Category: প্রশাসন

  • বরিশাল কোস্টগার্ডের অভিযানে কোটি টাকার অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ

    বরিশাল কোস্টগার্ডের অভিযানে কোটি টাকার অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ

    বরিশালে কোস্টগার্ডের অভিযানে কোটি টাকার অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ করেছে। (২৩ আগস্ট) শুক্রবার সকালে গোপন সংবাদের ভিক্তিতে নদীপথে অভিযান পরিচালনা করে এমবি মায়ের দোয়া নামক মালবাহী জাহাজ থেকে ১৮ বস্তা (৫লক্ষ ৪০হাজার মিটার) প্রায় ১ কোটি ৮লাখ টাকার অবৈধ জাল জব্দ করা হয়।

    তবে অভিযানে সময় মালবাহী জাহাজের তিন জনকে আটক করেন কোস্টগার্ড । পরে আটককৃতদের ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করে মুচলেকা রেখে ছেড়ে দেয়া হয়।

    আটককৃত জাহাজটিকে জব্দ করা হয়েছে বলে জানান জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস.এম. রবিন শীষ।

    কোস্টগার্ডের রসুলপুর কোস্টগার্ড কন্টিনজেন্ট কমান্ডার এনামুল হক জানান, গোপন সংবাদের ভিক্তিকে সকালে হিজলা উপজেলার আড়িয়াল খাঁ নদীতে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে ৫ লাখ ৪০ হাজার মিটার অবৈধ জাল জব্দ করা হয়। যার বাজারমূল্য আনুমানিক ১ কোটি ৮লাখ
    টাকা।

    তিনি আরো জানান, জব্দ করা অবৈধ জাল সকলের উপস্থিতে পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। এসময় উপস্থিত ছিলেন, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস এম রবিন শীষ, বরিশাল মৎস্য কর্মকর্তা সঞ্জীব সন্যামত, সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা জয়নাল।

  • পটুয়াখালীতে কিশোরী ধর্ষণ মামলার দুই আসামি গ্রেফতার

    পটুয়াখালীতে কিশোরী ধর্ষণ মামলার দুই আসামি গ্রেফতার

    পটুয়াখালীর কলাপাড়া পৌর শহরের ১নং ওয়ার্ড নাচনাপাড়া এলাকায় বাসন্তী মন্ডল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পাস করা এক ছাত্রীকে (১৩) মুখ চেপে একটি পরিত্যক্ত ঘরে নিয়ে দুই বখাটে ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (২২ আগষ্ট) রাতে এ ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে রাতে দুইজনকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করেছেন। রাতেই অভিযান চালিয়ে আসামি জুয়েল(২০) ও মিঠুকে (২০) গ্রেফতার করেছে কলাপাড়া থানা পুলিশ।

    শুক্রবার (২৩ আগস্ট) সকালে নির্যাতনের শিকার শিক্ষার্থীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য পটুয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ধর্ষক জুয়েল ও মিঠুকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

    কিশোরীর মা জানান, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তিনি মেয়ে ও ছোট ছেলেকে ঘরে রেখে বাড়ির পাশ্ববর্তী একটি পুকুরে গোসল করতে যান। এ সময় ছোট ছেলে কান্নাকাটি করায় ছেলে মেয়েকে বাড়ি পাঠিয়ে দেন তিনি। ছোট ভাইকে নিয়ে বাসায় ফেরার পথে জুয়েল ও মিঠু তার মেয়ের মুখ চেপে পাশ্ববর্তী একটি পরিত্যক্ত তালাবদ্ধ টিনসেড ঘরের পিছনের দরজা ভেঙ্গে ভিতরে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। তিনি গোসল শেষে বাসায় ফিরে মেয়েকে না পেয়ে প্রতিবেশীদের নিয়ে খুঁজতে বের হন। তখন ওই দুই ধর্ষক মেয়েকে ফেলে পালিয়ে যায়।

    কিশোরীর বাবা জানান, তার মেয়ে বাসন্তী মন্ডল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে গত বছর পঞ্চম শ্রেণি পাস করে। মেয়েকে পড়ানোর টাকা না থাকায় এ বছর আর তাকে ক্লাস সিক্সে ভর্তি করতে পারেননি। মেয়ে বাসায় মায়ের কাজে সাহায্য করতো। এ সুযোগে তার মেয়েকে দীর্ঘদিন ধরে জুয়েল ও মিঠু উত্ত্যক্ত করে আসছে। তাদের বখাটেপনার ভয়ে মেয়েকে বাসস্ট্যান্ড এলাকায় বোনের বাসায় রেখে এসেছিলেন। গত কোরবানীর ঈদে মেয়ে বাসায় আসে। আজ (বৃহস্পতিবার রাতে) মেয়ের সর্বনাশ করলো তারা। এ ঘটনায় জড়িতদের তিনি শাস্তি দাবি করেন।

    এলাকাবাসী জানায়, জুয়েল ও মিঠু দুজনেই মাদকসেবী। জুয়েল কিছুদিন আগে বিয়ে করেছে। এলাকায় তারা বখাটে ছেলে হিসেবে পরিচিত। কোনো কাজকর্ম না করলেও তারা দিব্যি ঘুরে বেড়ায়। তারা এ দুজনেরই শাস্তি দাবি করেন।

    এ ব্যাপারে কলাপাড়া থানার ওসি (তদন্ত) মো. আসাদুর রহমান জানান, কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করায় রাতেই অভিযান চালিয়ে দুই আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে গ্রেফতারকৃত দুইজনকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। কিশোরীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য পটুয়াখালী জেলারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

  • খুলনায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে সাংবাদিক গ্রেফতার

    খুলনায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে সাংবাদিক গ্রেফতার

    খুলনা প্রতিনিধি// জান্নাতুল ফেরদৌস:

    ফেসবুকে মানহানিকর পোস্ট দেয়ার অভিযোগে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে শাহীন রহমান (৪২) নামে এক সাংবাদিককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার বিকেলে তাকে ঢাকা থেকে খুলনা সদর থানায় আনা হয়েছে। এর আগে সকাল ৯টার দিকে ঢাকার নাখালপাড়া এলাকা থেকে খুলনা সদর থানা পুলিশের একটি টিম তাকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতার শাহীন রহমান খুলনা মহানগরীর বাগমারা মেইন রোড এলাকার ২ নম্বর রোডের ৯৫ নম্বর বাড়ির আব্দুর রহমান চৌধুরীর ছেলে। তিনি স্থানীয় একটি অনলাইন নিউজ পোর্টালের সম্পাদক। খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার (খুলনা জোন) মো. কামরুজ্জামান বলেন, শাহীন রহমান দীর্ঘদিন ধরে বিশিষ্ট রাজনীতিক, সামাজিক মর্যদা সম্পন্ন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফেসবুকে কুৎসা রটনা করছিলেন। সর্বশেষ খুলনা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও এটিএন বাংলার খুলনা বিভাগীয় প্রধান এস এম হাবিবের নামে অপ্রচার চালান। এ ঘটনায় গত ৯ আগস্ট ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে এস এম হাবিব মামলা করেন। ওই মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, এছাড়াও শাহীনের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে আদালতে আরও একটি মামলা রয়েছে। পুলিশ এসব বিষয়ে আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ নিচ্ছে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা খুলনা সদর থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) সাইদুল জানান, ফেসবুকে কুৎসা রটানোর অভিযোগে শাহীন রহমান নামে এক ব্যক্তিকে ঢাকা থেকে গ্রেফতার করে খুলনায় আনা হয়েছে। তাকে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

  • বরিশাল শিক্ষাবোর্ডে ১৮ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে প্রশ্নবিদ্ধ শাস্তি!

    বরিশাল শিক্ষাবোর্ডে ১৮ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে প্রশ্নবিদ্ধ শাস্তি!

    বরিশাল শিক্ষাবোর্ড কর্তৃক চলতি বছরের এইচ.এস.সি’র ফলাফল অপ্রকাশিত ১৮ জন পরীক্ষার্থীর বিরুদ্ধে গৃহীত শাস্তি জনমনে দেখা দিয়েছে নানান প্রশ্ন। দুশ্চিন্তা আর হতাশায় ইতিমধ্যে অভিযুক্ত এক শিক্ষার্থীর মা অসুস্থ হয়ে রাহাত আনোয়ার হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। অপরদিকে বোর্ড কর্তৃপক্ষের প্রশ্নবিদ্ধ সিদ্ধান্তে অন্ধকারে তলিয়ে যাচ্ছে অভিযুক্ত ১৮ শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবন।
    এদিকে সন্তানদের শিক্ষাজীবন ফিরে পেতে ভুক্তভোগী অভিভাবকরা দক্ষিণ বাংলার অভিভাবক পার্বত্য শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক (মন্ত্রী) আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ ও বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর সাথে দেখা করেছেন।
    সুত্রে জানা গেছে, চলতি আগস্ট মাসের ১৪ তারিখ বরিশাল বোর্ডের শৃঙ্খলা কমিটির ৩৪তম সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বোর্ডের ওয়েব সাইটে জানানো হয় নিয়ম বর্হিভুতভাবে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ ও উত্তরপত্র জালিয়াতি প্রমাণিত হওয়ায় ১৯৮০সালের ৪২ নং আইনের ৮ ধারা মোতাবেক শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পাশাপাশি অভিযুক্ত শিক্ষার্থীদের “ঘ” শ্রেণীভুক্ত দোষী সাব্যস্ত করে ঐ বছরের অনুষ্ঠিত পরীক্ষা বাতিলসহ পরবর্তী ৩ বছরের জন্য পরীক্ষা দেয়ার অনুমতি পাবেনা। এদিকে উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট পরীক্ষা সংক্রান্ত নীতিমালা ২০১৯ অনুযায়ী অপরাধ ও শাস্তি শিরোনামের ১৮ নং ক্রমিকের “ঘ” ধারায় উল্লেখ রয়েছে যে, পরীক্ষার্থী কর্তৃক পরীক্ষা ভবনের বাইরে অন্যের দ্বারা লিখিত উত্তরপত্র বা লিখিত অতিরিক্ত উত্তরপত্র দাখিল করা এবং উক্ত শিরোনামের ২০ নং ক্রমিকে আরো রয়েছে নিয়ম বর্হিভুতভাবে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা অপরাধ বিবেচিত হবে।
    এনিয়ে একাধিক ভুক্তভুগী অভিভাবক বলেন, শিক্ষার্থীদের খাতায় অন্যের দ্বারা লিখিত বলে বোর্ড কর্তৃপক্ষ “ঘ” ধারায় যে শাস্তি দিয়েছে প্রকৃতপক্ষে তা আমাদের সন্তানদের ক্ষেত্রে সঠিক নয়। কারণ, আমাদের ফলপ্রার্থী সন্তানদেরকে যখন শৃঙ্খলা কমিটি জিজ্ঞেসাবাদ করে তখন হাতের লেখা পরীক্ষা করে কোন অমিল পায়নি এবং তাদের খাতায় নিজ নিজ হাতের লেখা রয়েছে বলে প্রমাণিত হয়েছে।
    এসময় অভিভাবকরা আরো বলেন, একই ঘটনায় আনিত অভিযোগের ভিত্তিতে বোর্ডের জনবল গৌতমকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। কারণ অভিযোগ প্রমাণ করার ক্ষেত্রে তদন্তের নিয়ম রয়েছে। আর তদন্ত সঠিকভাবে পরিচালনার জন্যই অভিযুক্তকে তার দ্বায়িত্ব থেকে দুরে রাখার জন্য সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়। সেক্ষেত্রে তাকে সরাসরি স্থায়ীভাবে বহিস্কারও করা হয়নি কারণ তদন্তের ফলাফলকে কেন্দ্র করেই চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। কিন্তু আমাদের এই ১৮ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে প্রধান পরীক্ষকের আনিত অভিযোগের ব্যাপারে তদন্ত ছাড়াই স্থায়ীভাবে শাস্তির সিদ্ধান্ত গৃহীত হলো কিভাবে?
    তার কোন সঠিক ব্যাখ্যা বোর্ড কর্তৃপক্ষ জানায়নি। এককথায় শিক্ষার্থীদের অপরাধ প্রমাণের কোন পদ্ধতিই তারা গ্রহণ করেননি। কেবলমাত্র প্রধান পরীক্ষক সহিদুল ইসলামের সন্দেহ ও অনুমানকে আমলে নিয়ে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন বোর্ড কর্তৃপক্ষ।
    অপরদিকে এ ব্যাপারে বরিশাল বোর্ডের উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অরুন কুমার গাইনের নিকট জানতে চাওয়া হয় যে, শিক্ষার্থীদের খাতায় অন্যের দ্বারা লেখানো হয়েছে এমন অভিযোগের ভিত্তিতে “ঘ” ধারা প্রয়োগ করা হয়েছে কিন্তু এ ব্যাপারে শিক্ষার্থীরা বলেন আমাদেরকে জিজ্ঞেসাবাদের সময় খাতা দেখানো হয়েছে এবং আমাদের হাতের লেখা পরীক্ষা করে দেখে নিশ্চিত হয়েছে যে খাতায় আমাদের হাতের লেখাই ছিলো। তাহলে কিভাবে এধারায় শিক্ষার্থীদের শাস্তির আওতায় আনলেন।
    এসময় তিনি আরো বলেন, হাতের লেখা তাদের হলেও তারা নিয়ম বর্হিভুতভাবে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে এবং “ঘ” ধারার ২০ নং ক্রমিকে তা উল্লেখ রয়েছে। কিন্তু একজন পরীক্ষার্থী শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সকল পরীক্ষা কিভাবে শেষ করলো, যদি তারা নিয়মের মধ্যে না থাকে। সেক্ষেত্রে পরীক্ষা কেন্দ্রের পরিদর্শক কিংবা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তাদের বিরুদ্ধে কি কোন অভিযোগ এনেছেন নাকি শুধুমাত্র প্রধান পরীক্ষকের অনুমান ও সন্দেহকে আমলে নেয়া হয়েছে।
    এর কোনো সদুত্তর না দিয়ে উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বলেন, আপনি এ ব্যাপারে বোর্ড চেয়ারম্যানের সাথে কথা বলেন।
    এনিয়ে বরিশাল বোর্ড চেয়ারম্যানকে একাধিকবার ফোন করা হলে তিনি তা রিসিভ করেননি।
    এদিকে শৃঙ্খলা বোর্ডের সদস্য বরিশাল আলেকান্দা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মো: নাসির উদ্দিন বলেন, আমি শৃঙ্খলা কমিটিতে ছিলাম তবে ঐ কমিটির প্রধান বোর্ড চেয়ারম্যান নিজেই। যদি আপনাদের কিছু জানতে হয় তাহলে তার সাথে যোগাযোগ করেন। এব্যাপারে আমি কোন কথা বলবোনা।
    কিন্তু শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ কিভাবে কিংবা কোন পদ্ধতিতে প্রমাণ করলেন জানতে চাইলে, এর কোনো উত্তর নাদিয়ে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন।
    এদিকে ১৮ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগের ব্যাপারে প্রধান পরিক্ষক মোঃ শহিদুল বলেন, আমি গণিত ১ম পত্রের যে নমুনা উত্তর পত্র বোর্ডে জমা দিয়েছি তার সাথে ওই ১৮ শিক্ষার্থীর খাতার হুবহু মিল দেখতে পাই। এমনকি অনেক শিক্ষার্থীর খাতার উত্তরের সাথে ভাষাগতও মিল রয়েছে, যে কারণে আমার সন্দেহ হয়েছে। কারণ উত্তর প্রদাণের ক্ষেত্রে উত্তর একই হতে পারে কিন্তু ভাষাগত মিল সকল খাতার ক্ষেত্রে একই হয় কিভাবে? এসময় প্রতিবেদক বলে, যেহেতু গণিত বিষয়ে পরীক্ষা হয়েছে সেক্ষেত্রে নিজের মতো করে উত্তর প্রদাণের কোন সুযোগ থাকেনা। কারণ নির্দিষ্ট সুত্র মেনেই সকলকে অংকের উত্তর প্রদাণ করতে হয়।
    আর বরিশাল বোর্ডে অংকে ৫০ এ ৫০ পেয়েছে এমন নজিড় কি আদৌ নেই বা এবছরও এমনটি হয়নি। শুধু তাই নয়, কোন শিক্ষার্থী কেন তার অতিরিক্ত বিষয়ে (ফোর সাবজেক্ট) জালিয়াতি করবেন?
    ঔ বিষয়ে অকৃতকার্য হলেও তার মূল ফলাফলে কোন প্রভাব ফেলবেনা। আর আপনি নিজেও তো অনেক শিক্ষার্থীদের প্রাইভেট পড়ান, সেক্ষেত্রে আপনার তৈরী করা নমুনা উত্তরপত্র শিক্ষার্থীদের খাতার সাথে এক হওয়া তো অস্বাভাবিক নয়।
    এ ব্যাপারে কোন সদুত্তর মেলেনি। এনিয়ে বরিশাল বোর্ডের নিরীক্ষক আবু সুফিয়ান বলেন, আমি যখন শিক্ষার্থীদের খাতা নিরীক্ষা করি তখন কোন অসঙ্গতি দেখিনি, এমনকি খাতায় কোন বিশেষ দাগ নেই।
  • সেনাবাহিনীর গাড়িতে গুলি, পাল্টা গুলিতে নিহত ১

    সেনাবাহিনীর গাড়িতে গুলি, পাল্টা গুলিতে নিহত ১

    রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িতে সেনাবাহিনীর গাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় সেনাবাহিনীর গুলিতে সুমন চাকমা ওরফে কসাই চাকমা নামে এক সন্ত্রাসী নিহত হয়েছেন।

    শুক্রবার (২৩ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার সাজেক থানাধীন সীমানাছড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

    নিহত সুমন চাকমা ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ) সশস্ত্র গ্রুপের সদস্য এবং দেড় বছর আগে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত রাঙ্গামাটির নানিয়ারচর উপজেলা চেয়ারম্যান শক্তিমান চাকমা হত্যা মামলার আসামি বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

    বিষয়টি নিশ্চিত করে রাঙ্গামাটির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) ছুফিউল্লাহ জানান, আজ সকালে উপজেলার সীমানাছড়া এলাকার উজোবাজারে দুই দল সশস্ত্র সন্ত্রাসীর মধ্যে বন্দুকযুদ্ধের খবর পেয়ে সেনাবাহিনীর একটি টহল দল ওই এলাকায় যায়। এ সময় সন্ত্রাসীরা সেনাবাহিনীর গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি বর্ষণ করে। একটি গুলিতে গাড়ির কাঁচ এবং আরেকটি গুলিতে গাড়ির বডি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ সময় সেনা সদস্যরাও পাল্টা গুলি ছুড়লে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। পরে সেখানে সুমন চাকমা ওরফে কসাই সুমন নামে এক সন্ত্রাসীর মরদেহ পাওয়া যায়।

    এ বিষয়ে ইউপিডিএফের খাগড়াছড়ি জেলা সংগঠক অংগ্য মারমা বলেন, নিহত সুমন আমাদের সাবেক কর্মী।

    সাজেক থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইসরাফিল মজুমদার জানান, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

  • বরিশালে ঘরে আটকে নারীকে গণধর্ষণ, গ্রেফতার ২

    বরিশালে ঘরে আটকে নারীকে গণধর্ষণ, গ্রেফতার ২

    বরিশাল নগরীতে আশ্রয়দাতার ঘরে হামলা চালিয়ে এক (২৫) নারীকে গণধর্ষণ করা হয়েছে। স্থানীয় ৪ থেকে ৫ যুবক ঘরের ভেতরে আটকে নারীকে ধর্ষণ করেছে।

    তাদের মধ্যে ফরিদ ও আল-আমিন নামে দুই যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার (২১ আগস্ট) রাতে বরিশাল নগরীর ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের ইসলামপাড়া এলাকায়।

    এই ঘটনায় রাতেই ৬ জনকে অভিযুক্ত করে থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে দুজনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

    গ্রেফতার ফরিদ বরগুনার আমতলী উপজেলার ইব্রাহিমের ছেলে এবং আল-আমিন পটুয়াখালীর পাঙ্গাশিয়া গ্রামের কবির হাওলাদারের ছেলে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ইসলামপাড়া এলাকার বাসিন্দা জুয়েল মল্লিক ও তার স্ত্রী লাকির কাছে এক নারী এসে থাকার স্থান চাইলে তাকে আশ্রয় দেওয়া হয়। কিন্তু নারীর বিরুদ্ধে অসামাজিক কার্যক্রমের অভিযোগ এনে বুধবার রাতে ফরিদ ও আল আমিনসহ ৪ থেকে ৫ যুবক তাদের বাড়িতে হামলা চালায়। একপর্যায়ে তারা আশ্রয়দাতা জুয়েলকে মারধর করে ঘরের একটি কক্ষে আটকে রাখে। এবং পাশের আরেকটি কক্ষে নিয়ে ওই তরুণীকে ধর্ষণ করে যুবকেরা। এমনকি তারা আশ্রয়দাতাকে বিবস্ত্র করে ওই তরুণীর সঙ্গে বসিয়ে ভিডিওচিত্র ধারণ করে। পরে তারা ওই তরুণীকে নিয়ে চলে যায়।

    এই ঘটনায় রাতেই আশ্রয়দাতা জুয়েল মল্লিক বাদি হয়ে বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি মডেল থানায় একটি অভিযোগ করেন। সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতে পুলিশ রাতেই অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের একজন ফরিদকে গ্রেফতার করে।

    পরবর্তীতে বৃহস্পতিবার দুপুরে এই মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা কোতয়ালি মডেল থানার ওসি (তদন্ত) মো. আসাদুজ্জামান অভিযান চালিয়ে অপরজন আল আমিনকে গ্রেফতার করেন।

    ওসি আসাদুজ্জামান জানান, এই ঘটনায় বাকী অভিযুক্তদেরও গ্রেফতারে পুলিশ মাঠে কাজ করছে। কিন্তু ঘটনার পরপর পালিয়ে যাওয়ার কারণে গ্রেফতার করতে সময় লাগছে।

  • রিফাত হত্যা মামলা: চার্জশিট দাখিল আগামী ৩ সেপ্টেম্বর

    রিফাত হত্যা মামলা: চার্জশিট দাখিল আগামী ৩ সেপ্টেম্বর

    বরগুনার আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়া শেষে জেলহাজতে থাকা ১৪ অভিযুক্তকে আদালতে হাজির করেছে পুলিশ। মামলার দিন ধার্য থাকায় বৃহস্পতিবার সকালে বরগুনার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. সিরাজুল ইসলাম গাজীর আদালতে তাদের হাজির করা হয়। পরে আদালতের কার্যক্রম শেষে সব অভিযুক্তকে আবার জেলহাজতে পাঠানো হয়।

    আগামী ৩ সেপ্টেম্বর এ মামলার পরবর্তী দিন ধার্য করা হয়েছে জানিয়ে আসামি পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট গোলাম মোস্তফা কাদের বলেন, আজ এ মামলার চার্জশিট দাখিল করার কথা থাকলেও পুলিশ আদালতে চার্জশিট দাখিল করেনি। তাই আগামী ৩ সেপ্টেম্বর এ মামলার চার্জশিট দাখিলের দিন ধার্য করেছেন আদালত।

    এ বিষয়ে বাদী পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মজিবুল হক কিসলু বলেন, আজ আদালতে পুলিশ চার্জশিট দাখিল করেনি। পরবর্তী তারিখ বা তার আগেই পুলিশ আদালতে চার্জশিট দাখিল করতে পারে বলেও জানান তিনি।

    এছাড়াও এ মামলার আসামি আরিয়ান শ্রাবণ, কামরুল ইসলাম সাইমুন এবং মো. সাগরের জামিনের আবেদন করা হলেও মূল নথি এই আদালতে না থাকায় পরবর্তীতে জামিন শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

    রিফাত শরীফ হত্যা মামলার প্রধান অভিযুক্ত নয়ন বন্ড ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়েছেন। এছাড়া এখন পর্যন্ত এ মামলার এজহারভুক্ত সাতজন আসামি এবং হত্যায় জড়িত সন্দেহে আরও আটজন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    গ্রেফতার এই ১৫ জনের সবাই রিফাত হত্যাকাণ্ডে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। আর এ মামলার এজহারভুক্ত চারজন অভিযুক্ত এখনো পলাতক রয়েছেন।

  • বরিশালে ক্লুলেজ দুর্ধর্ষ ডাকাতির রহস্য উদঘাটন : গ্রেফতার-৮, মালামাল উদ্ধার

    বরিশালে ক্লুলেজ দুর্ধর্ষ ডাকাতির রহস্য উদঘাটন : গ্রেফতার-৮, মালামাল উদ্ধার

    বরিশাল সদর উপজেলার টুঙ্গিবাড়িয়া ক্লুলেজ একটি দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। পাশাপাশি এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৬ ডাকাতসদস্যসহ ৮ জনকে গ্রেফতার এবং লুন্ঠিত বেশ কিছু মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে।

    বৃহষ্পতিবার (২২ আগষ্ট) দুপুর বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের কার্যালয়ের সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পুলিশ কমিশনার মোঃ শাহাবুদ্দিন খান-বিপিএম(বার)।

    সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, গত ১০ জুলাই দিবাগত রাতে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের বন্দর থানাধীন টুঙ্গিবাড়িয়ার ধোপাকাঠি এলাকার একটি বাড়িতে দুধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ডাকাতদলের সদস্যরা বাড়ির সবাইকে জিম্মি করে কয়েক লক্ষ টাকার মালামাল লুট করে নেয়। যে ঘটনায় মামলা দায়েরের পর সহকারী পুলিশ কমিশনার (বন্দর) প্রকৌশলী শাহেদ আহমেদ চৌধুরীর নেতৃত্বে একটি চৌকস দল তদন্তে নামে। ক্লুলেজ ওই ডাকাতির ঘটনায় বিভিন্ন মাধ্যম ব্যবহার করে এ পর্যন্ত একে একে ৬ জন ডাকাত সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়। যাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় অস্ত্র আইন, বিষ্ফোরকদ্রব্য আইন, ডাকাতিসহ একাধিক মামলা রয়েছে।

    এছাড়াও ডাকাত সদস্যদের দেয়া তথ্যানুযায়ী আরো ২ জনকে গ্রেফতার করা হয়। যারা ডাকাত সদস্যদের লুন্ঠিত চোরাই স্বর্ণ দীর্ঘদিন ধরে ক্রয় করে আসছিলো। আটককৃতরা হলো বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার দাড়িয়ালের মৃত বেলায়েত হোসেনের ছেলে ছালাম হাওলাদার (৩৫), একই উপজেলার চরামদ্দি ইউনিয়নের কাটাদিয়া এলাকার জাহাঙ্গীর হাওলাদারের ছেলে মোঃ মনির হাওলাদার (৩০), বানারীপাড়া উপজেলার মসজিদ বাড়ি এলাকার মোঃ মান্নান শেখের ছেলে মোঃ রফিকুল ইসলাম বাবুল শেখ (৪০), উজিরপুর উপজেলার উত্তর লস্করপুর এলাকার মৃত কাশেম বেপারীর ছেলে মোঃ মাছুম বেপারী (৩৫), ঝালকাঠি জেলার নলছিটি উপজেলার সূর্যপাশা এলাকার মৃত আলমগীর হাওলাদারের ছেলে মোঃ খলিল হাওলাদার (৩৫)সহ ৬ জন।

    এছাড়া ডাকাত সদস্যদের দেয়া তথ্যানুযায়ী, পিরোজপুর জেলার ভান্ডারিয়া উপজেলার ফরাজি মার্কেটের ব্যবসায়ী ও চোরাইস্বর্নের ক্রেতা আশিষ কর্মকার (৩০) এবং একই উপজেলা সদরের কর্মকার পট্টির হৃদয় জুয়েলার্সের অশোক কর্মকার (৩৮)কে গ্রেফতার করা হয়।

    তিনি বলেন, গ্রেফতারকৃতরা সকলেই আদালতের কাছে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। পাশাপাশি তাদের দেয়া তথ্যানুযায়ী ৩২ ইঞ্চি একটি এলইডি টেলিভিশন, ১ ভরি ৫ রত্তি স্বর্ণ, ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল, দা, সেলাই রেঞ্জ, স্ক্রু ড্রাইভার, শাপল, বেশ কয়েকটি মোবাইল সেট উদ্ধার ও জব্দ করা হয়।

    উল্লেখ্য, ক্লুলেজ এ ডাকাতির ঘটনার রহস্য উম্মোচন ও ডাকাত সদস্যদের গ্রেফতার অভিযানের নেতৃত্বে থাক সহকারী পুলিশ কমিশনার (বন্দর) প্রকৌশলী শাহেদ আহমেদ চৌধুরী কোতোয়ালি মডেল থানার দায়িত্বে থাকাকালীন সময়ে পারাবত লঞ্চে অভিযান চালিয়ে ৯ হাজার ৮শত পিস ইয়াবা উদ্ধার করে।

    পরবর্তীতে ওই ঘটনার সূত্র ধরে আরো ১৫ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

  • বরিশালে পর্নোগ্রাফি আইনে যুবক আটক

    বরিশালে পর্নোগ্রাফি আইনে যুবক আটক

    বরিশাল নগরীতে তরুণীকে ধর্ষণ এবং আপত্তিকর ছবি/ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে (ফেসবুক) ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

    বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে বিষয়টি জানান কোতোয়ালী মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ফিরোজ আল মামুন।

    তিনি জানান, এ ঘটনায় ভিকটিম কলেজ পড়ুয়া ছাত্রীর নানা কোতোয়ালী মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগের ভিত্তিতে নগরের বিআইপি কলোনী সংলগ্ন এলাকা থেকে রায়হান (২২) নামের ওই যুবককে আটক করা হয়।

    বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার (দক্ষিণ) মোয়াজ্জেম হোসেন ভূঞা বলেন, বিষয়টি খুবই গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে। ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি এ ঘটনার সঙ্গে যারাই জড়িত থাকবে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।

  • ঈদের দিন গণধর্ষণ : প্রধান আসামিকে গুলি করে ধরল পুলিশ

    ঈদের দিন গণধর্ষণ : প্রধান আসামিকে গুলি করে ধরল পুলিশ

    ঝিনাইদহে স্কুলছাত্রীকে গণধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি বাদশাকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    বুধবার সকাল ৬টার দিকে উপজেলার খাজুরা গ্রামের জোয়ারদারপাড়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। বাদশা ওই এলাকার বাসিন্দা।

    ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি মিজানুর রহমান খান জানান, ঈদের দিন রাতে খাজুরা গ্রামে এক স্কুলছাত্রী গণধর্ষণের শিকার হয়। সে শহরের মুক্তিযোদ্ধা মসিউর রহমান বালিকা বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণিতে পড়ে।

    তিনি বলেন, গোপন সূত্রে পুলিশ জানতে পারে এ মামলার প্রধান আসামি জোয়ারদারপাড়া এলাকায় অবস্থান করছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার সকালে সেখানে অভিযান চালানো হয়। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে বাদশা ছোরা হাতে তাদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে।

    তিনি আরও বলেন, তখন আত্মরক্ষার্থে পুলিশ শটগান দিয়ে গুলি করলে তার পায়ে লাগে। পরে সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    উল্লেখ্য, গত ১২ আগস্ট সন্ধ্যায় পাশের বাড়িতে তার মাকে খুঁজতে বের হয়ে গণধর্ষণের শিকার হন ওই ছাত্রী। তার চাচা সাংবাদিকদের জানান, ঈদের দিন সন্ধ্যায় পৌর এলাকার খাজুরা গ্রামের মুন্তাজ আলীর ছেলে বাদশা, মন্টু মন্ডলের ছেলে রুহুল আমীন ও একই গ্রামের জাফরের ছেলে মুন্নু তার ভাতিজিকে মাঠ থেকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করে। পরে ক্যাডেট কলেজের সামনের একটি আবাসন এলাকায় তাকে ফেলে যায়। এক পর্যায়ে ভূমিহীন পাড়ার এক ব্যক্তি তাকে (ভাতিজি) বাড়ি পৌঁছে দেন। এরপর সে অভিভাবকদের কাছে এ ঘটনা জানায়।

    এ ঘটনায় ঝিনাইদহ সদর থানায় তিনজনকে আসামি করে একটি মামলা করা হয়।