Category: প্রশাসন

  • সবাইকে টিকা নেয়ার আহবান বিএমপি কমিশনারের

    সবাইকে টিকা নেয়ার আহবান বিএমপি কমিশনারের

    বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানায় ওপেন হাউজ ডে অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ ১৩ ফেব্রুয়ারি শনিবার সকাল ১১টায় কোতোয়ালি মডেল থানা চত্তরে অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়।

    সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের পুলিশ কমিশনার মোঃ শাহাবুদ্দিন খান বিপিএম-বার।

    ব্যক্তিগত ও সমষ্টিগত সমস্যা অথবা মতামত জানাতে যাঁরা ওপেন হাউজ ডে’তে আগুয়ান হয়ে আসেন, তাদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বিগত ওপেন হাউজ ডে’তে উপস্থাপিত ভুক্তভোগীদের সমস্যার বিপরীতে গৃহীত পদক্ষেপ পর্যালোচনায় দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সরাসরি জবাবদিহিতা নিশ্চিত করেন এবং উপস্থিত সকল ভুক্তভোগীর সমস্যা শুনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রধান অতিথি নির্দেশ দান করেন।

    সভা শুরুতে করোনা COVID-19 টিকা সম্পর্কে মনগড়া ও ভ্রান্ত ধারণায় বিভ্রান্ত না হয়ে সবাইকে টিকা নেয়ার আহ্বান জানিয়ে ওপেন হাউজ ডে সম্পর্কে তিনি বলেন, এই ওপেন হাউজ ডে’তে আমরা তিন ধরনের আবেদন গুরুত্ব সহকারে শুনে থাকি, ভুক্তভোগীর কথা শুনি, সমাজের শৃঙ্খলা রক্ষায় সাধারণ জনগণের গঠনমূলক পরামর্শ শুনি এমনকি আমাদের কোন পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ, অনিয়ম রয়েছে কিনা তা সরাসরি আপনাদের কাছ থেকে শুনে থাকি এবং সেই অনুযায়ী গৃহীত ব্যবস্থা সকলের সামনে পর্যালোচনা করে থাকি।

    অনেক বিষয় আমাদের আওতায় না থাকলেও ফৌজদারি অপরাধ দানাবাঁধার আগেই তা দমন করতে আমরা জনগণের পাশে আগুয়ান হয়ে কাজ করে থাকি।

    তিনি আরও বলেন, নির্ভেজাল পুলিশি সেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে আমরা প্রত্যেক থানায় নির্দিষ্ট করে ওপেন হাউজ ডে কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছি, শিক্ষার উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে আমরা অভিভাবক, শিক্ষক ও ছাত্রছাত্রীদের মাঝে স্কুল ভিজিটিং প্রোগ্রাম এর মাধ্যমে সচেতনমূলক সভার আয়োজন করে ইভটিজিং, বাল্যবিবাহ, মাদকের ভয়াবহতা, সাইবার ক্রাইম সম্পর্কে সচেতন করছি এছাড়াও
    ঝুঁকিপূর্ণ কিশোরদের তালিকা করে মানবিক মূল্যবোধ সম্পন্ন আইনমান্যকারী নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে অপরাধ দানাবাঁধার আগেই তা অঙ্কুরে বিনষ্ট করতে আমরা বিশেষ ব্যবস্থা হাতে নিয়েছি।

    আপনার সন্তানেরা ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় যাতায়াত করে কি-না, সে কোথায় যায়, কার সাথে মিশে তা নজরে রেখে সংশোধনের চেষ্টা করবেন, ব্যর্থ হলে আমাদের জানাবেন,এ-সংক্রান্তে সমাজের সর্বস্তরের জনগণের সহায়তা কামনা করছি।

    বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও ন্যায্যতার ভিত্তিতে নির্ভেজাল, দূনীর্তিমুক্ত ও প্রভাবমুক্ত পুলিশি সেবা পৌঁছে দিতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।

    আপনাদের দোরগোড়ায় নির্ভেজাল সেবা নিশ্চিত তথা বিট এলাকায় সামাজিক শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট বিট অফিসারকে সকল অভিযোগ অনিয়ম জানাতে পারেন।

    কতিপয় দুষ্ট লোকের কারণে মামলার মধ্যে নাম আসলেও ঘাবড়ানোর কিছু নেই, পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্তে নিশ্চিত অপরাধী না হলে বিন্দুমাত্র পুলিশি হয়রানির সুযোগ নেই ।

    সমাজে বিশৃঙ্খলার কারণ বা অন্যের শান্তি বিঘ্নকারীদের বিরুদ্ধে সেবাগ্রহীতা ও সেবাপ্রদানকারীদের জবাবদিহিতামূলক এই মতবিনিময়ের আয়োজনে ন্যায় বিচার এর সুফল পেতে সুনির্দিষ্ট তথ্য সহ সর্বস্তরের নাগরিকদের এই ওপেন হাউজ ডে’তে উপস্থিতি ও সহযোগিতা কাম্য।

    স্থানীয় সুনাগরিকবৃন্দ ও শীর্ষ পর্যায়ের নেতৃবৃন্দের সহযোগীতা ও অংশীদারত্ব, মতামত পরামর্শে সমৃদ্ধ হয়ে একটি নিরাপদ নগরী উপহার দেয়া সম্ভব মর্মে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন ।

    সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার প্রলয় চিসিম। তিনি বক্তব্যে বলেন, আইনলঙ্ঘন হয় এমন কোন কাজ মুখ বুঁজে পুষে রাখা চলবে না। যথাসময়ে আমাদের নজরে এনে প্রতিকারের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

    আইনের সাথে সাংঘর্ষিক কিশোরদের আইন মান্যকারী নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলে অপরাধ দানাবাঁধার আগেই তা দমনে জোরালো ভূমিকা রাখতে হবে।
    সভায় সভাপতিত্ব করেন, সহকারী পুলিশ কমিশনার কোতোয়ালি মডেল থানা মোঃ রাসেল।

    তিনি বলেন, আপনাদের যে কোন অভাব অভিযোগ ওপেন হাউজ ডে’তে সরাসরি উপস্থাপন করতে পারেন। এমনকি সেবা দানে আমাদের পুলিশের বিরুদ্ধে কোন অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে কি-না বা সম্পূর্ণভাবে দুর্নীতিমুক্ত সেবা নিশ্চিত করতে পেরেছি কি-না,কোন তা এই ওপেন হাউজ ডে’তে জানাবেন। আমরা স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে সেবা নিশ্চিত করতে চাই।

    সহকারী পুলিশ কমিশনার মোঃ রবিউল ইসলাম শামীম বলেন, সড়কপথে শৃঙ্খলা রক্ষায় আমরা সচেতনতামূলক পথসভা সহ দিন-রাত কাজ করে যাচ্ছি, যান চলাচলের অনিয়ম পেলে নিয়মিত মামলা দেয়া হচ্ছে। এর পরেও কোথাও কোন অনিয়ম পেলে জানাবেন।

    সভা সঞ্চালনায় ছিলেন, পুলিশ পরিদর্শক তদন্ত কোতোয়ালি মডেল থানা মোঃ আসাদুজ্জামান।

    তিনি বলেন, আপনারা নিয়মিত ওপেন হাউজ ডেতে আসবেন। এ সম্পর্কে যাঁরা এখনও অবগত নন তাদেরকেও পরবর্তি ওপেন হাউজ ডে’তে নিয়ে আসবেন।

    এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন, পুলিশ পরিদর্শক মহানগর গোয়েন্দা কমলেশ হালদারসহ অন্যান্য অফিসারবৃন্দ, কোতোয়ালি মডেল থানাধীন বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে আসা ভুক্তভোগী, কমিউনিটি পুলিশিং এর সদস্যবৃন্দ সহ ওয়ার্ডের সর্বস্তরের জনগণ ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ।

  • প্রাথমিক সাফল্য বড় বড় সাফল্যের দ্বার খুলে দেয় -পুলিশ কমিশনার

    প্রাথমিক সাফল্য বড় বড় সাফল্যের দ্বার খুলে দেয় -পুলিশ কমিশনার

    বরিশালে বিএমপি পুলিশ অফিসার্স মেস সম্মেলন কক্ষে  মঙ্গলবার ৯ ফেব্রুয়ারি সকাল ১১ টার দিকে বিএমপি’তে কর্মরত পুলিশ পরিবারের মেধাবী শিক্ষার্থীদের বাংলাদেশ পুলিশ মেধাবৃত্তি এর ক্রেস্ট, সম্মাননাপত্র ও সম্মানী বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের শুরুতেই পুলিশ কমিশনার ৭ জন কৃতি শিক্ষার্থীদের হাতে ক্রেস্ট, সম্মাননাপত্র ও সম্মানী তুলে দেন।

    শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে সভাপতির বক্তব্যে পুলিশ কমিশনার মোঃ শাহাবুদ্দিন খান বিপিএম-বার বলেন, শিক্ষাঙ্গনে মেধা ও যোগ্যতার স্বাক্ষর রেখে তোমরা তোমাদের বাবা-মা তথা পুলিশ পরিবারের সবাইকে সম্মানিত করেছ। সমাজের কাছে দেশের কাছে আমাদের মাথা উঁচু করেছো। তোমাদের জন্য আমরা গর্বিত। তাই বাংলাদেশ পুলিশের পক্ষ থেকে তোমাদের প্রতি রইল আন্তরিক স্নেহ ভালোবাসা ও শুভেচ্ছা । তিনি বলেন, প্রাথমিক সাফল্য বড় বড় সাফল্যের দ্বার খুলে দেয়।

    ভালো করার অদম্য ইচ্ছা নিয়ে তোমাদেরকে এগিয়ে যেতে হবে। বিশ্বায়নের যুগে, প্রযুক্তির যুগে খারাপ দিকগুলো কে বর্জন করে ভালো দিকগুলোকে গ্রহণ করে এগিয়ে যেতে হবে। একটি দেশের সামগ্রিক সাফল্য নির্ভর করে তোমাদের মত তরুণ উদীয়মান মেধাবী প্রতিশ্রুতিশীল আগুয়ানদের উপর। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ভিশন-২০৪১ বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি উন্নত সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গড়ার মূল চালিকাশক্তি হলে তোমরা।

    এসময় তিনি বলেন, যারা জনকল্যাণে সর্বদা নিয়োজিত তাদের কল্যাণ সাধনের জন্য সরকার তথা বাংলাদেশ পুলিশ প্রধান নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করছেন। বর্তমানে দেশের সর্বাধুনিক হাসপাতাল রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতাল। পর্যায়ক্রমে দেশের প্রতিটি জেলা ও বিভাগীয় শহরে এ ধরনের হাসপাতাল নির্মাণ করা হবে।বরিশাল সহ ০৮টি ডিভিশনাল হেড কোয়ার্টারে ক্যাডেট কলেজের ন্যায় স্কুল স্থাপন করা হবে।

    অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার প্রলয় চিসিম বলেন, যে সকল পুলিশ সদস্যরা ২৪ ঘন্টা জনসেবায় নিয়জিত থেকেও তাদের সন্তানদেরকে সময় দিয়ে, তাদের কে সঠিক ভাবে গাইড করে মেধাবী করে গড়ে তুলছেন। তাদেরকে জানাই হাজার সালাম। কৃতি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, তোমরা আজকেরে এই স্মৃতিটুকু ধরে রেখে সামনের দিকে এগিয়ে যাবে। সকল ধরনের অপরাধ থেকে বিশেষ করে মাদক থেকে দূরে থাকবে।

    তোমাদেরকে নিয়ে যেন আমরা গর্ববোধ করতে পারি। উল্লেখ্য যে, বাংলাদেশ পুলিশ মেধাবৃত্তি-২০১৯ এর ক্রেস্ট, সম্মাননাপত্র ও সম্মানী বিতরণী অনুষ্ঠান প্রতিবছর পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স-এ অনুষ্ঠিত হলেও এ বছর বৈশ্বিক মহামারী করোনাভাইরাস এর জন্য পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স এর পরিবর্তে নিজ নিজ ইউনিটে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    এ-সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) মোঃ মোকতার হোসেন পিপিএম-সেবা, উপ-পুলিশ কমিশনার ট্রাফিক মোহাম্মদ জাকির হোসেন মজুমদার পিপিএম -সেবা, উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর) মোঃ খাইরুল আলম, উপ-পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম, অপারেশন এন্ড প্রসিকিউশন) খাঁন মুহাম্মদ আবু নাসের, উপ-পুলিশ কমিশনার গোয়েন্দা মোঃ মনজুর রহমান পিপিএম বার, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (পিএমটি, সদর দপ্তর এন্ড উত্তর) রুনা লায়লা, অতিঃ উপ-পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম, অপারেশন এন্ড প্রসিকিউশন) আকরামুল হাসান, অতিঃ উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) ফজলুল করিম, সহকারী পুলিশ কমিশনার কোতোয়ালি মডেল থানা রাসেল, সহকারী পুলিশ কমিশনার বন্দর থানার শারমিন সুলতানা রাখি, সহকারী পুলিশ কমিশনার এয়ারপোর্ট থানার নাসরিন জাহান, সহকারী পুলিশ কমিশনার স্টাফ অফিসার প্রকৌশলী শাহেদ চৌধুরী, সহকারী পুলিশ কমিশনার কাউনিয়া থানা এন্ড ফোর্স মোঃ মাসুদ রানা, সহকারী পুলিশ কমিশনার ট্রাফিক বিএমপি মোঃ রবিউল ইসলাম শামীম, সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম ) মোঃ নাসির উদ্দিন মল্লিক, সহকারী পুলিশ কমিশনার (ডিবি) নরেশ কর্মকার সহ অন্যান্য কর্মকর্তা ও অভিভাবকবৃন্দ।

  • বরিশালে যুগান্তরের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন

    বরিশালে যুগান্তরের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন

    প্রতিষ্ঠার ২২ বছর অনুষ্ঠানে যুগান্তরের স্বপ্নদ্রষ্টা, প্রয়াত শিল্পপতি, সমাজসেবক নুরুল ইসলাম বাবুলকে শ্রদ্ধাভারে স্মরণ করেছেন বরিশালের জ্ঞানী-গুণিরা। ‘অগ্রযাত্রায় অবিচল’ এই স্লোগানকে প্রতিপাদ্য করে আয়োজিত সভায় তাঁর স্মৃতিচারণ ও আদর্শিক কার্যক্রমের কথা তুলে ধরেন অতিথিরা। সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় বরিশাল প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত কেক কাটা ও আলোচনা সভায় বক্তারা এই জ্ঞানী ব্যক্তিকে স্মরণ করেন।

    যুগান্তরের ব্যুরো চিফ আকতার ফারুক শাহিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ (বিএমপি) কমিশনার শাহাবুদ্দিন খান, বরিশাল জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দিন হায়দার, বরিশাল প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট মানবেন্দ্র বটব্যাল, বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. ইউনুস, পুলিশ সুপার শেখ মারুফ হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদেও ডেপুটি কমান্ডার মহিউদ্দিন মানিক (বীর প্রতীক), উত্তর জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য মেজবাহ উদ্দিন ফরহাদ, র‌্যাব-৮’র উপ-পরিচালক মেজর জাহাঙ্গীর আলম, জাতীয় পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ মহসিন-উল ইসলাম হাবুল, দৈনিক বিপ্লবী বাংলাদেশ’র প্রকাশক নুরুল আলম ফরিদ, সমাজসেবার প্রবেশন কর্মকর্তা সাজ্জাদ পারভেজ,

    বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান শাহীন, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মুকুল দাস, প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুরাদ আহমেদ, বরিশাল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি গোপাল সরকার,

    বরিশাল সদর উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান মাহাবুবুর রহমান মধু, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রেহেনা বেগম, বাসদ নেত্রী মনিষা চক্রবর্তী, নাট্যব্যক্তিত্ব সিরাজুম মুনির টিটু প্রমূখ। অনুষ্ঠানে বিএমপি কমিশনার শাহাবুদ্দিন খান বলেন,

    ‘যুগান্তর প্রতিষ্ঠার পর থেকেই সবসময় মুক্তিযুদ্ধ, ইতিহাস-ঐতিহ্যকে গুরুত্ব দিয়ে সংবাদ প্রচার করে আসছে। বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে বহু বছর যাবত পাঠকের মন জয় করে বাজারে টিকে আছে। যা সম্ভব হয়েছে সংবাদে বস্তুনিষ্ঠতার কারনে’।

    তিনি আরো বলেন, ‘পুলিশ-সাংবাদিক একেঅপরে পরিপূরক। আমরা বহুক্ষেত্রে সংবাদ দেখে অপরাধীদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেই।

    তাই মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করে অধিকতর স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সাথে কাজ করতে হবে’। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন যুগান্তরের সাংবাদিক সাইদুর রহমান পান্থ।

    অনুষ্ঠানে বরিশালের সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • বন্দির নারীসঙ্গ : কাশিমপুরের জেল সুপার ও জেলার প্রত্যাহার

    বন্দির নারীসঙ্গ : কাশিমপুরের জেল সুপার ও জেলার প্রত্যাহার

    গাজীপুরে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-১ এ বন্দি হলমার্ক কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িত জেনারেল ম্যানেজার তুষার আহমেদকে কারাগারে নারী সঙ্গীর ব্যবস্থা করে দেয়ার অভিযোগে ওই কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার রত্না রায় ও জেলার নুর মোহাম্মদ মৃধাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

    রোববার (২৪ জানুয়ারি) সকালে তাদের প্রত্যাহার করা হয়।

    এ নিয়ে এ ঘটনায় পাঁচজনকে প্রত্যাহার করা হলো। তাদের কারা অধিদফতরে সংযুক্ত করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

    কারাগার সূত্র জানায়, পরবর্তী আদেশ না দেয়া পর্যন্ত কাশিমপুর কারাগার পার্ট-১ এর সিনিয়র জেল সুপার রত্না রায় ও জেলার নুর মোহাম্মদ মৃধাকে কারা অধিদফতরে সংযুক্ত করা হয়েছে।

    এর আগে গত শুক্রবার (২২ জানুয়ারি) সহকারী কারা মহাপরিদর্শক (প্রশাসন) মাইন উদ্দিন ভূঁইয়াসহ তিনজনকে প্রত্যাহার করা হয়

    তারা হলেন- কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার পার্ট-১ এর ডেপুটি জেলার গোলাম সাকলাইন, সার্জেন্ট ইন্সট্রাক্টর মো. আবদুল বারী ও সহকারী প্রধান কারারক্ষী মো. খলিলুর রহমান। তাদের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার পার্ট-১ থেকে প্রত্যাহার করে কারা অধিদফতরে সংযুক্ত করা হয়েছে।

    উল্লেখ্য, দেশের আর্থিক খাতের অন্যতম কেলেঙ্কারি হলমার্কের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর মাহমুদের ভায়রা ও হলমার্কের মহাব্যবস্থাপক তুষার আহমদকে কারা কর্মকর্তাদের কক্ষে নারীসঙ্গের ব্যবস্থা করে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে।

    এ ঘটনায় বৃস্পতিবার (২১ জানুয়ারি) অতিরিক্ত কারা মহাপরিদর্শক আবরার হোসেনকে প্রধান করে উপসচিব (সুরক্ষা বিভাগ) আবু সাঈদ মোল্লা ও ডিআইজি (ময়মনসিংহ বিভাগ) জাহাঙ্গীর কবিরকে সদস্য করে একটি তদন্ত কমিটি করা হয়েছে

    এছাড়া একই ঘটনায় ১২ জানুয়ারি গাজীপুর জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আরেকটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল। অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবুল কালামকে প্রধান করে গাজীপুরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উম্মে হাবিবা ফারজানা ও ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরীকে নিয়ে তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়।

    কারাগারের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, গত ৬ জানুয়ারি কারাগারে প্রবেশের মাঝে কর্মকর্তাদের অফিস এলাকায় কালো রঙের জামা-কাপড় পরে স্বাচ্ছন্দ্যে ঘোরাফেরা করছেন হলমার্ক কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িত হলমার্কের মহাব্যবস্থাপক তুষার আহমেদ। কিছু সময় পর বাইরে থেকে বেগুনি রঙের সালোয়ার কামিজ পরা এক নারী সেখানে প্রবেশ করেন।

    কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার রত্না রায় ও ডেপুটি জেলার সাকলাইনের উপস্থিতিতেই ওই নারীকে সেখানে দেখা যায়। তাদের সহযোগিতার বিষয়টিও সিসি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা গেছে।

    দুপুর ১২টা ৫৫ মিনিটে কারাগারের দুই যুবকের সঙ্গে ওই নারী কারাগারের কর্মকর্তাদের কক্ষ এলাকায় প্রবেশ করেন। তাকে সেখানে রিসিভ করেন খোদ ডেপুটি জেলার সাকলায়েন। ওই নারী সেখানে প্রবেশ করার পর অফিস থেকে বেরিয়ে যান ডেপুটি জেলার সাকলায়েন। প্রায় ১০ মিনিট পর কারাগারে বন্দি হলমার্কের জিএম তুষার আহমদকে নিয়ে আসেন।

    এ ব্যাপারে গাজীপুরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবুল কালাম বলেন, ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

  • সেবার মান আরো বৃদ্ধি করতে বিএমপি পুলিশে ৪ টি নতুন পিকআপ সংযোজন

    সেবার মান আরো বৃদ্ধি করতে বিএমপি পুলিশে ৪ টি নতুন পিকআপ সংযোজন

    জনগনের প্রত্যাশা পূরনে সেবার মান আরও বৃদ্ধি করতে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশে ৪ টি নতুন পিকআপ সংযোজন করা হয়েছে।

     

    আজ সোমবার (১৮ জানুয়ারী) বেলা ১২ টায় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোঃ শাহাবুদ্দিন খান এ পিকআপ গুলো হস্তান্তর করেন।এর মধ্যে কোতয়ালী থানায় ২ টি, কাউনিয়া থানায় ১ টি ও মেট্রোপলিটন পুলিশ লাইন্সে ১ টি সহ মোট ৪ টি পিকআপ হস্তান্তর করা হয়েছে।

     

     

    এ সময় বিএমপি কমিশনার মোঃ শাহাবুদ্দিন খান বলেন, জনগনের কাংক্ষিত সেবা অতি দ্রুত সময়ের মধ্য নিশ্চিত করতে আমরা বদ্ধপরিকর।এই পিকআপ গুলো ব্যাবহার করে অতিদ্রুততার সাথে জনগনের কাছে পুলিশি সেবা পৌছে দিতে হবে।

     

    মনে রাখতে হবে আমরা বৃটিশ বা পাকিস্তানি পুলিশ নই।আমরা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশের পুলিশ। আমরা স্বাধীন বাংলাদেশের জনগনের প্রত্যাশার পুলিশ।সুতরাং জনগনের কাছে সত্যিকারার্থে নির্ভেজাল সেবা পৌছে দেওয়াটাই আমাদের সফলতা।

     

    এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন,অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার প্রলয় চিসিম,উপ-পুলিশ কমিশনার(সদর দপ্তর)আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ,উপ-পুলিশ কমিশনার (সিটি এসবি)মোঃ জুলফিকার আলী হায়দার, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর দপ্তর) রুনা লায়লা, সহকারী পুলিশ কমিশনার ষ্টাফ অফিসার শাহেদ আহমেদ চৌধুরী,

    সহকারী পুলিশ কমিশনার(ডিবি) মোঃ রবিউল ইসলাম শামীম,কোতয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ নুরুল ইসলাম,কাউনিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আজিমুল করিম সহ অন্যান্য পুলিশ সদস্যরা।

  • জঙ্গিবাদের শেষ শেকড়টিও উপড়ে ফেলা হবে: আইজিপি

    জঙ্গিবাদের শেষ শেকড়টিও উপড়ে ফেলা হবে: আইজিপি

    বাংলাদেশ থেকে জঙ্গিবাদের শেষ শেকড়-বাকড়টিও উপড়ে ফেলার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ। পুলিশের এন্টি টেরোরিজম ইউনিটের (এটিইউ) উদ্যোগে অনলাইনভিত্তিক উগ্রবাদ ও জঙ্গিবাদ প্রতিরোধে নির্মিত সচেতনতামূলক ওভিসি ও টিভিসির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে রাজারবাগ পুলিশ লাইনসে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

    অনুষ্ঠানে ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলামসহ পুলিশের উর্ধ্বত্মন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। অ্যাডিশনাল আইজিপি ও এন্টি টেরোরিজম ইউনিটের প্রধান মো. কামরুল আহসান এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।

    আইজিপি বলেন, শেষ জঙ্গিও নিশ্চিহ্ন না হওয়া পর্যন্ত আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। গোয়েন্দা নজরদারি বাড়াতে হবে। এখানে আত্মতুষ্টির কোনো স্থান নেই। আমরা জঙ্গিবাদের শেষ শেকড়-বাকড়টিও উপড়ে ফেলতে চাই।

    জঙ্গিবাদ বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিলো- উল্লেখ করে তিনি বলেন, সারাবিশ্বের মতো বাংলাদেশও সামনের সারিতে থেকে এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেছে। প্রধানমন্ত্রীর জিরো টলারেন্স ও এদেশের শান্তিপূর্ণ মানুষের জঙ্গিবাদ বিরোধী অবস্থানের কারণে জঙ্গিদের অসৎ উদ্দেশ্য সফল হয়নি।

    হলি আর্টিজানে জঙ্গি হামলার ঘটনা বেশ নাড়া দেয়। তবে এর পরবর্তী সময়ের পরিস্থিতি আমরা বেশ সাফল্যের সঙ্গে মোকাবিলা করেছি। যে নেটওয়ার্কটি এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত, সেটিকে খুব অল্প সময়ের মধ্যে ডিসমেন্টাল করে দিতে পেরেছি।এমনই একটা প্রেক্ষাপটে পুলিশের এন্টি টেরোরিজম ইউনিট গঠন করা হয়েছে।

    এটিকে একটি রোবস্ট ইউনিট হিসেবে প্রতিষ্ঠার জন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি।আমাদের লক্ষ্য, জঙ্গিবাদের এ শকুনের থাবা যেন কোনোভাবেই বিস্তার না করতে পারে। তিনি বলেন, দেশে কিছু মানুষ আছে যারা কোনও কিছুতেই ভালো দেখেন না। জঙ্গি আত্মসমর্পণ করলেও তাদের নেতিবাচক মন্তব্য। যারা এমন করেন তাদের মানসিক চিকিৎসার প্রয়োজন। তারা অসুস্থ, নৈরাশ্যবাদী।

    ড. বেনজীর আহমেদ বলেন, আমাদের পুলিশের প্রতিটি ইউনিট সাইবার পেট্রোলিং অব্যাহত রেখেছে। এজন্য প্রতিটি ইউনিটের আলাদা সাইবার ইউনিট রয়েছে। এর ভিত্তিতে নিয়মিত অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।

    এসময় তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জঙ্গিবাদ বিরোধী স্বরব উপস্থিতি অব্যাহত রাখতে প্রতিটি ইউনিটের প্রতি আহবান জানান

  • বরিশালে দরিদ্র শিক্ষার্থীদের পাশে র‌্যাব

    বরিশালে দরিদ্র শিক্ষার্থীদের পাশে র‌্যাব

    বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে দরিদ্র পরিবারের মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষার প্রসারে বরিশাল র‌্যাব-৮ এর পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তা দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষা উপকরণও বিতরণ করা হয়।

    সোমবার বেলা ১২টার দিকে বরিশাল নগরীর রূপতলীতে র‌্যাব-৮ এর সদর দফতরে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন ডিআইজি আতিকা ইসলাম। এ সময় তিনি দরিদ্র পরিবারের মেধাবী শিক্ষার্থীদের হাতে আর্থিক অনুদান ও শিক্ষা উপকরণ তুলে দেন। র‌্যাব-৮ সূত্রে জানা গেছে, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে ‘র‌্যাব সেবা সপ্তাহ’ (১ জানুয়ারি-১১ জানুয়ারি) এর নির্ধারিত কর্মসূচির আওতায় দরিদ্র ও অসচ্ছল পরিবারের শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয় থেকে ঝরে পড়া রোধে এবং মেধা বিকাশের পথ সুগম করতে আর্থিক সহায়তা দেয়া হয়েছে। এ অনুষ্ঠানে পাঁচজন দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীকে শিক্ষাবৃত্তি দেয়া হয়। প্রত্যেককে নগদ ১০ হাজার টাকা ও স্কুল ব্যাগ, কলম, পেনসিল, জ্যামিতি বক্সসহ নানা উপকরণ তাদের হাতে তুলে দেয়া হয়। এদিকে রোববার (১০ জানুয়ারি) মুজিববর্ষ উপলক্ষে বরিশাল র‌্যাব-৮ এর পক্ষ থেকে দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ করা হয়েছিল।

  • জাতির পিতা ছিলেন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মানবাধিকারকর্মী-বিএমপি কমিশনার

    জাতির পিতা ছিলেন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মানবাধিকারকর্মী-বিএমপি কমিশনার

    বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন (BHRC) এর ৩৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে। গতকাল ১০ জানুয়ারি বগুড়া রোডস্থ মুমীতু কমিউনিটি সেন্টারে বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন (BHRC) এর বরিশাল জেলা শাখা কর্তৃক আয়োজিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

    সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল মেট্টোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোঃ শাহাবুদ্দিন খান বিপিএম-বার।

    এসময় তিনি বলেন, ‘আজ ১০ জানুয়ারি। এই দিনে স্বাধীনতার স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালি জাতির স্বাধীনতার জন্য দীর্ঘদিন পাকিস্তানের কারাভ্যন্তরে বন্দি থেকে বাংলায় প্রত্যাবর্তন করেছিলেন। তাই এই দিনটি বাঙালি জাতীয় জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন ।

    আজকের এই বিশেষ দিনে আমি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ তার পরিবারবর্গ ও সকল মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি বাংলাদেশ পুলিশের পক্ষ থেকে গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি।

     

    এসময় তিনি মানবাধিকার আদায়ে যে সকল সংগঠন কাজ করেন তাদের সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘মানবাধিকার আদায়ে বিশ্বের অন্যান্য দেশের সংবিধানের চেয়ে বাংলাদেশের সংবিধান অত্যন্ত আধুনিক। মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় আপনারা যারা কাজ করেন আমরা আপনাদের সহযোগি সংস্থা, আমরা একই নৌকার সারথী।

     

    আমাদেরকে যার যার অবস্থান থেকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যেতে হবে। তবেই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণ সম্ভব হবে।

     

    এ সময় তিনি বলেন অন্যান্য শ্রেণি-পেশার কাজের ধরনের সাথে বাংলাদেশ পুলিশের কাজের ধরনের অনেক পার্থক্য রয়েছে। আমাদের কাজের ধরন ও পরিধি অনেক ব্যাপক, অত্যন্ত জটিল প্রকৃতির এবং সংবেদনশীল। এই ব্যাপক পরিসরে কাজ করতে গিয়ে আমাদের কোনো সদস্যের কোন ধরনের অন্যায়কে আমরা ছাড় দেই না।

     

    তিনি আরো বলেন চলমান বৈশ্বিক মহামারী করোনাভাইরাস এর প্রতিষেধক হাতে না পাওয়া পর্যন্ত আমাদেরকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও আই.ই.ডি. সি.আর কর্তৃক ঘোষিত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। বিশেষ করে মাস্ক ব্যবহারে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আমাদেরকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করে যেতে হবে।

     

    উল্লেখ্য যে, উক্ত সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন মাহমুদুল হক খান মামুন, গভর্নর, বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন। প্রফেসর স.ম. ইমানুল হাকিম, সাবেক অধ্যক্ষ, বি এম কলেজ বরিশালসহ মানবাধিকার কমিশনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধি গন।

  • পুলিশ বাহিনীকে দুর্নীতিমুক্ত করতে শুদ্ধি অভিযান চলছে : আইজিপি

    পুলিশ বাহিনীকে দুর্নীতিমুক্ত করতে শুদ্ধি অভিযান চলছে : আইজিপি

    পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ জানিয়েছেন, পুলিশ বাহিনীকে দুর্নীতিমুক্ত করতে শুদ্ধি অভিযান চলছে।

    আইজিপি ড. বেনজীর আহমেদ বলেন, আগামীতে দেশের অর্থনীতিসহ সব দিকেই এগিয়ে যাচ্ছে। দেশের এ অগ্রযাত্রায় আমাদের সব ক্ষেত্রেই শুদ্ধতা দরকার।

    শুক্রবার (৮ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টাস অ্যাসোসিয়েশন (ক্র্যাব) আয়োজিত বার্ষিক সাধারণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    বেনজীর আহমেদ বলেন, আমরা নিজেদের ঘরের ভেতর থেকেই শুদ্ধি অভিযান শুরু করতে চাই। আমরা চেষ্টা করছি আগে নিজেদের ঘরকে শুদ্ধ করতে দুর্নীতি মুক্ত করতে। আমাদের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

    সভায় উপস্থিত ছিলেন র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) মহাপরিচালক (ডিজি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন, ক্র্যাব এর সভাপতি আবুল খায়ের, সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান বিকু প্রমুখ। এছাড়া সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ক্র্যাবের সদস্যরা।

  • আমাদের অর্থনীতির চিত্র অনেক সমৃদ্ধ; বিএমপি কমিশনার

    আমাদের অর্থনীতির চিত্র অনেক সমৃদ্ধ; বিএমপি কমিশনার

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ভিশন-২০২১ এ পৃথিবীর মধ্যম আয়ের দেশে পদার্পণ করতে যাচ্ছি, আমাদের অর্থনীতির চিত্র অনেক সমৃদ্ধ। এই অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে, স্থিতিশীল সমাজ উপহার পেতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখা পূর্ব শর্ত। আর তা বাস্তবায়নে জনগণের আন্তরিক অংশগ্রহণ একান্ত কাম্য। পুলিশকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করলে জনগণের দোরগোড়ায় নির্ভেজাল সেবা পৌঁছে দেয়া সম্ভব। জনগণের সাথে আস্থা ও বন্ধুত্বের সম্পর্ক এবং নির্ভেজাল আইন প্রয়োগ করে অপরাধ দমন করার মাধ্যমে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশকে সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব। বৃহস্পতিবার সকালে বরিশাল মেট্রোপলিটন কাউনিয়া থানায় আয়োজিত ওপেন হাউজ ডে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে একথা বলেন বিএমপি কমিশনার মোঃ শাহাবুদ্দিন খান (বিপিএম-বার)।
    বিএমপি কমিশনার বলেন, পুলিশ জনগণ পরষ্পর বন্ধু, বর্তমান পুলিশ নারী বান্ধব, শিশু বান্ধব, জনবান্ধব পুলিশ। ওপেন হাউজ ডে একটি জনকল্যাণমূলক জবাবদিহি প্লাটফর্ম। কাজের স্বচ্ছতা বজায় রেখে সাধারণ মানুষের কষ্ট লাঘব করে ন্যায় বিচার নিশ্চিত করতে এই ওপেন হাউজ ডে। আমরা কিভাবে কাজ করলে আরো উন্নত সেবা নিশ্চিত করতে পারি তা ওপেন হাউস ডে’র মাধ্যমে সরাসরি জানা যায়। ওপেন হাউজ ডে’তে আমরা তিন ধরনের আবেদন গুরুত্ব সহকারে শুনে থাকি ; ভুক্তভোগীর কথা, সমাজের শৃঙ্খলা রক্ষায় সাধারণ জনগণের গঠনমূলক পরামর্শ, এমনকি আমাদের কোন পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ, অনিয়ম রয়েছে কিনা তা সরাসরি আপনাদের কাছ থেকে শুনে থাকি এবং সে অনুযায়ী গৃহীত ব্যবস্থা সকলের সামনে পর্যালোচনা করে থাকি।
    অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার প্রলয় চিসিম বলেন, থানা সবার জন্য উন্মুক্ত। সংশ্লিষ্ট বিট পুলিশিং কার্যালয়ও থানা সমতূল্য। যার যা অভিযোগ আছে তা বিট অফিসারকে জানাতে পারেন। যেখানে সরাসরি শীর্ষ কর্মকর্তা পর্যন্ত সমস্যা জানাতে পারছেন সেখানে থানায় কোন দালালের জায়গা নেই। সরকারের কোন ডিপার্টমেন্ট কি কাজ করে সে বিষয়ে সুস্পষ্ট ধারণা থাকা উচিত।
    উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর) মোঃ খাইরুল আলম বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নকল্পে আমাদের কারো বিরুদ্ধে যদি কোন অভিযোগ থাকে আপনারা সরাসরি উপস্থাপন করতে পারেন, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের সর্বস্তরের কর্মকর্তা তা সাধ্যমত আমলে নিয়ে সমাধান করে দিবেন।
    অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর) মোঃ ফজলুল করীম, সহকারী পুলিশ কমিশনার (কাউনিয়া থানা) মাসুদ রানা, কাউনিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আজিমুল করীম, টিআই বিদ্যুৎ চন্দ্র দে, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোঃ ছগির হোসেন, অন্যান্য কর্মকর্তা সহ বিভিন্ন ওয়ার্ডের সর্বস্তরের জনগণ ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ।