Category: প্রশাসন

  • মসজিদে’ বসে ইয়াবার কারবার, হাফেজ আটক: ৩৬ হাজার ইয়াবা উদ্ধার

    মসজিদে’ বসে ইয়াবার কারবার, হাফেজ আটক: ৩৬ হাজার ইয়াবা উদ্ধার

    রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকায় পেট্রল পাম্পে নামাজ পড়ার স্থানে বসে ইয়াবার চালান হস্তান্তরের সময় আটক হয়েছেন কোরআনের এক হাফেজ। তার দেয়া তথ্যমতে আটক করা হয় আরও ছয়জনকে। জব্দ করা হয়েছে ৩৬ হাজার বড়ি।

    পুলিশ বলছে, কেউ সন্দেহ করবে না, এই ভরসায় মসজিদকে ঘিরে এই কারবার চালাতেন ওই হাফেজ। আর ব্যাগে ভরে অন্য একজনকে দেয়া ১৩ হাজার বড়ির পাশাপাশি তার দেয়া তথ্যে একটি ট্রাকের নিচের অংশে বিশেষ কায়দায় লুকিয়ে আনা ১৫ হাজার বড়িও জব্দ করা হয়।

    সোমবার রাতে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) উত্তর বিভাগের দল এই অভিযান চালায়। এ সময় আটক হন হাফেজ শহীদুল্লাহ। সুরেলা কণ্ঠে কোরআন তেলাওয়াতের জন্যও তার সুনাম ছিল।

    আটক অন্য ছয়জন হলেন: স্বপন দত্ত, মাহবুর সরদার, মাহমুদ হোসেন, ইসমাইল হোসেন, কালা হাসান ও বরকত আলী।

    ডিবির অতিরিক্ত উপ কমিশনার মো. শাহজাহান ও সিনিয়র সহকারী কমিশনার গোলাম সাকলাইনের নেতৃত্বে যাত্রাবাড়ী এলাকায় এই অভিযান চলে।

    গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানান, একটি মিনি ট্রাকে করে রাজধানীতে ইয়াবা আসছে এমন খবরে সোমবার সন্ধ্যার পর অভিযানে যান তারা।

    সন্ধ্যা থেকে যাত্রাবাড়ী এলাকায় অবস্থান নেয় গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল। রাতে খবর আসে যাত্রাবাড়ী থেকে পোস্তগোলার দিকে যেতে একটি সিএনজি পাম্পের কাছে হাত বদল হবে ইয়াবার।

    সে অনুযায়ী অবস্থান নেন গোয়েন্দা সদস্যরা। এ সময় এক পাম্পের পাশের নামাজের স্থানে প্রবেশ করেন হাফেজ শহীদুল্লাহ। তার পিছু পিছু আরেকজনকে আসতে দেখে সন্দেহ হয় গোয়েন্দা পুলিশের। অবশেষে সেখান থেকে ইয়াবার হাত বদলের সময় হাতেনাতে আটক হন দুই জন।

    শহীদুল্লাহর সঙ্গে আটক স্বপন দত্ত জানান ইয়াবার চালানটি তিনি মাদারীপুর নিতেন। আর শহীদুল্লাহ জানান, স্টেডিয়াম মার্কেট ছাড়াও মোট পাঁচ জায়গায় তিনি ইয়াবা সরবরাহ করতেন।

    পরে শহীদুল্লাহর দেয়া তথ্যে যে ট্রাকে টেকনাফ থেকে ইয়াবা নিয়ে আসা হয়েছিল জব্দ করা হয় সেটিও।

    পুলিশ বলছে, শহীদুল্লাহ ইয়াবার বড় চালান নিয়ে এর আগেও বেশকবার ঢাকায় এসেছিল। তার কিছু নিয়মিত ক্রেতাও রয়েছে। এখন সারাদেশে মাদকবিরোধী অভিযানের মধ্যে কড়াকড়ির মাঝেও পুরনো গ্রাহকদের ধরে রাখতেই ইয়াবার এই চালান নিয়ে এসেছেন তিনি।

    ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উপ কমিশনার মশিউর রহমান জানান, হাফেজ শহীদুল্লাহ এক লাখ ইয়াবা পর্যন্ত বিক্রি করেছেন একেকটি চালানে।

    শহীদুল্লাহ বাড়ি টেকনাফে। হাফেজিয়া পাস করার পর তিনি ভারতের দেওবন্দ থেকে দাওরায়ে হাদিস পাস করেন। দ্রুত ধনী হওয়ার বাসনায় সন্দেহ করবে না ভেবে তিনি জড়িয়ে পড়েন ইয়াবার কারবারে।

    শহীদুল্লাহর পাঁচ ভাইয়ের মধ্যে চার জনই কোরআনে হাফেজ বলেও জানায় পুলিশ।

    ডিবির অতিরিক্ত সিনিয়র সহকারী কমিশনার গোলাম সাকলাইন বলেন, ‘এই চক্রটি বেশ কিছু দিন ধরে রাজধানীতে মাদক এনে বিক্রি করত। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাদের আটক করা হয়। রাতেই তাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।’

  • খুলনায় ‘থ্রি-সিস্টার্স’ খ্যাত দুই মাদক সম্রাজ্ঞী আটক

    খুলনায় ‘থ্রি-সিস্টার্স’ খ্যাত দুই মাদক সম্রাজ্ঞী আটক

    খুলনায় ‘থ্রি-সিস্টার্স’ খ্যাত দুই মাদক সম্রাজ্ঞী জাহানারা বেগম জানু (৫০) ও হোসনে আরাকে (৪৭) আটক করেছে র‌্যাব। তবে তাদের বড় বোন লুৎফুন্নেসা ওরফে লুতুকে আটক করা যায়নি।

    মঙ্গলবার দুপুরে খুলনা র‌্যাব-৬ কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তাদের আটকের তথ্য জানান র‌্যাবের স্পেশাল কোম্পানি কমান্ডার মো. এনায়েত হোসেন মান্নান।

    র‌্যাব জানিয়েছে, বিগত ২০/২২ বছর ধরে এই তিন বোন ও তাদের পরিবার মাদক ব্যবসায় জড়িত রয়েছে। তারা নগরীর সোনাডাঙ্গাসহ বিভিন্ন পয়েন্টে ইয়াবা, ফেন্সিডিল ও গাঁজা পাইকারি হিসেবে চালান দিতো। মাদক ব্যবসায় অপ্রতিরোধ্য বলে এই তিন বোন এলাকায় ‘থ্রি-সিস্টার্স’ নামে পরিচিত। এর মধ্যে জাহানারার বিরুদ্ধে নগরীর খুলনা সদর, সোনাডাঙ্গা, বটিয়াঘাটা ও হরিণটানা থানায় ৮টি ও হোসনে আরার বিরুদ্ধে ৬টি মাদকের মামলা রয়েছে।

    এনায়েত হোসেন মান্নান জানান, সোমবার রাতে আড়ংঘাটা পূর্ব বিল পাবলা গ্রামে অভিযান চালিয়ে জাহানারা ও হোসনে আরাকে আটক করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে ৫১০ গ্রাম গাঁজা ও ৪৮ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে আড়ংঘাটা থানায় ১৯৯০ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনের ১৯ (১) এর ৭ (ক) ও ৯ (ক) ধারায় মামলা হয়েছে।
    অভিযোগ রয়েছে, পুলিশের কতিপয় সদস্যের সাথে আঁতাত করে এই চক্রটি খুলনায় মাদক সিন্ডিকেট পরিচালনা করতো। তাদের কাছে প্রশাসন ও সাধারণ মানুষ জিম্মি হয়ে পড়েছিল।

  • স্কুলছাত্রীকে জোরপূর্বক বিয়ের অভিযোগ সভাপতির বিরুদ্ধে!

    স্কুলছাত্রীকে জোরপূর্বক বিয়ের অভিযোগ সভাপতির বিরুদ্ধে!

    দশম শ্রেণির ছাত্রীকে জোরপূর্বক বিয়ের চেষ্টা করছেন স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি। ওই ছাত্রীর জন্য তিনি পাল্টেও দিয়েছেন স্কুলের বেশ নিয়মকানুন। ইতোমধ্যে সভাপতি ওই ছাত্রীকে বিয়েও করেছেন বলে কানাঘুষা শুরু হয়েছে। ছাত্রীকে নিয়েই যখন এতকিছু, তখন পরপর দুই দফা সালিশে হাজির নেই ওই ছাত্রী। রহস্যজনক কারণে তাকে হাজির করছে না স্কুল কর্তৃপক্ষ।

    এ ব্যাপারে ছাত্রীর পরিবার মুখে কুলুপ এটেছে। স্কুল কমিটির সভাপতির বিরুদ্ধে এমন গুরুতর অভিযোগের পরও নিয়ম রক্ষার সালিশ ছাড়া আর কোন দৃশ্যমান অগ্রগতি না হওয়ায় এ নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে এলাকাজুড়ে।

    এ নিয়ে দুদফা তদন্ত হলেও আজ মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় ধাপের তদন্তে কোন কথা বলার সুযোগ না দেয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে এলাকাবাসী।
    তাদের মতে, এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিয়ে কথা বলার অধিকার রয়েছে তাদের। অথচ মঙ্গলবারের তদন্তে তাদের উপস্থিত থাকতে বলেও কথা বলার সুযোগ দেয়া হয়নি।

    নাটোর সদরের ছাতনী ইউনিয়নের তেলকুপি উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি জালাল মন্ডলের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগটির শুরুতে বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করা হলেও এলাকাবাসীর চাপের মুখে সম্প্রতি ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে। এ নিয়ে গত সপ্তাহে ওই স্কুলে একটি সালিশি বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকটি মুলতবি করার পর আজ মঙ্গলবার দ্বিতীয় দফায় বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। যথারীতি বৈঠকটি শুরুও হয়। সালিশি বৈঠক হলেও অভিযোগের তদন্ত করতে পুলিশি পাহারায় আসেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেসমিন আক্তার বানু। শুরুতেই স্বাগত বক্তব্য দিয়ে বৈঠকে উপস্থিত সাংবাদিক, ম্যানেজিং কমিটির সদস্য, ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কক্ষ থেকে বের করে দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। তিনি আলাদাভাবে সকলকে জিজ্ঞাসাবাদ করবেন বলে জানিয়ে দেন।

    মঙ্গলবার দ্বিতীয় দফায় স্কুলটিতে সালিশী বৈঠক হবে এবং সেখানে আলোচিত ওই ছাত্রীকে হাজির করা হবে, এমন খবর পেয়ে সাংবাদিকরা সেখানে ছুটে যান।

    বেলা ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেসমিন আক্তার বানু ওই স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির অভিযুক্ত সভাপতি, শিক্ষক ও সদস্যদের একটি কক্ষে পৃথকভাবে ডেকে কথা বলেন। এরপর শিক্ষকদের সাথে আলাদাভাবে কথা বলেন তিনি। এ সময় কোন সংবাদকর্মীকে  সেখানে থাকতে দেয়া হয়নি।

    এদিকে ওই সময় বাইরে অপেক্ষমান এলাকাবাসী ক্ষোভ প্রকাশ করে বিভিন্ন কথাবার্তা বলতে থাকে। তাদের অভিযোগ, প্রথম দফায় বৈঠকে তাদের মতামত প্রকাশের সুযোগ দিলেও দ্বিতীয় দফায় তাদের ভেতরেই ঢুকতে দেয়া হয়নি। আবার যে ছাত্রীকে নিয়ে ঘটনা তাকেও এখন পর্যন্ত হাজির করা হয়নি। তাদের প্রশ্ন, তবে তদন্তের নামে কি হচ্ছে?

    ছাতনী ৭ নং ওয়ার্ড যুবলীগ সভাপতি শাহ আলম ও স্থানীয় বাসিন্দা মোশারফ হোসেন বলেন, আজকের বৈঠকের আলোচ্যসূচিই জানি না আমরা। এ ব্যাপারে আমাদের অন্ধকারে রাখা হয়েছে পুরোপুরি। সবকিছু কৌশলে ম্যানেজ করা হচ্ছে কি-না, সে প্রশ্নও দেখা দিচ্ছে।

    স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, সপ্তাহখানেক আগের প্রথম তদন্তে শিক্ষা কর্মকর্তা যেসব বিষয় নিয়ে তদন্ত করেন, সেগুলোই পুনরাবৃতি করেছেন ইউএনও। অথচ আজকের তদন্তে মূল বিষয়টি ছিল ওই ছাত্রীকে হাজির করা। ওই ছাত্রীকে হাজিরই করা হচ্ছে না। বারবার সকলকে ডেকে এনে শেষে ওই ছাত্রীর বিষয়ে কোন সিদ্ধান্তই নেয়াই হচ্ছে না। পুরো ঘটনাই সবার জানা, তবুও কেন এ লুকোচুরি?

    স্কুলটির প্রধান শিক্ষক কামাল সরকারকে প্রশ্ন করা হলে তিনিও জানাতে পারেননি আজকের বৈঠকে ইউএনও কি নিয়ে তদন্ত করছেন।

    বৈঠকে জিজ্ঞাসাবাস শেষে ওই ছাত্রীর পিতা আব্দুর রউফকে তার মেয়ে হাজির হয়নি কেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, গতকাল সোমবার এই ঘটনায় স্থানীয় পত্রিকার রিপোর্টগুলো দেখে মেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছে। তাই তাকে আজ হাজির করা যায়নি।

    জিজ্ঞাসাবাদ শেষে অভিযুক্ত সভাপতি জালাল মন্ডল একাকী জিজ্ঞাসাবাদে সন্তোষ প্রকাশ করে সাংবাদিকদের জানান, তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হবে।

    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেসমিন আক্তার বানু প্রথমে এ বিষয়ে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলতে চাননি। পরে তিনি জানান, তদন্ত প্রক্রিয়া চলমান থাকবে। কেন এখন পর্যন্ত ওই ছাত্রীকে হাজির করা হল না জানতে চাইলে তিনি জানান, প্রয়োজনে ওই ছাত্রীকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। তবে কবে করা হবে বিষয়টি তিনি এড়িয়ে যান।

  • বিমান বাহিনীর নতুন প্রধান মাসিহুজ্জামান সেরনিয়াবাত

    বিমান বাহিনীর নতুন প্রধান মাসিহুজ্জামান সেরনিয়াবাত

    বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর প্রধান হিসেবে এয়ার ভাইস মার্শাল মাসিহুজ্জামান সেরনিয়াবাতকে নিয়োগ দিয়েছে সরকার।

    সোমবার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওই প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, এয়ার ভাইস মার্শাল মাসিহুজ্জামান সেরনিয়াবাত, বিবিপি, ওএসপি, এনডিইউ, পিএসসি, জিডি(পি) কে এয়ার মার্শাল পদে পদোন্নতি প্রদান পৃর্বক বাংলাদেশ বিমান বাহিনী প্রধান পদে ৩ (তিন) বছরের জন্য নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে। এ আদেশ আগামী ১২ জুন ২০১৮ তারিখ অপরাহ্ন থেকে কার্যকর হবে।

    আগামী ১২ জুন এয়ার মার্শাল পদে পদোন্নতি পাওয়ার পর ৩ বছরের জন্য এ পদের দায়িত্ব নেবেন তিনি।

  • বাংলাদেশি ৮০ হাজার শ্রমিক নিয়োগ নিয়ে বিব্রত মালয়েশিয়ান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    বাংলাদেশি ৮০ হাজার শ্রমিক নিয়োগ নিয়ে বিব্রত মালয়েশিয়ান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    বাংলাদেশ থেকে ৮০ হাজার শ্রমিক নিয়োগ করা নিয়ে বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছেন মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মুহিদ্দিন ইয়াসিন। সোমবার এই খবর দিয়েছে মালয়েশিয়ার স্টার অনলাইন।

    অভিযোগ রয়েছে, সদ্য সমাপ্ত জাতীয় নির্বাচনের কিছুদিন আগে বাংলাদেশ থেকে ৮০ হাজার শ্রমিক নিয়োগ নিয়োগের অনুমোদন দেয় তার মন্ত্রণালয়। ‘দাতুক আমিন’ নামে এক ব্যক্তি এর সঙ্গে যুক্ত। তাকে ওই অনুমতি দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এ নিয়ে মালয়েশিয়ায় তোলপাড় শুরু হয়েছে। এরই প্রেক্ষিতে আসলে ঘটনা কি তা মন্ত্রীকে জানানোর জন্য স্বরাষ্ট্র সচিবকে নির্দেশ দিয়েছেন।

    স্টার অনলাইনের খবরে বলা হয়েছে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মুহিদ্দিন এ বিষয়ে একটি বিবৃতি দিয়েছেন রবিবার। তাতে তিনি বলেছেন, বাংলাদেশি শ্রমিক আনার বিষয়ে যে অনুমোদন দেয়া হয়েছে সে বিষয়ে তাকে পুরোপুরি জানাতে বলা হয়েছে ওই সচিবকে।

    মন্ত্রী আরও বলেছেন, যদি এমন অনুমোদন দেয়া হয়েও থাকে এবং সে নির্দেশ বহাল থাকে তাহলে তা স্থগিত করা হবে। নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য যারাই আইনের লঙ্ঘন করবে তাদের কোনো ছাড়া দেবে না মন্ত্রণালয়। যে বা যারা আইন লঙ্ঘন করবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • বরিশালে খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ

    বরিশালে খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ

    আসন্ন বরিশাল সিটি করপোরেশন (বিসিসি) নির্বাচন উপলক্ষে খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা।

    সোমবার (০৪ জুন) সকালে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এ তালিকা প্রকাশ করা হয়।

    আসন্ন বিসিসি নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠানের জন্য সিটির অধিন চার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, সাংবাদিক ও সম্ভাব্য প্রার্থীদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করেন জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. হেলাল উদ্দিন খান।

    তিনি জানান, বিসিসিতে মোট ভোটার রয়েছে ২ লাখ ৪১ হাজার ৯শ’ ৫৯ জন। গত নির্বাচনে ভোটার ছিল ২ লাখ ১১ হাজার ২শ’ ২৭। মোট ভোটা কেন্দ্রের সংখ্যা ১২৭টি। গত বছর এর সংখ্যা ছিল ১শ’টি।

  • বরিশালে মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেফতার ৩৪০:ব্যাপক মাদক, অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার

    বরিশালে মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেফতার ৩৪০:ব্যাপক মাদক, অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার

    বরিশাল রেঞ্জ পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে বিভাগের ছয় জেলায় ১৭ দিনে ৩৪০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    সোমবার (০৪ জুন) দুপুরে নগরের আমতলা মোড়স্থ বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের অস্থায়ী কার্যালয়ের সভাকক্ষে সংবাদ সম্মেলনে এতথ্য জানানো হয়।

    সংবাদে সম্মেলনে পুলিশ কমিশনার (ভারপ্রাপ্ত) মো. মাহফুজুর রহমান জানান, প্রথম রমজান থেকে ১৭ রমজান পর্যন্ত বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), কোতয়ালি মডেল থানা, বন্দর থানা, কাউনিয়া থানা ও এয়ারপোর্ট থানা পুলিশ কর্তৃক তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী, মাদক ব্যবসায়ী, মাদকসেবীদের আটক করা হয়। পাশাপাশি উদ্ধার করা হয় বিভিন্ন ধরনের মাদক, অস্ত্র ও গুলি।

    এর মধ্যে নিয়মিত ১০১ মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে ১২৭ জনকে এবং বিএমপি আইনে ১৩১ মামলায় ২১৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বিএমপি আইনে মামলার বেশিরভাগই মাদকসেবী ও দেহ ব্যবসায়ী রয়েছে।

    তাদের কাছ থেকে তিন হাজার ৯৪৯ পিস ইয়াবা, ১৪ কেজি ৪৫০ গ্রাম গাঁজা, ৫৭ বোতল ফেনসিডিল, পৌনে তিন লিটার দেশীয় মদ, পাইপগান, চাপাতি, রামদা, আটটি খালি কার্তুজ উদ্ধার করা হয়।

  • মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে সৎ বাবা গ্রেফতার

    মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে সৎ বাবা গ্রেফতার

    চট্টগ্রামে ভয় দেখিয়ে সৎ মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে মোহাম্মদ মজিদ (৪৯) নামের এক কর্ভাডভ্যান চালককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    ১৬ বছর বয়সী ওই কিশোরী শনিবার তার সৎ বাবাকে আসামি করে সদরঘাট থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে। এরপর তাকে গ্রেফতার করা হয়।

    আসামি মোহাম্মদ মজিদ (৪৯) কভার্ডভ্যান চালক। তিনি নগরীর মোগলটুলি এলাকায় কাটা বটগাছ মোড়ে ভাড়ায় বাসায় স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে থাকতেন।

    পুলিশ জানায়, ১০ থেকে ১২ বছর আগে মজিদ ওই কিশোরীর মাকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর ওই কিশোরীও মজিদের পরিবারের সঙ্গেই থাকত। তার মা বিভিন্ন বাসায় গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করেন। মা কাজে বাইরে গেলে মেয়েটিকে মজিদ ভয় দেখিয়ে গত বছরের ডিসেম্বর থেকে বিভিন্ন সময়ে নিজঘরে ধর্ষণ করেন।

    পুলিশ আরও জানায়, ওই মেয়ে অভিযোগ করেছে, ধর্ষণের কথা কাউকে বললে মা ও মেয়েকে মেরে ফেলার হুমকি দিত মজিদ। শুক্রবার ওই কিশোরী অসুস্থ হলে তার মা তাকে স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যায়। তখন কিশোরীটির অন্তঃস্বত্তা হওয়ার বিষয়টি ধরা পড়লে ঘটনা প্রকাশ হয়ে যায়।

  • মিতু হত্যার অভিযোগপত্র জমার জন্য অপেক্ষা এখন জুতসই সময়ের

    মিতু হত্যার অভিযোগপত্র জমার জন্য অপেক্ষা এখন জুতসই সময়ের

    সম্প্রতি মাহমুদার মা শাহেদা মোশাররফ  বলেন, তাঁর মেয়ে খুন হওয়ার কয়েক দিন আগেই বাবুল আক্তার বদলি হয়ে ঢাকায় আসেন। তবে তিনি মাহমুদাকে জানিয়েছিলেন, ছেলেমেয়েদের লেখাপড়ার জন্য তাঁরা আরও কিছুদিন চট্টগ্রামে থেকে যাবেন। তাঁরা চট্টগ্রামের যে ফ্ল্যাটে আছেন, সেটি বদলে ফেলবেন। বাবুল মাহমুদাকে নির্মাণাধীন একটি ভবনে ফ্ল্যাট দেখতে যাওয়ার জন্য পীড়াপীড়ি করেন। তবে মাহমুদা রাজি হননি। তাঁর এখন মনে হচ্ছে, হয়তো সেদিনই মাহমুদাকে খুন করা হতো। স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে হত্যাকাণ্ডে অংশগ্রহণকারী ওয়াসিম এবং আনোয়ারও জানিয়েছেন, তাঁরা হত্যাকাণ্ডের তিন-চার দিন আগে খুনের চেষ্টা করে ব্যর্থ হন।

    বাবুল আক্তারের সম্পৃক্ততা সম্পর্কে পুলিশের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু বলা হয়নি। তবে অনানুষ্ঠানিক আলোচনায় তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলেছেন, হত্যাকাণ্ডের দুই সপ্তাহের মধ্যেই তাঁরা বাবুলের সম্পৃক্ততার ব্যাপারে ইঙ্গিত পান। স্ত্রী খুন হবেন বিষয়টি বাবুল জানতেন। অভিযোগপত্র জমা দেওয়ার জন্য তাঁদের অপেক্ষা এখন জুতসই সময়ের।

    ২০১৬ সালের ৫ জুন ভোরে মাহমুদাকে দুর্বৃত্তরা চট্টগ্রামের ও আর নিজাম রোডে গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যা করে। প্রথম শ্রেণিতে পড়ুয়া ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে মাহমুদা একই সড়কে অবস্থিত তাঁদের বাসা থেকে বেরিয়েছিলেন। স্ত্রী খুন হওয়ার পর বাবুল এজাহারে উল্লেখ করেন, তিনি জঙ্গিবিরোধী অভিযানে যুক্ত থাকার কারণে তাঁর স্ত্রী খুন হয়ে থাকতে পারেন।

    বাবুলের সম্পৃক্ততা নিয়ে সন্দেহের কারণ
    হত্যার পর পুলিশ প্রথমে ঘটনাস্থলের আশপাশে থাকা সিসি ক্যামেরাগুলোর ফুটেজ সংগ্রহ করে। ফুটেজ ধরে তাঁরা হত্যাকারীদের চেহারাগুলো আলাদা করেন। ফুটেজে আসামিদের ধূমপান করতে দেখা যায়। মোটরসাইকেলের সামনে ছিলেন মুসা, এরপর আনোয়ার ও একদম পেছনে মোতালেব মিয়া ওরফে ওয়াসিম। তিনজনই পেশাদার সন্ত্রাসী। মোতালেব মিয়া ওরফে ওয়াসিম মিতুকে গুলি করেন, আগে থেকে ওত পেতে থাকা নবী তাঁর বুকে, হাতে ও পিঠে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করেন। পুরো সময়টা বাবুল আক্তারের ছেলেকে আটকে রেখেছিলেন মুসা।

    তদন্তে যুক্ত ছিলেন এমন একজন কর্মকর্তা বলেন, জঙ্গি দমনে সাহসী ভূমিকা রাখায় বাবুলের স্ত্রী জঙ্গিদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছেন, এমন ধারণা প্রচার পাওয়ায় পুলিশ চট্টগ্রাম কারাগারে আটক জঙ্গিদের জিজ্ঞাসাবাদ করে। ভিডিও ফুটেজ দেখানো হলে তাঁরা এককথায় জঙ্গি সম্পৃক্ততার অভিযোগ নাকচ করে দেন। ফুটেজে আসামিদের ধূমপান করার দৃশ্য দেখে তাঁরা জানিয়ে দেন, হত্যাকারীরা জঙ্গি সংগঠনের সদস্য নন। তা ছাড়া তাঁদের হত্যার কায়দা আলাদা।

    ফুটেজের একটি অংশে দেখা যায়, খুনিরা প্রথমে মাহমুদাকে মোটরসাইকেল দিয়ে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিলেন। তাঁকে খুনিরা কোপ দিচ্ছেন, আর মাহমুদার প্রথম শ্রেণিতে পড়ুয়া ছেলে মায়ের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছে। দলের একজন ছেলেটির হাত টেনে ধরে আছেন। পুলিশ কর্মকর্তাদের পর্যবেক্ষণ দুটি; বাবুলের মনোবল ভাঙতে হলে জঙ্গিদের টার্গেট হতো তাঁদের সন্তান। সেটা হয়নি। দ্বিতীয়ত, এই হত্যাকাণ্ডের একমাত্র প্রত্যক্ষদর্শী এই ছেলে। পেশাদার খুনিরা খুনের সাক্ষী রাখেন না। তাহলে কি কেউ তাঁদের ছেলেটি অক্ষত রাখতে নির্দেশ দিয়েছিলেন?

    হত্যাকাণ্ডের এক দিন পর পুলিশ খুনিদের মোটরসাইকেলটি পরিত্যক্ত অবস্থায় পাঁচলাইশ থানার বাদুড়তলা এলাকা থেকে খুঁজে পায়। ইঞ্জিনের নম্বর মিলিয়ে তাঁরা মালিককে বের করেন। কয়েক দফা হাতবদলের পর মোটরসাইকেলটি ছিল সাইফুল ইসলাম ওরফে সাকুর কাছে। জিজ্ঞাসাবাদে সাইফুল জানান, ওই দিন মোটরসাইকেলটি নিয়ে মুসা বেরিয়েছিলেন। পুলিশ জানতে পারে এই মুসা হলেন বাবুলের সোর্স। হত্যাকাণ্ডের আগে মুসা ও বাবুল দুজনই নতুন দুটি নম্বর থেকে কথা বলেছেন। হত্যাকাণ্ডের পর বাবুল আর ওই ফোন ব্যবহার করেননি।

    পুলিশ সদর দপ্তর ও চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের কর্মকর্তারা বলছেন, বাবুল ও মাহমুদার দাম্পত্য সম্পর্কটা কোনো রকমে টিকে ছিল। তাঁরা মনে করেন, এ কারণেই খুন হয়েছিলেন মাহমুদা।

    জঙ্গি হামলার ধুয়া তুলে বাঁচতে চেয়েছিলেন বাবুল?
    ২০১৬ সালে ধারাবাহিকভাবে বিদেশি নাগরিক, হিন্দু পুরোহিত ও খ্রিষ্টান যাজক হত্যার ঘটনা ঘটে। ওই সব হত্যাকাণ্ডে জঙ্গিরাই ছিল মূল সন্দেহভাজন। মাহমুদার মা শাহেদা মোশাররফ বলেন, ‘বাবুল আমার মেয়েকে খুন করে জঙ্গি জঙ্গি খেলা খেলতে চেয়েছিল। আমার মেয়েকে খুন করার পর ছয় মাস আমারই বাসায় থেকে গেল।’ তিনি আরও বলেন, বাবুল তাঁর শ্বশুরের সঙ্গে সাধারণত যোগাযোগ করতেন না। কিন্তু হত্যাকাণ্ডের আগে ঘন ঘন যোগাযোগ করেছেন। এখন তাঁদের মনে হয়, আস্থা অর্জনের জন্যই বাবুল হয়তো এমন আচরণ করেছিলেন।

    হত্যাকাণ্ডের পরপর বাবুল আক্তারের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন কেন? এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, মেয়ের সঙ্গে বাবুল আক্তারের বনিবনা ছিল না ২০১৩ সাল থেকে। কিন্তু সে জন্য বাবুল খুন করবেন, এমনটা তাঁরা ভাবতে পারেননি।

    কেন বনিবনা হচ্ছিল না জানতে চাইলে শাহেদা বলেন, কক্সবাজারে কর্মরত থাকার সময় বাবুল একটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার নারী কর্মকর্তার সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান। ওই কর্মকর্তার সঙ্গে বাবুল আক্তারের যেসব খুদে বার্তা চালাচালি হয়, সেগুলো মাহমুদা একটি সাদা কাগজে তুলে রেখেছিলেন। বাবুলের সঙ্গে ওই নারীর পরিচয় ২০১৩ সালের সেপ্টেম্বরে। ঘনিষ্ঠতার বিভিন্ন তথ্যের পাশাপাশি রামুর বৌদ্ধমন্দিরে ১২ অক্টোবর দুজন একসঙ্গে প্রার্থনা করেছেন।

    বাবুল চুপ, বিচার চায় পরিবার
    বাবুল আক্তারের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করে সাক্ষাৎ চাওয়া হয়। তিনি জবাব দেননি। হোয়াটসঅ্যাপে মিতু কেন টার্গেট, তদন্তকারী কর্মকর্তারা তাঁকে সন্দেহ করছেন এ ব্যাপারে তাঁর মন্তব্য কী, স্ত্রীর সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয়েছিল সে কারণে হত্যা বলে মাহমুদার পরিবারের দাবি ও ২০১৩ সাল থেকে সম্পর্কের অবনতি হওয়া প্রসঙ্গে প্রশ্ন পাঠানো হয়। তিনি প্রশ্নগুলো দেখেও কোনো জবাব দেননি।

    মাহমুদার মা-বাবা মেয়ে হত্যার বিচার চান। তাঁরা বলেছেন, পুলিশের অভিযোগপত্রে সন্তুষ্ট হতে না পারলে তাঁরা পাল্টা আইনগত ব্যবস্থা নেবেন।

    কিন্তু অভিযোগপত্র কবে দেওয়া হবে, বাবুল আক্তারের সম্পৃক্ততা সম্পর্কে তদন্তকারী কর্মকর্তা কামরুজ্জামানের বক্তব্য কী? জবাবে ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘আন্ডার ইনভেস্টিগেশন, মন্তব্য করব না।’

  • ঢাকায় ‘মাদকবিরোধী অভিযানে’ গ্রেপ্তার ৯৬, মাদকদ্রব্য জব্দ

    ঢাকায় ‘মাদকবিরোধী অভিযানে’ গ্রেপ্তার ৯৬, মাদকদ্রব্য জব্দ

    রাজধানী ঢাকায় আজ রোববার মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে মাদক সেবন ও বিক্রির অভিযোগে ৯৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ও র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)। এ সময় বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়েছে।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে সহকারী পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস) সুমন কান্তি চৌধুরী  বলেন, আজ সকাল ৬টা পর্যন্ত ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) বিভিন্ন থানা ও গোয়েন্দা পুলিশ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৭০ জনকে গ্রেপ্তার করে।

    এ সময় ৫ হাজার ৯৪৭টি ইয়াবা, ১ কেজি ২০২ গ্রাম হেরোইন, ১৯ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজা, ১০০ বোতল ফেনসিডিল, ১২৫ বোতল দেশি মদ ও ৬২টি ইনজেকশন জব্দ করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৫৩টি মামলা করা হয়েছে।

    এদিকে র‍্যাব-২ রাজধানীর তেজগাঁও এবং মোহাম্মদপুর এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে ২৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। গণমাধ্যমে পাঠানো এক খুদে বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।