Category: প্রশাসন

  • বৈধ কাগজপত্র থাকলেই চালকদের ফুলেল শুভেচ্ছা পুলিশের

    বৈধ কাগজপত্র থাকলেই চালকদের ফুলেল শুভেচ্ছা পুলিশের

    ঝালকাঠিতে সড়ক ও মহাসড়কে দুর্ঘটনা প্রতিরোধে ট্রাফিক সচেতনতায় অভিযান করেছে জেলা পুলিশ। বুধবার সকালে, শহরের পেট্রোলপাম্প মোড়ে চেকপোষ্ট বসিয়ে যানবাহন চেক করা হয়। এসময়, চালকদের বৈধ কাগজপত্র থাকলে তাদেরকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান পুলিশ সুপার ফাতিহা ইয়াসমিন।

    কার্যক্রমের অংশ হিসেবে শহরের বিভিন্ন স্থানে বসানো হয়েছে ট্রাফিক পুলিশের চেকপোস্ট। মোটরসাইকেল ও যানবাহন তল্লাশী করে হেলমেট ও কাগজপত্রবিহীন চালকদের বিরুদ্ধে মামলা দেয়া হচ্ছে। আর, যাদের কাগজপত্র সঠিক এবং হেলমেট মাথায় পাওয়া যাচ্ছে তাদের শুভেচ্ছা জানানো হচ্ছে।

    পুলিশ সুপার ফাতিহা ইয়াসমিন বলেন, ‘ট্রাফিকের উপর মানুষকে সচেতন করতে আমরা এই অভিযান চালাচ্ছি। আশা করি রাস্তায় গাড়ি চলাচলের সময় সাধারণ মানুষ সাবধানে রাস্তা পার হবে।’ ঝালকাঠি জেলাকে দুর্ঘটনামুক্ত রাখার লক্ষ্যে এ কার্যক্রম অব্যহত থাকবে বলেও জানান ফাতিহা ইয়াসমিন।

  • গভীর রাতে স্ত্রীকে মেডিকেলে নেয়ার ভয়াবহ বর্ণনা দিলেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট

    গভীর রাতে স্ত্রীকে মেডিকেলে নেয়ার ভয়াবহ বর্ণনা দিলেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট

    একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তার স্ত্রীর চিকিৎসা সেবা নিতে এসে এমন বিড়ম্বনার শিকার হলে সাধারণ রোগীদের অবস্থা কী? এমন প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই।
    কুমিল্লা জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইমদাদুল হক তালুকদার। পরিচয় না দিয়ে গভীর রাতে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (কুমেক) স্ত্রীর চিকিৎসার জন্য গিয়ে বিড়ম্বনার শিকার হয়েছেন তিনি।

    এ নিয়ে ভুক্তভোগী ওই নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শুক্রবার সকালে ও বিকেলে তার ফেসবুক আইডিতে দুটি স্ট্যাটাস দেন, যেখানে বিড়ম্বনার নানা তথ্য তুলে ধরেন তিনি। এরপর থেকে এ নিয়ে রীতিমতো তোলপাড় চলছে।

    কুমিল্লা জেলা প্রশাসনের প্রথম শ্রেণির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইমদাদুল হক তালুকদার শুক্রবার সকাল ৬টা ৫৮ মিনিটে তার ফেসবুক ওয়ালে লেখেন, ’রাত ৩:৩০। আমার স্ত্রীর হঠাৎ তীব্র পেট ব্যথা। ও চিৎকার করছিল। খুব ঘাবড়ে গেলাম। ইমার্জেন্সি অ্যাম্বুলেন্সের অনেকগুলো নম্বর নিয়ে কল করতে থাকলাম। কেউ কল ধরল না।

    বড় বড় হাসপাতালের নম্বরে কল দিলাম। কেউ ধরল না। একজন দয়া করে অ্যাম্বুলেন্সের কল ধরে জানালেন তার অ্যাম্বুলেন্স ঢাকায়। পাওয়া গেল না। আমার মোটামুটি সব ড্রাইভারকে কল দিলাম। ধরল না।

    অসহায় অবস্থায় বাচ্চাকে ঘুম থেকে তুলে আমার স্ত্রীকে নিয়ে হাঁটা দিলাম ফাঁকা রাস্তায়। কিছুদূর গিয়ে একটা সিএনজি পেলাম। উনি যেতে রাজি হলেন। গেলাম কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। ইমার্জেন্সি তখন ঘুমচ্ছে।

    অনেক কষ্ট করে ডিউটি ডাক্তার সাহেবের ঘুম ভাঙানো হলো। উনি কাগজে লিখে দিয়ে ৪তলায় ৪১৭ নম্বর ওয়ার্ডে যেতে বললেন। গেলাম। ওখানে ১৫ মিনিট কাউকে পেলাম না।

    অবশেষে এক সিস্টার বা আয়া এমন কেউ এলেন। জানলাম ডাক্তার সাহেব ঘুমচ্ছেন। পাক্কা আধা ঘণ্টা ধরে দরজা নক করার পর উনি এলেন। দেখলেন। তারপর ব্যবস্থাপত্র লিখতে গিয়ে দুটো কলমই কালিশূন্য পেলেন। আবার গেলেন তার কক্ষে। গিয়ে ফিরলেন আরও ১০-১২ মিনিট পর।

    এদিকে বেশ কয়েকজন রোগী জমে গেছে। অবশেষে আমার স্ত্রীর ব্যবস্থাপত্রে ওষুধ লিখলেন- এলজিন ইঞ্জেকশন, নরমাল স্যালাইন আর খাবার স্যালাইন। মজার বিষয় হলো ডাক্তার সাহেব সঙ্গে অতিরিক্ত দুটো স্লিপ ধরিয়ে দিলেন।

    স্লিপ-১ : ৭টি টেস্টের নাম

    স্লিপ-২ : বাদুরতলার শেফা ও আজাদ ক্লিনিকের নাম।

    মুখে বলে দিলেন এই টেস্টগুলো যেন ওখান থেকেই করাই। অনেকটা আদেশের মতো। আমি ভেজা বিড়ালের মতো বললাম, জি আচ্ছা। এর মাঝে কথা হলো দেবিদ্বার থেকে আসা এক ডেঙ্গু রোগীর স্বজনের সঙ্গে। তার মহিলা রোগীর প্লাটিলেট কমেই চলেছে।

    এ নিয়ে উদ্বিগ্ন। কিন্তু মজার বিষয় হলো রোগীর ওয়ার্ডে কোনো ডাক্তার নেই। ডাক্তার আসবেন সকালে অথবা আরও পরে। পরে আমার স্ত্রীকে নিয়ে চলে এলাম। ইঞ্জেকশনটা একটা বেসরকারি ক্লিনিকে গিয়ে পুশ করালাম।

    উপলব্ধি-০১ : গরিবের জন্য কোনো চিকিৎসা নেই

    উপলব্ধি-০২ : ডেঙ্গু নিয়ে প্রান্তিক লেভেলে সরকারের নির্দেশনা কতটা ফলো করা হচ্ছে তা ভেবে দেখার আছে।

    উপলব্ধি-০৩ : আমাদের স্বাস্থ্য সেবা ২৪ ঘণ্টার নয় বরং ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের (সরকারি/ বেসরকারি) দায়িত্বশীলদের মর্জি মোতাবেক নির্ধারিত সময়ে।

    উপলব্ধি-০৪ : অধিকাংশ বেসরকারি ক্লিনিক কেবল সকাল সন্ধ্যা দোকান খোলে। ব্যবসা শেষে দোকান বন্ধ। রোগী জাহান্নামে যাক। যা আইনত দণ্ডনীয়। ক্লিনিকে অবশ্যই ইমার্জেন্সি ডাক্তার থাকা বাধ্যতামূলক।

    উপলব্ধি-০৫ : যত দায় আমাদের।

    # রমজানে ভেজাল খাদ্য প্রতিরোধ করো সকাল-সন্ধ্যা

    # রাত জেগে পাবলিক পরীক্ষার ব্যবস্থাপনা করো

    # ঘুম হারাম করে দুর্যোগ মোকাবিলা করো

    # ইলেকশনে টানা রাত জেগে কাজ করো

    # ঈদে নির্বিঘ্নে জনসাধারণের বাড়ি যাওয়া নিশ্চিত করো

    # জাতীয় দিবসের প্রস্তুতিতে অঘুম রাত কাটাও

    # বিশেষ সংকটে জেগে থাকো রাতের পর রাত আর খেটে যাও সংকট মোকাবিলায়।

    মেডিকেল সেক্টরের জন্য করুণা। স্রোষ্টা হেদায়েত দান করুণ। আমিন।’

    এদিকে বিকেলে আরও একটি স্ট্যাটাস দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইমদাদুল হক তালুকদার। এতে তিনি লেখেন ’বিনা পরীক্ষা-নিরীক্ষায় একজন এফসিপিএস ডাক্তারের মাধ্যমে স্ত্রীর চিকিৎসার ব্যবস্থাপত্র করে নিয়েছেন।’ রাতের ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা লেখেন সেখানে।

    সন্ধ্যার মধ্যে দুটি স্ট্যাটাস সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে পড়ে। এ নিয়ে শুক্রবার দিনব্যাপী শুরু হয় তোলপাড়। চিকিৎসা সেবা নিয়ে বিভিন্ন পক্ষ থেকে ফেসবুকে মন্তব্যের ঝড় বয়ে যায়। তবে শুক্রবার রাতে দুটি স্ট্যাটাস ফেসবুক থেকে প্রত্যাহার করে নেন ওই নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইমদাদুল হক তালুকদার জানান, ’এটা কারও বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ নয়, আমি আমার স্ত্রীর অসুস্থতার কারণে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে যে অনাকাঙ্ক্ষিত ভোগান্তির শিকার হয়েছি আমার উপলব্দি থেকে কেবলমাত্র তা তুলে ধরেছি।’

    তবে কুমেক হাসপাতালের পরিচালক ডা. স্বপন কুমার অধিকারী বলেন, সাংবাদিকের মাধ্যমে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের স্ত্রীর চিকিৎসা নিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাসের বিষয়টি শুনেছি। শনিবার এ বিষয়ে খতিয়ে দেখা হবে।

    তিনি আরও বলেন, ডেঙ্গু রোগীরা ডাক্তারের দেখা পাচ্ছে না এমন অভিযোগ সঠিক নয়। তারপরও এ বিষয়ে খোঁজ-খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • বরিশালে জেএমবি সক্রিয় সদস্য আটক

    বরিশালে জেএমবি সক্রিয় সদস্য আটক

    বরিশালের মুলাদী উপজেলার দক্ষিণ কজিরচর এলাকা থেকে সুলতান নাসির উদ্দিন (৩৯) নামে নিষিদ্ধ সংগঠন জেএমবির সক্রিয় সদস্যকে আটক করেছে র‌্যাব-৮ এর সদস্যরা। সুলতান নাসির উদ্দিন ওই এলাকার মো. হযরত আলীর ছেলে। এ সময় তার কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ জিহাদি বই ও লিফলেট উদ্ধার করা হয়।

    বুধবার দুপুরে বরিশালে র‌্যাব-৮ সদর দফতর থেকে জানানো হয়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তারা জানতে পারেন সুলতান নাসির উদ্দিন নিজের পেশার আড়ালে যুবকদের কাছে গোপনে উগ্রপন্থী কর্মকাণ্ডের দাওয়াত দিয়ে আসছেন। তিনি নিষিদ্ধ সংগঠন জেএমবির দাওয়াতি শাখার একজন সদস্য। এর প্রেক্ষিতে তার অবস্থান নিশ্চিত হয়ে মঙ্গলবার রাতে দক্ষিণ কজিরচর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। তার বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্ততি চলছে।

    র‌্যাবের জানিয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তি স্বীকার করেছেন তিনি জেএমবির দাওয়াতি শাখার একজন সদস্য।

    র‌্যাব আরও জানায় গেছে সুলতান নাসির উদ্দিন ১৯৯৬ সালে পেদ্দার হাট ওয়াদিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে এসএসসি ও ১৯৯৮ সালে বরিশাল সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন। এরপর সেলায়েই (দর্জি) কাজের মাধ্যমে কর্মজীবন শুরু করেন। পরবর্তীতে ওষুধ কোম্পানি, গাড়ির শোরুম, বায়িং হাউজ ও ব্রোকার হাউজে অফিস সহকারী হিসেবে কাজ করেন।

    ২০১০ সালের ঢাকায় থাকাকালীন জসীমউদ্দীন রহমানির ওয়াজ শুনে উগ্রপন্থী কর্মকাণ্ডে অনুপ্রাণিত হন। এরপর তার সঙ্গে দেখা করে। পরে দাওয়াতি কাজের জন্য দেশের বিভিন্ন স্থানে সফর করেন। এ সময় একই মনোভাবাপন্ন আরও কয়েকজনের সঙ্গে পরিচয় হলে তিনি জেএবমির সঙ্গে সম্পৃক্ত হন। ২০১৫ সালে থেকে তারিকুল ইসলাম সাকিবসহ জেএমবির অন্যান্যদের সঙ্গে যোগাযোগ হয়। ওই সময় থেকে তিনি অনেকের সঙ্গে বিভিন্ন স্থানে গোপনে বৈঠক করেন এবং জেএমবি কার্যক্রম তথা সশস্ত্র উগ্রবাদে উদ্বুদ্ধ হন।

  • অতিরিক্ত ডিআইজি হলেন বিএমপি উপ-পুলিশ কমিশনার হাবিবুর রহমান

    অতিরিক্ত ডিআইজি হলেন বিএমপি উপ-পুলিশ কমিশনার হাবিবুর রহমান

    বরিশাল মহানগর পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) হাবিবুর রহমান খানকে অতিরিক্ত ডিআইজি পদে পদোন্নতি প্রদানপূর্বক পদায়ন করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

    রোববার (১৮ আগস্ট) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের পুলিশ অধিশাখা-১ এর উপসচিব ধনঞ্জয় কুমার দাস স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে পদোন্নতির এই আদেশ দেওয়া হয়।

    কর্ম জীবনে তিনি আইন-শৃঙ্খলা বাহীনির বিভিন্ন বিভাগে সম্মানের সাথে কাজ করেছেন। বর্তমানে তিনি বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

  • অতিরিক্ত ডিআইজি পদে পুলিশ’র বিশ কর্মকর্তার পদোন্নতিসহ বদলি

    অতিরিক্ত ডিআইজি পদে পুলিশ’র বিশ কর্মকর্তার পদোন্নতিসহ বদলি

    বাংলাদেশ পুলিশ’র পুলিশ সুপার পদমর্যাদার ২০ কর্মকর্তাকে অতিরিক্ত ডিআইজি পদে পদোন্নতি প্রদানপূর্বক পদায়ন করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

    অতিরিক্ত ডিআইজি পদে পদোন্নতি প্রাপ্ত ২০ পুলিশ কর্মকর্তা হলেন- নৌ পুলিশ ঢাকার অতিরিক্ত ডিআইজি (চলতি দায়িত্বে) মোঃ হাবিবুর রহমান, রাজশাহী মহানগর পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার তানভীর হায়দার চৌধুরী, খুলনা মহানগর পুলিশের  উপ-পুলিশ কমিশনার এসএম ফজলুর রহমান, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের সহকারী পুলিশ মহাপরিদর্শক মোঃ কামরুল আহসান, এসবির বিশেষ পুলিশ সুপার প্রলয় চিসিম, এসবির বিশেষ পুলিশ সুপার এসএম আইনুল বারী, বরিশাল মহানগর পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার হাবিবুর রহমান খান, পিবিআই’র পুলিশ সুপার মোঃ আবুল কালাম আজাদ, নওগাঁ জেলার পুলিশ সুপার মোঃ ইকবাল হোসেন, পিপিএম-সেবা, শিল্পাঞ্চল পুলিশ ঢাকার পুলিশ সুপার মোঃ গোলাম রউফ খান, পিপিএম(বার), টিএন্ডআইএম ঢাকার পুলিশ সুপার মোঃ শফিকুল ইসলাম, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের সহকারী পুলিশ মহাপরিদর্শক শামীমা বেগম, পিপিএম, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ’র উপ-পুলিশ কমিশনার সালমা বেগম, পিপিএম-সেবা, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ’র উপ-পলিশ কমিশনার মিরাজ উদ্দিন আহম্মেদ, পিপিএম, নৌ পুলিশ ঢাকার পুলিশ সুপার একেএম এহসান উল্লাহ, ঢাকা জেলার পুলিশ ‍সুপার শাহ মিজান শাফিউর রহমান, বিপিএম(বার), পিপিএম, টিএন্ডআইএম ঢাকার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তবারক উল্লাহ, বিপিএম-সেবা, সিআইডি ঢাকার পুলিশ সুপার মোল্যা নজরুল ইসলাম, বিপিএম(বার), পিপিএম(বার), ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ’র উপ-পুলিশ কমিশনার এস,এম, মোস্তাক আহমেদ খান, বিপিএম, পিপিএম(বার) ও চাঁদপুর জেলার পুলিশ সুপার জিহাদুল কবির।

    ১৮ আগস্ট, ২০১৯ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের পুলিশ অধিশাখা-১ এর উপসচিব ধনঞ্জয় কুমার দাস স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে পদোন্নতির এই আদেশ দেয়া হয়।

    অন্য আরেকটি প্রজ্ঞাপনে অতিরিক্ত ডিআইজি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত ২০ কর্মকর্তাগনদের জনস্বার্থে বিভিন্ন স্থানে বদলি বা পদায়ন করা হয়েছে।

  • রাঙামাটিতে সন্ত্রাসীদের সাথে গোলাগুলি, সেনা সদস্য নিহত, টহল জোরদার

    রাঙামাটিতে সন্ত্রাসীদের সাথে গোলাগুলি, সেনা সদস্য নিহত, টহল জোরদার

    রাঙামাটিতে সন্ত্রাসীদের সাথে গুলি বিনিময়ে একজন সেনাসদস্য নিহত হয়েছেন। আজ রবিবার রাঙামাটি রিজিয়নের রাজস্থলী আর্মি ক্যাম্প হতে ৪ কিঃমিঃ দক্ষিণে পোয়াইতুমুখ নামক এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

    জানা যায়, আজ সকালে পোয়াইতুমুখ সেনাবাহিনীর একটি নিয়মিত টহল দলের উপর সন্ত্রাসীরা অতর্কিতভাবে গুলিবর্ষণ শুরু করে। এসময় সৈনিক নাসিম (১৯) নামে একজন সেনাসদস্য গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয়। আহত সেনাসদস্যকে হেলিকপ্টারযোগে চট্টগ্রাম সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয় এবং চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

    বর্তমানে উক্ত স্থানে টহল কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে এবং এলাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণাধীন আছে বলে জানিয়েছে আইএসপিআর।

  • বরিশাল মেট্রোপলিটন ই-ট্রাফিক সংক্রান্ত বিষয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

    বরিশাল মেট্রোপলিটন ই-ট্রাফিক সংক্রান্ত বিষয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

    স্টাফ রিপোর্টার//রেজয়ানুর রহমান সফেন:

    বরিশাল মেট্রোপলিটন ই- ট্রাফিক প্রসিকিউশন ও সার্বিক ট্রাফিক ব্যবস্থপনা সংক্রান্তে ট্রাফিক সদস্যদের সাথে পুলিশ কমিশনার মোঃ শাহাবুদ্দিন খান (বিপিএম বার) এর সাথে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    আজ রোববার সকাল সাড়ে ১১ টায় ট্রাফিক বিভাগের আয়োজনে নগরীর কালিবাড়ি রোডস্থ উপ-পুলিশ কমিশনার ট্রাফিক অফিস কার্যালয়ে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    বরিশাল মেট্রোপলিটন উপ-পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) খায়রুল আলমের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন উপ-সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) ফায়েজুর রহমান, ট্রাফিক প্রশাসন সামসুল আলম।

    এসময় পুলিশ কমিশনার শাহাবুদ্দিন খান বিভিন্ন ট্রাফিক সদস্যদের সাথে মতবিনিময় কালে তাদের বিভিন্ন কথা বার্তা শুনে তাদেরকে বিভিন্ন ধরনের কাজের জন্য দিক নির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন।

    এর পূর্বে বরিশাল মেট্রোপলিটন ট্রাফিক বিভাগ উপ-পুলিশ কমিশনার এর ভাড়া করা বাসায় তাদের অফিস কার্যাক্রম চলা সম্পর্কে কমিশনারকে অবহিত করেন উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) খায়রুল আলম।
    পরে পুলিশ কমিশনার শাহাবুদ্দিন খান বিভিন্ন বিভাগ ও ট্রাফিক সদস্যদের থাকা ও খাবারের সংকটময় কক্ষগুলো নিজেই ঘুড়ে ঘুড়ে পরিদর্শন করেন।

  • ঈদের ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফেরা হলো না আশরাফুলের

    ঈদের ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফেরা হলো না আশরাফুলের

    অনলাইন ডেস্ক ::

    হবিগঞ্জের বাহুবলে প্রাইভেটকার চাপায় আশরাফুল ইসলাম (৩৫) নামে এক পুলিশ সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। তিনি সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশে কনস্টেবল পদে কর্মরত ছিলেন। রোববার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের মুগকান্দি নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহত আশরাফুল ইসলাম ময়মনসিংহের পাগলা থানার পাইতল ইউনিয়নের দেউলপাড়া গ্রামের সাইফুল ইসলামের ছেলে।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কনস্টেবল আশরাফুল ঈদের ছুটি কাটিয়ে মোটরসাইকেলযোগে নিজের কর্মস্থল সিলেটের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেন। পথে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে বাহুবল উপজেলার মুগকান্দি নামক স্থানে পৌঁছালে ঢাকামুখী একটি প্রাইভেটকার তাকে চাপা দিয়ে পালিয়ে যায়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। তাৎক্ষণিক স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    পাগলা থানার পাইতলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আপ্তাব উদ্দিন বলেন, আশরাফুল অবিবাহিত ছিলেন। ২০১৬ সালে পুলিশ কনস্টেবল পদে তিনি চাকরিতে যোগদান করেন। তিনি পরিবারের ছোট সন্তান ছিলেন।

    হবিগঞ্জের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (বাহুবল সার্কেল) পারভেজ আলম চৌধুরী দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

  • ‘তুমি যদি রিফাতকে মারতে পার, তাহলে বুঝব তোমারে তোমার বাপেই জন্ম দিছে

    ‘তুমি যদি রিফাতকে মারতে পার, তাহলে বুঝব তোমারে তোমার বাপেই জন্ম দিছে

    বরগুনায় রিফাত শরীফ হত্যাকাণ্ডের আগে ও পরে নয়ন বন্ডের সঙ্গে মিন্নির কথোপকথনসহ মেসেজ আদান-প্রদানের তথ্য উদ্ধার করেছে পুলিশ। মূলত প্রযুক্তির কারণেই রিফাত হত্যাকাণ্ডে দায়ের করা মামলায় প্রধান সাক্ষী থেকে আসামি হয়েছেন নিহত রিফাতের স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নি।

    বরগুনা জেলা পুলিশের এক সদস্য জানান, নয়ন বন্ডের মায়ের নামে রেজিস্ট্রেশন করা মোবাইল ফোন নম্বরটি গোপনে ব্যবহার করতেন মিন্নি। নয়ন বন্ডই এই সিমটি মিন্নিকে দিয়েছিলেন। রিফাত শরীফের সঙ্গে বিয়ের পরও নয়নের সঙ্গে যোগাযোগ রাখাসহ নানা কারণে গোপনীয়তা বজায় রাখতে ওই সিমটি গোপনে ব্যবহার করতেন মিন্নি। এছাড়া আরও কয়েকটি নম্বর দিয়েও নয়নের সঙ্গে কথা বলতেন তিনি। হত্যাকাণ্ডের দিন সকাল ৯টা ৮ মিনিটে এই নম্বর দিয়েই নয়ন বন্ডকে কল করে ৬ সেকেন্ড কথা বলেন মিন্নি। এরপর সকাল ৯টা ৩৮ মিনিটে আবারও ওই নম্বরটি দিয়ে নয়ন বন্ডকে কল দেন। এ সময় ৩৫ সেকেন্ড কথা হয়।

    ৯টা ৫৮ মিনিটে নয়ন বন্ড মিন্নির কাছে থাকা ওই নম্বরটিতে কল দেন। এ সময় তাদের কথা হয় ৪০ সেকেন্ড। এরপর সকাল সোয়া ১০টার দিকে কলেজের সামনেই রিফাত শরীফের ওপর হামলা করে বন্ড বাহিনী।

    হামলার পর বেলা ১১টা ৩১ মিনিটে নয়ন বন্ড মিন্নিকে একটি এসএমএস পাঠিয়েছিলেন। এরপর বিকেল ৩টার সময় কল দিয়ে মিন্নির সঙ্গে এক মিনিট ২০ সেকেন্ড কথা বলেন।

    সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছে, তদন্তের জন্য মিন্নি ও নয়ন বন্ডের ব্যবহৃত নম্বরের কললিস্ট ও এসএমএস কন্টেন্ট প্রযুক্তির মাধ্যমে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এগুলো যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। যাচাই-বাছাইয়ে দেখা গেছে, রিফাত শরীফ মারা যাওয়ার পর নয়ন বন্ড মিন্নির কাছে একটি এসএমএস পাঠিয়েছিলেন। বিকেল ৪টার কিছু সময় আগে পাঠানো ওই এসএমএসটিতে লেখা ছিল, ‘আমারে আমার বাপেই জন্ম দেছে।’

    মিন্নিকে জিজ্ঞাসাবাদে অংশ নেয়া ওই পুলিশ সদস্য আরও বলেন, নয়ন বন্ডের এমন এসএমএস পাঠানোর রহস্য উদঘাটনে রিমান্ডে থাকা অবস্থায় আমরা মিন্নির সঙ্গে কথা বলেছি। তখন মিন্নি এ বিষয়ে আমাদের বলেছেন। মিন্নির বরাত দিয়ে তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বলেন, রিফাত শরীফকে মারার পরিকল্পনার সময় মিন্নি নয়ন বন্ডকে বলেছিলেন, ‘তুমি যদি রিফাত শরীফকে মারতে পার, তাহলে বুঝব তোমারে তোমার বাপেই জন্ম দিছে।’

    মূলত মিন্নির এমন কথার উত্তর দিতেই রিফাতের মৃত্যুর পর নয়ন বন্ড মিন্নিকে ওই এসএমএসটি পাঠিয়েছিলেন। এ বিষয়টি আদালতে বলবেন বলে পুলিশকে জানালেও স্বীকারোক্তি দেয়ার সময় তা লুকিয়ে যান মিন্নি।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মিন্নি ও নয়ন বন্ডের বিয়ের এক সাক্ষী বলেন, নয়ন বন্ডের মায়ের নামে রেজিস্ট্রেশন করা মোবাইল নম্বরটি এক সময় নয়ন বন্ড নিজেও ব্যবহার করতেন। পরে ওই নম্বরটি পরিবর্তন করেন নয়ন বন্ড। মিন্নি মাদকাসক্ত ছিল। এ কারণেই সে নয়নের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বজায় রাখতো। আর এই সুযোগ পুরোপুরি কাজে লাগাতো নয়ন বন্ড। রিফাত শরীফের মাধ্যমেই মিন্নির সঙ্গে নয়ন বন্ডের পরিচয় হয়। নয়ন বন্ড ও মিন্নি উভয়ই মাদকসেবী হওয়ায় তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা হতে সময় লাগেনি।

    এদিকে, বরগুনার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, বরগুনা জেলা ও দায়রা জজ আদালত এবং হাইকোর্টেও মিন্নির জামিন আবেদনের ওপর শুনানি হয়েছে। কিন্তু কোনো আদালতই জামিন মঞ্জুর করেননি মিন্নির। প্রতিটি জামিন শুনানিতেই বাদী ও রাষ্ট্রপক্ষ আদালতে উপস্থাপন করেছেন মিন্নি ও নয়ন বন্ডের কথোপকথন ও মেসেজ আদান-প্রদান সংক্রান্ত কললিস্ট ও হত্যাকাণ্ডের সময় সিসি ক্যামেরায় ধারণ করা ভিডিও ফুটেজ।
    এছাড়াও এ হত্যা মামলার দুই নম্বর আসামি রিফাত ফরাজি, তিন নম্বর আসামি রিশান ফরাজি, ছয় নম্বর আসামি রাব্বি আকন এবং ১২ নম্বর আসামি টিকটক হৃদয় হত্যাকাণ্ডে মিন্নির সম্পৃক্ততার বিষয়টি স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। এছাড়া মিন্নি নিজেও রিফাত হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন।

    এ বিষয়ে বরগুনা আদালতে মিন্নির আইনজীবী এডভোকেট গোলাম মোস্তাফা কাদের বলেন, গত ৩০শে জুলাই জেলা ও দায়রা জজ আদালতে মিন্নির জামিন শুনানির সময় বাদী ও রাষ্ট্রপক্ষ আদালতে সিসি ক্যামেরার ফুটেজসহ মিন্নি ও নয়ন বন্ডের কথোপকথন ও মেসেজ আদান-প্রদান সংক্রান্ত কললিস্ট উপস্থাপন করেছিল এবং আদালত তা আমলেও নিয়েছিলেন।

    ডেপুটি এটর্নি জেনারেল মো. রেজাউল করিম বলেন, হাইকোর্টের বিচারপতি শেখ মো. জাকির হোসেন ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চেও বাদী ও রাষ্ট্রপক্ষ সিসি ক্যামেরার ফুটেজসহ মিন্নি ও নয়ন বন্ডের কথোপকথন ও মেসেজ আদান-প্রদান সংক্রান্ত কললিস্ট উপস্থাপন করেছিল। শুনানির সময় যেসব গ্রাউন্ডে আসামিপক্ষ মিন্নির জামিন মঞ্জুরের জন্য আদালতে বক্তব্য উপস্থাপন করে, সেসব গ্রাউন্ডের বিপরীতে পর্যাপ্ত প্রমাণপত্র উপস্থাপন করতে পারেননি।

    এদিকে রিফাত হত্যা মামলায় আগামী ২২শে আগস্ট আসামিদের হাজির করার ও পুলিশের প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ধার্য করেছেন আদালত।

    মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বরগুনা থানার ওসি (তদন্ত) মো. হুমায়ুন কবির জানান, অভিযোগপত্র জমা দেয়ার জন্য বুধবার (১৪ আগস্ট) দিন ধার্য ছিল। প্রতিবেদন তৈরি করতে না পারায় তিনি আদালতে তা দাখিল করতে পারেননি। তবে পরবর্তী তারিখ ২২শে আগস্ট দাখিল করতে পারবেন বলে জানান।

    মিন্নির পক্ষের আইনজীবী এডভোকেট মাহাবুবুল বারী আসলাম জানিয়েছেন, আদালতে তদন্ত কর্মকর্তার প্রতিবেদন দাখিলের কথা ছিল বুধবার। রিফাত হত্যার সঙ্গে জড়িত আসামিদের নাম উল্লেখ করে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদন দাখিল করলে ও বিচারক তা গ্রহণ করলে সেটিই চার্জশিট হিসেবে গণ্য হবে।

    রিফাত হত্যা মামলায় এ পর্যন্ত ১৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এরা হচ্ছেন- রিফাত ফরাজী, রিশান ফরাজী, চন্দন সরকার, রাব্বি আকন, হাসান, অলি, টিকটক হৃদয়, সাগর, কামরুল ইসলাম সাইমুন, আরিয়ান শ্রাবন, রাফিউল ইসলাম রাব্বি, তানভীর, নাজমুল হাসান, রাতুল সিকদার ও আয়শা সিদ্দিকা মিন্নি। এদের মধ্যে রাতুল শিকদারের বয়স কম হওয়ায় সে যশোরে শিশু-কিশোর সংশোধন কেন্দ্রে রয়েছেন।

    মামলার এজাহারভুক্ত পাঁচ নম্বর আসামি মুসা বন্ড, সাত নম্বর আসামি মোহাইমিনুল ইসলাম সিফাত, আট নম্বর আসামি রায়হান ও ১০ নম্বর আসামি রিফাত হাওলাদারকে এখনো পুলিশ গ্রেপ্তার করতে পারেনি। প্রধান আসামি নয়ন বন্ড গত ২রা জুলাই পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়েছেন।

    উল্লেখ্য, গত ২৬শে জুন সকালে প্রকাশ্যে বরগুনা সরকারি কলেজ গেটের সামনে রিফাতকে কুপিয়ে আহত করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় বরিশাল নেয়ার পর তিনি মারা যান। এ ঘটনায় রিফাতের বাবা আবদুল হালিম দুলাল শরীফ বাদী হয়ে ১২ জনকে আসামি করে বরগুনা থানায় হত্যা মামলা করেন।

  • বরিশালে এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তরপত্র জালিয়াতির দায়ে ১৮ শিক্ষার্থীর পরীক্ষা বাতিল

    বরিশালে এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তরপত্র জালিয়াতির দায়ে ১৮ শিক্ষার্থীর পরীক্ষা বাতিল

    চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তরপত্র জালিয়াতির দায়ে ১৮ শিক্ষার্থীর পরীক্ষা বাতিল করেছে বরিশাল বোর্ড। এছাড়া তারা পরবর্তী তিন বছরের জন্য পরীক্ষা দেওয়ার অনুমতিও পাবে না বলে নিশ্চিত করেছেন বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ও শৃঙ্খলা কমিটির সদস্য সচিব অধ্যাপক মো. আনোয়ারুল আজিম।

    বুধবার (১৪ আগস্ট) এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেন তিনি। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১৯৮০ সালের পাবলিক পরীক্ষা গ্রহণ ও শাস্তির ৪২ নম্বর আইনের ৮ ধারা অনুযায়ী পরীক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

    এর আগে গেল শুক্রবার (৯ আগস্ট) দুপুরে ১৮ শিক্ষার্থীর অভিভাবকরা বরিশাল প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন। সেখানে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মো. মাহাবুব আলম।

    তিনি বলেন, এইচএসসির ফল প্রকাশের দিনে আমাদের সন্তানদের ফল প্রকাশ করা হয়নি। এরপর ১৮ জুলাই শিক্ষা বোর্ড কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করা হয়। শিক্ষা বোর্ড কর্তৃপক্ষ জানায়, ২৪ জুলাই শিক্ষা বোর্ডের আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভার পরে ১৮ শিক্ষার্থীর ফল প্রকাশ করা হবে। কিন্তু ফল প্রকাশ না করে ওই পরীক্ষার্থীদের ৫ আগস্ট শিক্ষা বোর্ডে ডাকা হয়। সেখানে বোর্ড চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে অন্যান্য কর্মকর্তারা শিক্ষার্থীদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন। এ সময় তারা জানতে চান, উচ্চতর গণিত প্রথম পত্রে এসব পরীক্ষার্থীরা কীভাবে প্রশ্নের উত্তর দিয়েছে, কেন অধিকতর নম্বর পেয়েছে এবং বোর্ডের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে তাদের কোনো সখ্যতা রয়েছে কি না। এ সময় শিক্ষার্থীরা কারও সঙ্গে সম্পর্ক থাকার অভিযোগ অস্বীকার করে।

    এ সময় শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তারা শিক্ষার্থীদের ভয়ভীতি ও হুমকি দেন বলে অভিযোগ করে অভিভাবকরা। তারা জানায়, বোর্ড কর্মকর্তারা শিক্ষার্থীদের হুমকি দেয় যে, তারা যদি বোর্ডের গোবিন্দের নাম না বলে তাহলে তাদের রেজাল্ট বাতিল করা হবে। এমনকি এক পরীক্ষার্থী নুসরাতকে লিখিত দিতে বাধ্য করে যে, গোবিন্দকে দিয়ে তারা অসদুপায় অবলম্বন করেছে। এরপরেও ওই শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশ করা হয়নি।