Category: প্রশাসন

  • নকল রং বৈদ্যুতিক তার ও মবিল উৎপাদন, ৫ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

    নকল রং বৈদ্যুতিক তার ও মবিল উৎপাদন, ৫ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

    রাজধানীর কদমতলী, যাত্রাবাড়ী, শ্যামপুর ও কেরানীগঞ্জ এলাকায় অভিযান চালিয়ে পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করেছে র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। নকল রং, বৈদ্যুতিক তার ও মবিল উৎপাদন, মজুত ও বিক্রির অভিযোগে এসব প্রতিষ্ঠানকে সাড়ে ১১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

    শুক্রবার (১১ মার্চ) সকালে র‌্যাব-১০ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) এনায়েত কবির সোয়েব এ তথ্য জানান

    অভিযান পরিচালনা করেন র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাজহারুল ইসলাম। এসময় বিএসটিআইয়ের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।

    এএসপি এনায়েত কবির সোয়েব বলেন, রাজধানীর কদমতলী, যাত্রাবাড়ী, শ্যামপুর ও কেরানীগঞ্জ এলাকায় অভিযান চালায় র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। অভিযানে নকল রং, বৈদ্যুতিক তার ও মবিল উৎপাদন, মজুত ও বিক্রির অপরাধে শাহিন নিউরোলাক পেইন্টসকে ৬ লাখ টাকা, বেটার রোবিলাক পেইন্টসকে এক লাখ ৫০ হাজার টাকা, নিউ বিবিআই তার ড্রয়িংকে এক লাখ টাকা, ইফসুফ মেটালকে এক লাখ টাকা ও আবদুল্লাহ ট্রেডার্সকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

    প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, বেশ কিছুদিন ধরে এই অসাধু ব্যবসায়ীরা নকল রং, বৈদ্যুতিক তার ও মবিল উৎপাদন, মজুত ও বাজারজাত করে আসছিল। ভবিষ্যতেও র‌্যাবের এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান র‌্যাবের এই কর্মকর্তা।

  • মাদক মামলায় মায়ের সঙ্গে কারাগারে ৭ মাসের শিশু

    মাদক মামলায় মায়ের সঙ্গে কারাগারে ৭ মাসের শিশু

    মাদক মামলায় খুকুমনি (২৪) নামের এক নারীকে গ্রেফতারের পর আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ। মায়ের সঙ্গে সাতমাস বয়সী শিশুসন্তানকেও কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ১০ মার্চ বৃহস্পতিবার সকালে চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলায় এমনই ঘটনা ঘটেছে।

    গ্রেফতার খুকুমনি বরিশালের কাউনিয়া উপজেলার আমানতগঞ্জ গ্রামের আলী আকবর মিয়ার স্ত্রী। খুকুমনি ও তার সহযোগীর কাছ থেকে চার কেজি গাঁজা উদ্ধার করেছে পুলিশ।

    পুলিশের অভিযানে মাদকদ্রব্যসহ আটক অপর দুই আসামি হলেন-বরিশালের কাউনিয়া উপজেলার মৃত সালাম ঢালীর ছেলে মো. মিরাজুল ঢালী (৫২) এবং কচুয়ার আলিয়ারা গ্রামের মৃত লুৎফুর রহমানের ছেলে মো. ইকবাল (২৯)।

    পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়কের আশ্রাফপুর কুটুমবাড়ি রেস্তোরাঁয় অভিযান চালায় পুলিশ। এসময় মিরাজুল ঢালী ও খুকুমনির কাছ থেকে চার কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

    একইদিন উপজেলার আলীয়ারা বাজারের তরকারিপট্টি আলমগীর হোসেনের মুদি দোকানের সামনে তিন বোতল তরল মদ, ৪৩ পিস ইয়াবা ও ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইকবাল হোসেনকে আটক করে পুলিশ।

    কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহিউদ্দিন বলেন, ‘আটকদের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা দিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। যেহেতু দুধের শিশু, মা ছাড়া থাকতে পারবে না এবং আসামির বাড়ি বরিশাল থেকে কোনো আত্মীয়-স্বজন আসেনি, তাই শিশুটিকে মায়ের সঙ্গে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এ মুহূর্তে শিশুটির তার মায়ের সঙ্গে থাকা খুব জরুরি।

  • সাফারি পার্কে ১১ জেব্রার মৃত্যুর ঘটনায় মামলা

    সাফারি পার্কে ১১ জেব্রার মৃত্যুর ঘটনায় মামলা

    গাজীপুরের শ্রীপুরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কের সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (১০ মার্চ) রাতে পার্কের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার রফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলাটি করেন।

    শ্রীপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মাহফুজ ইমতিয়াজ ভূঁইয়া জানান, রাষ্ট্রীয় সম্পদের ক্ষতি, কর্তব্যে অবহেলা ও প্রাণীর প্রতি নিষ্ঠুরতার অভিযোগ এনে মামলাটি করা হয়েছে।

    মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, ২০২২ সালের ২ জানুয়ারি হতে ২৯ জানুয়ারি পর্যন্ত জেলার শ্রীপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কে ১১টি জেব্রার মৃত্যু হয়েছে। এ পার্কের তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. তবিবুর রহমান, সহকারী বন সংরক্ষক ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে যথাসময়ে অবহিত করেননি। জরুরি ভিত্তিতে মেডিকেল বোর্ডের সভা আহ্বানের ব্যবস্থা গ্রহণ কিংবা থানায় জিডি করেননি। তিনটি মৃত জেব্রার পেট কাটা এবং নাড়িভুঁড়ি বেরিয়ে থাকতে দেখা যায়। এ বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার দেওয়া বক্তব্য গ্রহণযোগ্য মনে হয়নি। এতে প্রতিটি জেব্রা ১০ লাখ টাকা হারে ১ কোটি ১০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

  • এএসপি আনিসুল হত্যা মামলায় ১৫ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

    এএসপি আনিসুল হত্যা মামলায় ১৫ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

    রাজধানীর আদাবরে মাইন্ড এইড হাসপাতালে সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) আনিসুল করিম হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের রেজিস্ট্রার আবদুল্লাহ আল মামুনসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দিয়েছে পুলিশ। গত ৯ মার্চ ঢাকার আদালতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও আদাবর থানার পরিদর্শক মো. ফারুক মোল্লা এ অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

    শুক্রবার (১১ মার্চ) সংশ্লিষ্ট আদালতের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা (জিআরও) শরিফুল ইসলাম বিষয়টি জানিয়েছেন।

    বিজ্ঞাপন

    অভিযোগপত্রভুক্ত অন্য আসামিরা হলেন মাইন্ড এইড হাসপাতালের পরিচালক আরিফ মাহামুদ, ফার্মাসিস্ট তানভীর হাসান, কর্মকর্তা সাখাওয়াত হোসেন, সাজ্জাদ আমিন ও ফাতেমা খাতুন, হাসপাতালের সমন্বয়ক রেদোয়ান সাব্বির, হাসপাতালের কর্মচারী মাসুদ খান, জোবায়ের হোসেন, তানিফ মোল্লা, সজীব চৌধুরী, অসীম কুমার পাল, লিটন আহম্মেদ, সাইফুল ইসলাম ও আবদুল্লাহ আল মামুন।

    ২০২০ সালের ৯ নভেম্বর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মো. আনিসুল করিম শিপন রাজধানীর আদাবরে মাইন্ড এইড হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে যান। ওইসময় হাসপাতালে তাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ আনা হয়।

    এ ঘটনায় ১০ নভেম্বর আদাবর থানায় আনিসুল করিম শিপনের বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ফাইজুদ্দিন আহম্মেদ বাদী হয়ে ১৫ জনকে আসামি করে { হত্যা মামলা দায়ের করেন।
    মামলার দুই আসামি পলাতক রয়েছেন। তারা হলেন- মো. সাখাওয়াত হোসেন ও সাজ্জাদ আমিন।

    এ মামলার আসামি মাইন্ড এইড হাসপাতালের মার্কেটিং ম্যানেজার আরিফ মাহমুদ জয়, পরিচালক ফাতেমা খাতুন ময়না, মুহাম্মাদ নিয়াজ মার্শেদ, কো-অর্ডিনেটর রেদোয়ান সাব্বির, কিচেন সেফ মো. মাসুদ, ওয়ার্ড বয় জোবায়ের হোসেন, ফার্মাসিস্ট মো. তানভীর হাসান, ওয়ার্ড বয় মো. তানিম মোল্লা, সজীব চৌধুরী, অসীম চন্দ্র পাল, মো. লিটন আহাম্মদ, মো. সাইফুল ইসলাম পলাশ কারাগারে আছেন।

    বিজ্ঞাপন

    অন্যদিকে মামলায় জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের রেজিস্ট্রার { মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন জামিনেআছেন। এদিকে এ মামলায় আসামি কিচেন সেফ মাসুদ খান, ওয়ার্ড বয় অসীম চন্দ্র পাল, মার্কেটিং ম্যানেজার আরিফ মাহমুদ জয়, সজিব চৌধুরী, হাসপাতালের ফার্মাসিস্ট মো. তানভীর হাসান ও ওয়ার্ড বয় মো. তানিম মোল্লা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

    মামলার অভিযোগে উল্লেখ্য করা হয়, মো. আনিসুল করিমকে চিকিৎসার জন্য ২০২০ সালের ৯ নভেম্বর দুপুরে আদাবরের মাইন্ড এইড হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে বেলা পৌনে ১২টার দিকে আরিফ মাহমুদ জয় আনিসুলকে ওয়াশরুমে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে হাসপাতালের দোতলায় নিয়ে যান। তখন তার বোন কথা বলতে চাইলে আসামি আরিফ মাহমুদ জয় ও রেদোয়ান সাব্বির বাধা দেন এবং কলাপসিবল গেট আটকে দেন। এরপর এজাহারে উল্লেখিতসহ আরও অজ্ঞাতনামা কয়েকজন মো. আনিসুল করিমকে চিকিৎসার নামে দোতলার একটি অবজারভেশন রুমে (বিশেষভাবে তৈরি কক্ষ) নিয়ে যান।

    আসামিরা এএসপি আনিসুলকে রুমের ফ্লোরে জোরপূর্বক উপুড় করে শুইয়ে ৩/৪ জন হাঁটু দ্বারা পিঠের উপর চেপে বসেন। এ সময় কয়েকজন তাকে পিঠ মোড়া করে ওড়না দিয়ে দুই হাত বাঁধেন। কয়েকজন আসামি কনুই দিয়ে আনিসুলের ঘাড়ের পেছনে ও মাথায় আঘাত করেন। একজন মাথার ওপরে চেপে বসেন এবং আসামিরা সবাই মিলে তার পিঠ, ঘাড় সহ শরীরের বিভিন্নস্থানে কিল ঘুষি মারেন। এরপর বেলা ১২টার দিকে আনিসুল নিস্তেজ হয়ে পড়েন। যা হাসপাতালে স্থাপিত সিসিটিভির ভিডিও ফুটেজে দৃশ্যমান। নিস্তেজ হয়ে যাওয়ার পর আসামি আরিফ মাহমুদ জয় নিচে এসে পরিবারের সদস্যদের ইশারায় ওপরে যাওয়ার জন্য ডাক দেন। এরপর তার বাবা, ভাই ও বোন অবজারভেশন রুমে গিয়ে আনিসুলকে ফ্লোরে নিস্তেজ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখতে পান। অতঃপর তাকে জরুরি ভিত্তিতে একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউট নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা করে এএসপি আনিসুলকে মৃত ঘোষণা করেন।

  • খুন হতে পারেন, শঙ্কা ছিল সাদিয়ার

    খুন হতে পারেন, শঙ্কা ছিল সাদিয়ার

    বরিশাল জেলা গোয়েন্দা পুলিশের কনস্টেবল মাইনুল ইসলামের ‘নির্যাতনে’ নিহত বিসিএস পরীক্ষার্থী সাদিয়া সাথীর লেখা একটি ডায়েরি পাওয়া গছে। ডায়রিতে চাঞ্চল্যকর বিভিন্ন তথ্য পাওয়া গেছে। তাকে মেরে ফেলা হবে এমন উদ্বেগের কথাও লিখেছিল সাদিয়া।

    সাদিয়া সাথীর পরিবারের পক্ষ থেকে বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানায় হত্যার অভিযোগ এনে মামলা দেওয়া হলেও তা এখনো এজাহার হিসেবে গ্রহণ করেনি বলে জানিয়েছে নিহতের বাবা সিরাজুল ইসলাম। তিনি বলেন, পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ আনায় বিষয়টি এড়িয়ে যাচ্ছে থানা-পুলিশ।

    তবে কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিমুল করিম বলেছেন, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলেই সাদিয়া সাথী হত্যার কারণ উদঘাটন হবে। তখন অভিযুক্তের প্রমাণ পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এছাড়া বর্তমানে একটি অপমৃত্যু মামলা করা হয়েছে।

    তদন্ত কর্মকর্তারা মনে করেন, মাইনুলের বিরুদ্ধে নির্যাতনে হত্যার অভিযোগ তোলা ঘটনাটিকে আরও জটিল করেছে। সাদিয়া সাথীর আত্মহত্যার পেছনে অভিযুক্ত মাইনুলের প্ররোচনা থাকতে পারে। তবে এখন কিছুই নির্দিষ্ট করে বলা যাচ্ছে না। প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে অধিক গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত চলছে।

    সাদিয়া সাথীর লেখা ৯টি চিঠিই ছিল গোয়েন্দা পুলিশ সদস্য মাইনুল ইসলামকে নিয়ে। সাদিয়া সাথীর বড় বোনের স্বামী কেদারপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নূরে আলম বেপারী বলেন, সাথীকে প্রথমে পারিবারিকভাবে বিয়ে দেওয়া হয়েছিল। ওর প্রথম স্বামী ছিলেন ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের কর্মী। সাদিয়া চাকরি করতে ইচ্ছা পোষণ করায় প্রথম স্বামীর দ্বিমত থাকায় সেই সংসার ভেঙে যায়।

    সাদিয়া সরকারি ব্রজমোহন কলেজে ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের ছাত্রী ছিল। ওই কলেজ থেকে ইংরেজিতে লেখাপড়া শেষ করে বিসিএস ক্যাডার হতে চেয়েছিল। ওর জীবনে একটাই ইচ্ছা ছিল যত বাধাই আসুক বড় সরকারি চাকরি করতে হবে। এজন্য বিসিএস কোচিং করত এবং বাসায় প্রচুর লেখাপড়া করত। কোচিংয়ের শিক্ষকরা আমাকে বলেছে, ওর লেখাপড়ায় আমরা ধরে নিয়েছি ৪৪তম বিসিএসে বরিশালে একজন যদি চান্স পায় সেটি হবে সাদিয়া সাথী। কিন্তু তা তো আর হলো না।

    সাদিয়া সাথির বাবা সিরাজুল ইসলাম বলেন, আমার মেয়ের সঙ্গে সম্পূর্ণ প্রতারণা করেছে। সে (মাইনুল) নিজে কনস্টেবল হলেও আমাদের কাছে এসআই পরিচয় দিত। সাদিয়ার কাছেও সেই পরিচয় দিয়েছে। তাছাড়া তার আরেকটি সংসার রয়েছে। সেই ঘরে দুটি সন্তান আছে। এসব তথ্য আমরা জেনেছি সাদিয়ার মৃত্যুর কয়েক দিন আগে। এই নিয়ে দুইজনের মধ্যে বেশ দূরত্বের সৃষ্টি হয়েছিল।

    সাদিয়ার লেখা ডায়েরিতেও বার বার উল্লেখ করা হয়েছে ডিবির কনস্টেবল মাইনুলের প্রতারণার কথা। উল্লেখ আছে মাইনুলের জন্য ভালোবাসার হাহাকার। একটু মানসিক শান্তি ও আশ্রয়ের আকুতি।

    ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২২ রাতে সাদিয়া মাইনুলকে পাখি সম্মোধন করে লিখেছেন, ‘নিজেকে শান্ত্বনা দেওয়ার ভাষা আমার জানা নেই। তবে একটা কথা মনকে বোঝাই, এই পৃথিবীতে অনেকের অনেক অঙ্গ-প্রতঙ্গ নেই; আর আমার নেই তুমি।…আজ সারাদিন তোমাকে মিস করেছি। তাই আগামীকাল থেকে রোজা রাখব।’

    তারিখ না লিখলেও আরেক পাতায় কালো কালিতে লিখেছেন, আমাকে পারতেই হবে। সমস্ত বাধা বিপত্তি পেরিয়ে সফলতার দ্বারপ্রান্তে যাওয়ার জন্য আমি রেডি। তুমি আমার পেছন থেকে পালিয়ে যেও না। আমি যেন হাত বাড়ালে তোমাকে পাই মাইনুল।…দিন শেষে তোমার কাছে একটু ভালো আচরণ ও ভালোবাসা, সম্মান চাই। চাকরিটা হয়ে গেলে আর তোমার কাছে টাকার জন্য হাত পাতব না।

    আরেক লাইনে লিখেছেন, ‘আমাকে কখনো ছেড়ে যেও না। আমি তোমার দাসী হয়ে থাকতে চাই। আর সংসার নষ্ট করতে চাই না।’

    তবে ৫ ডিসেম্বর ২০২১ তারিখে লিখেছেন, আজ আমি দুর্বল পরিবারের গাফিলতির কারণে। আমি খারাপ, জীবনে কাউকেই পাগলের মতো ভালোবেসেও ধরে রাখতে পারিনি বলে। আমি খারাপ, একটি সন্তান পৃথিবীর আলো দেখেছে বলে।…আমি খারাপ তোমার হাজারটা মিথ্যা কথার ওপর ভরসা করি বলে।’

    তারিখ ছাড়া আরেকটি পাতায় লিখেছেন, জীবনে কিছুই পাইনি। বারবার পুরুষ লোকের প্রতারণার কাছে হেরে গেছি। নিজের জীবনের চেয়েও বেশি ভালোবেসেছিলাম তোমাকে। একটু আশ্রয় চেয়েছি খারাপ মানুষের হাত থেকে নিজেকে বাঁচানোর জন্য। আমার বেঁচে থাকার কোনো অধিকার নেই। আমি তোকে বিশ্বাস করে ঠকেছি। তোকে তো টাকা-পয়সা, স্বর্ণালংকার সবই দিয়েছিলাম। তাহলে কেন এমন করলি? এত মিথ্যা কেন বললি? কী অপরাধ করেছি? জীবনের কাছে হেরে গেলাম। ঠকে গেলাম। তুই জিতে গেলি। ভালো থাকিস মাইনুল।

    হত্যার শঙ্কা প্রকাশ করে সাদিয়া ডায়েরির আরেক পাতায় লিখেছেন, ‘আমি পারিনি তোমাকে ঠকাতে। হয়তো কোনো দিন পারবও না। তোমার সমস্ত সত্যি জেনে গেছি। হয়তো আমাকে মেরে ফেলবে। পথের কাটা আমি এখন তোমার।’

    ৩ মার্চ ২০২২ তারিখে লেখা ডায়েরির পাতায় সাদিয়া উল্লেখ করেছেন, ওরা সকলে বলেছিল তুমি আমার সঙ্গে টাকার জন্য অভিনয় করেছ, আমি বিশ্বাস করিনি। আমি বিশ্বাস করেছি তোমাকে। তার বিনিময়ে সব কিছু হারিয়ে আজ আমি নিঃস্ব। তুমি আমাকে মারছ প্রতি মিনিটে মিনিটে। তবে তুমি ভালো থাকো। সবশেষ তোমার শান্তি কামনা করি।

    সাদিয়ার পরিবার বলছে, মাইনুল প্রতারণা করে ওর সব টাকা-স্বর্ণালঙ্কার আত্মসাৎ করেছে। তাছাড়া দুজনের মধ্যে প্রেমের সর্ম্পকের শুরুতে অবিবাহিত বললেও যখন জানতে পারে মাইনুল দুই সন্তানের জনক তখন থেকেই সাদিয়া প্রতারণার অভিযোগ তোলে। এসব বিষয়ে কথা বলতে গেলে মাইনুল প্রচণ্ড রকমের মারধর করত সাদিয়াকে। এমনকি মাইনুল যেন চুল ধরে মারধর করতে না পারে সেজন্য নিজের মাথার চুল কেটে ফিলেছিল সাদিয়া। সর্বশেষ রোববার (০৬ মার্চ) বাসায় আসলে মাইনুল সাদিয়াকে ব্যাংকে চাকরি দেওয়ার কথা বলে যে ১৩ লাখ টাকা নিয়েছিল তার বাকি ৫ লাখ টাকা ফেরত চায়। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে ঝগড়া হয় এবং মাইনুল সাদিয়াকে মারধর করে বাসা থেকে বের হয়ে যায়।

    সাদিয়ার বাবা সিরাজুল ইসলাম বলেন, মাইনুল জানতো সাদিয়া কখন তার মেয়েকে নিয়ে স্কুলে যাবে। সেভাবেই সে এসে হয়তো অপেক্ষা করছিল। সাদিয়া মেয়েকে স্কুলে দিয়ে বাসায় ফেরায় ক্ষুব্ধ মাইনুল সাদিয়াকে মেরে গলায় দড়ি দিয়ে ঝুলিয়ে রেখেছে। এরপর আমাদের পরিবারের লোকদের মোবাইলে কল করে জানিয়েছে সাদিয়া আত্মহত্যা করেছে। প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে সিরাজুল ইসলাম বলেন, যদি সাদিয়া আত্মহত্যা করে তাহলে সে বাইরে বসে জানল কেমনে?

    প্রসঙ্গত, সোমবার (০৭ মার্চ) বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের ২০ নং ওয়ার্ড বৈদ্যপাড়ায় একটি ভবনের ৫ তলা থেকে সাদিয়া আক্তার সাথী নামে এক গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। সাদিয়া আক্তার সাথী ও বরিশাল জেলা ডিবির কনস্টেবল মাইনুল ইসলাম এক বছর আগে প্রেম করে বিয়ে করে বরিশালে ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।

  • বরিশালে ট্যুরিস্ট পুলিশের ইন্সপেক্টরসহ ৩ সদস্য প্রত্যাহার

    বরিশালে ট্যুরিস্ট পুলিশের ইন্সপেক্টরসহ ৩ সদস্য প্রত্যাহার

    বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ঢুকে সিনিয়র স্টাফ নার্স সাইফুল ইসলামের ওপর হামলার ঘটনায় ৩ ট্যুরিস্ট পুলিশ সদস্যকে ক্লোজড করা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (১০ মার্চ) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ট্যুরিস্ট পুলিশ বরিশাল রিজিওন এর পুলিশ সুপার রেজাউল করিম। প্রত্যাহারকৃতরা হলেন— ট্যুরিস্ট পুলিশ বরিশাল জোনের ইন্সপেক্টর বুলবুল আহমেদ, কনস্টেবল জাভেদ ও মেহেদী।

    তিনি আরও জানান, সিসি টিভি ফুটেজ দেখে নার্সের ওপর হামলার ঘটনায় সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়ায় তিন পুলিশ সদস্যকে ক্লোজড করে ট্যুরিস্ট পুলিশের হেড কোয়ার্টার সংযুক্ত করা হয়েছে।

    উল্লেখ্য, ট্যুরিস্ট পুলিশের পরিদর্শক বুধবার রাতে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হলে তাকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।

    এসময় রোগীর নাম জিজ্ঞাসা করা নিয়ে জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত সিনিয়র স্টাফ নার্স সাইফুল ইসলামের সাথে তর্ক হয় ট্যুরিস্ট পুলিশের পরিদর্শক বুলবুলের।

    একপর্যায়ে সাইফুল ইসলামের ওপর হামলা করেন পুলিশ সদস্যরা। পরে এর প্রতিবাদে হাসপাতালের নার্সরা দুই ঘণ্টা কর্মবিরতি করলে প্রশাসনের আশ্বাসে তারা কাজে ফেরেন।

  • ক্যাম্পাসে মারধরের শিকার ঢাবি শিক্ষার্থী, এসবি সদস্য বরখাস্ত

    ক্যাম্পাসে মারধরের শিকার ঢাবি শিক্ষার্থী, এসবি সদস্য বরখাস্ত

    এসময় রায়হান কৌশলে মোটরসাইকেলের চাবি নিয়ে আব্দুর রবকে মোড়ে অবস্থিত পুলিশ বক্সে আটকে রাখেন। পরে বিভিন্ন হল থেকে আসা শিক্ষার্থীরা সেখানে ভিড় করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর ড. আব্দুর রহিম ও পুলিশের রমনা জোনের অতিরিক্ত পুলিশ উপ-পুলিশ কমিশনার হারুন-অর-রশিদসহ ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে আসেন। পরে পুলিশি নিরাপত্তায় অভিযুক্তকে শাহবাগ থানায় নেওয়া হয়।

    পরে রমনা জোনের অতিরিক্ত পুলিশ উপ-পুলিশ কমিশনার হারুন-অর-রশিদ সাংবাদিকদের জানান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর সঙ্গে যে ঘটনা ঘটেছে, তার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখপ্রকাশ করছি। এরই মধ্যে এসবির ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা হয়েছে, তারা আমাকে অভিযুক্তর বরখাস্তের ব্যাপারে নিশ্চিত করেছেন। এখন বিভাগীয় নিয়ম অনুযায়ী ঘটনার তদন্ত করে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।

  • বরিশালে মাদ্রাসা পরিচালকের স্ত্রীর লাশ ‍উদ্ধার, নির্যাতনের আলামত

    বরিশালে মাদ্রাসা পরিচালকের স্ত্রীর লাশ ‍উদ্ধার, নির্যাতনের আলামত

    বরিশাল নগরীর আমিরকুটির এলাকায় নিজ ঘর থেকে দুই সন্তানের জননী সাহিদা বেগম নামের এক গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। স্বামীর পক্ষ থেকে আত্মহত্যা বলে দাবি করা হয়েছে। তবে এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড হতে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। এমনকি নিহত গৃহবধূর বুকে আঘাতের চিহ্নও খুঁজে পেয়েছে পুলিশ। তার পরেও ময়নাতদন্তের রিপোর্ট ছাড়া মৃত্যুর সঠিক কারণ কি সে বলা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন কোতয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আজিমুল করিম।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ‘পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার ইমরান হোসেন একই এলাকার বাসিন্দা শাহিদা বেগমকে বিয়ে করেন। তাদের সংসাদের দুটি কন্যা সন্তান রয়েছে। এদের একজনের বয়স ছয় মাস এবং অপরজনের বয়স আড়াই বছর।

    এদিকে, স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে বরিশাল নগরীর ১৫নং ওয়ার্ডের আমিরকুটির এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করেন ইমরান হোসেন। পাশাপাশি স্থানীয় একটি মাদ্রাসা পরিচালনার পাশাপাশি শিক্ষকতা করছেন তিনি। বৃহস্পতিবার রাত ১২টার দিকে ওই গৃহবধূ গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে প্রচার করেন নিহতের স্বামী। স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে রাত ১টার দিকে কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশের একটি টহল টিম মৃতদেহ উদ্ধার করেন।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ‘ইমরান হোসেনের দাবি অনুযায়ী তার স্ত্রী ঘরে ফ্যান ঝুলানো হুকের সাথে ওড়না বেধে আত্মহত্যা করেছে। কিন্তু ঘরের মেঝে থেকে ফ্যানের হুকের উঁচ্চতা অনেক বেশি। যেখানে ওই গৃহবধূর পৌঁছানো খুব সহজ নয়। তাছাড়া পুলিশ গিয়ে গৃহবধূর মৃতদেহ ঝুলন্ত অবস্থায় পায়নি। মৃতদেহ মেঝেতে পেয়েছেন। তাই এটি আসলে আত্মহত্যা নাকি হত্যা তা নিয়ে প্রশ্নের দানা বেদেছে স্থানীয়দের মাঝে।

    তবে নিহত গৃহবধূর স্বামী ইমরান হোসেন বলেন, ‘রাতে বাচ্চাদের নিয়ে ঘুমাতে যায় শাহিদা। আমি পাশের রুমে কিছু কাজ করতে ছিলাম। হঠাৎ একটা শব্দ শুনে রুমে গিয়ে দেখতে পাই সে গলায় ফাঁস দিয়েছে। এরপর আমার ডাক-চিৎকার শুনে প্রতিবেশিরা ছুটে আসে। আমাদের মধ্যে কোন ঝরনের ঝামেলা ছিলো না। তার পরেও শাহিদা কি কারণে এক কাজটি করলো সে বিষয়ে বোধগম্য নন বলে দাবি ইমরানের।

    এদিকে, কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশের একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, ‘নিহতের স্বামী শাহিদা আত্মহত্যা করেছে বলে দাবি করলেও সুরতহাল রিপোর্ট ঘটনার সন্দেহ বাড়িয়ে দিয়েছে। কেননা সুরতহাল রিপোর্টে গৃহবধূর বুকে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। তাই ময়নাতদন্ত রিপোর্ট না পাওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর সঠিক কারণ বলা যাচ্ছে না।

    এ প্রসঙ্গে কোতয়ালী মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) লোকমান হোসেন বলেন, এটি হতা নাকি আত্মহত্যা তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। ঘটনার রহস্য উদঘাটনে তদন্ত করা হচ্ছে। যেহেতু একই রুমের ভিতরে ঘটনা তাই সন্দেহ হচ্ছে। এটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনাও হতে পারে।

  • অপরাধ দানাবাঁধার আগে দমন করাই আধুনিক পুলিশিং- এনামুল হক

    অপরাধ দানাবাঁধার আগে দমন করাই আধুনিক পুলিশিং- এনামুল হক

    বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের এয়ারপোর্ট থানার ওপেন হাউজ ডে’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে থানা চত্বরে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মো. এনামুল হক।

    অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রধান অতিথি বিগত ওপেন হাউজ ডে’র কার্যবিবরণী তথা জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে আগত ভুক্তভোগীর কথা সারাসরি শুনে তাৎক্ষণিক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।

    এসময় মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার ও অতিরিক্ত আইজিপি মো. শাহাবুদ্দিন খান এর বরাত দিয়ে অতিরিক্ত কমিশনার এনামুল হক বলেন, ‘প্রো এক্টিভ পুলিশিং এর ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। অপরাধ করা আর ধরা নয়, অপরাধ দানাবাঁধার আগেই তা দমন করা আধুনিক পুলিশিং। এসময় পুলিশি সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে পুলিশ সদস্যদের প্রতি নির্দেশ দেন তিনি।

    এয়ারপোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কমলেশ চন্দ্র হালদার এর সভাপতিত্বে ওপেন হাউজ ডে’ অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- বিএমপি’র উত্তর বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. জাকির হোসেন মজুমদার- পিপিএম, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর) শেখ মোহাম্মদ সেলিম, সহকারী পুলিশ কমিশনার (এয়ারপোর্ট থানা) মো. খলিলুর রহমানসহ থানার অন্যান্য কর্মকর্তা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও গণমাধ্যম কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • রাজাপুরে চিহ্নিত মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

    রাজাপুরে চিহ্নিত মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

    ঝালকাঠির রাজাপুরে মো. আল-নাহিয়ান সোহেল (৪৩) নামে এক চিহ্নিত মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে ঝালকাঠি জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) শাখার সদস্যরা। বুধবার (৯মার্চ) রাতে উপজেলার বাগড়ি বাজার এলাকার নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

    এ সময় তার কাছ থেকে পাঁচ পিস ইয়াবা ইদ্ধার করে ডিবি। এ ঘটনায় রাতেই গোয়েন্দা শাখার পুলিশ পরিদর্শক (নিঃ) অনিমেষ মন্ডল বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে রাজাপুর থানায় মামলা দায়ের করে বৃহস্পতিবার (১০মার্চ) সকালে আদালতে পাঠায়।