Category: প্রশাসন

  • বরিশালে বেলভিউ মেডিকেল সার্ভিসকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা

    বরিশালে বেলভিউ মেডিকেল সার্ভিসকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা

     বরিশাল নগরীর সদর রোডস্থ বেলভিউ মেডিকেল সার্ভিসেস কে টেষ্টে অতিরিক্ত ফি নেয়ার অভিযোগে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষন অধিদপ্তর একটি অভিযোগের ভিত্তিতে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

    আজ মঙ্গলবার ২ জুলাই বরিশাল মহিলা ক্লাবস্থ ভোক্তা অধিকার সংরক্ষন অধিদপ্তর এর কার্যালয় শুনানী শেষে এ আদেশ দেন। জানা গেছে গত ১৩ জুন দিন পূর্বে বরগুনা জেলার পাথরঘাটা এলাকার সাংবাদিক নজরুল হক এর মেয়ে শ্বাস কষ্ট রোগের ডাক্তার দেখাতে আসেন। বক্ষব্যাধি চিকিৎসক সিদ্দিকুর রহমানকে দেখান। তিনি মেয়েটিকে টেষ্ট করানোর জন্য বরিশাল বেলভিউ মেডিকেল সার্ভিসেস লিঃ পাঠায়। সেখানে এসে বেশ কয়েকটি পরিক্ষায় অতিরিক্ত অর্থ নেয় বেলভিউ কর্তৃপক্ষ। গত এর জন্য মেয়েটি বরিশাল ভোক্তা সংরক্ষন অধিদপ্তরে অভিযোগ দেন।

    অভিযোগের ভিত্তিতে আজ মঙ্গলবার ২ জুলাই বিকেল ৪ টার দিকে শুরু হয় শুনানী। শুনানী শেষে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষন এর পরিচালক বেলভিউ মেডিকেল সার্ভিসেসকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।

  • নয়ন বন্ড নিহতের খবরে রিফাতের বাবার স্বস্তি প্রকাশ

    নয়ন বন্ড নিহতের খবরে রিফাতের বাবার স্বস্তি প্রকাশ

    পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নয়ন বন্ডের নিহত হওয়ার খবরে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যার শিকার রিফাত শরীফের বাবা দুলাল শরীফ। তিনি বলেছেন, বন্দুকযুদ্ধে নয়ন বন্ডের নিহত হওয়ার খবর শুনে আমার খুব ভালো লাগছে।

    দুলাল শরীফ বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এত দিনের পরিশ্রম সার্থক হয়েছে। আমি প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই, যার নির্দেশে জিরো টলারেন্স ঘোষণার পরই প্রশাসন তৎপর হয়েছে। তারা রাত-দিন কাজ করে আসামিদের ধরেছে। গত রাতে নয়ন বন্ড বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছে, এতে আমার ছেলের আত্মা যদি একটু শান্তি পায় বলেই কেঁদে ফেলেন তিনি।

    দুলাল শরীফ আরও বলেন, মিডিয়া কর্মীদের আমি ধন্যবাদ জানাই। তাদের প্রচার আসামিদের ধরতে সহায়তা করেছে। এই আসামিরা কারা, তারা কাদের ছত্রছায়ায় চলে এটা গোয়েন্দা সংস্থাকে তদন্ত করে বের করে তাদেরও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেয়ার দাবি জানাচ্ছি।

    উল্লেখ্য, বরগুনায় স্ত্রীর সামনে স্বামী রিফাত শরীফকে কুপিয়ে হত্যা মামলার প্রধান অভিযুক্ত নয়ন বন্ড পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার ভোররাতে বরগুনার পুরাকাটা এলাকায় এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। বরগুনার পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

    নিহত নয়ন বন্ড বরগুনা পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের পশ্চিম কলেজ রোড এলাকার মৃত মো. আবুবক্কর সিদ্দিকের ছেলে এবং রিফাত শরীফ হত্যা মামলার এক নম্বর আসামি।

    পুলিশ জানিয়েছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রিফাত শরীফ হত্যা মামলার প্রধান আসামি সাব্বির হোসেন নয়ন ওরফে নয়ন বন্ডকে গ্রেফতার করতে বরগুনা সদর উপজেলার বুড়ির চর ইউনিয়নের পুরাকাটা নামক এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পুলিশের ওপর গুলি চালায় নয়ন বন্ড ও তার সহযোগীরা। পুলিশও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালায়।

    গোলাগুলির একপর্যায়ে নয়ন বন্ড বাহিনী পিছু হটলে ঘটনাস্থলে তল্লাশি করে নয়ন বন্ডের গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে একটি পিস্তল, এক রাউন্ড গুলি, দুটি শর্টগানের গুলির খোসা এবং তিনটি দেশীয় ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

  • খুনি নয়ন বন্ড বাহিনীর সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ এএসপিসহ ৪ পুলিশ আহত

    খুনি নয়ন বন্ড বাহিনীর সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ এএসপিসহ ৪ পুলিশ আহত

    দেশব্যাপী আলোচিত বরগুনার কলেজছাত্র রিফাত শরীফের প্রধান ঘাতক ও ০০৭ গ্রুপের প্রধান সাব্বির আহম্মেদ নয়ন ওরফে নয়ন বন্ড পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছে। মঙ্গলবার (০২ জুলাই) ভোর রাতে বরগুনার পুরাকাটা এলাকায় বন্দুকযুদ্ধে তার মৃত্যু হয়।

    এই ঘটনায় রিফাত বাহিনীর হামলা ও গুলিতে একজন সহকারী পুলিশ সুপারসহ চারজন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে দু’জন গুরুতর আহত হওয়ায় তাদের বরিশাল বিভাগীয় পুলিশ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

    বাকি একজন উপ-পরিদর্শক (এসআই) ও একজন কনস্টেবলকে বরগুনা হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। বলে জানিয়েছেন বরগুনা সদর থানার অফিসার ইন-চার্জ (ওসি) আবির মোহাম্মদ হোসেন।

    আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন- বরগুনার সহকারী পুলিশ সুপার-(এএসপি, সদর সার্কেল) শাহজাহান হোসেন, সদর থানার উপ-পরিদর্শক হাবিবুর রহমান, উপ-পরিদর্শক মনির ও কনস্টেল হাবিবুর রহমান।

    এদিকে, বরগুনার পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন নয়ন বন্ড বাহিনীর সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধের বর্ণনা দিয়ে বলেন, ‘রিফাত শরীফ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা দেশব্যাপী আলোচিত। এই ঘটনার প্রধান অভিযুক্ত সাব্বির হোসেন নয়ন ওরফে নয়ন বন্ডসহ অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত ছিল।

    তিনি বলেন, মঙ্গলবার ভোর রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নয়ন বন্ডকে গ্রেপ্তার করতে বরগুনা সদর উপজেলার বুড়ির চর ইউনিয়নের পুরাকাটা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ। এসময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তাদের ওপর অতর্কিতভাবে গুলি ছুড়তে শুরু করে নয়ন বন্ড ও তার বাহিনীর সদস্যরা। এসময় পুলিশও সরকারি সম্পদ ও আত্মরক্ষায় পাল্টা গুলি চালায়।

    নয়ন বন্ড বাহিনীকে দমাতে পুলিশের পক্ষ থেকে ২০ লাউন্ড গুলি ছোড়া হয়েছে। এর ফলে এক পর্যায় নয়ন বন্ড বাহিনী পিঁছু হটে। কিছুক্ষণ পরে ঘটনাস্থলে তল্লাশি করে নয়ন বন্ডের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করা হয়।

    নিহত নয়ন বন্ড বরগুনা পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের পশ্চিম কলেজ রোড এলাকার মৃত মো. আবু বক্কর সিদ্দিকের ছেলে ও রিফাত হত্যা মামলার এক নম্বর আসামি।

    এদিকে, ঘটনাস্থল হতে ১টি পিস্তর, এক রাউন্ড তাজা গুলি, শর্টগানের গুলির ২টি খোসা ও ৩টি দেশীয় ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। তাছাড়া এই ঘটনায় পুলিশের এএসপি ও দু’জন এসআই এবং একজন কনস্টেবল আহত হলে ঘটনাস্থল হতেই তাদের হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।

    পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন বলেন, নয়ন বন্ডের বিরুদ্ধে ইতিপূর্বে আটটি মামলা রয়েছে। এসব মামলায় নয়ন বন্ডকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দেয়া। যার মধ্যে ২টি মাদক, একটি অস্ত্র আইন এবং হত্যা চেষ্টাসহ ৫টি মারামারির মামলা রয়েছে।

    উল্লেখ্য, গত ২৬ জুন বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সদ্য বিবাহিত স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নি’র সামনে স্বামী রিফাত শরীফের ওপর বরগুনা সরকারি কলেজের মুল ফটকে নয়ন বন্ড, রিফাত ফরাজী, রিশান ফরাজী সহ তাদের সন্ত্রাসী বাহিনী হামলা চালায়।

    এসময় স্ত্রী মিন্নি’র শত বাধার পড়েও নয়ন বন্ড ও রিফাত ফরাজী ধারালো অস্ত্র দিয়ে রিফাত শরীফকে নির্মমভাবে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। এর পর প্রথমে বরগুনা জেনারেল হাসপাতাল এবং পরে দুপুর ১টায় বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

    পরে একই দিন বিকাল সোয়া ৪টায় হাসপাতালের অপারেশন টেবিলে মৃত্যু হয় রিফাত শরীফের। তার উপর সন্ত্রাসী হামলার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে যায়। যা নিয়ে গোটা দেশে আলোড়ন সৃষ্টি হয়। নড়েচড়ে বসে প্রশাসন।

    মামলার প্রধান আসামি বন্দুকযুদ্ধে নিহত হওয়া ছাড়াও এরই মধ্যে এজাহারভুক্ত ৪ জন আসামি এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে আরো ৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে বরগুনা থানা পুলিশ। এদের মধ্যে দু’জন নিজেদের দায় স্বীকার করেছে। বাকি তিন জনকে ৫ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।

  • নয়ন বন্ডকে জীবিত ধরতে না পারায় পুলিশের আক্ষেপ

    নয়ন বন্ডকে জীবিত ধরতে না পারায় পুলিশের আক্ষেপ

    বরগুনার আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যা মামলার প্রধান আসামি নয়ন বন্ডকে জীবিত অবস্থায় ধরতে না পেরে আক্ষেপ প্রকাশ করেছে জেলা পুলিশ।

    মঙ্গলবার ভোরে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয় নয়ন। এরপর সকাল ১০টায় বরগুনার পুলিশ সুপার (এসপি) মারুফ হোসেনের কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সেখানেই আক্ষেপ প্রকাশ করেন এসপি মারুফ।

    তিনি বলেন, নয়নকে জীবিত ধরার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে দুর্ভাগ্যজনকভাবে তা সম্ভব হয়নি। বাকি আসামিদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

    এসপি মারুফ হোসেন দাবি করেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, রিফাত হত্যা মামলার পলাতক আসামিরা সদর উপজেলার পুরাকাটা এলাকায় আত্মগোপন করে আছে। এরপর আজ মঙ্গলবার ভোর ৪টায় পূর্ব বুড়িরচর গ্রামের পুরাকাটা ফেরিঘাটের একটু দূরে চায়না প্রজেক্টের সড়কে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় উপস্থিতি টের পেয়ে কয়েকজন আসামি পুলিশকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ে। পরে পুলিশও পাল্টা গুলি ছোড়ে। একপর্যায়ে রিফাত হত্যা মামলার প্রধান আসামি সাব্বির আহমেদ নয়ন বন্ড নিহত হয়।

    তিনি বলেন, গোলাগুলির একপর্যায়ে সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শাহজাহান, এসআই মো. হাবিবুর রহমান, এসআই মো. মনিরুজ্জামান ও কনস্টেবল মো. হাবিবুর রহমান আহত হন। আহত পুলিশ সদস্যদের বরগুনা পুলিশ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গুরুতর আহত সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শাহজাহান ও এসআই হাবিবুর রহমানকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল বিভাগীয় পুলিশ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

    গত বুধবার (২৬ জুন) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিকে বরগুনা সরকারি কলেজে নিয়ে যান রিফাত শরীফ। কলেজ থেকে ফেরার পথে মূল ফটকে বখাটে নয়ন ও তার সহযোগীরা রিফাত শরীফের ওপর হামলা চালায়। এ সময় ধারালো অস্ত্র দিয়ে রিফাত শরীফকে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে তারা। রিফাত শরীফের স্ত্রী মিন্নি দুর্বৃত্তদের নিবৃত্ত করার চেষ্টা করেন। কিন্তু কিছুতেই হামলাকারীদের থামানো যায়নি। তারা রিফাত শরীফকে উপর্যুপরি কুপিয়ে রক্তাক্ত করে চলে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন রিফাত শরীফকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে রিফাত শরীফের মৃত্যু হয়।

    এ ঘটনায় বুধবার রাতে নিহত রিফাতের বাবা দুলাল শরীফ বাদী হয়ে ১২ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। মামলার পর তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

  • নয়ন বন্ডের মৃতদেহ দেখতে হাসপাতালে মানুষের ঢল, স্বস্তি প্রকাশ

    নয়ন বন্ডের মৃতদেহ দেখতে হাসপাতালে মানুষের ঢল, স্বস্তি প্রকাশ

    বরগুনার আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যা মামলার প্রধান আসামি বন্দুকযুদ্ধে নিহত সাব্বির হোসেন নয়ন ওরফে নয়ন বন্ডের মরদেহ দেখতে বরগুনা জেনালের হাসপাতাল মর্গে ঢল নেমেছে সাধারণ মানুষের। সেই ঢল সামলাতে বেগ পেতে হচ্ছে পুলিশকেও। পরে লাইনে দাঁড় করে কয়েক হাজার সাধারণ মানুষকে নয়ন বন্ডের মরদেহ দেখার সুযোগ করে দেয় পুলিশ। এ সময় নয়ন বন্ডের মরদেহ দেখতে আসা সাধারণ মানুষের মাঝে মিষ্টি বিতরণ করা হয়।

    গণমাধ্যমে নয়ন বন্ডের বন্দুকযুদ্ধে নিহত হওয়ার সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পরপরই বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গ ও এর আশপাশ এলাকায় অবস্থান নেয় উৎসুক সাধারণ মানুষ। পরে বন্দুকযুদ্ধের ঘটনাস্থল থেকে সকাল ৭টার দিকে নয়ন বন্ডের মরদেহ হাসপাতালের মর্গে নিয়ে আসে পুলিশ। সেই থেকে দুপুর ১২টা ২০ মিনিট এই রিপোর্টে লেখা পর্যন্ত নারী-পুরুষসহ কয়েক হাজার মানুষ নয়ন বন্ডের মরদেহ দেখেছে বলে জানিয়েছে মর্গ প্রাঙ্গণ দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যরা।

    নয়ন বন্ডের মরদেহ দেখতে আসা ষাটোর্ধ এক বৃদ্ধ নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, রিফাত শরীফকে কিভাবে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে তা ভিডিওতে দেখেছি। কিন্তু নয়ন বন্ড কীভাবে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছে তাতো দেখতে পারিনি। তাই ওর গুলিবিদ্ধ মরদেহ দেখতে এসেছি।

    বরগুনার নারী নেত্রী ও উন্নয়ন কর্মী হোসনে আরা হাসি জাগো নিউজকে বলেন, নয়ন বন্ডের মৃত্যর খবর নিঃসন্দেহে স্বস্তির। এ স্বস্তি শুধু আমার একার নয়, পুরো বরগুনাবাসীর। তবে নয়ন বন্ডকে জীবিত অবস্থায় গ্রেফতার করা সম্ভব হলে ওর বাহিনী সম্পর্কে সব তথ্য পেয়ে পুলিশ বাহিনীটিকে একেবারে নিশ্চিহ্ন করে দিতে পারতো।

    এ বিষয়ে বরগুনার সিভিল সার্জন ডা. হুমায়ুন শাহীন খান বলেন, পুলিশের করা নয়ন বন্ডের মরদেহের সুরতহাল রিপোর্টটি আমরা এখনো পাইনি। এই রিপোর্ট পেলেই আমরা নয়ন বন্ডের মরদেহের ময়নাতদন্ত শুরু করব।

  • নিজ সন্তানের দেহ থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন করল মা

    নিজ সন্তানের দেহ থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন করল মা

    অনলাইন ডেস্ক:

    খুলনায় ৯ মাস বয়সী শিশুপুত্র মেহেবকে গলাকেটে  হত্যার অভিযোগে মাকে আটক করেছে পুলিশ।

    মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে নগরীর হরিনটানা থানাধীন রায়েরমহল মোল্লাপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

    আটক নারীর নাম শ্রাবণী আক্তার(২২)। শ্রাবণী রায়েরমহল এলাকার জামাল হোসেনের স্ত্রী। তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন বলে জানিয়েছে প্রতিবেশীরা। জামাল একটি চকলেট কোম্পানির সেলসম্যান।

    হরিনটানা থানার ওসি আশরাফ হোসেন জানান, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে শ্রাবণী বটি দিয়ে নিজ শিশুসন্তানের গলাকেটে শরীর থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন করে ফেলে। আশপাশের লোকজনের কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে শিশুটির লাশ উদ্ধার ও  শ্রাবণীকে আটক করে।

    পুলিশ জানায়, সন্তানকে হত্যার পর শ্রাবণী নিজের রক্ত মাখা পোশাক পরিবর্তন ও বটি ধুয়ে পরিষ্কার করেন।

    এদিকে নিহত শিশুর চাচা সুমন শেখ জানান, শ্রাবণী আক্তার মাথায় সমস্যা রয়েছে। এ কারণে তাকে অনেক বার চিকিৎসকের কাছে নেওয়া হয়েছে। কিন্তু চিকিৎসকরা তার কোনো সমস্যা পাননি।

  • ভারতে যেতে চেয়েছিল নয়ন বন্ড

    ভারতে যেতে চেয়েছিল নয়ন বন্ড

    স্ত্রীর সামনে প্রকাশ্যে রিফাত হত্যার সেই ৪৭ সেকেন্ডের ভিডিও চিত্রটি এখনো ঘুরপাক খাচ্ছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের টাইমলাইনে। অনুসন্ধান সুত্রে বেরিয়ে এসেছে রিফাত হত্যার পরবর্তী অদ্ভুত সব তথ্য। সেই অনুসন্ধান সুত্রে জানা গেছে কিভাবে গড়ে উঠেছে সেই ০০৭ গ্রুপ।

    হত্যাকাণ্ড শেষে কোথা থেকে কোথায় গিয়েছিলো রিফাতের হত্যাকারীরা। সারাদেশে এমনিক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও শুধু একটাই আলোচনা, স্ত্রীর সামনে স্বামীকে হত্যা এবং সেই দৃশ্য তাকিয়ে দেখেছে অনেক মানুষ। কিন্তু কেউ বাঁচাতে এগিয়ে আসেনি কেন?

    রিফাতের এই মৃত্যুতে বরগুনা জেলাবাসীর চলছে শোকের মাতম। ফেসবুক মেসেঞ্জারে ০০৭ গ্রুপের সদস্যদের চ্যাটিং এর কিছু স্ক্রিনশট থেকে জানা গেছে, পূর্ব পরিকল্পনা অনুসারে ০০৭ গ্রুপের সবাই ঘটনার দিন সকাল ৯টা থেকেই বরগুনা কলেজের রোডে অবস্থান নেয়। খুনীরা পৃথক পৃথক গ্রুপে বিভক্ত হয়ে রিফাত শরীফের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করে। ১০টা ২০ মিনিট থেকে শুরু হয় তাদের মূল মিশন। কলেজ গেইট পার হ‌ওয়ার পর ০০৭ গ্রুপের সদস্যরা ঘিরে ধরে রিফাতকে।

    একের পর এক কিল ঘুষি লাথি মারতে থাকে নয়ন বন্ড। এবং সেকেন্ড ইন কমান্ড রিফাত ফরায়েজীর কাছে নিয়ে যায়। শুরুটা করে রিফাত‌ই। নয়নের হাতে থাকা ধারালো দা দিয়ে কোপাতে থাকে রিফাত শরীফকে। তাদের সাথে ধস্তাধস্তি করে রিফাত শরীফকে বাঁচাতে চেষ্টা করে তার স্ত্রী আয়েশা আক্তার মিন্নি। হত্যাকাণ্ডের শেষে কলেজের রোড বেয়ে পশ্চিমে চলে যায় খুনীরা। উপজেলা পরিষদের পুকুর পাড়ের সড়কে অবস্থান নেয় নয়ন বন্ড ও রিফাত। ০০৭ গ্রুপের অন্য সদস্যরা নিজের মত করে সরে যায়।

    চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকাণ্ডের মূল নায়ক নয়ন বন্ডের মা সাহিদা বেগম বলেন, ‘হত্যাকাণ্ডের দিন বেলা ১১টায় নয়ন তার মাকে ফোন করে। ফোন তুলেই নয়নের মা নয়নকে প্রশ্ন করে ‘এই নয়ন তুমি নাকি কারে কোপাইছো? আহারে কার মায়ের কোল খালি করছো’।

    উত্তরে নয়ন বলে, ‘কোপাইছি ঠিক করছি, তুমি আমার জামা কাপড় আর টাকা পয়সা ব্যবস্থা করো’ এ কথা বলেই নয়ন বন্ড বাসার কাছে একটি দোকানের পিছনে আসে। সেখান থেকে একটি ছেলেকে তার বাসায় পাঠিয়ে দেয়। নয়ন বন্ডের মা ওই ছেলের কাছে একটি শার্ট এবং প্যান্ট পাঠিয়ে দেয়। পরে আবারও তাকে টাকা পাঠাতে বলে। এবার নয়ন বন্ডের মা নিজে এসে তার ছেলের হাতে ২০,০০০ টাকা দিয়ে আসেন।’

    এরপরে নয়ন বন্ড ও রিফাত টাকা নিয়ে কেজি স্কুল রোডে এক বন্ধুর বাড়িতে যায়। সেই জায়গায় তারা তিনজন বন্ধুর সাথে কথা বলে। ওই সময় নয়ন তার মোবাইল ভেঙে ফেলতে চাইলে একজন ফোনটি রেখে টাকা দিয়ে দেয়। এরপর নয়ন ও রিফাত তাদের আরেক ক্রোক হাওলাদার বাড়ির রিফাতের এক ঘনিষ্ঠ বন্ধুর সাথে সাক্ষাৎ করে। সেখান থেকে তারা পৃথক হয়ে যায়। নয়ন পুরাকাটা ফেরি পার হয়ে আমতলী গলাচিপা হয়ে পৌঁছে যায় দশমিনায়। সেখানে বুধবার রাত কাটায় সে। এরপর নৌ ও সড়ক পথে ভেঙে ভেঙে চলে যায় উত্তরবঙ্গের জেলা শহর দিনাজপুর।

    বৃহস্পতিবার রাত এবং শুক্রবার দিনের প্রথমভাগ পর্যন্ত চেষ্টা চালায় হিলি বর্ডারের চোরাপথ ধরে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার। কিন্তু এরই মধ্যে সীমান্তে রেড অ্যালার্ট জারি হওয়ায় পালাতে ব্যর্থ হয় সে। আত্মীয় পরিজনের সঙ্গে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত মোবাইল ফোনে যোগাযোগ ছিল নয়ন বন্ডের। নিরাপত্তার স্বার্থে এরপর সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ করে দেয় সে।

    নয়ন বন্ড র‌্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার ভোররাতে বরগুনার পুরাকাটা এলাকায় এ ‘বন্দুকযুদ্ধের’ ঘটনা ঘটে। নয়ন বন্ডের নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরগুনার পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন।

  • দেয়ালে দেয়ালে হাস্যকর ‘জিরো জিরো সেভেন’

    দেয়ালে দেয়ালে হাস্যকর ‘জিরো জিরো সেভেন’

    রিফাত শরীফকে নৃশংসভাবে হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা হয় ‘জিরো জিরো সেভেন’ (007) নামে একটি ফেসবুক মেসেঞ্জার গ্রুপে। কে কখন কী অস্ত্র নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হবে; তার নির্দেশনা আসে ওই গ্রুপে। নির্দেশনা অনুযায়ী পরদিন সকালে রিফাতকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। ওই মেসেঞ্জার কথপোকথনের স্ক্রিনশটে দেখা যায়, ঘাতক রিফাত ফরায়েজী আগের দিন রাত ৮টার দিকে গ্রুপের সদস্যদের পরের দিন সকাল ৯টায় বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে থাকার নির্দেশ দেয়।

    দেয়ালে দেয়ালে হাস্যকর ‘জিরো জিরো সেভেন’

    দেয়ালে ‘জিরো জিরো সেভেন’

    বিখ্যাত গোয়েন্দা চরিত্র জেমস বন্ডের নামের সঙ্গে মিলিয়ে এ গ্রুপের নাম রাখা হয় ‘জিরো জিরো সেভেন’। গ্রুপটির নেতৃত্বে ছিলেন রিফাত শরীফ হত্যাকাণ্ডের অন্যতম প্রধান আসামি নয়ন বন্ড।

    বন্ড অংশটি নয়ন নিজের নামে জুড়ে দেয়। সংবাদমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে ‘জিরো জিরো সেভেন’ গ্রুপের নাম সামনে আসে। এরপরই দেশব্যাপী আলোচনায় আসে মেসেঞ্জার গ্রুপটি।

     হঠাৎ দুদিন ধরে কুষ্টিয়া শহরের বিভিন্ন দেয়ালে দেয়ালে ইংরেজিতে ‘জিরো জিরো সেভেন’ লেখা দেখা যাচ্ছে। কোনো কোনো দেয়ালে হাসি চিহ্নিত দুটি শুন্য শেষে ইংরেজিতে ৭ লেখা যাচ্ছে। শহরের কমলাপুর এলাকাসহ পুলিশ লাইনের আশপাশের দেয়ালগুলোতে এ লেখা শোভা পাচ্ছে। পুলিশ লাইনের দেয়ালেও এমন লেখা রয়েছে।
    দেয়ালে দেয়ালে হাস্যকর ‘জিরো জিরো সেভেন’

    দেয়ালে ‘জিরো জিরো সেভেন’

    স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গত দুদিন ধরে হঠাৎ করেই দেয়ালে ‘জিরো জিরো সেভেন’ লেখা দেখা যাচ্ছে। অনেকের ধারণা, বরগুনার আলোচিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনার পর ‘জিরো জিরো সেভেন’ মেসেঞ্জার গ্রুপের নাম ছড়িয়ে পড়ে। হয়তো স্কুল-কলেজ পড়ুয়া বা অন্য কোনো তরুণরা প্রতিবাদস্বরূপ দেয়ালগুলোতে এটা লিখেছে।

    এ ব্যাপারে কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার এসএম তানভির আরাফাত জানান, কে বা কারা এটা লিখেছে; এ ব্যাপারে আমাদের কাছে কোনো তথ্য নেই।

  • বন্দুকযুদ্ধে নয়ন বন্ড নিহত খবরের অপেক্ষায় ছিলাে মিন্নি

    বন্দুকযুদ্ধে নয়ন বন্ড নিহত খবরের অপেক্ষায় ছিলাে মিন্নি

    বরগুনার আলোচিত রিফাত শরীফকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা মামলার প্রধান আসামি সাব্বির আহম্মেদ ওরফে নয়ন বন্ড (২৫) পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হওয়ার খবরে আল্লাহর শুকরিয়া জ্ঞাপন করেছেন রিফাতের স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নি।সূত্র: জাগো নিউজ

    মঙ্গলবার (২ জুলাই) সকালে বরগুনা সদরের বুড়িরচর ইউনিয়নের পূর্ব বুড়িরচর গ্রামে বন্দুকযুদ্ধে নয়ন বন্ড নিহত হয়েছেন বলে বাবার কাছ থেকে প্রথমে জানতে পারেন মিন্নি। তাৎক্ষণিক আল্লাহর কাছে শুকরিয়া জ্ঞাপন করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।

    নয়ন বন্ডের নিহত হওয়ার খবরে স্বস্তি প্রকাশ করে আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি বলেন, শোকে বিধ্বস্ত আমি, ঠিক এমন একটা খবরের অপেক্ষায় ছিলাম। মঙ্গলবার সকালে বাবা এসে বললেন পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে মারা গেছে নয়ন বন্ড। এ খবর শুনেই সঙ্গে সঙ্গে আল্লাহর কাছে শুকরিয়া জ্ঞাপন করেছি। কারণ বিচারের জন্য আদালতে দৌড়াতে হলো না। প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ, তিনি দ্রুত সময়ের মধ্যে আমাদের ডাকে সাড়া দিয়েছেন। ওরা ধরা পড়বে কি পড়বে না খুব শঙ্কায় ছিলাম। বিচার হবে কি হবে না তা নিয়ে ছিল আতঙ্ক। নয়নের নিহতের মধ্য দিয়ে সব শঙ্কা এবং আতঙ্ক দূর হয়েছে।

    মিন্নি বলেন, নয়ন বন্ডের নেতৃতে দিনদুপুরে চোখের সামনে আমার স্বামীকে কুপিয়ে হত্য করেছে তারা। নয়ন বন্ড বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছে। এতে আমি অনেক খুশি হয়েছি। পাশাপাশি এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের আমি শাস্তি চাই। তারাও যেন কঠোর শাস্তি পায় এই প্রার্থনা করি।

    নয়ন বন্ড বন্দুকযুদ্ধে নিহত হওয়ায় আমরা পুরো পরিবার খুশি হয়েছি উল্লেখ করে মিন্নির বাবা মোজাম্মেল বলেন, আজকের দিনটি শুরু হলো একটা খুশির খবর দিয়ে। বাজারে গিয়ে সবার মুখে বন্দুকযুদ্ধে নয়ন বন্ডের নিহতের খবর শুনে তড়িঘড়ি করে এসে খবরটা মিন্নিকে জানাই। শুনার সঙ্গে সঙ্গে আল্লাহর শুকরিয়া জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ দিলো মেয়ে। গত কয়েকদিন ধরে বিধ্বস্ত ছিল মেয়েটি। এ খবর শুনে অনেক খুশি হয়েছে মিন্নি। আমরা সবাই খুশি, বাকিদের যেন এমন শাস্তি হয় সেই কামনা করি।

    তিনি বলেন, নয়ন বন্ড এবং ফরাজী ধরা না পড়ায় আমরা আতঙ্কে ছিলাম। সে আতঙ্ক কেটেছে। বিচারের জন্য দৌড়াতে হলো না। প্রধানমন্ত্রী দ্রুত বিচার পাইয়ে দিয়েছেন। আমরা তার কাছে কৃতজ্ঞ। এখন বাকিদের শাস্তি হলেই রিফাতের আত্মা শান্তি পাবে।

    উল্লেখ্য, বরগুনায় স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নির সামনে স্বামী রিফাত শরীফকে কুপিয়ে হত্যা মামলার প্রধান অভিযুক্ত নয়ন বন্ড পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার ভোররাতে বরগুনার পুরাকাটা এলাকায় এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। বরগুনার পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

    নিহত নয়ন বন্ড বরগুনা পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের পশ্চিম কলেজ রোড এলাকার মৃত মো. আবুবক্কর সিদ্দিকের ছেলে এবং রিফাত শরীফ হত্যা মামলার এক নম্বর আসামি ছিলেন।

  • নয়ন বন্ডের লাশ দাফন, মাটিতে পুঁতে দিতে বললেন মা

    নয়ন বন্ডের লাশ দাফন, মাটিতে পুঁতে দিতে বললেন মা

    একটি মায়ের কলিজা ছেড়া চাপা কষ্টের ধারালো আর্তনাদ (আহহ হা…)। ১০মাস গর্ভে ধারণ করে জন্ম দেয়া নয়ন কে সে হয়তো কখনোই এই দিন টা দেখার জন্য বড় করেনি। ছেলে কার গেছে ? ১০ মাস গর্ভধারন করা একজন গর্ভধারিনী মায়ের। পাপ বাপ কেও ছাড়ে না… সেটা হয়তো নয়ন ভালো করেই ফল পেয়েছে।

    কিন্তু মায়ের বুক ছেড়া কষ্ট কি কেউ ভুলিয়ে দিতে পারবে…? পারবে না…!

    কোনো মা বাবাই চায় না তার সন্তান খারাপ হোক। নয়নের মত এমন একটা দিন দেখুক…

    নয়নের মায়ের কান্না ভরা মুখটা দেখে অনেকেই আবেগ আপ্লুত হয়ে গেছেন। মা ই তো…সে সবার ই মা…

    নয়ন হয়ত তার শাস্তি পৃথিবীতেই পেয়ে ওপারে গেছে। কিন্তু সন্তান হারা মায়ের আর্তনাদ কি এতো সহজেই ভুলে যাবে তার মা। মা লাশ দেখলেন। অনেককেই বললেন লাশ দাফনের জন্য। কেউ রাজি হচ্ছিল না। শেষমেষ তিনি পুতে দিতে বললেন।

    ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত বরগুনার আলোচিত রিফাত হত্যা মামলার প্রধান আসামি সাব্বির আহম্মেদ ওরফে নয়ন বন্ডের দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

    মঙ্গলবার (০২ জুলাই) বিকেল ৫টার দিকে বরগুনা সদর উপজেলার সোনারবাংলা গ্রামে তার দাফন শেষ হয়।

    এর আগে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্ত শেষে বিকেল ৪টার দিকে মরদেহ গ্রহণ করেন নয়নের দুঃসম্পর্কের এক মামা। সেখান থেকে সদর থানার উপ-পরিদর্শক ইন্দ্রজিৎ নয়নের মরদেহ পরিবারকে বুঝিয়ে দেন।

    সেখান থেকে সোনারবাংলা গ্রামে নিয়ে তাকে দাফন করা হয়।

    এর আগে মঙ্গলবার (০২ জুলাই) ভোরে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হন নয়ন বন্ড।

    গেল বুধবার (২৬ জুন) রিফাতকে কুপিয়ে হত্যা মামলার প্রধান আসামি ছাড়াও একাধিক মাদক মামলার আসামি ছিলেন তিনি।