Category: নারী ও শিশু

  • শিশুদের স্বাধীনভাবে চলার সুযোগ দিতে হবে

    শিশুদের স্বাধীনভাবে চলার সুযোগ দিতে হবে

    শিশুদের পরিপূর্ণ বিকাশের জন্য তাদেরকে স্বাধীনভাবে চলার সুযোগ দিতে হবে বলে জানিয়েছেন সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নুর। শনিবার  নীলফামারীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্ত্বরে স্থানীয় সংগঠন ভিশন-২০২১ আয়োজিত ক্ষুদে শিল্পীদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা জানান তিনি।

    আসাদুজ্জামান নুর বলেন, ‘আমাদের অভিভাবকরা চায় বাচ্চারা প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় স্থান অধিকার করুক। কিন্তু কোনো প্রতিযোগিতায় বাচ্চারা এক, দুই, তিন, চারের মধ্যে থাকলো কি-না সেটি বিবেচ্য বিষয় না। প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে তাদের মধ্যে চেতনা জাগ্রত করার বিষয়টি বড়।

    ভিশন-২০২১-র প্রধান সমন্বয়কারী ওয়াদুদ রহমানের সভাপতিত্বে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগের শিক্ষক হারুন আর রশিদ, জেলা প্রশাসক খালেদ রহীম, নীলফামারী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ দেবীপ্রসাদ রায়, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবুজার রহমান, রবীন্দ্রসঙ্গীত সম্মেলন পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি আমিনুল হক, জাতীয় রবীন্দ্রসঙ্গীত সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির সদস্য সচিব ডা. মজিবুল হাসান চৌধুরী, মশিউর রহমান ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ সরোয়ার মানিক প্রমুখ।

  • শিবগঞ্জে ৬ বছরের শিশুকে ধর্ষণ, আটক ১

    শিবগঞ্জে ৬ বছরের শিশুকে ধর্ষণ, আটক ১

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে ডেকে নিয়ে ৬ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে একজনকে আটক করেছে পুলিশ।

    শুক্রবার রাতে উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়নের বিশ্বনাথপুর খলিফাটোলা এলাকায় একই গ্রামের আবদুর রশিদের ছেলে জসিম (১৩) ওই শিশুকে স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্যের নির্মাণাধীন একটি বাড়িতে সুকৌশলে ডেকে নিয়ে যায়। পরে সেখানে শিশুটিকে ধর্ষণ করে।

    এ ব্যাপারে শিবগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) কামরুজ্জামান জানান, ধর্ষণের ঘটনায় মামলা করা হয়েছে। ধর্ষককে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

  • ভারতে ৮ মাসের শিশুকে ধর্ষণ করল আত্মীয়!

    ভারতে ৮ মাসের শিশুকে ধর্ষণ করল আত্মীয়!

    ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে ধর্ষণ নামক ভয়ানক ব্যধির কবল থেকে রক্ষা পেল না ৮ মাসের শিশুটিও। ২৮ বছর বয়সী এক নিকট আত্মীয়ের এই নির্মমতার শিকার হয়ে এখন দিল্লির একটি হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে শিশুটি।

    ভারতীয় গণমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে শিশুটির মা একজন বেবি সিটার। শিশুটি যখন ধর্ষণের শিকার হয় তিনি তখন নিজ কাজে ছিলেন। শিশুটির ওই নিকটাত্মীয় এ ফাঁকে শিশুটিকে নিয়ে খেলাধুলার ছলে তাকে ধর্ষণ করে।

    এদিকে টাইমস নাও স্থানীয় পুলিশের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, রবিবার ঘটনাটি ঘটলেও স্থানীয় গণমাধ্যমে প্রকাশের পর সোমবার তা প্রকাশ্যে আসে। এ ঘটনায় জড়িত ২৮ বছরের ওই যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    ঘটনার পরই দিল্লি নারী কমিশনের প্রধান স্বাতি মালওয়াল হাসপাতালে শিশুটিকে দেখতে আসেন।

    পরে তিনি এক টুইটে জানান, হাসপাতালে শিশুটির তিন ঘণ্টায় অস্ত্রোপচার করা হয়েছে। তার গোপনাঙ্গ ভয়ংকর ক্ষতি হয়েছে। জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে সে এখন নিবিড় পরিচর্চা কেন্দ্রে (আইসিইউ) আছে।

    টুইটে স্বাতি আরও লিখেছেন- ‘কী করো, দিল্লিতে আজ যখন আট মাসের একটি মেয়ে ধর্ষণের শিকার হয়, তখন মানুষ ঘুমায় কী করে?

  • পাকিস্তানে শিশু পর্নোগ্রাফি চক্রের মূল হোতা মন্ত্রীরা

    পাকিস্তানে শিশু পর্নোগ্রাফি চক্রের মূল হোতা মন্ত্রীরা

    পাকিস্তানে শিশু পর্নোগ্রাফি চক্রের মূল হোতা দেশটির পাঞ্জাব প্রদেশের এক মন্ত্রী। সঙ্গে রয়েছেন আরও কয়েকজন প্রভাবশালী নেতা ও কর্মকর্তা। সম্প্রতি দেশটির কাসুর শহরে ৬ বছর বয়সী শিশু জয়নাবকে ধর্ষণ এবং হত্যাকাণ্ডেও ওই চক্র দায়ী বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    শিশু জয়নাবকে ধর্ষণ এবং হত্যায় জড়িত সন্দেহে আটক মোহাম্মদ ইমরান আলি ওই মন্ত্রীর অপরাধচক্রের অন্যতম সহযোগী।

    বৃহস্পতিবার পাকিস্তান সুপ্রিমকোর্টে এমন সব চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ পেয়েছে। কিন্তু কে সেই মন্ত্রী বা কারা তার সহযোগী, তাদের পরিচয় প্রকাশ করেননি সুপ্রিমকোর্ট।

    পাকিস্তানের টিভি উপস্থাপক ড. শহিদ মাসুদ দাবি করেন, জয়নাব হত্যার প্রধান সন্দেহভাজন ইমরান পাকিস্তানের একজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীসহ প্রভাবশালী এক গোষ্ঠীর সমর্থনপুষ্ট। সরকারিমহলের কোনো নেতার বিরুদ্ধে এমন গুমর ফাঁস করে দেয়ায় জীবন সংশয়ে রয়েছেন ড. শহিদ। এমনকি তার আশঙ্কা, পুলিশি হেফাজতে থাকা অবস্থাতেই ইমরানকে হত্যা করা হতে পারে।

    উল্লেখ্য, গত ৪ জানুয়ারি কোরআন ক্লাস শেষে বাসায় ফেরার পথে পাঞ্জাবের কাসুর শহর থেকে জয়নাবকে অপহরণ করা হয়। সেসময় বাবা-মা ওমরাহ পালন করতে সৌদি আরবে থাকায় খালার কাছে ছিল সে। ৯ জানুয়ারি শাহবাজ খান রোডে আবর্জনার স্তূপ থেকে জয়নাবের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

  • আনসার সদস্যের অবহেলায় সেফ হোম থেকে ৭ কিশোরীর পলায়ন!

    আনসার সদস্যের অবহেলায় সেফ হোম থেকে ৭ কিশোরীর পলায়ন!

    চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার ফরহাদাবাদ ইউনিয়নে মহিলা ও শিশু-কিশোরী হেফাজতিদের নিরাপদ আবাসন কেন্দ্র (সেফ হোম) থেকে সাত কিশোরী দায়িত্বরত আনসার সদস্যদের অবহেলায় পালাতে সক্ষম হয়েছে। সাত কিশোরীর পালানোর ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় দায়িত্বে অবহেলার কথা উল্লেখ করে একটি প্রতিবেদন দেন।

    জানা যায়, সমাজসেবা অধিদপ্তর পরিচালিত চট্টগ্রাম বিভাগের একমাত্র নিরাপদ আবাসন কেন্দ্র (সেফ হোম) থেকে গত মঙ্গলবার রাতে খাবার কক্ষের পেছনের গ্রিল ভেঙ্গে সাত কিশোরী পালিয়ে যায়। এ ঘটনার পর সমাজ সেবা অধিদপ্তর চট্টগ্রামের বিভাগীয় পরিচালক ড. নাজনীন কাউসার চৌধুরীকে প্রধান, অতিরিক্ত পরিচালক বন্দনা দাশ ও উপ-পরিচালক শহীদুল ইসলামকে সদস্য করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। কমিটি ‘ঘটনার দিন কর্তব্যরত আনসার সদস্যের অবহেলার কারণেই কিশোরীরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে’ বলে উল্লেখ করে বৃহষ্পতিবার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে।

    সমাজ সেবা অধিদপ্তর চট্টগ্রামের বিভাগীয় পরিচালক ড. নাজনীন কাউসার চৌধুরী বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে দায়িত্বরত আনসার সদস্যের অবহেলার বিষয়টি উঠে আসে। তদন্ত কমিটি পর্যালোচনা করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি।’

    চট্টগ্রাম জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (উত্তর) মশিউর দৌলা রেজা বলেন, ‘পালিয়ে যাওয়া কিশোরীদের এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। তাদের উদ্ধারে হাটহাজারী থানা পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।’

    জেলা সমাজ সেবা অফিস সূত্রে জানা যায়, নিখোঁজ থাকা কিশোরীরা হলেন- ময়না, জান্নাতী, আরিফা ইসলাম, তুহিন আকতার, লিজা আকতার, দিলরুবা সিদ্দিকা পাখি ও লিজা মণি। পালিয়ে যাওয়া সুমাইয়া (১৯) নামের এক তরুণীকে গত বুধবার সকালে স্থানীয় নুর আলী মিয়ার হাট থেকে জনতা আটক করে সেফ হোমের কর্মকর্তাদের কাছে হস্তান্তর করে। প্রথমে আটজন পালালোও এখনো নিঁখোজ আছে সাতজন। পালানো কিশোরীদের বাড়ি কক্সবাজার, নোয়াখালী ও কুমিল্লায়। এদের বয়স ১২ থেকে ১৭ এর মধ্যে। বিভিন্ন মামলার ভুক্তভোগী হিসেবে আদালতের নির্দেশে তারা এ সেফ হোমে ছিল। বর্তমানে এখানে মোট ৫৬ জন হেফাজতি মহিলা ও শিশু ছিল।

    জানা যায়, তদন্ত কমিটির সদস্যরা গতকাল সরেজমিনে ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করে। নিরাপদ হেফাজতিদের পালানোর বিষয়টি তদন্ত করে একটি প্রতিবেদন তৈরি করে গতকাল ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের বরাবারে প্রেরণ করেন। প্রতিবেদনে প্রাথমিকভাবে ঘটনার দিন সেফ হোমে দায়িত্বরত আনসার সদস্যের অবহেলাকে দায়ী করা করা হয়েছে। ঘটনার সময় কর্তব্যরত আনসার সদস্য সেফ হোমে উপস্থিত ছিল না বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। এ কারণেই হেফাজতি কিশোরীরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে বলে জানায় তদন্ত কমিটি।

    অভিযোগ উঠেছে, ঘটনার দিন রাত ২টা পর্যন্ত একজন আনসার সদস্য ডিউটিতে ছিলেন। ডিউটি শেষে তিনি ঘুমিয়ে পড়েন। রাত ২টা থেকে যে আনসার সদস্যের ডিউটি ছিল তিনি কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন। এ সময় হেফাজতিরা কেন্দ্রের রান্না ঘরের পেছনের জানালার লোহার গ্রিল ধাক্কা দিয়ে সহজে ভেঙ্গে পালিয়ে যায়। গ্রিলটি মরিচা ধরে নড়বড়ে হয়ে গিয়েছিল।

  • গণধর্ষণের শিকার ৮ বছরের শিশু, আটক ৫

    গণধর্ষণের শিকার ৮ বছরের শিশু, আটক ৫

    ভারতে ধর্ষণ যেন বেড়েই চলেছে। বিশেষ করে শিশুদের ওপর ধর্ষণ, যৌন নির্যাতনের ঘটনা কিছুতেই রোধ করতে পারছে না দেশটির পুলিশ প্রশাসন। কারণ এবার পুনেতে ১৯ বছরের তরুণ ও পাঁচজন কিশোর মিলে এক আট বছরের শিশুকে গণধর্ষণের ঘটনা।

    ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে যখন ওই শিশুটি তার মাকে জানায় পেটের নীচে তার ব্যাথা করছে। শিশুটির অভিভাবক তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে বিষয়টি জানতে পারে সকলে। চিকিৎসকরা শিশুটিকে পরীক্ষা করার তার বাবাকে জানায় যে শিশুটিকে ধর্ষণ করা হয়েছে। শিশুটিকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে সে ৬ জন অভিযুক্তের নাম জানায়। চিকিৎসকদের পরামর্শেই শিশুটির অভিভাবক পুলিশের দ্বারস্থ হয়।

    শিশুটির ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের হওয়ার পরই ১২ থেকে ১৯ বছর বয়সী অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত এবং আক্রান্ত শিশু একই ফ্ল্যাটের বাসিন্দা এবং একই স্কুলে পড়াশোনা করে তারা।

    শিশুটি জানায়, তাকে চকলেটের লোভ দেখিয়ে অভিযুক্তরা তাকে ফ্ল্যাটের ছাদে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে। চলতি বছরের আগস্ট মাস থেকে শিশুটিকে ধর্ষণ করা হচ্ছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৭৬ ধারা এবং পকসো আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে। ৫ কিশোরকে পাঠানো হয়েছে জুভেনাইল হোমে এবং ১৯ বছরের তরুণকে আদালতে পেশ করা হয় শুক্রবার।

  • শিশু হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হয়েছে : আইনমন্ত্রী

    শিশু হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হয়েছে : আইনমন্ত্রী

    আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, শিশু হত্যা ও সহিংসতার সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হয়েছে, এ ধারা অব্যাহত থাকবে।

    তিনি বলেন, নারী ও শিশু নির্যাতন মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে বিদ্যমান ৫৪টি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পাশাপাশি আরো ৪১টি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল স্থাপন করা হয়েছে।

    মন্ত্রী  রাজধানীর আগারগাঁও-এ ন্যাশনাল চিলড্রেন’স টাস্কফোর্স আয়োজিত ‘চাইল্ড পার্লামেন্ট অধিবেশন-২০১৭’ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন।

    মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার ৩৯ দশমিক ৭ শতাংশই শিশু। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা এবং আমাদের রূপকল্প ও কৌশলগত পরিকল্পনার লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে হলে এদেরকে আমাদের কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রে রাখতে হবে। সে লক্ষ্যে সরকার সব শিশুর জন্য নিরাপদ আবাস, মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষা নিশ্চিত করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

    জাতীয় এবং স্থানীয় পর্যায়ে শিশু সুরক্ষা ব্যবস্থাকে কার্যকর ও শক্তিশালী করতে বাজেট বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে উল্লেখ করে
    আইনমন্ত্রী বলেন, চলতি অর্থ বছরে ১৩টি মন্ত্রণালয় বা বিভাগের অনুকূলে ৫৬ হাজার কোটি টাকার শিশু কেন্দ্রিক বাজেট বরাদ্দ রাখা হয়েছে যা বিগত ২০১৬-২০১৭ অর্থ বছরের চেয়ে ১৪ দশমিক ৮ শতাংশ বেশি।

    প্রধানমন্ত্রীকে বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার লিগ্যাল নোটিশ প্রেরণ প্রসঙ্গে আইন মন্ত্রী বলেন, লিগ্যাল নোটিশ হচ্ছে একটি আইনি প্রক্রিয়া তাই আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই এর জবাব দেওয়া হবে।

    ‘শিশুর প্রতি সহিংসতা বন্ধ করি’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে চাইল্ড পার্লামেন্টের ১৫তম অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি বলেন, শিশুদেরকে সমতা এবং বৈষম্যহীন পরিবেশে যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার ওপর নির্ভর করছে আমাদের সমৃদ্ধ ভবিষ্যত। তাই শিশু অধিকার আইন বাস্তবায়নে ও শিশু অধিকার নিশ্চিত করতে যা যা করা প্রয়োজন সরকার তার সবই করছে।

    তিনি বলেন, শিশু অধিকার রক্ষা সংক্রান্ত দুটি চুক্তি যথা, শিশু অধিকার সংক্রান্ত জাতিসংঘ কনভেনশন (ইউএনসিআরসি) এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার বিষয়ক কনভেনশন (সিআরপিডি) এর অনুস্বাক্ষরকারী প্রথম কয়েকটি দেশের অন্যতম হলো বাংলাদেশ।

    শিশুদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সরকার যে ধরনের পদক্ষেপ, পরিকল্পনা ও কর্মসূচি নেওয়া প্রয়োজন তা নেওয়া হয়েছে এবং হচ্ছে।

    মন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে শিশু সংক্রান্ত বিভিন্ন আইন, বিধি ও নীতি প্রণয়ন করা হয়েছে এবং শিশুর প্রতি সহিংসতা দমন বিষয়ক আইনগুলোকে আরও বেশি কার্যকর করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

    অধিবেশনে দেশের ৬৪টি জেলার চাইল্ড পার্লামেন্টারিয়ানবৃন্দ এবং সেভ দ্য চিলড্রেন বাংলাদেশ, প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ শিশু একাডেমিসহ সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • মায়ের কোল থেকে পড়ে শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় থানায় মামলা

    মায়ের কোল থেকে পড়ে শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় থানায় মামলা

    রাজধানীর দয়াগঞ্জ এলাকায় সোমবার ছিনতাইকারীর থাবাতে মায়ের কোল থেকে রাজপথে পড়ে ছয় মাসের শিশু আরাফাতের মৃত্যুর ঘটনায় যাত্রাবাড়ী থানায় হত্যা মামলা হয়েছে। সেই মামলার আসামি ছিনতাইকারীকে ধরতে পুলিশের তিনটি টিম মাঠে নেমেছে।

    দফায় দফায় অভিযান চালানো হচ্ছে দয়াগঞ্জের নামা পাড়া বস্তিতে। গতকাল বস্তিটিতে গিয়ে দেখা গেছে আতংক বিরাজ করছে। তবে বস্তিবাসী পুলিশের এই ভূমিকায় খুশি। তারা বলেন, সব সময় পুলিশের এমন অভিযান চললে এ বস্তিটি ছিনতাইকারী ও মাদকমুক্ত হতে পারতো।

    এ ঘটনায় দায়িত্ব অবহেলার কারণে একজন এএসআইকে সাসপেন্ড করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। তবে পুলিশের কেউ বিষয়টি স্বীকার করতে চাইছেন না। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডিএমপির গণমাধ্যম শাখার উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মাসুদুর রহমান গতকাল রাতে বলেন, এ ধরনের ঘটনা আমরা জানা নেই।

    শরিয়তপুরের শাহ আলম তার স্ত্রী আকলিমা, বড় ছেলে আলামিন (৪) ও ছয় মাসের ছেলে আরাফাতকে নিয়ে গত রবিবার রাতে শরিয়তপুর থেকে লঞ্চ যোগে ঢাকার পথে রওয়ানা হন। সোমবার ভোর ৫টার দিকে সদরঘাটে নেমে শনির আখড়ায় যাওয়ার জন্য একটি রিক্সা নেন।

    আরাফাতকে কোলে নিয়ে রিকশার বাম দিকে বসেন আকলিমা। ডানদিকে আলামিনকে নিয়ে বসেন শাহ আলম। তাদের ছেলে আলামিন অসুস্থ। তাকে চিকিৎসা করাতেই তাদের ঢাকায় আসা। ভোর ৬টার দিকে দয়াগঞ্জ এলাকা পার হওয়ার সময় এক ছিনতাইকারী আকলিমার কাছে থাকা ভ্যানিটি ব্যাগ সজোরে টান দিয়ে নিয়ে যায়।

    এ সময় কোলে থাকা শিশু আরাফাতকে নিয়ে তিনি পড়ে যান রাস্তায়। আরাফাত ঘটনাস্থলেই মারা যায়। মিডিয়ার মাধ্যমে এ খবর জেনে সারা দেশে তোলপাড় শুরু হয়। ঘটনাস্থলে যান ঊর্ধ্বতন পুলিশ ও র‌্যাবের কর্মকর্তারা। তখন থেকেই ছিনতাইকারীকে গ্রেপ্তারের জন্য মাঠে নামে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। পুলিশ জানতে পেরেছে, একজন ছিনতাইকারী ব্যাগটি ছো মেরে টেনে নিয়ে গলি পথে দৌড়ে পালিয়ে যায় নামা পাড়া বস্তির দিকে। এলাকাবাসী জানায় এ বস্তিতে অনেক ছিনতাইকারী বসবাস করে। তারা মাদক সেবন করে। রাত থেকে ভোর পর্যন্ত সুযোগ পেলেই দয়াগঞ্জ এলাকায় ছিনতাই করে তারা।

    আজ মঙ্গলবার দুপুরে দয়াগঞ্জ এলাকার নামাপাড়া বস্তিতে গিয়ে দেখা গেছে বাসিন্দারা আতংকগ্রস্ত। নতুন কাউকে বস্তিতে দেখে তাদের সবার চোখ তার দিকে। খোকন নামের একজন জানালেন, সকাল বিকাল পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে। যে কারণে এখানকার বাসিন্দারা আতংকিত। তবে তিনি পুলিশের এ ভূমিকায় খুশি বলে জানান। তিনি বলেন, ‘বস্তির মাদকসেবী, ছিনতাইকারীরা পুলিশের ভয়ে পালিয়ে গেছে। যে কারণে বস্তিতে এখন শান্তি। সব সময় যদি এমন থাকতো তাইলে ভালো লাগতো। ‘

    পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, তদন্তে নেমে পুলিশ ওই এলাকার নামা পাড়া বসি্ততে কয়েক দফা অভিযান চালিয়েছে। শুধু থানা পুলিশই নয় ডিবিরি সিরিয়াস ক্রাইম ইউনিটের সদস্যরাও নেমেছেন। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দয়াগঞ্জের যে স্থানে ঘটনাটি ঘটেছে তার কাছেই একটি ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা পাওয়া গেছে। কিন্তু সেই ক্যামেরায় ঘটনাটি নেই। পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা কালের কণ্ঠকে জানান, আরাফাতের বাবা ছিনতাইকারীর বর্ণনা দিতে পেরেছেন। সেই বর্ণনা থেকে অনেকটা এগুতে পারবে পুলিশ।

    এ ঘটনায় দায়িত্ব অবহেলার কারণে যাত্রাবাড়ী থানার এএসআই বদরুল ইসলামকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। পুলিশ সূত্র জানায়, ঘটনাস্থলের ১০০ গজ দূরেই দায়িত্ব পালন করছিলেন যাত্রাবাড়ী থানার এএসআই বদরুলের নেতৃত্বে তিনজন পুলিশ সদস্য। কাছাকাছি দায়িত্বরত থাকা সত্বেও ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটায় দায়িত্ব অবহেলার কারণে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তবে নাম প্রকাশ করে কোনো পুলিশ কর্মকর্তা বিষয়টি স্বীকার করতে চাননি।

  • অপহরণের ৬ দিন পর শিশুর মরদেহ উদ্ধার

    অপহরণের ৬ দিন পর শিশুর মরদেহ উদ্ধার

    মাদারীপুরের শিবচরে অপহরণের ৬ দিন পর ওবায়দুর চোকদার (১০) নামে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার মধ্যরাতে মাদবরেরচর এলাকার পুরাতন জাহাজঘাট এলাকার নদীর মধ্যে মাছের ঘের থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

    এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে একই এলাকার মারুফ (২০), ইমরান (১৮), মনির(১৭) ও রাকিব (২০) নামের চার যুবককে আটক করেছে পুলিশ। তবে আটক মারুফ ও তার বাবা ঘটনার মূলহোতা বলে পুলিশ জানিয়েছে।

    গত মঙ্গলবার (১২ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় বাড়ির পাশের দোকানে গেলে ফেরার পথে নিখোঁজ হয় শিশুটি। নিহত ওবায়দুর উপজেলার মাদবরের চর ইউনিয়নের পূর্ব খাড়াকান্দি গ্রামের রতন চোকদারের ছেলে। সে খাড়াকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র ছিল।

    শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকির হোসেন জানান, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ওবায়দুরকে অপহরণের পর বুধবার সন্ধ্যায় একটি নম্বর থেকে ফোন দিয়ে মুক্তিপণ হিসেবে ৬ লাখ টাকা দাবি করে। এরপর থেকেই ওই ফোন নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়। পরে গত শুক্রবার শিবচর থানায় জিডি করা হলে পুলিশ কৌশলে মারুফ নামের যুবককে আটক করে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদে অপহরণের কথা স্বীকার করলে পুলিশ অন্যদের আটক করে এবং তাদের দেয়া তথ্যানুযায়ী মরদেহটি উদ্ধার করে।

  • কোটি টাকা কেন ক্ষতিপূরণ প্রদান নয়: হাইকোর্ট

    কোটি টাকা কেন ক্ষতিপূরণ প্রদান নয়: হাইকোর্ট

    রাজধানীর জিগাতলায় খোলা বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন থেকে পাখি ধরতে গিয়ে ৭ বছরের শিশু রাফসানের বিদ্যুত্স্পৃষ্টের ঘটনায় কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ প্রদান প্রশ্নে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট। রুলে ওই ঘটনার জন্য আবেদনকারীকে কেন এক কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে না তা জানতে চাওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে উক্ত এলাকায় খোলা বৈদ্যুতিক তার নিরাপদ করার ব্যবস্থা গ্রহণে ডিপিডিসিকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
    পাশাপাশি শিশুর চিকিত্সা রাষ্ট্রীয় খরচে করতে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছে আদালত। এক রিট আবেদনের শুনানি শেষে বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ গতকাল বৃহস্পতিবার এই আদেশ দেন।
    আইনজীবীরা জানান, জিগাতলায় চার তলায় বারান্দায় শিশুটি খেলা করছিল। এসময় পাশে থাকা বিদ্যুতের খোলা লাইনে একটি পাখি বসে। সেটি ধরতে গিয়ে দুর্ঘটনায় পড়ে সাত বছরের শিশু রাফসান নূর। এ ঘটনায় শিশুটির মুখমণ্ডলসহ শরীরের ২০ শতাংশ পুড়ে যায়। আদালতে শুনানি করেন আইনজীবী অমিদ দাস গুপ্ত।