Category: প্রশাসন

  • মাদক রাখার দায়ে বরিশালে পুলিশ কনস্টেবলের কারাদণ্ড

    মাদক রাখার দায়ে বরিশালে পুলিশ কনস্টেবলের কারাদণ্ড

    নিজ হেফাজতে ইয়াবা রাখার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় পুলিশ কনস্টেবল মেহেদী হাসান ও তার সহযোগী আবু সাঈদ সরদারকে পৃথক মেয়াদে কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত। অভিযুক্তদের মধ্যে মেহেদী হাসানকে ৩ বছরের সশ্রম কারাদন্ড ও আবু সাঈদ সরদারকে ১ বছরের সশ্রম কারাদন্ডের আদেশ দেয়া হয়েছে। এছাড়া প্রত্যেককে ৫ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৩ মাস করে কারাদন্ডের আদেশ দেয়া হয়েছে।

    বুধবার অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক শিহাবুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন।

    দন্ডপ্রাপ্ত মেহেদী হাসান বিমানবন্দর থানা এলাকার মুশরিয়ার মৃত আইয়ুব আলী আকনের ছেলে ও মেট্রোপলিটন পুলিশে কর্মরত ছিলেন। বিএমপি পুলিশ কনস্টেবল নম্বর-৮৪০। তার সহযোগী বানারীপাড়া চাখার এলাকার আলী হোসেন সরদারের ছেলে। রায় ঘোষণার সময় কনস্টেবল মেহেদী আদালতে অনুপস্থিত থাকলেও আবু সাঈদ উপস্থিত ছিলেন।

    আদালতের বেঞ্চ সহকারি শাহাদাত হোসেন এজাহারের বরাত দিয়ে জানান, ২০১৭ সালের ৭ জুলাই গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বানারীপাড়া থানার এসআই হেমায়েত উদ্দিন খান তার সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে চাখার শাখারিয়া সড়কের পাশে আলী হোসেন মোল্লার মুদি দোকানের দক্ষিণ পাশে অভিযান চালায়।

    এসময় মেহেদী হাসান ও আবু সাঈদ সরদার পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের আটক করে। পরে মেহেদী হাসানের কাছ থেকে ২৯ পিস ও আবু সাঈদের কাছ থেকে ১০ পিসসহ মোট ৩৯ পিস ইয়াবা উদ্ধার করে মামলা দায়ের করেন। একই বছর ২৬ আগস্ট তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই গাজী মো. নজরুল ইসলাম পেশাদার মাদকসেবী ও ব্যবসায়ী উল্লেখ করে মেহেদী হাসান ও আবু সাঈদ সরদারকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশীট জমা দেন। আদালত ৯ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে বুধবার ওই কারাদন্ডের রায় ঘোষণা করেন।

    বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ সূত্র জানিয়েছে- ইয়াবাসহ আটকের ক’দিনের মথায় কনস্টেবল মেহেদী হাসান খানকে বরখাস্ত করা হয়।

  • প্রশ্নফাঁস সম্ভব নয় : শিক্ষামন্ত্রী

    প্রশ্নফাঁস সম্ভব নয় : শিক্ষামন্ত্রী

    শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, প্রশ্নফাঁস ছাড়াই সারাদেশে সুষ্ঠুভাবে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষা শুরু হয়েছে। প্রশ্নফাঁসের অপকর্ম ঠেকাতে আমাদের যা যা করণীয় আমরা তাই করেছি। ফলে এই পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস হওয়া কোনোরকম সম্ভব নয়।

    বৃহস্পতিবার মতিঝিল সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় ও বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

    শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যারা ভুয়া প্রশ্নপত্র ছড়িয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে তাদেরকে মনিটরিং করা হচ্ছে। দ্রুত তাদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে। কাউকে ছাড় দেয়া হবে না।

    তিনি বলেন, পাবলিক পরীক্ষায় সকল অপকর্ম ঠেকাতে পাঁচ মন্ত্রণালয় কাজ করছে। চার স্তরের নিরাপত্তাবাহিনী নিয়োজিত রয়েছে। ফলে এবার প্রশ্নপত্র ফাঁসের কেউ সুযোগ পাবে না।

    শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, এবার জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষায় ২৬ লাখ ৭০ হাজার ৩৩৩ জন শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে। তার মধ্যে ১৪ লাখ ৪৬ হাজার ৬০১ জন ছাত্রী এবং ১২ লাখ ২৩ হাজার ৭৩২ জন ছাত্র। ছাত্রদের থেকে এবার ২ লাখ ২২ হাজার ৮৬৯ জন ছাত্রী বেশি। দেশের ২৯ হাজার ৬৭৭টি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা দুই হাজার ৯০৩টি কেন্দ্রে জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

    মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে ছেলে-মেয়ের মধ্যে সমতা এসেছে। বরং এবার ছেলেদের চেয়ে ২ লাখ ২২ হাজার ৮৬৯ জন বেশি মেয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছে। ঝরে পড়ার হারও আগের চেয়ে অনেক কমে গেছে। তবে এখনও যতটুকু ঝরে পড়ছে সেসব শিক্ষার্থীদের ধরে রাখার জন্য নানারকম কর্মসূচি গ্রহণ করা হচ্ছে।

    আমাদের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ মানসম্মত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান করা উল্লেখ করে নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, অনেকে বলেন আমাদের শিক্ষার মান বাড়েনি। এটি ঠিক নয়; বরং আগের চেয়ে অনেক পরিবর্তন এসেছে। পাবলিক পরীক্ষা আয়োজন ও ফলাফল প্রকাশে একটি শৃঙ্খলা আনা হয়েছে। বিশ্বের দরবারে মানসম্মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠা করা একটি চ্যালেঞ্জ। সেই একই চ্যালেঞ্জ নিয়ে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি।

    নির্বাচন কমিশনের প্রস্তাব অনুযায়ী বার্ষিক পরীক্ষার সময় পরিবর্তন করা হবে কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, নির্বাচন কমিশনার আগামী ১০ ডিসেম্বরের মধ্যে সকল পরীক্ষা শেষ করার জন্য আহ্বান করেছেন। সিলেবাস অনুযায়ী সকল পর্যায়ের বার্ষিক পরীক্ষা ১০ ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ হয়ে যাবে। ফলে কোনো সমস্যা হবে না।

    এ সসময় আরও উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাদরাসা বিভাগ ও কারিগরি শাখার অতিরিক্ত সচিব জাকির হোসেন ভূঁইয়া, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান মু. জিয়াউল হক, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব নাজমুল হক, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের দায়িতপ্রাপ্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক সামছুল হুদা প্রমুখ।

  • জট খুলল নরসিংদীর লোকমান হত্যার

    জট খুলল নরসিংদীর লোকমান হত্যার

    চাঞ্চল্যকর নরসিংদীর পৌর মেয়র ও শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক লোকমান হোসেন হত্যার প্রায় সাত বছর পর ‘মূল পরিকল্পনাকারী’ মোবারক হোসেন মোবাকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। মঙ্গলবার রাত ১১টায় রাজধানীর ডিওএইচএসের একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পর মোবাকে গোয়েন্দা পুলিশের হেফাজতে নরসিংদীতে আনা হয়। এ সময় তার দেওয়া তথ্যে তার বাসা থেকে দুটি বিদেশি পিস্তল ও সাত রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে পুলিশ।

    পুলিশ জানায়, মোবারক হোসেন মোবা নরসিংদীর প্রয়াত মেয়র লোকমান হোসেন হত্যা মামলার গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি। মামলার অভিযোগপত্র অনুযায়ী তিনি এই হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে গোয়েন্দা পুলিশের উপপরিদর্শক রুপম কুমার সরকার ও জাকারিয়া অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে। তার সঙ্গে রেহানুল ইসলাম ভূঁইয়া লেনিন নামের আরেকজনকে আটক করা হয়েছে। তিনিও বিভিন্ন মামলার গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি। মোবারক হোসেন মোবা মেয়র লোকমান হোসেন হত্যার এক সপ্তাহ আগে দেশত্যাগ করেন। এত দিন তিনি মালয়েশিয়াতে পলাতক ছিলেন। গতকাল বিকালে অস্ত্র আইনের মামলায় নরসিংদীর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রাকিবুল ইসলামের আদালতে মোবারককে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড চায় পুলিশ।  আদালত দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে।

    নরসিংদী জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকতা গোলাম মোস্তফা বলেন, গত ২৫ অক্টোবর দুবাই থেকে দেশে ফিরেন মোবারক। আমরা সব সময় তাকে নজরদারিতে রাখি। তথ্য প্রযুক্তির সহায়তা ও আমাদের সোর্সের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাজধানীর ডিওএইচএসের একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। নরসিংদীর পুলিশ সুপার সাইফুল্লাহ আল মামুন বিপিএম বলেন, ইতিমধ্যে মোবারকের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা হয়েছে। তাকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী ও লোকমানের পরিবারের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ২০১১ সালের ১ নভেম্বর পৌর মেয়র লোকমান হোসেনকে জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে গুলি চালিয়ে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। ওই ঘটনায় নিহতের ভাই কামরুজ্জামান বাদী হয়ে তৎকালীন ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী রাজিউদ্দিন আহমেদের ছোট ভাই সালাহউদ্দিন আহমেদ বাচ্চুকে প্রধান আসামি করে ১৪ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। এর মধ্যে মোবারক হোসেন মোবা ছাড়া বাকিরা সবাই গ্রেফতার হন। বর্তমানে তারা জামিনে রয়েছেন। পুলিশ প্রায় আট মাস তদন্ত করে ২০১২ সালের ২৪ জুন সালাউদ্দিনসহ এজাহারভুক্ত ১১ আসামিকে বাদ দিয়ে অভিযোগপত্র দেয়। অভিযোগপত্রে এজাহারভুক্ত তিন নম্বর আসামি শহর আওয়ামী লীগের সাবেক কোষাধ্যক্ষ মোবারক হোসেন, দুই নম্বর আসামি নরসিংদী পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আবদুল মতিন সরকার, তার ছোট ভাই শহর যুবলীগের সভাপতি আশরাফুল ইসলাম সরকারসহ ১২ জনকে অভিযুক্ত করা হয়। পুলিশের দেওয়া অভিযোগপত্রের প্রতি অনাস্থা জানিয়ে ২০১২ সালের ২৪ জুলাই নরসিংদীর মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতে নারাজি দেন মামলার বাদী কামরুজ্জামান কামরুল। আদালত ২৫ জুলাই নারাজি আবেদন খারিজ করে অভিযোগপত্র বহাল রাখেন।

    পরবর্তীতে ২৮ আগস্ট নারাজি আবেদন খারিজের বিরুদ্ধে জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আপিল করেন বাদী। আদালত ২ সেপ্টেম্বর সেই আবেদন গ্রহণ করে ৪ নভেম্বর শুনানি শেষে ফের নারাজি আবেদন খারিজ করেন। এর পর উচ্চ আদালতে যান বাদী। তিনি ওই অভিযোগপত্র বাতিল করে অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) মাধ্যমে আবার তদন্তের দাবি জানিয়ে নিম্ন আদালতে বিচারকার্য স্থগিত রাখতে রিট পিটিশন দাখিল করেন। আদালত বাদীর আবেদনটি আমলে নিয়ে নিম্ন আদালতে বিচারকার্য স্থগিত করে দেন।  প্রয়াত মেয়র লোকমান হোসেনের ছোট ভাই নরসিংদী শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও নরসিংদী পৌর মেয়র কামরুজ্জামান বলেন, ‘আমার বড় ভাই লোকমান হোসেন হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী মোবারক হোসেন মোবাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এটি নরসিংদীবাসীর জন্য কতটা আনন্দের তা বলে বুঝানো যাবে না। তাও আবার লোকমান ভাইয়ের সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকীর আগের দিন। এখন লোকমান হত্যার আসল খুনিদের নাম বেরিয়ে আসবে। মোবারককে ভালো করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে সব তথ্য পুলিশকে দিবে। সঠিকভাবে তদন্ত করলে লোকমান হত্যার বিচার দ্রুত শেষ হবে এবং খুনিরা শাস্তি পাবে।’

  • বিসিসি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ ও চীনের রাস্ট্রদূত ঝ্যাং জু এর সৌজন্য সাক্ষাৎ

    বিসিসি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ ও চীনের রাস্ট্রদূত ঝ্যাং জু এর সৌজন্য সাক্ষাৎ

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের নবনির্বাচিত মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ  আমন্ত্রনে বরিশালে আসছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ঝ্যাং জু।

    আজ বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টায় নগর ভবনে মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ ভাইয়ের সাথে সৌজন্য সাক্ষ্যাত করবেন চীনা রাষ্ট্রদূত। এসময় পরিকল্পিত নগরায়ন এবং নগর উন্নয়নের বিষয়ে আলোচনা করবেন তারা। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরিশাল জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার জয়দেব চক্রবর্তী।

    তিনি জানান, বরিশাল সিটির নবনির্বাচিত মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর সাথে সৌজন্য সাক্ষাতের জন্য আসছেন চীনা রাষ্ট্রদূত। এর বাইরে বিশেষ কোন কর্মসূচি নেই তার। বেলা সাড়ে ১১টায় সৌজন্য স্বাক্ষাত শেষে তিনি বিমান যোগে পুনরায় ঢাকায় ফিরে যাবেন।

    এ বিষয়ে বিসিসি’র জনসংযোগ কর্মকর্তা আহসান উদ্দিন রোমেল এর সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি ছুটিতে থাকায় কোন তথ্য জানাতে পারেননি। তবে বিসিসি’র নির্বাহী প্রকৌশলী আনিচুজ্জামান বলেন, মেয়র মহোদয়ের আমন্ত্রনে ঢাকায় নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত ঝ্যাং জু নগর ভবন পরিদর্শনে আসবেন। তিনি নগর ভবনে মেয়র এর সাথে সৌজন্য স্বাক্ষ্যত এবং নগর উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলবেন। এর আগে নগর ভবনে চীনা রাষ্ট্রদূতকে সংবর্ধনা জানাবেন মাননীয় মেয়র মহোদয়।

  • বরিশাল নগরীতে দুই ভূয়া ডাক্তারকে আটক করেছে (র‌্যাব-৮)

    বরিশাল নগরীতে দুই ভূয়া ডাক্তারকে আটক করেছে (র‌্যাব-৮)

    শামীম ইসলাম:

    বর্তমানে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ডাক্তার পরিচয়দানকারী ভুয়া ডাক্তার এর ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন অঞ্চলে সাধারণ জনগণকে প্রতারণার মাধ্যমে তাদের ব্যবসা পরিচালনা করছে, এমন তথ্যের ভিত্তিতে র‌্যাব গোয়েন্দা তৎপরতা ও অপারেশন চালিয়ে আসছে।

    এরই ধারাবাহিকতায় র‌্যাব-৮, বরিশাল সিপিএসসি ক্যাম্পের একটি বিশেষ আভিযানিক দল সিনিয়র সহকারী পরিচালক মোঃ হাছান আলী এর নেতৃত্বে ৩১ অক্টোবর বৃহস্পতিবার বরিশাল নগরীর রুপাতলী বাজারে জান্নাত মা ও শিশু প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা কেন্দ্র থেকে ঝালকাঠির মোঃ ইউসুফ আলীর ছেলে মোঃ মিজানুর রহমান(৩৫), এবং চন্দ্রপীর ডেন্টাল কেয়ার থেকে ভূয়া ডাক্তার পরিচয়দানকারী জাগুয়ার আব্দুস সালাম খাঁনের ছেলে কে এম শহিদুল ইসলাম(৩২),আটক করেন।

    পরবর্তীতে বরিশালের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট জয়দেব চক্রবর্তী কর্তৃক মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ডাক্তার এর সার্টিফিকেটের কথা জিঞ্জাসা করলে তারা কোন সদুত্তর দিতে পারেনি এবং কোন বৈধ কাগজপত্র প্রদর্শন করতে ব্যর্থ হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা ২০হাজার টাকা জরিমানা আদায় এবং আসামীদের ১ বছর করে কারাদন্ড প্রদান পূর্বক সরাসরি বরিশাল জেলা কারাগারে প্রেরণ করেন।

    পরবর্তীতে এ ধরণের কর্মকান্ড না করার জন্য নির্দেশ প্রদান করেন।

  • বরিশালে বিএনপি’র মিছিলে পুলিশী বাধায় পণ্ড : গ্রেপ্তার-৫

    বরিশালে বিএনপি’র মিছিলে পুলিশী বাধায় পণ্ড : গ্রেপ্তার-৫

    শামীম ইসলাম:

    বরিশালে আইন শৃঙখলা বাহিনীর তৎপরতা বিএনপি দলীয় অঙ্গ সংগঠনের নেতা কর্মীদের গ্রেফতার সহ একাধিক পুলিশের বাধার মুখে পড়ে দলীয় কার্যলয়ে প্রবেশ করতে না পারার কারনে বিএনপির কেন্দ্রীয় ঘোষিত মানববন্ধন কর্মসূচি ভন্ডূল হয়ে গেছে।

    পুলিশ এসময় জেলা ছাত্রদল সভাপতি সহ ৫জনকে আটক করেছে।
    আজ বুধবার বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মিথ্যা সাজানো মামলায় সরকারের ফরমায়েসি রায়ে সাজা প্রদান করার প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় কর্মসূচি অংশ হিসাবে এক মানববন্ধনের কর্মসূচি পালনের ডাক দেয়া হয়।

    সকাল থেকে সদররোডস্থ অশ্বিনী কুমার টাউন হল সংলগ্ন জেলা ও মহানগর বিএনপি দলীয় কার্যলয়ে আসার পর্বে টাউন হল গেটে আসার আগে দলীয় নেতাদের তাড়িয়ে দেয়। এমনকি সড়কের দু’প্রান্তে বিএনপি সমর্থক ও দলীয় কর্মীদের দাড়াতে দেয়নি পুলিশ।

    সকাল ১০টার পরথেকে মানববন্ধন কর্মসূচিতে অংশ নিতে আশা বিএনপি কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এ্যাড. বিলকিস জাহান শিরিন সহ তার দুই মহিলা নেত্রীকে নিয়ে পুলিশের বাধার সম্মুখিন হন। এক পর্যায়ে শিরিনকে দলীয় কার্যলয়ে যাবার অনুমতি দেওয়া হলে প্রবেশ করতে দেয়া হয়নি দুই মহিলা নেত্রীকে।

    এর বরিশাল উত্তর জেলা বিএনপি সহ-সভাপতি মেহেন্দিগঞ্জ পৌর সাবেক মেয়র সৈয়দ রফিকুল ইসলাম লাবু বিএনপি কার্যলয়ে যেতে চাইলে তাকেও বাধা দিয়ে ফিরিয়ে দেয়া হয়। এর পরপরই বরিশাল আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি ও মহানগর আইন বিষয়ক সম্পাদক এ্যাড. আবুল কালাম আজাদের নেতৃত্বে আসা একদল বিএনপি পন্থি আইনজীবী টাউন হল গেটে পুলিশের বাধার মুখে পরে তাদেরকে ফেরত যেতে হয়।

    পরবর্তীতে মহিলাদলের নেত্রীরা সদররোডে পা রাখতেই তাদেরকে সড়িয়ে দেয়া হয়। এছাড়া আইন শৃঙখলা বাহিনী সিটি কলেজ মুখ, ফকিরবাড়ি, মহিলা কলেজ গলি সহ বিভিন্নস্থানে মোতায়েন করে রেখে কড়া নজরদারীতে রাখা হয়।

    এর পূর্বেই হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ আসনের সাবেক সংসদ ও নিবাহী কমিটির সদস্য মেজবা উদ্দিন ফরহাদ,বরিশাল দক্ষিন জেলা বিএনপি সভাপতি আলহাজ্ব এবায়েদুল হক চাঁন, দক্ষিন জেলা বিএনপি সাধারন সম্পাদক এ্যাড. আবুল কালাম শাহিন, বরিশাল মহানগর বিএনপি সাধারন সম্পাদক জিয়া উদ্দিন সিকদার ও মহিলাদল নেত্রী পাপিয়া জেসমিন দলীয় কার্যলয়ে প্রবেশের অনুমতি পেয়ে অবস্থান নেয়।

    বেলা ১১টারদিকে কেন্দীয় বিএনপি যুগ্ম মহাসচিব ও বরিশাল মহানগর বিএনপি সভাপতি এ্যাড. মজিবর রহমান সরোয়ারের কালো রঙের গাড়ি হলের গেটের কাছাকাছি এসে থামে এসময় মজিবর রহমান সরোয়ার সহ জেলা ছাত্রদল সভাপতি মাহফুজুর রহমান মিঠু গাড়ি থেকে নামার সাথে সাথে একদল বেপরোয়া পুলিশ সরোয়ারের সামনে থেকে চোখের পলকে ছো মেরে সাটের কলার আর দু’হাত ধরে টেনে হিছড়ে ধরে দ্রুত পুলিশ পিকাপে উঠিয়ে দেয়।

    সরোয়ার মিঠুকে ধরে নেবার সময় পুলিশ পিকাপ পর্যন্ত দৌড়ে আসলেও মিঠুর জন্য তিনি কিছুই করতে পারেনি। এরপরই পুলিশ বাহিনী তৎপরতা দেখিয়ে সদররোডের বিভিন্নস্থানে দাড়িয়ে থাকা বিএনপি অংগ সংগঠন জেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের সদস্য নাইমুল ইসলাম প্রিন্স,বিএইচ রিমন,জেলা ছাত্রদলের প্রচার সম্পাদক মোর্সেদ,বিএম কলেজ ছাত্রদল নেতা ওবায়দুল ইসলাম শাওনকে গ্রেপতার করে থানায় নিয়ে যায়।

    পরবর্তীতে টাউনহল চত্বরে বিএনপি কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব এ্যাড.মজিবর রহমান সরোয়ার,কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সাবেক সংসদ এ্যাড.বিলকিস জাহান শিরিন,সাবেক সংসদ ও বরিশাল উত্তর জেলা বিএনপি সভাপতি মেজবা উদ্দিন ফরহাদ,বরিশাল দক্ষিন জেলা বিএনপি সভাপতি এবায়েদুল হক চাঁন,সম্পাদক এ্যাড. আবুল কালাম শাহিন,মহানগর বিএনপি সম্পাদক জিয়া উদ্দিন জিয়া,বিএনপি নেতা সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সদস্য এ্যাড. আলি হায়দার বাবুল সহ কয়েকজনকে সাথে নিয়ে ব্যানার ছাড়া অসহায়ের মত কয়েক মিনিট দাড়িয়ে থেকে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে।

    এর পূর্বে দলীয় কার্যলয়ে দলীয় নেতা-কর্মীদেরকে প্রবেশে বাধা দিয়ে আটকে রাখা প্রসঙ্গে বরিশাল দক্ষিন জেলা বিএনপি সভাপতি আলহাজ্ব এবায়েদুল হক চাঁন বলেন সরকার আজ দেশে পুলিশী রাষ্ট্রে পরিনত করেছে।

    সরকার সংলাপের আহবান জানিয়ে আমাদের দলীয় নেতা-কর্মীদের গ্রেফতার করছে। সেই সাথে আমাদের দলীয় কর্মীদের কার্যলয়ে আসার পথে পথে বাধা প্রদান করে আটকে দিয়ে আমাদের কেন্দ্রীয় শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন কর্মসূচি পালনে তারা বাধা প্রদান করছে।

    এমনকি রাস্তায় শুধু বিএনপি নয় সাধারন মানুষও রাস্তায় দাড়াতে পারছে না।
    পুলিশের এমন আচরনে সাধারন পথচারী মানুষ ভীত সন্ত্রস্থ হয়ে পড়েছে।

    এ ব্যাপারে কোতয়ালী মডেল থানা অফিসার ইনচার্জ নুরুল ইসলাম (পিপিএম)বলেন, আমরা কারো হয়রানী করতে আসিনি শহরের ভিতর আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন ও অপ্রিতকর ঘটনা এড়াতেই অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

  • বরিশাল নগরীতে ৭৫ পিচ ইয়াবাসহ দুই মাদক বিক্রেতা গ্রেফতার

    বরিশাল নগরীতে ৭৫ পিচ ইয়াবাসহ দুই মাদক বিক্রেতা গ্রেফতার

    শামীম ইসলাম:

    বরিশাল নগরীতে মাদক বিরোধী অভিযানে মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন হেনা ওরফে হেনা (৪২) এবং মোঃ আবু সাঈদ শাহীন (৩২) নামের দুই মাদক বিক্রেতাকে ৭৫ পিচ ইয়াবাসহ গ্রেফতার করেছে বিএমপি পুলিশ। মঙ্গলবার ৩০ অক্টোবর নগরীর সদর রোড এবং বিএম কলেজ রোড থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

    গ্রেফতারকৃত মোঃ আবু সাঈদ শাহীন মুক্তাগাছা এলাকার মোঃ হাবিবুর রহমানের ছেলে এবং মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন হেনা ওরফে হেনা বরিশাল সদর উপজেলার ছোনের মসজিদ এলাকার মৃত সিরাজ উদ্দিন হাওলাদারের ছেলে।

    গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার ২টার দিকে গোয়েন্দা শাখার এসআই মোঃ দেলোয়ার হোসেন কোতয়ালি মডেল থানাধীন দক্ষিন সদর রোডস্থ সেন্ট পিটার মার্কেটের ৫নং ষ্টল  প্রীমা গ্লাস এন্ড থাই এ্যালুমোনিয়াম সেন্টার নামক দোকানের সামনে পাকা রাস্তার উপর থেকে আসামী মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন হেনা ৬০ (ষাট) পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট সহ গ্রেফতার করেন। এ ঘটনায় মাদক আইনে কোতয়ালি মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    অপরদিকে একই দিন বিকাল সাড়ে ৪টায় গোয়েন্দা শাখার এসআই ইউনুস আলী ফরাজী গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোতয়ালি মডেল থানাধীন ২০নং ওয়ার্ডের বিএম কলেজ রোডস্থ বিএম কলেজ মসজিদ গেইটের পশ্চিম দিকে “আরাফা ডিপার্টমেন্টাল স্টোর” নামক দোকানের সামনে পাকা রাস্তার উপর থেকে মোঃ আবু সাঈদ শাহীনকে ১৫ (পনের) পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট সহ গ্রেফতার করেন। এ ঘটনায় কোতয়ালি মডেল থানায় সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

  • বরিশালে রাস্তায় কুড়িয়ে পাওয়া শিশুটির মূল্য ১ কোটি টাকা

    বরিশালে রাস্তায় কুড়িয়ে পাওয়া শিশুটির মূল্য ১ কোটি টাকা

    শামীম ইসলাম:

    আদর যত্নে সন্তুষ্ট হয়ে বরিশাল নগরীর সিটি কলেজ ক্যাম্পাস গলি থেকে কুড়িয়ে পাওয়া শিশুটিকে সদ্য সাবেক মেয়র আহসান হাবিব কামালের ছেলে কামরুল আহসান রুপনের জিম্মায় দিয়েছেন আদালত।

    গতকাল রোববার শিশুটির উপস্থিতিতে শুনানী শেষে শিশু আদালতের বিচারক মো. মিজানুর রহমান এ আদেশ দেন। একই আদেশে বিচারক উপস্থিত আইনজীবী ও বাচ্চা নিতে আগ্রহী ৭ আবেদনকারীকে অবহিত করেন ব্যক্তিগতভাবে তিনি (বিচারক) খোঁজ রেখেছেন বাচ্চাটির।

    তাদের লালন-পালনে সন্তুষ্ট হয়ে এ আদেশ দেয়া হলো। আর আবেদনকারীদের ওই দিন আবেদন করার নির্দেশ দেন। আদালত সূত্র থেকে জানা গেছে, কুড়িয়ে পাওয়া শিশুটির খবর পেয়ে নগরীর নিউ সার্কুলার রোডের বাসিন্দা নিঃসন্তান আয়শা সিদ্দিকা শিশু আদালতের বিচারকের নিকট শিশুটিকে লালন-পালনের আবেদন করেন।

    এ আবেদনের প্রেক্ষিতে ২৪ অক্টোবর শুনানী শেষে শিশুটির লিগ্যাল অভিভাবক না পাওয়া পর্যন্ত বর্তমানে যাদের নিকট রয়েছে তাদের কাছে রাখার নির্দেশ দেন বিচারক। একই আদেশে গতকাল শিশুটির উপস্থিতিতে শুনানীর দিন ধার্য্য করা হয়। নির্ধারিত দিনে শিশুটির দায়িত্ব নেয়া রুপন শিশুটিকে নিয়ে আদালতে হাজির হন। এ সময় শিশুটিকে কিভাবে লালন-পালন করছেন তা দেখানোর জন্য শিশুর ব্যবহৃত জামাকাপড় থেকে শুরু করে খাবার এবং শিশু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদ্বারা তিনবার চেকআপ করানোর ব্যবস্থাপত্র উপস্থাপন করা হয়।

    ওই ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী ওষুধও আদালতের বিচারককে দেখানো হয়। এ সময় শিশুটিকে লালন-পালনের জন্য নিতে আগ্রহী বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেলের এক চিকিৎসক, ঝিনাইদাহ’র ডাচ বাংলা ব্যাংকের  ম্যানেজার এবং ব্যবসায়ীসহ ৭ জন আইনজীবীর মাধ্যমে আবেদনকারী হাজির হন। ডাচ বাংলা ব্যাংকের ম্যানেজার ৫ লাখ টাকার বন্ড নিয়ে হাজির হয়েছিলেন। নিঃসন্তান এ দম্পত্তি যে কোন মূল্যে শিশুটিকে নিতে চায়। কিন্তু তাদের আবেদন গ্রহণ করেননি বিচারক। শুনানী শেষে বিচারক জানান, বরিশালের গৈলা বেবীহোমের চেয়ে রুপনের নিকট শিশুটি খুব যত্নে রয়েছে।

    তাছাড়া রুপনের সন্তান থাকায় তিনি আবেদন করেননি। শিশুটি রুপনের কাছে আদর যত্নে লালিত-পালিত হওয়ায় আদালত সন্তুষ্ট হয়ে ১ জানুয়ারী পর্যন্ত তার জিম্মায় দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আর যারা শিশুটিকে লালন-পালন করতে আগ্রহী আবেদনকারীদের ওই দিন (১ জানুয়ারী) আবেদন জমা দেয়ার নির্দেশ দেন। আবেদনকারীদের আবেদন যাচাই-বাছাই করে পরবর্তী শুনানীর দিন ধার্য করা হবে।

    সেখানে সিদ্ধান্ত হবে শিশুটিকে কোথায় দেয়া যায়। তবে কোন বেবীহোম ছাড়া কোন ব্যক্তিকে দেয়া হলে সে ক্ষেত্রে শিশুটির উজ্জল ভবিষ্যতের জন্য ১০ লাখ টাকার বন্ড দিয়ে নিতে হবে। ওই সময় সেখানে উপস্থিত আবেদনকারীদের মধ্যে একজন কোটি টাকা বন্ড দিয়ে হলেও শিশুটি নিতে রাজী। গত ১০ অক্টোবর রাতে বরিশাল নগরীর সিটি কলেজ এলাকার নবাব কোয়াটারের নাছির উদ্দিনের বাসার গৃহপরিচারিকা মিনারা বেগম বাসার ময়লা ডাস্টবিনে ফিলতে যান। ডাস্টবিনের যাওযার পূর্ব মুহূর্তে ৩টি কুকুর ডেকে যাচ্ছিল। বুয়ার সন্দেহ হলে তিনি সিটি কলেজের গেট পেরিয়ে ভিতরে দেখতে পান তোয়ালে পেচানো ফুটফুটে একটি শিশু কান্না করছে।

    শিশুটিকে কোলে তুলে মালিকের স্ত্রীর কাছে নিয়ে যান বুয়া। নাছির উদ্দিনের স্ত্রী তার নাত জামাই বিদায়ী মেয়র কামালের ছেলে রুপনকে অবহিত করেন। রুপন কোতোয়ালী মডেল থানাকে অবহিত করলে পুলিশ এসে শিশুটিকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। একই সাথে সাধারণ ডায়েরী করে লিগ্যাল অভিভাবক অথবা আদালতের নির্দেশ না আসা পর্যন্ত রুপনের জিম্মায় দেয়।

    ওই সময় থেকে শিশুটি রুপনের শ্বশুড়বাড়ি নগরীর বাজার রোডের ব্যবসায়ী প্রয়াত মিরাজ আহমদের স্ত্রী কানিজ ফাতেমা লালন-পালন করছেন। শিশুটির নাম রাখা হয়েছে আয়েশা।

  • অন্যায় ও দূ্র্ণীতীর প্রশ্রয় দেননা মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ : করলেন নতুন চমকের সৃষ্টি

    অন্যায় ও দূ্র্ণীতীর প্রশ্রয় দেননা মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ : করলেন নতুন চমকের সৃষ্টি

    নগরীর ৭ নং ওয়ার্ডের বর্মন রোডে নিজ স্ত্রীর জমিতে গড়ে ওঠা অবৈধ ভবন নিয়ম না মেনে ভেঙে ফেলায় বিসিসির কর্মকর্তাদের হুশিয়ারী ও সতর্ক করলেন মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ।

    বিসিসি সূত্রে জানা যায় বিগত ছয় মাস পূর্বে বর্মন রোডে মেয়র সাদিক আবদুল্লাহর সহ ধর্মীনি লিপি আবদুল্লাহর পৈত্রিক জমির অংশে পাশের ভবনের মালিক অবৈধ ভাবে তার ভবন নির্মান করেন। বিষয়টি তাৎক্ষনিক লিপি আবদুল্লাহর মা বিসিসির সাবেক মেয়র আহসান হাবীব কামালকে লিখিতভাবে অভিযোগ করেন। বিসিসি কর্তৃপক্ষ তদন্ত কমিটির মাধ্যমে অভিযোগের সত্যতা পায়। কিন্তু তখনকার মেয়রের দায়িত্বে থাকা কামাল ভবনটির অবৈধ অংশ ভাঙার কোন পদক্ষেপ নেননি।

    কিন্তু বর্তমান মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ্ নির্বাচিত হওয়ার পর গত ২২ অক্টোবর শপথ নিয়ে দায়িত্ব গ্রহনের আগের দিন পরিকল্পিতভাবে ভবনটির অবৈধ অংশ ভেঙে ফেলেন বিসিসি কর্তৃপক্ষ। ভবনটি ভাঙা সম্পর্কে বর্তমান মেয়রকে কোন ধরনের তথ্য দেয়া বা অবহিত করা হয়নি।

    তাই মঙ্গলবার বিষয়টি জানতে পেরে মেয়র নিজেই বর্মন রোডের ওই ভবনটির ভেঙে ফেলা অংশ পরিদর্শন করেন। এসময় তিনি বিসিসির কর্মকর্তাদের হুসিয়ারী দিয়ে বলেন অবৈধভাবে নির্মানাধীন যে কোন ভবনই বিসিসি কর্তৃপক্ষ নিয়ম মেনে ভাঙার বিধান রয়েছে। কিন্তু উদ্দেশ্য প্রনোদিত ভাবে বা তাকে খুশি করার জন্য কোন ভবন ভেঙে বিতর্ক সৃষ্টি করা যাবেনা।

    এসময় মেয়র সংশ্লিস্ট কর্মকর্তাদের পুনরায় ওই ভবনের সঠিক তদন্ত করার জন্য বিসিসি সচিব, সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের কাউন্সিলর রফিকুল ইসলাম খোকন ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর কহিনুর বেগম এর সমন্বয়ে তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি করার নির্দেশ দেন।

  • আগৈলঝাড়ায় ইয়াবাসহ দুই ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ

    আগৈলঝাড়ায় ইয়াবাসহ দুই ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ

    শামীম ইসলাম:

    আগৈলঝাড়ায় ইয়াবাসহ পুলিশের তালিকাভুক্ত দুই ব্যবসায়িকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    আগৈলঝাড়া থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আফজাল হোসেন জানান, সোমবার রাতে মাদক কেনা বেচার গোপন সংবাদের খবর পেয়ে এসআই দেলোয়ার হোসেন জানান সঙ্গিয় ফোর্স নিয়ে সুজনকাঠী গ্রামে জেলা পরিষদের পুরান ডাক বাংলো সড়কের উপর থেকে মধ্য শিহিপাশা গ্রামের লোকমান ফকিরের ছেলে সুজন ফকির (২৭)কে আট পিচ ইয়াবাসহ গ্রেফতার করা হয়।

    এ সময় পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে যায় তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ি পশ্চিম সুজনকাঠী গ্রামের সুলতান হাওলাদারের ছেলে দ্রুত বিচারসহ একাধিক মামলার আসামী জাহিদ হাওলাদার পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

    পরে অভিযান চালিয়ে সুজনকাঠি গ্রাম থেকে ওই পালিয়ে যাওয়া মাদক ব্যবসায়ি জাহিদকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

    এঘটনায় ওই রাতেই এসআই দেলোয়ার হোসেন বাদী হয়ে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দুই জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করেন, নং-১৯ (২৯.১০.১৮)। গ্রেফতারকৃতদের মঙ্গলবার আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।