Category: প্রশাসন

  • মিন্নির জামিন নামঞ্জুর নিয়ে যা বললেন আইনজীবীরা

    মিন্নির জামিন নামঞ্জুর নিয়ে যা বললেন আইনজীবীরা

    অনলাইন ডেস্ক :

    রিফাত হত্যা মামলায় স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নির ফের জামিন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। মঙ্গলবার (৩০ জুলাই) দীর্ঘ তিন ঘন্টা শুনানি শেষে বেলা ৩ টা ৫ মিনিটে বরগুনা জেলা ও দায়রা জজ মো. আছাদুজ্জামান তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন। মিন্নির আইনজীবী অ্যাডভোকেট মাহবুবুল বারী আসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    বরগুনা জেলা ও দায়রা জজ আদালতে গত ২৩ জুলাই আয়শা সিদ্দিকা মিন্নির পক্ষে জামিনের আবেদন করেন, তার পক্ষে নিযুক্ত আইনজীবী এডভোকেট মাহাবুবুল বারী আসলাম।ওইদিন জামিনের আবেদন গ্রহণ করে ৩০ জুলাই শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছিল।

    আইনজীবীরা জানান, মঙ্গলবার বেলা ১১টায় জামিনের শুনানি শুরু হয়।অ্যাডভোকেট মাহাবুবুল বারী আসলামসহ অন্যান্য আইনজীবীরা মিন্নির জামিনের যৌক্তিকতা তুলে ধরেন।রাষ্ট্রপক্ষ এর বিরোধীতা করে পাল্টা যুক্তি দেখিয়ে মিন্নির জামিন নামঞ্জুরের অনুরোধ জানান।

    উভয় পক্ষের শুনানি শেষে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাকে আদালতে হাজির হতে বলেন।হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে মিন্নির সংশ্লিষ্টতা বিষয়ে তথ্য উপস্থাপনের নির্দেশ দেন।পরে তথ্য যাচাই ও পুনরায় শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুরের আদেশ দেন। এদিন মিন্নিকে আদালতে উঠানো হয়নি।

    মিন্নির আইনজীবী অ্যাডভোকেট মাহবুবুল বারী আসলাম বলেন, আদালত দীর্ঘক্ষণ উভয়ের বক্তব্য শুনে মিন্নির জামিন নামঞ্জুর করেন। আমরা মিন্নির পরিবারের সঙ্গে কথা বলে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

    তিনি বলেন, রিফাত হত্যা মামলায় ১৫ জন স্বীকারোক্তি দিলেও মামলার প্রধান সাক্ষী রিফাতের স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি তার জবানবন্দি প্রত্যাহার করতে চাচ্ছেন। তার দাবি, মিন্নিকে নির্যাতন ও ভয়ভীতি দেখিয়ে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী নেওয়া হয়েছে।

    মিন্নির আরেক আইনজীবী গোলাম মোস্তফা কাদের বলেন, আদালত উভয়ের বক্তব্য শুনে মিন্নির জামিন নামঞ্জুর করেছেন। সিনিয়র আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলে আমরা এখন উচ্চ আদালতে মিন্নির জামিনের আবেদন করবো।

    তিনি বলেন, মিন্নির জামিন আবেদনের পক্ষে আইনি সহায়তা দেওয়ার জন্য আইন ও সালিশ কেন্দ্র থেকে অ্যাডভোকেট আবদুর রশিদ, অ্যাডভোকেট নিলা গোস্বামী, লিগ্যাল এইড প্রধান ঢাকা জেলা জজ আদালতের সিনিয়র আইনজীবী মো. ফারুক আহম্মেদ, ব্লাস্টের সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট শাহিদা তালুকদার, অ্যাডভোকেট এজেডএম শহীদুজ্জামানসহ প্রায় ৩০ জন আইনজীবী বরগুনায় আসেন।

    রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ভুবন চন্দ্র হাওলাদার বলেন, চাঞ্চল্যকর এ মামলায় আদালত উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনেছেন। আমরা মিন্নির যে ভূমিকা তা তুলে ধরেছি।এক পর্যায়ে আদালত মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে তলব করে হত্যাকাণ্ডে মিন্নির জড়িত থাকার বিভিন্ন জব্দকৃত উপাদান, তথা ভিডিও ক্লিপ, কলরেকর্ডসহ অন্যান্য ডকুমেন্ট উপস্থাপন করেন। পরে সেগুলো আদালত দীর্ঘ পর্যালোচনা করে মিন্নির জামিন নাকচ করে দেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।

    শুনানিতে তাকে সহযোগীতা করেন অ্যাডভোকেট মুজিবুল হক কিসলু ও অ্যাডভোকেট কামরুল আহসান মহারাজ।

    মিন্নির বাবা মোজাম্মেল হোসেন কিশোর বলেন, আমরা আশা করেছিলাম তার এভিডিয়েন্স তাতে জামিন হওয়ার কথা কিন্তু হলোনা। আমি আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলে উচ্চ আদালতে জামিন আবেদন করবো।

    মিন্নির পক্ষে আইনজীবী অ্যাডভোকেট মাহবুবুল বারী আসলামসহ, অ্যাডভোকেট গোলাম মোস্তফা কাদের, ঢাকা থেকে আসা আইন ও সালিশ কেন্দ্রের অ্যাডভোকেট আবদুর রশিদ, অ্যাডভোকেট নীনা গোস্বামী, ব্লাস্টের শাহিদা তালুকদার, এ জেড এম শহিদুজ্জামান খান, রাকিব হাসান, সাগর সরকার, নুসরাত হত্যা মামলার আলোচিত আইনজীবী ফারুক আহম্মেদসহ ৩০ জন আইনজীবী শুনানিতে অংশগ্রহণ করেন।

    প্রসঙ্গত, গত ২৬ জুন সকালে প্রকাশ্যে বরগুনা সরকারি কলেজ গেটের সামনে রিফাতকে কুপিয়ে আহত করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় বরিশাল নেওয়ার পর তিনি মারা যান। এ ঘটনায় রিফাতের বাবা আবদুল হালিম দুলাল শরীফ বাদী হয়ে ১২ জনকে আসামি করে বরগুনা থানায় হত্যা মামলা করেন। রিফাত হত্যা মামলায় এ পর্যন্ত মিন্নিসহ ১৫ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তারা সবাই ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।

    প্রধান আসামী নয়ন বন্ড ২ জুলাই পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন। তবে মামলার এজাহারভুক্ত ১২ আসামির মধ্যে এখনও চার জন গ্রেফতার হয়নি। তারা হচ্ছেন মুসা, মোহাইমিনুল ইসলাম সিফাত, রায়হান ও রিফাত হাওলাদার। আগামী ৩১ জুলাই গ্রেফতারকৃত আসামীদের বরগুনার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালতে হাজির করা হবে।

  • আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাকে আদালতে তলব

    আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাকে আদালতে তলব

    অনলাইন ডেস্ক :

    বহুল আলোচিত বরগুনার রিফাত শরীফ হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বরগুনা সদর থানা পুলিশের ওসি (তদন্ত) মো. হুমায়ুন কবিরকে আদালতে তলব করা হয়েছে। মঙ্গলাবার দুপুর ১টার দিকে রিফাত হত্যা মামলার প্রধান সাক্ষী থেকে আসামি বনে যাওয়া আয়শা সিদ্দিকা মিন্নির জামিনের শুনানির সময় ওসি হুমায়ুন কবিরকে আদালতে তলব করেন বরগুনা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আছাদুজ্জাম।

    এর আগে বেলা সকাল ১১টায় পূর্ব নির্ধারিত তারিখে বরগুনা জেলা ও দায়রা জজ আদালতে মিন্নির জামিন শুনানি শুরু হয় বলে জানা গেছে। প্রথমে শুনানি শুরু করেন মিন্নির আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. মাহবুবুল বারী আসলাম। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন অন্তত ২০ জন আইনজীবী। আসলামসহ মিন্নির পক্ষে উপস্থিত থাকা অন্যান্য আইনজীবীরা এক ঘণ্টা শুনানি করে মিন্নির জামিন দেয়ার বিষয়ে নানা যুক্তি আদালতে উপস্থাপন করেন।

    এরপর বাদী ও রাষ্ট্রপক্ষের পিপি অ্যাডভোকেট ভূবন চন্দ্র হালদারসহ অন্তত ৪০ জন আইনজীবী মিন্নির জামিনের বিরোধিতা করে নানা যুক্তি তুলে ধরে এক ঘণ্টা শুনানি করেন। পরে উভয় পক্ষের শুনানি শেষে দুপুর ১টার দিকে আদালত মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বরগুনা সদর থানা পুলিশের ওসি (তদন্ত) মো. হুমায়ুন কবিরকে আদলতে তলব করেন। তবে দুপুর ১টা ২৫ মিনিটের দিকে এ রিপোর্ট লেখার সময় ওসি হুমায়ূন কবির আদালতে উপস্থিত হননি।

  • ফের মিন্নির জামিন আবেদন নামঞ্জুর

    ফের মিন্নির জামিন আবেদন নামঞ্জুর

    নিউজ ডেস্ক :

    বরগুনায় প্রকাশ্যে হত্যার শিকার রিফাত শরীফের স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নির জামিনের আবেদন আবার নামঞ্জুর করেছেন আদালত।

    মঙ্গলবার দুপুর ৩টার দিকে বরগুনার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আসাদুজ্জামান এ জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।

    আদালতে আয়শা সিদ্দিকার পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মাহবুবুল বারী আসলাম। সঙ্গে ছিলেন আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) এবং বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্টের (ব্লাস্ট) আইনজীবীরা।

    গত ২১ জুলাই বরগুনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে প্রথমবার মিন্নির জামিনের আবেদন করেন আইনজীবী মাহবুবুল বারী আসলাম। পরে ওইদিনই শুনানি শেষে বরগুনার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম মো. সিরাজুল ইসলাম গাজী তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।

    এরপর গত ২৩ জুলাই মিস কেস দাখিল করে বরগুনার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আসাদুজ্জামানের আদালতে আবার জামিনের আবেদন করেন মিন্নির আইনজীবী মাহবুবুল বারী আসলাম। পরে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নথি তলব করে ৩০ জুলাই এ জামিন শুনানির দিন ধার্য করেন আদালত।

  • সড়ক-নৌপথে অসুস্থ প্রতিযোগিতা থেকে বিরত থাকতে হবে: জেলা প্রশাসক

    সড়ক-নৌপথে অসুস্থ প্রতিযোগিতা থেকে বিরত থাকতে হবে: জেলা প্রশাসক

    বরিশালের জেলা প্রশাসক (ডিসি) এস এম অজিয়র রহমান বলেছেন, সড়ক ও নৌপথে অসুস্থ প্রতিযোগিতা করা যাবে না। এ থেকে বিরত থাকার জন্য পরিবহন ও নৌযান চালকদের পাশাপাশি মালিকদের আরও সচেতন হতে হবে।

    ঈদুল আজহা উপলক্ষে সোমবার (২৯ জুলাই) দুপুরে বরিশাল জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে বিশেষ সমন্বয় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

    নিয়ম মেনে সড়ক ও নৌপথে পরিবহন এবং নৌযান চালানোর আহ্বান জানিয়ে ডিসি অজিয়র রহমান বলেন, সরকারি আইন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিয়ম অমান্যকারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    গত ১৮ জুলাই ভোরে ঢাকা থেকে বরিশালগামী পারাবত-১১ লঞ্চের ধাক্কায় সুন্দরবন-১০ লঞ্চ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, যেহেতু নিরাপত্তার কথা ভেবেই মিয়ারচরের চ্যানেল ব্যবহার করা হচ্ছে। আর সেটি যদি সরু হয়, তবে সেখান দিয়ে যাওয়ার সময় প্রতিযোগিতার প্রয়োজন নেই। পারাবত-১১ লঞ্চ ধাক্কা দিয়ে সুন্দরবন-১০ এর যে ক্ষতি করেছে এতে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারতো। তাই ওই লঞ্চের চালকের বিরুদ্ধে মালিকরা ব্যবস্থা নেবেন এবং কর্তৃপক্ষকে অবহিত করবেন।

    তিনি বলেন, যার যার অবস্থান থেকে সেবার মনোভাব নিয়ে কাজ করতে হবে। একে অপরের ওপর দোষ না চাপিয়ে কোরবানির ঈদে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা যাতে নির্বিঘ্ন ও আরামদায়ক হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। টার্মিনালে যাত্রী হয়রানি করা যাবে না এবং খেয়াল রাখতে হবে ভাড়া যেন না বাড়ে।

    বাস মালিকদের উদ্দেশ্যে ডিসি অজিয়র বলেন, আপনারা অবশ্যই খেয়াল রাখবেন যেনো কোনো বাস চালক এক নাগারে ২৪ ঘণ্টা গাড়ি না চালায়।

    সভায় জানানো হয়, বরিশাল নদীবন্দরে লঞ্চের তুলনায় টার্মিনালের জায়গা সংকট রয়েছে। তাই এক সঙ্গে ১০ থেকে ১২টি লঞ্চ বরিশাল নদী বন্দরে নোঙর করতে পারবে না।

    সভায় স্পেশাল সার্ভিসের সময় নদীপথে বালুবাহী বাল্কহেডসহ ঝুঁকিপূর্ণ নৌযান চলাচল বন্ধ রাখা, লঞ্চে ধারণ ক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহন না করা, সরু চ্যানেলে (মিয়ারচর) পাশাপাশি দু’টি লঞ্চ চলাচল না করা, নদী তীরের সিগনাল বাতিসহ সাংকেতিক চিহ্ন ঠিক রাখা এবং নদীর মধ্যে কোনো লঞ্চ না থামানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    এদিকে সড়ক পথের জন্য সভার উল্লেখযোগ্য সিদ্ধান্তগুলো হলো- ফিটনেসবিহীন মোটরযান সড়কে চালনা এবং এতে যাত্রী পরিবহন না করা, অনবিজ্ঞ ও লাইসেন্সবিহীন চালক-হেলপার দিয়ে মোটরযান চালনা থেকে বিরত থেকে ওভারলোডে যাত্রী পরিবহন না করা, চালকদের সময় মতো বিশ্রাম নিতে দেওয়া, ভাড়া ঠিক রাখা, মহাসড়কে অবৈধ যানবাহন চলাচল বন্ধ করতে জেলা প্রশাসন, বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ) ও পুলিশ প্রশাসন আলাদা ও যৌথভাবে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করা।

    এছাড়া সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল নদীবন্দর, নতুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল ও রূপাতলী বাস টার্মিনাল এলাকায় ঈদের আগে ও পরে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা জোরদার করা হবে। এসব জায়গা ঘিরে নৌ-পুলিশ, মেট্রোপলিটন পুলিশ, কোস্টগার্ড, র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) সদস্যদের পাশাপাশি স্কাউট, মেরিন ক্যাডেট, আনসার, কমিউনিটি পুলিশ ও তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করবে। দুর্ঘটনা বা অসুস্থজনিত কারণে যাত্রীদের উদ্ধার ও হাসপাতালে পৌঁছে দেওয়ার বিষয়ে ফায়ার সার্ভিসের টিম মাঠ পর্যায়ে কাজ করবে।

    নদীবন্দর ও বাস টার্মিনালে যাত্রীদের বসার জন্য অতিরিক্ত যাত্রী ছাউনি নির্মাণ ও বিশুদ্ধ পানি এবং মাইকিং এর ব্যবস্থা করা হবে বলে সভায় জানানো হয়।

    সভায় বরিশাল নগরে ভেজাল পণ্য ও বাজার দর নিয়ন্ত্রণে রাখার বিষয়েও সিদ্ধান্ত হয়।

  • মিন্নির গোপন জবানবন্দি প্রকাশ, এবার সুর পাল্টালেন পুলিশ সুপার

    মিন্নির গোপন জবানবন্দি প্রকাশ, এবার সুর পাল্টালেন পুলিশ সুপার

    অনলাইন ডেস্ক :

    বরগুনায় রিফাত শরীফকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় করা মামলার প্রধান সাক্ষী ও তার স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিকে গ্রেপ্তারের পর পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন বলেছিলেন, মিন্নি হত্যাকাণ্ডে সম্পৃক্ত। আদালতে মিন্নির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়ার আগেই তার নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে খুনের পরিকল্পনায় মিন্নির জড়িত থাকার কথা পুলিশ সুপার বলেছিলেন।

    কিন্তু আদালতে দেওয়া মিন্নির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশের পর পুলিশ সুপার তার সুর পাল্টে ফেলেছেন। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, আদালতে জবানবন্দি দেওয়ার আগে তিনি মিডিয়াকে তার (মিন্নি) সম্পৃক্ততার কথা বলেননি। বলেছেন, তদন্তে ঘটনার সঙ্গে মিন্নির জড়িত থাকার বিষয়টি প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হয়েছে।

    আদালতে মিন্নির দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির বরাত দিয়ে একটি জাতীয় দৈনিক গত সোমবার সংবাদ প্রকাশ করে। সাংবাদিকরা বিষয়টি জানার জন্য ওই দিন পুলিশ সুপারের সঙ্গে তার কার্যালয়ে দেখা করেন। পুলিশ সুপারের কাছে সাংবাদিকরা মিন্নির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি সম্পর্কে জানতে চান।

    তিনি তখন সাংবাদিকদের বলেন, তদন্তাধীন মামলার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রকাশের সুযোগ নেই। যদি প্রকাশ পায় তাহলে মামলার তদন্তে সমস্যার সৃষ্টি হবে। তখন সাংবাদিকরা জানতে চান, একটি দৈনিক মিন্নির জবানবন্দি নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করেছে। তারা কিভাবে তথ্য পেল? সাংবাদিকদের এ প্রশ্নের জবাবে পুলিশ সুপার বলেন, স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির কপি পুলিশের পাশাপাশি আদালতে রক্ষিত থাকে। পুলিশের কোনো কর্মকর্তা ওই জবানবন্দির কপি কাউকে সরবরাহ করেননি। এমনকি ওই পত্রিকাটি কোথা থেকে জবানবন্দির কপি পেয়েছে তাও তিনি জানেন না।

    মিন্নিকে রিমান্ডে নেওয়ার পরদিন সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার যা বলেছিলেন

    মিন্নিকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয় গত ১৭ জুলাই। এর পরদিন মামলার অন্যতম আসামি রিশান ফরাজীকে গ্রেপ্তার করা হয়। ওই দিন পুলিশ সুপার তাঁর কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন। শুরুতেই পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন বলেন, ‘এই মামলা নিয়ে নানা ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং দু-একটি মিডিয়ায় প্রচারিত হচ্ছে। আমি আজকে আপনাদের সব ধরনের প্রশ্নের উত্তর দিতে যাচ্ছি। যাতে করে কোনো ধরনের বিভ্রান্তি না থাকে।’

    খুনের সঙ্গে জড়িত বলে মিন্নি কি নিজে স্বীকার করেছেন—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে পুলিশ সুপার বলেন, ‘করেছে।’ কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে পুলিশ সুপার বলেন, ‘মিন্নি স্বীকার করেছে বলেই আমরা এই বিষয়গুলোর সত্যতা যাচাইয়ের জন্য বিজ্ঞ আদালতের কাছে যৌক্তিকতা তুলে ধরে রিমান্ডের আবেদন করেছি। আদালত পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।’ মিন্নি কিভাবে এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত—জানতে চাইলে পুলিশ সুপার বলেন, ‘মিন্নি শুরু থেকেই, যারা হত্যাকারী ছিল, তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছে। সে এ হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনার অংশ। এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হওয়ার পূর্বেও সে এ হত্যাকাণ্ডটি নিয়ে পরিকল্পনার জন্য যা যা দরকার, মিটিং করেছে হত্যাকারীদের সাথে।’

    এ প্রসঙ্গে বরিশাল বিভাগীয় জননিরাপত্তা বিঘ্নকারী অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিশেষ সরকারি কৌঁসুলি (স্পেশাল পিপি) লস্কর নুরুল হক বলেন, ‘ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি মামলার জন্য সবচেয়ে বড় উপাদান। এটি মামলার অভিযোগপত্র দেওয়ার আগমুহূর্ত পর্যন্ত গোপন রাখা হয়। যদি আগেভাগেই তা প্রকাশ পায়, তাহলে তা মামলার তদন্ত প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত কিংবা ভিন্ন খাতে মামলাটি প্রবাহিত করার আশঙ্কা থাকে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তার বাইরে এর কপি যাওয়া আইনসিদ্ধ নয়।’

    এদিকে এ ব্যাপারে মিন্নির পরিবার প্রশ্ন তুলেছে। তারা বলছে, যারা প্রকাশ্যে রিফাতকে কোপাল, তারাও জবানবন্দি দিয়েছে। সেটি সংবাদমাধ্যমে না এসে কেন ঘুরেফিরে তাদের মেয়ের (মিন্নি) জবানবন্দি প্রকাশ হচ্ছে? কারাই বা এই জবানবন্দি সংবাদমাধ্যমকে সরবরাহ করছে? শুধু তা-ই নয়, নয়নের বাসা থেকে মিন্নির ব্যবহৃত জিনিসপত্র উদ্ধার নিয়ে তার পরিবার প্রশ্ন তুলেছে।

    মিন্নির বাবা মোজাম্মেল হোসেন কিশোর বলেন, ‘মিন্নিকে গ্রেপ্তারের পর একটি অনলাইন পোর্টালে দেখেছি, মোবাইল ফোন নিয়ে বিরোধের জের ধরে রিফাত খুন হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। মোবাইল ফোন নিয়ে রিফাত ও মিন্নির মধ্যে ঘটনার দুই দিন আগে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে আমরা জানতাম। যেটি আমরা জানি না সেটি নিয়ে এই হত্যাকাণ্ড? গত সোমবার একটি জাতীয় দৈনিকে মিন্নির স্বীকারোক্তি নিয়ে সংবাদ ছেপেছে। তারাও বলেছে, মোবাইল ফোন নিয়েই ঘটনার সূত্রপাত। অবাক হলাম এই ভেবে, যারা রিফাতকে কুপিয়েছে, তারা আদালতে কী বলেছে তা জানতে পেলাম না।’

    তিনি আরো বলেন, ‘প্রভাবশালী চক্রটি নির্যাতন করে মিন্নির কাছ থেকে আদায় করা জবানবন্দি প্রকাশ্যে এনেছে। যাতে তারা প্রমাণ করতে পারে যে মিন্নির জন্যই রিফাত খুন হয়েছে। তাতে মামলা দুর্বল হবে। প্রভাবশালীদের ক্যাডাররা খুনের দায় থেকে বেঁচে যাবে।’

  • বরিশালে সেরা ট্রাফিক পুলিশের পুরস্কার পেলেন সার্জেন্ট নিজাম

    বরিশালে সেরা ট্রাফিক পুলিশের পুরস্কার পেলেন সার্জেন্ট নিজাম

    ট্রাফিক বিভাগে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্যে ৮ বারের মতো মাসিক সেরা ট্রাফিক পুলিশ সার্জেন্ট হিসেবে নির্বাচিত ও পুরস্কৃত হয়েছেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ (বিএমপি) সার্জেন্ট নিজাম হোসেন।

    শনিবার বিএমপির সম্মেলন কক্ষে পুলিশ কমিশনার শাহাবুদ্দিন খান বিপিএম-বার সার্জেন্ট নিজাম হোসেনকে সম্মনাননা ক্রেস্ট প্রদান করেন।

    মহাসড়কে অবৈধ যানবহন, থ্রি হুইলার, পিকআপ, ট্রাক, গাড়ি আটক এবং হেলমেটবিহীন মোটরসাইকেল চলাসহ বিভিন্ন যানবাহনে মামলা, ও নানাবিধ ভাল কাজে সফলতা অর্জন করায় ৮ বারের মতো সেরা সার্জেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন তিনি।

    সার্জেন্ট নিজাম হোসেন বলেন, আমি চেষ্টা করেছি ভালো ভাবে কাজ করার জন্য। এই সম্মাননা আমার কাজের গতি আরো বাড়িয়ে দেবে। এ পুরস্কার নিয়ে মোট ৮ বার  মাসিক সার্জেন্ট পুরুস্কার পেয়েছেন।

    তিনি ২০১৮ সালে ফেব্রুয়ারি মাসে বরিশালে যোগদান করেন।

  • কারাগারে রিফাত হত্যার ১৩ আসামির সঙ্গে মিন্নির সাক্ষাৎ!

    কারাগারে রিফাত হত্যার ১৩ আসামির সঙ্গে মিন্নির সাক্ষাৎ!

    অনলাইন ডেস্ক :

    বরগুনার আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যা মামলার প্রধান সাক্ষী ও নিহতের স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি রিমান্ড শেষে বর্তমানে বরগুনা জেলা কারাগারে রয়েছেন। কারাগারে মিন্নির জায়গা হয়েছে নারী ওয়ার্ডে। সেখানে মিন্নি ছাড়াও রয়েছেন ১৪ নারী বন্দি। রিফাত শরীফ হত্যা মামলার অন্য ১৩ আসামিও রয়েছেন একই কারাগারের বিভিন্ন সেলে।

    তবে সেল ভিন্ন হলেও দিনের বেলায় তাদের দেখা হয়। কারাগারটি পরিসরে ছোট হওয়ায় আসামিদের দেখা-সাক্ষাৎ বন্ধ রাখা সম্ভব হচ্ছে না। মিন্নি এটা নিয়ে অনেকটাই বিব্রত। যারা চোখের সামনে স্বামীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে, তারাই এখন সামনে ঘুর ঘুর করছে। বিষয়টি তাকে ভীষণভাবে কষ্ট দেয়।

    কারাগার সূত্রে জানা গেছে, কারাগারে আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নির দিন কাটছে বিষণ্ণতায়। তাকে হতাশাগ্রস্ত দেখা গেছে। তিনি অধিকাংশ সময় চুপচাপ থাকেন। কারাগারে বই পড়ার আগ্রহও দেখিয়েছেন তিনি। তার আইনজীবী সেটি কারা কর্তৃপক্ষকেও জানিয়েছেন।

    কারাগারে মিন্নির সঙ্গে দেখা করেন তার বাবা মোজাম্মেল হোসেন কিশোর ও বরগুনা বারের সাধারণ সম্পাদক এবং মিন্নির আইনজীবী মো. মাহবুবুল বারী আসলাম। তারা উভয়ই দাবি করেন, রিমান্ডে থাকা অবস্থায় পুলিশের নির্যাতনে খুব অসুস্থ হয়ে পড়েছেন মিন্নি। তাই তার চিকিৎসা প্রয়োজন। এছাড়াও পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদের সময় শিখিয়ে দেওয়া স্বীকারোক্তি আদালতে বলেছেন মিন্নি। তাই এ স্বীকারোক্তি প্রত্যাহার করতে চান তিনি।

    বৃহস্পতিবার রাতে বরগুনা জেলা কারাগারের সুপার মো. আনোয়ার হোসেন গণমাধ্যমকে বলেছিলেন, ‘মিন্নি আদৌ অসুস্থ না। তার আইনজীবী এসেছিলেন। আমি মিন্নিকে তার আইনজীবীর সঙ্গে দেখা করিয়ে দিয়েছি। আমার সামনেই মিন্নির আইনজীবী তার কাছে বারবার জানতে চেয়েছেন, তাকে মারধর করা হয়েছে কি না এবং সে অসুস্থ কি না? এর উত্তরে মিন্নি বলেছেন, আমি ঠিক আছি। আমার শরীরে ম্যাজ ম্যাজ করে একটু ব্যথা হয়েছে।’

  • নিহত রিফাতের চাঞ্চল্যকর ভিডিও ফাঁস! (ভিডিওসহ)

    নিহত রিফাতের চাঞ্চল্যকর ভিডিও ফাঁস! (ভিডিওসহ)

    বরগুনায় দিনদুপুরে প্রকাশ্যে হত্যা করা হয়েছিল রিফাত শরীফকে। এই ঘটনার যারা আসামি তারা প্রত্যেকেই মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত বলে জানা গেছে।

    এমনকি নিহত রিফাত শরীফও মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। রিফাতকে একবার মাদকসহ গ্রেফতারও করেছিল পুলিশ। সেই ভিডিওই সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

    ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, রাতের অন্ধকারে পুলিশ রিফাতকে গ্রেফতার করেছে। তাকে গালাগাল করতেও শোনা গেছে। তবে নিহত রিফাত শরীফের বাবা আবদুল হালিম দুলালের অভিযোগ, হত্যাকাণ্ডের ঘটনার আগে তাকে মা’দক দিয়ে ফাঁসানোর জন্য নয়ন বন্ড ফাঁদ তৈরি করেছিল। এমনকি তাতে পুলিশের অংশগ্রহণ ছিল বলেও দাবি করেছেন দুলাল শরীফ।

    তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘মিন্নি, নয়ন ও তিনজন পুলিশ অফিসার ষড়যন্ত্র করে আমার ছেলেকে ধরিয়ে দিয়েছিল।’ তবে পুলিশ এমন অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

    এ বছরের ২৬ এপ্রিল মিন্নির সঙ্গে বিয়ের ১৫ দিন পর ১১ মে রিফাতকে বরগুনার ৯ নম্বর ইউনিয়নের লাকুরতলা এলাকার একটি সড়ক থেকে গাঁজাসহ আটক করে বলে দাবি করে পুলিশ। এ ঘটনায় বরগুনা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা হয়। এতে ১৭ দিন কারাগারে ছিলেন রিফাত।

    রিফাত হত্যা মামলায় এ পর্যন্ত ১৫ আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তারা সবাই ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। প্রধান আসামি নয়ন বন্ড ২ জুলাই পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছে। তবে মামলার এজাহারভুক্ত ১২ আসামির মধ্যে এখনও চারজন গ্রেফতার হয়নি।

  • গণপিটুনিতে জড়িত অপরাধীদের ছাড় দেওয়া হবে না : ডিআইজি শফিকুল

    গণপিটুনিতে জড়িত অপরাধীদের ছাড় দেওয়া হবে না : ডিআইজি শফিকুল

    পদ্মা সেতুতে মানুষের মাথা ও রক্ত লাগবে, এটা সম্পূর্ণ গুজব। ছেলেধরা সন্দেহে কাউকে গণপিটুনি বা মেরে ফেলা দণ্ডনীয় অপরাধ। এ ধরনের অপরাধীকে কোনভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না। ছেলেধরা গুজবের পেছনে দেশ-বিদেশি ষড়যন্ত্র রয়েছে। সবাইকে সচেতন হয়ে গুজব প্রতিরোধ করতে হবে।’

    শনিবার (২৭ জুলাই) দুপুরে ঝালকাঠি পুলিশ লাইন্সের দরবার হলে অনুষ্ঠিত মাদক, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ বিরোধী সুধী সমাবেশ প্রধান অতিথির বক্তব্যে বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি শফিকুল ইসলাম-বিপিএম (বার), পিপিএম এসব কথা বলেন।

    তিনি আরো বলেন, বরিশালে রেঞ্জে তার যোগদানের পর থেকে ৯৯৩ জন মাদক ব্যবসায়ী আত্মসমর্পণ করেছেন। এদের মধ্যে ২৭৮ জনকে নিরাময় কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। পুনর্বাসন করা হয়েছে ৩০৯ জনকে। জেলা পুলিশ ও কমিউনিটি পুলিশিং ফোরামের উদ্যোগে আয়োজিত এ সমাবেশে আরো
    বক্তব্য রাখেন ঝালকাঠির পুলিশ সুপার ফাতিহা ইয়াসমিন, নলছিটি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. সিদ্দিকুর রহমান, ঝালকাঠি সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান খান আরিফুর রহমান, কমিউনিটি পুলিশিং ফোরামের সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান রসুল প্রমুখ।

    সুধী সমাবেশে মাদক ব্যবসা ও মাদক সেবন ছেড়ে সুস্থ জীবনে ফিরে আসায় জেলার ২৪ জন নারী-পুরুষকে পুনর্বাসিত করা হয়। তাদের দেয়া হয় সেলাই মেশিন ও মাছ ধারার জাল। অনুষ্ঠানে জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন
    সমাবেশের আগে চলমান গুজব ও গণপিটুনি রোধে জেলা পুলিশের গণসচেতনতা সপ্তাহ উপলক্ষে ঝালকাঠি জেলা শহরে একটি বর্নাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়। এতে বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি মো. শফিকুল ইসলাম, ঝালকাঠির পুলিশ সুপার ফাতিহা ইয়াসমিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) এম.এম মাহমুদ হাসান-পিপিএম (বার) ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশ নেন।

  • ব্যাংক কর্মকর্তার স্ত্রীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় পুলিশ কর্মকর্তা

    ব্যাংক কর্মকর্তার স্ত্রীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় পুলিশ কর্মকর্তা

    অনলাইন ডেস্ক :

    ফরিদপুরে এক ব্যাংক কর্মকর্তার স্ত্রীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় ধরা পড়েছেন পুলিশের শিক্ষানবিশ উপপরিদর্শক (পিএসআই) আল ইমরান। বৃহস্পতিবার রাতে শহরের ঝিলটুলী এলাকার ব্যাংক কর্মকর্তার নিজ ফ্ল্যাট থেকে আপত্তিকর অবস্থায় ব্যাংক কর্মকর্তার স্ত্রীসহ পুলিশের ওই পিএসআইকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে পুলিশ।

    এলাকাবাসী ও কোতয়ালী থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ফরিদপুর শহরের ইস্টার্ন ব্যাংকের জনৈক কর্মকর্তার স্ত্রীর (এক সন্তানের জননী) সঙ্গে ফেসবুকের মাধ্যমে পরিচয় হয় ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার ময়না গ্রামের কাঞ্চন মুন্সীর ছেলে পুলিশের পিএসআই (বর্তমানে রাজবাড়ী থানায় কর্মরত) আল ইমরানের। পরিচয়ের সূত্র ধরে তাদের মধ্যে পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। মাঝে মধ্যেই তারা বিভিন্ন স্থানে দেখা-সাক্ষাৎ করতো। ব্যাংক কর্মকর্তা ফরিদপুরে না থাকার সুযোগে তার স্ত্রী বৃহস্পতিবার রাতে ঝিলটুলী এলাকার রেইনবো স্কুলের পাশে তার নিজস্ব ফ্ল্যাটে আল ইমরানকে ডেকে আনেন। বিষয়টি ব্যাংক কর্মকর্তা জানতে পেরে কৌশলে সেখানে গিয়ে স্থানীয়দের সহায়তায় ফ্ল্যাট থেকে আপত্তিকর অবস্থায় দুইজনকে আটক করেন। পরে কোতয়ালী থানা পুলিশকে খবর দেয়া হয়। পুলিশ সেখান থেকে দুইজনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।

    খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ব্যাংক কর্মকর্তার বাড়ি কুষ্টিয়া জেলায়। তিনি বেশ কয়েক বছর আগে একই জেলার হাউজিং মহল্লার মাহমুদা রহমান বৃষ্টি নামে ওই নারীকে বিয়ে করেন। তাদের সংসারে ৭ বছরের এক পুত্র সন্তান রয়েছে।

    ওই ব্যাংক কর্মকর্তা জানান, দীর্ঘদিন ধরে তার স্ত্রী পরকীয়ায় আসক্ত হয়ে পড়ে। নানাভাবে বুঝিয়েও তাকে এ পথ থেকে ফেরানো যায়নি। এ ঘটনায় নিজে বাদী হয়ে থানায় মামলা করবেন বলে তিনি জানান।

    ফরিদপুর কোতয়ালী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ এফ এম নাসিম জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশের পিএসআইসহ ব্যাংক কর্মকর্তার স্ত্রীকে আটক করা হয়েছে। পরকীয়ার বিষয়টি আটক দুইজনই প্রাথমিকভাবে স্বীকার করেছেন। এ বিষয়ে মামলার প্রস্তুতি চলছে। মামলা হলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।