Category: প্রশাসন

  • বরিশালে বৌভাতে বরের চাচা নিহত, ৯ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা

    বরিশালে বৌভাতে বরের চাচা নিহত, ৯ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা

    বরিশালে বৌভাতে মাংস কম দেওয়া নিয়ে সংঘর্ষে বরের চাচা নিহতের ঘটনায় কনের বাবাসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়।

    বুধবার (৬ জানুয়ারি) বিকেলে মামলা ও আদালতে সোপর্দ করার বিষয়টি নিশ্চিত করে বিএমপি’র বিমানবন্দর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদ বিন ইসলাম জানান, মঙ্গলবার (৫ জানুয়ারি) দুপুরে বাবুগঞ্জ উপজেলার চাঁদপাশা ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ রফিয়াদি গ্রামে বৌভাতের অনুষ্ঠানে খাবারে মাংস কম দেওয়া নিয়ে কনেপক্ষের হামলায় ঘটনাস্থলেই নিহত হন বরের চাচা আজাহার মীর (৬৫)। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বর ও কনেপক্ষের ২২ জনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়।

    এরপর মঙ্গলবার রাতে নিহত আজহার মীরের ছেলে সুরুজ মীর বাদী হয়ে হত্যাকারীদের শনাক্ত করে কনের বাবাসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

    হত্যা মামলার আসামি ৯ জন ছাড়া বাকি ১১ জনকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। আটক হওয়া ৯ জনকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলেও জানান ওসি।

  • কারা হেফাজতে হাজতীর মৃত্যু!অভিযোগের ব্যাখা দিয়েছে পুলিশ, নির্দোষ মহিউদ্দিন

    কারা হেফাজতে হাজতীর মৃত্যু!অভিযোগের ব্যাখা দিয়েছে পুলিশ, নির্দোষ মহিউদ্দিন

    বরিশালে রেজাউল করিম রেজা (৩০) নামে এক যুবককে পুলিশী নির্যাতনে মৃত্যুর অভিযোগ ওঠার পর তার ব্যাখা দিয়েছে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ। তাদের দাবী নির্যাতনে নয়, রেজার বাম পায়ের সংযোগস্থলে ক্ষত ছিলো। সেখান থেকে রক্ত ক্ষরণ হয়েই মৃত্যু হয়েছে রেজার।

    গতকাল সন্ধ্যায় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ থেকে একটি ই মেইল বার্তায় বিষয়টির ব্যাখা দেয়া হয়। ওই বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, হাজতি আসামী রেজাউল করিম রেজা ২৪নং ওয়ার্ড হামিদ সড়কের বাসিন্দা ইউনুস মিয়ার ছেলে। শনিবার দিবাগত রাত ১২টা ৫মিনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

    এই সংক্রাতে প্রাথমিক ভাবে জানা যায়,বরিশাল মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ গত ২৯ ডিসেম্বর রেজাউল করিম রেজাকে মাদকসহ গ্রেপ্তারপূর্বক তার বিরুদ্ধে কোতয়ালী মডেল থানার মামলা নং-৭১, জি আর-৮৫৩/২০, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইন ২০১৮ এর ৩৬(১) এর ১৪(ক)/১৯(ক) রুজু করা হয়।

    তদন্তকারী কর্মকর্তা ৩০ ডিসেম্বর আসামীকে বিধি মোতাবেক বিজ্ঞ আদালতে
    প্রেরন করেন। বিজ্ঞ আদালতের আদেশে ঐ দিনই অর্থাৎ ৩০ ডিসেম্বর তাকে বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রেরন করা হয় এবং কারা কর্তৃপক্ষ তাকে বুজে নেন (যাহার হাজতী নং- ৬৬৩১/২০)।

    কারগারে প্রেরনের ২ দিনেরও অধিক সময়ের পর ১ জানুয়ারী রাতে উক্ত আসামী কারা অভ্যরন্তে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে প্রাথমিক ভাবে কারা হাসপাতালে তাকে চিকিৎসা দেওয়া হয়। অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় ঐদিন রাতে শেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শেবাচিম হাসপাতালের প্রিজন সেলের দায়িত্বে থাকা কারারক্ষীদের মাধ্যমে তাকে প্রিজন সেলে রেখে চিকিৎসা প্রদান করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাহাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। তার মৃত্যু সংক্রান্তে কোতয়ালী মডেল থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা রুজু করা হয়, যাহার মামলা নং-২/২১।

    প্রাথমিকভাবে জানা যায় যে, সে পূর্ব থেকেই এলাকায় মাদক বিক্রেতা ও মাদকসেবী হিসেবে চিহ্নিত ছিলো এবং ইতিপূর্বে তার বিরুদ্ধে মাদক সংক্রান্তে একাধিক মামলা রুজু হয়েছিলো। তার শরীরের বাম পায়ের পাশের কুচকিতে ক্ষত ছিলো। ১ জানুয়ারী ক্ষত স্থান থেকে রক্তক্ষরণ শুরু হলে কারা কর্তৃপক্ষ তাকে চিকিৎসার জন্য শেবাচিম হাসপাতালে প্রেরন করেন এবং সেখানেই হাজতি রেজাউলের মৃত্যু হয়।

    উক্ত ব্যক্তিকে মাদকদ্রব্যসহ আটকেরপর পুলিশ যথাযথ আইনী প্রক্রিয়া অনুসরণ করে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করেন।পুলিশের পক্ষ থেকে যথাযথ আইনী প্রক্রিয়ার বাহিরে কোন কিছুই করা হয়নি।

    প্রাথমিক অনুসন্ধানে পুলিশি নির্যাতনের কোন তথ্য পাওয়া যায় নাই। তার শরীরের ক্ষত স্থান থেকে অতিরিক্ত রক্তক্ষরনের ফলে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ মৃত্যুবরন করেছেন মর্মে প্রতীয়মান হয় । এরপরেও বিষয়টি তদন্তের জন্য বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার শাহাবুদ্দিন খান ও উপ পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) কে সভাপতি করে ০৩ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন।

    এদিকে বরিশাল মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের এসআই মহিউদ্দিন মাহি সহ রেজাউল করিম রেজাকে নির্যাতনের পর হত্যাকারী অভিযুক্ত করে পুলিশ সদস্যদের বিচার দাবীতে ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়ক অবরোধ করে এলাকাবাসী।

    নগরীর সাগরদি এলাকায় প্রায় দেড়ঘন্টা যাবৎ লাশ নিয়ে বিক্ষোভ করে ২৪নং ওয়ার্ডের বাসিন্দারা। এসময় সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করা হয়। এতে দুই পাশে কয়েকশত যানবাহন আটকা পড়ায় জনসাধারনে দূর্ভোগ সৃষ্টি হয় । পরে মেট্রেপিলিটন পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে সড়ক থেকে অবরোধ তুলে নেয় এলাকাবাসী।

    অন্যদিকে ২৪নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি নাজমুল হুদা ও সাধারণ সম্পাদক সাফিন মাহামুদ তারেক সহ স্থানীয়রা পুলিশ সদস্যদের বিচার দাবী করেছে।

    অপরদিকে এরপরপরই সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে বরিশাল নগরীর ধানগবেষনা রোডস্থ এসআই মহিউদ্দিন মাহির বাসভবনে হামলা ও ভাঙচুর চালিয়েছে স্থানীয়রা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়ন করা হয়েছে।

  • বরিশালে নতুন ডিসির আগমন

    বরিশালে নতুন ডিসির আগমন

    নবনিযুক্ত জেলা প্রশাসক জসিম উদ্দিন হায়দার বরিশালে এসে পৌঁছেছেন। তিনি আজ রবিবার নতুন কর্মস্থলে যোগদান করেছেন।

    সকাল সাড়ে ১০টায় বরিশাল জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে সুধীজনদের উপস্থিতিতে তিনি দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন।

    এদিকে নতুন জেলা প্রশাসকের আগমনে বরিশালের বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ নানা প্রত্যাশা কামনা করেছেন। বরিশালের শিক্ষক, সমাজসেবক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, উন্নয়নকর্মী সাংবাদিকদের মতে, এখানকার উন্নয়নে পরিকল্পিত পদক্ষেপ নিবেন নবাগত জেলা প্রশাসক এটাই তাদের কামনা। জেলার ১০ উপজেলার নানা অসঙ্গতি তাকে দুর করতে হবে। জেলা প্রশাসনকে নতুন ডিসি সব ধরনের বিতর্কের ঊর্ধ্বে রেখে সরকারের নির্দেশনা বাস্তবায়ন করবেন এমনটাই সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা।

    প্রসঙ্গত, গত ১৭ ডিসেম্বর জসিম উদ্দিন হায়দারকে বরিশালের জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করেন সরকার। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মাঠ প্রশাসন-২ শাখার উপসচিব শেখ রাসেল হাসান স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে তাকে এ পদে নিযুক্ত করা হয়েছে।

    নবাগত জেলা প্রশাসক জসিম উদ্দিন হায়দার নোয়াখালীর এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনি উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করেন। সর্বশেষ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পরিচালক (উপসচিব) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

  • করোনাযুদ্ধে বছরজুড়ে আক্রান্ত ১৮ হাজার পুলিশ, মৃত্যু ৮২

    করোনাযুদ্ধে বছরজুড়ে আক্রান্ত ১৮ হাজার পুলিশ, মৃত্যু ৮২

    করোনা মহামারির সময় পুলিশ পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে অনেকেই করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। রবিবার (২৭ ডিসেম্বর) পর্যন্ত ডিএমপিসহ দেশের বিভিন্ন ইউনিটে লকডাউনসহ বিভিন্ন সময় নিরাপত্তা দিতে গিয়ে পুলিশের বিভিন্ন পদ মর্যাদার ১৮ হাজার ৮১১ জন সদস্য আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মৃত্যুবরণ করেছেন ৮২ জন। এখনও চিকিৎসাধীন আছেন ৩১৭ জন।

    আক্রান্তদের মধ্যে অতিরিক্ত আইজিপি ৬ জন, ডিআইজি ১০ জন, অতিরিক্ত ডিআইজি ১৯জন, পুলিশ সুপার ১১২জন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ১৮৭জন, সহকারি পুলিশ সুপার ২২৮জন, ইন্সপেক্টর–৯৫৭জন, এসআই তিন হাজার সাত জন, এএসআই দুই হাজার ৮৩৫, নায়েক ৫৫০জন, কনস্টেবল ৮ হাজার ৮২৩, অন্যান্য ২০৭৭জন। মোট ১৮ হাজার ৮১১জন।

    রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় লকডাউন, পরিস্কার পরিছন্ন ও সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে গিয়ে নিজেরা আক্রান্ত হয়েছে। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মোট আক্রান্ত তিন হাজার ১৭৮জন। সুস্থ হয়ে উঠেছেন তিন হাজার ১১১জন। মৃত্যুবরণ করেছেন ২৫জন। এখনো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৪২জন। আক্রান্তদের মধ্যে যুগ্ম কমিশনার ৩জন, উপ–পুলিশ কমিশনার ১৬জন, অতিরিক্ত উপ–পুলিশ কমিশার ৫০জন, সহকারি পুলিশ কমিশনার ২৯জন, ইন্সপেক্টর ১৮০জন, এসআই ৫৮৮জন, এএসআই ৫০৫জন, নায়েক ১০৭ জন, কনস্টেবল এক হাজার ৫৫৩জন ও অন্যান্য ১৪৭জন। মোট ৩ হাজার ১৭৮জন।

    করোনাকালে পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্যরা অনেক মানবিক আচরণ করেছেন। যা সর্বমহলে প্রশংসিত হয়েছে। আক্রান্তদের সহায়তা থেকে শুরু করে হাসপাতাল পর্যন্ত নিয়ে সেবা দিয়েছে পুলিশ। অনেক আক্রান্ত পরিবারের ঘরে খাওয়ার পৌঁছে দিয়েছেন। সেই সাথে লকডাউন চলাকালে ঘড়ে থাকার আহবান জানানোসহ যাদের ঘরে খাবার ছিল না তাদেরকে নিরবে ঘরে খাবার পৌঁছে দিয়েছে পুলিশ।

    এছাড়াও ডিএমপির পক্ষথেকে প্রত্যেক থানা এলাকায় রান্না করা খাবার অসহায় মানুষের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে। মাক্সসহ স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ ও রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন শহরের রাস্তায় জীবাণুনাশক পানি ছিটিয়েছে পুলিশ। লকডাউনের সময়ে বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় কৃষকের পাঁকা ধান কেটে ঘরে তুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে পুলিশ।

    মহামারি চলাকালে অনেকেই সংক্রমনের ভয়ে আক্রান্তদের পাশ্বে না গেলে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পুলিশ উপস্থিত হয়েছে। এমনকি করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণকারী ব্যক্তির জানাজা ও দাফনের ব্যবস্থাও করেছে বাংলাদেশ পুলিশের সদস্যরা। জীবনের মায়াকে তুচ্ছ জ্ঞান করে করোনায় আক্রান্ত হয়ে রাস্তায় পড়ে থাকা মানুষকে হাসপাতালে নেয়ার ব্যবস্থা করেছে পুলিশ। যেখানে পরিবারের কেউ এগিয়ে আসেনি সেখানে পুলিশ পিছপা হয়নি। এমন কার্যক্রম করতে গিয়ে একক পেশা হিসেবে সবচেয়ে বেশি করোনায় আক্রান্ত হয়েছে বাংলাদেশ পুলিশের সদস্যরা। তার মধ্যে সিংহভাগই ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের সদস্য।

    এখানেও থেমে থাকেনি পুলিশ। অনেক পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্য নিজেরা সুস্থ্য হয়ে করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসায় প্লাজমা দিয়েছেন। করোনাকালিন সময় আক্রান্ত পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্যদের নানাভাবে পুলিশ সদর দপ্তর ও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ থেকে সহায়তা করা হয়েছে। চিকিৎসা সেবা থেকে সকল ধরনের সহায়তায় পুলিশ সদর দপ্তর দায়িত্ব পালন করেছেন।

    মহান স্বাধীনতাযুদ্ধে ২৬ মার্চ সেই কালো রাতে রাজারবাগ পুলিশ লাইন পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনী প্রথম অস্ত্র উচিয়ে বীরদর্পে লড়াই করেছেন। সেই লড়াই রাজধানীর থেকে সারাদেশে ছড়িয়ে পড়েছিল। সেই থেকে আজও বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনী দেশের ক্লান্তিকালিন সময় সকল সমর্থন নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন। এইবার করোনাকালীন সময়ে প্রথমে পুলিশ এগিয়ে মানুষের সেবায় নেমেছিল। এ নিয়ে নগরবাসী পুলিশের প্রশংসাও করেছিল। অনেক পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্য মানবিক আচরণ করেছেন।

  • পদোন্নতি পেয়ে ডিআইজি হচ্ছেন বরিশাল র‌্যাবের পরিচালক আতিকা ইসলাম

    পদোন্নতি পেয়ে ডিআইজি হচ্ছেন বরিশাল র‌্যাবের পরিচালক আতিকা ইসলাম

    পদোন্নতি পেয়ে ডিআইজি হচ্ছেন বরিশাল র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-৮) পরিচালক (অতিরিক্ত ডিআইজি) বেগম আতিকা ইসলাম। এলিট ফোর্সের এই কর্মকর্তাসহ বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত উপ-মহাপরিদর্শক (অ্যাডিশনাল ডিআইজি) পদমর্যাদার ১১ জন কর্মকর্তাকে ডিআইজি পদে পদোন্নতির সুপারিশ করা হয়েছে।

    আজ রোববার (২৭ ডিসেম্বর) উপ-সচিব আলতাফ হোসেন স্বাক্ষরিত জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত একটি সুপারিশপত্র স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবকে পাঠানো হয়েছে।

    পদোন্নতির সুপারিশ প্রাপ্তরা বাকিরা হচ্ছেন- খুলনা রেঞ্জের হাবিবুর রহমান, ডিএমপি যুগ্ম পুলিশ কমিশনার আশরাফুজ্জামান, বাসুদেব বনিক, পুলিশ সদর দপ্তরের এসএম আক্তারুজ্জামান, মনিরুল ইসলাম, হায়দার আলী খান, মাহবুবুর রহমান ভুইয়া, রুহুল আমিন, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) আমেনা বেগম এবং গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের আজাদ মিয়া। সুপারিশপত্রে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে পদোন্নতির বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারির নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হয়েছে।

    র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন কর্মকর্তা বেগম আতিকা ইসলামের পদোন্নতির খবরে বরিশালে সহকর্মীদের মাঝে উল্লাসের কথা শোনা গেছে। এই নারী কর্মকর্তা বরিশাল তথা গোটা দক্ষিণাঞ্চলে সন্ত্রাস-জঙ্গি ও মাদকসহ অপরাধমূলক কর্মকান্ড রোধে ইতিবাচক ভুমিকা রেখে বেশ প্রশংসিত হয়েছেন। তার পদোন্নতির এই সু-সংবাদে সহকর্মী র‌্যাব সদস্যরা তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।’

  • গভীর রাতে বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজির মহৎ উদ্যেগ

    গভীর রাতে বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজির মহৎ উদ্যেগ

    গতকাল গভীর রাতে বরিশালের রেঞ্জ ডিআইজি কর্তৃক শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ কর।

    বরিশাল মহা নগরীর বিভিন্ন স্থানে ওই শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ উদ্যেগ নেন বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি জনাব মোঃ শফিকুল ইসলাম বিপিএম (বার), পিপিএম মহোদয়।

    উত্তরের কনকনে বাতাসে ও মৃদু শত্যপ্রবাহে শীত যেনো জেঁকে বসেছে বরিশালে। মহানগরীর বিভিন্ন পয়েন্টে সাধারণ খেটে খাওয়া ও ছিন্নমূল মানুষের মধ্যে গভীর রাতে যেনো এক টুকরো উষ্ণতা নিয়ে হাজির হন ডিআইজি ।

    শীতবস্ত্র বিতরণের সময় আরো উপস্থিত ছিলেন উক্ত রেঞ্জের এডিশনাল ডিআইজি মহোদয়, সহকারী পুলিশ সুপার, ইন্সপেক্টরবৃন্দ সহ অন্যান্য অফিসার ও ফোর্স।

    উল্লেখ্য, প্রতিবছরের মতো এবারও ডিআইজি মহোদয় কর্তৃক শীতার্ত ও আর্ত মানবতার পাশে দাঁড়ানো তাঁর গণমুখী ও মানবিক পুলিশিং কার্যক্রমের একটি অংশ মাত্র।

  • বরিশালে ইয়াবা সহ গ্রেফতার ১

    বরিশালে ইয়াবা সহ গ্রেফতার ১

    গতকাল বরিশাল  নগরীর নতুল্লাবাদ এলাকা থেকে ইয়াবা সহ ১ জনকে গ্রেফতার করে ডিবি পুলিশ।

    গ্রেফতারকৃতরা হলেন বরিশাল নগরীর গোরাচাঁদ রোডের মাদকব্যাবসায়ী মিল্টন।

    মিল্টন দীর্ঘদিন ধরে বরিশাল নগরীতে মাদকব্যাবসা করে আসছেন।

    গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মহিউদ্দিন মাহি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে নগরীর নতুল্লাবাদ এলাকা থেকে গ্রেফতার করে।

  • দু-চারজন সদস্যের খামখেয়ালীপনায় গোটা ডিপার্টমেন্টকে নাজেহাল হতে দেয়া যাবে না-বিএমপি কমিশনার

    দু-চারজন সদস্যের খামখেয়ালীপনায় গোটা ডিপার্টমেন্টকে নাজেহাল হতে দেয়া যাবে না-বিএমপি কমিশনার

    বরিশাল মেট্টোপলিটন পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ ২৪ ডিসেম্বর সকাল ১১ টায় বরিশাল মেট্টোপলিটন পুলিশ লাইন্স ড্রিল সেড’এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

     

    উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন বরিশাল মেট্টোপলিটন পুলিশের কমিশনার মোঃ শাহাবুদ্দিন খান বিপিএম-বার।

     

    নতুন বছরের আগাম শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি বলেন, আমাদের শৃঙ্খলাগুলো আজ বিশ্ব স্বীকৃত, সেগুলো অবশ্যই বজায় রাখতে হবে।নিষ্ঠার সাথে, শৃঙ্খলার সাথে ইতোমধ্যে আমরা পেশাদারীত্বকে সবার আগে তুলে ধরে অনেক বড় বড় ইভেন্ট সফলভাবে সম্পন্ন করেছি ।

     

    আমাদের প্রতিটি কাজে আগ্রহ থাকতে হবে, কোনপ্রকার অনাগ্রহ /অনীহা গড়িমসি চলবে না।এই ধরনের সদস্য যদি এখনও সংশোধিত না হয়ে অপরিবর্তিত থাকে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

     

    ইমান, নিয়ত ঠিক রেখে কাজ করতে গিয়ে ভুল হলে তা ভিন্ন বিষয়। মানবিক মূল্যবোধ বজায় রেখে রাষ্ট্রের সুরক্ষায় কাজ করতে হবে।

     

    ঐতিহ্য সংস্কৃতির বিপরীতে কেউ যেন কোন অগ্রহণযোগ্য কাজে লিপ্ত হতে না পারে সে বিষয়ে,জননিরাপত্তায় কঠিন ঝুঁকিপূর্ণ ডিউটি পালন কালে বিশেষ করে রাত্রিকালীন ডিউটিতে আরও সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। কোন ঢিলেঢালা চিত্র পেলে বরদাস্ত করা হবে না।

     

    সরকারি ব্যবস্থাপনার সুবিধা ছাড়া অসৎভাবে বাড়তি লাভবান হওয়ার কালচার ভেঙে ফেলতে হবে। দু-চারজন ব্যক্তির খামখেয়ালীপনায় আমাদের গোটা ডিপার্টমেন্টকে নাজেহাল হতে দেয়া হবে না।

     

    অগ্রহণযোগ্য আচরণ পরিলক্ষিত হলে কঠোর বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এবিষয়ে সকলের গতিবিধি পর্যবেক্ষণে বিএমপি’র প্রতিটি বিভাগে অভ্যান্তরীণ গোয়েন্দা তৎপরতা আরও বাড়াতে হবে।

     

    থানা জনগণের সর্বশেষ আশ্রয়স্থল, প্রতিটি তদন্তে যেন সঠিক চিত্র উঠে আসে, পেশার বাহিরে দুরভিসন্ধিমূলক ভাবে লাভবান হওয়ার জন্য কোন অন্যায় চেষ্টা, অনুকম্পা, অগ্রহণযোগ্য কোন আচরণ বরদাস্ত করা হবে না।

     

    তিনি আরও বলেন, আমাদের মেসেজ স্পষ্ট। কোন পুলিশ সদস্য কোনভাবেই মাদক বেচা-কেনা, মাদক বিস্তারে সুবিধা দেয়া-নেয়া, মাদক খাওয়ায় জড়িয়ে গেলে সে আর পুলিশ থাকবে না। তাঁর বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা নেয়া হবে।

     

    আকস্মিক ডোপ টেস্ট চলমান থাকবে। ইতোমধ্যে মাদক সংশ্লিষ্টতায় ফৌজদারী আইনে মামলা এবং চাকুরিচ্যুত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে ।এ বিষয়ে শীর্ষ কর্মকর্তাদের মাঠপর্যায়ে নিখুঁত নজরদারি রাখতে হবে। পরস্পর একে-অপরকে এই বিভ্রান্তিকর পথ থেকে সরিয়ে আনতে হবে।

     

    মহামারী করোনা COVID-19 এর সংক্রমণ রোধে স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিধি মেনে নিজেকে সতর্ক রেখে কর্তব্য পালনের পাশাপাশি যে প্রশংসনীয় ভূমিকায় রয়েছি, তা থেকে সরে আসা যাবে না, স্বাস্থ্য সুরক্ষায় শিথিলতা চলবে না। নিয়ম না মেনে অসুস্থ হয়ে গেলে অর্থনীতির চাকাও পিছিয়ে যাবে।

     

    বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের ৯৭ টি বিটের একেকজন বিট অফিসার সংশ্লিষ্ট এলাকার অভিভাবক-সামাজিক নেতা, গোটা ইউনিটের এম্বাসেডর, তাঁর আচার-আচরণ, সততায় যেন পুলিশের ভালো চিত্র ফুটে ওঠে। তার চরিত্র হবে রোল মডেল চরিত্র।

     

    বিট পুলিশিং, ওপেন হাউজ ডে, কমিউনিটি পুলিশিং, মসজিদভিত্তিক কার্যক্রম জোরদারের মাধ্যমে জনগণের সাহায্য-সহযোগিতা নিয়ে সমসাময়িক ইস্যু, প্রাকৃতিক দূর্যোগ সহ সকল অনিয়ম বন্ধে করণীয় ও বর্জনীয় শীর্ষক সচেতনতামূল বক্তব্য তথা আভিযানিক কার্যক্রম আরো শক্তিশালী করে মানবাধিকার সমুন্নত রেখে নির্ভেজাল আইন প্রয়োগ করে অপরাধ দমন করার মাধ্যমে বাংলাদেশ পুলিশের লিডিং ইউনিট হিসেবে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব মর্মে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

    কল্যাণ সভা শেষে ভালো কাজ এবং বিভিন্ন আভিযানিক কাজের সফলতার জন্য বিভিন্ন পদমর্যাদার অফিসারদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয় এবং অবসর জনিত বিদায় গ্রহণকারী সদস্যদের বিদায় সংবর্ধনা জানানো হয়।

     

    সহকারী পুলিশ কমিশনার ফোর্স এন্ড কাউনিয়া থানা মোঃ মাসুদ রানা’র সঞ্চালনায় উক্ত কল্যাণ সভায় উপস্থিত ছিলেন, উপ-পুলিশ কমিশনার (সাপ্লাই এন্ড লজিস্টিকস) মোঃ জুলফিকার আলি হায়দার, উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর-দপ্তর)আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ্, উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) মোঃ মোকতার হোসেন পিপিএম সেবা, উপ-পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক)মোহাম্মদ জাকির হোসেন মজুমদার পিপিএম,

     

    উপ-পুলিশ কমিশনার (নগর বিশেষ শাখা)জাহাঙ্গীর হোসেন মল্লিক, উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর)মোঃ খাইরুল আলম, উপ-পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম এন্ড অপস) খাঁন মুহাম্মদ আবু নাসের, উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিবি) মোঃ মনজুর রহমান পিপিএম-বার সহ অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।

  • বরিশালে ৫ কেজি গাজা সহ গ্রেফতার ২

    বরিশালে ৫ কেজি গাজা সহ গ্রেফতার ২

    তানজিম হোসাইন রাকিবঃ

    আজ বৃহস্পতিবার বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানাধীন চরকাউয়া খেয়াঘাট এলাকা থেকে ৫ কেজি গাজা সহ ২ জনকে গ্রেফতার করে ডিবি পুলিশ।

    গ্রেফতারকৃতরা হলেন কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানাধীন মোহাম্মদ অপু মিয়া ও তার স্ত্রী বর্ষা আক্তার।

    গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মহিউদ্দিন মাহি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে নগরীর চরকাউয়া খেয়াঘাট এলাকা থেকে গ্রেফতার করে।  এবং নিজে বাদী হয়ে তাদের বিরুদ্ধে এজাহার দাখিল করে।

  • র‌্যাব-৮ এর অভিযানে এক জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

    র‌্যাব-৮ এর অভিযানে এক জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

    র‌্যাব-৮ বরিশাল এর অভিযানে এক জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে।

    মঙ্গবার (২১ ডিসেম্বর) ২:৩০ মিনিটে র‌্যাব-৮ এর সিপিএসসি কোম্পানী এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল মাদারীপুর জেলার কালকিনি থানা এলাকায় একটি মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করে।

    গ্রেপ্তারকৃত মাদারীপুর জেলার কালকিনি থানাধীন ১নং ওয়ার্ড পাংগাসিয়া সাকিনস্থ জনৈক আনোয়ার ঘড়ামী(৫০) এর বসত বাড়ীর উঠানে মাদক দ্রব্য ক্রয় বিক্রয় করে যাচ্ছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাবের দল ঘটনাস্থলের পৌঁছলে র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টাকালে এক জন ব্যক্তিকে আটক করে।

    আটককৃত ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদে তার নাম (১) সুজন সিকদার(৩৮), পিতা- মৃত করম আলী সিকদার, সাং- দক্ষিণ রাজদী, থানা- কালকিনি, জেলা- মাদারীপুর।

    পরবর্তীতে স্থানীয় জনসাধারণের উপস্থিতিতে ধৃত আসামীর নিকট থেকে ৮৬ (ছিয়াশি) পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করে। র‌্যাব-৮, বরিশাল সিপিএসসি’র ডিএডি মোঃ হাতেম আলী বাদী হয়ে মাদারীপুর জেলার কালকিনি থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।