Category: প্রশাসন

  • রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেফতার ৫৭

    রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেফতার ৫৭

    রাজধানীতে অভিযান চালিয়ে মাদক বিক্রি ও সেবনের অভিযোগে ৫৭ জনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) বিভিন্ন অপরাধ ও গোয়েন্দা বিভাগ।

    রোববার (১৩ মার্চ) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মো. ফারুক হোসেন এ তথ্য জানান।

    তিনি জানান, শনিবার (১২ মার্চ) সকাল ৬টা থেকে রোববার (১৩ মার্চ) সকাল ৬টা পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের সময় তাদের কাছ থেকে সাত হাজার ৯২০ পিস ইয়াবা, ৭৬ গ্রাম ৯০ পুরিয়া হেরোইন, ৭৪ কেজি ৪৫৪ গ্রাম গাঁজা ও ২০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়।

    তিনি আরও জানান, গ্রেফতারদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৩৯টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

  • পাস ছাড়া সুন্দরবনে ঢুকে কারাগারে ১১ জেলে

    পাস ছাড়া সুন্দরবনে ঢুকে কারাগারে ১১ জেলে

    নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে মাছ শিকার করতে পাস ছাড়া সুন্দরবনে প্রবেশ করায় ১১ জেলেকে গ্রেফতার করেছে বনবিভাগ। শনিবার (১২ মার্চ) সকালে বাগেরহাট আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

    এর আগে ভোরে পূর্ব সুন্দরবনের দুবলার ভাঙ্গাখাল এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এ সময় মাছ শিকারের কাজে ব্যবহৃত একটি ট্রলার ও কয়েকটি জালও জব্দ করে বনবিভাগ।

    গ্রেফতার জেলেরা হলেন- সিরাজুল ঢালী (৩৮), আবু সাইদ (৪০), দিদারুল ইসলাম (৩৫), আবু সাইদ (৩৮), মো. জাহাঙ্গীর (৩৬), আবুল বাসার (৩৪), মো. ইয়ারুল (৩২), মো. হানিফা (৩৪), মাহাবুবুর রহমান (২২), মিজানুর রহমান (৪৫) ও মাসুম বিল্লা (৩২)। এদের সবার বাড়ি খুলনার কয়রা উপজেলায়।

    সুন্দরবনের দুবলা ক্যাম্পের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রহ্লাদ চন্দ্র রায়ের বরাত দিয়ে বন মামলার পরিচালক (এফসিসিও) ও বাগেরহাট সদর রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. নুরুজ্জামান জাগো নিউজকে বলেন, এসব জেলে বনবিভাগের অনুমতি ছাড়া সুন্দরবনে মাছ শিকারে ঢুকে পড়ে। বনবিভাগের স্মার্ট পেট্রোলিং টিমের বনরক্ষীরা নিয়মিত টহলের সময় তাদের আটক করে। জেলেদের ট্রলারে মাছ না পাওয়া গেলেও জাল পাওয়া যায়।

    এ বন কর্মকর্তা আরও বলেন, আটক জেলেরা সুন্দরবনের অভ্যন্তরে ঢোকার কোনো অনুমতিপত্র দেখাতে পারেনি। দুবলা ক্যাম্পের সহকারী কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে তাদের নামে বন আইনে পিওআর (প্রশিকিউশন অফেন্স রিপোর্ট) মামলা করেন। পরে তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলে পাঠানো হয়।

  • রাবি শিক্ষার্থীকে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় গ্রেফতার আরও ২

    রাবি শিক্ষার্থীকে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় গ্রেফতার আরও ২

    রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী সাফফাত নায়েম নাফিকে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় র‌্যাবের হাতে দুইজন গ্রেফতার হয়েছেন। এ নিয়ে ঘটনাটিতে মোট পাঁচজন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হলো।

    শনিবার (১২ মার্চ) দুপুরে রাজশাহী র‌্যাব-৫ আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন র‌্যাব-৫ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রিয়াজ শাহরিয়ার।

    তিনি বলেন, রাবি শিক্ষার্থী নাফিকে ছুরিকাঘাতের ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক ও চাঞ্চল্যকর। আর তাই, এ ঘটনায় পুলিশের পাশাপাশি র‌্যাব-৫ আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চালায়। শুক্রবার (১১ মার্চ) দিনগত রাত ১টার দিকে নগরীর মতিহার থানার জাহাজঘাট এলাকা থেকে ঘটনার সঙ্গে জড়িত আরও দুজনকে গ্রেফতার করা হয়।

    গ্রেফতাররা হলেন- নগরীর খোঁজাপুর এলাকার মো. সালাউদ্দীন বাপ্পী (২৭) ও একই এলাকার মো. নবাব শরীফ। এর আগে পুলিশ তিনজনকে গ্রেফতার করে। তারা হলেন- মো. নাজমুল, লাবন হাসান দীপ ও শরিফুল ইসলাম। তাদের মধ্যে বাপ্পী ও শরীফ উগ্রবাদী ছাত্র রাজনীতির সঙ্গে জড়িত বলে জানান র‌্যাব-৫ অধিনায়ক।

    সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাব-৫ অধিনায়ক আরও বলেন, ওই ঘটনায় রমজান ও নাজমুলসহ ৫-৭ জন সরাসরি জড়িত ছিলেন। এসময় বাপ্পী ও নবাব ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে সক্রিয়ভাবে নেন। এরপর অন্যদের সঙ্গে তারাও পালিয়ে যান। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা ওই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে ঘটনার বর্ণনা দেন। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাদের সংশ্লিষ্ট থানায় (মতিহার) হস্তান্তর করা হবে। এছাড়া এ ঘটনায় জড়িত রমজানসহ অন্যদের গ্রেফতারে র‌্যাবের অভিযান চলমান বলেও জানান তিনি।

    এর আগে, বুধবার (৯ মার্চ) রাত পৌনে ১২টার দিকে নগরীর বিনোদপুর এলাকায় এক ছাত্রাবাসে এ ঘটনা ঘটে। পরে আহত অবস্থায় সাফফাত নায়েম নাফিকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরদিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে নেওয়া হয়।

    এ ঘটনায় রাবি ক্যাম্পাসে বেশ উত্তাপ-উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন। পরবর্তীতে রাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম সাব্বির সাত্তারের আশ্বাসে বিক্ষোভ থেকে সরে আসেন শিক্ষার্থীরা।

  • যৌন নির্যাতনের পর স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যা: অভিযুক্ত গ্রেফতার

    যৌন নির্যাতনের পর স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যা: অভিযুক্ত গ্রেফতার

    জামালপুরের মেলান্দহে আশামনি (১৬) নামে এক স্কুলছাত্রীর সম্ভ্রমহানির পর আত্মহত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত আসামি তামিম আহমেদ স্বপনকে (২৫) গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১৪।

    শনিবার (১২ মার্চ) দুপুরে শহরের বেলটিয়ায় র‌্যাব-১৪ (সিপিসি-১) জামালপুর ক্যাম্পে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।

    সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাবের কোম্পানি কমান্ডার স্কোয়াড্রন লিডার আশিক উজ্জামান জানান, গত বৃহস্পতিবার মেলান্দহের এম এ গফুর উচ্চ বিদ্যালয়ে দশম শ্রেণির ছাত্রী আশামনির সম্ভ্রমহানির পর অপমান সইতে না পেরে নিজের ঘরে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে মেয়েটি। এ ঘটনার পর অভিযুক্ত যুবক উপজেলার সাধুপুর কান্দাপাড়া গ্রামের মো. খোকা মোল্লার ছেলে তামিম আহম্মেদ স্বপন পালিয়ে যান।

    ঘটনার পরদিন নির্যাতনের শিকার স্কুলছাত্রীর বাবা মেলান্দহ থানায় মামলা করেন। পরে আসামি তামিম আহমেদ স্বপনকে গ্রেফতার অভিযানে নামে র‌্যাব।

    শুক্রবার (১১ মার্চ) দিবাগত রাতে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে ময়মনসিংহ সদর উপজেলার অষ্টধর ইউনিয়নের চরশশা এলাকা থেকে তামিমকে গ্রেফতার করা হয়।

    উল্লেখ্য, তামিম আহম্মেদ স্বপন উপজেলার পূর্ব শাহাজাতপুরের মো. আবু মিয়ার একমাত্র মেয়ে আশামনিকে স্কুলে যাতায়াতের পথে বিরক্ত করতেন। বৃহস্পতিবার সকালে বান্ধবীদের সঙ্গে স্কুলে যায় আশামনি। স্কুলে যাওয়ার পথে সাধুপুর কান্দাপাড়ার একটি বাড়িতে দিনভর আটকে রেখে আশামনিকে যৌন নির্যাতন করেন তামিম আহম্মেদ স্বপন। এরপর বিকেল ৩টায় আশামনি বাড়ি ফিরে নিজের ঘরে দরজা বন্ধ করে ঘুমিয়ে যায়। সন্ধ্যার দিকে কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে আশামনির মা শিলা বেগম জানালা দিয়ে মেয়েকে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান।

    তার চিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পরে পুলিশে খবর দিলে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য জামালপুর শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়। ঘটনার পর আশামনির ঘরে দুটি চিরকুট পাওয়া যায়।

    চিরকুটে লেখা ছিল, ‘তামিম আমাকে সারাদিন এক রুমে আটকে রাখছে। তামিম আমাকে খুব ডিস্টার্ব করত ও আমাকে বলেছে ওর সাথে দেখা করলে সে আমার জীবন থেকে চলে যাবে। কিন্তু ও আমার সাথে খুব খারাপ কিছু করেছে, যা বলার মতো না।’

  • সাবেক সরকারি কর্মকর্তার বাসায় মিললো ৫১২ লিটার সয়াবিন তেল

    সাবেক সরকারি কর্মকর্তার বাসায় মিললো ৫১২ লিটার সয়াবিন তেল

    বাজারে ভোজ্যতেলের সংকটকে কাজে লাগিয়ে বাড়তি লাভের আশায় ৫১২ লিটার তেল মজুত করেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সাবেক কর্মকর্তা লায়েকুজ্জামান। পুলিশ জানিয়েছে, গত ছয়দিন বিভিন্ন জায়গা থেকে সংগ্রহ করে এসব তেল বাসায় মজুত করেন তিনি।

    অবশেষে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে শুক্রবার (১১ মার্চ) রাতে রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানাধীন লালমাটিয়া এলাকার ওই বাসা থেকে ৫১২ লিটার তেলসহ লায়েকুজ্জামানকে গ্রেফতার করে মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ।

    শনিবার (১২ মার্চ) দুপুরে নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) বিপ্লব কুমার সরকার এসব কথা জানান।

    তিনি বলেন, লালমাটিয়ার একটি ফ্ল্যাটে বসবাস করতেন সাবেক সরকারি কর্মকর্তা লায়েকুজ্জামান। এর পাশে অবস্থিত শ্বশুরের বাসাটিও তিনি দেখাশোনা করতেন। সেই বাসাতেই তিনি ৫১২ লিটার তেল মজুত করেন।

    গোপণ তথ্যের ভিত্তিতে মোহাম্মদপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মনিরের নেতৃত্বে একটি টিম ওই বাসায় অভিযান চালিয়ে এই পরিমাণ তেল জব্দসহ লায়েকুজ্জামানকে গ্রেফতার করে।

    গ্রেফতার লায়েকুজ্জামানকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে তিনি বলেন, তিনি ব্যক্তি পর্যায়ে এসব তেল কিনে জমা করে রাখেন। এসব তেল কেনার রশিদ দেখতে চাইলে তিনি কৃষি মার্কেটের সূর্য এন্টারপ্রাইজের একটি রশিদ দেখান।

    পরে রশিদটি যাচাই করে দেখা গেছে, সেখান থেকে ১৫৯ টাকা দরে মাত্র ৪০ লিটার তেল কিনেছেন। বাকি তেল তিনি বিভিন্ন জায়গা থেকে সংগ্রহ করেছেন। আর সূর্য এন্টারপ্রাইজের ওই রশিদের মাঝখানে নিজ হাতে বাকি তেলের পরিমাণ লিখে বিভিন্ন দাম বসিয়ে দিয়েছেন।

    ‘গ্রেফতার লায়েকুজ্জামান মনে করেছেন, যেহেতু বর্তমানে তেলের দাম বাড়তির দিকে, কয়েকদিন পর রমজানে আরও দাম বাড়তে পারে। তাই বাড়তি লাভের আশায় তিনি তেল কিনে মজুত করে রাখেন।’

    ডিসি বিপ্লব কুমার সরকার বলেন, লায়েকুজ্জামানের বিরুদ্ধে মোহাম্মদপুর থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ মামলায় তার সাতদিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হবে। রিমান্ডে পেলে তাকে আরও ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করলে অতীতেও এমন কাজ করেছেন কিনা, কিংবা তার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার বিষয়ে জানা যাবে।

    এক প্রশ্নের জবাবে পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, লায়েকুজ্জামান কোনো ব্যবসায়ী নন, ডিলারও নন। প্রাথমিকভাবে এটি তার ব্যক্তিগত অসৎ উদ্দেশ্য বলেই মনে হয়েছে। অতিরিক্ত লাভের আশায় কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করতে তিনি তেল মজুত করেছেন। ৫১২ লিটার তেল মজুত করা ফৌজদারি অপরাধ, এটি সংকট সৃষ্টির অপপ্রয়াস।

    ৪০ লিটার তেল এক দোকান থেকে কিনেছেন, বাকিগুলো কোথা থেকে কীভাবে সংগ্রহ করেছেন তা জিজ্ঞাসাবাদে স্পষ্ট হওয়া যাবে। প্রাথমিকভাবে তার কোনো রাজনৈতিক পরিচয় পাওয়া যায়নি বলেও জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।

    গত ৬ মার্চ থেকে ছয়দিনে লায়েকুজ্জামান বিপুল পরিমাণ এই তেল মজুত করেছেন জানিয়ে ডিসি বিপ্লব বলেন, ৪০ লিটারের বাইরে বাকি তেল কোথা থেকে সংগ্রহ করেছেন এ বিষয়ে আমরা জিজ্ঞাসাবাদ করবো। কারণ অন্য জায়গা থেকে কিনলে সেটার রশিদ থাকতো।

    jagonews24

    অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কৃষি মার্কেটের ওই ব্যবসায়ী কেন একজনের কাছে একবারে ৪০ লিটার তেল বিক্রি করলেন এ বিষয়ে তাকেও আমরা জিজ্ঞাসাবাদ করবো। এছাড়া ভোজ্যতেলের এই সংকট সৃষ্টি করতে ব্যবসায়িক পর্যায়ে কেউ মজুতদারী করছে কি না প্রতিনিয়ত তা মনিটরিং করে যাচ্ছি। আমরা যখনই সংবাদ পাবো, অভিযান পরিচালনা করবো।

    জনসাধারণকে কষ্ট দেওয়ার জন্য এ ধরনের মজুতদারী করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করলে তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান ডিসি বিপ্লব কুমার সরকার।

  • ভোলায় নিষেধাজ্ঞা ভেঙে ইলিশ শিকার, ১৪ জেলের জেল-জরিমানা

    ভোলায় নিষেধাজ্ঞা ভেঙে ইলিশ শিকার, ১৪ জেলের জেল-জরিমানা

    দুই মাসের চলমান নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ভোলার মেঘনা নদীতে মাছ শিকার করার দায়ে স্থানীয় ১৪ জন জেলেকে আটক করেছে মৎস্য বিভাগ ও পুলিশ সদস্যরা। এসময় ওই জেলেদের কাছ থেকে ১০ কেজি ইলিশ ও ৫ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়। আটক জেলেরা ভোলা সদর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের বাসিন্দা।

    আটকদের শুক্রবার (১১ মার্চ) রাত সোয়া ১০ টার দিকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সালেহ আহমেদ জেল-জরিমানা করেন।

    ভোলা সদর উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. জামাল হোসাইন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জাগো নিউজকে জানান, শুক্রবার বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত ভোলা সদর উপজেলার মেঘনা নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে অভিযান পরিচালনা করা হয়। ওই সময় দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ভোলা সদর উপজেলার ইলিশা, ধনিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার মেঘনা নদীতে মাছ শিকার করার সময় ১৪ জেলে ইলিশ ও কারেন্ট জালসহ আটক হন।

    রাতেই ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৬ জনকে ১০ দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৯ জনকে ৫ হাজার করে মোট ৪৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

    তিনি আরও জানান, জব্দ করা ইলিশ স্থানীয় দুঃস্থদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে এবং জাল আগুনে পুড়িয়ে ফেলা হয়।

    ইলিশের আভয়াশ্রম হওয়ায় ১ মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত দুই মাসের জন্য ভোলার ইলিশা থেকে চর পিয়াল মেঘনা নদীর শাহবাজপুর চ্যানেলের ৯০ কিলোমিটার ও ভেদুরিয়া থেকে চর রুস্তম পর্যন্ত ১০০ কিলোমিটার তেতুলিয়া নদীতে ইলিশসহ সব ধরনের মাছ শিকারের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে সরকার।

  • ঢাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেফতার ৫৮

    ঢাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেফতার ৫৮

    রাজধানীতে অভিযান পরিচালনা করে মাদক বিক্রি ও সেবনের অভিযোগে ৫৮ জনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) বিভিন্ন অপরাধ ও গোয়েন্দা বিভাগ।

    শুক্রবার (১১ মার্চ) ভোর ৬টা থেকে শনিবার (১২ মার্চ) ভোর ৬টা পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার ও মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়।

    শনিবার (১২ মার্চ) সকালে ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মো. ফারুক হোসেন এসব তথ্য জানান।

    তিনি বলেন, গ্রেফতারের সময় তাদের হেফাজতে থাকা ৬ হাজার ৯৭৯ পিস ইয়াবা, ৪০২ গ্রাম (২২ পুরিয়া) হেরোইন, ৭ কেজি ৬১০ গ্রাম গাঁজা, ৫টি নেশাজাতীয় ইনজেকশন ও ৩০ বোতল ফেনসিডিল জব্দ করা হয়েছে।

    গ্রেফতারদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৪০টি মামলা হয়েছে বলেও জানান পুলিশের এ কর্মকর্তা।

  • তজুমদ্দিনে ১০ জেলে আটক

    তজুমদ্দিনে ১০ জেলে আটক

    ভোলার তজুমদ্দিন সংলগ্ন মেঘনা নদীতে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ মাছ ধরার অপরাধে মৎস্য অফিসারের নেতৃত্বে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ১০ জেলেকে আটক করে। পরে আটককৃত জেলেদের ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে ৩৩ হাজার টাকা আর্থিক জরিমানা করা হয়েছে।

    উপজেলা মৎস্য অফিস সুত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে তজুমদ্দিন থানা পুলিশের সহযোগীতায় উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আমির হোসেনের নেতৃত্বে একটি টিম মেঘনার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে মাছ শিকার করার দায়ে ১০ জেলে, ১২ টি বেহুন্দি জাল ও ২টি মাছ ধরার নৌকা আটক করা হয়। আটক প্রত্যেকের বাড়ি পাশ্বতর্বী উপজেলা বোরহানউদ্দিনের বিভিন্ন এলাকায় বলে জানা গেছে।

    শুক্রবার সকালে আটকৃত জেলেদের উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা মরিয়ম বেগম ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে ৯ জনকে ৩৩ হাজার টাকা জরিমানা করে এবং ১ জনকে মুচলেখা দিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়। আটক জাল আগুনে পুড়ে ধ্বংস করা হয় এবং নৌকা প্রশাসনের হেফাজতে রয়েছে।

    এ ব্যাপরে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আমির হোসেন বলেন, নিষিদ্ধ এসময়ে যাতে জেলেরা নদীতে মাছ ধরতে না পারে সেজন্য আমাদের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • পটুয়াখালীতে স্ত্রীকে অ্যাসিড নিক্ষেপ, স্বামীসহ গ্রেফতার ৪

    পটুয়াখালীতে স্ত্রীকে অ্যাসিড নিক্ষেপ, স্বামীসহ গ্রেফতার ৪

    পটুয়াখালীর গলাচিপায় স্ত্রীকে অ্যাসিড নিক্ষেপ মামলায় স্বামীসহ ৪ জনকে গ্রেফতার করেছে গলাচিপা থানা পুলিশ।বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গলাচিপা থানার ওসি এমআর শওকাত আনোয়ার।

    গ্রেফতাররা হলেন- বরিশালের বাবুগঞ্জ থানার মৃত্যু আবুল কাসেমের ছেলে স্বামী মিলন খান, গলাচিপার সাগর চৌকিদার, হেলাল চৌকিদার, মোসা. রুবি বেগম। পুলিশ জানায়, চার বছর পূর্বে গ্রেফতার মিলন খানের সঙ্গে তয়নার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে তয়না বুঝতে পারে যে তার স্বামী প্রতারণাসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত।


    তখন থেকেই মিলনকে ভালভাবে চলাফেরা করতে ও অনৈতিক কাজ থেকে বিরত থাকতে বলেন তয়না। এসব কথা বলার পর থেকেই তয়না সঙ্গে দুর্ব্যবহার ও শারীরিক নির্যাতন শুরু করে মিলন।


    এসব ঘটনার পরে উভয়পক্ষের মুরুব্বিরা একাধিক সালিশের মাধ্যমে এ সমস্যা মীমাংসা করে। তারা আবার সংসার শুরু করে। কিছু দিন যাবার পর মিলন আবার পূর্বের মতো রকম আচরণ শুরু করে।

    এক পর্যায়ে বাধ্য হয়ে মারপিট সহ্য করতে না পারায় বাবার বাড়িতে চলে আসে। আসার পরেই মিলন ক্ষিপ্ত হয়ে তয়নাকে বিভিন্নভাবে প্রাণনাশসহ নানা রকম ভয়ভীতি ও হুমকি দিতে থাকে। ২ মার্চ উপজেলার পানপট্টি ইউনিয়নের গুপ্তের হাওলা গ্রামের ওই গৃহবধূর বাবার বাড়িতে তয়নার শয়ন কক্ষের জানালা দিয়ে এসিড ছুড়ে মারে। মিলনের ছোড়া অ্যাসিডে তয়নার মুখ ও শরীরের শরীরের বিভিন্ন স্থানে ঝলসে যায়।

    স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে গলাচিপা হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ ঘটনায় তয়নার বড় ভাই ইভান হাওলাদার গলাচিপা থানায় একটা মামলা দায়ের করেন।


    এ বিষয়ে গলাচিপা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনার পর থেকে পুলিশ আসামি মিলনকে গ্রেফতারে মাঠে নামে। মিলন ঘটনার পরপরই আত্মগোপনে চলে যায়। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেফতার এড়াতে সে ছদ্মবেশে দ্রুত স্থান পরিবর্তন করতে থাকে।

    তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৯ মার্চ ভোর ৫টার দিকে ঢাকা গাজীপুরের টঙ্গী পূর্ব থানা এলাকা থেকে পুলিশ এসআই মৃণাল চন্দ্র সিকদার প্রধান আসামি মিলনসহ ৩ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

    জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশের কাছে এই অ্যাসিড সন্ত্রাসের সঙ্গে সরাসরি জড়িত মর্মে স্বীকারোক্তি প্রদান করেছে মিলন। গ্রেফতারকৃত আসামিরা গলাচিপা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

  • বরগুনায় কলেজছাত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

    বরগুনায় কলেজছাত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

    বরগুনায় কলেজ ছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার বেলা পৌনে বারোটার দিকে বরগুনা পৌরসভার গ্রীন রোডের ভাড়া বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতের নাম জেরিন।

    সে বরগুনা সরকারি কলেজের দ্বাদশ শ্রেনীর শিক্ষার্থী ছিলো। তার বাবার নাম আবদুল জলিল মৃধা। তিনি দুবাই প্রবাসী। তার একমাত্র ছেলেও প্রবাসে থাকেন। মা ও মেয়ে গ্রীন রোডের ভাড়া বাসায় থাকতো। বৃহস্পতিবার রাতে জেরিনের মা অসুস্থ রোগীতে দেখতে গিয়েছিলো। রাতে জেরিন একাই বাসায় ছিলো।

    বরগুনা থানার ওসি মোহাম্মদ আলী আহম্মেদ জানিয়েছেন, সকালে খবর পেয়ে ওই বাসায় পুলিশ পাঠানো হয়। দরজার ফাঁক দিয়ে জেরিনের ঝুলন্ত মরদেহ দেখা যায়। বাসার দরজা ভেতর থেকে বন্ধ ছিলো। পৌনে বারোটার দিকে দরজা ভেঙ্গে ভিতরে ঢুকে জেরিনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

    ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় পাওয়া গেছে। জেরিনের ব্যবহৃত মোবাইলটি ফ্রিজের উপরে পাওয়া গেছে। পাস ওয়ার্ড দিয়ে বন্ধ থাকায় মোবাইল থেকে এখন পর্যন্ত কোন উদ্ধার করা সম্ভব