Category: প্রশাসন

  • বরিশাল সিটির উন্নয়নে কোন দুর্নীতি সহ্য করব না,পয়সা নেব না: মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ

    বরিশাল সিটির উন্নয়নে কোন দুর্নীতি সহ্য করব না,পয়সা নেব না: মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ

    বরিশাল সিটি করপোরেশনের (বিসিসি) নবনির্বাচিত মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ বলেছেন, নগর ভবনের ৩শ’ কোটি টাকার দেনা কোন বিষয় নয়। প্রধানমন্ত্রী জেনে শুনে আমাকে এই দায়িত্ব দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর সু-দৃষ্টি থাকলে ৩শ’ কোটি টাকার দেনা মাথায় নিয়ে দায়িত্বগ্রহণ কোন চ্যালেঞ্জ মনে করছি না। নগর ভবনের দেনা পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত বেতন-ভাতাও (সম্মানী) নিব না।

    মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৩টায় আনুষ্ঠানিকভাবে বরিশাল সিটি মেয়রের দায়িত্বগ্রহন শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে সাদিক আবদুল্লাহ আরও বলেন, কোন পয়সা (পার্সেন্টেজ) নেব না, তাই কারও দুর্নীতি সহ্য করব না। আইন অনুযায়ী সিটি করপোরেশন পরিচালিত হবে। সিটি করপোরেশনের কোন কাউন্সিলরকেও ঠিকাদারী কাজ করতে দেওয়া হবে না।

    নগরীর ভঙ্গুর রাস্তাঘাটসহ অবকাঠামো পুননির্মান ও মেরামত, বর্ধিত এলাকার উন্নয়ন এবং নগরীকে মাদক মুক্ত করতে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলেন মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ।

    এছাড়া নগর ভবনের অতীত দুর্নীতি তদন্ত করে সবার জন্য সতর্ক বার্তা দিতে চান তিনি। বরিশালবাসীর প্রত্যাশা পূরণে শেষদিন পর্যন্ত কাজ করে যাওয়ার কথা বলেন দেশের সর্বকনিষ্ট এই সিটি মেয়র সাদিক।

    এর আগে বিকেল ৩টা ২০ মিনিটের দিকে নগর ভবনের ফটকে প্রবেশ করেন বরিশাল সিটির ৪র্থ পরিষদের মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ ও তার নেতৃত্বাধীন পরিষদ। নগর ভবন চত্ত্বরে প্রবেশের পরপরই সাদিক আবদুল্লাহকে ফুল দিয়ে বরণ এবং লাল গালিচা সংবর্ধনা দেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। পরে তিনি নগর ভবনে মেয়রের কক্ষে বসে উর্ধ্বতন সরকারী কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি এবং সিনিয়র আওয়ামী লীগ নেতাদের উপস্থিতিতে একটি অফিস ফাইলে সাক্ষরের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্বগ্রহণ করেন। এ সময় বিশেষ দোয়া-মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

    পরে নগর ভবনের সামনে সিটি মেয়র ও কাউন্সিলরদের অভিষেক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ। বিভাগীয় কমিশনার রাম চন্দ্র দাসের সভাপতিত্বে অভিষেক অনুষ্ঠানে মেয়র সাদিক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষা এবং তার সুনাম অক্ষুন্ন রাখতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহীতার সঙ্গে নগরভবনের সকল কার্যক্রম পরিচালনার কথা বলেন।

    ‘বৃক্ষ তোমার নাম কি, ফলে পরিচয়’- এ প্রবাদ বাক্য উচ্চারন করে মেয়র সাদিক বলেন, কর্মের মাধ্যমেই তিনি তার যোগ্যতার প্রমান দেবেন। বরিশাল নগরীর উন্নয়নে মঙ্গলবার একনেকের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৩০ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছেন জানিয়ে সাদিক আবদুল্লাহ বরিশাল নগরীকে দেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নগরীতে পরিনত করতে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ সরকার প্রধানের কাছ থেকে আদায় করে আনার প্রতিশ্রুতি দেন।

    অনুষ্ঠানে অন্যান্য অতিথিদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগ সাধারন সম্পাদক তালুকদার মো. ইউনুস এমপি, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এসএম ইমামুল হক, মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলাল,সাধারন সম্পাদক একে এম জাহাঙ্গীর,বঙ্গবন্ধু পরিষদের কেন্দ্রিয় সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উদ্দিন আহম্মেদ বীর বিক্রম, মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোশারফ হোসেন, ডিআইজি মো. শফিকুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক এসএম আজিয়র রহমান, বিশিস্ট আইনজীবী ও সাংবাদিক মানবেন্দ্র বটব্যাল,বাংলাদেশ কৃষকলীগ  কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সেরনিয়াবাত মইন আবদুল্লাহ, জেলা আওয়ামীলীগ সদস্য সেরনিয়াবাত আশিক আবদুল্লাহ, বাংলাদেশ জাসদের কেন্দ্রিয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ বাদল, মহানগর জাতীয় পার্টির সভাপতি ও সিটি কাউন্সিলর মুরতজা আবেদীন, করপোরেশণের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইসরাইল হোসেন।

    সিটি কাউন্সিলর ও নগর আওয়ামী লীগের যগ্ম সাধারণ সম্পাদক গাজী নইমুল ইসলাম লিটুর সঞ্চালানায় অনুষ্ঠানে পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলাম, মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সাইদুর রহমান রিন্টু সহ বিভিন্ন উপজেলা চেয়ারম্যান ও পৌর মেয়রগন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

    এদিকে মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ’র দায়িত্বগ্রহণ এবং অভিষেক অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে নগর ভবনসহ আশপাশের এলাকায় কঠোর নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয় বলে জানিয়েছেন কোতয়ালী মডেল থানার ওসি মো. নুরুল ইসলাম।

  • ডিবি কার্যালয়ে মইনুল : মঙ্গলবার নেয়া হবে আদালতে

    ডিবি কার্যালয়ে মইনুল : মঙ্গলবার নেয়া হবে আদালতে

    রংপুরের একটি মামলায় গ্রেফতার সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) কার্যালয়ে নেয়া হয়েছে। মঙ্গলবার তাকে ঢাকা মহানগর আদালতে নেয়া হবে।

    সোমবার রাতে রবের বাসা যান ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন। এরপরই আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা বাসাটি ঘিরে ফেলে। সোমবার রাত ১০টার দিকে উত্তরাস্থ আসম আবদুর রবের বাসায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে ডিবি (উত্তর) একটি টিম।

    ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার মাহবুব আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, রংপুরের একটি মামলায় সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    রাত পৌনে ১১টায় তিনি বলেন, ব্যারিস্টার মইনুলকে মিন্টো রোডের ডিবি কার্যালয়ে নেয়া হয়েছে। আগামীকাল (মঙ্গলবার) রংপুরের মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে ঢাকা মহানগর মুখ্য হাকিমের আদালতে সোপর্দ করা হবে।

    জিজ্ঞাসাবাদ করার ব্যাপারে তিনি বলেন, আমরা গ্রেফতার করেছি মাত্র। কাল আদালত অনুমতি দিলে জিজ্ঞাসাবাদ করবে ডিবি পুলিশ।

    উল্লেখ্য, সাংবাদিক মাসুদা ভাট্টিকে ‘চরিত্রহীন’ বলায় ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনের বিরুদ্ধে ঢাকাসহ দেশের বেশ কয়েকটি এলাকায় মানহানির মামলা দায়ের করা হয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটিতে তিনি উচ্চ আদালত থেকে জামিন নিয়েছেন।

    গত ১৬ অক্টোবর একাত্তর টেলিভিশনের টক শো ‘একাত্তরের জার্নাল’ এ ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনকে সাংবাদিক মাসুদা ভাট্টি প্রশ্ন করেন, ‘জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে আপনি যে হিসেবে উপস্থিত থাকেন- আপনি বলেছেন আপনি নাগরিক হিসেবে উপস্থিত থাকেন। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকেই বলছেন, আপনি জামায়াতের প্রতিনিধি হয়ে সেখানে উপস্থিত থাকেন।’

    মাসুদা ভাট্টির এই প্রশ্নে রেগে গিয়ে মইনুল হোসেন বলেন, ‘আপনার দুঃসাহসের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ দিচ্ছি। আপনি চরিত্রহীন বলে আমি মনে করতে চাই। আমার সঙ্গে জামায়াতের কানেকশনের কোনো প্রশ্নই নেই। আপনি যে প্রশ্ন করেছেন তা আমার জন্য অত্যন্ত বিব্রতকর।’

  • ব্যারিস্টার মইনুল গ্রেফতার

    ব্যারিস্টার মইনুল গ্রেফতার

    রংপুরের একটি মামলায় সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সোমবার রাত ১০টায় আসম আব্দুর রবের বাসায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

    সোমবার রাতে রবের বাসায় যান ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন। এরপরই আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা বাসাটি ঘিরে ফেলে।

    ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার মাহবুব আলম জানান, রংপুরে (মইনুল) তার বিরুদ্ধে দায়ের করা একটি মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে। সেই মামলায় তাকে গ্রেফতার করেছে ডিবির (উত্তর) একটি টিম। তাকে ডিবি পুলিশ কার্যালয়ে নেয়া হচ্ছে। কাল আদালতে পাঠানো হবে।

    উল্লেখ্য, সাংবাদিক মাসুদা ভাট্টিকে ‘চরিত্রহীন’ বলায় ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনের বিরুদ্ধে ঢাকাসহ দেশের বেশ কয়েকটি এলাকায় মানহানির মামলা দায়ের করা হয়েছে। এরমধ্যে কয়েকটিতে তিনি উচ্চ আদালত থেকে জামিন নিয়েছেন।

    গত ১৬ অক্টোবর একাত্তর টেলিভিশনের টক শো ‘একাত্তরের জার্নাল’ এ ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনকে সাংবাদিক মাসুদা ভাট্টি প্রশ্ন করেন, ‘জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে আপনি যে হিসেবে উপস্থিত থাকেন- আপনি বলেছেন আপনি নাগরিক হিসেবে উপস্থিত থাকেন। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকেই বলছেন, আপনি জামায়াতের প্রতিনিধি হয়ে সেখানে উপস্থিত থাকেন।’

    মাসুদা ভাট্টির এই প্রশ্নে রেগে গিয়ে মইনুল হোসেন বলেন, ‘আপনার দুঃসাহসের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ দিচ্ছি। আপনি চরিত্রহীন বলে আমি মনে করতে চাই। আমার সঙ্গে জামায়াতের কানেকশনের কোনো প্রশ্নই নেই। আপনি যে প্রশ্ন করেছেন তা আমার জন্য অত্যন্ত বিব্রতকর।’

  • শপথ নিয়েই নেতাকর্মীদের নিয়ে জাতীর জনকের মাজারে গেলেন বিসিসি মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহ

    শপথ নিয়েই নেতাকর্মীদের নিয়ে জাতীর জনকের মাজারে গেলেন বিসিসি মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহ

    শেখ সুমন :

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র হিসেবে শপথ পাঠ করার পরে নেতাকর্মীদের নিয়ে জাতীর জনকের মাজার জিয়ারত করতে গেলেন মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ। সোমবার রাত সাড়ে ৭টার দিকে তিনি সেখানে পৌছে নব নির্বাচিত কাউন্সিলর ও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের নিয়ে বঙ্গবন্ধুর মাজার জিয়ারত করেন।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন- বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তালুকদার মো. ইউনুস এমপি, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন চুন্নু, মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলাল, সহ-সভাপতি বরিশাল সদর উপজেলার চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান রিন্টু, সাধারণ সম্পাদক এ কে এম জাহাঙ্গীর, বঙ্গবন্ধু পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মাহবুবু উদ্দিন বীর বিক্রম, বরিশাল মহানগর যুবলীগের আহবায়ক নিজামুল ইসলাম, মহানগর আওয়ামী লীগের শিল্প ও বানিজ্য বিষয়ক সম্পাদক নিরব হোসেন টুটুল সহ আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগের কয়েক হাজার নেতাকর্মী।

    সোমবার বেলা ১১টার দিকে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের নবনির্বাচিত মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহকে শপথবাক্য পাঠ করান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পাশাপাশি ৪০ কাউন্সিলর ও নারী কাউন্সিলরদের শপথবাক্য পাঠ করান স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন।

  • প্রাইভেটকার থেকে ৯৯ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করেছেন ট্রাফিক সার্জেন্ট

    প্রাইভেটকার থেকে ৯৯ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করেছেন ট্রাফিক সার্জেন্ট

    রাজধানীর গুলশান ট্রাফিক জোনের বনানী ঢাকা গেটে একটি প্রাইভেটকার থেকে ৯৯ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করেছেন ট্রাফিক সার্জেন্ট মো. আব্দুল হান্নান। তবে এই চালক পুলিশকে দেখে পালিয়ে গেছেন। সোমবার বেলা পৌনে ১টায় এ ঘটনা ঘটে।

    ডিএমপি ট্রাফিক (উত্তর) বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) প্রবীর কুমার রায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

    তিনি বলেন, দায়িত্বরত সার্জেন্ট প্রাইভেটকারটি থামিয়ে চালককে কাগজপত্র দেখাতে বলেন। তখন চালক গাড়ি ( ঢাকা-মেট্রো-খ-১১-৩৬৯৯ ) সামনে সাইড করার কথা বলে নামেন এবং দরজা খোলা অবস্থায়ই দৌড়ে পালিয়ে যান। বিষয়টি সন্দেহ হলে গাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়। গাড়ির ব্যাকডালায় বিভিন্ন কার্টনে পাওয়া যায় ৯৯টি বিদেশি মদের বোতল।

    এ ঘটনায় বনানী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ-২০১৮ আইনে মামলা করা হয়েছে।

  • বরিশালের জেলা প্রশাসককে বিদায়ী সংবর্ধনা দিলেন বরিশাল প্রেস ক্লাবের সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ

    বরিশালের জেলা প্রশাসককে বিদায়ী সংবর্ধনা দিলেন বরিশাল প্রেস ক্লাবের সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ

    ডেস্ক রিপোর্ট:

    বরিশাল জেলার জেলা প্রশাসক মো: হাবিবুর রহমানকে বিদায়ী সংবর্ধনা দিলেন, বরিশাল আব্দুর রব সেরনিয়াবাত প্রেস ক্লাবের নেতৃবৃন্দ।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন, প্রেস ক্লাবের সাধারন সম্পাদক এসএম জাকির হোসেন,বরিশাল সাংবাদিক অঙ্গনের সিনিয়র সাংবাদিক এবং বরিশাল প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি সাংস্কৃতিক ব্যাক্তিত্ব এসএম ইকবাল,সাবেক সাধারন সম্পাদক পুলক চ্যাটার্জি, সিনিয়র সাংবাদিক গোপাল সরকার,সাংবাদিক অপূর্ব অপু,সহ অন্যান্য সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ।

    উল্লেখ্য, বরিশাল জেলার জেলা প্রশাসক হাবিবুর রহমান  বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্স এর পরিচালক পদে পদোন্নতি পেয়েছেন।

  • সন্ধ্যার পরেই বন্ধ থাকে লিফট, খোলা হয়না অভিযোগ বক্স

    সন্ধ্যার পরেই বন্ধ থাকে লিফট, খোলা হয়না অভিযোগ বক্স

    শেখ সুমন:

    বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সন্ধ্যা ৭ টার পরে বন্ধ হয়ে যায় একাধিক লিফট। রাত ৮ টার পরে চালু থাকে মাত্র একটি লিফট।

    সরোজমিনে গিয়ে দেখা যায়, রাত ৮.৪০ মিনিটে শুধু মাত্র একটি লিফট চালু রয়েছে, বাকি সকল লিফট বন্ধ। কিন্তু দেখা যায় লিফট চালকগন একত্রে দাড়িয়ে গল্পে মশগুল রয়েছে। কিন্তু একটি লিফট এ রোগী এবং দেখতে আসা সাধারন জনগনের অনেক ভিড় রয়েছে। যেখানে অনেক লোকজন সিড়িঁ বেয়ে উঠতে পারে না,তাদের বাধ্য হয়ে সিড়িঁ ভেঙেে উঠতে হয় পাচঁ তলা পর্যন্ত। কিন্তু লিফটের দরঝার সামনেই টানানো রয়েছে সেই নোটিশ যেখানে লেখা রাত সাড়ে নয়টা পর্যন্ত লিফট চলবে।

    অপর দিকে প্রতিটি ওয়ার্ডে একটি করে অভিযোগ বক্স রয়েছে।কিন্তু সেই বক্স শেষ কবে খোলা হয়েছে, তা বলতে পারছেনা দ্বায়িত্ব রত নার্স এবং স্টাফরা। তাহলে কি লোক দেখানোর জন্যই এই সিস্টেম প্রশ্ন সাধারন রোগীদের মনে।

  • মেয়র সাদিক আবদুল্লাহকে বরন করতে প্রস্তুত বরিশাল

    মেয়র সাদিক আবদুল্লাহকে বরন করতে প্রস্তুত বরিশাল

    শেখ সুমন/ শামীম ইসলাম:

    আগামীকাল সোমবার ২২ অক্টোবর ২০১৮ইং সকালে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সম্মানিত সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শপথ পড়াবেন বরিশালের নির্বাচিত মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহকে । শপথ শেষে দুপুরে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ অর্পণ এবং ঐ দিনই টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মাজার জিয়ারত করবেন। যেখানে উপস্থিত থাকবেন বরিশাল জেলা ও মহানগর আওয়ামীলীগের শীর্ষ স্থানীয় এবং আওয়ামীলীগের বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং সাদিক আবদুল্লাহর ভালোবাসার বরিশালের নাগরীক বৃন্দ।

    এরপর আগামী ২৩ অক্টোবর ২০১৮ বিকাল সাড়ে ৩টায় বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে নিজ দায়িত্ব গ্রহণ করবেন নির্বাচিত মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।

    ২৩ অক্টোবর বিকালে বর্ণাঢ্য আয়োজনে তাকে দেয়া হবে নাগরিক সংবর্ধনা। সংবর্ধনা ও বরণ অনুষ্ঠানকে ঘিরে বরিশালে চলছে ব্যাপক উৎসব ও আয়োজন। বরিশালের সর্বস্থরের জনগন এবং আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ নির্বাচিত মেয়রকে বরণ করতে প্রস্ততি নিচ্ছে।

    নগর ভবন জুড়ে আলোকসজ্জা ও সাজসজ্জার সাথে চলছে রং-তুলির কাজ। রহমতপুর থেকে নগরী পর্যন্ত সড়ক সাজছে তোড়ন আর শুভেচ্ছা ব্যানারে।

    মহানগর আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা-কর্মীরা জানান, ব্যাপক আনন্দ ও জাকজমকপূর্ন আয়োজনের মাধ্যমে নির্বাচিত মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহকে বরন ও সংবর্ধনা জানানো হবে।

    সরেজমিনে দেখাগেছে, সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহকে বরণ করতে নগরীর নথুল্লাবাদ বাসষ্ট্যান্ড, রূপাতলী বাসষ্ট্যান্ড, টাউনহলের সম্মুখে,বিবির পুকুর পাড়, লঞ্চঘাট,বঙ্গবন্ধু উদ্দ্যান, বরিশাল ষ্টেডিয়াম,ফজলুল হক এভিনিউ, চকবাজার,ফলপট্টির মোড়,জিলা স্কুল এর সম্মুখে সাজছে নতুন রূপে।

    এখন নগরবাসী অপেক্ষা করছে কখন বরিশালে আসবেন তাদের নগরপিতা।

     

     

     

  • বরিশালে আবাসিক হোটেলে পতিতাবৃত্তিতে জড়িত নারী ও খদ্দের সহ ১১জন গ্রেপ্তার

    বরিশালে আবাসিক হোটেলে পতিতাবৃত্তিতে জড়িত নারী ও খদ্দের সহ ১১জন গ্রেপ্তার

    শামীম ইসলাম:

    বরিশাল নগরীর হাজী মোহাম্মাদ মহসিন মার্কেট সংলগ্ন আবাসিক হোটেল ঝিনুক থেকে দেহ ব্যবসায়ী, খদ্দের ও হোটেলের ম্যানেজারসহ ১১ জনকে আটক করেছে বরিশাল মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।

    শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে হোটেলে অনৈতিক কর্মকান্ডের সাথে জড়িত থাকার দায়ে তাদের আটক করা হয়। আটককৃতদের মধ্যে ৭জন দেহব্যবসায়ী, দুইজন হোটেলের স্টাফ ও দুই জন খদ্দের।

    এ বিষয়ে বরিশাল মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের এসআই দেলোয়ার জানায়, আবাসিক হোটেল ঝিনুকে অনৈতিক কর্মকান্ড চলছে এমন সাংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। এসময় অনৈতিক কর্মকান্ডের সাথে জড়িত থাকার অপরাধে ৭ দেহ ব্যবসায়ী, খদ্দের ও হোটেল স্টাফসহ ১১ জনকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলেও জানান তিনি।

    এ সময় তিনি আরও জানান, দেহ ব্যবসায়ীদের চিহ্নিত দালাল আজিজ এই হোটেলটি পরিচালনা করেন। হোটেলটির মালিক সাইদ নামের এক ব্যক্তি। তবে আজিজ মালিকের কাছ থেকে ভাড়া নিয়ে হোটেলে নিজেই দেহ ব্যবসা চালাচ্ছেন। আজিজ এর পূর্বেও নগরীর গির্জামহল্লা এলাকার আবাসিক হোটেল সিটি প্লাজায়ও দেহ ব্যবসা চালাতো। যদিও পুলিশের কড়া নজরদারির কারনে তিনি হোটেলটি ছেড়ে দিয়ে পুলিশের চোঁখ ফাকি দিয়ে মহসিন মার্কেট এলাকায় হোটেল ঝিনুকে দেহ ব্যবসা শুরু করে। হোটেল ঝিনুকেই নয় পাশের আরও দুটি হোটেল ভোলা ও উজিরপুর বডিংএও তিনি দেহ ব্যবসায়ীদের দিয়ে ব্যবসা করেন।

  • বরিশালের হোটেল ব্যবসায় নিয়ম-নীতির বালাই নেই

    বরিশালের হোটেল ব্যবসায় নিয়ম-নীতির বালাই নেই

    অপরাধ নিরসনে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের বেঁধে দেওয়া নিয়মাবলী মানছে না আবাসিক হোটেলগুলো। আর নিজেদের ইচ্ছেমত করে হোটেল পরিচালনা করায় কমছে না অপরাধ। নগরী ঘুরে দেখা গেছে, পূর্বে আবাসিক হোটেলগুলোতে পুলিশের নজরদারী থাকলেও দিনে দিনে নজরদারীতে ভাটা পড়ায় যাচ্ছেতাই রকমের চলছে এসব হোটেল।

    নগরীতে বিআইপি হোটেলের মধ্যে রয়েছে গ্রান্ডপার্ক, সেডোনা ইন্টারন্যাশনাল প্রাইভেট লিঃ, এরিনা ও হোটেল এ্যাথেনা। এছাড়াও সেমি ভিআইপি হচ্ছে হোটেল সামস, হক ইন্টারন্যাশনাল, হেটেল আলী, হোটেল ওয়ান ও রোদেলা। আর নিম্ন-মধ্যমানের ও নিম্নমানের প্রায় একশ’ হোটেল নগরীতে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।

    পুলিশি নির্দেশনার মধ্যে রয়েছে, হোটেল কর্তৃপক্ষ প্রত্যেক বোর্ডারকে কক্ষ ভাড়া দেয়ার পূর্বে বোর্ডারের জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি, স্থিরচিত্র, পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা, হাতের ছাপ, ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করবেন।

    ক্লোজ সার্কিট (সিসি) ক্যামেরা স্থাপনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

    কিন্ত বাস্তবতায় সরোজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, শুধুমাত্র সিসি ক্যামেরা থাকলেও আর কোনো নির্দেশনাবলী মানছেনা হোটেল কর্তৃপক্ষ। আবার মধ্যম ও নিম্ন-মানের হোটেলগুলোতে সিসি ক্যামেরা থাকলেও তা সক্রিয় নেই।

    কথা হয় হোটেল সেডোনার ম্যানেজার বিপ্লব কুমারের সাথে। তিনি দাবী করেন, সিসি ক্যামেরা থাকায় জাতীয় পরিচয়পত্র, স্থিরচিত্র রাখার ক্ষেত্রে তেমন একটা গুরুত্ব দেওয়া হয় না। তারপরও আমরাা রাখছি। তবে ২/১ টি প্রমাণ দেখতে চাইলে তিনি দেখাতে পারেননি।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অপর এক কর্মচারী জানান রেজিস্টার বহিতে শুধুমাত্র নাম ঠিকানা রেখেই দায়-দায়িত্ব শেষ করা হয়।

    বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানার সামনে হোটেল নুপুরের এক কর্মচারী জানান, সিসি ক্যামেরাগুলো নষ্ট। জাতীয় পরিচয়পত্র, ও স্থিরচিত্র রাখা হয়না। কারণ এখানে যেসব বোর্ডার আসে তাদের অধিকাংশই পুর্ব পরিচিত। এমন সময় হোটেল পরিচালক জাকিরুল ইসলাম ঐ কর্মচারীকে হোটেল সম্পর্কিত কোন তথ্য দিতে বারণ করেন। এমনকি হোটেল কর্মচারীকে গালমন্দ করে।

    হোটেল হক ইন্টারন্যাশনালের কর্মচারী মোঃ ইব্রাহিম

    অপরাধ নিরসনে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের বেঁধে দেওয়া নিয়মাবলী মানছে না আবাসিক হোটেলগুলো। আর নিজেদের ইচ্ছেমত করে হোটেল পরিচালনা করায় কমছে না অপরাধ। নগরী ঘুরে দেখা গেছে, পূর্বে আবাসিক হোটেলগুলোতে পুলিশের নজরদারী থাকলেও দিনে দিনে নজরদারীতে ভাটা পড়ায় যাচ্ছেতাই রকমের চলছে এসব হোটেল।

    নগরীতে বিআইপি হোটেলের মধ্যে রয়েছে গ্রান্ডপার্ক, সেডোনা ইন্টারন্যাশনাল প্রাইভেট লিঃ, এরিনা ও হোটেল এ্যাথেনা। এছাড়াও সেমি ভিআইপি হচ্ছে হোটেল সামস, হক ইন্টারন্যাশনাল, হেটেল আলী, হোটেল ওয়ান ও রোদেলা। আর নিম্ন-মধ্যমানের ও নিম্নমানের প্রায় একশ’ হোটেল নগরীতে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।

    পুলিশি নির্দেশনার মধ্যে রয়েছে, হোটেল কর্তৃপক্ষ প্রত্যেক বোর্ডারকে কক্ষ ভাড়া দেয়ার পূর্বে বোর্ডারের জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি, স্থিরচিত্র, পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা, হাতের ছাপ, ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করবেন।

    ক্লোজ সার্কিট (সিসি) ক্যামেরা স্থাপনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

    কিন্ত বাস্তবতায় সরোজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, শুধুমাত্র সিসি ক্যামেরা থাকলেও আর কোনো নির্দেশনাবলী মানছেনা হোটেল কর্তৃপক্ষ। আবার মধ্যম ও নিম্ন-মানের হোটেলগুলোতে সিসি ক্যামেরা থাকলেও তা সক্রিয় নেই।

    কথা হয় হোটেল সেডোনার ম্যানেজার বিপ্লব কুমারের সাথে। তিনি দাবী করেন, সিসি ক্যামেরা থাকায় জাতীয় পরিচয়পত্র, স্থিরচিত্র রাখার ক্ষেত্রে তেমন একটা গুরুত্ব দেওয়া হয় না। তারপরও আমরাা রাখছি। তবে ২/১ টি প্রমাণ দেখতে চাইলে তিনি দেখাতে পারেননি।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অপর এক কর্মচারী জানান রেজিস্টার বহিতে শুধুমাত্র নাম ঠিকানা রেখেই দায়-দায়িত্ব শেষ করা হয়।

    বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানার সামনে হোটেল নুপুরের এক কর্মচারী মতবাদ অনলাইনকে জানান, সিসি ক্যামেরাগুলো নষ্ট। জাতীয় পরিচয়পত্র, ও স্থিরচিত্র রাখা হয়না। কারণ এখানে যেসব বোর্ডার আসে তাদের অধিকাংশই পুর্ব পরিচিত। এমন সময় হোটেল পরিচালক জাকিরুল ইসলাম ঐ কর্মচারীকে হোটেল সম্পর্কিত কোন তথ্য দিতে বারণ করেন। এমনকি হোটেল কর্মচারীকে গালমন্দ করে।

    হোটেল হক ইন্টারন্যাশনালের কর্মচারী মোঃ ইব্রাহিম মতবাদ অনলাইনকে বলেন, সিসি ক্যামেরা থাকলেই যথেষ্ট। এর বেশী কিছু রাখা হয়না। হোটেল ওয়ানের কর্মচারী মোঃ কামালের ভাষ্য, বর্তমানে তেমন বোর্ডার নেই। তাই আনুসাঙ্গিক বিষয়ের প্রয়োজন পড়ে না।

    হোটেল সামস্‘র কর্মচারী মোঃ শফিকুল ইসলাম ৩ জন পুরুষ বোর্ডার আসামাত্রই রেজিস্টার খাতায় নাম লিখে কক্ষের চাবি দিয়ে দেন।

    হোটেল আলীর কর্মচারী কামরুল ইসলাম মতবাদ অনলাইনকে বলেন, সিসি ক্যামেরাই যথেষ্ট। কারণ ক্যামেরা ভিডিও ফুটেজ সংরক্ষিত থাকে। হোটেল ইসলামিয়ার ২য় তলায় উঠতেই দেখা গেলো ২ যুবতী ও এক যুবক কক্ষের মধ্যে সময় কাটিয়ে নীচের দিকে চলে যায়। বিষয়টি নিয়ে কথা হলে হোটেল কর্মচারী মোঃ জলিল মিয়া বলেন, মাঝে মধ্যে কিশোরীরা আসে। আবার চলে যায়। তবে এখন পর্যন্ত এ হোটেলে কোনরকম হত্যাকান্ড, ধর্ষণ বা অন্য কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি। আর অপরাধমুলক ঘটনা এড়ানোর জন্য সিসি ক্যামেরার ওপর ভরসা করতে হয়। কিন্ত হোটেল ঘুরে দেখা গেছে অধিকাংশ সিসি ক্যামেরাই অচল।

    হোটেল মালিক সমিতির সভাপতি মজিবর রহমান বলেন, ‘আমি সভাপতি হলেও এসব সাংগঠনিক কার্যক্রমে সম্পৃক্ত নই। তাছাড়া মানুষ এখনও সচেতন হয়নি। যার কারনে জাতীয় পরিচয়পত্র না থাকলেও অনেকের ক্ষেত্রে পেশাগত পরিচয় রাখতে হয়। আবার ক্যামেরায় ফুটেজ সংরক্ষিত থাকে।’

    বরিশাল কেতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নুরুল ইসলাম ‘জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি ও স্থিরচিত্র রাখা বাধ্যতামূলক কিনা তা জানেন না’ জানিয়ে বলেন, ‘হোটেল কর্তৃপক্ষ বোর্ডারের তালিকা নিয়মিত থানায় এসে জমা দিয়ে যায়।‘

    তবে বিএমপির মুখপাত্র নাসির উদ্দিন মল্লিক বলেন, পুরো বিষয়টি তদারকি করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে থানার ওসিকে। নিয়মমাফিক পুলিশ গিয়ে হোটেলের রেজিস্টার খাতা তদারকি করে আসবে।’

    লেন, সিসি ক্যামেরা থাকলেই যথেষ্ট। এর বেশী কিছু রাখা হয়না। হোটেল ওয়ানের কর্মচারী মোঃ কামালের ভাষ্য, বর্তমানে তেমন বোর্ডার নেই। তাই আনুসাঙ্গিক বিষয়ের প্রয়োজন পড়ে না।

    হোটেল সামস্‘র কর্মচারী মোঃ শফিকুল ইসলাম ৩ জন পুরুষ বোর্ডার আসামাত্রই রেজিস্টার খাতায় নাম লিখে কক্ষের চাবি দিয়ে দেন।

    হোটেল আলীর কর্মচারী কামরুল ইসলাম বলেন, সিসি ক্যামেরাই যথেষ্ট। কারণ ক্যামেরা ভিডিও ফুটেজ সংরক্ষিত থাকে। হোটেল ইসলামিয়ার ২য় তলায় উঠতেই দেখা গেলো ২ যুবতী ও এক যুবক কক্ষের মধ্যে সময় কাটিয়ে নীচের দিকে চলে যায়। বিষয়টি নিয়ে কথা হলে হোটেল কর্মচারী মোঃ জলিল মিয়া বলেন, মাঝে মধ্যে কিশোরীরা আসে। আবার চলে যায়। তবে এখন পর্যন্ত এ হোটেলে কোনরকম হত্যাকান্ড, ধর্ষণ বা অন্য কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি। আর অপরাধমুলক ঘটনা এড়ানোর জন্য সিসি ক্যামেরার ওপর ভরসা করতে হয়। কিন্ত হোটেল ঘুরে দেখা গেছে অধিকাংশ সিসি ক্যামেরাই অচল।

    হোটেল মালিক সমিতির সভাপতি মজিবর রহমান বলেন, ‘আমি সভাপতি হলেও এসব সাংগঠনিক কার্যক্রমে সম্পৃক্ত নই। তাছাড়া মানুষ এখনও সচেতন হয়নি। যার কারনে জাতীয় পরিচয়পত্র না থাকলেও অনেকের ক্ষেত্রে পেশাগত পরিচয় রাখতে হয়। আবার ক্যামেরায় ফুটেজ সংরক্ষিত থাকে।’

    বরিশাল কেতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নুরুল ইসলাম ‘জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি ও স্থিরচিত্র রাখা বাধ্যতামূলক কিনা তা জানেন না’ জানিয়ে বলেন, ‘হোটেল কর্তৃপক্ষ বোর্ডারের তালিকা নিয়মিত থানায় এসে জমা দিয়ে যায়।‘

    তবে বিএমপির মুখপাত্র নাসির উদ্দিন মল্লিক বলেন, পুরো বিষয়টি তদারকি করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে থানার ওসিকে। নিয়মমাফিক পুলিশ গিয়ে হোটেলের রেজিস্টার খাতা তদারকি করে আসবে।