায়ে দোকানের মালামাল ভাঙচুর করে এবং ক্যাশ বাক্স ভেঙে ৭৫০ টাকা নিয়ে নেয়।

    এ সময় বাধা দিতে গেলে চায়ের কেতলিতে থাকা গরম পানি ছুড়ে জোবায়েরের মুখ ঝলসে দেয় বখাটেরা। জোবায়েরের চিৎকার শুনে পাশের দোকানিরা এগিয়ে এলে বাখাটেরা পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা জোবায়েরকে উদ্ধার করে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে ভর্তি করেন।

    কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশের পরিদর্শক মো. আসাদুজ্জামান জানান, বিকেলে অভিযোগ পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে মামলা রুজু করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

  • বরগুনায় গাইড দেয়ার কথা বলে ডেকে নিয়ে ছাত্রীকে ধর্ষণ

    বরগুনায় গাইড দেয়ার কথা বলে ডেকে নিয়ে ছাত্রীকে ধর্ষণ

    অনলাইন ডেস্ক:

    বরগুনায় গাইড দেয়ার কথা বলে ডেকে নিয়ে অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে সাইফুল ইসলাম নামে এক মাদরাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে।

    রোববার দুপুর ১২টার দিকে বরগুনা সদর উপজেলার সাহেবের হাওলা রফেজিয়া দাখিল মাদরাসার কাছে এ ঘটনা ঘটে।

    পরে নির্যাতনের শিকার ওই ছাত্রীর বাবার কাছে খবর পেয়ে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেছেন স্থানীয় এক সমাজকর্মী।

    অভিযুক্ত সাইফুল ইসলাম সাহেবের হাওলা রফেজিয়া দাখিল মাদরাসার শরীর চর্চার শিক্ষক। তিনি বরগুনা সদর উপজেলার ফুলঝুরি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাহেবের হাওলা রফেজিয়া দাখিল মাদরাসার সহকারী শিক্ষক মো. ইব্রাহিম মাওলানার ছেলে।

    ওই ছাত্রীকে উদ্ধারকারী সমাজকর্মী আরিফুর রহমান মারুফ মৃধা বলেন, দুপুরে গাইড দেয়ার কথা বলে কিশোরী ওই ছাত্রীকে মাদরাসায় ডেকে নেয় সাইফুল। মাদরাসার খুব কাছেই সাইফুলের বাড়ি। ওই ছাত্রী মাদরাসায় গেলে সাইফুল তাকে তাদের বাড়ির দোতলায় নিয়ে ধর্ষণ করে। এতে ওই ছাত্রী গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ঘরে রেখেই পালিয়ে যায় সাইফুল। পরে স্থানীয়দের কাছে খবর পেয়ে ওই ছাত্রীর বাবা তাকে ফোনে বিষয়টি জানান। পরে তিনি ওই বাড়িতে গিয়ে মেয়েটিকে উদ্ধার করে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।

    এদিকে বরগুনা জেনারেল হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ধর্ষণের কারণে ওই ছাত্রীর রক্তক্ষরণ হচ্ছে। তাকে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

    এ বিষয়ে বরগুনা সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবির হোসেন মাহমুদ বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ অভিযুক্ত সাইফুলকে গ্রেফতারের চেষ্টা চালাচ্ছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

  • কুমিল্লায় হিন্দু থেকে মুসলমান হলেন একই পরিবারের ৫ জন!

    কুমিল্লায় হিন্দু থেকে মুসলমান হলেন একই পরিবারের ৫ জন!

    ২০১৩ সালে গাজীপুর আব্দুস সালাম মসজিদের খতিব, মাওলানা আব্দুল মালেক এর হাত ধরে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন কুমিল্লার মনোহরগঞ্জের হাটির পাড় গ্রামের প্রদীপ কুমার সাহা সহ পরিবারের পাঁচসদস্য।

    তারা ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করার পর সাড়ে চার বছর পর আসলেন নিজ গ্রামে। বাঁধা ছিল সমাজ এবং তাদের সনাতন ধর্মের পরিবাররা। এ খবর পাওয়ার পর হাটি পাড় মুসলিম সমাজ ওই পরিবারকে এলাকা আশার জন্য আহবান করে।

    স্থানীয় মুসলিমদের আশ্বাস পেয়ে দীর্ঘদিন পর তারা নিজ গ্রামে আসেন। তাদের আগমন উপলক্ষে স্থানীয় মুসলিম মাতব্বররা ও মসজিদের খতিব মাওলানা মোতাহের হোসেন উৎসাহ উদ্দীপনা যোগায়।

    বর্তমানে প্রদীপ কুমার সাহা মুসলিম হওয়ার পর নতুন নাম রাখা হয় নুর মোহাম্মদ । তার সাথে ছিলেন তার দুই ছেলে স্ত্রী ও শাশুড়ি।

    বড় ছেলে যার সনাতন ধর্মের নাম ছিল ইমন সাহা, মুসলমান হওয়ার পর তার নাম রাখা হয় মোহাম্মদ ইসমাইল হাসান। ছোট ছেলের নাম ছিল সৈকত সাহা, ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করার পর তার বর্তমান নাম মোঃ শাহাদাত হোসেন।

    তার স্ত্রী সরস্বতী যার বর্তমান নাম খাদিজাতুল কোবরা এবং নূর মোহাম্মদের শাশুড়ির নাম ছিল সুমি রানী, ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করার পর তার নাম রাখা হয় ফাতেমা-তুজ-জোহরা।

    ইসলাম ধর্ম গ্রহণের পর নিজ ভূমে ফিরে এক প্রতিক্রিয়ায় নুর মোহাম্মদ বলেন, তিনি স্বেচ্ছায় সজ্ঞানে ইসলাম ধর্মের কোরআন ও হাদিসের বাণী এবং বিভিন্ন আলেম ওলামাদের বয়ান থেকে শুনার পর মনে হয় ইসলাম ধর্ম তার নাজাতের জন্য যথেষ্ট এবং আখেরি নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম সর্বশেষ নবী বলে মনে করেন।

    ইসলাম ধর্ম সঠিক মনে করে তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। এসময় তার বড় ছেলে ইসমাইল হোসেন বলেন, ইসলাম ধর্ম পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ ধর্ম তাই সে তার বাবা-মা ছোট ভাই এবং তার নানুকে নিয়ে পবিত্র ধর্ম ইসলাম কে গ্রহণ করেন।

    আমাদের ধর্ম ত্যাগের কথা শুনে পূর্বের ধর্মাবলম্বীরা গত বৃহস্পতিবার দলবল নিয়ে এসে তারা মানসিক টর্চার শুরু করেন। পরে স্থানীয় মসজিদের খতিব সহ এলাকার লোকজন শুনে ছুটে গিয়ে সহযোগীতা করেন।

    নুরমোহাম্মদ বলেন, মুসলিম সমাজের সকলেই আমার পাশে আছেন এবং আগামী দিনেও তারা আমার পাশে থাকবে বলে আমি বিশ্বাস করি। আগামী দিনে আমার বিপদে আমার সমাজসহ দেশবাসীর কাছে সহযোগিতা কামনা করছি।

    মাওলানা মো: তাহের বলেন, বর্তমান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ইসলাম ধর্মের প্রতি উদার অনেক ভূমিকা রয়েছে তিনি প্রধানমন্ত্রীর সুদৃষ্টি কামনা করছেন।

    উপজেলা যুবলীগের যুগ্ন-আহবায়ক কামাল হোসেন বলেন, আমরা সামাজিকভাবে এই নব মুসলিম পরিবারকে সহযোগিতা করছি। আমাদের পাশাপাশি অত্র উপজেলা সহ দেশ-বিদেশের সকল মুসলমান যদি সামমান্য কিছু অর্থ দিয়ে তাদের সহযোগীতা করতে পারেন তা হলে তাদের প্রতিষ্টিত হতে সময় লাগবে না। কারণ পূর্বের সনাতন ধর্মে পরিবার পরিজনরা তাদের সকল সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করেছে।

  • পুত্র সন্তানের মা হলেন টিউলিপ সিদ্দিক

    পুত্র সন্তানের মা হলেন টিউলিপ সিদ্দিক

    আবারো মা হলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাতনি ও শেখ রেহানার মেয়ে টিউলিপ সিদ্দিক। লন্ডনের রয়্যাল ফ্রি হসপিটালে অস্ত্রোপচারে মাধ্যমে স্থানীয় সময় বুধবার (১৭ জানুয়ারি) সকাল ৯.৫৯ মিনিটে পুত্র সন্তানের জন্ম দেন ব্রিটেনের লেবার পার্টির এমপি টিউলিপ। সন্তানের নাম রাখা হয়েছে রাফায়েল মুজিব সেন্ট পার্সি।

    গত মঙ্গলবার (১৫ জানুয়ারি) টিউলিপের অস্ত্রোপচারের সময় নির্ধারণ করেছিলেন চিকিৎসকরা। তবে ব্রেক্সিট ইস্যুতে সেদিন ব্রিটিশ পার্লামেন্টে গুরুত্বপূর্ণ ভোট থাকায় সন্তান জন্মের সময় পিছিয়ে দেন তিনি। হুইলচেয়ারে করে স্বামীর সঙ্গে পার্লামেন্টে গিয়ে ভোট দেন টিউলিপ।

    ছেলে সন্তানের মুখ দেখে টিউলিপ ও তার স্বামী ক্রিশ্চিয়ান পার্সি রয়্যাল ফ্রি হসপিটালের ডাক্তার কর্মকর্তাদের ধন্যবাদ জানান। ২০১৬ সালে কন্যা সন্তানের জন্ম দেন টিউলিপ। তার নাম রাখা হয় আজালিয়া জয় পার্সি।