Category: প্রশাসন

  • বরিশালে মাদ্রাসাছাত্রীর গর্ভপাত, যুবক গ্রেপ্তার

    বরিশালে মাদ্রাসাছাত্রীর গর্ভপাত, যুবক গ্রেপ্তার

    অনলাইন ডেস্ক:

    প্রেমের সম্পর্কে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার দৈহিক মেলামেশা করায় দশম শ্রেনীতে পড়ুয়া এক মাদ্রাসা ছাত্রী চার মাসের অন্তঃস্বত্তা হয়েছে।

    পরবর্তীতে কৌশলে ওই ছাত্রীর গর্ভপাত করানোর ঘটনায় বুধবার রাতে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    পুলিশ মামলার এজাহারভূক্ত এক আসামিকে গ্রেফতার করে বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলহাজতে প্রেরণ করেছে। ঘটনাটি জেলার গৌরনদী উপজেলার নাঠৈ মোল্লাবাড়ি এলাকার।

    এজাহারের বরাত দিয়ে থানার ওসি গোলাম সরোয়ার জানান, পশ্চিম শাওড়া আলিম মাদ্রাসার ১০ম শ্রেনীর এক ছাত্রীর (১৫) সাথে গত একবছর পূর্বে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে একই বাড়ির মনির ফকিরের পুত্র সাব্বির ফকিরের (১৮)। সে (সাব্বির) সরকারী গৌরনদী কলেজের দ্বাদশ শ্রেনীর ছাত্র।

    ওসি আরও জানান, প্রেমের সম্পর্কে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে সাব্বির একাধিকবার ওই মাদ্রাসা ছাত্রীর সাথে দৈহিক মেলামেশা করে। এতে ওই ছাত্রী চার মাসের অন্তঃস্বত্তা হয়।

    গত কয়েকদিন পূর্বে দুই পরিবারের মধ্যে বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর সাব্বিরের মা সরুফা বেগম কৌশলে ওই ছাত্রীকে গৌরনদীর নাসিং হোমে নিয়ে সেখানকার চিকিৎসক সোহেদা আক্তারের মাধ্যমে অবৈধভাবে গর্ভপাত ঘটায়।

    ঘটনাটি এলাকায় ছড়িয়ে পরলে দুই পরিবারের আত্মীয়-স্বজনদের মধ্যে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পরে। একপর্যায়ে ওই মাদ্রাসা ছাত্রীর বাবা বুধবার রাতে ওই ঘটনায় তিনজনকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করেন।
    তাৎক্ষনিক পুলিশ অভিযান চালিয়ে সাব্বিরের মা সরুফা বেগমকে গ্রেফতার করেছে।

    বৃহস্পতিবার দুপুরে গ্রেফতারকৃতকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়। মামলার অপর আসামি সাব্বির ফকির ও অবৈধভাবে গর্ভপাত ঘটানো গৌরনদী নাসিং হোমের চিকিৎসক সোহেদা আক্তারকে গ্রেফতারের জন্য পুলিশের অভিযান চলছে।

  • আশেপাশে অনেক মানুষ ছিল, কেউ একটু সাহায্যও করে নাই: রিফাতের স্ত্রী

    আশেপাশে অনেক মানুষ ছিল, কেউ একটু সাহায্যও করে নাই: রিফাতের স্ত্রী

    বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে নেয়াজ রিফাত শরীফ নামে এক যুবককে গতকাল সকালে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটে, যা ব্যাপক আলোড়ন তুলেছে। সে সময় রিফাতের সঙ্গে ছিলেন তার স্ত্রী আয়েশা আক্তার।

    গতকালকে ওই হামলার ভিডিওতে দেখা যায়, কলেজের মূল ফটকের কাছে কয়েকজন যুবক রিফাতের ওপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে উপর্যুপরি হামলা চালাচ্ছে।

    এসময় আয়েশা আক্তার একাই দুর্বৃত্তদের হামলা থেকে স্বামীকে বাঁচানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হন। আয়েশা আক্তার ব্যাখ্যা করেন তার সেই ‘বিভীষিকাময়’ অভিজ্ঞতার কথা।

    “আমার স্বামী [রিফাত] আমাকে কলেজ থেকে নিয়ে ফেরার সময় দুর্বৃত্তরা হামলা চালায়। আমি অস্ত্রের মুখে পড়েও অনেক বাঁচানোর চেষ্টা করেছি, কিন্তু বাঁচাতে পারি নাই।

    তিনি বলেন, আমার আশেপাশে অনেক মানুষ ছিল। আমি চিৎকার করছি, সবাইকে বলছি – ওরে একটু বাঁচান। কিন্তু কেউ এসে আমারে একটু সাহায্যও করে নাই।

    গত এক বছর ধরে কলেজে আসা যাওয়ার পথে স্থানীয় এক যুবক তাকে উত্যক্ত করতো বলে অভিযোগ করেন আয়েশা।

    ওই ব্যক্তি শুরু থেকেই বিয়ে করার জন্য চাপ দিয়ে আসছিল।

    অন্যথায় তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যা করবে বলেও হুমকি দিয়েছিল বলে, তিনি অভিযোগ করেন ওই যুবকের বিরুদ্ধে।

    আমাকে হুমকি দিতো, কথা না বললে, বলতো মাইরে ফালাবে। তার সাথে কথা বলতে হইবে, ঘুরতে যাতি হইবে।

    নাইলে বলতো তোমার ভাইরে মাইরে ফালাবো। তোমার বাপেরে কোপাবো। এইসব কথা বলতো, বলেন আয়েশা আক্তার।

    মিজ. আয়েশা বলেন, “একবার আমাকে রাম দা ধরসিলো। পরে আমি ভয় পাইয়া বাসায় আলাপ করলাম।

    পরে আয়েশার পরিবার রিফাতের পরিবারের সঙ্গে কথা বলে দুইজনের বিয়ের ব্যবস্থা করে। গেল দুই মাস আগেই আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের বিয়ের অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।

    রিফাতের সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল এবং এ ব্যাপারে দুই পরিবারই জানতেন বলে জানান আয়েশা।

    এদিকে বিয়ের পরেও আয়েশার ওপর হয়রানি বন্ধ হয়নি।

    তাকে সামনা সামনি বা ফোনে বিভিন্নভাবে হুমকি দিতে থাকে ওই অভিযুক্ত যুবক। ক্রমাগত হুমকি ধমকির মুখে আয়েশা আক্তারও কোন ধরণের আইনি সহায়তা চাওয়ার সাহস পাননি বলে জানিয়েছেন।

    তিনি বলেন, আগে থেকেই সবাই জানে যে সে মানুষ কোপাইতো… ওরে সবাই ভয় পাইতো। আমিও ওই ভয়েতে পুলিশের কাছে যাই নাই।

    কয়েকদিন রিফাতের সাথে ওই যুবকের রাস্তায় কথা কাটাকাটি হয় বলে জানান মিজ. আয়েশা।

    সবশেষ গতকাল তারা এই সংঘবদ্ধ হামলা চালায়। হামলাকারীদের মধ্যে থেকে তিনজনকে চিনতে পারেন আয়েশা আক্তার।

    পরে পুলিশের কাছে তিনি ওই তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন।

    তাদেরসহ বাকি আর যারা এই হামলার সঙ্গে জড়িত ছিল তাদের শিগগিরই গ্রেফতার করে বিচারের আওতায় আনা হবে বলে পুলিশ তাকে আশ্বাস দিয়েছে বলে জানান আয়েশা।

    তবে তিনি বার বার একটা দাবিই জানান, আর সেটা হল দ্রুত ও সুষ্ঠু বিচার যেন নিশ্চিত হয়।

    আয়েশা আক্তার বলেন, আমি আমার স্বামী হত্যার বিচার চাই। এদের সবার যেন ফাঁসি হয়।

    এদিকে এই ঘটনায় পুলিশ চন্দন নামে একজনকে গ্রেফতার করেছে বলে জানিয়েছেন বরগুনা পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন।

    নিহতের বাবা আব্দুল হালিম দুলাল শরীফের দায়ের করা মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়। বাকি অভিযুক্তদের ধরতে প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান তিনি।

  • রিফাতের হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতারের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

    রিফাতের হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতারের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

    বরগুনায় প্রকাশ্যে রিফাত শরীফকে (২৫) কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় জড়িতদের যেকোনো মূল্যে গ্রেফতার করতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম ও সমসাময়িক ইস্যু নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এ কথা জানান।

    ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বরগুনার ঘটনা খুবই দুঃখজনক। যেকোনো মূল্যে এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছেন।

    বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বরগুনা শহরের কলেজ রোডে সদর উপজেলার বুড়িরচর ইউনিয়নের বড় লবণগোলা গ্রামের দুলাল শরীফের ছেলে রিফাত শরীফকে স্ত্রীর সামনে কুপিয়ে জখম করে একদল যুবক।

    তাকে প্রথমে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তার শরীরিক অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকের পরামর্শে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

  • এবার ঠাকুরগাঁও‌য়ে নার্স‌কে কু‌পি‌য়ে হত্যা

    এবার ঠাকুরগাঁও‌য়ে নার্স‌কে কু‌পি‌য়ে হত্যা

    বরগুনায় স্ত্রীকে উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায় প্রকাশ্যে স্বামী রিফাতকে কুপিয়ে হত্যার পর এবার ঠাকুরগাঁওয়ে বখাটের ছুরিকাঘাতে এক নার্সের মৃত্যু হয়েছে।

    বখাটের ছুরিকাঘাতে সাতদিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ে অবশেষে মারা গেলেন নার্স তানজিনা আক্তার (২০)।

    বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

    নিহত তানজিনা আক্তার শহরের গ্রামীণ চক্ষু হাসপাতালের নার্স ও সালন্দর ইউনিয়নের মাদরাসাপাড়া গ্রামের হামিদ আলীর মেয়ে।

    গত ২০ জুন (বৃহস্পতিবার) ঠাকুরগাঁও শহরের মাদরাসাপাড়া এলাকায় জীবন নামে এক বখাটের ধারালো ছুরির আঘাতে গুরুতর আহত হন তানজিনা আক্তার। ওই দিন সকাল সাড়ে ৮টার দিকে তিনি বাড়ি থেকে বের হয়ে কর্মস্থলে যাচ্ছিলেন।

    এ সময় আগে থেকে রাস্তায় ওঁৎ পেতে থাকা বখাটে জীবন গতিরোধ করে তাকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে। তানজিনার চিৎকারে এলাকাবাসী ছুটে এলে জীবন পালিয়ে যায়। পরে এলাকাবাসী জীবনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে।

    তানজিনার বাবা হামিদ আলী অভিযোগ করে বলেন, জীবন প্রতিদিন এলাকার বিভিন্ন মেয়েদের উক্ত্যক্ত করতো। আমার মেয়ে অন্যায় সহ্য করতে না পেরে উক্ত্যক্তকারী জীবনকে শাসন করে। এরই জেরে জীবন আমার মেয়েকে ছুরিকাঘাত করে।

    ঠাকুরগাঁও সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশিকুর রহমান বলেন, ঘটনার দিন তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত জীবনকে আটক করা হয়েছে। তদন্তসাপেক্ষে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • প্রকাশ্য সড়কে স্ত্রীর সামনে যুবককে কুপিয়ে হত্যা

    প্রকাশ্য সড়কে স্ত্রীর সামনে যুবককে কুপিয়ে হত্যা

    বরগুনায় শত শত মানুষের উপস্থিতিতে স্ত্রীর সামনে এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা। সদ্য বিয়ে করা তাঁর স্ত্রী হামলাকারীদের প্রতিহত করার সর্বাত্মক চেষ্টা করেও স্বামীকে রক্ষা করতে পারেননি।

    নিহত ব্যক্তির নাম শাহ নেয়াজ রিফাত শরীফ (২৫)।

    গতকাল বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে এ ঘটনা ঘটে। হত্যাকাণ্ডের পর এর ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে পড়ে। হত্যার সঠিক কারণ জানা যায়নি।

    নিহত রিফাত শরীফের বাড়ি বরগুনা সদর উপজেলার ৬ নম্বর বুড়ির চর ইউনিয়নের বড় লবণগোলা গ্রামে। তাঁর বাবার নাম আ. হালিম দুলাল শরীফ। মা-বাবার একমাত্র ছিলেন রিফাত।

    হামলার পর গুরুতর আহত অবস্থায় রিফাতকে উদ্ধার করে প্রথমে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কিন্তু তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাত্ক্ষণিকভাবে তাঁকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

    সেখানে ভর্তির এক ঘণ্টা পর বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়।

    রিফাতকে কুপিয়ে হত্যার একটি ভিডিও দ্রুত ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে তা ভাইরাল হয়। ভিডিওটিতে দেখা যায়, সন্ত্রাসী দুই যুবক ধারালো দা দিয়ে একের এর এক কোপাতে থাকে রিফাতকে।

    এ সময় তাঁর স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি হামলাকারী দুই যুবককে বারবার প্রতিহত করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন।

    তিনি একজনকে আটকানোর চেষ্টা করলে দ্বিতীয়জন হামলা চালায়, দ্বিতীয়জনকে থামানোর চেষ্টা করলেও অন্যজন রিফাতকে কোপাতে থাকে। আয়েশার চিৎকারে এলাকা প্রকম্পিত হলেও আশপাশের লোকজনের মধ্যে একজন ছাড়া আর কেউ ভয়ে এগিয়ে যায়নি বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে।

    ঘটনাস্থলটি পুলিশের সিসি ক্যামেরার আওতায় ছিল বলে জানা গেছে। ভিডিও চিত্র এবং প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, ভিডিও চিত্রে যে দুজন সন্ত্রাসীকে কুপিয়ে জখম করতে দেখা গেছে তাদের একজনের নাম নয়ন বন্ড। আরেকজনের নাম রিফাত ফরাজী। তারা উভয়েই স্থানীয়ভাবে ছিনতাই ও মাদক কারবারসহ নানা অপকর্মের সঙ্গে জড়িত। এসব ঘটনায় একাধিকবার গ্রেপ্তার হয়েছে বলেও বরগুনা থানা সূত্রে জানা গেছে।

    তবে কী নিয়ে এই হত্যাকাণ্ড তাত্ক্ষণিকভাবে কেউ জানাতে পারেনি। একটি সূত্র বলছে, রিফাতের স্ত্রীর সঙ্গে একসময় হামলাকারী নয়ন বন্ডের প্রেমের সম্পর্ক ছিল।

    এর সূত্র ধরে হামলার ঘটনাটি ঘটে থাকতে পারে। বিয়ের পর থেকেই আয়েশাকে উত্ত্যক্ত করতে থাকে নয়ন। রিফাতের বাবা দুলাল শরীফ গণমাধ্যমকে জানান, বিয়ের পর থেকেই তাঁর ছেলের বউকে উত্ত্যক্ত করতে থাকে নয়ন নামের এক যুবক। ফেসবুকে আজেবাজে কথা লিখতে থাকে। এ নিয়ে রিফাতের সঙ্গে নয়নের বিরোধ সৃষ্টি হয়।

    বরগুনা থানার ওসি আবীর হোসেন মাহমুদ জানান, সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে খুনিদের শনাক্ত করা গেছে। অভিযান চলছে। শিগগিরই অপরাধীদের গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হবে পুলিশ।

  • কালীগঞ্জে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান

    কালীগঞ্জে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান

    দু’দফা তারিখ বদলের পর অবশেষে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। যানজট নিরসন, রাস্তা প্রশস্তকরণ ও ফুটপথ নির্মাণের জন্য এসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে কালীগঞ্জ পৌরসভা।

    বুধবার (২৬ জুন) সকালে থেকে মধুগঞ্জ বাজার থেকে শুরু করে কালীবাড়ি মোড় হয়ে মুরগীহাটা পর্যন্ত উচ্ছেদ অভিযান চলে।

    সকালে শহরের মেইন রোডের বাজারের প্রবেশের মুখ থেকে উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়। উচ্ছেদ অভিযানের আগের দিন রাতে অনেকে তাদের স্থাপনা সরিয়ে নেয়। সকালে ছন্দা সিনেমা হলের পাশে হাজী শামসুদ্দীন সুপার মার্কেট, জনতা ব্যাংক মোড়ের উপর বাড়তি অবৈধ স্থাপনাগুলি স্কেভেটর (ভেকু) মেশিন দিয়ে ভেঙ্গে দেয়া হয়। এছাড়া শহরের আলোচিত হাটচাঁদনী মোড়ের রাস্তার উপর নির্মাণ করা ফরিদ মিয়ার বিল্ডিং ভেঙ্গে দেয় পৌরসভা।

    কালীগঞ্জ পৌর সভার মেয়র আশরাফুল আলম আশরাফ জানান, বাজারের মধ্যে দিয়ে সলিমুন্নেছা বালিকা বিদ্যালয়, আবু বক্কর বিশ্বাস মাদরাসা, সরকারি নলডাঙ্গা ভুষণ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়, নলডাঙ্গা ভুষণ বালিকা বিদ্যালয় ও হাসপাতালে শিক্ষার্থী ও সাধারণ জনগণের চলাচল করতে হয়। কিন্তু অবৈধ স্থাপনার জন্য সেখানে যানজট লেগেই থাকে।

    এ ছাড়া প্রতি শুক্র ও সোমবার হাটবারের দিন ব্যাপক যানজট সৃষ্টি হয়। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের চলাচল করতে চরম ভোগান্তি পেতে হয়। বড় গাড়ি প্রবেশ করে ঘন্টার পর ঘন্টা যানজট লেগেই থাকে। এ বিষয়ে উপজেলা আইন শৃংখলা সভায় একাধিকবার বিষয়টি উত্থাপিত হয়।

    তিনি আরও জানান, জনস্বার্থে যানজট নিরসন, রাস্তা প্রশস্তকরণ ও ফুটপথ নির্মাণের জন্য এসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। উচ্ছেদ অভিযানের দুই মাস আগে শহরে মাইকিং করা হয়। যারা তাদের অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নেয়নি তাদের অবৈধস্থাপনা গুলি ভেঙ্গে দেয় পৌরসভা।

    উচ্ছেদ অভিযানের সময় স্থানীয় থানা পুলিশ, ফায়ার সার্ভিসের সদস্যবৃন্দ, পৌর সভার কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন

  • ফেনী সদর হাসপাতালে ১১ প্রতারক আটক, জেল-জরিমানা

    ফেনী সদর হাসপাতালে ১১ প্রতারক আটক, জেল-জরিমানা

    ফেনী জেলা সদর হাসপাতালে ঝটিকা অভিযান চালিয়ে ১১ দালাল-প্রতারক আটক করেছে র‌্যাব-৭। পরে তাদের ভ্রাম্যমাণ আদালতে তোলা হলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাতজনকে কারাদণ্ড এবং চারজনকে অর্থদণ্ড দেন।

    বুধবার (২৬ জুন) দুপুরে এ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন র‌্যাব-৭ এর ফেনী ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার জনায়েদ জাহেদী।

    এই ১১ জনকে আটক করার পর র‌্যাব তাদের ফেনী জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নুরুজ্জামান চৌধুরীর নেতৃত্বে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের হাতে তুলে দেয়। আদালত সাতজনকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও বাকি চারজনকে এক হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেন।

    বিনাশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন ফিরোজ (৫০), আফসার (৪০), শাখাওয়াত হোসেন (১৬), নয়ন (৩৫), মো. শরীফ (৫০), টুটুল মজুমদার (২৭), সুজন (২০)। অর্থদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন  তৌফিকুল ইসলাম (২৮), আনোয়ার পারভেজ (৩০), ফারুক আহমেদ (৪০) ও আবু সালমান।

    এরা বিভিন্ন ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ফার্মেসির দালাল। রোগীদের অসহায়ত্বের সুযোগে অতিরিক্ত টাকা হাতিয়ে নেওয়ার কাজ করছিলেন এরা।

    র‌্যাব জানিয়েছে, জনসাধারণ ও রোগীদের হয়রানি বন্ধে জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

     

  • ঝালকাঠিতে পুলিশ নিয়োগে সংসদের প্যাডে এমপি হারুনের সুপারিশ!

    ঝালকাঠিতে পুলিশ নিয়োগে সংসদের প্যাডে এমপি হারুনের সুপারিশ!

    অনলাইন ডেস্ক: পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগে ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর-কাঠালিয়া) আসনের আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য বিএইচ (বজলুল হক) হারুন তার নিজস্ব প্যাডে কয়েকজনের জন্য সুপারিশ করায় বিষয়টি নিয়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। ফেসবুকে তার স্বাক্ষরিত প্যাডটি ভাইরাল হয়েছে। সেখানে অনেকেই তারা সম্পর্কে নেতিবাচক মন্তব্য করেছেন।

    ২৪ জুন নিয়োগ পরীক্ষার আগে ২২ জুন তিনি ঝালকাঠি পুলিশ সুপারকে এই সুপারিশ করেন। জাতীয় সংসদ সদস্যের প্যাডে আলোচিত এই সাংসদ উল্লেখ করেন, ‘ঝালকাঠি জেলার পুলিশ বিভাগে আপনার অধীনে পুলিশ কনস্টেবল (পুরুষ এবং মহিলা) পদে কিছুসংখ্যক লোক নিয়োগ করা হবে। উক্ত পদের জন্য আমার নির্বাচনী এলাকা (রাজাপুর-কাঠালিয়া)-এর তালিকা দেওয়া হলো। নিম্নলিখিত প্রার্থীদেরকে পুলিশ কনস্টেবল পদে নিয়োগ প্রদানের জন্য সুপারিশ করা হলো।’

    সুপারিশপত্রে রাজাপুর উপজেলার নয়জন ও কাঁঠালিয়া উপজেলার দুজনসহ মোট ১১ জনকে সুপারিশ করা হয়েছে। এদের মধ্যে আবার দুজনকে বিশেষভাবে টিক র্মাক করে দেয়া হয়েছে। ১১ জনের মধ্যে সাতজন রয়েছে তার নিজ এলাকা গালুয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা।

    এ বিষয় জানতে চাইলে ঝালকাঠি-১ আসনের সংসদ সদস্য বজলুল হক হারুন বলেন, ‘জনপ্রতিনিধি হিসেবে আমি সুপারিশ করতেই পারি। আমার কাছে যে কেউই আসুক তাকেই আমি ডিও লেটার দিই, যাতে সে চাকরি পায়। এক্ষেত্রে আমি কারো কাছ থেকে কোনো আর্থিক সুবিধা নিয়েছি কি না সেটা দেখার বিষয়। এটা নিয়ে কেউ প্রশ্ন তুলতে পারে না।’

    প্রসঙ্গত, গত ২৪ জুন ঝালকাঠিতে পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

  • মৃত গরু জবাই করায় মুয়াজ্জিনসহ গ্রেপ্তার ৩

    মৃত গরু জবাই করায় মুয়াজ্জিনসহ গ্রেপ্তার ৩

    অনলাইন ডেস্ক :: জামালপুরের দেওয়ানঞ্জে মৃত গরু জবাই করায় মুয়াজ্জিনসহ তিনজনকে আটক করা হয়েছে। বুধবার দুপুরে তাদের আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আটকদের সাজা দেয়া হয়েছে।

    আটকরা হলেন- উপজেলার উত্তর কালিকাপুর গ্রামের সাদা মিয়ার ছেলে কসাই সাজন (২৫), চর কালিকাপুর গ্রামের মৃত জসিম উদ্দিনের ছেলে কসাই সোনা মিয়া (৩২) ও গরু জবাইকারী দেওয়ানগঞ্জ বাজার মসজিদের মুয়াজ্জিন বাচ্চু মিয়া (৭০) ।

    দেওয়ানগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম এম মইনুল ইসলাম জানান, বুধবার দুপুরে দেওয়ানগঞ্জ বাজারে পিলখানায় একটি মৃত গরু জবাই হচ্ছে- এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআই নাজমুল তার সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় হাতেনাতে ওই তিনজনকে আটক করে দেওয়ানগঞ্জ থানায় আনা হয়। বিকেলে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে কসাই সাজন ও সোনা মিয়াকে ছয় মাসের কারাদণ্ড এবং গরু জাবাইকারী মুয়াজ্জিন বাচ্চু মিয়াকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।

  • বরিশালে ট্রেড লাইসেন্স না থাকায় ৮ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

    বরিশালে ট্রেড লাইসেন্স না থাকায় ৮ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

     ট্রেড লাইসেন্স না থাকায় বরিশালে আট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে ২৩ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

    বুধবার (২৬ জুন) দুপুরে নগরের নবগ্রাম রোড, সোনামিয়ার পুল, যুবক হাউজিং এবং বটতলা মসজিদ এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রতিষ্ঠানগুলোকে জরিমানা করা হয়।

    বরিশাল সিটি করপোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইমতিয়াজ মাহামুদ এ অভিযান পরিচালনা করেন। সিটি করপোরেশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা বেলায়েত হাসান বাবলু বিষয়টি বাংলানিউজকে নিশ্চিত করেন।

    তিনি বলেন, অভিযানে ট্রেড লাইসেন্স না থাকায় ইলেক্ট্রনিক্স, মুদি মনোহরি, ওয়ার্কশপ ও ভ্যারাইটিজ স্টোরসহ মোট আটটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিককে মোট ২৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।