Category: প্রশাসন

  • পানের বরজে মিলল ৩ কোটি টাকার ইয়াবা

    পানের বরজে মিলল ৩ কোটি টাকার ইয়াবা

    কক্সবাজারের টেকনাফে অভিযান চালিয়ে ৩ কোটি টাকার মূল্যের ১ লাখ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে বিজিবি। এ সময় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

    জানা যায়, ২ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আছাদুদ জামান চৌধুরী জানান, শুক্রবার ভোররাতে টেকনাফ ব্যাটালিয়নের অধীন সাবরাং বিওপির সুবেদার মো. লাল মিয়া এর নেতৃত্বে একটি টহলদল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে আচারবুনিয়া এলাকায় একটি পানের বরজে ইয়াবা লুকায়িত থাকতে পারে। পরে তল্লাশি চালিয়ে পানের বরজের পাশে একটি ঝোপের ভেতর থেকে ইয়াবা ভর্তি প্লাস্টিকের বস্তা উদ্ধার করা হয়।

    উদ্ধারকৃত ইয়াবা ট্যাবলেট ব্যাটালিয়ন সদরে জমা রাখা হয়েছে। পরবর্তীতে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের প্রতিনিধি, স্থানীয় গণমান্য ব্যক্তি ও মিডিয়া কর্মীদের উপস্থিতিতে ধ্বংস করা হবে।

  • বিএনপি ক্যাডার কাওছার-ইলিয়াছ নারী নির্যাতনের অভিযোগে গ্রেফতার

    বিএনপি ক্যাডার কাওছার-ইলিয়াছ নারী নির্যাতনের অভিযোগে গ্রেফতার

    বিএনপি ক্যাডার কাওছার-ইলিয়াছ নারী নির্যাতনের অভিযোগে গ্রেফতার।

    বৃহস্পতিবার(২৫ অক্টোবর) সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোতয়ালী থানা পুলিশ নগরীর মল্লিক রোডের ড্রীম প্যালেসে অভিযান চালিয়ে পলাতক এ দুই আসামীকে আটক করে।আটক কাওছার হোসেন নগরীর ৪ নং ওয়ার্ডের মৃত নুরু মিয়ার ছেলে।

    এ বছর সিটি নির্বাচনে কাউন্সিলর পদে অংশ নিয়ে জামানত হারায় কাওছার। কাউন্সিলর পদে নির্বাচন করে জামানত হারিয়ে বেপরোয়া হয়ে উঠে এ বিএনপি ক্যাডার। আটকের পর এদেরকে ছাড়িয়ে নিতে থানায় ভীর করে একটি চক্র। তবে নানা লবিং তদ্বির করেও ছিনতাই ও নারী নির্যাতনের মামলার এ দুই আসামীকে থানা হাজত থেকে ছড়িয়ে নিতে ব্যর্থ হয় তাদের সহযোগীরা। তবে থানা পুলিশকে ম্যানেজ করতে না পারলেও কোর্ট পুলিশকে ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে গারদে না প্রবেশ না করিয়ে গারদের সামনে চেয়ারে বসে থাকতে দেখা যায় কাওছারকে।

    মামলার বাদী নগরীর মল্লিক রোডের ড্রীম প্যালেসের বাসিন্দা মিজানুর রহমান জানান-কাওছার হোসেন মল্লিক রোডের ড্রীম প্যালেসের একটি ফ্লাটে তার দ্বিতীয় স্ত্রীর বাসায় বসবাস করে। এই ফ্লাটের মালিক তার দ্বিতীয় স্ত্রী। একই ভবনে অন্য এক ফ্লাটে বসবাস করে তার সহযোগী ইলিয়াছ কবির। কয়েক মাস পূর্বে ওই ফ্লাটের বাসিন্দাকে দুই সন্তানসহ দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে বিয়ে করে কাওছার। এরপরই ওই বাসায় থাকতে শুরু করে কাওছার। কাওছার ও তার সহযোগী ইলিয়াস কবির ড্রীম প্যালেসের বাসিন্দাদের সাথে খারাপ আচরন ও ক্ষমতার প্রভাব বিস্তার করার চেষ্টা চালায়।

    পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানাগেছে-অগ্রনী হাউজিং লিমিটেট এর নগরীর মল্লিক রোডে নির্মিত ড্রীম প্যালেসের এ্যার্প্টামেন্ট ওনার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি আ: আজিজ হাওলাদার ও সাধারন সম্পাদক মামলার বাদী মো: মিজানুর রহমান।

    গত ২০ সেপ্টেম্বর এ্যাপর্টমেন্ট এসোসিয়েশনের সভা চলাকালে সভায় উপস্তিত হয়ে এজেন্ডার বাইরে কথা বলা শুরু করলে বাদ সাধে সংগঠনের সাধারন সম্পাদক মামলার বাদী মিজানুর রহমান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মিজানুর রহমানের উপর হামলা চালায় ক্ওাছার হোসেন ও ইলিয়াস কবির। এ সময় তার পকেটে থাকা ২৫ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয় কাওছার ও ইলিয়াস। বাদীর স্ত্রী তাদের হাত থেকে উদ্ধার করতে এলে তার পোশাস ধরে টান হেচরা শ্লীলতাহানী ঘটায় কাওছার ও ইলিয়াস এমন দাবী মিজানুর রহমানের। হামলা,মারধর-ছিনতাই ও নারী নির্যাতনের অভিযোগে কোতয়ালী থানায় মামলা দায়ের করে মিজানুর রহমান।

    এ ঘটনায়  বৃহস্পতিবার কাওছার হোসেন ও ইলিয়াসকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করে কোতয়ালী থানা পুলিশ। পরে আদালত তার জামিন মঞ্জুর করে।

  • ব্যাতিক্রমি মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ : যেন নতুন চমকের দূত।

    ব্যাতিক্রমি মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ : যেন নতুন চমকের দূত।

    শেখ সুমন :

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের নতুন নগর পিতা হিসেবে আজ দুদিন হলো দ্বায়িত্ব নিয়েছেন যুবরত্ন সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ।সিটি নির্বাচনের আগে অনেকেই বলেছিল যে চমক দেখাবে সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ। হ্যা , যারা বলেছিলেন তারা ঠিক বলেছিলেন। দু দিনেই নতুন নতুন চমক দেখাচ্ছেন নগর পিতা সাদিক আব্দুল্লাহ।

    আজ বৃহস্পতিবার সকাল দশটায় নগর ভবনে আসার কথা ছিল তার। কিন্তু সকাল গড়িয়ে দুপুর,কোন দেখা নাই নব নির্বাচিত মেয়রের। নগর ভবনের সকলেই মনে করেছিল যে আজ আর আসবেন না তিনি। কিন্তু হঠাত করে ঠিক দুপুর দুটার সময় নগর ভবনের সামনের গেটে মটর সাইকেল নিয়ে হেলমেট মাথায় একটি টি শার্ট আর জিন্স প্যান্ট পরে হাজির একজন। সরাসরি মটর সাইকেল নিয়ে ঢুকতে যান নগর ভবনে। কিন্তু বাধাঁ দেন গেটে দ্বায়িত্বরত কর্মীরা। মটর সাইকেল নিয়ে প্রবেশ করা যাবেনা। কিন্তু যখন হেলমেট খুললেন,অবাক হয়ে তাকালেন কর্মীরা। মুখ দিয়ে কথা বের না করে হাত জাগিয়ে সালাম দিলেন। এক জনে বলেই ফেললেন , এ যে নগর পিতা, নতুন চমকে।

    সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর এই চমকে চমকে গেছে নগর ভবন। সবাই মনে করছে যে,ঠিক মতো কাজ করতে হবে। তা না হলে হঠাত করেই ধরে ফেলবে নগর পিতা।

    দায়িত্ব নিয়ে আসলেই চমকে দিচ্ছেন তিনি। প্রথম দিনেই সকল কাউন্সিলর দের সাথে মিটিং করেছেন তিনি। যেখানে বলেই দিয়েছেন যে , সকল ওয়ার্ডের সমস্যা চিন্হিত করে সমস্যা সমাধানের উপায় বের করে কাজ করতে হবে। তারপর তিনি নগর থেকে সকল ব্যানার ফেস্টুন উঠিয়ে নেওয়ার আল্টিমেটাম দেন। তার মধ্যে হঠাত করে মটর সাইকেল চালিয়ে নগর ভবনে আসলেন। তাও হেলমেট পরে সচেতন উপায়ে।ট্রাফিক আইন মেনে বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন ।

    এবার নগরবাসী অপেক্ষায় ,নগর পিতার উন্নয়নের চমক দেখতে।

  • বরিশালে ইলিশ শিকারের দায়ে ২২ জেলে আটক

    বরিশালে ইলিশ শিকারের দায়ে ২২ জেলে আটক

    বরিশালের বিভিন্ন নদীতে অভিযান চালিয়ে গত ২৪ ঘন্টায় ২২ জন জেলেকে ১০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল এবং ২০ কেজি ইলিশসহ আটক করেছে নৌ-পুলিশ। ডিমওয়াল মা ইলিশ রক্ষায় সরকারের ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে মাছ শিকারের অভিযোগে গত বুধবার রাত ১২টা থেকে আজ বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত কীর্তনখোলা, কালাবদর এবং মেঘনা নদীতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে। নৌ পুলিশ এবং মৎস্য বিভাগের যৌথ উদ্যোগে এই অভিযান পরিচালিত হয়।

    জেলা মৎস্য বিভাগের ইলিশ কর্মকর্তা বিমল চন্দ্র দাস বলেন, সরকারী নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ইলিশ শিকারের অভিযোগে আটক ২২ জেলেকে জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালতে সোপার্দ করা হয়। জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জয়দেব চক্রবর্তী ২২ জেলের মধ্যে ৪জনকে বেকসুর খালাশ দেন এবং অপর ১৮ জেলেকে ৫ হাজার করে মোট ৯০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। জরিমানার টাকা দিয়ে জেলেরা মুক্ত হয়ে গেছে বলে জানান ইলিশ কর্মকর্তা বিমল।

  • নগরী থেকে ব্যানার, ফেস্টুন সড়াতে মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহর আল্টিমেটাম

    নগরী থেকে ব্যানার, ফেস্টুন সড়াতে মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহর আল্টিমেটাম

    বিসিসি নির্বাচনে বিজয়ে শুভাকাঙ্খি যারা বিভিন্ন রাজনৈতিক, অরাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত যে সকল শুভেচ্ছা ব্যানার, ফেস্টুন, বিলবোর্ড ও তোড়ন নির্মান করেছেন তাদের সকলকে মেয়র ও কাউন্সিলরবৃন্দ ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন এবং এই সকল ব্যানার, ফেস্টুন, বিলবোর্ড ও তোড়ন আগামী ৩১ অক্টোবর ২০১৮ খ্রিঃ তারিখের মধ্যে নিজ উদ্যোগে অপসারনের জন্য অনুরোধ করেছেন।

    পরবর্তীতে সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন যে কোন ধরনের প্রচারের (ব্যানার, ফেস্টুন, বিলবোর্ড, তোড়ন, দেয়াল লিখন) স্থাপন বা নির্মাণের পূর্বে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের পূর্বানুমতি গ্রহণ করতে হবে এবং জাতীয় ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানের সকল ধরনের (ব্যানার, ফেস্টুন, বিলবোর্ড, তোড়ন, দেয়াল লিখন) সিটি কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষের দেয়া নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিজ উদ্যোগে অপসারন করতে হবে।

    এছাড়াও বরিশাল নগরীর সৌন্দর্য রক্ষার্থে নগরীর বিবির পুকুর এর পশ্চিম পার্শে ও অশ্বিনী কুমার টাউনহলের সম্মুখে কোন ধরনের ব্যানার, ফেস্টুন, বিলবোর্ড ও তোড়ন নির্মান করা থেকে বিরত থাকার জন্য সকলের প্রতি অনুরোধ জানান, অন্যথায় আইনানুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। এছাড়া বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের যে কোন নাগরীক সুবিধা নিশ্চিত করতে নগরীর সকলের সহযোগীতা কামনা করেন তিঁনি।

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ্ গতকাল বুধবার নগর ভবনে  প্রথম কর্মদিবসে এই নির্দশনা দেন। এর আগে মঙ্গলবার দায়িত্বভার গ্রহণ করলেও দাপ্তরিক কোন কাজ করেননি। গতকাল বেলা ১২টায় নগর ভবনে তার কক্ষে নব নির্বাচিত কাউন্সিলদের সাথে এক সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় করেন। এ সময় তিনি নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ডের নানান সমস্যা সম্পর্কে কাউন্সিলরদের মাধ্যমে অবগত হন এবং তাৎক্ষনিক সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তাদের ডেকে জরুরী ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য নির্দেশ প্রদান করেন।

    এছাড়াও অন্যান্য সিদ্ধান্তগুলোর মধ্যে রয়েছে হরিজন সম্প্রদায়ের জন্য নির্মিত হরিজন কলোনীর পাইল বুয়েট এর মাধ্যমে টেস্ট করে সঠিকতা যাচাইকরণ, রুপাতলী হাউজিংয়ে ড্রেনেজ ব্যবস্থা প্রকল্পের আওতায় সমাধান করা, ২৩ নং ওয়ার্ড তাজকাঠি এলাকায় দ্রুত একটি টিউবওয়েল ব্যবস্থা করে পনি সমস্যা সমাধান করা, মূল রাস্তার পার্শে নির্মান সামগ্রী রেখে অবৈধ দখলকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন, নগরীর ফোরলেন সড়কের দুই পার্শে অবৈধ দখলমূক্ত করণ, সড়কবাতির সঠিক ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সতর্কিকরন, নগরীর ট্রাক টার্মিনাল ও কেদ্রীয় বাস টার্মিনাল কাজের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণসহ বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে খোজ খবর নেন।

  • প্রকাশ্যে ধর্ষণ মামলার আসামী রাব্বি: উদ্বিগ্ন বরিশালবাসী

    প্রকাশ্যে ধর্ষণ মামলার আসামী রাব্বি: উদ্বিগ্ন বরিশালবাসী

    বরিশালের বিএম কলেজ এলাকায় আলোচিত কলেজ ছাত্রী গনধর্ষন মামলার মূল হোতা ও নগরীর চিহ্নিত ছিনতাইকারী রাব্বি বেশ ফুরফুরে মেজাজে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। বরিশালের বিভিন্ন থানায় থাকা ৮টি মামলার আসামী রাব্বি। ছিনতাই থেকে শুরু করে ডাকাতির অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। সর্বশেষ তার বিরুদ্ধে রুজু করা হয় ধর্ষন মামলা। ৭ মাস পর অক্টোবর মাসে আদালত থেকে সে জামিনে মুক্তি পায়। এরপর থেকেই সে বরিশালে বেশ ভাব নিয়েই ঘুরে বেড়াচ্ছেন। তার নিজ বাড়ির আশ পাশের এলাকার বাসিন্দারাও আতংকে রয়েছেন। কেননা তারাও ওই সময়টাতে রাব্বির বিরুদ্ধে নানা কর্মসূচীতেও অংশগ্রহণ করেন। শুধু তাই নয়, এই মামলায় জামিনে মুক্তি পেয়েছেন আরেক আসামী মানিক। চলতি বছরের এপ্রিল মাসে এই গনধর্ষণের ঘটনাটি ঘটে।

    সূত্র মতে, ২৭ এপ্রিল দুপুরের দিকে বিএম কলেজের ১ম গেট সংলগ্ন একটি ভবনে নোট নিতে যায় কাশিপুর গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের এক ছাত্রী। এসময় রাব্বি ও তার সহযোগীরা মেয়েটিকে জিম্মি করে রিক্সা যোগে মথুরানাথ পাবলিক স্কুল সড়কের একটি মেস বাড়িতে নিয়ে যায় এবং সেখানে বসে গনধর্ষণ করে। ঘটনার সাথে সাথেই পুলিশ ওই মেয়েটিকে উদ্ধার করেন এবং মেস থেকে সজীব নামে এক ছাত্রকে আটক করে। এরপরে নগরীর বিভিন্ন স্থান থেকে এই ঘটনার মূল হোতা রাব্বি ও তার সহযোগী মানিককে আটক করা হয়। এই নিয়ে শুধু বরিশাল নয়, বিভিন্ন স্থানে মানববন্ধন থেকে শুরু করে বিক্ষোভ ও ধর্ষকদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানানো হয়। দীর্ঘদিন কারাবাসের পর রাব্বি চলতি মাসে জামিনে মুক্তি পায়।

    বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, ধর্ষন মামলার বাদী পক্ষ তেমন স্বাবলম্বী নয়। আসামী পক্ষ থেকে তাদের কাছে বিপুল পরিমান টাকার অফার দেওয়া হয় মামলা তুলে নিতে। এই বিষয়টি খোদ স্বীকার করেছেন এক এনজিও কর্মীও। নাম প্রকাশ না করার শর্তে তিনি জানান, ‘আমরা ভিকটিমের বাসায় গিয়েছিলাম। মামলা পরিচালনা করতে তাদের তেমন কোনো আগ্রহ দেখা যায়নি। মনে হচ্ছিল টাকা নিয়েই বিষয়টি থামিয়ে দেবেন বাদী পক্ষ। কেননা প্রথম দিক থেকে মনে হয়েছিল এই মামলায় সাজা হয়ে যাবে। পরে বাদী পক্ষের ভাবেই বুঝেছি ফলাফল শুন্য।

    নগরীর কলেজ রোড এলাকার বাসিন্দা আবু জাফর বলেন, এই ধরণের আসামীর প্রকাশ্যে ঘোরা আসলেই ভয়াবহ বিষয়। বলতে গেলে নিজেদের কাছে নিরাপত্তাহীণতার মধ্যে বাস করছি মনে হয়। প্রশাসনের কাছে এসব আসামীর বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবী থাকবে। প্রকাশ্যে রাব্বির ঘোরা ফেরা নিয়ে আতংকের সুর শোনা গেছে বিএম কলেজ ও নতুন বাজার এলাকার বাসিন্দাদের কাছ থেকে। চিহ্নিত এই সন্ত্রাসীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করেছেন তারাও।

    উন্নয়ন সংস্থা আভাস’র নির্বাহী পরিচালক রহিমা সুলতানা কাজল বলেন, ‘দেশে তো আইনের শাসন নেই। কোনো একটি ঘটনা ঘটলে তাৎক্ষনিক আমরা সমাজকর্মীরা বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামের মাধ্যমে সেটাকে একটা পর্যায়ে তুলে দেই। এরপর যাদের দায়িত্ব থাকে, তারা যদি সেটা ঠিক ভাবে পালন না করে এতে আমাদেরই বা কি করার আছে। এরপর আবার নতুন ইস্যু আসলে, সেটা নিয়ে আমরা পুনরায় ব্যস্ত হয়ে পরি।’

    বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মো: মাহাফুজুর রহমান বলেন, ‘আদালত থেকে যদি কেউ জামিন পায়, তাহলে সেই বিষয়টিতে তো আসলে আমাদের মন্তব্য করা ঠিক না। তবুও বিষয়টি আমরা খোঁজ খবর নিয়ে আবার দেখব।

  • উপ-সচিব পদে ৯ কর্মকর্তার পদোন্নতি

    উপ-সচিব পদে ৯ কর্মকর্তার পদোন্নতি

    নির্বাচনের আগে প্রশাসনে অতিরিক্ত সচিব, যুগ্ম-সচিবের পর এবার উপ-সচিব পদে পদোন্নতি দিলো সরকার। সিনিয়র সহকারী সচিব ও সমমর্যাদার ২৫৬ কর্মকর্তাকে উপ-সচিব পদে পদোন্নতি দেয়া হয়েছে। যারমধ্যে বরিশাল বিভাগের ৯জন কর্মকর্তা রয়েছেন।

    পদোন্নতিপ্রাপ্তরা হলেন, মামুনুর রশিদ (১৫৬৮৪) অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক পটুয়াখালী, ইসরাইল হোসেন (১৫৯১৬) সচিব, বরিশাল সিটি কর্পোরেশন, শহিদুল ইসলাম (১৫৯৮৩) অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বরিশাল, মো: নুরুজ্জামান (১৫৯৯৪) অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বরিশাল, মো: মোজাহিদুল ইসলাম (১৬০০৮) অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ভোলা, হেমায়েত উদ্দিন (১৬০১৪) অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক পটুয়াখালী, নুরুল হাফিজ (১৬০১৯) অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক পটুয়াখালী, মুহাম্মদ আশরাফ হোসেন (১৬০৩৪) অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ভোলা, মো: আব্দুস সবুর, সহযোগী অধ্যাপক, হিসাব বিজ্ঞান, সরকারি বিএম কলেজ, বরিশাল।

    বুধবার দিনগত রাতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত একটি আদেশ জারি করা হয়েছে। পদোন্নতিপ্রাপ্তদের মধ্যে বিদেশে থাকা ৭ জন সিনিয়র সহকারী সচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তাও রয়েছেন।

    পদোন্নতি পাওয়া কর্মকর্তাদের জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়েছে। তবে নতুন উপ-সচিবদের পদায়ন করে আদেশ জারি করা হয়নি।

    উপ-সচিব পদে পদোন্নতির মাধ্যমে আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে জনপ্রশাসনে তিন স্তরে পদোন্নতির সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হলো। এর আগে গত ২৯ আগস্ট ১৬৩ কর্মকর্তাকে অতিরিক্ত সচিব ও ২০ সেপ্টেম্বর ১৫৪ কর্মকর্তাকে যুগ্ম-সচিব পদে পদোন্নতি দেয়া হয়।

    তবে উপ-সচিব পদে এর আগে বড় ধরনের পদোন্নতি দেয়া হয়েছিল চলতি বছরের ২০ ফেব্রুয়ারি। ওই সময় ৪২৪ জন কর্মকর্তা উপ-সচিব পদে পদোন্নতি পেয়েছিলেন। উপ-সচিব থেকে উপরের পদগুলো সরকারের পদ হিসেবে গণ্য করা হয়।

    এবার প্রশাসন ক্যাডারের ১৮০ জন কর্মকর্তা এ পদে পদোন্নতি পেয়েছেন। এ ছাড়া অন্যান্য ক্যাডার থেকে উপ-সচিব হয়েছেন ৬৯ জন কর্মকর্তা। অন্যান্য ক্যাডারের কর্মকর্তাদের পদোন্নতির হার প্রায় ২৭ শতাংশ।

    জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের তথ্যানুযায়ী, পদোন্নতির পর এখন উপ-সচিবের সংখ্যা হলো এক হাজার ৭৯০ জন। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, উপ-সচিবের নিয়মিত পদ এক হাজার ৬টি।

    বিপুল সংখ্যক কর্মকর্তা পদোন্নতি পাওয়ার পরও দেড় শতাধিক কর্মকর্তার বঞ্চিত হওয়া অভিযোগ উঠেছে। তারা বলছেন, সব ধরনের যোগ্যতা থাকার পরও তারা উপ-সচিব পদে পদোন্নতি পাননি।

    জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে, সিনিয়র সহকারী সচিব থেকে উপ-সচিব পদের পদোন্নতির ক্ষেত্রে মূল বিবেচ্য ছিল বিবিএস ২৫তম ব্যাচ। এ ছাড়া এর আগের পদোন্নতি বঞ্চিত বিভিন্ন ব্যাচের কর্মকর্তারাও উপ-সচিব পদে পদোন্নতির তালিকায় এসেছেন।

    ‘সরকারের উপসচিব, যুগ্ম-সচিব, অতিরিক্ত সচিব ও সচিব পদে পদোন্নতি বিধিমালা, ২০০২’ অনুযায়ী উপসচিব পদে পদোন্নতির ক্ষেত্রে ৭৫ শতাংশ প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের ও ২৫ শতাংশ অন্যান্য ক্যাডারের কর্মকর্তাদের বিবেচনায় নিতে হবে।

    বিধিমালা অনুযায়ী, উপ-সচিব পদে পদোন্নতির ক্ষেত্রে সিনিয়র সহকারী সচিব পদে ৫ বছর চাকরিসহ সংশ্লিষ্ট ক্যাডারের সদস্য হিসেবে কমপক্ষে ১০ বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। মূল্যায়ন নম্বরের অন্তত ৮৩ নম্বর পেতে হবে।

    জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানান, প্রশাসনে উপ-সচিব পদে এমনিতেই নিয়মিত পদের চেয়ে বেশি সংখ্যক কর্মকর্তা রয়েছেন। তার উপর আবার নতুন করে পদোন্নতি দেয়া হলো। এতে প্রশাসনে আরও বিশৃঙ্খলা দেখা দিতে পারে। পদোন্নতিপ্রাপ্তদের অনেককেই আগের পদে (ইনসিটু) কাজ করতে হবে।

  • বাকেরগঞ্জে অপহৃত স্কুলছাত্রী উদ্ধার, গ্রেফতার ৩

    বাকেরগঞ্জে অপহৃত স্কুলছাত্রী উদ্ধার, গ্রেফতার ৩

    শামীম ইসলাম:

    বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলা থেকে মুক্তিপণের দাবিতে অপহৃত সপ্তম শ্রেণির স্কুলছাত্রী জান্নাতি আক্তার তিন্নিকে (১৪) উদ্ধার করেছে র‌্যাব-৮ এর সদস্যরা। এ সময় তিন অপহরণকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    মঙ্গলবার সকালে দপদপিয়া ব্রিজ এলাকায় অভিযান চালিয়ে স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার ও তিন অপহরণকারীকে গ্রেফতার করা হয়। স্কুলছাত্রী তিন্নি বাকেরগঞ্জ উপজেলার বোয়ালিয়া এলাকার মো. আব্দুস ছোবাহান কাজীর মেয়ে ও বোয়ালিয়া শহীদ আলতাফ শুকপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী।

    গ্রেফতারকৃতরা হলেন- বাকেরগঞ্জ উপজেলার দেওলি এলাকার মো. রানা হাওলাদার (২১), পটুয়াখালীর মো. রাজু (২০) এবং বরিশাল নগরীর রূপাতলী এলাকার মো. খলিল হাওলাদার (২৮)।

    তিন্নির স্বজনরা জানান, সোমবার বিকেলে তিন্নি প্রাইভেট শেষে বাড়িতে ফেরার সময় বোয়ালিয়া পূজা মন্দিরের সামনে থেকে তাকে অপহরণ করা হয়। তিন্নি বাড়ি না ফেরায় অনেক খোঁজাখুঁজি করেন স্বজনরা। এরই মধ্যে রাতে তিন্নির খালাতো বোনের ফোনে অজ্ঞাত ব্যক্তিরা ফোন দিয়ে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন। অন্যথায় তিন্নিকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়া হয়। ফোন পেয়ে তিন্নির বাবা বিষয়টি র‌্যাবকে জানান।

    বরিশাল র‌্যাব-৮ এর সিপিএসসির ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি কমান্ডার সহকারী পরিচালক মো. হাছান আলী বলেন, অপহরণের অভিযোগ পেয়ে বিশেষ অভিযানে নামে র‌্যাব সদস্যরা। এরপর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অপহরণকারীদের অবস্থান নিশ্চিত হয়ে মঙ্গলবার সকালে দপদপিয়া ব্রিজ এলাকায় অভিযান চালিয়ে স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার ও তিন অপহরণকারীকে গ্রেফতার করা হয়। এ ঘটনায় মামলা দায়েরসহ তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

  • বরিশালে মাদরাসা ছাত্রীকে অপহরণের পর ধর্ষণ,যুবকের যাবজ্জীবন

    বরিশালে মাদরাসা ছাত্রীকে অপহরণের পর ধর্ষণ,যুবকের যাবজ্জীবন

    শামীম ইসলাম:

    বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলায় দশম শ্রেণির এক মাদরাসা ছাত্রীকে অপহরণের পর ধর্ষণের দায়ে মনির হোসেন নামে এক যুবককে দুটি ধারায় কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। ধর্ষণের দায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও দুই বছরের কারাদণ্ড এবং অপহরণের দায়ে ১৪ বছর কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

    মঙ্গলবার বিকেলে আসামির অনুপস্থিতিতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বিচারক মো. আবু শামীম আজাদ এ রায় দেন।

    দণ্ডপ্রাপ্ত মনির বাবুগঞ্জ উপজেলার মহিষাদি গ্রামের মৃত নাজেম আলী ফকিরের ছেলে।

    নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বেঞ্চ সহকারী (পেশকার) মো. আজিবর রহমান রায়ের বরাত দিয়ে জানান, মাদরাসায় আসা-যাওয়ার পথে মেয়েটিকে উত্ত্যক্ত করতো মনির। ২০০৯ সালের ৪ জুন মনির তার সহযোগীদের নিয়ে তাকে অপহরণ করে বরিশাল নগরীর একটি বাসায় রেখে একাধিকবার ধর্ষণ করে। পরদিন মেয়েটিকে নিয়ে মনির ঢাকায় যাওয়ার উদ্দেশে নগরীর নথুল্লাবাদ বাসস্ট্যান্ড এলাকায় যায়। এ সময় মেয়েটির বাবাকে দেখে মনির পালিয়ে যায়।

    এ ঘটনায় ১০ জুন ওই মাদরাসাছাত্রী বাদী হয়ে মামলা দায়ের করে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বাবুগঞ্জ থানা পুলিশের এসআই আব্দুল মজিদ হাওলাদার একমাত্র মনিরকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। ৮ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে বিচারক আজ এই রায় দেন।

    তবে উভয় দণ্ড দণ্ডিত হওয়ায় একই সঙ্গে কার্যকরের ক্ষেত্রে আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ১ লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও দুই বছর কারা ভোগ করতে হবে।

  • ৪০ জন কাউন্সিলর সহ দ্বায়িত্ব নিলেন মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ

    ৪০ জন কাউন্সিলর সহ দ্বায়িত্ব নিলেন মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ

    শেখ সুমন:

    আজ বিকেল ৪ ঘটিকার সময় বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের নগর পিতা হিসেবে ৪০ জন কাউন্সিলর সহ নগর বভনের দ্বায়িত্ব নিলেন নব নির্বাচিত মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক অাবদুল্লাহ।

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশনকে আধুনিক সিটি কর্পোরেশন হিসেবে গড়ে তুলতে এবং বরিশালের বর্ধীত এলাকা গুলোকে আধুনিক হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য ও স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য নগর পিতা হিসাবে দ্বায়িত্ব নিলেন সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।

    ৪০ জন কাউন্সিলর কে নিজের সাথে রেখে উন্নয়নের মডেল হিসেবে বরিশাল কে সাজাতে চান সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।

    নিজ দ্বায়িত্ব গ্রহনের সময় উপস্থিত ছিলেন, নব নির্বাচিত ৪০ জন কাউন্সিলর, সুশিল সমাজের নেতৃবৃন্দ এবং ধর্মীয় নেতাগন।