Category: প্রশাসন

  • ঝালকাঠিতে শিশুর আঙুল কামড়ে নেওয়ার দায়ে চাচির কারাদণ্ড

    ঝালকাঠিতে শিশুর আঙুল কামড়ে নেওয়ার দায়ে চাচির কারাদণ্ড

    শিশুর আঙুল কামরে নেওয়ার দায়ে ওই শিশুর চাচি শিউলি বেগমকে (৩৪) ২ বছরের সশ্রমকারাদন্ড ও ৩ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৩ মাসের দণ্ডাদেশ দিয়েছেন ঝালকাঠির চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত। তবে শিউলি বেগমের স্বামী মো. ইসাহাক আকনকে খালাস দিয়েছেন আদালত। আজ বুধবার বিচারক মো. পারভেজ শাহরিয়ার আসামির উপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেন।

    সাজাপ্রাপ্ত শিউলি বেগম রাজাপুর উপজেলার মনোহরপুর গ্রামের ইছা আকনের স্ত্রী।

    ২০১৯ সালের ১২ জানুয়ারি সকাল ৯টায় ২ ভাইয়ের মধ্যে জায়গা-জমি নিয়ে বিরোধের সূত্রে মারামারির ঘটনা ঘটে। এ সময় মরিয়ম বেগমকে শিউলি বেগম মারধর করাকালিন মরিয়ম বেগমের ছেলে ঠেকাতে আসলে শিউলি বেগম তার ডান হাতের অনামিকা আঙুলটি কামড়ে মাংস তুলে নেয়।

    এরপর মরিয়ম বেগম বাদী হয়ে রাজাপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই রফিকুল ইসলাম ২০১৯ সালে ২৮ ফেব্রুয়ারি শিউলি বেগম ও তাঁর স্বামী মো. ইসাহাক আকনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দায়ের করেন। আদালত ৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করে এই রায় দিয়েছেন।

  • বিএমপিতে মডেল ওসি ছাড়া ট্রেডিশনাল ওসির জায়গা হবে না’

    বিএমপিতে মডেল ওসি ছাড়া ট্রেডিশনাল ওসির জায়গা হবে না’

    চুরি, ছিনতাই, মাদক সহ যাবতীয় অপরাধ দমনে ইফেক্টিভ পেট্রোলিং জোরদার করতে হবে। বুধবার (৯ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০ বিএমপি সদর দপ্তর সম্মেলন কক্ষে মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা এসব কথা বলেন।

    অতিরিক্ত আইজিপি বলেন, মাদক নির্মূলে আরও শক্তভাবে কাজ করতে হবে। এছাড়া প্রতিটি ঘটনার উপমা, বিশ্লেষণ, যুক্তি তদন্ত সহ সকল কার্যক্রম সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ, নির্ভেজাল ও কালিমামুক্ত ভাবে সম্পন্ন হচ্ছে কি-না তা নিয়মিত মনিটরিং ও তদারকি করতে হবে। তিনি পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশ্য করে আরও বলেন, বিএমপিতে মডেল ওসি ছাড়া কোন ট্রেডিশনাল ওসির জায়গা হবে না। নারীশিশু মামলা রুজু দায়েরে কোথাও বিলম্ব করা যাবে না।

    অতিরিক্ত আইজিপি ও বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মোঃ শাহাবুদ্দিন খান এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অপারেশন এন্ড প্রসিকিউশন) এনামুল হক, উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর-দপ্তর) মোঃ নজরুল হোসেন, উপ-পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অপারেশন এন্ড প্রসিকিউশন) মোঃ মোকতার হোসেন , উপ পুলিশ কমিশনার (উত্তর) মোঃ জাকির হোসেন মজুমদার, উপ -পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) আলী আশরাফ ভূঞা, উপ-পুলিশ কমিশনার (নগর বিশেষ শাখা) খান মুহাম্মদ আবু নাসের, উপ-পুলিশ কমিশনার (নগর গোয়েন্দা) মোঃ মনজুর রহমান সহ পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট প্রধান, প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তাবৃন্দ।

    অতিরিক্ত আইজিপি ও বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মোঃ শাহাবুদ্দিন খান বলেন, মেট্রোপলিটন এলাকায় মানুষ চোরের কবলে নিঃস্ব হয়ে গেছে এমন খবর শুনতে চাই না।

    চুরি, ছিনতাই, মাদক সহ যাবতীয় অপরাধ দমনে ইফেক্টিভ পেট্রোলিং জোরদার করতে হবে। বুধবার (৯ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০ বিএমপি সদর দপ্তর সম্মেলন কক্ষে মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা এসব কথা বলেন।

    অতিরিক্ত আইজিপি বলেন, মাদক নির্মূলে আরও শক্তভাবে কাজ করতে হবে। এছাড়া প্রতিটি ঘটনার উপমা, বিশ্লেষণ, যুক্তি তদন্ত সহ সকল কার্যক্রম সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ, নির্ভেজাল ও কালিমামুক্ত ভাবে সম্পন্ন হচ্ছে কি-না তা নিয়মিত মনিটরিং ও তদারকি করতে হবে। তিনি পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশ্য করে আরও বলেন, বিএমপিতে মডেল ওসি ছাড়া কোন ট্রেডিশনাল ওসির জায়গা হবে না। নারীশিশু মামলা রুজু দায়েরে কোথাও বিলম্ব করা যাবে না।

    অতিরিক্ত আইজিপি ও বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মোঃ শাহাবুদ্দিন খান এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অপারেশন এন্ড প্রসিকিউশন) এনামুল হক, উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর-দপ্তর) মোঃ নজরুল হোসেন, উপ-পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অপারেশন এন্ড প্রসিকিউশন) মোঃ মোকতার হোসেন , উপ পুলিশ কমিশনার (উত্তর) মোঃ জাকির হোসেন মজুমদার, উপ -পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) আলী আশরাফ ভূঞা, উপ-পুলিশ কমিশনার (নগর বিশেষ শাখা) খান মুহাম্মদ আবু নাসের, উপ-পুলিশ কমিশনার (নগর গোয়েন্দা) মোঃ মনজুর রহমান সহ পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট প্রধান, প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তাবৃন্দ।

  • বেশি দামে সয়াবিন তেল বিক্রি, আড়ত সিলগালা

    বেশি দামে সয়াবিন তেল বিক্রি, আড়ত সিলগালা

    সরকারের বেঁধে দেয়া দামের চেয়ে বেশি দামে খোলা সয়াবিন তেল বিক্রির অভিযোগে রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে আবুল খায়ের ট্রেডার্স নামের তেলের আড়ত সিলগালা করে দিয়েছে ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটিকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

    শনিবার সকালে সেখানে অভিযান পরিচালনা করেন ভোক্তা অধিদপ্তরের পরিচালক মনজুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার।

    তিনি বলেন, সরকার নির্ধারিত দাম ১৪৩ টাকা হলেও প্রতিষ্ঠানটি ১৭৩ থেকে ১৭৬ টাকায় খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি করছিল। এমনকি তারা তেল কেনার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের রসিদ দেখাতে পারেনি।


    মনজুর বলেন, ‘আমাদের এক প্রতিনিধি দোকানটিতে খুচরায় তেল কিনতে আসেন। তখন তারা ১৭৬ টাকা দাম চায়। ক্রেতা রসিদ চাইলে তারা জানায়, রশিদ দিয়ে মাল বিক্রি হবে না, নিলে নেন, না নিলে চলে যান। তারা সরকারের বেঁধে দেয়া দামের চেয়ে প্রতি লিটারে প্রায় ৩০ টাকা বেশিতে বিক্রি করছিল।

    প্রতিষ্ঠানটিকে তাৎক্ষণিক জরিমানা করা হয়েছে এবং কারখানা সিলগালা করে দেয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

    তাদের লাইসেন্স বাতিল করা হবে কি না, সেটা অধিদপ্তরের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে জানান তিনি।

    দোকানটিতে কমপক্ষে ৬০ ড্রাম তেল মজুত করা আছে বলে বলেন ওই কর্মকর্তা।

    এভাবে দোকান সিলগালা করে দেয়ায় ক্ষোভ জানিয়ে দোকানের মালিক বলেন, ‘আমরা ডিলারদের কাছ থেকে রসিদ দিয়ে মাল কিনতে পারছি না। আমাদের বলা হয় মাল নিলে নেন, না নিলে চলে যান; অনেক পাইকারি ক্রেতা আছেন। আপনার কাজ তেল বেচা, রসিদ দিয়ে আপনি কী করবেন?’

    তিনি বলেন, ‘আমরা প্রতি লিটার ১৭১ টাকা ৮৯ পয়সায় কিনে আনি। পাইকারিতে ১৭২ টাকা এবং খুচরা ১৭৩ থেকে ১৭৪ টাকা বিক্রি করি। আমাদের কি দোষ। দেশে তেল সাপ্লাই দেয় কয়টা প্রতিষ্ঠান, তা সবাই জানে। বড় জায়গায় ধরলে কোনো সমস্যা থাকবে না। আমাদের ধরে লাভ কি?’

    ভোজ্য তেল ব্যবসায়ীরা ১ মার্চ থেকে লিটারে সয়াবিন তেলের দাম ১২ টাকা বাড়ানোর চেষ্টা করেছিল। তবে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি সাফ জানিয়ে দেন, রোজার আগে দাম বাড়বে না। তিনি আন্তর্জাতিক বাজারের বাড়তি দামের উত্তাপ সহ্য করতে ব্যবসায়ীদের পরামর্শ দেন।

    এর পরই ব্যবসায়ীরা বাজারে ভোজ্য তেলের সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছেন। অবশ্য সরবরাহ কমানোর বিষয়টি রিফাইনারি প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে অস্বীকার করা হয়েছে। তারা বলছেন, তাদের সরবরাহ আগের মতোই রয়েছে।

    অবশ্য বাজারে সরবরাহ সংকট দেখিয়ে দাম বাড়িয়ে বিক্রি করার অভিযোগ রয়েছে দোকানিদের বিরুদ্ধে। এমনকি অনেকেই খোলা তেল বিক্রিও বন্ধ করে দিয়েছেন।

  • বরিশালে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে বিএমপি’র শ্রদ্ধা নিবেদন

    বরিশালে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে বিএমপি’র শ্রদ্ধা নিবেদন

    বরিশালে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন বরিশাল মেট্টোপলিটন পুলিশ। আজ ১২ টা ৫ মিনিটে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়।

    শ্রদ্ধা নিবেদন করেন, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের পুলিশ কমিশনার অতিরিক্ত আইজিপি মোঃ শাহাবুদ্দিন খান বিপিএম-বার সহ বরিশাল মেট্টোপলিটন পুলিশের অন্যান্য শীর্ষ কর্মকর্তাগণ ।

  • বরিশালে সার্জেন্ট কিবরিয়া পুলিশ বক্সের উদ্বোধন

    বরিশালে সার্জেন্ট কিবরিয়া পুলিশ বক্সের উদ্বোধন

    বরিশালে সার্জেন্ট কিবরিয়া পুলিশ বক্সের উদ্বোধন করা হয়েছে। (২০ফেব্রুয়ারি) রবিবার সকালে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন হিরন পয়েন্টে নিহত সার্জেন্ট কিবরিয়ার স্মরণে এই পুলিশ বক্সের উদ্বোধন করেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার ও অতিরিক্ত আইজিপি মো: শাহাবুদ্দিন খান।

    পুলিশ বক্সের নির্মাণের সার্বিক তত্বাবধানে ছিলেন ডিসি ট্রাফিক এস এম তানভীর আরাফাত। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, এডিশনাল কমিশনার ক্রাইম এন্ড অপস এনামুল হক, ডিসি হেড কোয়াটার মো: নজরুল ইসলাম,ডিসি সাপ্লাই জুলফিকার আলি হায়দারসহ অন্যান্যরা।

    এছাড়াও উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নিহত সার্জেন্ট কিবরিয়ার বাবা ইউনুস আলি সর্দার, মা শাহিদা বেগম, স্ত্রী সার্জেন্ট মৌসুমি ও ছেলে এস এম ওহীসহ পরিবারের সদস্যরা।

    উল্লেখ্য ২০১৯ সালের ১৫ই জুলাই বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে সার্জেন্ট কিবরিয়া ডিউটিরত অবস্থায় একটি ট্রাক থামাতে সিগনাল দিলে, ট্রাকটি না থামিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। সেসময় সার্জেন্ট কিবরিয়া তার মোটরসাইকেল নিয়ে ট্রাকটিকে আটক করার চেষ্টা করলে কিবরিয়াকে চাপা দিয়ে পালিয়ে যায় ঘাতক ট্রাক ড্রাইভার।

    মূমুর্ষ অবস্থায় স্থানীয়রা কিবরিয়াকে হাসপাতালে নিলেও শেষ পর্যন্ত মৃত্যুর কাছে হার মানে সার্জেন্ট কিবরিয়া। ২০১৯ সালের ১৬ জুলাই ঢাকায় চিকিৎসারত অবস্থায় মারা যান সার্জেন্ট কিবরিয়া। শহীদ সার্জেন্ট কিবরিয়ার নামে পুলিশ বক্স নির্মাণ করায় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন কিবরিয়ার পরিবার।

  • বরিশালে নদীর তীরের মাটি কেটে ইটভাটায় বিক্রি, ৪ জনের কারাদণ্ড

    বরিশালে নদীর তীরের মাটি কেটে ইটভাটায় বিক্রি, ৪ জনের কারাদণ্ড

    বরিশালে নদীর তীর থেকে অবৈধভাবে মাটি কেটে ইটভাটায় বিক্রির দায়ে চারজনকে ১৫ দিন করে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

    রোববার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টার দিকে জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার চাঁদপাশা ইউনিয়নের গাজীপুর এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিজানুর রহমান।


    তিনি জানান, অভিযান চালিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পাঁচজনকে আটক করা হলেও চারজনকে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। একজন অপ্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ায় মুচলেকায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।


    দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- বেল্লাল (২২), বুলবুল (৪২), সাইফুল (২২), রাহাত (১৯)।

    তা‌দের নামে বালু মহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন-২০১০ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

    এছাড়া এ সময় দু’টি মাটিকাটা ভেকু মেশিন ও মাটি পরিবহনের একটি কার্গো জব্দ করে স্থানীয় ইউপি মেম্বারের জিম্মায় রাখা হয়েছে।

    জানা গেছে, প্রায় এক মাস ধরে ওই এলাকার একটি চক্র আড়িয়াল খাঁ নদের তীর কেটে ইটভাটায় বিক্রি করে আসছিল। এতে ময়দানের হাট থেকে নমরহাট পর্যন্ত গ্রাম রক্ষা বাঁধটি হুমকির মুখে পড়েছে।

  • পুলিশের প্রতি জনগণের আস্থা বৃদ্ধি পেয়েছে : পুলিশ কমিশনার

    পুলিশের প্রতি জনগণের আস্থা বৃদ্ধি পেয়েছে : পুলিশ কমিশনার

    কর্মদক্ষতা নষ্ট করে দেয় এমন কিছু করা যাবে না। আমাদের আচার-আচরণ সেবার মান বৃদ্ধি পেয়েছে, পুলিশের প্রতি জনগণের আস্থা ও ভালোবাসা বৃদ্ধি পেয়েছে। এই ধারা সমুন্নত রাখতে হবে।

    বিএমপি কমিশনার আরো বলেন, সকলকে জনগণের প্রত্যাশার সমান আস্থাশীল হয়ে কাজ করার জন্য শারীরিক ও মানসিকভাবে ফিট রেখে আরও স্মার্ট ও যুগোপযোগী হয়ে স্ট্যন্ডার্ড ধরে রেখে দেশমাতৃকার সেবায় নিয়োজিত থেকে নিরাপদ বরিশাল বিনির্মাণে নিয়োজিত থাকতে হবে। যা আমাদের ডিসেপ্লিন ও যোগ্যতার বিশেষ অংশ। এগুলো ছেড়ে দিলে পুলিশ আর সাধারণ মানুষের মধ্যে পার্থক্য থাকবে না। সুতারং এক্ষেত্রে কোন ঢিলেঢালা ভাব বরদাস্ত করা হবে না।

    তিনি আরও বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য নেতৃত্বে আমরা এই স্বাধীন ভূখন্ড পেয়েছি। তিনি সমৃদ্ধ সোনার বাংলা বিনির্মাণের যে স্বপ্ন দেখেছিলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এ দেশ এগিয়ে যাচ্ছে উন্নত বিশ্বের দিকে। উন্নত বিশ্বের পূর্বশর্ত শৃঙ্খলার মানোন্নয়ন। স্ব- স্ব অবস্থান থেকে যাবতীয় হয়রানি নিষ্ঠুরতা বন্ধ করে সততা, নিষ্ঠা, কর্তব্যপরায়নতা ও উন্নত মানসিকতার মাধ্যমে মানবাধিকার সমুন্নত রেখে যথাযথ নিয়মে জনগণকে মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করতে পারলেই উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকবে।

    সহকারী কমিশনার মো. সাদ্দামের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত মাস্টার প্যারেড পরিদর্শনে আরো ছিলেন অতিরিক্ত কমিশনার মো. এনামুল হক, উপ-কমিশনার মো. নজরুল হোসেন, মোকতার হোসেন, আশরাফ আলী ভূঞাসহ বিএমপির শীর্ষ কর্মকর্তাবৃন্দ।

    ওদিকে দুপুরে কোতয়ালী মডেল থানায় অনুষ্ঠিত ওপেন হাউজি ডে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথী হিসেবে যোগ দেন তিনি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কমিউনিটি পুলিশিং ফোরামের সভাপতি প্রফেসর স.ম ইমানুল হাকিম, সাধারণ সম্পাদক এসএম জাকির হোসেন, প্যানেল মেয়র আয়শা তৌহিদ লুনা, মহিউদ্দিন মানিক বীর প্রতিকসহ নগরীর বিশিষ্টজনরা।

    বক্তব্যে কমিউনিটি পুলিশিং ফোরামের সাধারণ সম্পাদক এসএম জাকির হোসেন বলেন, একটি দুঃখের সংবাদ হচ্ছে মাননীয় পুলিশ কমিশনার স্যার অতিরিক্ত আইজিপি হয়ে আমাদের ছেড়ে চলে যাচ্ছেন। সেই সাথে আনন্দের সংবাদ হচ্ছে তিনি এতদিন শুধু বরিশাল দেখতেন। এখন পুরো দেশ দেখবেন। বিগত তিন বছর তাকে খুব কাছ থেকে দেখেছি। তিনি সাধারণ মানুষের মত মানুষের সাথে মিলেছেন।

    তিনি ছোট থেকে বড় সকলকে ভালোবাসতেন, সম্মান করতেন। একটি মানুষ নিজেকে যোগ্যভাবে পরিচালনা করার জন্য যতগুলো গুনাবলী দরকার তা স্যারের কাছ থেকে শিখেছি। তিনি বরিশালকে ভালোবাসতেন। বরিশালকে একটু সুন্দর প্রশাসনিক এলাকায় পরিণত করে গেছেন। বরিশালবাসী তাকে আজীবন স্মরণ করবেন।

    অতিরিক্ত আইজিপি ও বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার শাহাবুদ্দিন খান বলেছেন, পুলিশের প্রধান দায়িত্ব ঈমান ও পেশাদারিত্ব বজায় রেখে কাজ করা। রোববার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে পুলিশ লাইন্স মাঠে মাস্টার প্যারেড পরির্দশনকালে এই কথা বলেন তিনি। তিনি আরও বলেন, শুধু ইউনিফর্ম প্রদর্শন নয়; আচার-আচরণ ও কাজের মাধ্যমে ভালো কিছু দেখাতে হবে।

    কর্মদক্ষতা নষ্ট করে দেয় এমন কিছু করা যাবে না। আমাদের আচার-আচরণ সেবার মান বৃদ্ধি পেয়েছে, পুলিশের প্রতি জনগণের আস্থা ও ভালোবাসা বৃদ্ধি পেয়েছে। এই ধারা সমুন্নত রাখতে হবে।

    বিএমপি কমিশনার আরো বলেন, সকলকে জনগণের প্রত্যাশার সমান আস্থাশীল হয়ে কাজ করার জন্য শারীরিক ও মানসিকভাবে ফিট রেখে আরও স্মার্ট ও যুগোপযোগী হয়ে স্ট্যন্ডার্ড ধরে রেখে দেশমাতৃকার সেবায় নিয়োজিত থেকে নিরাপদ বরিশাল বিনির্মাণে নিয়োজিত থাকতে হবে। যা আমাদের ডিসেপ্লিন ও যোগ্যতার বিশেষ অংশ। এগুলো ছেড়ে দিলে পুলিশ আর সাধারণ মানুষের মধ্যে পার্থক্য থাকবে না। সুতারং এক্ষেত্রে কোন ঢিলেঢালা ভাব বরদাস্ত করা হবে না।

    তিনি আরও বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য নেতৃত্বে আমরা এই স্বাধীন ভূখন্ড পেয়েছি। তিনি সমৃদ্ধ সোনার বাংলা বিনির্মাণের যে স্বপ্ন দেখেছিলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এ দেশ এগিয়ে যাচ্ছে উন্নত বিশ্বের দিকে। উন্নত বিশ্বের পূর্বশর্ত শৃঙ্খলার মানোন্নয়ন। স্ব- স্ব অবস্থান থেকে যাবতীয় হয়রানি নিষ্ঠুরতা বন্ধ করে সততা, নিষ্ঠা, কর্তব্যপরায়নতা ও উন্নত মানসিকতার মাধ্যমে মানবাধিকার সমুন্নত রেখে যথাযথ নিয়মে জনগণকে মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করতে পারলেই উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকবে।

    সহকারী কমিশনার মো. সাদ্দামের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত মাস্টার প্যারেড পরিদর্শনে আরো ছিলেন অতিরিক্ত কমিশনার মো. এনামুল হক, উপ-কমিশনার মো. নজরুল হোসেন, মোকতার হোসেন, আশরাফ আলী ভূঞাসহ বিএমপির শীর্ষ কর্মকর্তাবৃন্দ।

    ওদিকে দুপুরে কোতয়ালী মডেল থানায় অনুষ্ঠিত ওপেন হাউজি ডে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথী হিসেবে যোগ দেন তিনি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কমিউনিটি পুলিশিং ফোরামের সভাপতি প্রফেসর স.ম ইমানুল হাকিম, সাধারণ সম্পাদক এসএম জাকির হোসেন, প্যানেল মেয়র আয়শা তৌহিদ লুনা, মহিউদ্দিন মানিক বীর প্রতিকসহ নগরীর বিশিষ্টজনরা।

    বক্তব্যে কমিউনিটি পুলিশিং ফোরামের সাধারণ সম্পাদক এসএম জাকির হোসেন বলেন, একটি দুঃখের সংবাদ হচ্ছে মাননীয় পুলিশ কমিশনার স্যার অতিরিক্ত আইজিপি হয়ে আমাদের ছেড়ে চলে যাচ্ছেন। সেই সাথে আনন্দের সংবাদ হচ্ছে তিনি এতদিন শুধু বরিশাল দেখতেন। এখন পুরো দেশ দেখবেন। বিগত তিন বছর তাকে খুব কাছ থেকে দেখেছি। তিনি সাধারণ মানুষের মত মানুষের সাথে মিলেছেন।

    তিনি ছোট থেকে বড় সকলকে ভালোবাসতেন, সম্মান করতেন। একটি মানুষ নিজেকে যোগ্যভাবে পরিচালনা করার জন্য যতগুলো গুনাবলী দরকার তা স্যারের কাছ থেকে শিখেছি। তিনি বরিশালকে ভালোবাসতেন। বরিশালকে একটু সুন্দর প্রশাসনিক এলাকায় পরিণত করে গেছেন। বরিশালবাসী তাকে আজীবন স্মরণ করবেন।

  • নির্ভেজাল জনসেবা দিতে আমরা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ-পুলিশ কমিশনার

    নির্ভেজাল জনসেবা দিতে আমরা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ-পুলিশ কমিশনার

    বরিশাল মেট্টোপলিটন পুলিশের বন্দর থানায় ওপেন হাউজ ডে অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শুক্রবার ৪ ফেব্রুয়ারী সকাল সাড়ে ১০ টায় বন্দর থানা কম্পাউন্ডে “ওপেন হাউজ ডে ” অনুষ্ঠিত হয়।

    উক্ত ওপেন হাউজ ডে’তে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বরিশাল মেট্টোপলিটন পুলিশ কমিশনার (অতিরিক্ত আইজিপি) মোঃ শাহাবুদ্দিন খান বিপিএম-বার।

    প্রতিমাসের ০৪ তারিখ বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের বন্দর থানা , ০৭ তারিখ কাউনিয়া থানা , ১০ তারিখ এয়াপোর্ট থানা ও ১৩ তারিখ কোতয়ালী মডেল থানায় ওপেন হাউজ ডে অনুষ্ঠিত হয় । পুলিশ কমিশনার সহ শীর্ষ কর্মকর্তাবৃন্দ প্রতিটি থানায় গিয়ে দীর্ঘ সময় নিয়ে, জনসাধারনের কথা শুনেন।থানা এলাকার সাধারণ মানুষও এই ওপেন হাউজ ডে’র দিন উপস্থিত থাকেন।

    শুরুতেই সভার সভাপতি বন্দর থানা অফিসার ইনচার্জ জনাব আসাদুজ্জামান এর নেতৃত্বে গার্ড সালামি ও ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। এরপর প্রধান অতিথি বরিশাল মেট্টোপলিটন পুলিশের কমিশনার মোঃ শাহাবুদ্দিন খান বিপিএম-বার মহোদয় অতিরিক্ত আইজিপি পদে পদোন্নতি পাওয়ায় পর্যায়ক্রমে জনপ্রতিনিধি, সুশীল সমাজের সর্বস্তরের সাধারণ মানুষের পক্ষ থেকে উত্তরীয়, সম্মাননা স্মারক ও ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।

    ফুলেল শুভেচ্ছায় ভূষিত সদ্য পদন্নোতিপ্রাপ্ত প্রধান অতিথি সবাইকে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বিগত ওপেন হাউজ ডে সভার কার্যবিবরণী তথা জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে আগত ভুক্তভোগীর কথা সরাসরি শুনে তাৎক্ষণিক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ প্রদান করেন।

    তিনি বলেন, নির্ভেজাল জনসেবা দিতে আমরা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ, মহামারি জ্ঞান ছাড়াই নিয়মিত কর্তব্যের বাহিরেও এক মানবিক ফেস নিয়ে দূর্যোগে আপনাদের পাশে থেকে কাজ করার মাধ্যমে তা ইতোমধ্যে প্রমাণ দিয়েছি। আল্লাহর বিশেষ রহমত, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঐকান্তিক প্রচেষ্টা, জনগণের আস্থায় এই মহামারিতে অন্য দেশের তুলনায় আমরা অনেক ভালো আছি, আমাদের অগ্রগতি থেমে নেই, আমাদের অর্থনীতি এখনও মজবুত আছে। আপনাদের ভালোবাসায় সর্বোচ্চ সময়টা আমি এখানে সফলতার সাথে কাটাতে পেরেছি।

    জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বলেছিলেন জনগণের পুলিশ হতে। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে জনবান্ধব৷ পুলিশ হতে জনগনের পালস্ / মতামত বুঝে সেবা নিশ্চিত করতে আমরা নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছি।

    সামাজিক শক্তি ছাড়া যাবতীয় অপরাধ নির্মূলে সফল হতে পারে না, জনতা পুলিশ দু’য়ের সমন্বয় প্রয়োজন তাই প্রকাশ্যে ও গোপনে সংযুক্ত থেকে অপরাধ সংঘটনের তথ্য দেয়ার মাধ্যমে উন্নত নিরপেক্ষ পুলিশিং দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সাহায্য করুন।

    বৃটিশ আমলের পুলিশ ও জনগণের মধ্যে কোন সহমর্মিতা ছিলো না কিন্তু আমরা আধুনিক পুলিশ, এক পরিবর্তিত পুলিশ। সাম্প্রতিক সময়ে আমরা জনগণ ও পুলিশ একই প্লাটফর্মে কাজ করার প্রত্যয় নিয়ে বেশ কিছু কার্যক্রম হাতে নিয়েছি তারমধ্যে অন্যতম প্লাটফর্ম ওপেন হাউজ ডে, যেখানে আমরা তিন ধরনের আবেদন গুরুত্ব সহকারে শুনে থাকি ; ভুক্তভোগীর কথা শুনি, সমাজের শৃঙ্খলা রক্ষায় সাধারণ জনগণের গঠনমূলক পরামর্শ শুনি এমনকি আমাদের কোন পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ, অনিয়ম রয়েছে কিনা তা সরাসরি আপনাদের কাছ থেকে শুনে থাকি এবং সেই অনুযায়ী আপনাদের প্রত্যাশার সমান গৃহীত ব্যবস্থা সকলের সামনে পর্যালোচনা করে থাকি।

    কমিউনিটি পুলিশিং এর পাশাপাশি বিট পুলিশিং, স্কুল ভিজিটিং কার্যক্রম সহ চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়ার মতো নানাবিধ প্লাটফর্ম সাজিয়ে রেখেছি, এর চেয়ে আর কি ব্যবস্থা থাকতে পারে যা জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার জন্য ভালো হতে পারে।

    তিনি আরও বলেন, সন্তান না কাঁদলে না-কি মাও দুধ পান করাননা এমন একটি প্রচলিত কথা আমরা শুনে থাকি, তেমনি জনগণও যেন সঠিক সময়ে সঠিক মাত্রায় সেবা পেতে পারেন সেই লক্ষ্য নিয়ে রকমারি ব্যবস্থার বাহিরেও আমাদের এই ওপেন হাউজ ডে’র আয়োজন।

    অর্জিত স্বাধীনতা সংরক্ষণ করতে সক্রিয় ও সজাগ থেকে সকল অশুভশক্তি বিদায় জানাতে পুলিশ জনতা একসাথে সংযুক্ত হয়ে শৃঙ্খলা নির্মাণে সহযোগিতা করার মাধ্যমেই তা সম্ভব মর্মে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

    বিশেষ অতিথি অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (সদর-দপ্তর) প্রলয় চিসিম বলেন, মাননীয় পুলিশ কমিশনার মহোদয়ের নেতৃত্বে সত্যিকারঅর্থে বরিশাল মেট্রোপলিটন এলাকায় এই ওপেন হাউজ ডে কার্যকরী ও গতিশীল হয়েছে। তিনি চেয়েছেন সাধারণ মানুষ যেন ন্যায় বিচার পায় এবং প্রতিটি ভুক্তভোগীর অভিযোগ যেন পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তদন্ত করে ব্যাবস্থা নেয়া হয়।

    আমাদের প্রতিজ্ঞা করতে হবে অতিরিক্ত আইজিপি পদে পদোন্নতিসূত্রে স্যার চলে গেলেও যেন এই ধারাবাহিকতা অক্ষুণ্ণ থাকে। জনগণ রাষ্ট্রের শক্তিশালী উপাদান, পুলিশ ও জনগণের সম্পৃক্ততা এবং সহযোগিতায় আমরা সব অন্যায় ও অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিয়ে সমাজকে নিরাপদ রাখতে পারবো।

    বিশেষ অতিথি উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) আলী আশরাফ ভূঞা বিপিএম-বার বলেন, এ সমাজকে নিরাপদ রাখতে সকল অনিয়মের বিরুদ্ধে স্থানীয় ভাবে পারিবারিক ভাবে সোচ্চার হয়ে আইনশৃঙ্খলা সমুন্নত রাখতে আমাদের তথ্য দিয়ে সহায়তা করুন।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) ফজলুল করীম, সহকারী পুলিশ কমিশনার বন্দর থানা মোঃ ইব্রাহিম, থানার অন্যান্য অফিসারবৃন্দ ,জনপ্রতিনিধি সুশীল সমাজের সর্বস্তরের প্রতিনিধি ও ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার ব্যক্তিবর্গ।

  • বরিশালের নবাগত বিভাগীয় কমিশনারের গণমাধ্যম কর্মীদের সাথে মতবিনিময়

    বরিশালের নবাগত বিভাগীয় কমিশনারের গণমাধ্যম কর্মীদের সাথে মতবিনিময়

    বরিশালে কর্মরত সকল পর্যায়ের গণমাধ্যম কর্মীদের সাথে মতবিনিময় করেছেন নবাগত বিভাগীয় কমিশনার মো. ‍আমিন ‍উল ‍আহসান। সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় বরিশাল সার্কিট হাউজে বরিশাল জেলা প্রশাসনের ‍আয়োজনে ‍এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    জেলা প্রশাসক জসীম ‍উদ্দীন হায়দারের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ‍আলোচনা করেন বিভাগীয় কমিশনার মো. ‍আমিন ‍উল ‍আহসান।

    এসময় মঞ্জে ‍উপস্থিত ছিলেন শহীদ ‍আব্দুর রব সেরনিয়াবাত বরিশাল প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও বর্তমান কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট ‍এসএম ‍ইকবাল, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ‍এসএম জাকির হোসেন ও স্থানীয় পত্রিকার সম্পাদক কাজী ‍আবুল কালাম ‍আজাদ।

    এছাড়াও বক্তব্য রাখেন- বরিশাল প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির ও মুরাদ ‍আহমেদ, বর্তমান কমিটির সহ-সভাপতি পুলক চ্যাটার্জি ‍এবং কাজী ‍আল মামুন, কার্যনির্বাহী সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা ‍আব্দুর রাজ্জাক ভূইয়াসহ সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ ‍উপস্থিত ছিলেন।

    মতবিনিময়কালে সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ বরিশালে গণমাধ্যম কর্মীদের পেশাগত মান ‍উন্নয়নের পাশাপাশি কর্মক্ষেত্রে সকল প্রকার সহযোগিতা কামনা করেন নবাগত বিভাগীয় কমিশনারের নিকট। ‍এসময় সাংবাদিকদের পাশে থেকে সব ধরনের সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দেন বিভাগীয় কমিশনার ‍আমিন ‍উল ‍আহসান।

  • স্ত্রীদের সঙ্গে নিয়ে র‍্যাংক ব্যাজ পরলেন অতিরিক্ত আইজিপিরা

    স্ত্রীদের সঙ্গে নিয়ে র‍্যাংক ব্যাজ পরলেন অতিরিক্ত আইজিপিরা

    পুলিশে প্রথমবারের মতো পদোন্নতিপ্রাপ্ত অতিরিক্ত আইজিপিরা তাদের স্ত্রীদের উপস্থিতিতে র‍্যাংক ব্যাজ পরলেন। রোববার (২৩ জানুয়ারি) বিকেলে পুলিশ সদর দপ্তরে বাহিনীটির মহাপরিদর্শক ড. বেনজীর আহমেদ পদোন্নতিপ্রাপ্ত অতিরিক্ত আইজিপিদের ব্যাজ পরিয়ে দেন। এ সময় আইজিপির সঙ্গে কর্মকর্তাদের ব্যাজ পরিয়ে দেন অতিরিক্ত আইজি (এঅ্যান্ডআই) ড. মো. মইনুর রহমান চৌধুরী।

    আইজিপি ড. বেনজীর আহমেদ দেশ ও জনগণের কল্যাণে আরও নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার জন্য সদ্য পদোন্নতিপ্রাপ্ত অতিরিক্ত আইজিপিদের প্রতি আহবান জানিয়ে বলেন, পুলিশের কাছে মানুষের প্রত্যাশা আকাশচুম্বী। মানুষের প্রত্যাশা পূরণে নিজেদের অতিক্রম করে তাদেরকে সেবা দিতে হবে। পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে আপনারা পুলিশের সর্বোচ্চ পদে পদোন্নতি পেয়েছেন। পুলিশ বাহিনী থেকে আপনাদের আর কিছু পাওয়ার নেই। এখন শুধু দেওয়ার পালা। আপনারা এখন দেশ ও জনগণ এবং পুলিশ বাহিনীর জন্য কাজ করবেন।

    পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে জানায়, বাংলাদেশ পুলিশের ইতিহাসে এবারই প্রথম র‍্যাংক ব্যাজ পরিধান অনুষ্ঠানে পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে তাদের স্ত্রীরাও উপস্থিত ছিলেন।

    পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা হলেন, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের ডিআইজি আবু হাসান মুহম্মদ তারিক, পিবিআইয়ের ডিআইজি বনজ কুমার মজুমদার, কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালের পরিচালক (ডিআইজি) ড. হাসান উল হায়দার, স্পেশাল ব্রাঞ্চের অতিরিক্ত আইজিপি (চলতি দায়িত্ব) মো. মনিরুল ইসলাম, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মো.শাহাবুদ্দিন খান, শিল্পাঞ্চল পুলিশের ডিআইজি মো. মাহাবুবর রহমান ও ময়মনসিংহ রেঞ্জের ডিআইজি ব্যারিস্টার মো. হারুন অর রশিদ।