Category: প্রশাসন

  • বরিশাল র‍্যাবের অভিযানে মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

    বরিশাল র‍্যাবের অভিযানে মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

    বরিশালে উজিরপুরে র‍্যাবের অভিযানে ইয়াবাসহ হাফিজুল হাওলাদার (১৮)নামে এক মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার করেছে বরিশাল র‌্যাবিট এ্যাকশন ব্যাটিলিয়ন (র‌্যাব-৮)।

    আজ শনিবার দুপুর ১টার দিকে উপজেলার গুঠিয়া ইউনিয়নের চাংগুরিয়া গ্রাম থেকে তাকে আটক করা হয়। সে ওই এলাকার হানিফ হাওলাদারের ছেলে।

    র‍্যাব সুত্রে জানা গেছে,  গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে উপজেলার গুঠিয়া ইউনিয়নের চাংগুরিয়া গ্রাম থেকে হাফিজুল হাওলাদার (১৮) কে ৩০ পিচ ইয়াবা সহ আটক করা হয়।

    এবিষয়ে র‍্যাব ৮ এর এএসপি ইফতেখারুল ইসলাম জানান,  গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারি ওই এলাকায় ইয়াবা বেচাকেনা চলছে পরে অভিযান চালিয়ে হাফিজুলকে আটক করে তার দেহ তল্লাশি করে ৩০পিচ ইয়াবা পাওয়া যায়।  আটকৃতকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য র‍্যাব হেফাজতে নেয়া হয়েছে। যথাযথ প্রক্রিয়ায় আসামিকে মাদকদ্রব্য আইনে মামলা দায়ের করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।

  • কাশ্মীরে ধোনির টহল

    কাশ্মীরে ধোনির টহল

    লাইন অব কন্ট্রোলে (এলওসি) দাঁড়িয়ে সেলফি তুলছে পাকিস্তান কিংবা ভারতের সৈনিক, এমন ছবি সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল হলে অবাক হবেন না! কারণ মহেন্দ্র সিং ধোনি এখন থেকে দুই মাসের জন্য টহল দেবেন পাকিস্তান-ভারত সীমান্তে। বিশ্বকাপ খেলে দেশে ফেরার পর ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে না গিয়ে ভারতের সেনাবাহিনীর দায়িত্ব পালন করতে দুই সপ্তাহের জন্য সৈনিক জীবন বেছে নিয়েছেন ধোনি। ভারতীয় একটি বার্তা সংস্থা জানিয়েছে, ১০৬ টেরিটরিয়াল আর্মি ব্যাটালিয়নের (প্যারা) অংশ হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন অনারারি লেফটেন্যান্ট কর্নেল ধোনি। এই ইউনিটটি কাশ্মীরের ভিক্টর ফোর্সের অংশ। এ সময় টহল, নিরাপত্তা রক্ষা ও সীমান্ত চৌকিতে দায়িত্ব পালন করবেন ধোনি। থাকবেন সৈনিকদের সঙ্গে। ধোনি একজন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ছত্রীসেনাও। পাঁচটি প্যারাসুট জাম্প পূর্ণ করার মাধ্যমে তিনি প্যারাট্রুপার হিসেবেও নিজেকে উপযুক্ত করে তুলেছেন।

  • মিন্নি অনেক ভালো আছেন : চিকিৎসক

    মিন্নি অনেক ভালো আছেন : চিকিৎসক

    মিন্নি তেমন কোনো গুরুতর অসুস্থ নয়, একটু শারীরিক ব্যথা-বেদনা থাকতে পারে। এত বড় একটা ঘটনা ঘটে গেল, তাই তিনি মানসিকভাবে একটু চাপে আছেন। ভয়ের কিছু নেই, দুশ্চিন্তার কিছু নেই। তিনি অনেক ভালো আছেন।’

    বহুল আলোচিত বরগুনার রিফাত শরীফ হত্যা মামলার প্রধান সাক্ষী থেকে আসামি বনে যাওয়া রিফাতের স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নির চিকিৎসায় শুক্রবার সকালে কারাগারে যাওয়া বরগুনার সিভিল সার্জনের প্রতিনিধি মেডিকেল অফিসার ডা. হাবিবুর রহমান এসব কথা বলেন।

    মিন্নিকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়েছে কি-না সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নর জবাবে ডা. হাবিবুর রহমান বলেন, না তেমন কোনো কিছু দেখা যায়নি। তাছাড়া মিন্নিও তেমন কিছুই বলেননি। তবে তার একটু ঘুম কম হচ্ছে। সকালে যেহেতু জেলখানার কিছু নিয়ম-কানুন অছে সেহেতু সকাল বেলা তিনি ঘুমাতে পারেন না। আমরা কারা কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করেছি উনি যতটুকু রেস্ট নিতে চান যেন তা নিতে পারেন। কারা কর্তৃপক্ষও সেটা দেখবে বলে জানিয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, আমাদের সঙ্গে নারী ডাক্তারও ছিরেন। মিন্নির পরিবারের দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই।

    মিন্নিকে উন্নত চিকিৎসা দেয়ার দাবির বিষয়ে ডা. হাবিবুর রহমান বলেন, আমাদের কাছে তেমনটি মনে হয়নি।

    প্রসঙ্গত, স্বামী রিফাত শরীফ হত্যা মামলা জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেফতার আয়শা সিদ্দিকা মিন্নি বর্তমানে বরগুনা জেলা কারাগারে রয়েছেন। গত ১৯ জুলাই শুক্রবার রিফাত হত্যায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়ার পর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন।

    কারাগারে যাওয়ার পর মিন্নির সঙ্গে দেখা করেন তার বাবা মোজাম্মেল হোসেন কিশোর ও আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. মাহবুবুল বারী আসলাম। তারা উভয়ই দাবি করেন, রিমান্ডে থাকা অবস্থায় পুলিশের নির্যাতনে খুব অসুস্থ হয়ে পড়েছেন মিন্নি। তাই তার চিকিৎসা প্রয়োজন। এছাড়াও পুলিশের শিখিয়ে দেয়া স্বীকারোক্তি আদালতে বলেছেন মিন্নি। তাই এ স্বীকারোক্তি প্রত্যাহার করতে চান তিনি।

  • বরিশাল র‌্যাবের অভিযানে জেএমবির ২ সক্রিয় সদস্য গ্রেফতার

    বরিশাল র‌্যাবের অভিযানে জেএমবির ২ সক্রিয় সদস্য গ্রেফতার

    বরিশাল র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যটালিয়ন (র‌্যাব) অভিযান চালিয়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জেএমবির দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে। তাদের মধ্যে আজিজুল হক (২৫) নামে একজনকে বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৪টায় রাজধানীর মিরপুর এবং অপরজন মুফতি আব্দুল হাকিমকে (৩৭) দোহার থানাধীন জয়পাড়া গ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে বরিশাল র‌্যাব সদর দপ্তর রুপাতলী কার্যালয় থেকে প্রেরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

    গ্রেপ্তার আজিজুল হক ও রফে আজিজ পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া গ্রামের মজিবুর রহমানের ছেলে।

    র‌্যাব অফিস সূত্রের দাবি- গ্রেপ্তার আজিজুল হক প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাতের স্বীকার করেছেন তিনি ২০১০-১১ সালে স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় পড়াশুনা করার সুবাদে আতিকুর রহমান বাবু, নাজমুল, মাইনুদ্দিন ওরফে আলী হোসেন, আল আমিন এবং হাসানদের মাধ্যমে উগ্রপন্থী কর্মকাণ্ডে উদ্বুদ্ধ হন। পরবর্তীতে নিজেই উগ্রবাদে জড়িয়ে পড়েন এবং জেএমবির সক্রিয় সদস্য হিসেবে দেশের বিভিন্ন স্থানে কর্মী সংগ্রহের কাজ করেন। তাছাড়া তিনি আইটি প্রশিক্ষণ নিয়ে ছদ্মবেশে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকেও উগ্রবাদী কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছিলেন।

    গ্রেপ্তার অপরজন মুফতি আব্দুল হাকিম শরিয়তপুরের জাজিরা থানাধীন নাওডোবা গ্রামের আব্দুল কাদিরের ছেলে।

    র‌্যাবের দাবি- আব্দুল হাকিমও জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন তিনি জেএমবির একজন সক্রিয় সদস্য। ২০০২-২০০৭ সাল পর্যন্ত তিনি স্থানীয় শিবচরের একটি মাদ্রাসায় পড়াশুনা করেন। পরে ২০০৮ সালে তিনি রাজধানী ঢাকার ফকিরাবাদে কওমী পড়াশুনা শেষ করে দোহারের একটি মসজিদের ইমামতির পাশপাশি মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করছেন। তবে তিনি ছাত্র অবস্থাতেই তরিকুল ইসলাম ওরফে সাকিব, মানিক বেপারি ও নাজমুল নামে একজনে মাধ্যমে উগ্রবাদে জড়িয়ে পড়েন। পরে বরিশাল, ভোলা ও রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলাতে উগ্রপন্থী কর্মকাণ্ডের জন্য সদস্য সংগ্রহে গোপন দাওয়াতি কার্যক্রম করেন।

    তাদের দুইজনের এই উগ্রবাদের তথ্য উপাত্ত¡ সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করে বরিশাল র‌্যাব। এই ঘটনায় তাদের দু’জনের বিরুদ্ধেই আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে র‌্যাবের প্রেরিত বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।’

  • মিন্নির বাবা-মাকেও গ্রেফতারের দাবি রিফাতের বাবার

    মিন্নির বাবা-মাকেও গ্রেফতারের দাবি রিফাতের বাবার

    নিউজ ডেস্ক :

    বরগুনায় সড়কে প্রকাশ্যে কুপিয়ে রিফাত শরীফ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মামলার প্রধান সাক্ষী ও তার তার স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি গ্রেফতার করা হয়েছে আগেই। এবার মিন্নির বাবা-মাকেও গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন নিহত রিফাতের বাবা আবদুল হালিম দুলাল শরীফ।

    শুক্রবার দুপুরে বরগুনা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি জানান। এ সময় নিহত রিফাত শরীফের চাচা আবদুল আজিজ শরীফসহ পরিবারের স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন।

    দুলাল শরীফ বলেন, আমার ছেলেকে হত্যার পেছনে মিন্নিই ষড়যন্ত্র করেছে। এর আগে এসআই আসাদ, ওবায়দুল ও এএসআই সোহেল খান, নয়ন বন্ড ও মিন্নি চলতি বছরের ১১ মে আমার ছেলেকে মাদক দিয়ে ফাঁসিয়ে জেলহাজতে পাঠায়। তিনি মিন্নির বাবা-মাকে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদের দাবিও জানিয়েছেন।

    রিফাত হত্যার তদন্তে সন্তোষ প্রকাশ করে দুলাল শরীফ বলেন, রিফাত হত্যাকাণ্ডের তদন্তকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতেই মিন্নির বাবা পিবিআই ও সিআইডির তদন্ত দাবি করছেন। তিনি বলেন, ‘মামলার বাদী হিসেবে আমি মনে করি তদন্ত সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে হচ্ছে। কিন্তু আসামিরা মামলাকে ভিন্ন খাতে নিতে পিবিআই ও সিআইডির তদন্তের দাবি জানাচ্ছে। এটি কোনোভাবেই মানা যায় না যে মামলার আসামি হয়ে মামলার তদন্ত পরিবর্তনের দাবি জানায়। এর পেছনে নিশ্চয়ই কোনো ষড়যন্ত্র আছে। আমি পুলিশের তদন্তে সন্তুষ্ট।’

    লিখিত বক্তব্যে দুলাল শরীফ আরও বলেন, ‘আমার ছেলে শাহনেওয়ার রিফাত শরীফকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিসহ ১৫ আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ১৫ আসামিই হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। মামলার সামগ্রিক কার্যক্রম সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে এগিয়ে চললেও প্রভাবশালী মহলের ইন্ধনে মামলাটিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে এক পক্ষ।’

    প্রসঙ্গত এর আগে গত ২৪ জুলাই মিন্নির বাবা মোজাম্মেল হোসেন কিশোর সংবাদ সম্মেলন করে পুলিশের কাছ থেকে মামলাটিকে পিবিআই তদন্তের দাবি জানান।

    তিনি বলেন, শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে পুলিশ মিন্নির জবানবন্দি নিয়েছে। প্রভাবশালী মহলকে বাঁচাতে পুলিশ এ ঘটনায় মিন্নিকে ফাঁসাচ্ছে। তাই এ মামলার তদন্ত পিবিআইতে স্থানান্তরের দাবি জানাচ্ছি।

    মিন্নি স্বামী রিফাতকে বাঁচাতে আপ্রাণ চেষ্টা করেছে দাবি করে মোজাম্মেল হক বলেন, আপনারা সবাই ভিডিও ফুটেজে দেখেছেন রিফাতকে বাঁচাতে মিন্নি জীবনবাজি রেখেছে। শত চেষ্টা করেও তাকে রক্ষা করতে পারেনি।

    উল্লেখ্য, বরগুনা সরকারি কলেজের মূল ফটকের সামনের রাস্তায় ২৬ জুন সকাল ১০টার দিকে স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নির সামনে কুপিয়ে জখম করা হয় রিফাত শরীফকে। বিকাল ৪টায় বরিশালের শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

  • রেনু হত্যা : গুজব রটনাকারী ও মূল হোতার স্বীকারোক্তি

    রেনু হত্যা : গুজব রটনাকারী ও মূল হোতার স্বীকারোক্তি

    অনলাইন ডেস্ক :

    রাজধানীর বাড্ডায় তাসলিমা বেগম রেনুকে পিটিয়ে হত্যার আগে ‘ছেলেধরা’ গুজব রটনাকারী রিয়া বেগম ও প্রধান অভিযুক্ত ইব্রাহিম ওরফে হৃদয় হোসেন মোল্লা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

    শুক্রবার হৃদয় ও রিয়াকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে পুলিশ। এ সময় তারা সেচ্ছায় জবানবন্দি দিতে সম্মত হওয়ায় তা রেকর্ড করার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বাড্ডা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আব্দুর রাজ্জাক।

    আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর হাকিম মোহাম্মদ মিল্লাত হোসেন তাদের জবানবন্দি রেকর্ড করেন। জবানবন্দি রেকর্ড শেষে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত।

    এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টার দিকে উত্তর পূর্ব বাড্ডা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে রিয়াকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ভূলতা এলাকা থেকে হৃদয়কে গ্রেফতার করা হয়। পরদিন আদালত তার পাঁচদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

    উত্তর বাড্ডায় গত ২০ জুলাই সকালে ছেলেধরা সন্দেহে তাসলিমা বেগম রেনুকে পিটিয়ে আহত করে বিক্ষুব্ধ জনতা। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠানো হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

    এ ঘটনায় ওইদিন বাড্ডা থানায় ৪০০-৫০০ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন তাসলিমার ভাগ্নে নাসির উদ্দিন।

    এর আগে নারায়ণগঞ্জ, বাড্ডা ও উত্তর বাড্ডা থেকে ৮ জনকে গ্রেফতার করে বাড্ডা থানা ও গোয়েন্দা পুলিশ।

  • বরিশালে ওসির বিরুদ্ধে মানবপাচারকারী ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ

    বরিশালে ওসির বিরুদ্ধে মানবপাচারকারী ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ

    বরিশালে মানবপাচার চক্রের এক সদস্যকে আটকের পর কৌশলে ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে বাবুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দিবাকর চন্দ্র দাসের বিরুদ্ধে।

    প্রশান্ত মহাসাগরীয় ছোট দেশ ভানুয়াতুতে দেড় থেকে দুই বছর আটক থাকার পর দেশে ফিরে মানবপাচার চক্রের সদস্য শামসুল হককে ধরে বাবুগঞ্জ থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন পাচারের শিকার কয়েকজন যুবক। তবে বাবুগঞ্জ থানার ওসি দিবাকর চন্দ্র দাস তাকে কৌশলে ছেড়ে দেন বলে অভিযোগ রয়েছে তাদের।

    পাচারের শিকার কয়েকজন যুবক ও তাদের স্বজনরা জানান, বরিশালের উজিরপুর উপজেলার মুন্ডপাশা, জয়শ্রী, পূর্ব মুন্ডপাশা, শিকারপুরসহ বিভিন্ন এলাকার যুবকরা দেশে ব্যবসা করে বা অন্যান্য কাজ করে মোটামুটি ভালো ছিলেন। তাদের অস্ট্রেলিয়া ও কিউবায় উন্নত জীবনের প্রলোভন দেখান বরিশালের বাবুগঞ্জের রাহুতকাঠীর হারুন-অর-রশিদ হাওলাদারের ছেলে অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী পলাশ হাওলাদার, তার বড় ভাই এনামুল মাস্টার ও জসিম উদ্দিন।

    এছাড়া মানবপাচারের কাজে তাদের সহায়তা ও লোক সংগ্রহ করতেন জসিম উদ্দিনের স্ত্রী যুথী আক্তার ও শ্বশুর শামসুল হক। এই চক্রের প্রতারণার ফাঁদে পড়ে বরিশাল অঞ্চলের ২৬ জনসহ দেশের বিভিন্ন স্থানের মোট ১০১ জন যুবক সাড়ে ১১ লাখ থেকে সর্বোচ্চ ১৯ লাখ পর্যন্ত টাকা দেয়। ১০১ জনের কাছ থেকে মোট সাড়ে ১৭ কোটি টাকা নেয় জসিম, তার স্ত্রী ও শ্বশুর। এরপর প্রশান্ত মহাসাগরীয় ছোট দেশ ভানুয়াতুতে নিয়ে তাদের আটকে রাখা হয়।

    প্রতারণার শিকার উজিরপুরের মুঙ্গাকাঠী গ্রামের ফরহাদ হোসেন বলেন, দেশে তিনি বাবার ব্যবসা পরিচালনা করতেন। অস্ট্রেলিয়া ও কিউবায় খাওয়া-দাওয়া ফ্রি, মাসে ৫০ হাজার বেতন, ২ বছরের মধ্যে ওই দেশের পাসপোর্ট করে দেয়াসহ উন্নত জীবনের প্রলোভন দেখান জসিম উদ্দিন, তার স্ত্রী যুথী আক্তার ও শ্বশুর শামসুল হক। তাদের বিশ্বাস করে বরিশাল অঞ্চলের ২৬ জন বিদেশের উদ্দেশ্যে পাড়ি জমান। এভাবে চক্রটির প্রলোভনে পড়ে বরিশাল অঞ্চলের মোট ১০১ জন বিদেশ যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন।

    তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন দলে ভাগ করে ১০১ যুবককে ভারত সিঙ্গাপুর, ফিজি হয়ে দ্বীপরাষ্ট্র ভানুয়াতুর রাজধানী পোর্টভিলায় নিয়ে আটকে রাখে প্রতারকরা। অভুক্ত রেখে নির্যাতনও করা হতো তাদের। গত বছরের ২০ নভেম্বর সকালে তাদের উদ্ধার করে ভানুয়াতু সিআইডি। পরে আইওএম’র সহায়তায় গত ২০ জুন থেকে ১০ জুলাই পর্যন্ত দেশে ফিরে আসে প্রতারণার শিকার ৭৫ যুবক। এখনও সেখানে ২৬ জন আছে, যাদের মধ্যে বেশ কয়েকজন অসুস্থ।

    উজিরপুর উপজেলার শিকারপুর এলাকার জিয়াউল খান জানান, ওসি দিবাকর চন্দ্র দাস প্রতারক শামসুল হকের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা নেয়। এরপর তিন উপজেলা চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে আগামী ৫ আগস্ট শালিস বৈঠকে কথা বলে কৌশলে তাকে চলে যেতে সহায়তা করেন।

    উপজেলার মুন্ডপাশা এলাকার মো. ইমরান বলেন, মানবপাচার ও প্রতারণার অভিযোগে বরিশাল মেট্রোপলিটন বিমানবন্দর এবং টাঙ্গাইলের সখিপুর থানায় জসিম ও তার অন্যান্য সহযোগীদের বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে। বাবুগঞ্জ থানা পুলিশ ওই মামলায় শামসুল হককে অভিযুক্ত করতে পারতেন। কিন্তু শামসুল হককে ছেড়ে দিয়েছেন তিনি।

    এদিকে ওসি দিবাকর চন্দ্র দাস বলেন, একজন লোককে আটকে রাখার অভিযোগ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায় এবং বিদেশ ফেরত ওই যুবকদের হাত থেকে শামসুল হককে উদ্ধার করে। পরে তাকে থানায় নিয়ে আসা হয়েছিল। প্রতারণার শিকার যুবকরা মামলা নয়, আপোষ চাচ্ছেন। এ কারণে আগামী ৫ আগস্ট সংশ্লিষ্ট তিন উপজেলা চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে শালিস বৈঠকের প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়।

  • মসজিদে ‘কল্লা কাটার’ মাইকিং করে গুজব ছড়ানোয় আটক

    অনলাইন ডেস্ক :

    সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে মসজিদের মাইকে ‘কল্লা কাটা’ এসেছে বলে গুজব ছড়ানোর অভিযোগে মোহাম্মদ ফারুক (৬৪) নামে একজনকে আটক করেছে পুলিশ। ফারুক উপজেলার গোয়ালাঘাট গ্রামের মৃত ওয়াসির আলীর ছেলে।

    বৃহস্পতিবার রাত ৯টায় গোয়ালাঘাট নয়াটিলা জামে মসজিদের মাইকে এলাকায় ‘কল্লা কাটা’ এসেছে বলে মাইকিং করে গুজব ছড়ানোয় তাকে আটক করা হয়।

    ফেঞ্চুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল বাশার মোহাম্মদ বদরুজ্জামান বলেন, মসজিদের মাইক ব্যবহার করে গুজব ছড়িয়েছিল ফারুক। গুজবের সত্যতা না পাওয়ায় তাকে রাতেই আটক করা হয়।

  • বরগুনায় রিফাত হত্যার এক মাস, চার্জশিট দু-এক সপ্তাহে

    বরগুনায় রিফাত হত্যার এক মাস, চার্জশিট দু-এক সপ্তাহে

    নিউজ ডেস্ক :

    বরগুনার রিফাত শরীফ হত্যাকাণ্ডের একমাস পূর্ণ হচ্ছে আজ। গত ২৬ জুন সকালে বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে রিফাত শরীফকে নির্মমভাবে কুপিয়ে জখম করেন নয়ন বন্ড ও রিফাত ফরাজীসহ তাদের সহযোগীরা। এরপর বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান রিফাত শরীফ। রিফাত শরীফকে কুপিয়ে জখম করার একটি ভিডিও ভাইরাল হলে শোকে স্তব্ধ হয়ে পড়ে পুরো দেশ। হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের গ্রেফতার করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি ওঠে সব মহলে।

    খোদ প্রধানমন্ত্রীও দোষীদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার নির্দেশ দেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে। এরপর থেকে একে একে গ্রেফতার হয় এ মামলার এজহারভুক্ত সাত আসামিসহ ভিডিও ফুটেজ ও তদন্তে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত আরও আট অভিযুক্ত। এছাড়া হত্যাকাণ্ডের সাতদিন পর পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হন এ মামলার প্রধান অভিযুক্ত নয়ন বন্ড। যদিও এখনো আদালতে মামলার চার্জশিট দাখিল করেনি পুলিশ। তবে, তদন্ত প্রায় শেষের পথে বলে জানিয়েছে বরগুনা পুলিশের একটি সূত্র। সূত্র আরও জানায়, দু-এক সপ্তাহেই মামলার চার্জশিট আদালতে দাখিল করা হবে।

    নাম প্রকাশ না করার শর্তে বরগুনার এক পুলিশ কর্মকর্তা জানান, হত্যাকাণ্ডের এক মাসের মধ্যে এ মামলার তদন্ত কার্যক্রম প্রায় শেষ করেছে পুলিশ। এ মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সময় উদ্ধার করা বেশ কিছু আলামত পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে বিশেষজ্ঞদের মতামতের জন্য ঢাকায় পাঠিয়েছে পুলিশ। আগামী দু-এক সপ্তাহের মধ্যেই এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করা হবে বলেও জানান তিনি।

    এ বিষয়ে বরগুনা সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শাহজাহান হোসেন বলেন, দক্ষতা ও বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে অত্যন্ত সতর্কভাবে রিফাত শরীফ হত্যা মামলার তদন্ত করছে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য উদঘাটন করে মামলার তদন্তের বেশ অগ্রগতি হয়েছে। ইতোমধ্যেই এ মামলায় গ্রেফতার হওয়া ১৫ জনের সকলে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।
    মামলার এজহারভুক্ত অন্যান্য আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

  • এবার সেই সাংবাদিককে মিথ্যা মামলায় জড়ালেন গৌরনদীর ওসি গোলাম ছরোয়ার!

    এবার সেই সাংবাদিককে মিথ্যা মামলায় জড়ালেন গৌরনদীর ওসি গোলাম ছরোয়ার!

    বরিশালের গৌরনদী থানার ওসি গোলাম ছরোয়ার এবার নতুন মিশন নিয়ে মাঠে নেমেছেন। এবার তার টার্গেট একটাই এক সাংবাদিককে ধরো এবং সায়েস্তা করো। যদিও সম্প্রতি ওসির নির্দেশে তার থানার এক এসআই ২ সাংবাদিককে আসামী করে ডিজিটাল আইনে একটি মামলা দায়ের করে। পরে বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজি মোঃ শফিকুল ইসলাম বিপিএম/পিপিএম (বার) এর নিদের্শে সেই মামলা প্রত্যাহারের পর ফের নতুন করে সাংবাদিক নিধনে কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছেন বিতর্কিত ওসি গোলাম ছরোয়ার এবং সে মতে চেষ্টাও চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি।

    সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি গৌরনদী থানার ওসি গোলাম ছরোয়ারের ব্যাপক অনিয়ম দূর্নীতি ও ঘুষ বাণিজ্যের সাংবাদ বরিশালের স্থানীয় দৈনিক আমাদের বরিশালে প্রকাশিত হলে গোটা দখিনা জুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। এতে বেশ চাপের মুখে পড়ে গৌরনদী থানার ওসি গোলাম ছরোয়ার। নিজেকে ধোয়া তুলসি পাতা বানাতে সংবাদের প্রতিবেদক দৈনিক আমাদের বরিশালের গৌরনদী সংবাদদাতা ও একাত্তর টিভির প্রতিনিধি মোল্লা ফারুক হাসানকে সায়েস্তা করতে মিথ্যা মামলার মোকদ্দোমায় জড়ানোর চেষ্টা চালায়। এমনকি তার বিরুদ্ধে প্রকাশিত সংবাদ অসত্য দাবী করে দৈনিক আমাদের বরিশাল পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক এ্যাড. এস.এম রফিকুল ইসলাম ও গৌরনদী প্রতিনিধি মোল্লা ফারুক হাসানের বিরদ্ধে ডিজিটাল আইনে একটি মামলার দায়ের করেন।

    পরে বিষয়টি বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজি মোঃ শফিকুল ইসলামের হস্তক্ষেপে ওসি গোলাম ছরোয়ার কর্তৃক সম্পাদক ও সাংবাদিকের নামে মিথ্যা মামলাটি প্রত্যাহার করে নেয়। যদিও তিনি মামলা প্রত্যাহারের পরে চুপচাপ থাকেনি। বরং থানায় মামলা করে ব্যর্থ হয়ে বরিশাল আদালতে আবার উক্ত ২ সাংবাদিকের নামে মামলা দায়ের করতে আসেন। সে দফাও ব্যর্থ হয় ওসি গোলাম ছরোয়ার। বরিশাল আদালত তার মামলাটি গ্রহন না করে সংশ্লিস্ট ডিজিটাল ট্রাইব্যুনালে যেতে নির্দেশ দেয়।

    ওসি ছরোয়ার ট্রাইব্যুনালে না গিয়ে কয়েক দিন চুপচাপ থেকে গত ২৪ জুলাই ফের সাংবাদিক মোল্লা ফারুক হাসানকে একটি মাদক মামলায় জড়িয়ে আসামীর তালিকায় নাম দেখায়। এবার এক মাদক মামলায় জড়িয়ে ওসি নিজের রাগ কমাতে সাংবাদিক মোল্লা ফারুক হাসানকে গ্রেপ্তার করতে হন্য হয়ে খুঁজে বেড়াচ্ছে ওসি গোলাম ছরোয়ার। তার ঘনিষ্ঠ কয়েক ব্যাক্তির কাছে ওসি বলে বেড়াচ্ছে এবার তুই যাবি (মোল্লা ফারুক) কোথায়। ওসি বিভিন্ন স্থানে বুলি উড়িয়ে বলে বেড়াচ্ছে এবার ফারুককে ধরতে পারলে ওর বাপ দাদার নাম ভুলিয়ে দিব। পুলিশের বিরুদ্ধে কিভাবে পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হয় তা বুঝিয়ে দিব। যেমনটা গতকাল তার প্রতিক্রিয়ায় বোঝা যায়।

    সংবাদের প্রতিবেদক গৌরনদী থানার ওসি গোলাম ছরোয়ারকে ফোন দিলে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, মোল্লা ফারুককে আমি সাংবাদিক হিসাবে ধরি না। এছাড়া সাংবাদিক মোল্লা ফারুকের বিরুদ্ধে যেসব কথা এ প্রতিবেদককে ওসি বলেছেন তা এখানে প্রকাশ্যের যোগ্য নয়। মোট কথা ওসি গোলাম ছরোয়ারের টার্গেট একটাই সাংবাদিক মোল্লা ফারুককে ধরো এবং সায়েস্তা করো। কারন ওসির একাধিক ঘুষ বাণিজ্যই সংবাদ মোল্লা ফারুক হাসানই প্রথমই গণমাধ্যমের পাতায় তুলে আনেন। এতে বেজায় চটে গিয়ে সাংবাদিক মোল্লা ফারুক হাসানকে মাদক মামলার আসামী করে তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের হয়রানি করার মিশনে কোমার বেধে মাঠে নেমেছেন।

    গৌরনদী উপজেলার সুন্দরদী গ্রামের বাসিন্দা সাংবাদিক মোল্লা ফারুক হাসান থানার ওসির বিরুদ্ধে এ অভিযোগ করেন।

    সাংবাদিক মোল্লা ফারুক হাসান জানান, তার স্বনামে (ফারুক গত ৭ জুলাই দৈনিক আমাদের বরিশাল পত্রিকায়“ গৌরনদীর কটকস্থল থেকে উদ্ধার হওয়া ৪১ পিস ইয়াবা ও ৫ বোতল ফেন্সিডিল মেরে দিলেন গৌরনদী থানার ওসি গোলাম সরোয়ার” শিরোনামে একটি সংবাদ ছাপা হয়। এরপর ওসি গোলাম সরোয়ারের অনিয়ম-দুর্নীতি ও ঘুষ বাণিজ্যের ধারাবাহিক তিনটি সংবাদ ৭, ৯ ও ১০ জুলাই ওই পত্রিকায় ছাপা হয় তার (ফারুক) এর নামে। মোল্লা ফারুক অভিযোগ করে বলেন, প্রকাশিত সংবাদের জেরধরে ওসি গোলাম সরোয়ার আমার বিরুদ্ধে ক্ষিপ্ত হয়ে গত ১৫ জুলাই দিবাগত গভীর রাতে আমাকে সহ (ফারুক) পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক এ্যাড. এস.এম রফিকুল ইসলামকে আসামি করে থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে একটি মামলা দায়ের করে হয়রানির চেষ্টা করেছিলো। পরে বিষয়টি উর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশে ১৪ ঘন্টা পর ওই মামলাটি জিডির মাধ্যমে প্রত্যাহার করে দেন।

    ফারুক আরো অভিযোগ করে বলেন, আমাকে ও আমার পরিবারের সদস্যদের হয়রানির উদ্দেশ্যে থানার ওসি গোলাম ছরোয়ারের নেতৃত্বে একদল পুলিশ গত ২৪ জুলাই বুধবার দুপুর ২টার দিকে সুন্দরদী গ্রামে আমার ও আমার বোনের বাড়িতে গিয়ে অমাকে খুঁজতে থাকে। আমাকে না পেয়ে সহোদর ভাই আরিফ হোসেন মোল্লা(২৫) ও তালই (বোনের শ্বশুর) সিরাজ সরদার (৬৫)কে থানায় ডেকে নিয়ে যায়। রাতে আমাকেসহ আমার ভাই আরিফ হোসেন মোল্লা, বোন বেবী বেগম, ভগ্নিপতি লিটন সরদার ও তালই সিরাজ সরদারকে আসামি করে মিথ্যা মাদক মামলা দিয়ে হয়রানি করার অভিযোগ করেছেন সাংবাদিক ফারুক।

    নতুন করে হয়রানীর উদ্দেশ্যে দায়েরকৃত মামলার এজাহারে উল্লেখ করেন, গোপণ সংবাদের ভিত্তিতে গৌরনদী থানার এসআই আসাদুজ্জামান খান সঙ্গী ফোর্স নিয়ে গত বুধবার দুপুর সোয়া ১টার দিকে টরকী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৩৭পিস ইয়াবাসহ মাদক ক্রেতা উজিরপুর উপজেলার জল্লা-ওরাবাশবাড়ি এলাকার মৃত আশরাফ আলী সরদারের ছেলে শিফাত সরদার (২২)কে আটক করেন। আটককৃত শিফাতের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী ওসি গোলাম সরোয়ারের নেতৃত্বে একদল পুলিশ মাদক বিক্রেতা সুন্দরদী গ্রামের লিটন সরদারের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে লিটনের বাবা সিরাজ সরদারকে আটক করে।সিরাজের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী একই গ্রামের মোল্লা ফারুক হাসানের বাড়িতেও অভিযান চালায়। এ সময় ঘরের পিছনের বারান্দার খাটের নিচ থেকে আরিফ হোসেন মোল্লাকে ৬৮পিস ইয়াবাসহ আটক করেন। এঘটনায় থানার এসআই মোঃ আসাদুজ্জামান খান বাদি হয়ে শিফাত সরদার, আরিফ হোসেন মোল্লা, সিরাজ সরদার, লিটন সরদার, বেবী বেগম, মোল্লা ফারুক হাসানকে আসামি করে গত বুধবার রাতে গৌরনদী থানায় মাদকদ্রব্য আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।

    এ মামলায় গ্রেফতারকৃত ৩ জনকে গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে বরিশাল অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা করা হয়। আদালতের বিচারক তাদেরকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেয়।

    এবিষয়ে গৌরনদী থানার ওসি গোলাম ছরোয়ারের প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তিন বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনিত সকল অভিযোগ অসত্য। আমি কোন অন্যয়ের সাথে জড়িত না। তাছাড়া আমার বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ থাকলে পুলিশ হেট কোয়াটার্স তদন্ত করে ব্যবস্থা নিবে। এর চেয়ে আর বেশি কিছু বলতে চাইনি বিতর্কিত এ ওসি গোলাম ছরোয়ার।