Category: প্রচ্ছদ

  • ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী আর নেই

    ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী আর নেই

    বীর মুক্তিযোদ্ধা ও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী আর নেই। মঙ্গলবার (১১ এপ্রিল) রাতে গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

    ডা. জাফরুল্লাহর চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ডের প্রধান সমন্বয়কারী ডা. মামুন মোস্তাফী মৃত্যুর তথ্য গনমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।

    গত কয়েকদিন ধরে গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন নানা রোগে আক্রান্ত এই মুক্তিযোদ্ধা চিকিৎসক। সোমবার থেকে তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল।

    জাফরুল্লাহ চৌধুরী দীর্ঘদিন ধরেই কিডনি সমস্যায় ভুগছিলেন। মৃত্যুকালে তার বয়স ছিল ৮১ বছর।

    জাফরুল্লাহর জন্ম ১৯৪১ সালের ২৭ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম জেলার রাউজানে। পিতামাতার ১০ সন্তানের মধ্যে তিনি সবার বড়। ঢাকার বকশীবাজারের নবকুমার স্কুল থেকে মেট্রিকুলেশন এবং ঢাকা কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট শেষ করেন।

    এরপর তিনি ১৯৬৪ সালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস এবং ১৯৬৭ সালে বিলেতের রয়্যাল কলেজ অব সার্জনস থেকে এফআরসিএস প্রাইমারি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন।

    বিলেতের রয়্যাল কলেজ অব সার্জনসে এফআরসিএস পড়াকালীন বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু হলে তিনি চূড়ান্ত পর্ব শেষ না করেই লন্ডন থেকে ভারতে ফিরে আসেন। ফিরে এসে ডা. এম এ মবিনের সঙ্গে মিলে সেখানেই ৪৮০ শয্যাবিশিষ্ট বাংলাদেশ ফিল্ড হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনা করেন।

    তিনি সেই স্বল্প সময়ের মধ্যে অনেক নারীকে প্রাথমিক স্বাস্থ্য জ্ঞান দেন, যা দিয়ে তারা রোগীদের সেবা করতেন। তার এই অভূতপূর্ব সেবাপদ্ধতি পরে বিশ্ববিখ্যাত জার্নাল পেপার ল্যানসেতে প্রকাশিত হয়।

    জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে অনন্য অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ তিনি ১৯৭৭ সালে স্বাধীনতা পুরস্কার পান।

    এ ছাড়া তিনি ফিলিপাইন থেকে রামন ম্যাগসাইসাই (১৯৮৫) ও সুইডেন থেকে বিকল্প নোবেল হিসাবে পরিচিত রাইট লাইভলিহুড (১৯৯২), মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বার্কলে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ‘ইন্টারন্যাশনাল হেলথ হিরো’ (২০০২) এবং মানবতার সেবার জন্য কানাডা থেকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি পান।

  • বরিশালে সংঘর্ষে প্রাণ গেলো দুই ভাইয়ের

    বরিশালে সংঘর্ষে প্রাণ গেলো দুই ভাইয়ের

    বরিশালের মুলাদী উপজেলায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে দুই ভাই নিহত হয়েছেন। নিহত যুবকরা হলেন হেলাল ব্যাপারি ও কামাল ব্যাপারি। তারা পরস্পর সহোদর ছিলেন। আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এই সংঘর্ষ হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে।

    মুলাদি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তুষার কুমার মন্ডল সোমবার রাতে জানান, মুলাদী উপজেলার বাটামারা ইউনিয়নের তয়কা গ্রামে দীর্ঘদিন আকন ও হাজি গ্রুপের দ্বন্দ্ব চলছিল। এর জেরে সোমবার সন্ধ্যা থেকেই দুই পক্ষের মধ্যে থেমে থেমে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের এক পর্যায়ে হেলাল ব্যাপারি ও কামাল ব্যাপারি নামের দুই যুবককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। তিনি আরও বলেন, মরদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।

    বরিশালের পুলিশ সুপার ওয়াহিদুল ইসলাম বলেন, ‘ডিবি ও পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়েছে। তারা বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে। এ ঘটনায় যারাই জড়িত থাকুক সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে।’

    ঘটনার পর এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি তদন্ত করে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন থানা পুলিশের কর্মকর্তারা।

  • বরিশালে ‘গোখরা’ মারতে গিয়ে দংশনে যুবকের মৃত্যু

    বরিশালে ‘গোখরা’ মারতে গিয়ে দংশনে যুবকের মৃত্যু

    বরিশালের গৌরনদীতে ‘গোখরা’ সাপের দংশনে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। এর আগে সাপটিকেও মেরে ফেলেন ওই যুবক। সোমবার বিকালে উপজেলার চন্দ্রহার গ্রামে এ ঘটনা ঘটে বলে যুবকের চাচা জানিয়েছেন।

    মৃত রাজু সর্দার (২২) চন্দ্রহার গ্রামের আহমেদ সর্দারের ছেলে। রাজুর চাচা হানিফ সর্দার বলেন, পেশায় ভ্যান চালক রাজু কিছুটা মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন। রাজুর ভাই মিন্টুর স্ত্রী ঘরে একটি ‘গোখরা’ সাপ দেখে চিৎকার দেন। তখন রাজু লাঠি নিয়ে তাড়া করলে সাপটি একটি গর্তে ঢুকে যায়।

    হানিফ বলেন, এরপর রাজু গর্ত খুঁড়ে সাপ বের করেন। সাপটি ফনা তুললে রাজু ধরে ফেলেন। তখন সাপটি রাজুর হাতে চার/পাঁচবার দংশন করে। এক পর্যায়ে রাজু সাপটিকে আছাড়ে ফেলে।

    তখন সাপটি আবার তেড়ে গেলে রাজু পাশে থাকা লাঠি দিয়ে পিটিয়ে মেরে ফেলেন। হানিফ বলেন, এরপর রাজু অসুস্থ হয়ে পড়লে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

  • সাদিক আব্দুল্লাহর পক্ষে আ’লীগ নেতাদের মনোনয়ন সংগ্রহ

    সাদিক আব্দুল্লাহর পক্ষে আ’লীগ নেতাদের মনোনয়ন সংগ্রহ

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রে দলীয় সমর্থন পেতে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন বিসিসির বতর্মান মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ। তার পক্ষে সোমবার রাজধানীস্থ আ’লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন বরিশাল জেলা ও মহানগর আ.লীগের শীর্ষ পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

    বিষয়টি জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তালুকদার মো. ইউনুস এবং মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট একেএম জাহাঙ্গীর হোসেন গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন। এর আগে গতকাল রোববার মেয়র পদে মনোনয়ন সংগ্রহ করেন বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জসীম উদ্দিন। তিনি এবার আওয়ামীলীগের সমর্থন নিয়ে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে চাইছেন।

    এছাড়া মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি সুপ্রিম কোর্ট বারের আইনজীবী গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলাল, বর্তমান সিটি মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহ’র চাচা খোকন সেরনিয়াবাত, বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান জিয়াউল আহসান, যুবলীগ নেতা খান মামুন এবং বিএম কলেজের সাবেক ভিপি মঈন তুষার মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তবে তারা এখনও মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন কী না তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

    ইসি সূত্রে জানা গেছে- এবারের নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ১৬ মে, বাছাই ১৮ মে, বাছাইয়ের বিরুদ্ধে আপিল ১৯ থেকে ২১ মে, আপিল নিষ্পত্তি ২২ থেকে ২৪ মে, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ২৫ মে। প্রতীক বরাদ্দ ২৬ মে এবং ভোট গ্রহণ হবে ১২ জুন।’

  • পবিত্র ঈদ-উল ফিতর ও পহেলা বৈশাখ উপলক্ষ্যে আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

    পবিত্র ঈদ-উল ফিতর ও পহেলা বৈশাখ উপলক্ষ্যে আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

    নিজস্ব প্রতিবেদক :: পবিত্র ঈদ-উল ফিতর ও পহেলা বৈশাখ উপলক্ষ্যে আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত।

    আসন্ন পবিত্র ঈদ-উল ফিতর ও পহেলা বৈশাখ নিরাপদ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আজ (১০ এপ্রিল) সকাল ১১ টায় পুলিশ কমিশনার বিএমপি মোঃ সাইফুল ইসলাম, বিপিএম-বার মহোদয়ের সভাপতিত্বে বিএমপি সদরদপ্তর সম্মেলন কক্ষে আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত এক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত।

    সভায় সভাপতি মহোদয়, পরিবহন ও ট্রাফিক
    ব্যবস্থা, সার্বিক আইন শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা, যাত্রী সেবা ও অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, শহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট সহ সার্বিক যানজট নিরসন, মেডিকেল টিম প্রস্তুত রাখা, ব্যাংকিং সেবা , বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা, অগ্নি দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে ঝুঁকিপূর্ণ স্থান, মার্কেট ও যাত্রীবাহী লঞ্চে অগ্নি নির্বাপন ব্যবস্থা রাখা, নির্বিঘ্নে ঈদের জামায়েত আয়োজন, বৈশাখী মেলা উদযাপন ও শোভাযাত্রা, পরিবহন সেক্টরে সব ধরনের চাঁদাবাজি বন্ধের কঠোর হুঁশিয়ার ও যাত্রী সেবা নিশ্চিত করা সহ সম্ভাব্য সকল বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সকল দফতরের প্রতিনিধিদের সাথে মতবিনিময় করে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন।

    এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অ্যান্ড ফিন্যান্স ও ক্রাইম এন্ড অপারেশন জনাব আবু আহাম্মদ আল মামুন, উপ-পুলিশ কমিশনার সদর দপ্তর জনাব মােহাম্মদ নজরুল হােসেন, উপ-পুলিশ কমিশনার
    ডিবি জনাব মােঃ জুলফিকার আলী হায়দার, উপ-পুলিশ কমিশনার সিএসবি জনাব মােহাম্মদ জাকির হােসেন মজুমদার, পিপিএম-সেবা, উপ পুলিশ কমিশনার দক্ষিণ ও সাপ্লাই এন্ড লজিস্টিকস জনাব মােঃ আলী আশরাফ
    ভুঞা, বিপিএম-বার, উপ-পুলিশ কমিশনার ট্রাফিক, এস এম তানভীর আরাফাত
    পিপিএম-বার, উপ-পুলিশ কমিশনার ক্রাইম, অপারেশনস এন্ড প্রসিকিউশন খান মুহাম্মদ আবু নাসের, উপ-পুলিশ কমিশনার উত্তর বি এম আশরাফ উল্যাহ তাহের, পরিচালক শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল বরিশাল, সিভিল সার্জন বরিশাল প্রতিনিধি, র‍্যাব-০৮ বরিশাল প্রতিনিধি, বিসিসি বরিশাল প্রতিনিধি, গণমাধ্যম, বাংলাদেশ ব্যাংক বরিশাল প্রতিনিধি, ইসলামিক ফাউন্ডেশন, বিএমপি’র সকল শীর্ষ কর্মকর্তা বৃন্দ, নৌ-পুলিশ বরিশাল প্রতিনিধি, এনএসআই বরিশাল প্রতিনিধি, নৌ-নিরাপত্তা বিআই ডব্লিউ টি এ বরিশাল প্রতিনিধি বিআর টি এ বরিশাল প্রতিনিধি, ফায়ার সার্ভিস, বরিশাল প্রতিনিধি, সোনালী ব্যাংক বরিশাল প্রতিনিধি, কোষ্ট গার্ড বরিশাল প্রতিনিধি, জেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা, বরিশাল প্রতিনিধি, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ প্রতিনিধি, ইসলামি ব্যাংক বরিশাল প্রতিনিধি, ডাচ-বাংলা ব্যাংক বরিশাল প্রতিনিধি, ওজোপাডিকো বরিশাল প্রতিনিধি জেলা কালচারাল কর্মকর্তা, শিল্পকলা একাডেমি, বরিশাল প্রতিনিধি, জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা, শিশু একাডেমি, বরিশাল প্রতিনিধি চারুকলা, বরিশাল প্রতিনিধি, উদীচি শিল্প গোষ্ঠী বরিশাল প্রতিনিধি, সভাপতি ইমাম সমিতি বরিশাল, লঞ্চ মালিক সমিতি বরিশাল, লঞ্চ শ্রমিক সমিতি বরিশাল, বাস মালিক সমিতি নথুল্লাবাদ বরিশাল, সেক্রেটারী, বাস মালিক সমিতি নথুল্লাবাদ, বরিশাল বাস মালিক সমিতি রূপাতলী বরিশাল সেক্রেটারী, বাস মালিক সমিতি, রূপাতলী, বাস মালিক সমিতি চর কাউয়া বরিশাল, বাস শ্রমিক সমিতি রূপাতলী বরিশাল, সেক্রেটারী বাস শ্রমিক সমিতি রূপাতলী, বাস শ্রমিক সমিতি নথুল্লাবাদ, চকবাজার, গীর্জামহল্লা, মহসিন মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতি বরিশাল, বরিশাল, থ্রি হুইলার, মাহেন্দ্র মালিক সমিতি, বরিশাল সহ সংশ্লিষ্ট সকল দফতরের প্রতিনিধি ও সাংবাদিক বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • বরিশাল সিটির জননন্দিত মেয়র হিরনের ৯তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

    বরিশাল সিটির জননন্দিত মেয়র হিরনের ৯তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

    আজ ৯ এপ্রিল, বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের জননন্দিত সাবেক মেয়র শওকত হোসেন হিরনের ৯তম মৃত্যুবার্ষিকী। ২০১৪ সালে আজকের এ দিনে সবাইকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান আধুনিক বরিশালের রূপকার সাবেক মেয়র ও সংসদ সদস্য শওকত হোসেন হিরন। তিনি না থাকলেও আজও তার প্রতিচ্ছবি ভেসে উঠছে তারই রেখে যাওয়া স্মৃতি এবং উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে।

    ২০০৮ সালের ৪ আগস্ট তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীন বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিজয় অর্জন করেন এবং মেয়র নির্বাচিত হন শওকত হোসেন হিরন। তিনি বরিশাল সিটি করপোরেশনের দ্বিতীয় পরিষদে মেয়র হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই পাল্টে যায় নগরের চিত্র। উন্নয়ন বঞ্চিত বরিশাল সিটিকে আধুনিক রূপে পরিচয় করিয়ে দেন তিনি।

    ২০১৩ সালের ১৫ জুন বরিশাল সিটি’র তৃতীয় পরিষদের নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আহসান হাবিব কামালের কাছে অল্প ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হতে হয়েছে শওকত হোসেন হিরনকে।

    পরে অবশ্য ২০১৪ সালের ১০ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তার ত্যাগের মূল্যায়ন করেন আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি শওকত হোসেন হিরনকে বরিশাল সদর আসনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী করেন এবং একই বছরের ৫ জানুয়ারি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এমপি নির্বাচিত হয়েছিলেন।

    ২০১৪ সালের ২২ মার্চ রাতে বরিশাল ক্লাবে বসে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। প্রথমে তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজধানী ঢাকা এবং পরবর্তীতে সিঙ্গাপুরেও নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে দেশে ফিরিয়ে এনে অ্যাপোলো হাসপাতালে কৃত্রিম শ্বাস-প্রশ্বাস দিয়ে রাখা হয় হিরনকে। কিন্তু সবাইকে কাঁদিয়ে ৯ এপ্রিল না ফেরার দেশে চলে যান তিনি।

    এদিকে শওকত হোসেন হিরনের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তার মালিকানাধীন প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে মিলাদ ও দোয়া-মোনাজাতের আয়োজন করা হয়েছে। তাছাড়া হিরনের ভক্ত ও অনুসারীরাও বিশেষ দোয়া মোনাজাতের আয়োজন করেছেন।’

  • বরিশালসহ ৫ সিটি নির্বাচনে আ’লীগের মনোনয়ন ফরম বিতরণ শুরু

    বরিশালসহ ৫ সিটি নির্বাচনে আ’লীগের মনোনয়ন ফরম বিতরণ শুরু

    বরিশাল, গাজীপুর, খুলনা, সিলেট ও রাজশাহী সিটি করপোরেশন এবং ৫টি পৌরসভা নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন ফরম বিতরণ শুরু করেছে আওয়ামী লীগ।

    রোববার সকালে আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ধানমন্ডিস্থ রাজনৈতিক কার্যালয়ে এই কার্যক্রম শুরু করেন দলের উপদপ্তর সম্পাদক সায়েম খান।

    এ সময় খুলনা সিটি করপোরেশনের বর্তমান মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেকের পক্ষে সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন। এছাড়া বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রার্থী হিসেবে মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জসীমউদ্দীন সরাসরি মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন।

    এর পাশাপাশি গাজীপুর ও বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মনোনয়নপ্রত্যাশী কয়েকজনের পক্ষে অন্যরা মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন।

    মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করে বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি বলেন, স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার অংশ হিসেবে বরিশাল সিটি করপোরেশনকে আধুনিক নগরী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে কাজ করতে চান তিনি। মনোনয়ন না পেলে দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে স্বতন্ত্র প্রার্থী হবেন না বলেও সাফ জানিয়ে দেন এই মনোনয়নপ্রত্যাশী।

    নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ২৫ মে গাজীপুর সিটি করপোরেশনে, ১২ জুন বরিশাল ও খুলনা সিটি করপোরেশনে এবং ২১ জুন সিলেট ও রাজশাহী সিটি করপোরেশনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

  • ঈদে বালুবাহী বাল্কহেড চলাচল ১১ দিন বন্ধ

    ঈদে বালুবাহী বাল্কহেড চলাচল ১১ দিন বন্ধ

    আসন্ন ঈদের আগে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নিরাপদ করতে নৌপথে ১১ দিন বালুবাহী বাল্কহেড চলাচল বন্ধ থাকবে। আগামী ১৭ এপ্রিল থেকে ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত এ সিদ্ধান্ত কার্যকর থাকবে বলে জানিয়েছেন নৌপুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি শফিকুল ইসলাম।

    আজ রোববার ঢাকার গুলশানে নৌপুলিশ হেডকোয়াটার্সের কনফারেন্স রুমে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান। সংবাদ সম্মেলনে তিনি ঈদ উপলক্ষে নৌপথে আইনশৃঙ্খলা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত বিষয়ে কথা বলেন।

    শফিকুল ইসলাম জানান, ১৭-২৭ এপ্রিল পর্যন্ত ১১ দিন বালুবাহী বাল্কহেড চলাচল সম্পূর্ণরূপে বন্ধ থাকবে। এছাড়া লঞ্চ চলাচলের সময় মাছ ধরার জাল যাতে ছড়ানো না থাকে সেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    নৌপুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ঈদের সময় লঞ্চ চলাচল ও মালামাল আনা নেওয়া বেড়ে যায়। তাই খেয়া নৌকা দিয়ে সাবধানতার সঙ্গে পারাপার করতে হবে। কোনো দুর্ঘটনা না ঘটে সেজন্য ব্যবস্থা নিতে হবে।’

  • ঈদকে ঘিরে কাপড়ে ভরপুর ছিল বঙ্গবাজার, ব্যবসায়ীদের আহাজারি

    ঈদকে ঘিরে কাপড়ে ভরপুর ছিল বঙ্গবাজার, ব্যবসায়ীদের আহাজারি

    রাজধানীর বঙ্গবাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ৪৭টি ইউনিট। মঙ্গলবার সকাল ৬টা ১০ মিনিটের দিকে বঙ্গবাজারের এনেক্স মার্কেটের পাশের টিনশেড মার্কেটটিতে এই অগ্নিকাণ্ড ঘটে।

    আগুনে পুড়ে গেছে মার্কেটটির বেশিরভাগ দোকান।

    আসছে ঈদকে কেন্দ্র করে সব দোকানেই বিপুল পরিমাণ কাপড় মজুত করে রাখা হয়েছিল। আগুন পুরো মার্কেটে ছড়িয়ে পড়লে সব পুড়ে ছাই হয়ে যাওয়ার ভয়ে আছেন ব্যবসায়ীরা। এতে পথে বসার আশঙ্কা করছেন তারা।
    বঙ্গবাজার মার্কেটটি কাপড়ের হওয়ায় আগুনের তীব্রতা প্রতিক্ষণে বেড়েই চলছে।

    মার্কেট লাগোয়া দক্ষিণ পাশে ফায়ার সার্ভিসের হেড কোয়ার্টার ও পূর্ব পাশে পুলিশ হেডকোয়ার্টার। তাই শুরু থেকেই পুলিশের সহযোগিতায় দমকলকর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে যাচ্ছে। পাশাপাশি ঢাকার অন্য সাব স্টেশনগুলোও ক্রমাগত যোগ দিচ্ছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে।
    এদিকে মার্কেটে আগুন লাগার খবরে দেশের বৃহৎ কাপড়ের মার্কেটের ব্যবসায়ীরা ছুটে এসেছেন।

    যার মতো দোকান থেকে যতটুকু সম্ভব কাপড় বের করা যায় সে চেষ্টা করছে। তবে আগুনের তীব্রতার কারণে আশপাশে যাওয়া যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন অনেক দোকানদার।
    তারা আরও জানান, ঈদকে সামনে রেখে ব্যাপক মালামালের মজুত করা হয়েছিল। দিনে দিনে ক্রেতা বাড়ছিল। কিন্তু আগুনে সবশেষ হয়ে গেলে তাদের পথে বসা ছাড়া উপায় থাকবে না।

    প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, বঙ্গবাজার মার্কেটের দোতলা থেকে আগুনের সূত্রপাত। ব্যবসায়ীরা বলছেন, ঈদের আগে এ ধরনের দুর্ঘটনা তাদের পথে নামিয়ে দিয়েছে। মাত্রই ঈদের বাজার শুরু হয়েছিল। ঠিক সেই মুহূর্তে এ ধরনের আগুন ব্যবসায়ীদের বড় ধরনের ক্ষতি হয়ে গেল। কয়েকজন ব্যবসায়ী জানিয়েছেন, সারা বছর অপেক্ষা করে থাকে এই ঈদ মৌসুমে ব্যবসা করবে বলে। কিন্তু আগুন সব শেষ করে দিল।

  • পুড়ে ছাই সব দোকান, ধ্বংসস্তূপে পরিণত বঙ্গবাজার

    পুড়ে ছাই সব দোকান, ধ্বংসস্তূপে পরিণত বঙ্গবাজার

    ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় পুরোপুরি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে বঙ্গবাজারের টিনশেড দোতলা মার্কেট। পুড়ে ছাই হয়ে গেছে মার্কেটের সব দোকান। রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ধ্বংসস্তূপের মধ্যে দাউ দাউ করে জ্বলছিল আগুনের লেলিহান শিখা।

    মঙ্গলবার সকাল ৬টা ১০ মিনিটে লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ৫০ ইউনিট।

    রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণে আসেনি আগুন।
    এদিকে বঙ্গবাজারের চারপাশে ফায়ার সার্ভিসের ৫০ ইউনিটের পাশাপাশি কাজ করছে সেনা, নৌ, বিমান ও বিজিবির ফায়ার ইউনিট। আগুন নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে বেশ কয়েকজন ফায়ার ফাইটার আহত হয়েছেন বলেও জানা গেছে।

    জানা গেছে, বঙ্গবাজারে ছোট-বড় মিলিয়ে তিন হাজারের বেশি দোকান রয়েছে।

    প্রায় সবগুলো দোকানই কাপড়ের। সবগুলো দোকানই পুড়ে ছাঁই হয়ে গেছে।
    বঙ্গবাজার লাগোয়া এনক্সকো ভবনেও আগুন ছড়িয়ে পড়েছে। পাঁচতলা ওই ভবনে কয়েকটি তলায় আগুন ছড়িয়ে পড়েছে।

    বিশেষ করে ৫ম তলায় দাউ দাউ করে জ্বলতে দেখা গেছে আগুন। ওই মার্কেটের ব্যবসায়ীরা মালামাল সরানো জন্য প্রাণান্তকর চেষ্টা করে যাচ্ছেন। অনেকটা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে শেষ সম্বলটুকু রক্ষা করার চেষ্টা করছেন তারা।
    আবদুর রশিদ নামে এক ব্যবসায়ী জানান, ব্যাংক লোন নিয়ে ঈদ উপলক্ষে দোকানে মাল তুলেছিলেন। কিন্তু স্মরণকালের ভয়বহ আগুন তাকে নিঃস্ব করে দিয়েছে।

    তিনি বলেন, সোমবার রাতেই মাল এসেছে দোকানে। এখন সব পুড়ে শেষ হয়ে গেল। একেবারে পথে বসে গেলাম।