Category: নারী ও শিশু

  • রোহিঙ্গাদের জন্য ইউএসএইড-ইউনিসেফের ৭.৫ মিলিয়ন ডলার অনুদান

    রোহিঙ্গাদের জন্য ইউএসএইড-ইউনিসেফের ৭.৫ মিলিয়ন ডলার অনুদান

    রোহিঙ্গা শরণার্থীদের পুষ্টিমান উন্নয়নের জন্য  ৬ ই ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (ইউএসএইড) ফুড ফর পিস প্রোগ্রামের আওতায় ইউনিসেফ এর জন্য ৭.৫ মিলিয়ন ডলার অনুদান ঘোষণা করেছে।  আগস্টের ২৪ তারিখ থেকে শুরু হওয়া রোহিঙ্গা সংকট মোকাবেলায় যুক্তরাষ্ট্র সরকার এই পর্যন্ত ৯০ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি  সহায়তা প্রদান করেছে।
     আগস্টের ২৫ তারিখ থেকে সহিংসতার কারণে  মিয়ানমার থেকে ৬২৫,০০০ এরও বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে এসে কক্সবাজারে স্থায়ী ও অস্থায়ী শিবিরে অবস্থান করছে। ইউএসএইডের মিশন প্রধান ইয়ানিনা জারুজেলস্কি বলেন, ‘এই অনুদানের মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকার যে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সাহায্য করছে সেই প্রশংসনীয় প্রচেষ্টাতে পুষ্টিমান উন্নয়নে অবদান রাখতে পেরে ইউএসএইড আনন্দিত।’ তিনি আরো গুরুত্বারোপ করে বলেন যে, ‘ইউনিসেফের সাথে এই অংশীদারিত্ব, অরক্ষিত জনগোষ্ঠী বিশেষ করে শিশুদের জীবনে সত্যিকারের পরিবর্তন আনতে ও দুর্দশা লাঘবে সাহায্য করবে।  কোথাও কোনো শিশুরই অপুষ্টিতে ভোগ উচিত নয়।’
    শরণার্থীদের পুষ্টিমান উন্নয়নে ইউনিসেফ একটি এলাকা ভিত্তিক তীব্র অপুষ্টি ব্যবস্থাপনা প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে যার মধ্যে রয়েছে, রেডি টু ইউস থেরাপিউটিক ফুডস ইন ট্রিটমেন্ট (আরইউটিএফ)। এই প্রকল্পটি তীব্র অপুষ্টিতে ভোগা ৬৬,০০০ পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুকে সেবা দিবে।
    শরণার্থী জনগোষ্ঠীর মধ্যে ৩৪৮,০০০ পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশু, ৩৬,০০০ গর্ভবতী নারী, ৮৪,০০০ দুগ্ধদানকারী নারী এবং ২০৪,০০০ কিশোরীর মাঝে প্রকট পুষ্টিহীনতা সনাক্ত হয়েছে। সাম্প্রতিক এই অন্ত:প্রবাহের ব্যাপকতা এবং শরণার্থীদের মধ্যে প্রচুর সংখ্যক শিশু এই সংকট সমাধানের প্রচেষ্টাকে জটিলতর করে তুলেছে।
  • বরিশাল নগরীতে স্কুল ছাত্রকে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে হত্যা

    বরিশাল নগরীতে স্কুল ছাত্রকে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে হত্যা

    বরিশালে নগরীতে সিনিয়র জুনিয়র দ্বন্দ্বে আবু সালেহ (১৬) নামে এক স্কুলছাত্রকে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষ কিশোর। রোববার রাত সাড়ে ৮টার দিকে শহরের সাগরদী শেরেবাংলা সড়কে এই ঘটনা ঘটে।

    নিহত আবু সালেহ বরশিাল নগরীর নুরিয়া হাই স্কুলের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। খবর পেয়ে বরিশাল মেট্রেপালিটন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ওসি শাহ্ মো. আওলাদ হোসেন মামুন ঘটনাস্থলে ছুটে গেছে।

    কিন্তু এর আগেই হামলাকারী একই এলাকার বাসিন্দা আতাউর রহমানের ছেলে হৃদয় পালিয়ে গেছে। বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন কোতয়ালি মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সাইদুল হক।

  • ভারতে ১শ’ টাকাতেই মেলে শিশু যৌনকর্মী!

    ভারতে ১শ’ টাকাতেই মেলে শিশু যৌনকর্মী!

    চাইল্ড পর্নোগ্রাফি বা শিশুদের দিয়ে যৌনতার যে ভিডিও তৈরি হয় তাতে ভারত বিশ্বের প্রথম তিনটি দেশের মধ্যে রয়েছে। এমনকি এই সব ভিডিও দেখার ক্ষেত্রেও ভারতের স্থান প্রথম তিন জনের মধ্যে। সম্প্রতি এক আন্তর্জাতিক জরিপে এ তথ্য পাওয়া গেছে। এহেন পরিস্থিতিতে দেশটির শিশুদের যৌন নিপীড়ন নিয়ে সামনে এল আরও এক ভয়ঙ্কর তথ্য।

    শিশুদের এই যৌন লাঞ্চনার বিরুদ্ধে সরব হওয়া এক নারী সমাজকর্মী ইন্টারনেটে change.org নামের একটি আন্তর্জাতিক সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে এই তথ্যকে সামনে এনেছেন। তাঁর দাবি, মাত্র ১০০ টাকা দিলেই ভারতের নিষিদ্ধ পল্লিতে মিলছে শিশু যৌনকর্মী। ১০ বছর থেকে ১৪-১৫ বছরের ছেলে-মেয়েদের লালসার শিকার বানানো হচ্ছে।

    এমনকি, এই শিশুদেরকে বয়সে বড় দেখাতে মোটা-তাজা করণের জন্য দেওয়া হচ্ছে হরমোন ইনজেকশন। আর এইভাবে যে সব মানুষজন শিশুদের লালসার শিকার বানাচ্ছে তাদের দলে কে নেই- রিক্সা চালক থেকে শুরু করে শ্রমিক বা সমাজের উচ্চ পদে কর্মরত পুরুষরা।

    সম্প্রতি দেশটির মহারাষ্ট্র প্রদেশে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনাকেও সকলের সামনে এনেছেন শাইনা এনসি নামে নারী সমাজকর্মী। মহারাষ্ট্র পুলিশ সম্প্রতি একটি নিষিদ্ধ পল্লিতে তল্লাশি চালিয়ে বেশকিছু যৌন কর্মীকে গ্রেপ্তার করে।

    এই দলে রতি (নাম পরিবর্তিত) নামে চৌদ্দ বছরের একটি মেয়েও ছিল। সে জানায়, নিষিদ্ধ পল্লির প্রধান মাত্র ১০০ টাকার জন্য তাকে শরীর বেচতে বাধ্য করত। দিনে অন্তত ৩০ জন গ্রাহকের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করতে হত রতিকে। এমনকি, চৌদ্দ বছরের রতি জানায় তাকে যাতে বড়দের মতো দেখতে লাগে তার জন্য হরমোন ইনজেকশনও দেওয়া হত।

    বা:মু:প্র: সিফাত

  • স্কুল ছাত্রীকে গণধর্ষন করে ভিডিও ধারন- বরিশালে ইউপি সদস্য গ্রেফতার

    স্কুল ছাত্রীকে গণধর্ষন করে ভিডিও ধারন- বরিশালে ইউপি সদস্য গ্রেফতার

    পঞ্চম শ্রেনীর এক ছাত্রীকে গণধর্ষন শেষে মারধরের পর উলঙ্গ ভিডিও ধারন করে তা ছড়িয়ে দেয়ার হুমকি দিয়ে, মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়ার ঘটনায় দায়ের করা মামলার পলাতক আসামি প্রভাবশালী ইউপি সদস্য শামীম তালুকদারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    মঙ্গলবার দিবাগত রাতে জেলার আগৈলঝাড়া উপজেলার সেরাল গ্রাম থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
    সূত্রমতে, উপজেলার রাজিহার ইউনিয়নের কান্দিরপাড় গ্রামের কুয়েত প্রবাসীর কন্যা ও স্কুল ছাত্রী (১৪) তার প্রতিবেশী চাচাতো ভাই সম্পর্কের লিমন সরদার, নয়ন হাওলাদার ও ফেরদৌস হাওলাদারের সাথে নৌকাযোগে গত ১৮ সেপ্টেম্বর দুপুরে পাশ্ববর্তী বিলে শাপলা তুলতে যায়।

    তারা চৌদ্দমেদা বিলের সেলিমের ভিটা নামকস্থানে পৌঁছলে চেঙ্গুটিয়া গ্রামের চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী মুন্না তালুকদার, প্রভাবশালী ইউপি সদস্য শামীম তালুকদার, তাদের সহযোগী মাইনউদ্দিন সরদার, মিজানুর রহমান সরদার, আকবর আলী সরদার ও মিলন হাওলাদার অন্য একটি নৌকা নিয়ে স্কুল ছাত্রীসহ তার সাথে ঘুরতে যাওয়া তিনবন্ধুকে জোরপূর্বক বিলের মধ্যের নির্জন সেলিমের ভিটার নিয়ে যায়।

    পরবর্তীতে স্কুল ছাত্রীসহ ওই তিন বন্ধুকে বেদম মারধর করে চারজনকেই উলঙ্গ করে মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারন করা হয়। পরে মাদক ব্যবসায়ীরা ওই ছাত্রীকে গণধর্ষণ করে। বিষয়টি ভিন্নখাতে নেয়ার জন্য ছাত্রীর চাচাতো ভাই নয়নকে দিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করিয়ে সেইদৃশ্যও ভিডিও ধারন করা হয়। পরবর্তীতে ওই ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেয়ার হুমকি দিয়ে তিন বন্ধু ও স্কুল ছাত্রীর পরিবারের কাছ থেকে মাদক ব্যবসায়ীরা মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়।

    মাদক ব্যবসায়ীদের মারধরে গুরুতর আহত ফেরদৌস দীর্ঘদিন ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলো। আগৈলঝাড়া থানার ওসি আব্দুর রাজ্জাক জানান, এ ঘটনায় ধর্ষিতা স্কুল ছাত্রী বাদি হয়ে গণধর্ষণ, ভিডিও ধারন ও মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগে ইউপি সদস্য শামীম তালুকদার, মুন্না তালুকদারসহ আটজনকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করেন (যার নং-১০/২৭-৯-১৭)। গত ৩০ সেপ্টেম্বর চাঞ্চল্যকর এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ওসি (তদন্ত) আব্দুর রহমান অভিযান চালিয়ে আত্মগোপনে থাকা মামলার প্রধান আসামি মুন্না তালুকদারকে ধানডোবা গ্রাম থেকে গ্রেফতার করেন।

    পরবর্তীতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) রাতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পলাতক আসামি ইউপি সদস্য শামীম তালুকদারকে সেরাল গ্রাম থেকে গ্রেফতার করেছেন। বুধবার দুপুরে গ্রেফতারকৃতকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়।
    মামলার বাদি ধর্ষিতা স্কুল ছাত্রী জানায়, মামলা প্রত্যাহারের জন্য আসামিদের স্বজনরা তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতিসহ প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছে। এ জন্য তারা চরম নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে রয়েছেন।

  • বরিশালে কলেজ ছাত্রীকে গনধর্ষনের পর হত্যা- মরদেহ গুম, আটক ১

    বরিশালে কলেজ ছাত্রীকে গনধর্ষনের পর হত্যা- মরদেহ গুম, আটক ১

    বরিশাল ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি (আইএইচটি) কলেজের ছাত্রী সাদিয়া আক্তারকে (২১) গণধর্ষণের পর হত্যা করে মরদেহ গুম করা হয়েছে।

    এ ঘটনায় সিরাজুল ইসলাম (২৫) নামের এক যুবককে পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। হত্যার পর সাদিয়ার মরদেহ খালে ফেলে দেয় প্রেমিক ও তার সহযোগীরা। সাদিয়ার মরদেহ উদ্ধারে রোববার মঠবাড়িয়ার বিভিন্ন এলাকায় সিরাজুলকে নিয়ে তল্লাশি চালায় পুলিশ। তবে বিকেল পর্যন্ত ওই শিক্ষার্থীর মরদেহের সন্ধান মেলেনি।

    সাদিয়া বরিশাল ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি কলেজের প্যাথলজি বিভাগের শেষ বর্ষের ছাত্রী এবং বরিশাল নগরীর ডেফুলিয়া খান বাড়ির আলমগীর হোসেন খানের মেয়ে। গ্রেফতার সিরাজুল মঠবাড়িয়ার খেজুরবাড়িয়া গ্রামের ইব্রাহীম হাওলাদারের ছেলে। বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের এসআই আব্দুল ওহাব জানান, গত ২০ নভেম্বর সাদিয়া নগরীর বাসা থেকে কলেজের উদ্দেশে বের হয়ে নিখোঁজ হন।

    এ ঘটনায় সাদিয়ার বাবা ২২ নভেম্বর কোতোয়ালি মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। জিডির সূত্র ধরে এবং ওই ছাত্রীর মোবাইল নাম্বার ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের তথ্যের ভিত্তিতে গত শনিবার মঠবাড়িয়া থানা পুলিশ সিরাজুল ইসলামকে গ্রেফতার করে।

    মঠবাড়িয়া থানা পুলিশের ওসি কেএম তারিকুল ইসলাম জানান, জিজ্ঞাসাবাদে সিরাজ স্বীকার করেছেন ঘটনার ১৫ দিন আগে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ওই ছাত্রীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিয়ের কথা বলে গত ২০ নভেম্বর ওই ছাত্রীকে বরিশাল থেকে মঠবাড়িয়ায় এনে সহযোগীদের নিয়ে একাধিকার ধর্ষণ করা হয়।

    পরে ধর্ষণের বিষয়টি ওই ছাত্রী ফাঁস করার হুমকি দেয়ায় তাকে হত্যা করে মরদেহ খালে ফেলে দেয়া হয়। এখন পর্যন্ত নিহত ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করা যায়নি। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান চলছে। তবে গ্রেফতার সিরাজ উল্টাপাল্টা তথ্য দিচ্ছে। একেক বার একেক কথা বলছে। আবার বলে মরদেহ কোথায় জানে না।

    বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের এসআই আব্দুল ওহাব জানান, রোববার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত সাদিয়ার মরদেহ উদ্ধারে বিভিন্ন এলাকায় তল্লাশি চালানো হয়। তবে তার মরদেহ পাওয়া যায়নি। তল্লাশি অব্যাহত রয়েছে। তবে মরদেহ উদ্ধার কাজে ব্যাঘাত ঘটাতে সিরাজুল পুলিশকে বিভ্রান্তকর তথ্য দিয়ে হয়রানি করে যাচ্ছে।

  • ‘অশ্লীল’ শব্দ ব্যবহারের অভিযোগে নগ্ন করা হলো ৮৮ ছাত্রীকে

    ‘অশ্লীল’ শব্দ ব্যবহারের অভিযোগে নগ্ন করা হলো ৮৮ ছাত্রীকে

    প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ‘অশ্লীল’ শব্দ লিখেছিল স্কুলের কোনো এক ছাত্রী। কিন্তু তার খোঁজ না পেয়ে অশ্লীল শব্দ লেখার অপরাধে নগ্ন করা হলো স্কুলের ৮৮ জন ছাত্রীকে।

    সম্প্রতি ভারতের অরুণাচল প্রদেশের পাপুম পারা জেলার কস্তুরবা গান্ধী বালিকা বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই গোটা এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

    জি নিউজের খবর, ‘অভিযুক্তকে’ খুঁজে বের করতে ক্লাস সিক্স এবং সেভেনের ৮৮ জন ছাত্রীকে পোশাক খুলে শাস্তি দেওয়া হয়। গান্ধী বালিকা বিদ্যালয়েরই ৩ শিক্ষক ওই এ কাজ করেন বলে অভিযোগ।

    খবরে বলা হয়, গত ২৩ নভেম্বর ওই ঘটনা ঘটলেও তা প্রকাশ্যে আসে ২৭ নভেম্বর। জানা যায়, ২৭ নভেম্বর অল সাগলি স্টুডেন্ট ইউনিয়নে অভিযোগ দায়ের করে ৮৮ জন ছাত্রী। এরপরই বিষয়টি নিয়ে হইচই শুরু হয়। প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ‘অশ্লীল’ শব্দ প্রয়োগ করা হয়েছে সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই শালীনতার মাত্রা ছাড়িয়ে গিয়ে শাস্তির এমন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন স্কুলের দুই সহকারী শিক্ষক ও এক জুনিয়র শিক্ষক।

    পুলিশ জানিয়েছে, শিক্ষার্থী এবনং তাদের অভিভাবকদের অভিযোগের ভিত্তিতে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে গান্ধী বালিকা বিদ্যালকের ৩ শিক্ষককে।

    তদন্ত করেই যাবতীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

  • দুই দিনের শিশুর হাত থেকে রক্ত নেয়ায় শেবাচিমে ধোলাইয়ের শিকার দালাল- আটক

    দুই দিনের শিশুর হাত থেকে রক্ত নেয়ায় শেবাচিমে ধোলাইয়ের শিকার দালাল- আটক

    তানজিল শুভ

    দুই দিন বয়সের শিশুর হাত থেকে রক্ত নিয়ে পরীক্ষা করানোর অযুহাতে টাকা হাতিয়ে নেয়ার চেষ্টাকালে এক ব্যক্তিকে ধোলাই দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে স্বজনরা। রোববার দুপুরে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের নবজাতক শিশু ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে। তবে ওই পরীক্ষা এবং শিশুর হাত থেকে রক্ত নেয়ার বিষয়ে ওয়ার্ডের দায়িত্বরত সেবিকারা কিছুই জানেন না বলে দাবী করেছেন।

    শিশুটির পিতা বরগুনা জেলার বেতাগী উপজেলার কালিকাবাড়ী এলাকার বাসিন্দা মোশারেফ হোসেন জানান, তার স্ত্রী খাদিজা বেগম বেশ কয়েকদিন পূর্বে বাচ্চা প্রসবের কারনে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। গত ২৪ নভেম্বর তাদের একটি কন্যা সন্তানের জন্ম হয়। তবে তাকে শারিরীক কারনে নবজাতক শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। তিনি জানান, মায়ের শারিরীক অবস্থা এখনো ভালো না হওয়া শিশুর পাশে তাদের অন্য মহিলা স্বজনরা রয়েছে।

    আজ বেলা সাড়ে ১২ টার দিকে এক যুবক এসে ওই স্বজনদের হঠাৎ করেই বলে চিকিৎসক কিছু পরীক্ষা দিয়েছে রক্ত লাগবে।  এ কথা শুনে স্বজনরা আমাকে বিষয়টি জানালে সন্তানের কাছ গিয়ে দেখি তার হাতে সিরিন্স ঢুকিয়ে অনেকটা রক্ত নিয়ে নিয়েছে ওই লোক। পরবর্তীতে তাকে এর কারন জানতে চাইলে কোন সদ উত্তর না দিয়ে পরীক্ষার জন্য ৩ হাজার টাকা দাবী করেন। এরপর কিসের পরীক্ষা জানতে চিকিৎসক ও সেবিকাদের কাছে জানতে গেলে তারাও কিছু জানেন না বলে জানান।

    এরপর ওই লোকের পরিচয় জানতে চাইলে সে নিজের নাম সুজন ও ডি ল্যাব নামক ডায়গনষ্টিক সেন্টারের লোক বলে দাবী করে। ডি ল্যাবের একটি কাগজও দেখায় সে। কিন্তু পরীক্ষার-নিরীক্ষার বিষয়ে কোন সদউত্তর বা চিকিৎসকের পরামর্শপত্র দিতে না পারলে অণ্য রোগীর স্বজনরা ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে মারধর করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। এ বিষয়ে কোতোয়ালি থানার এসআই মামুন জানান, তারা ডি ল্যাবের পরিচয়দানকারী সুজন নামের ওই ব্যক্তিকে আটক করেছেন। সে মুলত রোগীর দালাল। আর ভুক্তভোগী শিশুর বাবা একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

  • সার্বজনীন শিশু দিবসে বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন, বরিশাল আঞ্চলিক শাখার উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়

    সার্বজনীন শিশু দিবসে বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন, বরিশাল আঞ্চলিক শাখার উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়

    নুরই মাহাবুব

    সার্বজনীন শিশু দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন, বরিশাল আঞ্চলিক শাখার উদ্যোগে আজ ২০ নভেম্বর সন্ধ্যা ৬ টায় জমজম নার্সিং ইন্সটিটিউটের সভাকক্ষে বিশেষ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন,বরিশাল আঞ্চলিক শাখার সভাপতি জনাব আনোয়ার হোসাইনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন সরকারি ব্রজমোহন কলেজের সদ্য সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর স ম ইমানুল হাকিম,বিশিষ্ট সমাজসেবক, বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনের বরিশাল জেলা শাখার সভাপতি জনাব মাহমুদুল হক খান মামুন,বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন বরিশাল আঞ্চলিক শাখার নির্বাহী সভাপতি ড.বাহাউদ্দিন গোলাপ এবং সমাজ সেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক জনাব মনজুর আলম ডালিমি।এছাড়াও বক্তব্য রাখেন জনাব মনিরুল ইসলাম,বাবলু মিয়া,জুয়েল মাহমুদ, সাইফুল ইসলাম, মো:কবির,লোকমান হোসেন,নজরুল হোসেন এবং আরহাম সাইদ।

    বক্তাগন বলেন যে, শিশুর অধিকার সুরক্ষায় বাংলাদেশ সরকার জাতীয় শিশু নীতিমালা ২০১১, শিশু আইন ২০১৩, জাতীয় শিক্ষা নীতিমালা ২০১০ এবং জাতীয় শিশু শ্রম নিরোধ নীতিমালা ২০১০ প্রনয়নসহ বিভিন্ন প্রশংসণীয় উদ্যোগ নিয়েছে। ফলে দেশে শিশু শিক্ষার হার বেড়েছে, কমেছে শিশু মৃত্যহার, স্কুলে শারীরিক শাস্তি অবৈধ করা গেছে। তাদের স্কুলে ধরে রাখার জন্য উদ্যোগ দরকার। কোন কোন ক্ষেত্রে সরকারের উদ্যোগ আছে, আরো ব্যাপকভাবে নিতে হবে।শিশু মৃত্যুহার কমানোর ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সফল। তবে পানিতে ডুবে, দুর্ঘটনায়, হত্যা ও ধর্ষণের শিকার হয়ে অনেক শিশু অকালে ঝড়ে যাচ্ছে। এ ধরণের শিশুমৃত্যু শিশু সুরক্ষার পথে চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেক করে বক্তাগন বলেন, আইনের প্রয়োগ সাথে সাথে হলেই শিশু হত্যার মতো ঘটনাগুলো কমবে। পাশাপাশি শিশু অধিকার সম্পর্কে সচেতন থাকা, শিশু আইন বিষয়ে জনগণকে জানানো। রাজন-রাকিবসহ সাম্প্রতিক শিশু হত্যা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, হত্যাকারীরা মনে করে, এভাবে হত্যা করলে কিছু হয় না।

    এই ধারণাগুলো ভাঙতে হবে। বক্তাগন শিশুদের জন্য পৃথক কমিশন গঠনের সুপারিশ করে বলেন, দেশের ৪৫ শতাংশ জনগোষ্ঠীর (শিশু) দেখাশুনার জন্য মহিলা ও শিশু মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি মাত্র ডেস্ক আছে। মাঠ পর্যায়ে কোন কর্মকর্তা নেই। দেশের মোট জনগোষ্ঠীর ৪৫ শতাংশ শিশু। এই বিশাল সংখ্যক শিশুর দেখভালের দায়িত্ব রয়েছে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপর। এই মন্ত্রণালয়ের অধীনে নারী উন্নয়নে কর্মকান্ড পরিচালনার জন্য মহিলা অধিদপ্তর থাকলেও শিশুদের জন্য সেরকম কোন ব্যবস্থা নেই। ফলে শিশুরা যথাযথ মনোযোগ ও গুরুত্ব পাচ্ছে না। তাই শিশুদের জন্য পৃথক অধিদপ্তর এখন সময়ের দাবি। সভাটি পরিচালনা করেন বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন, বরিশাল আঞ্চলিক শাখার সহ-সভাপতি জনাব সাজ্জাদুল হক।

  • মাথা ন্যাড়ার শর্তে এসএসসির ফরম পূরণ!

    মাথা ন্যাড়ার শর্তে এসএসসির ফরম পূরণ!

    মাথা ন্যাড়া করার শর্তে টেস্ট পরীক্ষায় অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের এসএসসির ফরম পূরণ করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে।

    চাঁদপুর আল আমিন একাডেমি স্কুলে প্রায় ৩০০ শিক্ষার্থী এক বা একাধিক বিষয়ে অকৃতকার্য হলে পুনরায় পরীক্ষা নিলেও ফল ঘোষণা না করে মাথা ন্যাড়া করার শর্তে ২০১৮ সালে এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণ করা হচ্ছে। ন্যাড়া করার ব্যাপারে মুখ খুললে শিক্ষার্থীদের স্কুল থেকে বহিষ্কারের হুমকি দেয়া হয়েছে।
    অভিযুক্ত শিক্ষক পি এম এম জামাল হোসেন এমন নির্দেশের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তারা নিজেরাই চুল কেটেছে।
    চাঁদপুর শহরের প্রাণকেন্দ্রে আল আমিন একাডেমীতে ২০১৮ সালে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে ইচ্ছুক প্রায় চারশ শিক্ষার্থীর মধ্যে টেস্ট পরীক্ষায় ৯১ জন কৃতকার্য হয়। বাকি প্রায় তিনশ শিক্ষার্থী এক বা একাধিক বিষয়ে অকৃতকার্য হয়। পরে তাদের অকৃতকার্য বিষয়ে পুনরায় পরীক্ষা নিলেও ফলাফল ঘোষণা করেনি কর্তৃপক্ষ। ফলাফল ঘোষণা না করে অতিরিক্ত টাকার বিনিময়ে ফরম পূরণ করা হচ্ছে এমনটাই অভিযোগ আবুল বাসার নামের এক অভিভাবকের। এমন প্রচুর অভিযোগ রয়েছে প্রাইভেট না পড়াতে অনেক শিক্ষার্থীকে অকৃতকার্য দেখানো হয়েছে। এমনকি ফরম পূরণে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের কৌশলও বলছেন কেউ কেউ।
    অপরদিকে ইংরেজি শিক্ষক জামাল স্যারের নির্দেশে ১৯ জন শিক্ষার্থী মাথা ন্যাড়া করতে বাধ্য হয়েছে। শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা এমন শর্ত দেয়ায় প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে যোগাযোগ করে। কিন্তু তিনি এ সিদ্ধান্তকে চূড়ান্ত ও কার্যকর করার নির্দেশ দেন। শিক্ষার্থীরা বাধ্য হয় তাদের মাথা ন্যাড়া করতে। এমন ঘটনায় অভিভাবকদের মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে।
    সূত্র : মানবজমিন

  • আশুলিয়ায় চুরির অপবাদে শিশুকে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ

    আশুলিয়ায় চুরির অপবাদে শিশুকে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ

    আশুলিয়ায় মাছ চুরির অপবাদে এক শিশুর হাত-পা ও চোখ বেঁধে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। এঘটনায় ভুক্তভোগী ওই শিশুটিকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

    নির্যাতিত সেই শিশুর নাম মোঃ ফুয়াদ হাসান (১০)।

    শনিবার দুপুরে আশুলিয়ার ঘোষবাগ এলাকায় এ শিশু নির্যাতনের ঘটনা ঘটে। ফুয়াদ রংপুর জেলার মিঠাপুকুর থানার বজ্রপুকুর গ্রামের মোঃ দেলোয়ার হোসেনের ছেলে। ফুয়াদ বাবা-মায়ের সাথে ঘোষবাগ এলাকার হক সাহেবের বাড়িতে ভাড়া থেকে স্থানীয় শেরে বাংলা মডেল হাইস্কুলের ২য় শ্রেনীর ছাত্র।

    ভুক্তভোগী শিশু ফুয়াদ জানায়, শনিবার দুপুরে সে বাড়ির পাশের তৈয়বপুর খালের ধারে খেলতে যায়। একপর্যায়ে কয়েকজন বন্ধু মিলে ওই খাল থেকে তিনটা কই মাছ ধরে। এসময় ওই খালের সাথে থাকা মাছের  হাসেন আলী ছেলে খামারের মালিক আনসার আলী ও রফিজ উদ্দিনের ছেলে জলিল মিয়ার মাছ চুরির অপবাদ দিয়ে তাকে আটক করে। পরে নাইলনের রশি দিয়ে তার হাত-পা বেধে কাচা কঞ্চি দিয়ে স্বীকারোক্তি আদায়ের জন্য পিটাতে থাকে জলিল ও তার লোকজন। একপর্যায়ে তার হাত-পা বাধা অবস্থায় প্লাষ্টিকের বস্তা দিয়ে তার মাথাটিও ঢেকে দেয় নির্যাতনকারীরা।

    টানা তিন ঘন্টা মারধরের পর বিকেলের দিকে সে তার এক বন্ধুর সহায়তায় ব্লেড দিয়ে হাত-পায়ের বাঁধন কেটে পালিয়ে আসে।

    শিশুটির মা রোকেয়া ভানু বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, আমি পেটের দায়ে জিরাবো এলাকার ফাইভ এ্যাপারেলস কারখানায় চাকুরী করি এবং ওর বাবা রাজমিস্ত্রীর জোগালি কাজ করে। ছেলেটি সারাদিন বাসায় একা থাকে। রাতে বাসায় এসে জানতে পারি মাছ চুরির অপবাদে আমার ছেলেকে বেধরক পিটিয়ে আহত করেছে আনসার ও জলিল। বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে নির্যাতনকারীরা ভয়ভিতি প্রদর্শনসহ বিভিন্নভাবে আমাদেরকে হুমকি দিচ্ছে।

    তিনি আরও বলেন, ক্ষমতার জোরে যারা আমার ছেলেকে মিথ্যা মাছ চুরির অপবাদে নির্যাতন করেছে আমি তার উপযুক্ত বিচার চাই।

    মারধরের বিষয়ে জানতে চাইলে মৎস খামারের অপর একজন মালিক আব্দুল  গনি মিয়া বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ফুয়াদসহ কয়েকজন ছেলে মিলে প্রতিদিন খামারের মাছ চুরি করে। তারা রাতের আধারে কারেন্টজাল দিয়ে মাছ মেরে নিয়ে যায়। আজকে ওদের একজনকে ধরে সামান্য মারধর করে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।

    এব্যাপারে আশুলিয়া থানার ওসি আব্দুল আউয়াল বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, একটি শিশুকে নির্যাতনের বিষয়ে অভিযোগ পাওয়া পর ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।