Category: প্রশাসন

  • বরগুনায় রিফাতের স্ত্রীর নিরাপত্তায় বাড়িতে পুলিশ পাহারা

    বরগুনায় রিফাতের স্ত্রীর নিরাপত্তায় বাড়িতে পুলিশ পাহারা

    বরগুনা সদরে প্রকাশ্য দিবালোকে হত্যাকাণ্ডের শিকার রিফাত শরীফের স্ত্রীর নিরাপত্তায় পুলিশ পাহারা বসানো হয়েছে। রিফাতের শ্বশুরবাড়িতে এ পুলিশ প্রহরা বসানো হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে ওই বাড়িতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে বরগুনা জেলা পুলিশসূত্রে জানা গেছে। রিফাতের স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিসহ তার পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য অস্ত্রধারী চার পুলিশ সদস্যকে তার বাড়িতে মোতায়েন করা হয়েছে।

    মিন্নির চাচা মো. আবু সালেহ জানান, রিফাত শরীফ খুন হওয়ার পর থেকেই মিন্নি ও তার পরিবারের সদস্যরা হুমকির সম্মুখীন হয়। এ হত্যাকাণ্ডে জড়িতরা মিন্নির পরিবারকে নানাভাবে হুমকি দিয়ে আসছে। এ কারণে তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য পুলিশের কাছে আবেদন করা হয়। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মিন্নিদের বাড়িতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

    নিহত রিফাত শরীফের বাড়ি বরগুনা সদর উপজেলার ৬নং বুড়িরচর ইউনিয়নের বড় লবণগোলা গ্রামে। তার বাবার নাম আ. হালিম দুলাল শরীফ। মা-বাবার একমাত্র সন্তান ছিলেন রিফাত।

    বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে স্ত্রী মিন্নিকে বরগুনা সরকারি কলেজে নিয়ে যান রিফাত। কলেজ থেকে ফেরার পথে মূল ফটকে নয়ন, রিফাত ফরাজীসহ আরও দুই যুবক রিফাত শরীফের ওপর হামলা চালান। এ সময় ধারালো অস্ত্র দিয়ে রিফাত শরীফকে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকেন তারা। রিফাত শরীফের স্ত্রী মিন্নি দুর্বৃত্তদের নিবৃত্ত করার চেষ্টা করেন। কিন্তু কিছুতেই হামলাকারীদের থামানো যায়নি। তারা রিফাত শরীফকে উপর্যুপরি কুপিয়ে রক্তাক্ত করে চলে যান। পরে স্থানীয় লোকজন রিফাত শরীফকে গুরুতর আহতাবস্থায় উদ্ধার করে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে রিফাত শরীফের মৃত্যু হয়।

    নিহতের পরিবার জানায়, রিফাতকে কুপিয়ে হত্যায় অংশ নেয় নয়ন বন্ডসহ ৪-৫ জন। রিফাতের সঙ্গে দুই মাস আগে পুলিশলাইন সড়কের আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নির বিয়ে হয়। বিয়ের পর নয়ন মিন্নিকে তার প্রেমিকা দাবি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপত্তিকর পোস্ট দিতে থাকেন।

    রিফাতের বাবা দুলাল শরীফ বলেন, নয়ন প্রতিনিয়ত আমার পুত্রবধূকে উত্ত্যক্ত করত এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপত্তিকর পোস্ট দিত। এর প্রতিবাদ করায় আমার ছেলেকে নয়ন তার দলবল নিয়ে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে।

  • রিফাত হত্যায় জড়িত সন্দেহে বরিশালে আরও চারজন আটক

    রিফাত হত্যায় জড়িত সন্দেহে বরিশালে আরও চারজন আটক

    বরগুনায় রিফাত শরীফকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় জড়িত সন্দেহে বরিশাল থেকে চার যুবককে আটক করেছে পুলিশ। বরিশাল লঞ্চঘাট থেকে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টায় তাদের আটক করা হয়। তারা পালিয়ে ঢাকায় আসছিলো। কোতোয়ালী মডেল থানার ওসি মো. নুরুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন।

    ওসি বলেন, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মেট্রোপলিটন পুলিশ বরিশাল নদীবন্দর থেকে ওই চার যুবককে আটক করা হয়েছে। রিফাত হত্যার এক আসামির সঙ্গে আটককৃতদের একজনের চেহারার মিল রয়েছে। তবে আটক চারজন রিফাত হত্যায় জড়িত কি না নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার জন্য বরগুনা জেলা পুলিশকে জানানো হয়েছে। তারা এলে এ বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে। নিশ্চিত না হলে তাদের ছেড়ে দেওয়া হবে।’

    আটক চারজনের নাম-পরিচয় জানায়নি পুলিশ। তবে তাদের বাড়ি বরগুনায় বলে জানিয়েছে তারা।

    এদিকে, বৃহস্পতিবার রাত পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেফতার করেছে বরগুনা সদর থানার পুলিশ। এর মধ্যে সকালে চন্দন নামে একজন ও দুপুরে মো. হাসান নামে আরও একজনকে গ্রেফতার করা হয়। এদিন রাতে আরও এক আসামিকে গ্রেফতারের কথা জানান বরগুনার পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন। তবে তিনি ওই আসামির নাম-পরিচয় জানাতে অপারগতা প্রকাশ করেন।

    উল্লেখ্য, বুধবার সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে বরগুনা সরকারী কলেজ রোডে স্ত্রীর সামনে রিফাতকে কুপিয়ে জখম করে দুর্বৃত্তরা। গুরুতর আহত অবস্থায় রিফাতকে প্রথমে বরগুনা সদর হাসপাতাল ও পরে বরিশাল শেরে-ই বাংলা মেডিকেল (শেবাচিম) কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেল ৪টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

    এ ঘটনায় রিফাতের পিতা দুলাল শরীফ বাদি হয়ে বরগুনা সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

  • পুলিশ নিয়োগে ঘুষের অভিযোগে ২ পুলিশ আটক

    পুলিশ নিয়োগে ঘুষের অভিযোগে ২ পুলিশ আটক

    অনলাইন ডেস্ক:

    মাদারীপুরে কনস্টেবল পদে নিয়োগ পাইয়ে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে টাকা গ্রহণের অভিযোগে দুই পুলিশকে আটক করা হয়েছে। এছাড়া আরো দুই কর্মকর্তাকে জেলা থেকে অন্যত্র বদলিও করা হয়েছে।

    পুলিশ সুপারের বডিগার্ডসহ আটক দুই কনস্টেবলকে আটকের পর পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে নেয়া হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) রাতে এমন তথ্য জানিয়েছেন মাদারীপুরের পুলিশ সুপার সুব্রত কুমার হালদার।

    তিনি জানান, গত ২৪ জুন গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানা যায়, পুলিশ লাইন্সের ম্যাস ম্যানেজার জাহিদ হোসেন মোটা অঙ্কের উৎকোচ গ্রহণের মাধ্যমে কনস্টেবল নিয়োগ দেওয়ার চেষ্টা করছে।

    এ সংবাদের ভিত্তিতে ওই দিনই ডিআইজি ঢাকা রেঞ্জ ও মাদারীপুর সদর থানা-পুলিশের সহযোগিতায় তাকে পুলিশ প্রহরায় আটক করে ঢাকা হেডকোয়ার্টার্সে পাঠিয়ে দেয়া হয়। পরের দিন একই অভিযোগে এসপির বডিগার্ড নূরুজ্জামান সুমনকে তিন লাখ টাকাসহ আটক করে ঢাকায় পাঠানো হয়।

    এছাড়া গোয়েন্দা সংস্থা ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের তৎপরতায় প্রতারণার অভিযোগে ট্রাফিক ইন্সপেক্টর গোলাম রহমান ও পুলিশ লাইন্স হাসপাতালের স্বাস্থ্য সহকারী পিয়াস বালাকে অন্যত্র বদলি করা হয়। তাদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা জব্দ করা হয়।

    পুলিশ সুপার জানান, এদের বিরুদ্ধে অধিকতর তদন্ত চলছে। দোষীদের কঠোর শাস্তির আওতায় আনা হবে।

  • ‘এই দায়ের কোপ আমাদের জন্যও অপেক্ষা করছে’- ব্যারিস্টার সুমন

    ‘এই দায়ের কোপ আমাদের জন্যও অপেক্ষা করছে’- ব্যারিস্টার সুমন

    অনলাইন ডেস্ক:

    এই দায়ের কোপ – বরগুনায়র রিফাত শরীফের বিচারের দাবিতে পাশে থাকার অঙ্গীকার করেছেন ব্যারিস্টার সাইয়েদুল হক সুমন। তিনি মনে করেন, রিফাতের ওপর যে দায়ের কোপ সন্ত্রাসীরা বসিয়েছেন, সেই কোপ সবার জন্য অপেক্ষা করছে। গতকাল বুধবার সকালে স্ত্রীর সামনেই রিফাতকে করে সন্ত্রাসীরা।

    আজ বৃহস্পতিবার রাতে নিজের ফেসবুক পাতায় দেওয়া এক স্ট্যাটাসে সুমন লেখেন, ‘এই দায়ের কোপ শুধু রিফাত নয়, আমাদের সবার জন্য অপেক্ষা করছে। যদি এখনই এর প্রতিবাদ এবং প্রতিরোধ না করি তবে অনেক দেরী হয়ে যাবে। আমি আছি, থাকব। আপনারাও থাকুন।’

    গতকাল সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে প্রকাশ্যে স্ত্রীর সামনেই রিফাত শরীফকে জখম করেন স্থানীয় নয়ন বন্ড ও তার সহযোগীরা। গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে বরগুনা সদর হাসপাতাল ও শেবাচিম হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে বিকেল ৪টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রিফাতের মৃত্যু হয়।

    এদিকে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ১২ জনকে আসামি করে রিফাতের বাবা বুধবার রাতেই বরগুনা সদর থানায় মামলা করেন। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার ভোরে পুলিশ চন্দন নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

    বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে বরগুনা সদর উপজেলার বুড়িরচর ইউনিয়নের নিজ বাড়িতে জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। রিফাত শরীফের জানাজায় নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের ঢল নামে।

    এর আগে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে রিফাতের মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। পরে মরদেহ নিয়ে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বরগুনার নিজ বাড়িতে পৌঁছায় একটি অ্যাম্বুলেন্স। অ্যাম্বুলেন্স বাড়িতে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ।

    জানাজায় ইমামতি করেন বরগুনা কামিল (মডেল) মাদরাসা জামে মসজিদের ইমাম ক্বারী মো. সোলায়মান।

    জানাজায় উপস্থিত সবার কাছে রিফাতের পক্ষ থেকে ক্ষমা প্রর্থনা করেন রিফাতের বাবা মো. দুলাল শরীফ এবং চাচা আজিজ শরীফ। এ সময় তারা রিফাতের রুহের মাগফেরাত কামনার জন্য সবার কাছে দোয়া চান।

    জানাজার আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. ছিদ্দিকুর রহমান প্রমুখ। তারা নিহত রিফাতের হত্যাকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানান এবং তাদের যে কোনো সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

  • তিন শিশুকে ধর্ষণ করল বরিশালের জসিম!

    তিন শিশুকে ধর্ষণ করল বরিশালের জসিম!

    গাজীপুরের টঙ্গীতে তিন শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ জসিম উদ্দিন (৫৫) নামে একজনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয়রা। বৃহস্পতিবার রাতে টঙ্গীর বনমালা এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। ধর্ষণের শিকার শিশুদের বয়স যথাক্রমে ৮, ৬ ও ৪ বছর। এদের মধ্যে একই পরিবারের দুইজন ও অন্য পরিবারের এক শিশু রয়েছে।

    অভিযুক্ত জসিম উদ্দিন বরিশাল জেলার কর্ণকাঠি গ্রামে। তিনি বনমালা টেকপাড়া এলাকায় ভাড়া বাসায় থেকে মুদি ব্যবসা করে আসছেন।

    ধর্ষিতার পরিবার বলছে- ‘অপ্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ায় মাত্র ২০ টাকার লোভ দেখিয়ে গত সোমবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত প্রতিদিন দুপুরে একে একে তিন শিশুকে বনমালা এলাকার ভাড়া বাড়ির একটি কক্ষে নিয়ে ধর্ষণ করে লম্পট জসিম। তবে বৃহস্পতিবার ছয় বছরের এক শিশুকে ধর্ষণ করলে শিশুটি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়রা অভিযুক্ত জসিমকে আটক করে পুলিশে খবর দেয়। এ ঘটনায় ধর্ষিত তিন শিশুকে একটি হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। ধর্ষিতার পরিবারের পক্ষ থেকে পৃথক দুটি মামলার প্রস্তুতি চলছে।

    টঙ্গী পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন বলেন, ‘অভিযুক্ত জসিম উদ্দিন পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে ধর্ষণের দায় অকপটে স্বীকার করেছে। ধারণা করা হচ্ছে, সে মানসিক বিকারগ্রস্ত। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’

  • বরগুনায় রিফাত হত্যা: ডিআইজি ও পুলিশ সুপারের প্রেস ব্রিফিং

    বরগুনায় রিফাত হত্যা: ডিআইজি ও পুলিশ সুপারের প্রেস ব্রিফিং

    বরগুনা সরকারী বিশ্ব বিদ্যালয় কলেজের অনার্স ২য় বর্ষের ছাত্র রিফাত শরীফের হত্যাকান্ডের এজাহারভূক্ত ২ আসামী চন্দন ও হাসান এবং সন্দেহভাজন নাজমুল হাসানকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    এ হত্যা মামলার উদ্দেশ্যে আজ শুক্রবার সকাল সাড়ে ১১ টায় বরগুনার পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি শফিকুল ইসলাম ও বরগুনার পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন সাংবাদিকদের এক প্রেস ব্রিফিংএ বলেন, রিফাত হত্যা মামলার এজাহারভূক্ত আসামীদের মধ্যে ২ জন ও সন্দেহভাজন একজনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছি।

    আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি বাকী আসামীদের গ্রেফতার করতে। এ জন্য বরগুনার প্রতিটি পয়েন্টে চেকপোষ্ট বসানো হয়েছে।এ ছাড়াও বাংলাদেশের প্রত্যেকটি বর্ডারে কড়া নিরাপত্তা গ্রহন করা হয়েছে যাতে বাকী আসামীরা বাহিরে পালিয়ে যেতে না পারে।

    বরিশাল রেঞ্জের ডি আইজি শফিকুল ইসলাম আরও বলেন, এই আলোচিত হত্যাকান্ডের ঘটনায় পুলিশ বিভাগের কারও যদি গাফিলতা পাওয়া যায়, তাহলে দ্রুত তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।আমরা আশা করছি অবিলম্বে বাকী আসামীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে। সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে তারা বলেন, এ চাঞ্চল্যকর হত্যার ব্যাপারে আপনাদের সর্বোচ্চ সহযোগিতা কামনা করছি।

  • ৩৬তম বিসিএস ব্যাচের ১৫ জন সহকারী পুলিশ সুপারদের আগৈলঝাড়ায় বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান পরিদর্শন

    ৩৬তম বিসিএস ব্যাচের ১৫ জন সহকারী পুলিশ সুপারদের আগৈলঝাড়ায় বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান পরিদর্শন

    ৩৬তম বিসিএস ব্যাচের ১৫ জন শিক্ষানবিস সহকারী পুলিশ সুপাররা বরিশালের আগৈলঝাড়ার বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান পরিদর্শন করেছেন।

    অ‍াজ শুক্রবার সকালে রাজশাহীর সারদা পুলিশ একাডেমীর প্রশিক্ষণরত ৩৬তম বিসিএস ব্যাচের ১৫ জন শিক্ষানবিস সহকারী পুলিশ সুপার শিক্ষা সফর উপলক্ষে উপজেলার গৈলা কবি বিজয় গুপ্তের মনসা মন্দির, সেরাল শহীদ আঃ রব সেরনিয়াবাত বৃদ্ধাশ্রমসহ বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করেন।

    এসময় অতিথিবৃন্দের সাথে উপস্থিত ছিলেন, গৌরনদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আঃ রব হাওলাদার, আগৈলঝাড়া অফিসার ইনচার্জ মোঃ আফজাল হোসেন, ওসি (তদন্ত) মোঃ নকিব আকরাম, কবি বিজয় গুপ্ত মনসা মন্দিরের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক তারক চন্দ্র দে, সাধারন সম্পাদক ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান দুলাল দাশ গুপ্ত, গৈলা মডেল ইউনিয়ন চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম টিটু, কবি অবিচল আঃ মান্নান, আভা মুখার্জী প্রমুখ। অতিথিবৃন্দদেরকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।

  • রিফাতের শ্বশুরকে হাসপাতালের মর্গে থেকে বের করে দিল বন্ধুরা

    রিফাতের শ্বশুরকে হাসপাতালের মর্গে থেকে বের করে দিল বন্ধুরা

    বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে শত শত লোকের উপস্থিতিতে স্ত্রীর সামনে নির্মম হত্যাকান্ডের শিকার স্বামী শাহ নেয়াজ রিফাত শরীফের (২৫) মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে।

    একই সঙ্গে মেয়ের জামাইয়ের মরদেহ আনতে মর্গে গিয়ে তোপের মুখে পড়েছেন নিহত রিফাতের শ্বশুর মোজ্জাম্মেল হোসেন। এ সময় মোজ্জাম্মেল হোসেনকে হাসপাতালের মর্গ থেকে বের করে দেন রিফাতের বন্ধুরা।

    আজ বৃহস্পতিবার বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রিফাত শরীফের মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। বেলা ১১টা থেকে ১১টা ৪০মিনিট পর্যন্ত রিফাতের মরদেহের ময়নাতদন্ত হয়।

    বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক চিকিৎসক জামিল হোসেনের নেতৃত্বে ফরেনসিক বিভাগের প্রভাষক চিকিৎসক মাইদুল হোসেন ও ফরেনসিক বিভাগের প্রভাষক চিকিৎসক তন্নী নিহত রিফাতের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করেন।

    বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক চিকিৎসক জামিল হোসেন বলেন, রিফাত শরীফের শরীরে মারাত্মক আঘাত করা হয়েছে। তার গলায়, মাথায়, বুকের ওপর তিনটি বড় ক্ষত রয়েছে। তার গলার রগ কেটে গেছে। গলার রগ কেটে প্রচুর রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া ভারী অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে ক্ষত করা হয়েছে। তার ডান হাত এবং বাম হাতে দুটি বড় ক্ষত রয়েছে। রিফাতের শরীরে সাত থেকে আটটি বড় আঘাত রয়েছে। যেসব আঘাতে বড় ক্ষতের সৃষ্টি হয়েছে। এসব ক্ষত থেকে প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়ে রিফাত মারা যায়।

    এদিকে, মেয়ের জামাইয়ের মরদেহ আনতে মর্গে গিয়ে তোপের মুখে পড়েছেন নিহত রিফাতের শ্বশুর মোজ্জাম্মেল হোসেন। এ সময় মোজ্জাম্মেল হোসেনকে হাসপাতালের মর্গ থেকে বের করে দেন রিফাতের বন্ধুরা। বেলা পৌনে ১২টার দিকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বেলা সাড়ে ১১টার দিকে হাসপাতালের মর্গের সামনে আসেন রিফাতের শ্বশুর মোজ্জাম্মেল হোসেন। এ সময় স্থানীয় সাংবাদিকরা তাকে ঘিরে ধরেন। কয়েকজন সাংবাদিক তার কাছে জামাই রিফাত হত্যার কারণ জানতে চান। তখন তিনি স্থানীয় সাংবাদিকদের জানান এটি নারীঘটিত ঘটনা হলেও আমার মেয়ের সঙ্গে খুনিদের কোনো পরিচয় ছিল না। আমার মেয়েকে খুনিরা উত্ত্যক্ত করতো। জামাই এ ঘটনার প্রতিবাদ করেছিল বলেই তাকে খুন করা হয়েছে। এ সময় রিফাতের কয়েকজন বন্ধু মোজ্জাম্মেল হোসেনের ওপর চড়াও হন। সেই সঙ্গে মোজ্জাম্মেল হোসেনকে মিথ্যাবাদী উল্লেখ করে সেখান থেকে তাড়িয়ে দেন রিফাতের বন্ধুরা। এ সময় রিফাতের কয়েকজন বন্ধু মোজ্জাম্মেল হোসেনের দিতে তেড়ে যান।

    এ ঘটনার কারণ জানতে চাইলে নিহত রিফাতের ঘনিষ্ঠ বন্ধু মঞ্জুরুল আলম জন, বিল্লাল হোসেন, নাজমুলসহ কয়েজনজন জানান, মিন্নির বাবা সাংবাদিকদের মিথ্যা বলছেন। তার মেয়ের সঙ্গে খুনিদের পরিচয় ছিল। বিষয়টি আমরা আগে থেকেই জানতাম। নয়নের সঙ্গে মিন্নির আগে থেকে সম্পর্ক আছে, সেটিও আড়াল করেছেন মিন্নির বাবা। এসব বিষয় তদন্ত করলে সব সত্য বেরিয়ে আসবে। মিন্নির বাবা সবই জানেন এবং মিন্নিও অনেক বিষয় জানেন।

  • প্রধানমন্ত্রীও দেখেছেন সেই ভিডিও!

    প্রধানমন্ত্রীও দেখেছেন সেই ভিডিও!

    বরগুনায় প্রকাশ্যে সড়কে রিফাত শরীফকে হত্যাকারীদের যেকোনো মূল্যে গ্রেপ্তারে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এ তথ্য জানিয়েছেন।

    বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম ও সমসাময়িক ইস্যু নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এ কথা জানান।

    গতকালকের ঘটনা আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি কি-না জানতে চাইলে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আইন-শৃঙ্খলার অবনতি হয়েছে এটা কি বলা যায়? এটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা।

    গতকাল রাতে প্রধানমন্ত্রীও হত্যাকাণ্ডের ভিডিওটি দেখেন। তিনি স্তব্ধ হয়ে যান। তার পাশে থাকা একজনকে জিজ্ঞেস করেন, মানুষ এতটা পশু হয় কিভাবে! তিনি তাৎক্ষণিকভাবে এই হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার নির্দেশ দেন। তিনি তখন বলেন আমি যত দ্রুত সম্ভব এদের গ্রেপ্তার ও বিচারের আওতায় দেখতে চাই।

    স্ত্রীকে উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায় প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করা হয় স্বামী রিফাত শরীফকে। বুধবার সকালে স্ত্রীকে নিয়ে বের হন রিফাত। বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে এলে প্রকাশ্যে স্ত্রীর সামনে স্বামী রিফাতকে কুপিয়ে হত্যা করে বরগুনা পৌরসভার ধানসিঁড়ি সড়কের আবু বকর সিদ্দিকের ছেলে নয়ন বন্ড এবং তার প্রতিবেশী দুলাল ফরাজীর ছেলে রিফাত ফরাজী। এ সময় বারবার সন্ত্রাসীদের হাত থেকে স্বামীকে বাঁচাতে চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি।

    চোখের সামনে স্বামীকে হত্যার বর্ণনা দিতে গিয়ে কাঁদলেন মিন্নি। বললেন, আমার চোখের সামনেই আমার স্বামীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে তারা। অনেক চেষ্টা করেও স্বামীকে বাঁচাতে পারিনি আমি।

    বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে বরগুনার মাইঠা এলাকার নিজ বাড়িতে বসে জাগো নিউজকে স্বামী হত্যার ঘটনার বর্ণনা দেন স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি।

    আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি বলেন, সকাল ৯টার দিকে স্বামী রিফাত শরীফের সঙ্গে বরগুনা কলেজে আসি আমি। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কলেজ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার জন্য রওনা দেই আমরা। বরগুনার কলেজ সড়কের ক্যালিক্স কিন্ডার গার্টেনের সামনে পৌঁছালে বেশ কয়েকজন যুবক আমাদের গতিরোধ করে। সেই সঙ্গে রিফাত শরীফকে মারধর শুরু করে তারা। এর মধ্যেই চাপাতি নিয়ে ঘটনাস্থলে হাজির হয় নয়ন বন্ড ও রিফাত ফরাজী।

    মিন্নি বলেন, নয়ন বন্ড ও রিফাত ফরাজী চাপাতি নিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে রিফাত শরীফকে জাপটে ধরে রিফাত ফরাজীর ছোট ভাই রিশান ফারজী। এরপরই রিফাত শরীফকে নির্মমভাবে চাপাতি দিয়ে কোপাতে থাকে নয়ন বন্ড ও রিফাত ফরাজী। আমি তাদের নিবৃত্ত করার চেষ্টা করেছি। কিন্তু কিছুতেই তাদের থামাতে পারিনি। রিফাতকে উপর্যুপরি কুপিয়ে রক্তাক্ত করে চলে যায় তারা। পরে স্থানীয় লোকজন রিফাত শরীফকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখান থেকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে সেখানে রিফাত শরীফের মৃত্যু হয়।

    মিন্নি আরও বলেন, ভিডিওতে যাদের পাশে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে মূলত তারাই প্রথমে রিফাত শরীফ ও আমার পথ আটকে দিয়েছিল। সেই সঙ্গে তিন-চারজন রিফাত শরীফকে মারতে শুরু করেছিল। নয়ন বন্ড ও রিফাত ফরাজী চাপাতি দিয়ে রিফাত শরীফকে কোপাতে শুরু করলে তারা পাশে দাঁড়িয়ে দেখেছিল। এরপর আমি প্রাণপণ চেষ্টা করেও রিফাত শরীফকে বাঁচাতে পারিনি।

    এদিকে, রিফাত শরীফ হত্যার ঘটনায় ১২ জনকে অভিযুক্ত করে বুধবার রাতে একটি হত্যা মামলা করেছেন নিহতের বাবা দুলাল শরীফ। এ মামলার ৪নম্বর আসামি চন্দনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    বরগুনার পুলিশ সুপার মো. মারুফ হোসেন বলেন, রিফাত শরীফকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় চন্দন নামের এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে। কাউকে ছাড় দেয়া হবে না।

    প্রসঙ্গত, বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে স্ত্রী আয়েশাকে বরগুনা সরকারি কলেজে নিয়ে যান রিফাত। কলেজ থেকে ফেরার পথে মূল ফটকে নয়ন, রিফাত ফরাজীসহ আরও দুই যুবক রিফাত শরীফের ওপর হামলা চালায়। এ সময় ধারালো অস্ত্র দিয়ে রিফাত শরীফকে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে তারা। রিফাত শরীফের স্ত্রী আয়েশা দুর্বৃত্তদের নিবৃত্ত করার চেষ্টা করেন। কিন্তু কিছুতেই হামলাকারীদের থামানো যায়নি। তারা রিফাত শরীফকে উপর্যুপরি কুপিয়ে রক্তাক্ত করে চলে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন রিফাত শরীফকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে রিফাত শরীফের মৃত্যু হয়।

  • স্ত্রীর সামনে স্বামীকে কুপিয়ে হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবি শিক্ষার্থীদের

    স্ত্রীর সামনে স্বামীকে কুপিয়ে হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবি শিক্ষার্থীদের

    বরগুনায় স্ত্রীর সামনে রিফাত শরীফকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যাকারী নয়ন বন্ড ও রিফাত ফরাজির ফাঁসির দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার সকালে বরগুনা সরকারি কলেজ ক্যাম্পাসে মানববন্ধন করে তারা এ দাবি জানান।

    পরে শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাস থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিলে বরগুনা সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীসহ অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরাও অংশগ্রহণ করেন। মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন স্লোগান সংবলিত প্ল্যাকার্ড নিয়ে হাজির হন।

    এদিকে রিফাত শরীফ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহত রিফাতের বাবা দুলাল শরীফ বাদী হয়ে ১২ জনের নামে হত্যা মামলা করেছেন। সর্বশেষ মামলার ৪ নম্বর আসামি চন্দনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

    এ বিষয়ে বরগুনার পুলিশ সুপার মো. মারুফ হোসেন বলেন, রিফাত হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত চন্দনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বাকি অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

    প্রসঙ্গত, বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে স্ত্রী আয়েশাকে বরগুনা সরকারি কলেজে নিয়ে যান রিফাত। কলেজ থেকে ফেরার পথে মূল ফটকে নয়ন, রিফাত ফরাজীসহ দুই যুবক রিফাত শরীফের ওপর হামলা চালায়। এ সময় ধারালো অস্ত্র দিয়ে রিফাত শরীফকে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে তারা। রিফাত শরীফের স্ত্রী আয়েশা দুর্বৃত্তদের নিবৃত্ত করার চেষ্টা করেন। কিন্তু কিছুতেই হামলাকারীদের থামানো যায়নি।

    তারা রিফাত শরীফকে উপর্যুপরি কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে চলে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন রিফাত শরীফকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে রিফাত শরীফের মৃত্যু হয়।