Category: প্রশাসন

  • অপারেশন করে পেট থেকে ১ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার

    অপারেশন করে পেট থেকে ১ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার

    বরিশাল শেরে-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এক মাদক সরবরাহকারীর পেটে অস্ত্রপচার করে ১০০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার দুপুরে নুরে আলম নামে ওই ব্যক্তির পেট অপারেশন করে এই ইয়াবা উদ্ধার করেন শেরে-ই বাংলা মেডিকেলের সার্জারী বিভাগের চিকিৎসকরা। নুরে আলমের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার চরসীতা গ্রামে।

    ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে সে পায়ুপথে এই ইয়াবা নিয়ে লক্ষ্মীর থেকে গত মঙ্গলবার রাতে বরিশাল এসে পৌঁছে। ওই রাতে বরিশাল নগরীর রূপাতলী এলাকার একটি বাড়িতে অবস্থান নেয় নুরে আলমসহ ৪ মাদক ব্যবসায়ী। তাদের পরিকল্পিনা ছিলো এক গ্রাম্য ডাক্তারের সহায়তায় ইয়াবাগুলো পেট থেকে বের করে নির্দিস্ট গন্তব্যে পৌঁছে দেবে তারা। কিন্তু তার আগেই মেট্রো ডিবি পুলিশ এ খবর পেয়ে ওই রাতেই ওই বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ৪ জনকে আটক করে।

    পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নুরে আলম তার পেটে ইয়াবা থাকার কথা স্বীকার করে। পরে বুধবার সকালে তাকে হাসপাতালে ডাক্তারদের কাছে সোপর্দ করে মেট্রো ডিবি পুলিশ। দুপুরে অস্ত্রপচার করে তার পেট থেকে ইয়াবা উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক ডা. ইখতিয়ার আহসান। তিনি বলেন, এই ইয়াবা একটি কনডমে ভরে তার পায়ুপথে প্রবেশ করানো হয়েছিলো। পরে ওই ইয়াবা সরে গিয়ে তার পাকস্থলীতে অবস্থান নেয়। অস্ত্রপাঁচর ছাড়া এই ইয়াবা বের করা সহজসাধ্য ছিলোনা বলে তিনি জানান।

    এ ঘটনায় আটক অপর তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং ৪ জনের বিরুদ্ধেই মাদক আইনে মামলা দায়ের সহ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন নগর গোয়েন্দা পুলিশের উপ-কমিশনার মোয়াজ্জেম হোসেন ভূঁঞা।

  • ক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীরা:চলছে উচ্ছেদ অভিযান

    ক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীরা:চলছে উচ্ছেদ অভিযান

    বরিশাল নগরীর চকবাজার, ফলপট্টি, কাটপট্টি, গির্জা মহল্লায় আজ সোমবার বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ ও বিসিসি’র উচ্ছেদ শাখা।
    ফুটপাতসহ মূল সড়ক দখল করে রাখা ব্যবসায়ীদের উচ্ছেদে এ অভিযানে অসংখ্য পুলিশ অংশ নেয়। এক পর্যায়ে বুলডোজারের সাহায্যে দোকানের সামনের অংশে থাকা সাইনবোর্ড ভেঙে ফেলা হয়। এ উচ্ছেদ অভিযানে এসব মার্কেটের কয়েকশ’ দোকানের ক্ষতি হয়েছে বলে ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেছেন।
    কোতোয়ালি মডেল থানার এসি শাহনাজ পারভীন জানান, গতকাল রবিবার রাত থেকে গুরুত্বপূর্ণ মার্কেটগুলোতে সড়ক দখল করে যারা অবৈধ স্থাপনা করেছেন তাদেরকে তা অপসারণের জন্য পুলিশের পক্ষ থেকে মাইকিং করা হয়। আজ সোমবার বেলা ১১টা পর্যন্ত তাদেরকে সময়ও দেয়া হয়। তাতে তারা কর্ণপাত না করায় বিসিসি ও পুলিশ তা উচ্ছেদ করে। এসময় বিএমপি’র উপ-পুলিশ কমিশনার গোলাম রউফ, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার সাইফুল্লাহ মোহাম্মদ নাসের উপস্থিত ছিলেন।

    এদিকে উচ্ছেদ অভিযান চলাকালে ব্যবসায়ীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। ব্যবসায়ী নেতারা এসময় পুলিশের সাথে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ে। ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন, উচ্ছেদ অভিযানের নামে তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সাইনবোর্ড ভেঙে ফেলা হচ্ছে। তারা ফুটপাত খালি রেখে ব্যবসা পরিচালনা করলেও অহেতুক তাদেরকে হয়রানি করা হচ্ছে। দুপুর ১টার দিকে এ উচ্ছেদ অভিযান শেষ হলে ব্যবসায়ীরা দোকানপাট বন্ধ করে ফেলে।
    চকবাজার ব্যবসায়ী মালিক সমিতির সহ-সভাপতি মৃণাল কান্তি সাহা বলেন, আগের কোনো নোটিশ ছাড়াই হঠাৎ করেই উচ্ছেদ অভিযান চালায়। এতে ব্যবসায়ীদের দোকান-পাটের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এ বিষয়ে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতনদের সাথে সাক্ষাৎ করবেন বলে ব্যবসায়ীরা নেতারা জানান।

  • বরিশালে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ১০ দিনে গ্রেফতার ৫০৭

    বরিশালে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ১০ দিনে গ্রেফতার ৫০৭

    বরিশাল জেলা ও মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) মাদক বিরোধী অভিযানে গত ১০ দিনে বরিশালে ৫০৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সোমবার(২৮ মে) বিকেলে স্ব-স্ব দফতর থেকে প্রেরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

    রেঞ্জ পুলিশের পক্ষ থেকে প্রেরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ১৮ মে প্রথম মে থেকে দশম রমজান পর্যন্ত বরিশাল রেঞ্জের অধীনে ৬ জেলায় বিশেষ মাদক বিরোধী অভিযান চালানো হয়। যা এখনো চলমান রয়েছে। রেঞ্জের ডিআইজি মোঃ শফিকুল ইসলাম-বিপিএম, পিপিএম এর নির্দেশনা ও সরসরি তদারকিতে এই ১০ দিনে বরিশাল, পটুয়াখালী, ঝালকাঠী, ভোলা, পিরোজপুর ও বরগুনা জেলায় মাদকের সাথে সংশ্লিষ্টতার জন্য মোট ৪৩৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পাশাপাশি ৫ হাজার ৪৭৪ পিস ইয়াবা, ৩৩ কেজি ১২২ গ্রাম গাঁজা, ফেন্সিডিল ২৪ বোতল, বিদেশী বিয়ার ২৩ ক্যান ও ৪৯১ লিটার ৩০০ মিলিলিটার দেশী মদ উদ্ধার করা হয়। যার প্রেক্ষিতে ৬ জেলার বিভিন্ন থানায় ৩৪৭ টি মামলা রুজু করা হয়েছে।

    অপরদিকে বরিশাল মেট্রোপলিটন এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযানের পাশাপাশি আসন্ন ঈদ উপলক্ষ্যে সন্ত্রাসী কার্যক্রম ও অপতৎপরতা রোধে বিশেষ অভিযান চলমান রয়েছে। বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ থেকে প্রেরিত খুদে বার্তায় জানানো হয়, মাদক বিরোধী অভিযানে প্রথম রমজান থেকে ১০ ম রমজান পর্যন্ত মোট ৭২ জনকে গ্রেফতার হয়েছে। এসময় তাদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে ২ হাজার ৬১১ পিস ইয়াবা, ১২কেজি ৫ শত গ্রাম গাঁজা, ৭৫০ মিলিলিটার দেশীয় মদ উদ্ধার করা হয়। যার অনুকুলে মেট্রোপলিটনের ৪ থানায় ৫৮ টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

  • মাদকের বিরুদ্ধে অলআউট যুদ্ধে নেমেছি, জয়ী হতেই হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    মাদকের বিরুদ্ধে অলআউট যুদ্ধে নেমেছি, জয়ী হতেই হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    সরকার মাদকের বিরুদ্ধে অলআউট যুদ্ধে নেমেছে মন্তব্য করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল জানিয়েছেন মাদক নিয়ন্ত্রণ না হওয়া পর্যন্ত এই যুদ্ধ চলবে।
    রবিবার দুপুরে সচিবালয়ে আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। অপরদিকে আগামী ৭ জুনের মধ্যে শ্রমিকদের মে মাসের বেতন পরিশোধ ও ১০ জুনের মধ্যে উৎসব ভাতা দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ জানানো হয়েছে।
    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমি মনে করি (মাদকের বিরুদ্ধে) আমরা অলআউট যুদ্ধে নেমেছি। এই যুদ্ধে আমাদের জয়ী হতেই হবে। আমরা সব ধরনের প্রচেষ্টা নেব। কোনো প্রচেষ্টাই ফাইনাল নয়। যা করলে আমরা মনে করি, ভালো হবে আমরা সেখানেই যাব।
    অভিযান কতদিন চলবে ? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এই অভিযান চলবে। এটা বিশেষ বলে কোনো কিছু না। যে পর্যন্ত আমরা (মাদক) নিয়ন্ত্রণ করতে না পারব, সেই পর্যন্তই অভিযান চলবে। নির্দিষ্ট সময় সীমা এটার মধ্যে নেই। যতদিন মাদক পুরোপুরি নির্মূল না হবে, ততদিন অভিযান চলবে।
    মাদক নিয়ন্ত্রণে কাজ করা সরকারি অধিদফতর ব্যর্থ কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ব্যর্থতা আর সফলতা বলে কোন কথা না। এমন প্রশ্ন আসেনি। প্রশ্নটা হচ্ছে আমরা মাদকের ভয়াবহতায় আক্রান্ত হয়েছি, এটা বাস্তবতা। এটাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবেই প্রধানমন্ত্রী জিরো টলারেন্সের কথা বলেছেন। আমরা সেই অনুযায়ী সর্বাত্মকভাবে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। সামাজিকভাবে প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছি। বিভিন্ন সমাজপতিদের, নির্বাচিত প্রতিনিধিদের এবং জনগণকে এর সাথে সম্পৃক্ত করেছি। গোয়েন্দাদের মাধ্যমে আমরা যে লিস্ট তৈরি করেছি তাদেরকে আমরা আইনের আওতায় নিয়ে আসছি।
    তিনি বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী জিরো টলারেন্সের কথা বলেছেন। জিরো টলারেন্সের অর্থ হচ্ছে আমরা সব কিছুই করব। আপনাদের কাছেও যদি কোন তালিকা থাকে তা আমাদেরকে দিন। আমাদেরকে সমৃদ্ধ করুন। আমরা ব্যবস্থা নেই। এই অভিযান থেকে কেউ বাদ যাবে না বলে আবারও উল্লেখ করেন তিনি।
    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেন, কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়। আপনারা ইতিমধ্যেই প্রমাণ পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি (শেখ হাসিনা) উদাহরণ সৃষ্টি করেছেন। এখানে আমাদের একজন সংসদ সদস্য জেলে রয়েছেন। সরকারদলীয় বা বিরাট সমাজপতি সেগুলো এখানে বিবেচ্য নয়। সে যেই হোক অপরাধ করলেই তাকে শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।
  • এক প্রেমিকার সঙ্গে ৩ প্রেমিকের প্রেম, অতঃপর…

    এক প্রেমিকার সঙ্গে ৩ প্রেমিকের প্রেম, অতঃপর…

    এক প্রেমিকার সঙ্গে তিনজনের প্রেমের সম্পর্ক। বিষয়টি জেনে যায় ৩ নম্বর প্রেমিক। মেনে নিতে পারেনি প্রেমিকার এমন আচরণ। সেই ক্ষোভে প্রেমিকার ওপর অ্যাসিড নিক্ষেপ করে ৩ নম্বর প্রেমিক মহব্বত হাওলাদার অপু। প্রেমিকের ছোড়া অ্যাসিডে ঝলছে যায় প্রেমিকা ও তার ছোট বোন।

    পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে প্রেমিক অপু এসব কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন ভোলার পুলিশ সুপার মো. মোকতার হোসেন।

    সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মো. মোকতার হোসেন বলেন, ভোলায় দুই বোনের ওপর অ্যাসিড নিক্ষেপের দায় স্বীকার করেছে অপু। ভুক্তভোগী এক বোনের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে সে একাই এই কাজে অংশ নেয়।

    এর আগে শুক্রবার গভীর রাতে দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের শান্তিরহাট এলাকার নিজ বাড়ি থেকে মহব্বত হাওলাদার অপুকে গ্রেফতার করে ডিবি পুলিশ।

    দুপুরে পুলিশ সুপার মো. মোকতার হোসেন সংবাদ সম্মেলন করে জানান, এবছর এসএসসি পাস করা শিক্ষার্থী তানজিম আক্তার মালার ৩ নম্বর প্রেমিক অপু এ ঘটনায় জড়িত।

    গত ১৪ মে গভীর রাতে প্রেমিকা তানজিম আক্তার মালার ওপর অ্যাসিড নিক্ষেপ করে প্রেমিক অপু। এ সময় মালা ও তার ছোট বোন মার্জিয়ার মুখমন্ডলসহ শরীরের বিভিন্ন অংশ ঝলসে যায়।

    ঘটনার পর পরই আহতদের স্বজনরা অ্যাসিড নিক্ষেপের জন্য একই বাড়ির ফারুকের ছেলে রাজিবকে সন্দেহ করে মামলা দেয়। ওই সময় মালাও জানায়, রাজিব তাকে দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। ব্যর্থ রাজিব এই কাজ করেছে। এ ঘটনায় রাজিবের বাবা ফারুক রাঢ়িকে গ্রেফতারও করে পুলিশ।

    এদিকে, নির্দোষ রাজিবের পরিবার প্রকৃত ঘটনা বের করতে পুলিশকে নানা তথ্য দেয়। পাশাপাশি ডিজিটাল পদ্ধতিতে অনুসন্ধান চালিয়ে এ ঘটনায় অপুর সম্পৃক্ততা পায় পুলিশ।

    শনিবার ডিবি কার্যালয়ে অপু জানায়, ভোলা সরকারি কলেজে অর্থনীতি বিষয়ে অনার্স প্রথম বর্ষে পড়ালেখা করছে সে। মালার সঙ্গে তার মোবাইলে পরিচয় হয়। একপর্যায়ে তাদের প্রেম হয়। জীবনের প্রথম প্রেম হিসেবে মালাকে সে ভীষণ ভালোবাসে। কিন্তু কয়েকদিন পর সে জানতে পারে মালার সঙ্গে তিনজনের প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে।

    ফলে মালার ওপর ভীষণ ক্ষিপ্ত হয় অপু। সিদ্ধান্ত নেয় অ্যাসিড নিক্ষেপের পর মালাকে কেউ বিয়ে করতে রাজি হবে না। ব্যাটারি চার্জের দোকান থেকে অ্যাসিড সংগ্রহ করে সে। এরপর গভীর রাতে বাইসাকেল চালিয়ে মালাদের বাড়ি যায়। জানালা খোলা পেয়ে ঘুমন্ত মালার ওপর অ্যাসিড নিক্ষেপ করে পালিয়ে যায় অপু। সেই অ্যাসিডে ঝলছে যায় মালা ও তার ছোট বোন মার্জিয়া। বর্তমানে তারা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন।

    সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপারের পাশপাশি উপস্থিত ছিলেন- অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শফিন মাহমুদ, সহকারী পুলিশ সুপার শেখ সাব্বির হোসেন ও ডিবি পুলিশের ওসি শহিদুল ইসলাম।

  • বরিশালে শিশু পাচারকারী চক্রের তিন সদস্য আটক

    বরিশালে শিশু পাচারকারী চক্রের তিন সদস্য আটক

    বরিশালে শিশু পাচারকারী চক্রের তিন সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ।

    এদের বিরুদ্ধে বরিশালের বিভিন্ন স্থান থেকে ১১জন শিশুকে ভারতে পাচারের অভিযোগ রয়েছে।

    বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো: মাহফুজুর রহমান জানান, শুক্রবার রাতে নগরের রসুলপুর বস্তিতে অভিযান চালানো হয়। এসময় মুক্তা, চামেলি ও হারুণ নামে তিন শিশু পাচারকারীকে তাদের নিজ বাসা থেকে আটক করা হয়।

    সম্প্রতি মুক্তা দুটি শিশুকে ভারতে পাচারের সময় একটি শিশুকে বিজিবি উদ্ধার করে ফেরত পাঠায় বলে জানায় পুলিশ। সে শিশুটি রসুলপুরেরই বাসিন্দা। বাকী শিশুটিকে এখনও উদ্ধার করা যায়নি।

    আটককৃতদের বিরুদ্ধে যথেষ্ট প্রমাণ আছে বলে দাবী করেছে পুলিশের।

  • বরিশালে প্রশ্নপত্র ফাঁস পরিকল্পনা, ছাত্রলীগ নেতাসহ আটক ১০

    বরিশালে প্রশ্নপত্র ফাঁস পরিকল্পনা, ছাত্রলীগ নেতাসহ আটক ১০

    প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস করার পরিকল্পনার অভিযোগে বরিশালে ১০ জনকে আটক করেছে কোতয়ালী থানা পুলিশ। এসময় উদ্ধার করা হয়েছে বেশ কয়েকটি ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস ও নগদ টাকা।

    আটকদের মধ্যে রয়েছেন- বরিশাল সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি রেজাউল করিম বাপ্পি ও তার সহযোগী সোহেল। বাকী ৭ জনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

    বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি থানা পুলিশ সূত্র জানিয়েছে- গোয়েন্দা তথ্যে নিশ্চিত রাত সাড়ে ১২টার দিকে শহরের গির্জ মহল্লা এলাকার আবাসিক হোটেল ইম্পিরিয়ালে অভিযান চালানো হয়। এখান থেকে তিন পরীক্ষার্থীসহ আরও ৭জনকে আটক করা হয়। এসময় উদ্ধার করা হয় ইলেকট্রনিক্স ডিভাইসসহ আরও বেশকিছু নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়।

    পরবর্তীতে তাদের স্বীকারোক্তি নিয়ে রাত ১টার দিকে শহরের হাতেম আলী কলেজ এলাকায় অভিযান চালিয়ে বাপ্পিকে তার বাসা থেকে আটক করা হয়। ওই সময় নগদ টাকাসহ আরও ২ পরীক্ষার্থীকে আটক করা হয়।

    এই অভিযানে নেতৃত্ব দেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) গোলাম রউফ, ওসি আওলাদ হোসেন মামুন ও এসআই মহিউদ্দিন মাহি। এসময় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের বেশকয়েকজন পুলিশ সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

    কোতয়ালী মডেল থানার এস আই মহিউদ্দিন মাহি (পিপিএম) বাদি হয়ে আসামীদের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানাগেছে।

  • ১০ জেলায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ১২

    ১০ জেলায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ১২

    সারাদেশে র‌্যাব ও পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ আজও ১২ জন নিহত হয়েছেন। শুক্রবার রাতে মাদকবিরোধী অভিযানে গেলে এসব বন্দুকযুদ্ধ হয় বলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়। এদের মধ্যে কুমিল্লায় ২, ময়মনসিংহে ১, চাঁদপুরে ১, দিনাজপুরে ২, জয়পুরহাটে ১, বরগুনায় ১, ঠাকুরগাঁওয়ে ১, ফেনীতে ১, পাবনায় ১ ও কুড়িগ্রামে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের সবার বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা রয়েছে। গতকাল শুক্রবারও সারাদেশে বন্দুকযুদ্ধে ১১ মাদক ব্যবসায়ীর মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়।

    কুমিল্লা

    কুমিল্লায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ বাবুল (৪০) ও আলমাস (৩৬) নামের দুই মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। শুক্রবার রাত দেড়টার দিকে জেলার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার বাগরা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থল থেকে ৪০ কেজি গাঁজা ও একটি বিদেশি পিস্তল উদ্ধার করা হয়েছে।

    ব্রাহ্মণপাড়া থানার ওসি সৈয়দ আবু মোহাম্মদ শাহ জাহান কবির জানান, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে মাদক উদ্ধার ও মাদক ব্যবসায়ীদের আটক করতে ব্রাহ্মণপাড়া-দেবিদ্বার সার্কেলের এএসসি শেখ মোহাম্মদ সেলিম ও তিনি (ওসি) সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে উপজেলার বাগরা এলাকায় অবস্থান নেন। রাত দেড়টার দিকে মাদক ব্যবসায়ী বাবুল ও আলমাস তাদের সহযোগীদের নিয়ে সেখানে পৌঁছালে তাদের আটকের চেষ্টা করে পুলিশ। এসময় মাদক ব্যবসায়ীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। পুলিশও আত্মরক্ষার্থে ১৬ রাউন্ড গুলি চালায়। উভয় পক্ষের গুলি বিনিময়ে মাদক ব্যবসায়ী বাবুল ও আলমাস গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয়। তাদেরকে উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে উভয়ের মৃত্যু হয়। নিহত বাবুলের বিরুদ্ধে ১৬টি ও আলমাসের বিরুদ্ধে ৮টি মাদকের মামলা রয়েছে।

    ময়মনসিংহ

    ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জের আঠাবাড়ি এলাকায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ শাহজাহান মিয়া (৩০) নামে এক মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। নিহত শাহজাহানের বিরুদ্ধে থানায় মাদক আইনে ৮টি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

    ঈশ্বরগঞ্জ থানার ওসি বদরুল আলম খান জানান, শুক্রবার রাত দেড়টার দিকে ঈশ্বরগঞ্জের আঠাবাড়ি তেলওয়ারী গন্ডিমোড়ে আবুল খায়েরের গ্যারেজের পশ্চিমে ফাঁকা রাস্তায় কয়েকজন মাদক বিক্রেতা মাদক ভাগাভাগি করছে এমন তথ্যের ভিত্তিতে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ও ঈশ্বরগঞ্জ থানা পুলিশ যৌথভাবে মাদক বিরোধী অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক ব্যবসায়ীরা সদস্যরা প্রথমে ইটপাটকেল নিক্ষেপ পরে এবং পরে গুলি চালায়। পুলিশও পাল্টা গুলি চালালে মাদক ব্যবসায়ীরা পালিয়ে যায়। এসময় ঘটনাস্থল তল্লাশি করে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় শাহজাহানকে আটক করা হয়। গুরুতর আহত শাহজাহানকে রাতেই ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এসময় পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ২০০ গ্রাম হেরোইন, ৫টি গুলির খোসা ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে।

    চাঁদপুর

    চাঁদপুরের কচুয়ায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ বাবলু (৪২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। বাবলু চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ও তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানিয়ে পুলিশ।

    কচুয়া থানার ওসি সৈয়দ মাহবুবুর রহমান জানান, রাতে একাধিক মামলার আসামি ও চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী বাবলুকে উপজেলার ১১নং দক্ষিণ গোহাট ইউনিয়নের পাড়াগাঁও গ্রাম থেকে আটক করা হয়। থানায় নিয়ে আসার পথে একই উপজেলার ১০নং উত্তর গোহাট ইউনিয়নের ব্রিক ফিল্ডের কাছে বাবলুর সহযোগীরা পুলিশের ওপর হামলা চালায় এবং ককটেল নিক্ষেপ করে তাকে ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করলে তাদের সঙ্গে গোলাগুলি হয়। এ সময় বাবলু গুলিবিদ্ধ হলে তাকে কচুয়া হাসপাতালে নেয়া হয় কিন্তু সেখানে ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করে।

    দিনাজপুর

    দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলায় র‌্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ একজন ও সদর উপজেলার রামসাগরে দুই দল মাদক বিক্রেতার মধ্যে গুলি বিনিময়ে আরও এক মাদক বিক্রেতা নিহত হয়েছেন।

    নিহতরা হলেন, বীরগঞ্জ উপজেলার চিহ্নিত মাদক বিক্রেতা সাবদারুল ইসলাম (৪২) ও নিহত আবদুস সালাম ওই এলাকার মৃত আব্দুস সামাদের ছেলে।

    র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন ১৩ দিনাজপুর ক্যাম্পের অধিনায়ক (সিও) মেজর তালুকদার নাজমুছ সাকিব জানান, শুক্রবার ভোরে বীরগঞ্জে বিপুল মাদক পাচারের খবর পেয়ে র‌্যাব অভিযান চালায়। এ সময় র‌্যাবকে লক্ষ্য করে সাবদারুল গুলি ছুড়লে র‌্যাবও পাল্টা গুলি ছোড়ে। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই নিহত হন তিনি। পরে তার কাছে একটি বিদেশি পিস্তল, চার রাউন্ড তাজা গুলি, এক রাউন্ড গুলির খোসা, প্রায় দুই কেজি গাঁজা ও ১০০ বোতল ফেনসিডিল পাওয়া যায়। এ ঘটনায় আহত হন দুই র‌্যাব সদস্য।

    এদিকে দিনাজপুর কোতোয়ালি থানার ওসি রেদওয়ানুর রহিম জানান, রাতে রামসাগর এলাকায় দুই দল মাদক বিক্রেতার মধ্যে গুলি বিনিময় হয়। খবর পেয়ে পুলিশের একটি টহল দল সেখানে গেলে আবদুস সালামকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে। এ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে এম আবদুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক আবদুস সালামকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। ঘটনাস্থল থেকে ফেনসিডিল, চারটি হাত বোমা, একটি পিস্তল ও দুই রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।

    জয়পুরহাট

    জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার ভীমপুর এলাকায় র‌্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ রেন্টু মিয়া (৩৫) নামে এক মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য, অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করেছে র‌্যাব। রেন্টু মিয়ার বিরুদ্ধে জেলার বিভিন্ন থানায় কমপক্ষে ৭ টি মাদক মামলা রয়েছে।

    র‌্যাব-৫ জয়পুরহাট ক্যাম্প কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শামীম হোসেন জানান, একদল মাদক ব্যবসায়ী জেলার পাঁচবিবি উপজেলার ভীমপুর এলাকায় অবস্থান করছে খবর পেয়ে শুক্রবার মধ্যরাতে ওই এলাকায় র‌্যাব অভিযান চালায়। এ সময় মাদক ব্যবসায়ীরা র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে র‌্যাবকে লক্ষ্য করে গুলি চালালে র‌্যাবও পাল্টা গুলি চালায় এবং মাদক ব্যবসায়ীরা পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থল থেকে রেন্টু মিয়াকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে পাঁচবিবি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    বরগুনা

    বরগুনায় ছগির খান নামে এক মাদক ব্যবসায়ীর গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার সকাল সাড়ে ৭ টার দিকে  সদর উপজেলার ৪ নম্বর কেওড়াবুনিয়া ইউনিয়নের জাকিরতবক এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

    বরগুনা থানার ওসি মাসুদুজ জামান জানান, মাদক ব্যবসায়ীদের অভ্যন্তরীণ কোন্দলে নিজেদের মধ্যে গোলাগুলিতে ছগির খান মারা গেছেন।

    ঠাকুরগাঁও

    ঠাকুরগাঁওয়ে পুলিশের সঙ্গে‌‌ ‘বন্দুকযুদ্ধে’ মোবারক হোসেন কুট্টি (৪৫) নামে এক মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। এ সময় ৩ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। শনিবার ভোরে সদর উপজেলার ১৯নং বেগুনবাড়ি ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। মোবারক হোসেনের বিরুদ্ধে ঠাকুরগাঁও সদর থানায় মাদকের প্রায় ১৫টির মামলা রয়েছে।

    পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে সদর উপজেলার পশ্চিম বেগুনবাড়ি ইউনিয়নে অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় কুট্টিসহ কয়েকজন মাদক ব্যবসায়ী পুলিশের উপস্থিতি বুঝতে পেরে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। পুলিশও পাল্টা গুলি চালালে মোবারক হোসেন ঘটনাস্থলে নিহত হয়। ঘটনাস্থল বিস্ফোরিত ৫টি ককটেল, বন্দুকের কার্তুজ ও বেশকিছু দেশি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

    ফেনী

    ফেনীর রুহিতিয়া এলাকা থেকে কবির হোসেন (৫০) নামে এক ব্যক্তির গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। কবির রুহিতিয়া ব্রিকফিল্ড এলাকায় নিজেদের মধ্যে গোলাগুলিতে নিহত হয়েছেন বলে দাবি পুলিশের।

    ফেনী মডেল থানার ওসি রাশেদ খাঁন চৌধুরী বলেন, ভোর ৪টার দিকে সদর উপজেলার কাজিরবাগ ইউনিয়নের রুহিতিয়া ব্রিকফিল্ড এলাকায় গোলগুলির খবর পেয়ে পুলিশ অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অন্যরা পালিয়ে গেলেও ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ এক অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিকে উদ্ধার করে পুলিশ। তাকে ফেনী সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পরে তার পরিচয় মেলে। নিহত কবির একজন ডাকাত। তার বিরুদ্ধে ডাকাতি, মাদকসহ অন্তত ১০টি মামলা রয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি বন্দুক, একটি গুলি ও গুলির খোসা উদ্ধার করেছে।

    পাবনা

    পাবনা সদর থানা পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ আব্দুর রহমান নামে একজন নিহত হয়েছেন। পুলিশের দাবি, নিহত আব্দুর রহমান চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। তার বিরুদ্ধে মাদকের একাধিক মামলা রয়েছে।

    পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস জানান, আব্দুর রহমানকে গ্রেফতারের পর তার কাছ থেকে মাদকদ্রব্য সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য নেয়। পরে শুক্রবার রাত দেড়টার দিকে তাকে নিয়ে শহরের দোগাছী ইউনিয়নের মহেন্দ্রপুর এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় তার সহযোগীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ককটেল নিক্ষেপ ও গুলি ছোড়ে। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি ছোড়ে। এ সময় আব্দুর রহমান পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে গুলিবিদ্ধ হয়। তাকে উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে ডাক্তার মৃত ঘোষণা করেন।

    মাদক ব্যবসায়ীদের ছোড়া ককটেলের আঘাতে ৩ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ একটি দেশি শাটারগান, তিন রাউন্ড গুলি, চার রাউন্ড গুলির খালি খোসা ও দুইশ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে।

    কুড়িগ্রাম

    কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার দক্ষিণ বাঁশজানি সীমান্তে শনিবার ভোরে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ইব্রাহিম হোসেন (৩৭) নামে এক মাদক চোরাকারবারী নিহত হয়েছেন। পুলিশ এ সময় ৫ কেজি গাঁজা, দেশীয় অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার করেছে। এ সময় এএসআই নাদের ও আইয়ুব নামে দুই পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।

    ভূরুঙ্গামারী থানার ওসি ইমতিয়াজ কবির জানান, ভোরে ভারতীয় সীমান্তঘেষা দক্ষিণ বাঁশজানী গ্রামে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদকদ্রব্য উদ্ধারে গেলে মাদক চোরাকারবারীরা পুলিশের উপর হামলা চালায়। এ সময় পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। পরে মাদক পাচার সিন্ডিকেট প্রধান ইব্রাহীমকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে ভূরুঙ্গামারী হাসপাতালে নিলে চিকিৎসকরা তাকে কুড়িগ্রাম হাসপাতালে পাঠান। সেখানে সকাল সোয়া ৯টায় তার মৃত্যু হয়।

  • নয় জেলায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ১১

    নয় জেলায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ১১

    দেশব্যাপী মাদকবিরোধী অভিযানে দেশের ৯ জেলায় পুলিশ ও মাদক ব্যবসায়ীদের মধ্যে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ১১ জন নিহত হয়েছেন। পুলিশের দাবি, নিহতরা সবাই মাদক ব্যবসায়ী।

    বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত থেকে শুক্রবার ভোর পর্যন্ত ঢাকা, ঝিনাইদহ, শেরপুর, কক্সবাজার, কুমিল্লা, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, গাইবান্ধা ও সাতক্ষীরায় এসব ‘বন্দুকযুদ্ধে’র ঘটনা ঘটে।

    ঢাকা
    রাজধানীর তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার বিজি প্রেস হাইস্কুল মাঠ এলাকায় বুধবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে র‌্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে কামরুল ইসলামনামের এক মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছে।

    র‌্যাবের দাবি, নিহত কামরুল তেজগাঁও রেল লাইন বস্তি এবং মহাখালী সাততলা বস্তি এলাকার শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী। তার নামে বিভিন্ন থানায় ১৫টির বেশি মাদকদ্রব্য ও অস্ত্র মামলা রয়েছে।

    র‌্যাব আরও জানায়, ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্র-গুলি ও বিপুল পরিমাণ ইয়াবা জব্দ করা হয়েছে। এছাড়া দুই পক্ষের গুলি বিনিময়কালে র‌্যাবের দুই সদস্য আহত হয়েছেন বলেও জানান তিনি।

    তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার (এসআই) মো. মিজানুর রহমান জানান, গুলিবিদ্ধ অবস্থায় কামরুল ইসলামকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে এলে রাত পৌনে ২টার দিকে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    কক্সবাজার 
    জেলার রামুতে দুই দল মাদক ব্যবসায়ীর মধ্যে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদির বেয়াই আকতার কামাল (৪১) নিহত হয়েছেন। পুলিশ জানায়, কামাল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় ও পুলিশের তালিকাভুক্ত ইয়াবা ব্যবসায়ী। তার বিরুদ্ধে টেকনাফ থানায় পাঁচটি মামলা রয়েছে।

    শুক্রবার ভোরে উপজেলার খুনিয়াপালংয়ের দুই নম্বর ব্রিজ এলাকায় এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিয়াকত আলী সিকদার।

    নিহত কামাল এমপি বদির বড় বোন শামসুনাহারের দেবর এবং টেকনাফের সাবরাং ইউনিয়নের দুই নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য।

    ওসি আরও জানান, ভোরে ইয়াবার লেনদেনকে কেন্দ্র করে এই বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে কামালের মরদেহ খুঁজে পায়। ঘটনাস্থল থেকে তিন হাজার পিস ইয়াবা, দেশীয় তৈরি এলজি ও চার রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।

    এদিকে, পুলিশ মহেশখালী থানা জানায়, জেলার মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের দু’গ্রুপের বন্দুকযুদ্ধে মোস্তাক আহামদ (৩৭) নামে এক ইয়াবা ব্যবসায়ী নিহত হয়েছে। নিহত মোস্তাক আহামদ ওই ইউনিয়নের মুন্সিরড়েইল গ্রামের আনোয়ার পাশার ছেলে। তার বিরুদ্ধে তিনটি মাদকের মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

    বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১০টার দিকে উপজেলার বড়মহেশখালী ইউনিয়নের দেবেঙ্গাপাড়া পাড়াতলী এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

    মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার দাশ বাংলাদেশ প্রতিদিনকে জানান, ইয়াবা ব্যবসায়ীদের দু’গ্রুপের গোলাগুলির খবর পেয়ে পুলিশ অভিযান চালায়। অভিযানের খবর পেয়ে ইয়াবা ব্যবসায়ীরা পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থল থেকে ইয়াবা ব্যবসায়ী মোস্তাকের লাশ উদ্ধার করা হয়। এসময় চারটি দেশীয় তৈরি বন্দুক, সাত রাউন্ড গুলি ও ৩০ রাউন্ড গুলি খোসার উদ্ধার করা হয়েছে।

    কুমিল্লা
    জেলার বুড়িচং উপজেলার ষোলনল ইউনিয়নের মহিষমারা এলাকায় পুলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধে কামাল হোসেন প্রকাশ ফেন্সি কামাল (৫১) নামের একজন নিহত হয়েছেন। পুলিশের দাবি, নিহত কামাল তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী।

    বুড়িচং থানার ওসি মনোজ কুমার দে জানান, ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ১ রাউন্ড কার্তুজসহ একটি পাইপগান ও ৫০ কেজি গাঁজা। নিহত ওই মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে বুড়িচং ও কোতয়ালী মডেল থানায় ১২টির অধিক মাদকের মামলা রয়েছে।

    ময়মনসিংহ
    সদর উপজেলায় পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে রাজন নামের একজন নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন দুই পুলিশ সদস্য। ঘটনাস্থলে থেকে ৪শ’ পিস ইয়াবা, একটি চাইনিজ কুড়াল উদ্ধার করা হয়।

    পুলিশের দাবি, নিহত রাজন এলাকার শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী। তার বিরুদ্ধে থানায় আট থেকে নয়টি মাদকদ্রব্য মামলা রয়েছে।

    বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ২টার দিকে নগরীর পুরোহিত পাড়া রেলওয়ে কলোনি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে জানান বন্দুকযুদ্ধে আহত ডিবির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশিকুর রহমান।

    সাতক্ষীরা
    জেলার কলারোয়া উপজেলায় বন্দুকযুদ্ধে ইউনুস আলী দালাল নামের একজন নিহত হয়েছেন।বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত পৌনে ২টার দিকে উপজেলার সোনাবাড়িয়া ইউনিয়নের রামকৃষ্ণপুর-বড়ালি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ইউনুস উপজেলার দক্ষিণ ভাদিয়ালি গ্রামের আব্দুল্লাহ দালালের ছেলে।

    পুলিশ জানায়, রাতে উপজেলার রামকৃষ্ণপুর-বড়ালি সীমান্তে দুই দল মাদক ব্যবসায়ীর মধ্যে গোলাগুলিতে ইউনুস নিহত হয়। বাহিনীর দাবি, সে একজন শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী।

    ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ একটি ওয়ান শ্যুটার গান, দুই রাউন্ড গুলি ও ৭০ বোতল ভারতীয় ফেনসিডিল উদ্ধার করেছে বলেও থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।

    নেত্রকোনা 
    সদর উপজেলার মদনপুর ইউনিয়নের মনাং গ্রামে পুলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধে দুই মাদক ব্যবসায়ী নিহত এবং তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।

    এ ব্যাপারে নেত্রকোনা পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার সদর সার্কেল মো. ফখরুজ্জামান জুয়েল জানান, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযানে মনাং গ্রামে  মাদক ব্যবসায়ীদের সাথে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এসময় দুই মাদক ব্যবসায়ী গুলিবিদ্ধ হয়। তাদেরকে নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে আসলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় তিন পুলিশ সদস্যও আহত হন।

    অভিযানে আধা কেজি হেরোইন, ৩ হাজারের অধিক ইয়াবা ও দু’টি পাইপগান উদ্ধার করা হয়। তবে নিহতদের পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ।

    ঝিনাইদহ
    জেলার কালীগঞ্জে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে শামীম হোসেন নামের একজন মাদকব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। এসময় চার পুলিশ আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে পুলিশ।

    বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে কালীগঞ্জের সুগার মিল এলাকার একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থল থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, তিন রাউন্ড গুলি ৫০০ পিস ইয়াবা ও ১৭ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়েছে।

    কালীগঞ্জ থানার ওসি মিজানুর রহমান খান বাংলাদেশ প্রতিদিনকে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ মাদক ব্যবসায়ীর নিহত হওয়ার কথা জানান।

    গাইবান্ধা
    জেলার ফুলছড়ি উপজেলার পুলবন্দি ফলিয়া ব্রিজ এলাকায় শুক্রবার ভোর রাতে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে জুয়েল মিয়া (৪৫) নামে একজন নিহত হয়েছেন। জুয়েল মিয়া সদর উপজেলার ব্রিজ রোড মিস্ত্রি পাড়া এলাকার মৃত নছিম উদ্দিনের ছেলে।

    পুলিশ জানান, জুয়েল মিয়া একজন মাদক ব্যবসায়ী। তার বিরুদ্ধে থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।

    শেরপুর
    শুক্রবার ভোর রাতে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে আবুল কালাম আজাদ ওরফে কালু ডাকাত নামের একজন নিহত হয়েছেন। এসময় উপ-পরিদর্শকসহ (এসআই) পুলিশের তিন সদস্য আহত হয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, নিহত কালু ডাকাত মাদক ব্যবসার পাশাপাশি শীর্ষ সন্ত্রাসী ছিলেন।

  • পলাশপুরে ৩০ মাদক ব্যবসায়ি অপ্রতিরোধ্য

    পলাশপুরে ৩০ মাদক ব্যবসায়ি অপ্রতিরোধ্য

    ডেস্ক রিপোর্ট :

    আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর অভিযানের মধ্যেও বরিশাল শহরের পলাশপুর এলাকায় চলছে বেপরোয়া মাদক বাণিজ্য। সংশ্লিষ্ট কাউনিয়া থানা পুলিশ ও র‌্যাবের ধারাবাহিক টহলের পরেও মাদক বিক্রেতারা দমছে না। বিশেষ করে মাদক নিয়ে স্বামী পুলিশের হাতে আটক হয়ে কারাগারে যাওয়ার পরে একই ব্যবসায় যুক্ত হচ্ছেন স্ত্রী। তাছাড়া এলাকার আওয়ামী লীগ নেতা দাবিদারও একাধিক ব্যক্তি বিশেষ রয়েছেন মাদক বিক্রিতে জড়িত। পাশপাশি তাদের পরিবার পরিজনও সক্রিয় আছে বলে শোনা যাচ্ছে।

    এক্ষেত্রে বলা চলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চলমাম অভিযানের মধ্যে ওই এলাকার মাদক ব্যবসায়িরা বেশিমাত্রায় অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠেছে। স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে- পলাশপুরের বৌ বাজার লাগোয়া ব্রিজের ঢালের বাসিন্দা ইশাদ মাদকের সাথে জড়িত।

    সাম্প্রতিকালে ইশাদ বরিশাল মেট্রোপলিটন কাউনিয়া থানা পুলিশের হাতে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার হয়েছিল। কিন্তু জামিনে মুক্ত হয়ে ফের একই ব্যবসায় জড়িয়ে পড়েন। অভিযোগ রয়েছে কোন কোন পরিবারে স্বামী স্ত্রীসহ পলাশপুরে অন্তত ৩০ মাদক ব্যবসায়ি এখনও সক্রিয় রয়েছেন। বিশেষ করে চিহ্নিত মাদক বিক্রেতা গাঁজা কালাম সাম্প্রতিকালে শিশুকে যৌন হয়রানির অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে থাকলেও এখন এই ব্যবসায় নেমেছেন তার স্ত্রী। মূলত স্বামী কারাগারে যাওয়ার পরেই তিনি মাদক বিক্রিতে সক্রিয় হন বলে শোনা গেছে।

    তাছাড়া এই তালিকায় রয়েছেন- ৬ নম্বর গুচ্ছগ্রামের নুরু মিয়ার ছেলে মুরাদ, একই এলাকার মিন্টু, বজলু মিয়ার ছেলে কালু, ৫ নম্বর গুচ্ছগ্রামের মৃত আব্দুর রবের ছেলে আসাদ, ফেন্সি আসলামের ছেলে আল আমিন, জাহাঙ্গীরের ছেলে সুমন, মাওলা ও তার স্ত্রী, খুর সুমন ও তার স্ত্রী রুমা বেগম, নুরু ও তার স্ত্রী তাহমিনা, বৌ বাজার এলাকার ইসমাইল মিয়ার ছেলে মনির, মৃত আব্দুর রশিদের ছেলে আলম মোল্লা, মানিক মোল্লা ও তার স্ত্রী, সেলিম মোল্লার ছেলে রানা মোল্লা, সালাম ওরফে মাদকের ডিলার সালামের ছেলে রাসেল, বাসু মিয়ার ছেলে রিপন, বালা গফফারের ছেলে সুমন, জয়ফুল বেগম, মো. হানিফ, ডিস স্যামল, আসলাম, উত্তরা হাউজিং এলাকার আল আমিন, রাসেল, গালপোড়া আবুল, কাজীর গোরস্তান এলাকার জাহিদ ও সাজু খার ছেলে ইমাম। এই ইমামও ওই এলাকায় মাদকের হোলসেলার হিসেবে সমাধিক পরিচিত। কিন্তু এখন প্রশ্ন দেখা দিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চলমান সাড়াশি অভিযানেও তাদের বাণিজ্য চালিয়ে যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে।

    স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন- এই ৩০ ব্যবসায়িই এখনও সক্রিয় থেকে মাদক বিক্রি করে যাচ্ছেন। প্রতিদিন সন্ধ্যার পরে তাদের নেতৃত্বে এলাকায় একধরনের হাট বসছে। সংশ্লিষ্ট কাউনিয়া থানা পুলিশ বেশ কয়েকবার অভিযান চালিয়েও তাদের বাগে আনতে পারছে না। আবার কাউকে গ্রেপ্তার করলেও পরবর্তীতে জামিনে মুক্ত হয়ে ফের মাদক বিক্রিতে জড়িয়ে পড়ছেন।

    এমতাবস্থায় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের মুখপাত্র নাসির উদ্দিন মল্লিকের ভাষ্য হচ্ছে- ব্যবসায়িদের তালিকা তৈরি করে মাদকবিরোধী অভিযান চলছে। তারা যে দলের লোক, যত ক্ষমতাধর ব্যক্তি জড়িত হোক না কেন তাদের গ্রেপ্তার করে আইনে মুখোমুখি করা হবে।’