Category: প্রশাসন

  • রোববার পুলিশ সদস্যদের শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান করবেন সিটি মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ

    রোববার পুলিশ সদস্যদের শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান করবেন সিটি মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ

    বরিশাল মেট্টোপলিটন পুলিশের সফল অভিযানে ২০ হাজার পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক করাবারী আটক হওয়ায় বিএমপির কমিশনার মোঃ শাহাবুদ্দিন খানসহ অভিযানে অংশ নেয়া সকল পুলিশ সদস্যকে অভিনন্দন জানিয়েছেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।

    এক অভিনন্দন বার্তায় সিটি মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নুরুল ইসলামসহ অভিযানে অংশ নেয়া পুলিশ সদস্যদেরকে আগামী রোববার ১ সেপ্টেম্বর বেলা তিনটায় শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান করবেন বলে ঘোষনা দিয়েছেন।

    এ অনুষ্ঠান এ্যানেক্স ভবনে মেয়রের দপ্তরে অনুষ্ঠিত হবে।

    সিটি মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ এসংক্রান্ত এক বার্তায় বলেন, প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা সর্বনাশা মাদকের বিরুদ্ধে যে যুদ্ধ ঘোষনা করেছেন তাতে আমাদের সকলকে অংশ নিয়ে সমাজ থেকে চিরতরে মাদক নিমূর্লে একযোগে কাজ করতে হবে। মেয়র আরো বলেন, বরিশাল নগরীকে একটি সুন্দর মাদক মুক্ত বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে দলমত নির্বিশেষে আমাদের সকলকে ভয়াল মাদকের বিরুদ্ধে কাজ করতে হবে।

    মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ মাদকের পথ ছেড়ে দিয়ে যারা এর সাথে জড়িত আছেন তাদের সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার আহবান জানিয়ে বলেন, যারা মাদকের পথ ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে আসতে চাইবে তাদের সম্ভব সব ধরনের সহায়তা করা হবে। কিন্তু দলের নাম ভাঙ্গিয়ে অথবা প্রভাব বিস্তারের মাধ্যমে মাদক সেবন ও বিক্রির সাথে কেউ জড়িত থাকার চেষ্ঠা করলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশকে জিরো টলারেন্স দেখিয়ে এর সাথে জড়িত কাউকে ছাড় না দেয়া আহবান জানিয়ে চলমান মাদক বিরোধী অভিযান আরো জোরদার করার আহবান জানান।

  • শনিবার বঙ্গবন্ধু উদ্যানে শোকাবহ আগস্ট স্মরনে দোয়া  স্মৃতিচারন সভা

    শনিবার বঙ্গবন্ধু উদ্যানে শোকাবহ আগস্ট স্মরনে দোয়া স্মৃতিচারন সভা

    তানজিম হোসাইন রাকিব:

    শোকাবহ আগস্ট স্মরনে বারিশাল জেলা প্রশাসন ও বরিশাল সিটি কর্পোরেশন এর উদ্যোগে দোয়া ও স্মৃতিচারনমূলক সভা আগামী ৩১ আগস্ট অনুষ্ঠিত হবে।সকাল ১১ টায়  ঐতিহাসিক বঙ্গবন্ধু উদ্যানে স্বাধীনতার মহান স্থাপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজবুর রহমান সহ ১৫ আগস্ট ১৯৭৫ সালে শাহাদাতবরনকারী সকল শহীদের স্মরনে দোয়া ও মর্মান্তিক এ ঘটনায় আহত ব্যাক্তিদের স্মৃতিচারনমূলক আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হবে।

    উক্ত দোয়া ও স্মৃতিচারনমূলক সভায় প্রধান অতিথি  হিসাবে উপস্থিত থাকবেন জনাব আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ এমপি, পার্বত্য শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক (মন্ত্রী পদমর্যাদা) সংসদ সদস্য (বরিশাল ১, গৌরনদী-আগৈলঝারা)।

    গেষ্ট অব অনার হিসাবে উপস্থিত থাকবেন কর্নেল (অব:) জাহিদ ফারুক শামীম, মাননীয় প্রতিমন্ত্রী, পানিসম্পদ মন্ত্রনালয় ও সংসদ সদস্য, বরিশাল ৫( বরিশাল সদর )।

    বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত থাকবেন ,জনাব পংকজ নাথ, মাননীয় সংসদ সদস্য (বরিশাল ৪)। জনাব গোলাম কিবরিয়া টিপু, মাননীয় সংসদ সদস্য,  (বরিশাল ৩) ।বেগম নাসরিন জাহান রত্না,সংসদ সদস্য (বরিশাল ৬)। এড: সৈয়দা রুবিনা আক্তার মিরা, সংসদ সদস্য মহিলা সংরক্ষিত আসন। জনাব মুহম্মদ ইয়াসিন চৌদুরী, বিভাগীয় কমিশনার, বরিশাল বিভাগ বরিশাল।জনাব মো: শফিকুল ইসলাম, বিপিএম, পিপিএম, (বার),উপ মহা পুলিশ পরিদর্শক বরিশাল রেন্জ বরিশাল। জনাব মো: শাহাবুদ্দিন খান বিপিএম (বার), পুলিশ কমিশনার বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ, বরিশাল।

    প্রধান আলোচক হিসাবে উপস্থিত থাকবেন , জনাব সাহান আরা বেগম, সহ সভাপতি, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ বরিশাল জেলা শাখা।

    উক্ত দোয়া ও স্মৃতিচারনমূলক সভায় মুখ্য আলোচক হিসাবে উপস্থিত থাকবেন, জনাব সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ, মাননীয় মেয়র,বরিশাল সিটি কর্পোরেশন

    উক্ত দোয়া ও স্মৃতিচারনমূলক সভায় সভাপতি হিসাবে উপস্থিত থাকবেন জনাব এস এম অজিয়র রহমান, জেলা প্রশাসক বরিশাল।

    উক্ত দোয়া স্মৃতিচারন সভায় নগরবাসীদের আমন্ত্রন জানিয়েছেন বরিশাল সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।

  • বরিশালে প্রথমবারের মত শোকাবহ আগস্ট স্মরণে দোয়া ও স্মৃতিচারণমূলক আলোচনা সভার আয়োজন

    বরিশালে প্রথমবারের মত শোকাবহ আগস্ট স্মরণে দোয়া ও স্মৃতিচারণমূলক আলোচনা সভার আয়োজন

    বরিশাল বঙ্গবন্ধু উদ্যানে মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, মুক্তিযোদ্ধা, মেয়র, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, ইউপি চেয়ারম্যান, শিক্ষক-শিক্ষিকা-ছাত্র-ছাত্রী, সুশিল সমাজ, সামাজিক সাংস্কৃতিক, ও নগরের জন প্রতিনিধিসহ ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্টের কালো রাতে ঘাতকদের বুলেটে আহত ও আহতদের পরিবার সদস্যসহ জেলার ৩০ হাজার আমন্ত্রিত অতিথিদের অংশ গ্রহনে প্রথমবারের মত শোকাবহ আগস্ট স্মরণে দোয়া ও স্মৃতিচারণমূলক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।

    আজ শুক্রবার (৩০ই) সকাল ১১ টায় জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন জেলা প্রশাসক এস.এম অজিয়র রহমান।

    শোকাবহ আগস্ট মাসব্যপি বিভিন্ন কর্মসূচীর অংশ হিসাবে এবং ১৫ই আগস্ট কালো রাতে স্বাধীনতা বিরোধী একদল ঘাতক সেনা সদস্যদের বুলেটেন আঘাতে নির্মমভাবে জাতীর জনক স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবার সহ দক্ষিণ বাংলার কৃষককুলের নয়নমনি ও কৃষকলেিগর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি শহীদ আঃ রব সেরনিয়াবাত সহ তার পরিবারের শাহাদৎবরণকারী সদস্যদের জন্য দোয়া-মোনাজাত ও সেদিন বরিশালের যারা বুলেটের আঘাতে আহত হয়েছিলেন তাদের উপস্থিতিতে শোকাবহ মাসের শেষ দিনে ৩১ই আগস্ট এক স্মৃতিচারনমূলক আলোচনা সভার আয়োজন করেছে বরিশাল জেলা প্রশাসক।

    বরিশাল জেলা প্রশাসক এস.এম অজিয়র রহমানের সভাপতিত্বে উক্ত স্মৃতিচারণমূলক সভা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থাকবেন পার্বত্য শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক( মন্ত্রী পদমর্যদা) ও শহীদ আঃ রব সেরনিয়াবাতের জৈষ্ঠ পুত্র আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ।

    স্মৃতিচারণমূলক অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে আরো থাকবেন পাণিসম্পদ প্রতি মন্ত্রী ও বরিশাল সদর সংসদ সদস্য কর্ণেল(অবঃ) জাহিদ ফারুক শামীম, মহাজোটের সংসদ সদস্য গোলাম কিবরিয়া টিপু, সংসদ সদস্য বেগম নাসরিন জাহান রত্না আমিন, ও সংরক্ষিত সংসদ সদস্য এ্যাড. রুবিনা আক্তার মিরা।

    আলোচক হিসাবে উপস্থিত থাকবেন শহীদ আঃ রব সেরনিয়াবাতের আহত পুত্রবধূ ও বরিশাল জেলা শাখা মহিলা আওয়ামীলীগ সহ-সভাপতি সাহান আরা বেগম।

    অনুষ্ঠানে মূখ্য আলোচক হিসাবে বক্তব্য রাখবেন গুলিবিদ্ব সাহান আরা বেগমের কোলে থাকা দেড় বছরের শিশু সন্তান ও বর্তমান বরিশাল সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।

    এসময় আরো উপস্থিত থাকবেন বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) মোঃ ইয়ামির চৌধুরী,বরিশাল রেঞ্জ ডি.আই.জি মোঃ শফিকুল ইসলাম, বিপিএম, পিপিএম (বার), বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার শাহাবুদ্দিন খান বিপিএম (বার), বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগ সাধারন সম্পাদক সাবেক সংসদ এ্যাড. তালুকদার মোঃ ইউনুস, বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগ সভাপতি সুপ্রিম কোর্ট বার সদস্য এ্যাড. গোলাম আব্বাস চৌধূরূ দুলাল,সাধারন সম্পাদক এ্যাড.একেএম জাহাঙ্গির হোসাইন।

    এছাড়া আরো উপস্থিত থাকবেন ১৫ই আগস্টে নির্মমতার শিকার খন্দার জিল্লুর রহমান, ললিত কুমার দাশ,মুকুল কুমার দাশ,দিলিপ দত্ত,প্রফেসর রফিকুল ইসলাম পিন্টু ও আঃ রব খান নান্টু।

    এরা সকলেই সেদিন শহীদ আঃ রব সেরনিয়াবাতের মিন্টু রোডের বাসভবনে ঘাতকদের ছোড়া গুলিতে আহত হয়েছিলেন।

    সংবাদ সম্মেলনে প্রিন্ট ও ইলেক্টনিক্স মিডিয়া সহ স্থানীয় সকল সংবাদ কর্মী ও সম্পাদকগন উপস্থিত ছিলেন।

  • বরগুনা হয়ে বরিশাল গেল ইয়াবার সবচেয়ে বড় চালান

    বরগুনা হয়ে বরিশাল গেল ইয়াবার সবচেয়ে বড় চালান

    ২০ হাজার ইয়াবাসহ বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী মাকসুদুল আলম নান্টুকে (৪২) গ্রেফতার করা হয়েছে। সেই সঙ্গে নান্টুর সহযোগী ইমদাদুল হক রাজন কাজীকেও (২২) গ্রেফতার করা হয়েছে।

    গ্রেফতার মাকসুদুল আলম নান্টু সদর উপজেলার চরমোনাই ইউনিয়নের ডিঙ্গামানিক গ্রামের মৃত গাজী আব্দুল মান্নানের ছেলে ও ইমদাদুল হক রাজন কাজী ঝালকাঠীর কাঁঠালিয়া উপজেলার আওড়াবুনিয়া গ্রামের কাজী মো. শাহীনের ছেলে।

    বুধবার দুপুর আড়াইটার দিকে নগরীর আমতলা মোড় সংলগ্ন পুলিশ কমিশনারের অস্থায়ী কার্যালয়ের হলরুমে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।

    barishal-drug-dealer

    সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ কমিশনার মো. শাহাবুদ্দিন খান বলেন, মাকসুদুল আলম নান্টু দীর্ঘদিন পুলিশের নজরদারিতে ছিল। বিষয়টি জেনে আত্মগোপন করেছিল নান্টু। সম্প্রতি নান্টু আবার এলাকায় ফিরে আসে। অবস্থান নিশ্চিত হয়ে মঙ্গলবার রাত দেড়টার দিকে সদর উপজেলার চরমোনাই ইউনিয়নের ডিঙ্গামানিক গ্রামের বাড়ি থেকে নান্টুকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় ছয় হাজার ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

    নান্টুর দেয়া তথ্য অনুযায়ী নগরীর জর্ডান রোডে অপর ইয়াবা ব্যবসায়ী সজল ও জাহিদের বাসায় অভিযান চালিয়ে আরও ১৪ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

    পুলিশ কমিশনার মো. শাহাবুদ্দিন বলেন, সজল ও জাহিদ শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী নান্টুর সহযোগী। তারা অভিযানের আগেই সেখান থেকে পালিয়ে যায়। ওই বাসা থেকে ইমদাদুল হক রাজন কাজী নামে আরেক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার হয়। এ ঘটনায় বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানায় পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

    barishal-drug-dealer

    পুলিশ কমিশনার শাহাবুদ্দিন খান বলেন, সম্প্রতি ইয়াবার অনেক বড় চালান বরিশালে এনেছিল নান্টু। অভিযানের আগেই বড় অংশ ছড়িয়ে যায়। এরপরও ২০ হাজার উদ্ধার করা হয়েছে। এটিই বরিশালে আটক ইয়াবার সবচেয়ে বড় চালান।

    তিনি বলেন, সমুদ্রপথে বরগুনায় ইয়াবা আসে। এরপর সেখান থেকে ইয়াবার চালান বরিশালে আসে। এ মাদক ব্যবসার অর্থ ও যোগানদাতা হিসেবে একটি বড় চক্র রয়েছে। তাদেরকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।

  • আমতলীতে নবম শ্রেনীর ছাত্রী অপহরন, মামলা দায়ের

    আমতলীতে নবম শ্রেনীর ছাত্রী অপহরন, মামলা দায়ের

    বরগুনার আমতলীতে নবম শ্রেনীর এক ছাত্রী(১৪)কে অপহরন করে নিয়ে ঘরে তালাবদ্ধ করে রাখার অভিযোগে বরগুনা বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুন্যালে মামলা দায়ের করেছেন ছাত্রীর পিতা উপজেলার মধ্যে চন্দ্রা গ্রামের মো, জামাল হোসেন। বিজ্ঞ আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে আমতলী থানাকে এফআইআর গ্রহনের আদেশ দিয়েছেন।

    মামলা সূত্রে জানা যায়, উপজেলার মধ্যচন্দ্রা গ্রামের জামাল হোসেনের কন্যা আমতলী এ,কে সরকারী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেনীর ছাত্রী (১৪) প্রতিদিনের ন্যায় ৫ আগষ্ট বাড়ী থেকে স্কুলের সামনে পৌছা মাত্র মামলার আসামী উপজেলার চলাভাঙ্গা গ্রামের নাসির হাওলাদারের পুত্র শামিম হাওলাদার (২২) একটি মটরসাইকেলে এসে পিছন থেকে ঐ ছাত্রীর মুখ চেপে ধরিয়া ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর পূর্বক মটরসাইকেলে উঠাইয়া নিয়ে যায়। স্কুল ছাত্রীটি স্কুল থেকে বাড়ী ফিরে না যাওয়ায় অনেক খোজাখুজি করে ও তাকে পাওয়া যায়নি বলে তার পরিবার সূত্রে জা যায়। ঐদিন রাতে স্কুল ছাত্রী মোবাইলফোনে পিতা জামাল হোসেনকে জানান তাকে জোর করে ধরে নিয়ে মামলার আসামী শামিম হাওলাদার তার বাড়ীতে একটি ঘরের মধ্যে তালাবদ্ধ করে রেখেছে। এ খবর শুনে স্কুল ছাত্রীর পিতা জামাল হোসেন মামলার আসামী শামীমের বাড়ীতে গিয়ে খোজ নিতে গেলে শামিম(২২) ও তার পরিবারের লোকজন জানান, স্কুল ছাত্রীকে শামীমের সাথে বিবাহ দিলে তার মেয়েকে বের করে দিবেন। অনেক চেষ্ট করেও বাদী তার মেয়েকে উদ্ধার করতে না পেরে ২৫ আগষ্ট বরগুনা বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুন্যালে শামীম হাং (২২) নাসির হাং (৪২) নাছিমা বেগম(৪০) গেন্দু হাং (৫৭)কে আসামী করে মামলা দায়ের করেন। বিজ্ঞ আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে এফ আই আর গ্রহন করে স্কুল ছাত্রীকে উদ্ধারের আদেশ প্রদান করেন।

    মামলা দায়ের করার পর মামলার আসামীরা স্কুল ছাত্রীর পিতা মামলার বাদী জামাল হোসেনকে ও তার পরিবারের সদস্যদের মামলা তুলে নেয়ার হুমকি দিতেছেন বলে সাংবাদিকদের জানান।

    এ ব্যপারে আমতলী থানার ওসি (তদন্ত) মনোরঞ্জন মিস্ত্রী মুঠোফোনে জানান, আদালতের আদেশ প্রাপ্তি সাপেক্ষ আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • রাষ্ট্রপক্ষ মিন্নির জামিনের বিরুদ্ধে আপিল করবে

    রাষ্ট্রপক্ষ মিন্নির জামিনের বিরুদ্ধে আপিল করবে

    দেশজুড়ে ব্যাপক রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় তার স্ত্রী ও প্রধান সাক্ষী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিকে হাইকোর্টের দেয়া জামিনের বিরুদ্ধে আপিল করবে রাষ্ট্রপক্ষ।

    রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. সারোয়ার হোসাইন বাপ্পী রায়ের পর বলেন, আমরা এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

    বৃহস্পতিবার মিন্নিকে জামিন দিয়ে হাইকোর্টের দেয়া রায়ের পর আদালত প্রাঙ্গণে গণমাধ্যমকে তিনি এ কথা বলেন।

    সারোয়ার হোসাইন বাপ্পী বলেন, মিন্নিকে কেন জামিন দেয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছিলেন আদালত। সে রুল যথাযথ ঘোষণা করে জামিন দিয়েছেন আদালত। যেহেতু তিনি (মিন্নি) নারী এবং তার বাবার জিম্মায় থাকবেন, মিডিয়ার সঙ্গে কথা বলতে পারবেন না, তাই তাকে জামিন দেয়া হয়েছে। তবে এ জামিনের শর্তের অপব্যবহার করলে জামিন বাতিল হয়ে যাবে।

    রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী বলেন, মিন্নির বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ ছিল। সে যে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছিলেন, সেখানে নিজেকে ষড়যন্ত্রকারী হিসেবে সম্পৃক্ত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। নয়ন বন্ডের সঙ্গে মিন্নির ঘটনার আগে ও পরে ১৩ বার ফোনালাপও হয়েছে। যাই হোক, আদালত তবু তাকে জামিন দিয়েছেন।

    বৃহস্পতিবার দুপুরে বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ দুই শর্তে মিন্নিকে জামিন দেন।

    মিন্নির জামিন প্রশ্নে হাইকোর্টের দেয়া রুলের ওপর শুনানি বুধবার শেষ হয়। শুনানি শেষে এ বিষয়ে রায়ের জন্য আজকের দিন ধার্য রেখেছিলেন হাইকোর্ট। সে অনুযায়ী আজ রায় দিলেন আদালত।

    আদালতে মিন্নির জামিন আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জেডআই খান পান্না, তাকে সহযোগিতা করেন আইনজীবী মশিউর রহমান, মাক্কিয়া ফাতেমা, জামিউল হক ফয়সাল। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন আইনজীবী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. সারোয়ার হোসেন বাপ্পী।

    রায় শেষে মিন্নির আইনজীবী জেডআই খান পান্না আদালত চত্বরে গণমাধ্যমকে এ বিষয়ে ব্রিফ করেন। তিনি জানান, এ মামলার অভিযোগপত্র দেয়ার আগেই মিন্নিকে নিয়ে পুলিশ সুপারের সংবাদ সম্মেলনের ব্যাপারেও আদালত নির্দেশনা দিয়েছেন। তাতে আদালত বলেছেন, গ্রেফতার ব্যক্তিকে গণমাধ্যমের সামনে তুলে ধরা আইনসম্মত নয়।

  • গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে পারবেন না মিন্নি

    গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে পারবেন না মিন্নি

    বরগুনার চাঞ্চল্যকর রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নিকে দুই শর্তে স্থায়ী জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। এই দুই শর্ত ভঙ্গ করলে তার জামিন বাতিল হবে বলে আদেশে উল্লেখ করেছেন আদালত।

    মিন্নির জামিনে আদালতের দেয়া দুই শর্ত হলো- এক. মিন্নি কোনো গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে পারবেন না। দুই. তাকে তার বাবার জিম্মায় থাকতে হবে।

    মিন্নিকে কেন জামিন দেয়া হবে না -এ মর্মে জারি করা রুলের চূড়ান্ত শুনানি শেষে বৃহস্পতিবার (২৯ আগস্ট) দুপুরে হাইকোর্টের বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ জামিন দিয়ে রায় ঘোষণা করেন।

    রায়ে আদালত বলেন, তদন্ত প্রক্রিয়া যেহেতু শেষের দিকে এবং এ অবস্থায় তদন্ত প্রভাবিত করার কোনো সুযোগ নেই। তাই আমরা জামিন মঞ্জুর করলাম।

    পরে মিন্নির আইনজীবী জেড আই খান পান্না বলেন, ‘মিন্নির বয়স, সে একজন নারী, তার সংশ্লিষ্টতা কতটুকু আছে এবং যে পদ্ধতিতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি নেয়া হয়েছে, যেভাবে মিন্নিকে আদালতে পেশ করার সময় তার পক্ষে কোনো আইনজীবী ছিলেন না, এফআইআর-এ তার নাম নেই এবং এ মামলার একমাত্র স্বাক্ষী -এসব বিবেচনায় নিয়ে তাকে জামিন দেয়া হয়েছে।’

    শুনানিতে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জেডআই খান পান্নাকে সহযোগিতা করেন আইনজীবী মশিউর রহমান, মাক্কিয়া ফাতেমা, জামিউল হক ফয়সাল। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন আইনজীবী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. সারোয়ার হোসেন বাপ্পী।

    পুলিশ সুপার সম্পর্কেও আদালত একটি অবজারভেশন দিয়েছেন। আদালত বলেছেন, মিন্নি দোষ স্বীকার করার আগেই ‘দোষ স্বীকার করেছেন’ বলে পুলিশ সুপার যে পদ্ধতিতে প্রেস ব্রিফিং করেছেন সেটা দুঃখজনক ও অনভিপ্রেত।

    আদালত আরও বলেন, এ পদে থেকে একজন দায়িত্বশীল ব্যক্তি এ ধরনের কোনো বক্তব্য দিতে পারেন না। যা তদন্ত কার্য এবং বিচারকার্যে বিঘ্ন ঘটাতে পারে।

    ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সরওয়ার হোসাইন বাপ্পী বলেন, মিন্নিকে কেন জামিন দেয়া হবে না -তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছিলেন আদালত। সে রুল যথাযথ ঘোষণা করে আজ (বৃহস্পতিবার) মিন্নিকে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। যেহেতু সে নারী এবং তার বাবার জিম্মায় থাকবে, তাই তাকে জামিন দেয়া হয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, তবে সে এ জামিনের অপব্যবহার এবং মিডিয়ার সঙ্গে কথা বলতে পারবেন না। সে যদি জামিনের শর্ত অপব্যবহার করে তাহলে নিম্ন আদালত তার জামিন বাতিল করতে পারবেন। উই ভেরি শকড (আমরা মর্মাহত)। আমরা এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

    গত ২৬ জুন বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করা হয় রিফাত শরীফকে। ওই ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে দেখা যায়, সাব্বির আহমেদ ওরফে নয়ন বন্ড ও রিফাত ফরাজী তাকে রামদা দিয়ে কোপাচ্ছেন। ঘটনার দিন থেকেই নিখোঁজ হন তারা।

    ছয়দিন পর গত ২ জুলাই নয়ন বন্ড পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হন। পরে রিফাত ফরাজীকে গ্রেফতার দেখায় পুলিশ। এ মামলায় রিফাত শরীফের স্ত্রী মিন্নিকেও জিজ্ঞাসাবাদ শেষে গ্রেফতার দেখায় পুলিশ।

  • জামিন পেলেন মিন্নি

    জামিন পেলেন মিন্নি

    বরগুনার রিফাত শরীফ হত্যা মামলার প্রধান সাক্ষী থেকে আসামি বনে যাওয়া তারই স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিকে জামিন দিয়েছে হাইকোর্ট।

    মিন্নির জামিন প্রশ্নে জারি করা রুল যথাযথ ঘোষণা করে বৃহস্পতিবার এই রায় দেন বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ।

    মিন্নির পক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জেড আই (জহিরুল ইসলাম) খান পান্না। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে জামিনের বিরোধিতা করে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সারওয়ার হোসেন বাপ্পি।

    এর আগে বুধবার মিন জামিন প্রশ্নে হাইকোর্টের রুলের ওপর শুনানি শেষ হয়।

    বৃহস্পতিবারের রায়ে আদালত বলেন, জামিনে থাকা অবস্থায় মিন্নি তার বাবার জিম্মায় থাকবেন। এই সময় তিনি গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে পারবেন না। এর ব্যত্যয় ঘটলে জামিন বাতিল হবে।

    গত ২০ আগস্ট মিন্নির জামিন আবেদনের ওপর শুনানি নিয়ে কেন তাকে জামিন দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছিল হাইকোর্টের এই বেঞ্চ। রুলের পাশাপাশি মামলার যাবতীয় নথিসহ তদন্ত কর্মকর্তাকে (আইও) তলব করেছিল হাইকোর্ট। একই সঙ্গে মিন্নির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনের বক্তব্যের বিষয়ে বরগুনার পুলিশ সুপার মারুফ হোসেনকে ব্যাখ্যা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল হাইকোর্ট।

    আদালতে নেওয়ার আগেই রিফাত হত্যায় মিন্নির সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে বরগুনার পুলিশ সুপার গণমাধ্যমে যে বক্তব্য দিয়েছেন, মামলার তদন্ত পর্যায়ে এমন বক্তব্য দেওয়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করে এর যৌক্তিকতা নিয়ে ওই দিন প্রশ্ন তুলেছিল আদালত। এ ছাড়া বিভিন্ন সময় আসামিকে হাজির করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংবাদ সম্মেলন করারও সমালোচনা করে হাইকোর্ট। এরই ধারাবাহিকতায় তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন কবির গতকাল আদালতে হাজির হয়ে মামলার যাবতীয় নথি উপস্থাপন করেন। এ ছাড়া পুলিশ সুপারের পক্ষে ব্যাখ্যা দেয় রাষ্ট্রপক্ষ।

    জামিন পেতে গত ১৮ আগস্ট হাইকোর্টের এই বেঞ্চে আইনজীবীদের মাধ্যমে আবেদন করেন মিন্নি। এর আগে গত ৮ আগস্ট বিচারপতি শেখ মো. জাকির হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত হাইকোর্টের একটি অবকাশকালীন বেঞ্চ মিন্নির জামিন প্রশ্নে কোনো আদেশ না দিয়ে রুল দিতে চাইলে আবেদনটি ফিরিয়ে নেন তার আইনজীবী জেড আই খান পান্না।

    এরও আগে নিম্ন আদালতে দুই দফা জামিনের আবেদন নামঞ্জুর হওয়ার পর গত ৫ আগস্ট প্রথম দফায় হাইকোর্টে আইনজীবীর মাধ্যমে জামিনের আবেদন করেন মিন্নি। গত ২১ জুলাই বরগুনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মিন্নির জামিনের আবেদন নামঞ্জুর হয়। এরপর ৩০ জুলাই বরগুনার জেলা ও দায়রা জজ আদালতও তার জামিনের আবেদনে সাড়া দেয়নি।

    গত ২৬ জুন বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে প্রকাশ্যে স্ত্রী মিন্নির সামনে রিফাত শরীফ খুন হওয়ার পরদিন ১২ জনকে আসামি করে মামলা করা হয়। এরই মধ্যে এ হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী সাব্বির আহমেদ ওরফে নয়ন বন্ড পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়। পরে নিহত রিফাতের বাবা আবদুল হালিম দুলাল শরীফ অভিযোগ করেন, মিন্নির সঙ্গে নয়ন বন্ডের সম্পর্ক ছিল এবং তার ছেলে হত্যায় পুত্রবধূ মিন্নিরও সংশ্লিষ্টতা ছিল। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৬ জুলাই সকালে বরগুনার পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে দিনভর জিজ্ঞাসাবাদের পর সন্ধ্যায় রিফাত হত্যাকাণ্ডে সংশ্লিষ্টতার প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়ার কথা জানিয়ে মিন্নিকে গ্রেপ্তারের কথা জানায় বরগুনার পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন।

    রিমান্ডে নেওয়ার পর ১৯ জুলাই পুলিশ জানায়, রিফাত হত্যার সংশ্লিষ্টতায় মিন্নি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। তবে বাবা মোজাম্মেল হোসেন দাবি করেন, জবরদস্তি ও তড়িঘড়ি করে মিন্নির কাছ থেকে জবানবন্দি নেওয়া হয়েছে।

  • ট্যুরিস্ট পুলিশ মলিস্নক ফখরুল ইসলাম কে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান মোয়াজ্জেম হোসেন ভূঁঞা

    ট্যুরিস্ট পুলিশ মলিস্নক ফখরুল ইসলাম কে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান মোয়াজ্জেম হোসেন ভূঁঞা

    তানজিম হোসাইন রাকিব:

    আজ ২৬/০৮/২০১৯ খ্রিঃ ডিআইজি ট্যুরিস্ট পুলিশ মলিস্নক ফখরুল ইসলাম বিপিএম,পিপিএম মহোদয় পুলিশ অফিসার্স মেস বরিশালে  আগমন করেন।

    Image may contain: 3 people, people standing

    তার বরিশালে আগমন উপলক্ষে উপ-পুলিশ কমিশনার দক্ষিণ জনাব মোয়াজ্জেম হোসেন ভূঁঞা ফুলের শুভেচ্ছা জানান।

    Image may contain: 8 people, people standing, child and outdoor

    এসময়ে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার সদর-দপ্তর (পুলিশ সুপার) জনাব খাঁন মুহাম্মদ আবু নাসের সহ অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।

    Image may contain: one or more people, people standing, tree, shoes, child and outdoor

  • নুসরাতের ঘটনায় মাদরাসা কমিটির অবহেলা পায়নি তদন্ত কমিটি

    নুসরাতের ঘটনায় মাদরাসা কমিটির অবহেলা পায়নি তদন্ত কমিটি

    আগুনে পুড়িয়ে মাদরাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে হত্যার ঘটনায় ফেনীর সোনাগাজী মাদরাসা কমিটির তৎকালীন সভাপতি এনামুল করিমের দায়িত্বে কোনো অবহেলা পায়নি তদন্ত কমিটি। হাইকোর্টে এমন প্রতিবেদন দাখিল করেছেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার (অতিরিক্ত)।

    জাগো নিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট কোর্টের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার এ বি এম আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার।

    তিনি বলেন, এ বিষয়ে আজ শুনানির জন্য দিন ধার্য রয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তিনি চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার নাম বলতে পারেননি।

    চলতি বছরের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসার আলিম পরীক্ষার্থী নুসরাত জাহান রাফিকে যৌন নিপীড়নের দায়ে মাদরাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে ৬ এপ্রিল ওই মাদরাসার সাইক্লোন শেল্টারের ছাদে নিয়ে অধ্যক্ষের সহযোগীরা নুসরাতের শরীরে আগুন ধরিয়ে দেয়। টানা পাঁচদিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ে মারা যান তিনি।

    এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান নোমান বাদী হয়ে অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলাসহ আটজনের নাম উল্লেখ করে সোনাগাজী মডেল থানায় মামলা করেন। পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলাসহ ১৬ জনের সর্বোচ্চ শাস্তির সুপারিশ করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

    এ মামলায় মাদরাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলা, নুর উদ্দিন, শাহাদাত হোসেন শামীম, উম্মে সুলতানা পপি, কামরুন নাহার মনি, জাবেদ হোসেন, আবদুর রহিম ওরফে শরীফ, হাফেজ আবদুল কাদের ও জোবায়ের আহমেদ, এমরান হোসেন মামুন, ইফতেখার হোসেন রানা ও মহিউদ্দিন শাকিল আদালতে হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।