Category: প্রশাসন

  • ইয়াবার কলম

    ইয়াবার কলম

    শামীম ইসলাম:

    বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বার্থী ডিগ্রি কলেজের সামনে থেকে কলমের মধ্যে ইয়াবা লুকিয়ে পাচারের সময় মান্নান খান (৪৫) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার বিকেলে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মান্নান খান বার্থী এলাকার লতু খানের ছেলে।

    গৌরনদী মডেল থানা পুলিশের এস আই মো. সগির জানান, সোমবার রাতে বার্থী ডিগ্রি কলেজের সামনে ইয়াবা বেচা কেনা হচ্ছে এমন সংবাদ পেয়ে অভিযান চালানো হয়। এ সময় সন্দেহ হলে মান্নান খানকে আটক করা হয়।

    পরে তল্লাশি চালানো হলে জামার (শার্টের) পকেট থেকে কলমের মধ্যে লুকিয়ে রাখা ৩৫ পিস ইয়াবা পাওয়া যায়। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মান্নান খানের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়। আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

  • প্রেমে ব্যর্থ হয়ে বখাটের এই আক্রোশ!

    প্রেমে ব্যর্থ হয়ে বখাটের এই আক্রোশ!

    চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলায় একই পরিবারের তিনজনকে কুপিয়ে আহত করেছে এক বখাটে। তবে পুলিশ বলছে, ওই তিনজনকে মারধর করে আহত করা হয়েছে। এ ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন ওই বখাটেকে আটক করে পিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেন।

    গতকাল সোমবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে উপজেলার বারৈয়ারঢালা ইউনিয়নের টেরিয়াইল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ বলছে, প্রেমে ব্যর্থ হয়ে বখাটে নজরুল ইসলাম বাবুল (২২) ওই তিনজনকে বেধড়ক মারধর করেন। ধাক্কা মেরে ঘরের দেয়ালের সঙ্গে তাঁদের ঠুকে দেন।

    আহত ব্যক্তিরা হলেন এক তরুণী ও তাঁর মা-বাবা। তাঁরা টেরিয়াইল এলাকার বাসিন্দা।

    স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গতকাল রাত সাড়ে নয়টার দিকে ওই বাড়িতে গিয়ে ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে তরুণীর বাবাকে কোপাতে থাকেন নজরুল। বাধা দিতে গেলে তরুণীর মা ও তরুণীকেও কোপানো হয়। এ সময় তাঁদের চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন গিয়ে দরজা ভেঙে তাঁদের উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে, পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। স্থানীয় কয়েকজন নজরুলকে আটক করে পিটুনি দেন। খবর পেয়ে রাত সাড়ে ১০টার দিকে সীতাকুণ্ড থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জাহেদুল ইসলাম ঘটনাস্থলে গিয়ে নজরুলকে আটক করে থানায় নিয়ে আসেন।

    বারৈয়ারঢালা ইউপির চেয়ারম্যান রায়হান উদ্দিন রেহান বলেন, সম্প্রতি ওই তরুণীর বিয়ে ঠিক হয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে বখাটে নজরুল ওই পরিবারের তিন সদস্যকে কুপিয়ে আহত করেন।

    তবে কুপিয়ে আহত করার বিষয়টি অস্বীকার করে এসআই জাহেদুল ইসলাম বলেন, ওই তিনজনকে বেধড়ক মারধর করে ঘরের দেয়ালের সঙ্গে প্রচণ্ড আঘাত করা হয়। এতে গুরুতর আহত হন তাঁরা। এ ঘটনায় সীতাকুণ্ড থানায় এখনো কোনো মামলা হয়নি।

  • বিস্ফোরণ ঘটিয়ে অটো ভাংচুর, অর্ধশত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা

    বিস্ফোরণ ঘটিয়ে অটো ভাংচুর, অর্ধশত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা

    বরিশাল-বানারীপাড়া সড়কের মলংঙ্গা ব্রিজ এলাকা থেকে ৪টি ককটেল উদ্ধার করেছে পুলিশ। গত রবিবার রাতে ককটেল উদ্ধারের আগে দুর্বৃত্তরা ৭/৮টি বিস্ফোরণ ঘটিয়ে একটি অটোরিকশা ভাংচুর করে। এতে একজন যাত্রী আহত হয়। তবে এ ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে কাউকে আটক করতে পারেনি পুলিশ।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গত রবিবার রাত ৮টার দিকে ৫০/৬০ জন লোক বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও তারেক রহমানসহ অন্যান্যদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে চৌয়ারীপাড়ার দিকে যাচ্ছিলো। মিছিলটি ওই সড়কের মলংঙ্গা ব্রিজ এলাকা অতিক্রমকালে ৭/৮টি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটিয়ে একটি অটোরিকশা ভাংচুর করে। এতে খলিল বালী নামে এক যাত্রী আহত হয়।

    যদিও এ অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন বরিশাল জেলা (দক্ষিন) বিএনপি’র সভাপতি এবায়দুল হক চাঁন। তিনি বলেন, রবিবার রাতে বিএনপি’র কোন বিক্ষোভ কর্মসূচি ছিলো না। বিএনপি’র কোন নেতাকর্মী রবিবার রাতে বানারীপাড়ায় মিছিল করেনি। বিএনপি নেতাকর্মীদের আগামী দিনের আন্দোলন এবং নির্বাচনের বাইরে রাখতে স্থানীয় আওয়ামী লীগ পুলিশের সহায়তায় ওইসব বোমার বিস্ফোরণ ঘটিয়ে এবং শ্লোগান দিয়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের হয়রানি করার উদ্দেশ্যে এই মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে বলে দাবি করেন তিনি।

    বানারীপাড়া থানার ওসি মো. খলিলুর রহমান জানান, সড়কে বোমার বিস্ফোরণ ঘটিয়ে অটোরিকশা ভাংচুরের খবর পেয়ে পুলিশ তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ৪টি ককটেল উদ্ধার করে। প্রত্যক্ষদর্শীরা পুলিশকে জানিয়েছে রাত ৮টার দিকে ৫০/৬০ লোক বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া মুক্তির দাবিতে একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে যাচ্ছিল। এ সময় তারা মলঙ্গা ব্রিজে কয়েকটি বিস্ফোরণ ঘটিয়ে একটি অটোরিকশা ভাংচুর করে।

    বিস্ফোরণ ঘটিয়ে জনমনে ভীতি সৃষ্টি এবং ভাংচুরের ঘটনায় স্থানীয় এক ব্যক্তি বাদী হয়ে ৬ জনের নামোল্লেখ এবং অজ্ঞাতনামা ৪০/৫০জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেছে বলে জানিয়েছেন বানারীপাড়া থানার ওসি খলিলুর রহমান।

  • ঘুষ আদায়ের অভিযোগ এসআই শামীমের বিরুদ্ধে

    ঘুষ আদায়ের অভিযোগ এসআই শামীমের বিরুদ্ধে

    ঘুষ কেলেঙ্কারির ঘটনায় বরিশাল কোতোয়ালী মডেল থানার এসআই দ্বীপায়ন ও বকশী কনস্টেবল সুকান্ত ক্লোজড হওয়ার পর একই মামলায় এসআই শামীম’র বিরুদ্ধে ১৮ হাজার টাকা ঘুষ নেয়ার বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। রবিবার বরিশাল পুলিশ লাইনে ডিঅ্যান্ডপিএস শাখার ইন্সপেক্টর হেলাল উদ্দিন ওই তদন্ত শুরু করেন।

    জানা গেছে, ঝালকাঠি জেলার নলছিটি উপজেলার ঢাপড় গ্রামের ইব্রাহীম মানিক বাদী হয়ে বরিশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি নালিশী অভিযোগ দায়ের করলে আদালত বরিশাল কোতোয়ালী মডেল থানাকে এজাহার হিসেবে গণ্য করার নির্দেশ দেন। বরিশাল কোতোয়ালী মডেল থানার মামলা নং-৬৯, তারিখ-২৮/৩/১৮ ও জি/আর-১৮২/১৮। এ তদন্তকারী কর্মকর্তা নিযুক্ত হন এসআই দ্বীপায়ন।

    তিনি মামলা ফাইনাল দেয়ার কথা বলে আসামি মাওঃ কামাল হোসেন’র কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা দাবি করেন। মাওঃ কামাল ওই টাকা দিতে রাজী হননি। এরপর গত ৫/৭/১৮ তারিখ মাওঃ কামাল এসআই দ্বীপায়নের কাছে মামলার ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি সকল আসামির বিরুদ্ধে চার্জশিট দেয়ার কথা বলেন। পরবর্তীতে এসআই দ্বীপায়ন কনস্টেবল সুকান্তের মাধ্যমে মাওঃ কামাল হোসেনকে বরিশাল পুলিশ লাইনের সামনে কুটুমবাড়ি নামক রেস্টুরেন্টে দেখা করতে বলেন।

    গত ১১/৭/১৮ তারিখ দুপুর সাড়ে ১২টায় মাওঃ কামাল ওই রেস্টুরেন্টে দেখা করতে এলে মামলার ধারা কমিয়ে দেয়ার কথা বলে এসআই দ্বীপায়নের জন্য ১০ হাজার ও সুকান্ত তার নিজের জন্য ২ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন। এ ঘটনা সাংবাদিক মু: মনিরুজ্জামান মুনির কৌশলে তার মোবাইলের গোপন ক্যামেরায় ধারণ করেন। ঘুষ চাওয়ার ভিডিও ১২/৭/১৮ তারিখ বরিশাল থেকে প্রকাশিত অনলাইন পত্রিকা বরিশাল ক্রাইম নিউজ ডট কমে প্রকাশ করা হলে ওইদিন রাতেই এসআই দ্বীপায়ন ও কনস্টেবল সুকান্তকে পুলিশ লাইনে ক্লোজড করা হয়।

    এরপর মামলাটি পুনরায় তদন্তের জন্য কোতোয়ালী মডেল থানার এসআই শামীমকে দায়িত্ব দেয়া হয়। তদন্তভার পাওয়ার পর এসআই শামীমও মামলা ফাইনাল দেয়ার কথা বলে আসামি মাওঃ কামাল হোসেনের কাছে ২০ হাজার টাকা দাবি করেন। এদিকে মাওঃ কামাল বাকেরগঞ্জের ওসি মাসুদুজ্জামানের মাধ্যমে তদ্বীর করলে তিনি এসআই শামীমকে ফোন করে ৫ হাজার টাকার বিনিময়ে মামলা থেকে অব্যাহতি দিতে বলেন।

    ওসি মাসুদুজ্জামানের কথামত এসআই শামীম মাও: কামালকে ফোন দিয়ে দেখা করতে বলেন। মাও: কামাল হোসেন গত ২০/৭/১৮ তারিখ বিকেলে সাগরদী মেসার্স ডোস্ট ট্রেডার্স পেট্রোল পাম্পের নিকট সাংবাদিক মু: মনিরুজ্জামান মুনিরের স্ত্রী শাহনাজ আক্তার মুক্তা, ছেলে মাসুদুজ্জামান মিতুল ও মেয়ে মাইশা জামান মৌরীনকে সাথে নিয়ে দেখা করেন। তখন এসআই শামীম শাহনাজ আক্তার মুক্তার নিকট হতে নগদ ৫ হাজার টাকা গ্রহণ করার পরও মাও: কামাল হোসেনকে আটক করেন। ওইসময় এসআই শামীম তাকে ছেড়ে দেয়ার জন্য ২০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করলে মাও: কামাল হোসেন তার পকেটে থাকা ১০ হাজার টাকা তাকে দেন বলে তিনি অভিযোগে উল্লেখ করেন।

    এর পরেও মাও: কামাল হোসেনকে আটক করে থানায় নিয়ে যান এসআই শামীম। পরবর্তীতে মাও: কামাল হোসেনকে একদিনের রিমান্ডে এনে গত ৮/৯/১৮ তারিখ তার স্ত্রী আফরোজা বেগমের নিকট হতে ৩ হাজার টাকা নেন এসআই শামীম। যা মিলিয়ে এসআই শামীম মাও: কামালের কাছ থেকে মোট ১৮ হাজার টাকা ঘুষ নেন। পরে মাও: কামাল হোসেন জামিন লাভ করার পর গত ৮/৯/১৮ তারিখ আইজিপি’স কমপ্লেইন সেলে অভিযোগ দায়ের করেন। উক্ত অভিযোগ তদন্তের জন্য ইন্সপেক্টর হেলাল উদ্দিনকে তদন্তকারী কর্মকর্তা নিযুক্ত করা হয়। এর প্রেক্ষিতে গতকাল রোববার মাওঃ কামাল হোসেন, সাংবাদিক মু: মনিরুজ্জামান মুনির ও মাও: কামাল হোসেনের স্ত্রী আফরোজা বেগম সাক্ষ্য দেন তার কাছে।

    এ বিষয়ে অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্তা ইন্সপেক্টর হেলাল উদ্দিন বলেন, ‘‘এসআই শামীমের বিরুদ্ধে ঘুষ আদায়ের অভিযোগ তুলে আইজিপি’স কমপ্লেইন সেলে একটি অভিযোগ দায়ের করেন মাও: কামাল হোসেন। ওই অভিযোগের দায়ীত্ব দেয়া হয় আমাকে। যার তদন্ত চলমান।”

    ঘটনার বিষয়ে কোতোয়ালী মডেল থানার এসআই শামীমের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘‘যে কেউই আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ দিতে পারেন। অভিযোগ দিয়ে থাকলে তা তদন্ত করে দেখবে কর্তৃপক্ষ। তদন্তে যদি সত্যতা প্রকাশ পায় তাহলে কর্তৃপক্ষ আমাকে যে শাস্তি দিবে তা আমি মেনে নিবো।” তিনি আরও জানান, ‘‘মাওলানা কামাল হোসেন (অভিযোগকারী) একজন খারাপ লোক, তিনি যে আমার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ তুলতে পারেন তা আগেই আন্দাজ করেছিলাম। আমি মাওলানা কামাল হোসেনকে আটক করে জেল-হাজতে পাঠিয়েছি। যে কারণে ক্ষিপ্ত হয়ে তিনি আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলতে পারেন।

  • ইয়াবাসহ ২ মাদকবিক্রেতা আটক

    ইয়াবাসহ ২ মাদকবিক্রেতা আটক

    বরিশাল নগরীর ৬নং ওয়ার্ডস্থ শিশুপার্ক কলোনী এলাকা থেকে শতাধিক ইয়াবা সহ নগর গোয়েন্দা পুলিশ(ডিবি)’র হাতে ২ জন আটক করা হয়েছে।

    শনিবার রাতে নগরীর আইন শৃঙখলা রক্ষা ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্র রক্ষা ডিউটি করাকালীন সময়ে টহলরত ডিবি পুলিশ আটক করে বলে ডিবি অফিস থেকে পাঠানে মেইল ও গোয়েন্দা পুলিশের মূখপাত্র ও এসি ডিবি নাসিে উদ্দিন মলিক বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

    ডিবি অফিসের তথ্যমতে জানা গেছে, নগরীর আইন শৃঙখলা পরিস্থিতি ও নগরী থেকে মাদকদ্রব্য উদ্বার অভিযান কালে ডিবি পুলিশের এস আই ফিরোজ আহমেদ সহ একদল ডিবি পুলিশের সদস্য ডিউটি করাকালীন সময়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নগরীর ৬নং ওয়ার্ডের গগনগলী শিশুপার্ক কলোনী থেকে মোঃ লিটন হাওলাদার (ওরফে) কাঠ লিটন ও মোঃ মুরাদ খাঁনকে আটক করে।
    এসময় তাদের কাছে রক্ষিত অ্যাম্ফিটামিন যুক্ত লাল গোলাপী রংয়ের ৯২ হাজার ৫শত টাকা মূল্যের ১শত ৮৫ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

    এব্যাপারে ডিবি পুলিশ বাদী হয়ে মডেল কোতয়ালী থানায় মাদকদ্রব্য আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।

  • হাসানাত আবদুল্লাহকে শুভেচ্ছা জানালেন মেয়র ও কাউন্সিলর বৃন্দ

    হাসানাত আবদুল্লাহকে শুভেচ্ছা জানালেন মেয়র ও কাউন্সিলর বৃন্দ

    শেখ সুমন :

    সাবেক চীফহুইপ, স্থানীয় সরকার সমবায় মন্ত্রনালয়ের সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যান,পার্বত্যশান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক(মন্ত্রী) আলহাজ্জ্ব আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ (এমপি)কে আজ ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের  মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ সহ সকল কাউন্সিলর বৃন্দ।

    এসময় বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের  উন্নয়নের জন্য আলহাজ্জ্ব আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ (এমপি)র কাছে পরামর্শ ও উপদেশ চান মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।

  • চাঁদা তুলে খুন করা হয় আওয়ামী লীগ নেতা মনিরকে

    চাঁদা তুলে খুন করা হয় আওয়ামী লীগ নেতা মনিরকে

    কুমিল্লার তিতাসের আওয়ামী লীগ নেতা হাজী মনির হোসেন হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে ছিল একই গ্রামের মমতাজ হোসেনকে খুনের বদলা এবং এলাকায় আধিপত্য বিস্তার। বিগত প্রায় ১৫ বছর আগে তিতাসের মমতাজ হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধ নিতেই তার ভাই জাহাঙ্গীর আলম ও অন্যান্য আসামি ৫ লাখ টাকা চাঁদা তুলে ঘাতক ভাড়ায় এনে খুন করেন হাজী মনিরকে।

    মামলার প্রধান আসামি ও ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর আলমকে গত বৃহস্পতিবার নারায়ণগঞ্জ থেকে গ্রেফতারের পর আদালতে এমন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছে। শুক্রবার কুমিল্লার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট মো. জালাল উদ্দিনের আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দীতে হত্যার পরিকল্পনা, ঘাতক ভাড়া আনা, হত্যার কারণ ও জড়িত অপর আসামিদের নাম জানায় ঘাতক জাহাঙ্গীর। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও ডিবির এসআই সহিদুল ইসলাম। জাহাঙ্গীর আলম তিতাসের ভাটিপাড়া গ্রামের মৃত আবদুল মজিদের ছেলে।

    মামলার অভিযোগ ও ডিবি সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের ২৪ মার্চ রাত সাড়ে ৮টার দিকে তিতাসের আওয়ামী লীগ নেতা হাজী মনির হোসেনকে বাড়ির অদূরে তিতাসের ভাটিপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বারান্দায় সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা প্রথমে গুলি এবং পরে কুপিয়ে হত্যা করে। পরদিন রাতে নিহতের ছেলে আইনজীবী মো. মুক্তার হোসেন নাঈম বাদী হয়ে তিতাস থানায় মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় জগতপুর ইউনিয়ন পরিষদের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার জাহাঙ্গীর আলম ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার কাজী আশেক, নবীর হোসেনসহ ১৮ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ১৫ জনকে আসামি করা হয়। ২৬ মার্চ মামলাটি ডিবিতে হস্তান্তর হয়।

    মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সহিদুল ইসলাম জানান, ১৫ বছর আগে তিতাসের ভাটিপাড়া গ্রামের মমতাজ খুন হন। ওই খুনের নেপথ্যে হাজী মনিরের ভূমিকা ছিল বলে দাবি করেছে ঘাতক জাহাঙ্গীর। এছাড়াও এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে হাজী মনিরের সাথে এলাকার লোকজনের বিরোধ চলছিল। তাই ঘাতক জাহাঙ্গীর তার ভাই মমতাজ হত্যার প্রতিশোধ  নিতে ও এলাকায় হাজী মনিরের আধিপত্য শেষ করতে তার সহযোগীদের নিয়ে বিভিন্ন জনের নিকট থেকে ৫ লাখ টাকা চাঁদা তুলে। পরে এসব টাকা হত্যার মিশনে অংশ নেয়া ঘাতকদের দেয়া হয়। হত্যার আগে ঘাতকরা একাধিকবার গোপন বৈঠকে মিলিত হয়। হত্যার সময় ঘাতকরা ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকায় কয়েকটি স্থানে অবস্থান নেয়। কয়েক মিনিটেই কিলিং মিশন শেষ করে এলাকায় আতংক সৃষ্টি করে নিরাপদেই ঘাতকরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

    মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আরও জানান, আদালতে ঘাতক জাহাঙ্গীরের দেওয়া স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দী অনুসারে হত্যার মিশনে অংশ নেওয়া, হত্যার জন্য চাঁদা দাতাসহ অনেক চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে। এসব তথ্য যাচাই-বাছাই এবং অপর আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে, ইতিপূর্বে এ মামলায় মমতাজ হোসেনের স্ত্রী বিলকিস বেগমসহ ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়।

  • আমি পাই ৪২ লাখ, দুই কোটি যায় বসের পকেটে

    আমি পাই ৪২ লাখ, দুই কোটি যায় বসের পকেটে

    ট্রেন থেকে মাদকদ্রব্য ও বিপুল পরিমাণ টাকাসহ গ্রেফতার চট্টগ্রাম কারাগারের জেলার সোহেল রানা বিশ্বাসকে দুইদিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

    সোহেল রানা রিমান্ডে থাকা অবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন ভৈরব রেলওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল মজিদ।

    গত শুক্রবার (২৬ অক্টোবর) জেলার সোহেল রানাকে ভৈরব রেলওয়ে স্টেশনে বিপুল পরিমাণ টাকা ও মাদকসহ গ্রেফতারের পর শনিবার কিশোরগঞ্জ আদালতে চালান দিয়ে সাতদিনের রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ।

    সোমবার শুনানি শেষে তার দুইদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। দুইদিন থানায় রেখে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বৃহস্পতিবার সকালে তাকে কিশোরগঞ্জ কারাগারে পাঠিয়ে দেয় পুলিশ।

    ভৈরব রেলওয়ে থানা পুলিশের ওসি আবদুল মজিদ বলেন, রিমান্ডে সোহেল রানা জানিয়েছেন ওই দিনের জব্দকৃত ৪৪ লাখ ৪৩ হাজার টাকার মধ্যে ১২ লাখ টাকা ছিল চট্টগ্রাম কারাগারের ডিআইজি প্রিজন পার্থ কুমার বণিক ও সিনিয়র জেল সুপার প্রশান্ত কুমার বণিকের। জব্দকৃত আড়াই কোটি টাকা ও ১ কোটি ৩০ লাখ টাকার চেকের উৎস সম্পর্কে সোহেল রানা বলেছেন টাকাগুলো কারাগারে মাদক ব্যবসাসহ অবৈধভাবে রোজগার করেছেন।

    সোহেল পুলিশকে আরও বলেছেন চট্টগ্রাম কারাগারে অবৈধভাবে প্রতি মাসে আড়াই কোটি টাকা রোজগার হয়। এই টাকার অংশ হিসেবে মাসে ৪২ লাখ টাকা ভাগ পান সোহেল। বাকি দুই কোটি টাকা তার ঊর্ধ্বতন দুই বসকে দেয়া হয়। তবে ওই দুইজন ঊর্ধ্বতন বসের নাম বলেননি সোহেল।

    গ্রেফতার হওয়ার দিন ট্রেনে ময়মনসিংহ গিয়ে ২৮ অক্টোবর চেকের টাকা ব্যাংক থেকে উত্তোলনের পর ১ নভেম্বর ঢাকা যাওয়ার কথা ছিল সোহেলের। এদিন কাশিমপুর কারাগারে গিয়ে জেলারদের সঙ্গে সভা করে এসব টাকার ভাগের অংশ চট্টগ্রামের ডিআইজি প্রিজন ও সিনিয়র জেল সুপারের লোকদের কাছে পৌঁছে দেয়ার কথা ছিল তার।

    Chittagong-Jell

    কারাগারে অবৈধভাবে টাকা কামানোর বিষয়ে সোহেল পুলিশের কাছে জবানবন্দি দিয়ে বলেন, ঠিকাদার অজিত নন্দির মাধ্যমে কাঁচা বাজারের সঙ্গে মাদক ঢুকিয়ে কারাগারের মাদকাসক্ত বন্দিদের কাছে উচ্চমূল্যে বিক্রি, বন্দিদের বিশেষ সুবিধা দিয়ে অন্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করানো, কারাগারে ভালো রুমে কম বন্দিদের সঙ্গে আরামে রাখা, রিমান্ডের আসামিকে কষ্ট না দিয়ে ভালোভাবে রাখা, দীর্ঘদিন সাজাপ্রাপ্ত ও কয়েদিদের স্ত্রীর সঙ্গে রাতযাপনের সুযোগ করে দেয়া, বেশি টাকা দিলে হাসপাতালে থাকার ব্যবস্থা করে দেয়া, সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্তদের বিনাশ্রমে রাখা, বিনাশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্তদের অপরিচ্ছন্ন কাজ করানোর ভয় দেখিয়ে টাকা আদায়, কারাগারে ঠিকাদারের সঙ্গে যোগসাজশে নিম্নমানের খাবার সরবরাহ, স্থানীয় বন্দিদের দূরের কারাগারে স্থানান্তরের ভয় দেখিয়ে টাকা আদায়, এমনকি খারাপ বন্দিদের দিয়ে ভালো বন্দিদের প্রতিদিন নির্যাতনের ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করা হতো।

    কারারক্ষী আনোয়ারের নেতৃত্বে আটজন কারারক্ষী এবং কয়েকজন সাজাপ্রাপ্ত বন্দী এসব কাজে আমাকে সহযোগিতা করতেন। অবৈধভাবে এসব টাকা রোজগারের বিষয়টি আমার দুইজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানতেন। প্রতি মাসে অবৈধ আয়ের টাকা পরের মাসের ৫ তারিখে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার মাঝে ভাগ-বাটোয়ারা হতো। যদিও আমি ধরা পড়ার পর বিষয়টি অস্বীকার করছেন তারা।

    এদিকে, এ ঘটনার পর গত ২৮ অক্টোবর কারা মহাপরিদর্শক কার্যালয় থেকে সোহেল রানা বিশ্বাসকে বরখাস্ত করা হয়। একইসঙ্গে ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানান সহকারী কারা মহাপরিদর্শক আবদুল্লাহ আল মামুন। তিনি বলেন, আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে তদন্ত কমিটিকে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

    তবে সোহেল রানার জবানবন্দির অভিযোগ অস্বীকার করে চট্টগ্রাম কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার প্রশান্ত কুমার বণিক বলেছেন, নানা অপকর্ম, অফিসিয়াল শৃঙ্খলা ভঙ্গ, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে লাঞ্ছিতসহ বিভিন্ন অভিযোগে এর আগেও তিনবার বরখাস্ত হয়েছিলেন সোহেল রানা। প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে সোহেল মিথ্যা, বানোয়াট ও কাল্পনিক গল্প সৃষ্টি করে এসব কথা পুলিশকে জানিয়েছেন। অবৈধ টাকার উৎস সম্পর্কে আমি কিছুই জানি না। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ এ ঘটনায় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন। তদন্তে সব প্রমাণ হবে।

    একইসঙ্গে জেলার সেহেল রানা বিশ্বাসের জবানবন্দির এসব বিষয় অস্বীকার করে চট্টগ্রাম কারাগারের ডিআইজি প্রিজন পার্থ কুমার বণিক বলেন, জেলার সোহেল একজন মাদকসেবী। তার অভিযোগগুলো মিথ্যা, বানোয়াট ও কাল্পনিক। পুলিশের হাতে বিপুল টাকা নিয়ে গ্রেফতারের পর অসত্য কথা বলেছেন সোহেল। ওই টাকা এবং আমার বিরুদ্ধে তোলা অভিযোগ সঠিক নয়।

  • বরিশালের ১৭টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্ধোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

    বরিশালের ১৭টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্ধোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

    গনভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বরিশালের ১৭টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্ধোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার (১ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায়  বরিশাল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গনভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সংযুক্ত হন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    গনভবন থেকে অনুষ্ঠানের স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রীর মূখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান। পরে প্রধানমন্ত্রী বরিশাল জেলার ৪টি উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নে উচ্চগতির ইন্টারনেট কানেকটিভিটি, হিজলা থানা ভবন, বাকেরগঞ্জ ফায়ার স্টেশন এবং বরিশাল সদর (দক্ষিন) ফায়ার স্টেশন উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্ধোধন ঘোষনা করেন।

    এ সময় প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে বলেন, ইউনিয়ন পর্যায়ে উচ্চগতির ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যমে ওইসব এলাকায় কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাবে। উন্নয়ন প্রকল্পের সুবিধা পাবে সাধারন মানুষ। দেশ এগিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তার সরকারকে আবারও ক্ষমতায় আনার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান। ভিডিও কনফারেন্সের সময় বরিশাল জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল সদর আসনের এমপি জেবুন্নেছা আফরোজ, জেলা প্রশাসক এসএম অজিয়র রহমান, পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ শহিদুল ইসলাম, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট এসএম ইকবাল, মেট্রোপলিটন প্রেসক্লাবের সভাপতি কাজী আবুল কালাম আজাদ, মুক্তিযোদ্ধা মহিউদ্দিন মানিক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব সৈয়দ দুলাল সহ বিভিন্ন সরকারী দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    এদিকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বরিশালের ১৭টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্ধোধন উপলক্ষ্যে আনন্দ র‌্যালি করেছে জেলা প্রশাসন কর্তৃপক্ষ। এতে বরিশালের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীবৃন্দ অংশ গ্রহন করে। র‌্যালিটি নগরের সার্কিট হাউজ থেকে বের হয়ে নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে অশ্বিনী কুমার হলের সামনে এসে শেষ হয়।

  • বিসিসি মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহর সতর্ক বার্তায় দখলমুক্ত সড়ক : জনমনে সন্তুষ্টি।

    বিসিসি মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহর সতর্ক বার্তায় দখলমুক্ত সড়ক : জনমনে সন্তুষ্টি।

    শেখ সুমন :

    ত্রিশটি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত বরিশাল সিটি কর্পোরেশন। আর এই সিটিকর্পোরেশনে বিগত পাচঁ বছরে যে উন্নয়নের ছোয়া লেগেছে তা জনমানুষের মুখে মুখে। একটি সড়ক পাচঁ বার মেরামত করেও ঠেকানো যায়নি গর্ত হওয়া। ঐতিহ্যবাহী বিবির পুকুর পাড়ের রেলিং এখন ভাংগারী দোকানের গুদামে। নগরী ছিল ব্যানার ও পোষ্টারের রাঝধানী। একশত বছরের বৃদ্ধর মতো নুয়ে পরেছিল বরিশাল।

    অক্টোবর মাসের বাইশ তারিখে শপথ পরে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের দ্বায়িত্বভার গ্রহন করেন,বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক,যুবরত্ন সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ। শপথ নিয়ে আনুষ্ঠানিক দ্বায়িত্বভার গ্রহন করার প্রথম দিন তিনি বলেছিলেন যে,সকল ফুটপাথ দখল মুক্ত করবো। সকল সড়ক গুলো দখলমুক্ত করে যান চলাচলের উপযুক্ত করা হবে।

    তিনি অক্টোবরের ত্রিশ তারিখ পর্যন্ত সময় বেধে দিয়েছিলেন সকল সড়ক মুক্ত করতে। আর নভেম্বরের এক তারিখ থেকে সিটি কর্পোরেশন ব্যাবস্থা নেবে। আর সেই জন্য এক তারিখ হতে না হতে সকল সড়ক ও ফুটপথ পরিষ্কার ও দখলমুক্ত করছে বৃহত ও ক্ষুদ্র ব্যাবসায়ীরা।

    ইতিমধ্যেই দেখা গেছে ,লঞ্চঘাট,নথুল্লাবাদ,পলাশপুর,হাটখোলা,বাজার রোড,পোর্ট রোড, নতুন বাজার,বাংলা বাজার সহ নগরীর ব্যাস্ততম ব্যাবসায়ী এলাকা গুলির সড়ক এখন পরিষ্কার। গতকাল রাত থেকেই সকল ব্যাবসায়ীরা ছেড়ে দিচ্ছে দখল করা রাস্তাগুলো। এখন বরিশাল দেখলে মনে হয় এযেন এক নতুন বরিশাল।

    ফুটপথ ও রাস্তা দখলমুক্ত থাকায় জনমনে সন্তষ্টি দেখা গেছে। নতুন মেয়রের কাজ দেখে জনগন নতুন সিটি হবে বরিশাল সেই স্বপ্ন দেখছে।