Category: প্রশাসন

  • প্রধানমন্ত্রীকে ড. কামালের চিঠি

    প্রধানমন্ত্রীকে ড. কামালের চিঠি

    সংলাপ চেয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী এবং সাধারণ সম্পাদক বরাবর দুটি চিঠি দিয়েছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। রোববার সন্ধ্যা সাতটার পর রাজধানীর ধানমন্ডি আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যালয়ে চিঠি দুটি পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

    চিঠি দুটি পৌঁছে দেন ঐক্যফ্রন্টের সমন্বয় কমিটির সদস্য জগলুল হায়দার আফ্রিক ও আ হ ম শফিকুল্লাহ। আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক আব্দুস সোবহান গোলাপ চিঠি দুটি গ্রহণ করেন।

    চিঠি দেওয়ার পর জগলুল হায়দার সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা দুটি চিঠি নিয়ে এসেছি। একটি আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা এবং অপরটি সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বরাবর দিয়েছে। আমাদের সাত দফার বিষয়ে তাঁদের চিঠি দিয়েছে।’

    চিঠির বিষয়ে আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক আব্দুস সোবহান গোলাপ সাংবাদিকদের বলেন ‘ওনারা দুটি চিঠি দিয়ে গেছেন। এখনো চিঠি খুলিনি, চিঠিতে কী লেখা তা আমি জানি না। কিছুক্ষণ পর সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের আসবেন। ওনার কাছে চিঠি দেওয়া হবে। কাল অপর চিঠিটি সভানেত্রীকে (শেখ হাসিনা) দেওয়া হবে। সভানেত্রীর সঙ্গে বসে চিঠির বিষয়ে আলোচনা করে আমাদের সিদ্ধান্ত পরে অবগত করা হবে।’

    প্রধানমন্ত্রী বরাবর চিঠিতে ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেনের স্বাক্ষর রয়েছে। আর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বরাবর পাঠানো চিঠিতে ঐক্যফ্রন্ট নেতা ও গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসিন মন্টুর স্বাক্ষর রয়েছে।

    প্রধানমন্ত্রীর কাছে ড. কামাল হোসেনের লেখা চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘যে সকল মহান আদর্শ ও মূল্যবোধ আমাদের জনগণকে মুক্তির সংগ্রামে উদ্বুদ্ধ করেছিল, তার অন্যতম হচ্ছে ‘গণতন্ত্র’। গণতন্ত্রের প্রথম শর্তই হচ্ছে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠান। জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধিরা জনগণের পক্ষে জনগণের ক্ষমতা প্রয়োগ করবে এবং জনগণকে শোষণ থেকে মুক্তির লক্ষ্যে রাষ্ট্রের আইন প্রণয়ন ও শাসনকার্য পরিচালনা করবে। এটাই আমাদের সাংবিধানিক অঙ্গীকার।’

    ‘আপনি নিশ্চয়ই একমত হবেন যে, বাংলাদেশের জনগণ নির্বাচনকে মহোৎসব মনে করে। এক ব্যক্তির এক ভোটের বিধান জনগণের জন্য বঙ্গবন্ধুই নিশ্চিত করেছেন। যা রক্ষা করা সকলের সাংবিধানিক দায়িত্ব।’

    চিঠিতে আরও লেখা হয়েছে, ‘ইতিবাচক রাজনীতি একটা জাতিকে কীভাবে ঐক্যবদ্ধ করে ন্যায়সংগত অধিকারগুলো আদায়ের মূলশক্তিতে পরিণত করে-তা বঙ্গবন্ধু আমাদের শিখিয়েছেন। নেতিবাচক রুগ্‌ণ রাজনীতি কীভাবে আমাদের জাতিকে বিভক্ত ও মহাসংকটের মধ্যে ফেলে দিয়েছে। তাও আমাদের অজানা নয়। এই সংকট থেকে উত্তরণ ঘটানো আজ আমাদের জাতীয় চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট সাত দফা দাবি ও ১১ দফা লক্ষ্য ঘোষণা করেছে। শান্তিপূর্ণ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে সকলের অংশগ্রহণ ও প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে- জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সঙ্গে একটি অর্থবহ সংলাপের তাগিদ অনুভব করছে এবং সেই লক্ষ্যে আপনার কার্যকর উদ্যোগ প্রত্যাশা করছি।

  • পুরান ঢাকায় কলেজছাত্রীকে যৌন হয়রানি, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

    পুরান ঢাকায় কলেজছাত্রীকে যৌন হয়রানি, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

    রাজধানীর ওয়ারী এলাকায় কলেজছাত্রীকে যৌন হয়রানি মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আসামির নাম মো. রাকিব (২২)। গতকাল শনিবার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালত আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

    মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ওয়ারী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) তামান্না আক্তারী  বলেন, কলেজছাত্রীকে যৌন হয়রানি করার দায়ে চাঁদপুরে অভিযান চালিয়ে রাকিবকে গ্রেপ্তার করেছেন তিনি। যৌন হয়রানি করার কথা স্বীকার করেছেন রাকিব।

    এর আগে ওয়ারী থানায় কলেজছাত্রীর করা যৌন হয়রানির মামলায় ১২ অক্টোবর আরও তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে ওয়ারী থানা-পুলিশ। তিন আসামি হলেন সাদ্দাম হোসেন (২৪), আবু বক্কর সিদ্দিক (২০) ও মো. গণি (২০)। আসামিরা এখন কারাগারে আছেন। এই তিনজনের আইনজীবী আদালতে দাবি করেছেন, হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলায় তাঁদের ফাঁসানো হয়েছে। এ মামলায় এজাহারে নাম থাকা আরও তিন আসামি পলাতক আছেন। তাঁরা হলেন হানিফ (২০), আল-আমিন (২৩) ও আরিফ (২৩)।

    মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, যৌন হয়রানির শিকার ওই কলেজছাত্রী পুরান ঢাকার একটি কলেজে পড়াশোনা করেন। ১০ অক্টোবর ক্লাস শেষে সহপাঠীদের সঙ্গে নিয়ে বাসায় ফিরছিলেন। আসামি রাকিব হোসেনসহ ৮ থেকে ১০ জন ওই ছাত্রীদের ঘিরে ধরেন। অশ্লীল কথা বলতে থাকেন। একপর্যায়ে রাকিব হোসেন একটা ডিম ভেঙে কলেজছাত্রীর মাথায় লাগিয়ে দেন।

    পুলিশ কর্মকর্তা তামান্না আক্তারী  বলেন, রাকিবসহ অন্য আসামিরা স্বীকার করেছেন, আগে থেকে তাঁরা কলেজছাত্রীদের উত্ত্যক্ত করে আসছিলেন। আসামি রাকিব সেদিন কাঁচা ডিম ভেঙে কলেজছাত্রীর মাথায় মাখিয়ে দেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন।

    কলেজছাত্রীর ফুফাতো ভাই বলেন, এ ঘটনায় জড়িত আসামিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চান।

  • ধর্মঘাটে অ্যাম্বুলেন্স আটকা পরে,মারা গেল ৭ দিনের শিশু

    ধর্মঘাটে অ্যাম্বুলেন্স আটকা পরে,মারা গেল ৭ দিনের শিশু

    পরিবহন শ্রমিকদের ডাকা ৪৮ ঘন্টার কর্মবিরতি চলাকালে মৌলভীবাজারের বড়লেখায় অ্যাম্বুলেন্স আটকা পড়ে এক শিশু মারা গেছে। রবিবার দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার চান্দগ্রাম এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

    নিহত শিশুটি বড়লেখা সদর ইউনিয়নের অজমির গ্রামের কুটন মিয়ার মেয়ে। মাত্র ৭ দিন আগে শিশুটির জন্ম হয়েছিল। এখনও তার নাম রাখা হয়নি।
    শিশুটির চাচা আকবর আলী বিকেলে বলেন, গত রাত থেকে বাচ্চাটা কোন কিছইু খাচ্ছিল না, শুধু কাঁদছিল। সকালে আমরা শিশুটিকে উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে যাই। পরে হাসপাতালের চিকিৎসকরা তাকে দ্রুত সিলেট নেওয়ার জন্য বলেন। চিকিৎসকের কথা মত আমরা বাচ্চাটিকে অ্যাম্বুলেন্সে করে সিলেটের উদ্দেশ্যে রওনা দেই।

    তিনি অভিযোগ করে বলেন, সিলেট যাওয়ার পথে বড়লেখা উপজেলার দরগাবাজারে অ্যাম্বুলেন্সটি আটকে দেয় পরিবহন শ্রমিকরা। কিছুক্ষণ পর ছেড়ে দেয়। একইভাবে দাসেরবাজার এলকায় আটকানোর পর তাদের ছাড়া হয়। সেখান থেকে ছাড়া পেয়ে চান্দগ্রাম বাজারে আবারও শ্রমিকরা গাড়িটি আটকায়। এসময় অ্যাম্বুলেন্স চালককে গাড়ি থেকে নামিয়ে মারধর করা হয়।

    শিশুটি এখানেই একেবারেই নিস্তেজ হয়ে পড়ে। আমরা দ্রুত শিশুটিকে বিয়ানীবাজার হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মাত্র সাতদিন আগে বাচ্চাটার জন্ম হয়েছিল। এ ঘটনায় আমরা থানায় অভিযোগ করেছি।

    বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইয়াছিনুল হক বলেন, ঘটনাটা শুনেছি। তবে কেউ এ ব্যাপারে এখনও কোনো অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে ভিডিও দিতে পারবে না পুলিশ

    অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে ভিডিও দিতে পারবে না পুলিশ

    আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম-ফেসবুকে প্রায়ই ভিডিও আপলোড করতে দেখা যায়। এর কোনোটি ব্যক্তিগত ‘সুনাম’ আবার কোনোটি অন্যের ‘দুর্নাম’ ছড়ানোর জন্য।

    সম্প্রতি রাজধানীর রামপুরায় পুলিশ চেকপোস্টে এক তরুণীকে হয়রানি এবং সেই ভিডিও পোস্ট করায় তীব্র সমালোচনায় পড়ে পুলিশ। তদন্ত শুরু হয় অভিযুক্ত পাঁচ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে।

    তবে এ ধরনের ঘটনা এটাই প্রথম নয়। এর আগেও পুলিশ সদস্যরা বিভিন্ন ঘটনার ভিডিও ফেসবুকে দিয়ে সুনাম অর্জনের চেষ্টা করেছেন। তবে এবারের ঘটনা নাড়া দিয়েছে গোটা বাহিনীকে। এর স্থায়ী সমাধান হিসেবে পুলিশ সদস্যদের ফেসবুক ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণ আনা হচ্ছে। ফেসবুকে কোনো ভিডিও আপলোড করতে হলে ঊর্ধ্বতন অফিসার অথবা ইউনিট প্রধানের অনুমতি লাগবে।

    শনিবার (২৭ অক্টোবর) পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি) সোহেল রানা বলেন, ‘একজন পুলিশ কর্মকর্তা তার ইউনিট প্রধানের অফিসিয়াল অনুমতি ছাড়া ব্যক্তিগত ধারণকৃত ভিডিও ফেসবুকে আপলোড করতে পারবেন না। সেটি জনকল্যাণমূলক কিংবা অপারেশনাল যে ধরনের ভিডিওই হোক না কেন। যে কাউকে এ ধরনের ভিডিও আপলোড এবং শেয়ার করার আগে প্রোপার চ্যানেলে (নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ায়) অনুমতি নিতে হবে।

    সম্প্রতি রাজধানীর রামপুরা চেকপোস্টে কয়েকজন পুলিশ সদস্যের হাতে এক নারী হয়রানির ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ায় সমাজে তীব্র বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। ভিডিওটি আপলোড করেন এক পুলিশ সদস্য। এতে একজন নারীকে তল্লাশি না করে অপ্রাসঙ্গিক ও আজেবাজে মন্তব্য করতে শোনা যায়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ রকম অসংবেদনশীল আচরণের জন্য পুলিশের সমালোচনা করে সাধারণ মানুষ।

    এ ঘটনায় রামপুরা থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) ইকবাল হোসেন ও মিরপুরের পাবলিক অর্ডার ম্যানেজমেন্টের (পিওএম) চার কনস্টেবল রকিবুল, জিতু, তৌহিদুল ও মিজানুরকে শনাক্ত করে বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে। পাশাপাশি দায়িত্ব থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে টিম লিডার এএসআই ইকবাল হোসেনকে।

    এ বিষয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, ‘যে এ ভিডিওটি ধারণ করে ফেসবুকে আপলোড করেছেন তিনিও পুলিশেরই সদস্য। তিনি ভেবেছিলেন ওই ভিডিওটা প্রকাশ করলে তার হয়তো সুনাম হবে।

    তবে ‘সুনাম অর্জনের’ জন্য পুলিশের এ ধরনের কাজকর্ম এটাই প্রথম নয়। চলতি বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর রাজধানীর মিরপুর ১৩ নম্বরে স্কলাস্টিকা স্কুলের সামনে পুলিশের প্রতি ‘সরকারদলীয় এমপির মেয়ে’ দাবি করা এক নারীর আগ্রাসী আচরণের ভিডিও ফেসবুকে আপলোড করেন ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্ট ঝোটন সিকদার। ভিডিওটি দেখে অনেকেই ওই নারীকে নিয়ে কটূক্তি করেন। তবে ভিডিওটিতে নারীর অসদাচরণের আগের কোনো চিত্র ছিল না। ঘটনার প্রেক্ষাপটটিও উল্লেখ করা হয়নি ভিডিওতে।

    এ ছাড়া চলতি বছরের ১৯ জানুয়ারি রাতে রাজধানীর বেইলি রোডের সিদ্ধেশ্বরী গার্লস কলেজের সামনে গাড়িতে চড়ে উল্টোপথে ফিরছিলেন একজন সাংবাদিক নেতা ৷ সার্জেন্ট কাওসার হামিদ গাড়িটি আটকে দিলে তার সঙ্গে ওই সাংবাদিক নেতার কথা কাটাকাটি হয়। সেটি এক প্রত্যক্ষদর্শী ভিডিও করে ফেসবুকে দিয়েছিলেন। ভিডিওটি দেখে অনেকেই সাংবাদিক নেতা ও সাংবাদিকদের তীব্র সমালোচনা করেন।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পুলিশের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, পুলিশের বিপিএম ও পিপিএম পদক, আইজিপি ব্যাচ ইত্যাদি অর্জনের জন্য সদস্যদের ভালো কাজের উদাহরণ দিতে হয়। অনেকেই নানা ধরনের ‘জনকল্যাণমূলক’ কাজ করে সেগুলো ফেসবুকে ছড়িয়ে দিতে চান। এ ভিডিওটি তারই একটি অংশ।

    এ ধরনের ঘটনা সমাজে নাগরিকদের সম্মানহানি ঘটায় উল্লেখ করে সমাজ বিজ্ঞানীরা এ প্রবণতাকে অনৈতিক বলে উল্লেখ করেন।

    বিশেষজ্ঞরা বলেন, ‘যে সমস্ত বাহিনীগুলো শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে কাজ তাদের একটা নৈতিক মানদণ্ড রয়েছে। পুলিশ বাহিনীও এ মানদণ্ডের বাইরে নয়। তাদের পেশাগত অনুশীলন, ওরিয়েন্টেশন, প্রফেশনাল কোড অব ইথিকস মেনে প্রতি সদস্যকে দায়িত্ব পালন করতে হয়। নাগরিকদের সঙ্গে পুলিশের এমন আচরণ পেশাদারী মনোভাবের প্রকাশ করে না।’

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইন্সটিটিউটের সহকারী অধ্যাপক এবং সমাজ ও অপরাধ বিশ্লেষক তৌহিদুল হক বলেন, ‘সম্প্রতি এক তরুণীর সঙ্গে রাতে তল্লাশির নামে যে ধরনের আচরণ হয়েছে, তাতে পুলিশের পেশাদারিত্বের অভাব ও প্রশিক্ষণহীনতা প্রকাশ পায়। যদিও পুলিশ প্রশাসন পাঁচজনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে। কিন্তু এ ধরনের মনোভাবসম্পন্ন পুলিশ আরও অনেক রয়েছে। পুলিশ সদস্য ইউনিফর্ম পরা অবস্থায় তল্লাশি করে কিছু না পাওয়া কিংবা না পাওয়া গেলেও এর ভিডিও প্রকাশ করলে ওই ব্যক্তির ইমেজ এবং সামাজিক অবস্থানের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। পুলিশকে সব সময় তল্লাশি ও আচার আচরণে সতর্ক হতে হবে। অন্যথায় পুলিশের সঙ্গে সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের বিশ্বাসের সংকট বড় হবে।

    তিনি আরও বলেন, ‘এ ধরনের আচরণের কারণে পুলিশ প্রশাসন নাগরিকদের কাছে যেতে পারছে না। সাধারণ নাগরিক তাদের আপন করে নিচ্ছেন না। যারা আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ করবে তারাই যদি আইন ভাঙে। তবে সমাজে অপরাধ ও অপরাধী বাড়বে।

  • এ মুহূর্তে সড়ক পরিবহন আইন পরিবর্তনের সুযোগ নেই

    এ মুহূর্তে সড়ক পরিবহন আইন পরিবর্তনের সুযোগ নেই

    সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ এ মুহূর্তে পরিবর্তনের সুযোগ নেই। পরিবহন শ্রমিকদের দাবির বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে। পরবর্তী সংসদের জন্য অপেক্ষা করতে হবে।

    আজ সকালে রাজধানীর সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সেতু ভবনে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

    এসময় সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের জনস্বার্থে শ্রমিকদের ডাকা ধর্মঘট প্রত্যাহারের অনুরোধ জানান।

    প্রসঙ্গত, সংসদে পাসকৃত ‘সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮’-এর বিভিন্ন ধারা সংশোধনসহ ৮ দফা দাবিতে আজ সকাল ৬টা থেকে সারা দেশে ৪৮ ঘণ্টার পরিবহন ধর্মঘট চলছে। সধর্মঘটের ফলে রাজধানীর রাস্তায় যেমন চলছে না যানবাহন, তেমনি ঢাকা থেকে দূরপাল্লার কোনো গাড়ি ছেড়েও যেতে পারছে না, ঢুকতেও পারছে না ঢাকায়। পরিবহন না পেয়ে মানুষকে দীর্ঘ সময় ধরে অপেক্ষায় থাকতে দেখা গেছে। বিশেষ করে নারী ও বয়স্কদের পড়তে হয়েছে বেশি ভোগান্তিতে।

  • অর্থ ও মাদকসহ চট্টগ্রাম কারাগারের জেলার আটক

    অর্থ ও মাদকসহ চট্টগ্রাম কারাগারের জেলার আটক

    কিশোরগঞ্জের ভৈরবে বিপুল পরিমাণ অর্থ ও মাদকসহ এক জেলারকে আটক করা হয়েছে। আজ শুক্রবার দুপুরে ময়মনসিংহগামী একটি ট্রেন থেকে তাঁকে আটক করে রেলওয়ে পুলিশ।

    পুলিশ জানিয়েছে, চট্টগ্রাম কারাগারে কর্মরত ওই জেলারের নাম সোহেল রানা বিশ্বাস। তিনি চট্টগ্রাম থেকে ময়মনসিংহগামী আন্তনগর বিজয় এক্সপ্রেসে গ্রামের বাড়ি যাচ্ছিলেন।

    ভৈরব রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আ. মজিদ জানান, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে পুলিশ ভৈরব স্টেশনে অবস্থান নেয়। বিজয় এক্সপ্রেস ১২টা ৪০ মিনিটে স্টেশনে যাত্রাবিরতি দেয়। জেলার সোহেল রানা ট্রেনের কেবিনে ছিলেন। সেখানে তল্লাশির একপর্যায়ে তাঁর দুটি ব্যাগ থেকে থেকে ৪৪ লাখ ৪৩ হাজার টাকা, ২ কোটি ৫০ লাখ টাকার ফিক্সড ডিপোজিট রিসিপট (এফডিআর), ১ কোটি ৩০ লাখ টাকার চেক, বিভিন্ন ব্যাংকের ৫টি চেক বই, একটি ডিএসএলআর ক্যামেরা ও ১২ বোতল ফেনসিডিল জব্দ করা হয়। পরে সোহেল রানাকে আটক করে ভৈরব রেলওয়ে থানায় আনা হয়।

    পুলিশ হেফাজতে সোহেল রানা জব্দ হওয়া টাকা বহন করার কথা পুলিশ ও গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে স্বীকার করেন। সোহেল রানা বলেন, তাঁর বাড়ি ময়মনসিংহ সদরের আর কে মিশন রোড। বাবার নাম জিন্নাত আলী বিশ্বাস। চাকরির বয়স প্রায় ১৮ বছর। গত বছরের ২৭ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম কারাগারের জেলার হিসেবে যোগ দেন। এর আগে তিনি এক বছর নরসিংদী কারাগারে জেলার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

    টাকার উৎস ও গন্তব্য সম্পর্কে জানতে চাইলে সোহেল রানা বলেন, পুরো টাকা অবৈধ প্রক্রিয়ায় পাওয়া। ওই টাকার মধ্যে ৫ লাখ ছিল তাঁর। ট্রেনে ওঠার আগে বন্দীদের খাবার সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের একজন ঠিকাদার তাঁকে দিয়ে যান। বাকি টাকা চট্টগ্রাম বিভাগের ডিআইজি পার্থ কুমার বণিক ও চট্টগ্রাম কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার প্রশান্ত কুমার বণিকের। সোহেল রানা বলেন, ১ নভেম্বর ঢাকার কাশিমপুর কারাগারে জেলারদের নিয়ে সম্মেলন হবে। ওই সম্মেলনে যোগ দেওয়ার আগে তিনি তিন দিনের ছুটিতে গ্রামের বাড়ি যাচ্ছিলেন। ওই দুই কর্মকর্তা চট্টগ্রামেই থাকেন। কিন্তু সর্বশেষ দুই মাসের মাসোহারা তাঁর কাছ থেকে চট্টগ্রামে গ্রহণ না করে ঢাকায় নিয়ে হস্তান্তর করার নির্দেশ দেন। তাঁদের নির্দেশমতো তিনি ওই টাকা বহন করছিলেন।

    পুলিশের হাতে ধরা পড়ার পেছনে ওই দুই পুলিশ কর্মকর্তার হাত রয়েছে বলে সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন সোহেল রানা। কারণ হিসেবে বলেন, ঘুষের টাকার লেনদেন নিয়ে কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ভালো যাচ্ছিল না। ব্যাগে পাওয়া মাদকদ্রব্য সম্পর্কে জানতে চাইলে সোহেল বলেন, সম্ভবত সেই ঠিকাদার টাকার সঙ্গে ব্যাগে ফেনসিডিল ঢুকিয়ে রেখে যান। ষড়যন্ত্রে ওই ঠিকাদারও অংশীদার থাকতে পারেন বলে তাঁর ধারণা।

    ওসি মজিদ জানান, ২ কোটি ৫০ লাখ টাকার এফডিআর কাগজপত্র ঘেঁটে দেখা গেছে, এর মধ্যে ১ কোটি টাকা সোহেল রানার নামে। ১ কোটি আছে স্ত্রী হুসনে আরা পপির নামে। বাকি ৫০ লাখ করা আছে শ্যালক রাকিবুল হাসানের নামে প্রিমিয়ার ব্যাংকে। চেকে দেওয়া ১ কোটি ৩০ লাখ টাকা ছিল সোহেল রানার নামে। চেকের টাকা উত্তোলনের তারিখ ছিল চলতি মাসের ২৮ তারিখ। জব্দ চেক বইগুলো সোনালী, প্রিমিয়ার, সাউথইস্ট, মার্কেন্টাইল ও ব্র্যাক ব্যাংকের।

    তবে চট্টগ্রাম বিভাগের ডিআইজি পার্থ কুমার বণিক তাঁর বিরুদ্ধে করা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি দাবি করেন, সোহেল রানা মাদকাসক্ত। তাঁর ব্যাপারে ইতিপূর্বে কারা মহাপরিদর্শকের কাছে অভিযোগ করা হয়েছে। চট্টগ্রাম কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার প্রশান্ত কুমার বণিকও তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনিও সোহেল সম্পর্কে একই কথা বলেন।

    ভৈরব রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আ. মজিদ বলেন, রেলওয়ে পুলিশ বাদী হয়ে জেলার সোহেল রানা বিশ্বাসের বিরুদ্ধে মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। তিনি পুলিশের কাছে দোষ স্বীকার করেছেন।

  • ইউপি সদস্যের গোয়াল ঘর থেকে ৫ টন ইলিশ জব্দ

    ইউপি সদস্যের গোয়াল ঘর থেকে ৫ টন ইলিশ জব্দ

    চাঁদপুর সদর উপজেলার একটি গোয়াল ঘর থেকে পাঁচ টন ইলিশ মাছ জব্দ করেছে স্থানীয় প্রশাসন। আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় উপজেলার রাজ রাজেশ্বর ইউনিয়নের সাত নম্বর ওয়ার্ড সদস্য জাহাঙ্গীর হোসেনের বাড়ির গোয়াল ঘরে অভিযান চালিয়ে এসব ইলিশ জব্দ করা হয়।

    স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ইলিশ মজুতের খবর পেয়ে চাঁদপুর জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদ জামান ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সার্কেল) মো. জাহেদুল ইসলামের নেতৃত্বে জেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ, নৌ-পুলিশ, কোস্টগার্ড, মৎস্য অধিদপ্তর যৌথ অভিযান চালায়। অভিযানকালে জেলেরা ইটপাটকেল ও লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালান। এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ৫০ রাউন্ড রাবার বুলেট ছোড়ে পুলিশ।

    চাঁদপুর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা আসাদুল বাকী বলেন, স্থানীয় মেম্বার জাহাঙ্গীর হোসেনের বাড়ির গোয়াল ঘর থেকে প্রায় পাঁচ টন ইলিশ জব্দ করা হয়েছে। এ সময় ওই বাড়িতে কাউকে পাওয়া যায়নি। পরে জব্দ করা তিন টন ইলিশ স্থানীয় মৎস্য হিমাগারে রাখা হয় এবং তাৎক্ষণিকভাবে পরিবহন ব্যবস্থা না থাকায় অপর দুই টন ইলিশ ওই গোয়াল ঘরে রেখে সিলগালা করা হয়েছে।

    এই ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন বলে জানান চাঁদপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইব্রাহিম খলিল।

    প্রসঙ্গত, ইলিশের প্রজনন নিশ্চিত করতে ৭ থেকে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত মোট ২২ দিন ইলিশ আহরণ, পরিবহন, মজুত, বাজারজাতকরণ এবং ক্রয়-বিক্রয় সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে সরকার।

  • কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ

    কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ

    ভারতের বিরোধী দল কংগ্রেসের সভাপতি রাহুল গান্ধীকে আটক করা হয়েছে। শুক্রবার দিল্লিতে একটি প্রতিবাদ বিক্ষোভ থেকে তাকেসহ বিরোধী অনেক প্রবীণ নেতাকে আটক করে পুলিশ।

    এনডিটিভি খবর দিয়েছে, দিল্লিতে ক্রাইম ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন বা সিবিআই-এর প্রধান কার্যালয়ের সামনে বিশাল এক প্রতিবাদ মিছিলের আয়োজন করে বিরোধী দলগুলো।

    মোদি প্রশাসন প্রতিষ্ঠানটিকে সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তে বাধা দিচ্ছে বলে দাবি করেন বিরোধী নেতারা।

    সিবিআই প্রধান অলোক বর্মার অপসারণের প্রতিবাদে সকালে রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে কংগ্রেস মিছিল বের করে। মিছিলটিকে সিবিআই সদর দফতরের ৫০০ মিটার দূরেই আটকে দেয় পুলিশ।

    পরে লোধি রোড পুলিশ থানায় গিয়ে প্রতীকী গ্রেফতার বরণ করেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী। কংগ্রেস সভাপতির মতোই প্রতীকী গ্রেফতার বরণ করেন অশোক গেহলট, প্রমোদ তিওয়ারি, আহমেদ প্যাটেলের মতো প্রবীণ নেতারা।

    এদিন টুইট করে কংগ্রেস সভাপতির আটকের খবর দেন দলীয় নেতা রণদীপ সুর্যওয়াল। তিনি লেখেন, সিবিআই সদর দফতরের বাইরে রাহুল গান্ধীসহ যেসব কংগ্রেস নেতারা বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন, তাদের আটক করা হয়েছে।

    শুক্রবার গোটা দেশেই কংগ্রেস কর্মীরা সিবিআই দফতরের বাইরে বিক্ষোভ দেখান। কিন্তু, দিল্লিতে কংগ্রেসের বিক্ষোভে রাহুল গান্ধীর যোগদান তাতে অন্যমাত্রা এনে দেয়। কংগ্রেস কর্মীরা আরও উজ্জীবিত হয়ে যায়।

    আন্দোলনের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে ছিলেন রাহুল। সিবিআই কর্মকর্তার অপসারণ নিয়ে মোদিকে খোঁচা মেরে তিনি বলেন, ‘চৌকিদার, চোর হ্যায়।

    এদিন কংগ্রেস কর্মীরা পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে সিবিআই সদর দফতরের দিকে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। তাতে বাধা দেয় পুলিশ৷ পুলিশের ব্যারিকেডের ওপর রাহুলকেও উঠে পড়তে দেখা যায়।

    পরে রাহুল সেখানেই বসে পড়েন। তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও বিজেপি দেশের সব সংস্থাকে ধ্বংস করার দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।

  • যশোরে ৪০টি সোনার বারসহ পাচারকারী গ্রেপ্তার

    যশোরে ৪০টি সোনার বারসহ পাচারকারী গ্রেপ্তার

    ভারতে পাচারের উদ্দেশ্যে নেওয়া ৪০টি সোনার বার যশোরের বেনাপোল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার করা সোনার পরিমাণ পাঁচ কেজি ১০০ গ্রাম । বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) আজ শুক্রবার সকালে যশোরের বেনাপোল বন্দর থানার বারোপোতা বাজারের পাশে এক পাচারকারীর কোমর থেকে ওই সোনা উদ্ধার করে।

    গ্রেপ্তার হওয়া পাচারকারীর নাম মো. সজীব (২৬)। তিনি যশোরের শার্শা উপজেলার সাতমাইল গ্রামের রেজাউল ইসলামের ছেলে।

    বিজিবি জানায়, সকালে মো. সজীব সোনার বার নিয়ে মোটরসাইকেলে করে ভারতে পাচারের উদ্দেশ্যে বেনাপোল বাজার থেকে পুটখালী দিয়ে ভারতীয় সীমান্তের দিকে যাচ্ছিলেন। সকাল আটটার দিকে তিনি বেনাপোল বন্দর থানার বারোপোতা বাজার পেরিয়ে চৌরাস্তা মোড়ে পৌঁছান। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ সময় মোটরসাইকেলটি থামাতে বলা হয়। কিন্তু তিনি না থেমে মোটরসাইকেল চালিয়ে যেতে থাকেন। এ সময় তাঁকে ধাওয়া করা হয়। কিছুটা দূর যাওয়ার পর তাঁকে আটক করা সম্ভব হয়। এরপর তাঁর দেহ তল্লাশি করে কোমরের বাঁধা অবস্থায় ৪০টি সোনার বার পাওয়া যায়। পাঁচ কেজি ১০০ গ্রাম ওজনের ওই সোনার বাজারমূল্য প্রায় ২ কোটি ৫০ লাখ টাকা।

    ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের বেনাপোল সদর ক্যাম্পের কমান্ডার নায়েক সুবেদার হারাধন মজুমদার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, আটক সজীবের বিরুদ্ধে স্বর্ণ পাচার প্রতিরোধ আইনে বেনাপোল বন্দর থানায় মামলা হয়েছে। তাঁকে থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। উদ্ধার করা সোনা থানায় জমা দেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।

  • পিকআপের পাটাতনে ৫০ হাজার ইয়াবা: গ্রেপ্তার দুই

    পিকআপের পাটাতনে ৫০ হাজার ইয়াবা: গ্রেপ্তার দুই

    কক্সবাজার থেকে পিকআপটি আসছিল রাজধানী ঢাকায়। তবে কোনো মালামাল ছিল না,পিকআপে ছিল ৫০ হাজার পিস ইয়াবার চালান। এই চালানসহ দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব।

    গ্রেপ্তার দুজন হলেন রুবেল আহাম্মেদ (২৬) ও ফাহিম মিয়া (১৯)। গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে মোহাম্মদপুরের বেড়িবাঁধ রোড এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। আজ শুক্রবার দুপুরে র‍্যাব-২–এর পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়,ইয়াবার চালানটি কক্সবাজার থেকে পিকআপে করে ঢাকার কেরানীগঞ্জের এক ক্রেতার কাছে পৌঁছে দেওয়ার কথা ছিল। র‍্যাব-২ গোপন সংবাদ পেয়ে রাত সাড়ে ১১টার দিকে বেড়িবাঁধ রোডের নবীনগর লোহার গেট, রনি স্পেশাল ও এস কে স্পেশাল টিকিট বুকিং কাউন্টারের সামনে অবস্থান নেয়। ঘটনাস্থলের পৌঁছালে পিকআপটি থামার সংকেত দেওয়া হয়। কিন্তু র‍্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে পিকআপটি নিয়ে রুবেল ও ফাহিম পালানোর চেষ্টা করেন। তবে র‍্যাব তাঁদের ধরে ফেলে।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রথমে রুবেল ও ফাহিম ইয়াবা থাকার বিষয়টি অস্বীকার করেন। ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে তাঁরা জানান, পিকআপের স্টিলের পাটাতন কেটে বিশেষভাবে ইয়াবা রাখা আছে। পরে সেখান থেকে ৫০ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়। তাঁরা আরও জানান, কেরানীগঞ্জে পৌঁছানোর পর এসব ইয়াবা ঢাকার বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করা হতো।