Category: নারী ও শিশু

  • প্রথম‌দি‌নে নকলের দায়ে ২০ পরীক্ষার্থী ব‌হিষ্কার

    প্রথম‌দি‌নে নকলের দায়ে ২০ পরীক্ষার্থী ব‌হিষ্কার

    অনলাইন ডেস্ক:

    মাধ্য‌মিক স্কুল সা‌র্টি‌ফি‌কেট (এসএস‌সি) ও সমমানের পরীক্ষার প্রথম‌দি‌নে রাজবাড়ীর পাংশায় অসদুপায় অবলম্ব‌নের দা‌য়ে ২০ জন দা‌খিল পরীক্ষার্থী‌‌কে ব‌হিষ্কার করা হ‌য়ে‌ছে।

    নির্বাহী ম্যা‌জি‌স্ট্রেট কা‌ফি বিন ক‌বির এ ব‌হিষ্কার আদেন।

    সেই সা‌থে ওই পরীক্ষা কে‌ন্দ্রের কেন্দ্রস‌চিব আবু মুছা আশারি ও পরীক্ষা ক‌ক্ষে কর্তব্যরত শিক্ষক‌দের অব্যাহ‌তি দেয়া হ‌য়ে‌ছে।

    পাংশা উপ‌জেলা নির্বাহী কর্মকর্তা র‌ফিকুল ইসলাম বিষয়টির সত্যতা নি‌শ্চিত ক‌রেছেন।

    জেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা‌গে‌ছে, এ বছর রাজবাড়ী‌তে ১৬ হাজার ৮০৬ জন পরীক্ষায় অংশ নি‌চ্ছে। ৯টি কে‌ন্দ্রে ১৩ হাজার ৪১৮ জন এসএস‌সি, ৬টি কে‌ন্দ্রে ২ হাজার ১৬৮ জন দা‌খিল, ৪ টি কে‌ন্দ্রে ১ হাজার ১৭৩ জন এসএস‌সি ভো‌কেশনাল ও ১টি কে‌ন্দ্রে ৪৭ জন দা‌খিল ভো‌কেশনাল পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দি‌চ্ছে।

  • বাবার পেটে ২২০০ ইয়াবা, স্ত্রী-ছেলেসহ আটক ৩

    বাবার পেটে ২২০০ ইয়াবা, স্ত্রী-ছেলেসহ আটক ৩

    অনলাইন ডেস্ক:

    নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে ইয়াবা পাচারের অভিযোগে স্ত্রী-ছেলেসহ এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। র‌্যাবের ভাষ্য, ওই ব্যক্তির পেটে ২ হাজার ২০০টি ইয়াবা বড়ি পাওয়া গেছে, স্ত্রী-ছেলেও মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত।

    আজ বৃহস্পতিবার সকালে সদর উপজেলার সিদ্ধিরগঞ্জ থানার হিরাঝিল এলাকার একটি বাড়ি থেকে র‌্যাব তাঁদের আটক করে। আটক ব্যক্তিরা হচ্ছেন বিল্লাল হোসেন (৫৮), তাঁর স্ত্রী লিপি আক্তার (৪০) ও ছেলে অয়ন (২৫)।

    র‌্যাব জানিয়েছে, আটক ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে টেকনাফ ও কক্সবাজার থেকে পায়ুপথে বিশেষ পদ্ধতিতে ইয়াবা বহন করে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন স্থানে পাচার করে আসছিল। আজ সকালে বিল্লাল হোসেন পেটে করে একটি চালান নিয়ে নারায়ণগঞ্জ আসেন।

    র‌্যাব-১১–এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জসীম উদ্দিন চৌধুরী বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সকাল ১০টার দিকে বিসমিল্লাহ হাউস নামের ওই বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। এ সময় বিল্লালকে আটক করে স্থানীয় একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে পরীক্ষা করে তাঁর পেটে ইয়াবার অস্তিত্ব পাওয়া যায়। পরে তিনি পায়ুপথ দিয়ে পেটের ভেতরে রাখা ২ হাজার ২০০টি ইয়াবা বিশেষ কৌশলে বের করে দেন।

    জসীম চৌধুরী বলেন, বিল্লালকে আটকের পর তাঁর বাসায় তল্লাশি করে আরও ২০০টি ইয়াবা বড়ি জব্দ করা হয়। পাশাপাশি মাদক বিক্রির ৪২ হাজার টাকাও জব্দ করা হয়। এই মাদক পাচারের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে বিল্লালের স্ত্রী লিপি ও ছেলে অয়নকেও আটক করা হয়।

    জসীম চৌধুরী বলেন, বিল্লাল প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে পেটের ভেতরে করে কক্সবাজার থেকে ইয়াবা পাচার করে আসছিলেন। আজ ভোরেও তিনি কক্সবাজার থেকে ঢাকাগামী একটি বাসে করে নারায়ণগঞ্জের চিটাগাং রোডে নামেন। র‌্যাবের এই কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

  • ঝালকাঠি টাকা আত্মসাতে নিঃসন্তান স্ত্রী কে হত্যার অভিযোগ!

    ঝালকাঠি টাকা আত্মসাতে নিঃসন্তান স্ত্রী কে হত্যার অভিযোগ!

    অনলাইন ডেস্ক:

    ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া উপজেলার বলতলা গ্রামে দুলালী খাতুন (৪৫) নামে এক গার্মেন্টস কর্মীকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দুলালীর স্বামী মো. বশিরুজ্জামান রাজুকে এলাকাবাসী কাঁঠালিয়া থানায় সোপর্দ করলেও পুলিশ বুধবার রাত পর্যন্ত তাকে আদালতে সোপর্দ করেনি।

    এদিকে বুধবার পিরোজপুর সদর হাসপাতাল মর্গে ময়নাতদন্ত শেষে সন্ধ্যায় ওই নারীর মরদেহ তার বাবার বাড়ি ভান্ডারিয়া উপজেলার চড়াইল গ্রামে দাফন করা হয়েছে।

    নিহতের ছোটভাই মো. শহিদুল ইসলাম জানান, তার বোন দুলালী চট্টগ্রাম কোরিয়ান ইপিজেডের একটি গার্মেন্টসে টিম লিডার পদে চাকরি করতেন। ১৪-১৫ বছর আগে কাঁঠালিয়া উপজেলার বলতলা গ্রামের আব্দুল লতিফ হাওলাদারের ছেলে বশিরুজ্জামান রাজুর সঙ্গে দুলালীর বিয়ে হয়। স্বামী-স্ত্রী দু’জনই চট্টগ্রামে থাকতেন। তাদের কোনো সন্তান নেই।

    মাস তিনেক আগে দুলালী অবসরে গেলে কোম্পানি থেকে ৩০ লাখ টাকা পান। বশিরুল্লাহ ওই টাকা নিজের আয়ত্বে নেয়ার জন্য নানা কৌশল শুরু করে। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হয়। গত ২৮ জানুয়ারি সোমবার মধ্যরাতে ঝগড়ার এক পর্যায় দুলালীকে বালিশচাপা দিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করেন বশিরুল্লাহ।

    হত্যার পর বশিরুল্লাহ নিজেই তার স্ত্রী দুলালীর হার্ট অ্যাটাক হয়েছে প্রচার করে পার্শ্ববর্তী ভান্ডারিয়া হাসপাতালে রেখে সটকে পড়েন। হাসপাতালের চিকিৎসকরা দুলালীকে মৃত ষোষণা করে ভান্ডারিয়া থানা পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পিরোজপুর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

    অপরদিকে মঙ্গলবার দুপুরে বলতলা গ্রাম থেকে পালিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয়রা বশিরুল্লাহকে আটক কাঁঠালিয়া থানায় সোপর্দ করে। কিন্তু বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্ত বশিরুল্লাহকে থানা হাজতে রাখলেও আদালতে পাঠায়নি পুলিশ।

    এ বিষয়ে কাঁঠালিয়া থানার ওসি মো. এনামুল হক বলেন, আটক বশিরুল্লাহ থানা হেফাজতে আছে। তার দাবি স্ত্রী দুলালীর স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু দুলালীর পরিবারের অভিযোগ তাকে হত্যা করা হয়েছে। অথচ মরদেহের শরীরে কোনো জখমের চিহ্ন নেই। দুলালীর ভাইকে আসতে বলেছি। তাদের মধ্যে যদি আপোষ মীমাংসা না হয় তাহলে আইনগত ব্যবস্থা নেব। এ ঘটনায় ভান্ডারিয়া থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। আমরাও তদন্ত করছি দেখি কী করা যায়।

  • বরিশালে ভিজিডি’র চালে বছরে প্রায় দু’কোটি টাকা আত্মসাৎ

    বরিশালে ভিজিডি’র চালে বছরে প্রায় দু’কোটি টাকা আত্মসাৎ

    অনলাইন ডেস্ক:

    নারীদের সামাজিক নিরাপত্তা কার্যক্রমের আওতায় ভালনারেবল গ্রুপ ডেভেলপমেন্টের (ভিজিডি) চালে বছরে প্রায় ২ কোটি টাকা মূল্যের চাল পরিমাণে কম দিয়ে তা আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে সরকারি খাদ্য গুদামের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে।

    ভিজিডি’র কার্যক্রম শুরুর পর থেকে এভাবে ওজনে পরিমাণ কম দিয়ে চুরি হওয়ায় সরকার ৩০ কেজির ইনটেক চাল সরবরাহ করছে। কিন্তু তাতেও চাল চুরি রোধ করা সম্ভব হয়নি।

    সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে জানা গেছে, অতি দরিদ্র নারীদের খাদ্য সহায়তার অংশ হিসেবে কার্ডধারী প্রত্যেক নারীকে মাসে ৩০ কেজি করে চাল দেওয়া হয় বিনামূল্যে। কিন্তু বিনামূল্যের চাল থেকে প্রতি বছর বরিশালে সরকারি গুদাম থেকে ওজনে কম দিয়ে কোটি কোটি টাকার চাল রেখে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে খাদ্য অফিসের কতিপয় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে। বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যানদের কাছ থেকে এ অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে খাদ্য দফতরের কর্মকর্তা বলছেন, বর্তমানে প্রতি কার্ডধারীর জন্য ইনটেক করা বস্তা আসে। সেখানে মাপে কম দেওয়ার সুযোগ নেই। জনপ্রতিনিধিরা নিজেদের সাধু সাজাতে এ ধরনের অভিযোগ করছেন।

    বরিশাল জেলা মহিলা বিষয় কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে জেলার ১০ উপজেলায় ভিজিডি কার্ডধারীর সংখ্যা ২৭ হাজার ৯১৪ জন। এরমধ্যে সদর উপজেলায় ২ হাজার ৯৯৪ জন, আগৈলঝাড়ায় ২ হাজার ৭৯ জন, বাবুগঞ্জে ২ হাজার ৩২৫ জন, বাকেরগঞ্জে ৩ হাজার ৩০৯ জন, বানারীপাড়া ২ হাজার ৪৩২ জন, গৌরনদীতে ২ হাজার ৬১১ জন, হিজলায় ৩ হাজার ৬২৪ জন, মুলাদীতে ২ হাজার ৫৬০ এবং উজিরপুরে ২ হাজার ৪৩৬ জন।

    জেলার ২৭ হাজার ৯১৪ কার্ডধারীর বিপরীতে ২০১৮ সালে ১০ হাজার ৪৯ মেট্রিকটন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয় (এক কোটি ৪৯ হাজার ৪০ কেজি)। ইউপি চেয়ারম্যানদের অভিযোগ খাদ্য অফিস থেকে চাল নিয়ে আসার পর দেখা যায় প্রতি বস্তায় গড়ে দুই কেজি চাল কম। এই হিসেবে এক টন চালে (এক হাজার কেজি) ৬৬ কেজি কম পাওয়া যায়। বেশিরভাগ চেয়ারম্যানদের দাবি, খাদ্য অফিস থেকে ওজন মাপার সময় কারসাজির মাধ্যমে শত শত টন চাল মেরে দিয়ে তা কালো বাজারে বিক্রি করা হয়। হিসেব করা দেখা গেছে গড়ে যদি প্রতি টন চালে ৬৬ কেজি করে ঘাটতি হয় তাহলে মোট বরাদ্দে ঘাটতি ৬৬৩ দশমিক ২৩ মেট্রিক টন।

    একাধিক সূত্র বলছে, ভিজিডির চাল সরকার ভর্তুকি দিয়ে প্রতি কেজি ৩৬ টাকা দরে কেনে। কিন্তু চেয়ারম্যান ও খাদ্য অফিস অনিয়ম করে যে চাল অত্মসাৎ করে তা বাজারে বিক্রি করা হয় ৩০ টাকা কেজি দরে। এ হিসেবে এক টন চাল কালোবাজারে বিক্রি হয় ৩০ হাজার টাকায়। হিসেব করে দেখা গেছে কেবল বরিশাল জেলাতেই ভিজিডির চালে যে কম দেওয়া হয় তার মূল্য দাঁড়ায় ১ কোটি ৯৮ লাখ ৯৬ হাজার ৯০০ টাকা (৩০ টাকা কেজি দরে)। খাদ্য অফিসের সব কর্মকর্তা- কর্মচারীরা এ টাকার ভাগ পায়। শুধু ভিজিডির চালই ৯ বছরে অন্যান্য খাতে যে বরাদ্দ আসে সেখানেও মাপে কম দিয়ে বছরে লাখ লাখ টাকা আয় করছে খাদ্য অফিস। এর ভাগ পাচ্ছে তালিকা অনুযায়ী খাদ্য অফিসের টপ টু বটম।

    বরিশাল সদর উপজেলার জাগুয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোস্তাক আলম চৌধুরী বলেন, ‘আগে ৫০ কেজির বস্তা ভেঙে ৩০ কেজির বস্তা বানাতো। তখন প্রতি বস্তায় ৪/৫ কেজি কম হতো। এখন সেলাই করা বস্তা দেওয়া হয়। তারপরেও প্রতি বস্তায় কিছু কম হবেই এতে কোনও সন্দেহ নেই। খাদ্য অফিস প্রায়ই বলে তাদের সেলাই করা বস্তা নেই। হাতে বাধা বস্তা আনলেই সমস্যা।

    শায়েস্তাবাদ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আরিফুজ্জামান মুন্না বলেন, ‘প্রতি বস্তায় ৩০ কেজি থাকার কথা থাকলেও ২৭/২৮ কেজি পাই। মাঝে মাঝে ইনটেক বস্তা দেয় আবার খোলা বস্তাও সাধে, আমরা নিতে চাই না। এনিয়ে অনেক ঝামেলা হয়।

    মুলাদী উপজেলায় ২৫শ’ ৬০ জন ভিজিডি কার্ডধারীর বিপরীতে ৯২১.৬ মেট্রিকটন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়। উপজেলার সফিপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবু মুসা হিমু বলেন, ঘাটতি হবেই। আপ-ডাউনে কমে-বাড়ে। ৫০ কেজির জায়গায় ৪৮ কেজিও থাকে। খাদ্য অফিসে ইনটেক বস্তা কমিয়ে রাখে। মাপার সময় এমনভাবে টান দেয় তখন কমে যায়। বস্তায় ২/৩ কেজি কম ধরতেই পারেন।

    অভিযোগের ব্যাপারে বরিশাল জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অবনী মোহন দাস বলেন, ‘উনারা (চেয়ারম্যান) কোন কারনে কম নেবেন? কমের প্রশ্ন আসে না। এভাবে অভিযোগ করে পার পাওয়া যায় না। তারা শতভাগ মেপে নেবেন। কম হলে আমার কাছে অভিযোগ করবেন। প্রয়োজনে দুইবার মেপে চাল নেবেন। আমরা এখন ৩০ কেজির বস্তা দেই। নিতেও সুবিধা, ইনটেক বস্তা। বোঝেনইতো একজনের অপরাধ আরেকজনের ওপর চাপিয়ে দেওয়া আর কী।

  • নওগাঁয় ছেলেকে গ্রেফতার করায় পুলিশ কর্মকর্তাকে কোপালেন মা

    নওগাঁয় ছেলেকে গ্রেফতার করায় পুলিশ কর্মকর্তাকে কোপালেন মা

    অনলাইন ডেস্ক:

    নওগাঁর আত্রাই উপজেলায় ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ধরতে গিয়ে স্বজনের হামলায় এক পুলিশ কর্মকর্তাসহ দুইজন আহত হয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে আত্রাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

    সেই সঙ্গে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিসহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বুধবার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার কালীকাপুর ইউনিয়নের মদনডাঙ্গা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। গ্রেফতারকৃতরা হলেন- ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি সোহেল রানা (২৫), তার মা সূর্যভান (৪৫), বোন নাজমা খাতুন (২০) ও পাখি (১৮)।

    স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, যৌতুকের মামলায় উপজেলার মদনডাঙ্গা গ্রামের সোহেল রানার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়। বুধবার সকালে আসামি সোহেল রানাকে গ্রেফতারের জন্য কনস্টেবল আজিজুল হককে সঙ্গে নিয়ে মদনডাঙ্গা গ্রামে যান পুলিশের এএসআই মনির উদ্দিন।

    পরে বাড়ি থেকে সোহেলকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় মা ও দুই বোন সোহলেকে ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু ছেলেকে ছিনিয়ে নিতে না পেরে সোহেলের মা ধারালো বটি দিয়ে এএসআই মনির উদ্দিনের ওপর হামলা চালান।

    সোহেলের মায়ের বটির কোপে এএসআই মনির উদ্দিনের ডান বাহুসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম হয়। সেই সঙ্গে মনিরকে উদ্ধারে এগিয়ে আসা কনস্টেবল আজিজুল হকও আহত হন। এ সময় মনির উদ্দিনের চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে আসেন। সংবাদ পেয়ে থানা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে আসামিসহ চারজনকে গ্রেফতার করে।

    সেই সঙ্গে আহত পুলিশ কর্মকর্তাসহ দুইজনকে উদ্ধার করে আত্রাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। আত্রাই থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোবারক হোসেন বলেন, যৌতুকের মামলার আসামি ছিলেন সোহেল রানা।

    তাকে গ্রেফতার করা হলে তার স্বজনরা ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করেন এবং পুলিশের ওপর হামলা চালান। পরে থানা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে আসামিসহ চারজনকে গ্রেফতার করে।

    আহত এএসআইসহ দুইজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সরকারি কাজে বাধা দেয়ায় সোহেলের স্বজনদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে বলেও জানান ওসি।

  • ফেসবুক মাদকের মতো এক ধরনের নেশা : ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    ফেসবুক মাদকের মতো এক ধরনের নেশা : ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মুন্সীগঞ্জে আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ পাঠাভ্যাস চর্চা কেন্দ্র আয়োজিত দুইদিন ব্যাপী বিজ্ঞান উৎসব শুরু হয়েছে।

    মঙ্গলবার সকালে সদর উপজেলার প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ড. ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজে এ বিজ্ঞান উৎসবের উদ্বোধন করেন জনপ্রিয় লেখক অধ্যাপক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল ঘণ্টাব্যাপী শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।

    এরপর শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, বই পড়া একটা অসাধারণ ব্যাপার। যে বই পড়ে সে অন্যদের থেকে আলাদা। তবে, দুঃখজনকভাবে বিশ্বব্যাপী বই পড়া কমে গেছে। আমার ফেসবুক একাউন্ট নেই। তবে যা শুনি, ফেসবুকে যত বেশি লাইক তত বেশি আনন্দ। পৃথিবীতে তথ্যের গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি। পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি তথ্য আছে গুগল, ফেসবুক, আমাজন- এদের কাছে। তুমি তোমার পরিশ্রম ও সময় ব্যয় করে ফেসবুককে লাভবান করছ। তোমার পছন্দ, অপছন্দ সব জানে গুগল। এখান থেকে বের না হলে তোমরা আর স্মার্ট থাকবে না। পৃথিবীতে এখন একটা সময় যাচ্ছে যখন আমাদের খুব সতর্ক থাকতে হবে।

    জাফর ইকবাল আরও বলেন, তুমি তোমার জীবন নিয়ে কি করবে তা তোমাকে ভাবতে হবে। আগামী ১০ বছর পর এসব (ফেসবুক) থাকবে না বলে আমার মনে হয়। ফেসবুক মাদকের মতো এক ধরনের নেশা। ফেসবুক ব্যবহার কর, কিন্তু আসক্ত হয়ো না।

    তিনি বলেন, তোমরা যদি জিপিএ-৫ এর জন্য নয়, জানার জন্য লেখাপড়া কর তবে বাংলাদেশটা বদলে যাবে। বাংলাদেশের দায়িত্ব তোমাদের হাতে।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক সায়লা ফারজানা। ফজিলাতুন্নেছা তানিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অধ্যক্ষ মেজর গাজী মোহাম্মদ তাওহিদুজ্জামান, শিক্ষক ও বিজ্ঞান লেখক সফিক ইসলাম ও দৈনিক সভ্যতার আলোর সম্পাদক মীর নাসির উদ্দিন উজ্জ্বল।

  • আন্তর্জাতিক মাদক চোরাচালান চক্রের পাঁচ সদস্য আটক করেছে র‌্যাব

    আন্তর্জাতিক মাদক চোরাচালান চক্রের পাঁচ সদস্য আটক করেছে র‌্যাব

    রাজধানীর বিমানবন্দর থানার কাওলা এলাকা থেকে আন্তর্জাতিক মাদক চােরাচালান চক্রের পাঁচ সক্রিয় সদস্যকে আটক করেছে র‌্যাব।

    আজ মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‌্যাবের মিডিয়া সেন্টারে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার মুফতি মাহমুদ খান।

    আটক ব্যক্তিদের মধ্যে তিনজন নারী। তাঁরা হলেন ফাতেমা ইমাম তানিয়া (২৬), আফসানা মিমি (২৩) ও সালমা সুলতানা (২৬)। অন্য দুজন শেখ মোহাম্মদ বাঁধন ওরফে পারভেজ (২৮) ও রুহুল আমিন ওরফে সায়মন (২৯)। আটক ব্যক্তিদের কাছে ইয়াবা ও বৈদেশিক মুদ্রা পাওয়া গেছে।

    মুফতি মাহমুদ খান বলেন, গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর শ্রীলঙ্কার রাজধানী কলম্বোর উপকণ্ঠে মাউন্ট লাভিয়ান এলাকায় দেশটির আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিশেষ অভিযানে ২৭২ কেজি হেরোইন, ৫ কেজি কোকেনসহ মো. জামাল উদ্দিন ও রাফিউল ইসলাম নামক দুই বাংলাদেশি গ্রেপ্তার হন।

    গত ১৪ ডিসেম্বর শ্রীলঙ্কার একই এলাকা থেকে ৩২ কেজি হেরোইনসহ বাংলাদেশি নাগরিক সূর্যমণি গ্রেপ্তার হন। মাত্র এক মাসের মধ্যে ৩০৪ কেজি হেরোইন, ৫ কেজি কোকেনসহ তিন বাংলাদেশি গ্রেপ্তার হওয়ায় শ্রীলঙ্কায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়। এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশে একটি টাস্কফোর্স গঠন করা হয়। এই টাস্কফোর্স অভিযান পরিচালনা করে আন্তর্জাতিক মাদক চোরাচালানের সঙ্গে সম্পৃক্ততার প্রমাণাদি সাপেক্ষে চয়েজ রহমান নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করে। এ ঘটনায় উত্তরা পশ্চিম থানায় একটি মামলা হয়। আলোচিত এই বিষয়ে র‌্যাব ছায়া তদন্ত শুরু করে। এই ঘটনার অংশ হিসেবে গতকাল পাঁচজনকে আটক করে র‌্যাব।

    মুফতি মাহমুদ খান বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা আন্তর্জাতিক মাদক চোরাচালান চক্রের সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে জানান। বাংলাদেশে তাঁদের নিয়ন্ত্রক মো. আরিফ উদ্দিন। আরিফ উদ্দিনের আল-আমিন ফ্যাশন বায়িং হাউস নামে একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। আরিফ ওই ব্যবসার অন্তরালে আন্তর্জাতিক মাদক সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িত। আটক ব্যক্তিদের জানা মতে, আরিফ উদ্দিনের নিয়ন্ত্রণে ওই মাদক চোরাচালান চক্রে ১৫ থেকে ২০ জন বাংলাদেশি যুক্ত রয়েছেন। এই চক্র দেশের অভ্যন্তরেও মাদক (ইয়াবা) ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত।

    আটক ব্যক্তিরা জানান, আরিফ নিজে রিক্রুটিং করতেন। এ ছাড়া রেহানা ও আটক রুহুল আমীন ওরফে সায়মন, রিক্রুটিংয়ের কাজ করতেন। রিক্রুটিংয়ের ক্ষেত্রে মূলত স্বল্পশিক্ষিত, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত স্মার্ট মেয়েদের প্রাধান্য দেওয়া হতো। পরীক্ষামূলকভাবে প্রথমে তাঁদের ব্যবসায়িক কাজে নিয়োজিত করা হতো। তারপর বিশ্বস্তদের দেশের অভ্যন্তরে তাঁদের যে মাদক ব্যবসা আছে, সেখানে মাদক সংগ্রহ, সরবরাহ ও বিতরণের জন্য ব্যবহার করা হতো।

    পরবর্তী সময়ে দক্ষ হয়ে উঠলে তাঁদের বিদেশে পাঠিয়ে বিদেশি সংস্কৃতির সঙ্গে অভ্যস্ত এবং পাসপোর্টের গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি করা হতো। পরে তাঁদের বিদেশে মাদক সরবরাহ ও বিতরণের কাজে ব্যবহার করা হয়। এই মাদক সিন্ডিকেটের আফগানিস্তান, পাকিস্তান, চীন, মালয়েশিয়া ও শ্রীলঙ্কায় নেটওয়ার্ক রয়েছে। মাদক পরিবহনে বিভিন্ন পথ ব্যবহার করা হয়।

    মুফতি মাহমুদ খান জানান, তাৎক্ষণিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদে যেসব তথ্য পাওয়া গেছে, এতে মনে হয়েছে, আরও জিজ্ঞাসাবাদে বিভিন্ন তথ্য পাওয়া যাবে। তাঁরা সে জন্য কাজ করছেন।

  • এবার দুদকের অভিযানে বরখাস্ত হলো প্রধান শিক্ষিকা

    এবার দুদকের অভিযানে বরখাস্ত হলো প্রধান শিক্ষিকা

    অনলাইন ডেস্ক:

    ছাত্র ভর্তিতে টাকা আদায়ের প্রমাণ পেয়ে বরখাস্ত করা হল মতিঝিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা নূরজাহান হামিদাকে। এদিকে মতিঝিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা নূরজাহান হামিদার বিরুদ্ধে ভাউচার এবং কোনো প্রমাণ ছাড়া ৫ লাখ ৭৭ হাজার টাকা আত্মসাতের প্রমাণ পেয়েছে দুদক। এই টাকা গরীব শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ভর্তি বাণিজ্য করে আদায় করেছেন বলে জানিয়েছেন দুদক।

    এ বছরের শুরুতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ভর্তির জন্য বেআইনিভাবে অর্থ গ্রহণ ও হয়রানির অভিযোগে মতিঝিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নূরজাহান হামিদাকে বরখাস্ত করা হয়। এদিকে সোমবার ২৮ জানুয়ারি দুদকের হটলাইনে (১০৬) ভুক্তভোগী অভিভাবকরা অভিযোগ জানালে- দুদকের মহাপরিচালক (প্রশাসন) মোহাম্মাদ মুনীর চৌধুরী তাৎক্ষণিকভাবে অভিযান চালানোর নির্দেশ দেন।

    এদিকে দুদকের সহকারী পরিচালক নার্গিস সুলতানা ও উপসহকারী পরিচালক মোঃ সবুজ হাসানের সমন্বিত টিম অভিযান চালিয়ে ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হয়। পরে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় তাকে তাৎক্ষণিকভাবে বরখাস্ত করে।

    এ সময় দুদকের অভিযানে দেখা যায়, অভিভাবকদের নিকট হতে মতিঝিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নূরজাহান হামিদা বাধ্যতামূলকভাবে বিনা রশিদে ১০০০- ১৫০০ টাকা করে নিচ্ছেন। এমনকি হতদরিদ্র ব্যক্তিদের সন্তানদেরও বিনামূল্যে ভর্তি করানো হয়নি, বরং তাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয়েছে।

    তাছাড়া ২০১৯ সালে ভর্তি বাবদ ঐ প্রধান শিক্ষক এ যাবত এভাবে ৫ লাখ ৭৭ হাজার টাকা নিয়েছেন। এসব টাকার কোনো আয়-ব্যয়ের হিসাব রাখা হয়নি। এদিকে অভিযান প্রসঙ্গে দুদক এনফোর্সমেন্ট ইউনিটের প্রধান সমন্বয়ক মহাপরিচালক (প্রশাসন) মোহাম্মাদ মুনীর চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন, ‘দুদক শিক্ষা সেক্টরে দুর্নীতির শেকড় উৎপাটনে কঠোর অভিযান চালাবে।

    তবে এসব দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদেরও প্রতিরোধমূলক মানসিকতা থাকতে হবে। শিগগির বেআইনিভাবে আদায়কৃত অর্থ অভিভাবকদের কাছে ফেরত প্রদানের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

  • পটুয়াখালীতে ভারসাম্যহীন নারীর সন্তান কোলে নিলেন ওসি,নামও রাখলেন নিজের মায়ের নামে

    পটুয়াখালীতে ভারসাম্যহীন নারীর সন্তান কোলে নিলেন ওসি,নামও রাখলেন নিজের মায়ের নামে

    অনলাইন ডেস্ক:

    অজ্ঞাত এক মানসিক ভারসাম্যহীন নারীর কোলজুড়ে আসা নবজাতকের নাম নিজের মায়ের নামে ‘ফাতেমা রহমান’ রেখে শিশুটিকে মায়ের মর্যাদা দিলেন পটুয়াখালী সদর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান।

    দীর্ঘ ১৪ দিন পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার পর গতকাল (রোববার) শিশুটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে পটুয়াখালী সমাজ সেবা দপ্তরের হস্তান্তরের সময় তার এই নাম রাখেন তিনি।

    গত ১৪ জানুয়ারী সদর উপজেলার কমলাপুর এলাকায় প্রসব বেদনায় কাতরানো অজ্ঞাত এক মানসিক ভারসাম্যহীন নারীকে দ্রুত পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসেন ওসি মোস্তাফিজুর রহমান।

    ওই দিনই ওই নারী একটি কন্যা সন্তানের জন্ম দিয়ে উধাও হয়ে যায়।

    সেই সময় থেকে ওসি মোস্তাফিজুর রহমান শিশুটির দেখাশোনা করে আসছেন।

    এ বিষয়ে ওসি মোস্তাফিজুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, ‘একাধিক স্থানে খোঁজ করেও শিশুটির মাকে পাওয়া যায়নি। ১৪ দিন চিকিৎসা ও লালন-পালন শেষে রোববার হাসপাতাল থেকে শিশুটিকে সমাজ সেবার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

    এসময় আবেগে আপ্লুত হয়ে কেঁদে ফেলেন ওসি মোস্তাফিজুর রহমান।

    তিনি বলেন, হস্তান্তরের সময় মা হারা এই নবজাতকের পরিচয় নিয়ে জটিলতা দেখা দিলে আমি আমার মৃত মায়ের নামে শিশুটির নাম রাখি। শিশুটির জন্য পটুয়াখালী জেলা প্রশাসন, সমাজ সেবা এবং মহিলা বিষয় অধিদফতরসহ অনেকেই হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন বলে জানান মোস্তাফিজুর রহমান।

    তিনি বলেন, শিশুটি দত্তক নিতেও ইতিমধ্যে অনেকে ইচ্ছা প্রকাশ করেছে।

    এ বিষয়ে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক মো. মতিউল ইসলাম চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন,আইনী প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যে কোনো ব্যক্তি শিশুটিকে দত্তক নিতে পারবেন।

    বর্তমানে শিশুটিকে বরিশালের শিশু হোম কেয়ারে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে জানিয়ে পটুয়াখালী সমাজ সেবার উপপরিচালক এস.এম শাহাজাদা সাংবাদিকদের জানান,সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী শিশুটি বরিশালের আগৈলঝড়া শিশু হোম কেয়ারে নিয়ে যাচ্ছি আমরা।

    ওখানেই তার লালন পালনের সব ব্যবস্থা করা হবে।

  • ফকিরাপুলের এক নম্বর গলিতে তরুণীর লাশ

    ফকিরাপুলের এক নম্বর গলিতে তরুণীর লাশ

    অনলাইন ডেস্ক:

    রাজধানীর ফকিরাপুল এলাকায় এক তরুণীর অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। তাঁর নাম অপরা আক্তার লুসি (২৪)।

    সোমবার বিকেলে ফকিরাপুলের এক নম্বর গলিতে তাঁর লাশ পড়েছিল। ভবনের ওপর থেকে ফেলে তাঁকে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করছে পুলিশ।

    প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফকিরাপুলের এক নম্বর গলিতে ঢোকার মুখে আটতলা ও পাঁচ তলা ভবন রয়েছে। এই দুটি ভবনের মধ্যে ফাঁকা জায়গায় সোমবার বিকেলে এক তরুণীর লাশ দেখতে পায় এলাকাবাসী। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। ওই তরুণী পাশের সড়কে এক বাসায় থাকতেন। গত দুদিন ধরে তিনি নিখোঁজ ছিলেন বলে এলাকাবাসীর কাছ থেকে জানা গেছে। প্রাথমিকভাবে নিহত ওই তরুণী সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায়নি।

    মতিঝিল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জামাল হোসেন বলেন, ফকিরাপুলের এক নম্বর সড়কে ২২১ নম্বর বাড়ির পাশে লুসি নামে একটি মেয়ের লাশ পাওয়া যায়। ধারণা করা হচ্ছে, পাশের কোনো ভবন থেকে তাঁকে ফেলে দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে এখন তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।