Category: প্রশাসন

  • হাইকোর্টেও জামিন হল না মিন্নির

    হাইকোর্টেও জামিন হল না মিন্নির

    নিউজ ডেস্ক :

    বরগুনায় রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নিকে জামিন দেননি হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) জামিন আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী জেড আই খান পান্না। তার সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী মাক্কিয়া ফাতেমা ইসলাম। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মমতাজ উদ্দিন ফকির।

    বিচারপতি শেখ মো. জাকির হোসেন ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চে ঘণ্টাব্যাপী শুনানি শেষে জামিন প্রশ্নে রুল জারি করতে গেলে আইনজীবীরা আবেদন ফেরত নেন।

    পরে জেড আই খান পান্না সাংবাদিকদের বলেন, আমরা মর্মাহত। এখন অন্য কোনো বেঞ্চে আবেদনটি নিয়ে যাবো।

    পরে ১৬ জুলাই সকাল পৌনে ১০টার দিকে মিন্নিকে তার বাবার বাড়ি বরগুনা পৌর শহরের নয়াকাটা-মাইঠা এলাকা থেকে পুলিশ লাইনে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে আসা হয়। দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদ শেষে রাত ৯টায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়। পরদিন (১৭ জুলাই) তাকে বরগুনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। এসময় সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করলে বিচারক মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম গাজী পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এরপর কয়েকদফা আবেদন জানালেও নিম্ন আদালতে জামিন মেলেনি মিন্নির। পরে একই মামলায় জামিন চেয়ে মিন্নি গত ৫ আগস্ট হাইকোর্টে আবেদন করেন।

    এর আগে গত ২৬ জুন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে রামদা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে রিফাত শরীফকে। তার স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি হামলাকারীদের সঙ্গে লড়াই করেও থামাতে পারেনি তাদের। গুরুতর আহত রিফাতকে ওইদিন বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে বিকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। এ ঘটনায় রিফাতের বাবা দুলাল শরীফ বাদী হয়ে ১২ জনের নাম উল্লেখ ও পাঁচ-ছয় জনকে অজ্ঞাত আসামি করে বরগুনা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

  • ঈদযাত্রা নিরাপদ করতে বরিশাল র‌্যাবের নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তা

    ঈদযাত্রা নিরাপদ করতে বরিশাল র‌্যাবের নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তা

    রাতুল হোসেন রায়হান:

    আসন্ন ঈদ-উল-আজহা উপলক্ষে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে বরিশাল র‌্যাবিট এ্যাকশন ব্যাটিলিয়ন (র‌্যাব-৮)। পাশাপাশি সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধিসহ ঈদের পূর্ববর্তী, ঈদ এবং ঈদের পরবর্তী সময়ে জনসাধারণ যাতে নির্বিঘ্নে যাতায়াত করতে পারে তার জন্য বরিশাল লঞ্চঘাট এলাকায় র‌্যাবের অস্থায়ী কন্ট্রোল রুম স্থাপন ও বিভিন্ন কুরবানীর গরুর হাটের নিরাপত্তা, চাঁদাবাজি বন্ধে ও জাল টাকা সনাক্তকরনে অস্থায়ী কেন্দ্র করা হয়েছে।

    এছাড়া ও পটুয়াখালী, ফরিদপুর ও মাদারীপুর জেলায় র‌্যাবের অস্থায়ী ক্যাম্পের মাধ্যমে কাঁঠালিয়া ও দৌলদিয়া ফেরিঘাটে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। ঈদের পূর্ববর্তী সময়ে বাসটার্মিনাল, মার্কেট এবং লঞ্চটার্মিনালে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ঈদের নামাযের সময়ে গুরুত্বপূর্ণ ঈদগাহ ময়দানে ঈদের জামাত চলাকালীন সময়ে সাদা পোশাকধারী ও টহল দল নিরাপত্তা নিশ্চিতকরনে বিশেষ দায়িত্ব পালন করবে। ঈদ-উল আযহা উপলক্ষ্যে এই বিশেষ টহল ঈদের ছুটি শেষ না হওয়া পর্যন্ত চলমান থাকবে।

    ঈদশেষে কর্মস্থানে যাত্রিসাধারন যেন নির্বিঘ্নে পৌছাতে পারে সে জন্য লঞ্চঘাট, ফেরিঘাট ও বাসটার্মিনালে নিরাপত্তায় থাকবে র‌্যাব সদস্যগণ। এছাড়াও র‌্যাবের অস্থায়ী মেডিক্যাল ক্যাম্প থেকে অসুস্থ্য ব্যক্তিবর্গকে মেডিক্যাল সহায়তা প্রদান করা হবে।

    সন্দেহভাজন ও কোন প্রকার বিশৃঙ্খলাকারীকে দেখা মাত্রই র‌্যাবকে অবগত করার জন্য অনুরোধ জানান।

    উল্লেখ্য, জন সাধারনের জান মালের নিরাপত্তা রক্ষায় এবং যে কোন ধরনের নাশকতামূলক ও দেশ বিরোধী কার্যক্রম কঠোর হস্তে দমনে র‌্যাব-৮ দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।

  • র‌্যাব পরিচয় দিয়ে খেলেন গণধোলাই

    র‌্যাব পরিচয় দিয়ে খেলেন গণধোলাই

    বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার ভরপাশা ইউনিয়নের কৃষ্ণকাঠী গ্রামে র‌্যাব কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে মাদক মামলায় ফাঁসিয়ে দেয়ার হুমকি দেয়ায় দুই ব্যক্তিকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে জনতা। বুধবার দুপুরে চাঁদাবাজির অভিযোগে ওই দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে বাকেরগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করা হয়।

    আটকরা হলেন- ঝালকাঠি সদর উপজেলার পূর্ব তারুলি গ্রামের ইউসুফ হাওলাদারের ছেলে মিজানুর রহমান হাওলাদার ও ঝালকাঠি পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ফজলুল হক মিলনের ছেলে সাইফুল হক লেলিন।

    স্থানীয়রা জানান, সকাল ১০টার দিকে ভরপাশা ইউনিয়নের কৃষ্ণকাঠী গ্রামের বাসিন্দা মাইনুল হক দিপুর বাড়িতে গিয়ে মিজানুর রহমান ও সাইফুল নিজেদের র‌্যাব কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে টাকা দাবি করে। টাকা না দিলে মাদক মামলায় ফাঁসিয়ে দেয়ার হুমকি দেয়। তাদের কথায় সন্দেহ হলে মাইনুল বিভিন্ন জায়গায় ফোন দিয়ে নিশ্চিত হন তারা র‌্যাবের সদস্য নয়। পরে মাইনুল ও স্থানীয় লোক মিলে তাদের আটক করে গণধোলাই দেন এবং পুলিশে সোপর্দ করেন।

    বাকেরগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম জানান, এ ঘটনায় মাইনুল হক দিপু বাদী হয়ে আটক দুইজনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেছেন। মামলা দায়েরের পর তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

  • মহাসড়কে তীব্র যানজট, ঘুমাচ্ছেন ট্রাফিক কর্মকর্তা

    মহাসড়কে তীব্র যানজট, ঘুমাচ্ছেন ট্রাফিক কর্মকর্তা

    অনলাইন ডেস্ক :

    ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে তখন তীব্র যানজট। কিন্তু সেখানে দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশের কোনো সদস্যকে দেখা যায়নি। অথচ পাশেই রয়েছে পুলিশ বক্স। পুলিশ বক্সের ভেতরে টেবিল-চেয়ারে বসে ঘুমাচ্ছেন দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্রাফিক কর্মকর্তা। সোমবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে সাভারের হেমায়েতপুর বাসস্ট্যান্ডে এমন চিত্র দেখা যায়।

    এ সময় গণমাধ্যমকর্মীরা ওই ট্রফিক পুলিশের কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলতে চাইলে ঘুম থেকে উঠে পুলিশ বক্স থেকে বের হয়ে বাইরে চলে যান। এরপর ফোনে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।এ সময় গণমাধ্যমকর্মীরা ওই ট্রফিক পুলিশের কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলতে চাইলে ঘুম থেকে উঠে পুলিশ বক্স থেকে বের হয়ে বাইরে চলে যান। এরপর ফোনে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

    স্থানীয়রা জানান, সাভারের হেমায়েতপুর বাসস্ট্যান্ডের দায়িত্বে থাকা ট্রাফিক পুলিশের কর্মকর্তা আবেদ খান মহাসড়কের পাশে সারিবদ্ধভাবে গাড়ি রাখার সুবিধা দিয়ে এক এক করে প্রতিটি গাড়িতে যাত্রী উঠানোর সুযোগ করে দেন। এজন্য বিভিন্ন পরিবহন থেকে মোটা অংকের টাকা নেন তিনি।

    খোঁজ নিয়ে জানা যায়, পুলিশ বক্সের ভেতরে দুপুরের খাবার শেষে ঘুমিয়ে পড়েন ট্রাফিক পুলিশের ইন্সপেক্টর (টিআই) আবেদ খান। তখন মাঠের দায়িত্ব ছেড়ে চলে যান তার অধীনস্থ ট্রাফিক পুলিশের অন্য সদস্যরাও। ফলে মহাসড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে সাধারণ যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন।

    বাসচালকরা জানান, আমাদের মালিক পক্ষ টিআই আবেদ খানের সঙ্গে কথা বলেছেন। টিআই আবেদ খানের সঙ্গে কথা বলে ‘রাজধানী সুপার সার্ভিসের’ গাড়িগুলো সারিবদ্ধভাবে রাখা হয়েছে।

    অন্য বাসচালকরা অভিযোগ করেন, এভাবেই বিভিন্ন যানবাহনকে ট্রাফিক পুলিশ চাঁদার বিনিময়ে বিশেষ সুবিধা দেয়। ফলে মহাসড়কে চলাচলকারী অন্যান্য যানবাহনকে কৃত্রিম যানজটে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। সেই সঙ্গে সাধারণ যাত্রীদের চরম ভোগান্তির শিকার হতে হয়।

    এ বিষয়ে জানতে ট্রাফিক পুলিশ কর্মকর্তা (টিআই) আবেদ খানের সঙ্গে বার বার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি মোবাইল রিসিভ করেননি। পুলিশ বক্স ছেড়ে বাইরে চলে যাওয়ার দীর্ঘ সময় পার হলেও ফিরে আসেননি তিনি।

  • বিয়ের আসরে কনের বাবাকে হত্যার দায় স্বীকার সজীবের

    বিয়ের আসরে কনের বাবাকে হত্যার দায় স্বীকার সজীবের

    অনলাইন ডেস্ক :

    রাজধানীর মগবাজারের দিলু রোড এলাকায় প্রিয়াংকা সুটিং হাউজ কমিউনিটি সেন্টারে বিয়ের অনুষ্ঠানে কনের বাবা তুলা মিয়াকে (৪৫) ছুরিকাঘাতে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন সজীব আহমেদ রকি।

    শুক্রবার তাকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে পুলিশ। এ সময় তার জবানবন্দি রেকর্ডের আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর হাকিম আবু সুফিয়ান মো. নোমান তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন। জবানবন্দিতে হত্যার দায় স্বীকার করেন সজীব। জবানবন্দি শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত।

    অপরদিকে আজ মামলার এজাহার গ্রহণ করে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২২ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেন একই আদালত।

    এর আগে বৃহস্পতিবার (১ আগস্ট) মগবাজারের প্রিয়াংকা সুটিং হাউজ কমিউনিটি সেন্টারে বিয়ের অনুষ্ঠানে কনের বাবা তুলা মিয়া ও মা ফিরোজা খাতুনকে ছুরিকাঘাত করে সজীব। হাসপাতালে নিয়ে গেলে মারা যান কনের বাবা। গুরুতর জখম কনের মা বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

    এ ঘটনায় সজীব আহমেদ রকিকে গণপিটুনি দেয় বিয়েতে আগতরা। পরে তাকে পুলিশি হেফাজতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়ে।

    রকি পুলিশকে জানান, বিয়ের কনের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। প্রেমিকার বিয়ে সইতে না পেরে তিনি এ কাজ করেছেন।

    হাতিরঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রশিদ জানান, হাতেগোনা কয়েকজনকে নিয়ে বিয়েটি অনুষ্ঠিত হচ্ছিল। এ সময় ওই ছেলে সেন্টারে ঢুকে হট্টগোল সৃষ্টি করে। একপর্যায়ে কনের বাবা-মাকে ছুরিকাঘাত করে। তাদের দুজনকে ইনসাফ বারাকাহ হাসপাতালে নেয়া হলে বাবার মৃত্যু হয়।

  • বরিশালে গলা কেটে যুবককে বালু চাপা দেওয়ার ঘটনায় প্রধান আসামি গ্রেফতার

    বরিশালে গলা কেটে যুবককে বালু চাপা দেওয়ার ঘটনায় প্রধান আসামি গ্রেফতার

    অনলাইন ডেস্ক :

    বরিশাল নগরীর কাশিপুর এলাকায় গলা কেটে উজ্জল নামের এক যুবককে মেরে বালু চাপা দেওয়ার ঘটনায় প্রধান আসামিকে আটক করেছে এয়ারপোর্ট থানা পুলিশ। শুক্রবার থেকে শনিবার সকাল ১১ টার মধ্যে যে কোন সময় তাকে আটক করে বলে সূত্রে জানা গেছে। ওই সূত্রটি আরও জানায় ঢাকার যে কোন স্থান থেকে তাকে আটক করা হয়েছে।

    তবে এয়ারপোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহাবুব আলম আটকের বিষয়টি স্বীকার করলেও বিস্তারিত জানাতে রাজি হন নি। তিনি বলেন আগামীকাল সকালে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার বিস্তারিত জানাবেন।

    পাশাপাশি হত্যার বিষয়ে বিস্তারিত ভাবে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। আরও কোন ক্লু উধঘাটন করা যায় কিনা। আটক আসামি হত্যার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলেও জানান ওসি।

    এর আগে বরিশাল নগরীর কাশিপুরের শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত ট্রাক টার্মিনাল এলাকা থেকে উজ্জল (২৪) নামের এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছিলো পুলিশ। গতকালর শুক্রবার (২ আগস্ট) সন্ধ্যা ৭টার দিকে ওই এলাকা থেকে মরদেহটি বালুচাপা দেওয়া অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

    মৃতের ভাই বাবুলসহ স্বজনরা জানান, উজ্জল (১ আগস্ট) রাত ৯টা থেকে নিখোঁজ ছিল। গতকাল সন্ধ্যা ৭টার দিকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। গলায় আঘাতের (কাটা) চিহ্ন এবং শরীরে শীতকালের কাঁথা পেঁচানো রয়েছে।

  • বরিশালে ডিজিটাল ডিভাইজে মামলা করবে ট্রাফিক পুলিশ

    বরিশালে ডিজিটাল ডিভাইজে মামলা করবে ট্রাফিক পুলিশ

    নিউজ ডেস্ক :

    বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশে চালু হচ্ছে “ই-ট্রাফিক প্রসিকিউশন এন্ড ফাইন পেমেন্ট সিস্টেম” (পস)। এরমধ্য দিয়ে বরিশালে প্রথমবারের মতো ডিজিটাল ডিভাইজে মামলা করবে ট্রাফিক পুলিশ সদস্যরা।

    কর্মকর্তাদের দাবী, এরমধ্য দিয়ে জনসাধারণকে দ্রুত সময়ের মাধ্যমে সেবা যেমন প্রদান করা যাবে, তেমনি কাগজপত্র-লাইনে দাড়ানোর বিড়ম্বনার মতো বিষয়গুলো এড়ানো সম্ভব হবে। ট্রাফিক পুলিশের সদস্যদের মাঝেও কর্মচাঞ্চল্যতা বৃদ্ধি পাবে।

    বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ সূত্রে জানাগেছে, আগামী ৫ আগষ্ট বেলা ১২ টায় ট্রাফিক বিভাগের ই-ট্রাফিক প্রসিকিউশন এন্ড ফাইন পেমেন্ট সিস্টেম”কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন পুলিশ কমিশনার মোঃ শাহাব উদ্দীন খান-বিপিএম বার।

    ওই অনুষ্ঠানে ট্রাফিক বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মোঃ খাইরুল আলমের সভাপতিত্বে অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ঢাকার এ্যান্টিটেররিজম ইউনিটের প্রধান সিস্টেম এ্যানালিষ্ট হামিদুল ইসলাম, মেট্রোপলিটন পুলিশের উর্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দসহ প্রযুক্তি সহায়তাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মকর্তাবৃন্দ, স্থানীয় বিভিন্ন গণপরিবহন ও পণ্যপরিবহন সমিতির নেতৃবৃন্দ এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধি।

    “ই-ট্রাফিক প্রসিকিউশন এন্ড ফাইন পেমেন্ট সিস্টেম” নামক প্রযুক্তি নির্ভর কার্যক্রম শুরুর জন্য প্রাথমিকভাবে ৩৫ টি পস মেশিন সরবরাহ করা হয়েছে এবং উদ্বোধনের আগে বিএমপি’র ট্রাফিক বিভাগের ৪০ জন সদস্যকে প্রশিক্ষন দেয়া হবে। যাদের মধ্যে ট্রাফিক বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার, সহকারি পুলিশ কমিশনারসহ ৪ জন ট্রাফিক পরিদর্শক, ১৮ জন সার্জেন্ট, ৭ জন টিএসআই, ১ জন এটিএসআই রয়েছেন।

    ট্রাফিক বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মোঃ খাইরুল আলম বলেন, ই-ট্রাফিক প্রসিকিউশন এন্ড ফাইন পেমেন্ট সিস্টেম” নামক প্রযুক্তি নির্ভর কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে আমাদের ট্রাফিক বিভাগ পুরোপুরি ডিজিটাল যুগে প্রবেশ করলো।

    বর্তমানে ম্যানুয়াল ও সনাতন পদ্ধতিতে ট্রাফিক পুলিশকে মামলাদায়ের ও জরিমানা আদায় করতে হয়। এতে চালকসহ সাধারণ মানুষের মনে নানান প্রশ্ন দেখা দেয়। যা নিয়ে পুলিশের সাথে বচসা করেও সময় নষ্ট করেন অনেকে। কিন্তু ডিজিটাল এ প্রযুক্তি মাধ্যমে মামলার কপি নিয়ে যানবাহন চালক বা মালিককে ট্রাফিক অফিসে কিংবা ব্যাংকে গিয়ে আগের মতো লাইনে দাড়াতে হবে না। আর আমরাও কেউ কোন ধরণের কারচুপি করতে পারবো না।

    তিনি বলেন, মামলা দায়েরের সাথে সাথে মেশিন থেকেই জরিমানার স্লিপ বেড় হয়ে আসবে। যা নিয়ে মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে তাৎক্ষনিক জরিমানার অর্থ শোধ করে মামলা নিষ্পত্তি করতে পারবেন। এতে যেমন ট্রফিক পুলিশের সময় সাশ্রয় হবে, তেমনি জনগনের সন্দেহও দুর হবে।

    তিনি বলেন, পস মেশিনের সাহায্যে যেমন তাৎক্ষনিক মামলা দেয়া যাবে, তেমনি ধারা অনুযায়ী জরিমানার সঠিক টাকার পরিমানও তাৎক্ষনিক নিশ্চিত হতে পারবে জনসাধারন। প্রাথমিকভাবে ইউসিবি ব্যাংকের ইউক্যাশের মাধ্যমে মামলার জরিমানার টাকা দেশের যে কোন প্রান্ত থেকে পরিশোধ করতে পারবেন বরিশাল মেট্রোপলিটন এলাকায় চলাচলরত যানবাহন চালক-মালিকরা।

    তিনি বলেন, ইউক্যাশ কর্তৃপক্ষ আমাদের নিশ্চিত করেছেন বরিশালে ৪৩ পয়েন্টে তাদের এজেন্টদের কার্যক্রম চলমান রয়েছে, যেগুলো শুরুর দিন থেকেই ব্যবহার করতে পারবেন যানবাহন চালক ও মালিকরা। তবে সময়ের সাথে সাথে মোবাইল ব্যাংকিং এর ক্ষেত্রে আরো প্রতিষ্ঠান বা সহযোগী প্রতিষ্ঠানকে তাদের এজেন্ট বাড়ানোর জন্য বলা হবে। যাতে জনসাধারণের কাছে বিষয়টি সহজলোভ্য হয়।

    তিনি বলেন, যারা তাৎক্ষনিক মামলা ভাঙ্গাতে পারবে না, তাদের জন্য ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশে চলমান পদক্ষেপগুলো বাস্তবায়ন করা হবে। তবে এক্ষেত্রে যানবাহনের মামলার সময় জব্দ করা কাগজ সর্বোচ্চ দ্রুত সময়ে ও নিরাপদে মালিকের কাছে পৌছে দেয়ার জন্য রাষ্ট্রীয় ডাক ব্যবহার করা হতে পারে। আমরা পুরো বিষয়টিকে পজেটিভ ভাবে দেখছি। আশাকরি এরমাধ্যমে আমাদের সুনাম যেমন বৃদ্ধিপাবে তেমনি সাধারণ মানুষও ভালো মানের সেবা পাবে।

  • ঝাড়ু হাতে পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযানে বরিশাল জেলা প্রশাসক

    ঝাড়ু হাতে পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযানে বরিশাল জেলা প্রশাসক

    “নিজ নিজ আঙ্গিনা পরিস্কার রাখি, সবাই মিলে সুস্থ্য থাকি, মশক নিধনে কাজ করি” শ্লোগানকে সামনে রেখে ঝাড়ু হাতে নিয়ে মশক নিধনে পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযানের মাঠে নেমেছেন বরিশালের জেলা প্রশাসক এসএম অজিয়র রহমান।

    বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় জিলা স্কুল প্রঙ্গনে পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

    বরিশাল জিলা স্কুলের আয়োজনে জেলা প্রশাসক এসএম অজিয়র রহমান প্রথমদিনে জিলা স্কুল ভবনের আশেপাশে পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন। এসময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক প্রশান্ত কুমার দাস, এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেট সুব্রত বিশ্বাস দাস, জিলা স্কুলের প্রধানশিক্ষক বিশ্বনাথ সাহাসহ শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

    জেলা প্রশাসক ডেঙ্গু রোগ থেকে বাঁচতে মশা নিধন ও মশার বংশ বিস্তাররোধে বাড়ির চারিপাশ পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য সকলের প্রতি আহবান করেন।

  • গানে গুজব প্রচার, শিল্পী গ্রেফতার

    গানে গুজব প্রচার, শিল্পী গ্রেফতার

    আঞ্চলিক ভাষায় পদ্মা সেতু ও ছেলেধরা নিয়ে গান তৈরি এবং প্রচারের অভিযোগে কথিত এক শিল্পীকে গ্রেফতার করেছে চট্টগ্রাম পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১ আগস্ট) নগরীর হালিশহরে জেলা পুলিশ কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে চট্টগ্রামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) এ কে এম এমরান ভূঁইয়া এ তথ্য জানিয়েছেন।

    গ্রেফতার শিল্পীর নাম আলমগীর বিন কবির (৩৪)। ফটিকছড়ি উপজেলার চাড়ালিয়াহাট এলাকার কবির আহমদের ছেলে তিনি। বুধবার (৩১ জুলাই) রাতে ফটিকছড়ি উপজেলার নাজিরহাট পৌরসভার হাসপাতাল রোডে বদিউল আলমের বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

    সংবাদ সম্মেলনে এ কে এম এমরান ভূঁইয়া জানান, ফটিকছড়িতে আঞ্চলিক ভাষায় সুর করে গান গেয়ে ভিডিও তৈরি করেছেন কথিত শিল্পী আলমগীর বিন কবির। নবজাগরণ শিল্পীগোষ্ঠী নামে তার একটি সংগঠনও রয়েছে। সম্প্রতি তাদের তৈরি করা ‘কল্লাকাটনি’ শিরোনামে ৫ মিনিটের একটি আঞ্চলিক গানের ভিডিও ফেসবুকে ছাড়া হয়েছে, যা পুলিশের হাতে এসেছে।

    তিনি বলেন, ভিডিওটিতে দেখা যায়, গ্রেফতার আলমগীর পদ্মাসেতু, ছেলেধরা, কল্লাকাটার গুজব ছড়িয়ে এলাকার শিশু-কিশোরদের স্কুল-মাদরাসায় একা না পাঠানো সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য দিয়ে গান পরিবেশন করছেন। পাশাপাশি মিথ্যা, বানোয়াট ও বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে গান ও ভিডিও তৈরি করে ফেসবুকে প্রকাশ করেছে আলমগীর ও তার সহযোগীরা। যা ফেসবুকে কয়েক হাজারবার শেয়ার হয়েছে।

    পরে বুধবার (৩১ জুলাই) রাতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের সময় আলমগীরের কাছ থেকে ভিডিও তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জামও উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

    সংবাদ সম্মেলনে চট্টগ্রামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মশিউদ্দৌলা রেজা, মহিউদ্দিন মাহমুদ সোহেল ও আবদুল্লাহ আল মাসুম উপস্থিত ছিলেন।

  • মদ খেয়ে পুলিশকে চুমু, যুবক গ্রেফতার

    মদ খেয়ে পুলিশকে চুমু, যুবক গ্রেফতার

    অনললাইন ডেস্ক :

    সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বড় উৎসবগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো বোনালু বা হিন্দু দেবী মহাকালীর পূজা। প্রতি বছর এই সময় ধুমধাম করে এই উৎসব পালিত হয়। উৎসবটি ঘিরে শোভাযাত্রাও হয় ভারতের বিভিন্ন শহরে। রোববার সে রকমই এক শোভাযাত্রা বেরিয়েছিল হায়দারাবাদ শহরে।

    শোভাযাত্রার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দিতে সেখানে উপস্থিত ছিল পুলিশ। কিন্তু শোভাযাত্রা চলাকালীন এক মদ্যপ চুম্বন করে বসেন কর্তব্যরত এক পুলিশ কর্মকর্তাকে। এ ঘটনায় ওই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

    রোববার রাতে হায়দারাবাদ শহরের নরসিমহা বস্তিতে এসআই মহেন্দরের। বোনালু উৎসব উপলক্ষে ঢাক-ঢোলের তালে সেখানে নাচছিলেন কয়েকজন যুবক। মহেন্দরকে দেখে সেই দল থেকে এগিয়ে আসেন বেসরকারি ব্যাংকের কর্মী ভানু। নাচতে নাচতে মহেন্দ্রকে জাপটে ধরে চুমু দেন তিনি।

    প্রথমে একটু অপ্রস্তুত হয়ে গেলেও পরক্ষণে নিজেকে সামলে নিয়ে ভানুর গালে সপাটে থাপ্পড় মারেন মহেন্দ্র। ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করা হলে তা ভাইরাল হয়। তা দেখে টনক নড়ে স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তাদের।

    ঘটনাটি নিয়ে এক পুলিশ পরিদর্শক জানিয়েছেন, ‘রোববার হায়দরাবাদ শহরে বোনালু উৎসব উপলক্ষ্যে একটি শোভাযাত্রা বের হয়। নিরাপত্তার জন্য সেখানে উপস্থিত ছিলেন সহকারী পরিদর্শক (এসআই) মহেন্দ্র। তখনই তাকে চুম্বন করে ভানু নামের এক ব্যক্তি। তিনি সে সময় মত্ত অবস্থায় ছিলেন।’

    উপরতলার নির্দেশে কর্মরত এসআই-কে নিগ্রহের দায়ে গ্রেফতার ভানুর বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৫৩৩ নম্বর ধারায় (কর্মরত অবস্থায় থাকা সরকারি কর্মীকে আক্রমণ ও আঘাত হানার চেষ্টা) অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।