Category: প্রশাসন

  • বরিশালে দুই কারারক্ষী সাময়িক বরখাস্ত

    বরিশালে দুই কারারক্ষী সাময়িক বরখাস্ত

    বরিশাল কেন্দ্রিয় কারা হাসপাতালের কোয়ারেন্টাইন ওয়ার্ডে এক ধর্ষন মামলার আসামী গলায় রশি দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। শুক্রবার (১৩ নভেম্বর) দিবাগত রাত পৌঁনে ৩টার দিকে ওই ওয়ার্ডের টয়লেটে এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে দুই কারারক্ষীকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে কারা কর্তৃপক্ষ।

     

     

    আত্মহত্যাকারী ওই ব্যক্তির নাম মো. হানিফ খলিফা (৪০)। সে তার নিজের প্রতিবন্ধি কিশোরী কন্যা ধর্ষনের মামলায় গত ১ অক্টোবর থেকে বরিশাল কেন্দ্রিয় কারাগারে হাজতি হিসেবে বসবাস করে আসছিলো।

     

    গত ৯ নভেম্বর তাকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডিএনও পরীক্ষা করা হয়। এ কারনে কারাগারে তাকে দ্বিতীয় দফায় কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়।

     

     

    হানিফ খলিফা নগরীর কাশীপুর চৌহুতপুর এলাকার অস্থায়ী বাসিন্দা। সে জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার মধুকাঠী এলাকার আলী মো. খলিফার ছেলে ছিলো।

     

     

    বরিশাল কেন্দ্রিয় কারাগারের ডেপুটি জেলার মো. ইব্রাহীম জানান, গত শুক্রবার রাত পৌঁনে ৩টার দিকে হানিফ খলিফা কারাগারের কোয়ারেন্টাইন ওয়ার্ডের টয়লেটে যায়।

     

     

    দির্ঘক্ষনে টয়লেট থেকে না বের হওয়ায় অন্যান্যদের সন্দেহ হয়। পরে দায়িত্বরতরা টয়লেটে প্রবেশ করে হানিফ খলিফাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায়।

     

     

    তাৎক্ষনিক তাকে উদ্ধার করে শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরী বিভাগে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক হানিফ খলিফাকে মৃত্যু ঘোষনা করে। ময়না তদন্তের জন্য তার লাশ মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলেন ডেপুটি জেলার।

     

     

    এদিকে কারাগারের অভ্যন্তরে হাজতি আসামীর আত্মহত্যার ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে কারাগারের প্রধান রক্ষী আনছার আলী মন্ডল এবং রক্ষী মো. কাওছারকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বরিশাল কেন্দ্রিয় কারাগারের সুপার প্রশান্ত কুমার বনিক।

     

     

    নিজের প্রতিবন্ধি কিশোরী কন্যাকে (হালিমা ১৩) ধর্ষনের অভিযোগে গত ৩০ সেপ্টেম্বর নগরীর বিমান বন্দর থানায় হানিফের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন তার স্ত্রী (শিমুল বেগম)।

     

    গত পহেলা অক্টোবর স্থানীয় জনগন তাকে আটক করে গনপিটুনী দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে। পুলিশ তাকে আদালতে সোপর্দ করলে ওই দিনই তাকে কারাগারে প্রেরনের নির্দেশ দেন বিচারক।

  • নির্ভেজাল ও দুর্নীতিমুক্ত হয়ে সেবা নিশ্চিত করতে হবে-বিএমপি কমিশনার

    নির্ভেজাল ও দুর্নীতিমুক্ত হয়ে সেবা নিশ্চিত করতে হবে-বিএমপি কমিশনার

    বরিশাল মেট্টোপলিটন পুলিশের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আজ বৃহস্পতিবার (১২ নভেম্বর) পুলিশ কমিশনার কার্যালয় সম্মেলন কক্ষ সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

     

    উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএমপি কমিশনার মোঃ শাহাবুদ্দিন খান বিপিএম-বার। অপরাধ পর্যালোচনা সভার শুরুতেই প্রয়াত সহকারী পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আনিসুল করিম রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

     

     

    তিনি বলেন, জন সম্পৃক্ততা বাড়িয়ে বিট পুলিশিং কার্যক্রম আরও জোরদারের মাধ্যমে মানুষের দোরগোড়ায় গিয়ে নির্ভেজাল ও দুর্নীতিমুক্ত হয়ে সেবা নিশ্চিত করতে হবে, প্রতিটি মামলা পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে হবে।

     

    সাজাপ্রাপ্ত আসামি ও সাধারণ গ্রেপ্তারী ওয়ারেন্ট তামিলে আরও আন্তরিক হতে হবে । মানবাধিকার সমুন্নত রেখে প্রতিটি আভিযানিক কার্যক্রমকে আরো শক্তিশালী করে , নির্ভেজাল আইন প্রয়োগ করে অপরাধ দমন করার মাধ্যমে আমরা যেন বাংলাদেশ পুলিশের লিডিং ইউনিট হিসেবে এগিয়ে থাকতে পারি ।

     

     

    তিনি আরও বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সংগঠিত অপরাধ সংক্রান্তে রুজুকৃত মামলার তদন্ত প্রক্রিয়া আরও সংবেদনশীল হয়ে সম্পন্ন করতে হবে।

     

     

    মামলা তদন্ত ও নিষ্পত্তিতে কারো কোন গাফিলতি বা কোন নিরীহ সাধারণ মানুষ হয়রানির অভিযোগ পেলে কঠোর বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

     

    করোনার দ্বিতীয় প্রাদুর্ভাব যেন আমাদের আক্রান্ত করতে না পারে, সে মর্মে পূর্ব অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে নিজেদের স্বাস্থ্য সুরক্ষিত রেখে গোটা নগরীকে সুরক্ষিত রাখতে নিয়মিত প্রচার প্রচারণা অব্যাহত রাখতে হবে। মাস্ক বিহীন কোন সার্ভিস নয়, এ কথা নিশ্চিত করতে হবে।

     

     

    মেট্রোপলিটন এলাকায় জননিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করতে, প্রতিটি বিটে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনে বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করে সকলের আন্তরিক সদিচ্ছা, স্বচ্ছতা ও নির্ভেজাল সেবা প্রধানের দ্বারা একটি নিরাপদ নগরী উপহার দেয়া সম্ভব মর্মে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

     

     

    সহকারী পুলিশ কমিশনার ক্রাইম অপারেশন এন্ড প্রসিকিউশন মোঃ নাসির উদ্দীন মল্লিক এর সঞ্চালনায় এ-সময়ে উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার প্রলয় চিসিম, উপ-পুলিশ কমিশনার সাপ্লাই এন্ড লজিস্টিকস মোঃ জুলফিকার আলি হায়দার,

     

    উপ-পুলিশ কমিশনার সদর-দপ্তর আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ্, উপ-পুলিশ কমিশনার দক্ষিণ মোঃ মোকতার হোসেন পিপিএম সেবা, উপ-পুলিশ কমিশনার নগর বিশেষ শাখা মোঃ জাহাঙ্গীর মল্লিক সহ অন্যান্য শীর্ষ কর্মকর্তাবৃন্দ।

     

    এছাড়া ও উক্ত সভায় উপস্হিত ছিলেন বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন দপ্তর থেকে আসা প্রতিনিধিবৃন্দ।

  • চলন্ত বাসে আগুন, বিএনপিকে দায়ী করছে ডিএমপি

    চলন্ত বাসে আগুন, বিএনপিকে দায়ী করছে ডিএমপি

    রাজধানীর অন্তত নয়টি স্থানে বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের দুষ্কৃতিকারীরা জড়িত বলে মনে করছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। আজ বৃহস্পতিবার ডিএমপি’র ক্রাইম কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সেন্টারের পরিদর্শক (নিরস্ত্র) গোলাম রব্বানী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি করা হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা ৫ মিনিটে পল্টন থানাধীন বিএনপি পার্টি অফিসের উত্তর পাশে কর অঞ্চল ১৫-তে পার্কিং করা সরকারি গাড়িতে (ঢাকা-মেট্রো-জ-১১-০৪৭৪) অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। দুপুর ১টার দিকে মতিঝিল থানাধীন মধুমিতা সিনেমা হলের সামনে অগ্রণী ব্যাংকের স্টাফ বাস (ঢাকা-মেট্রো-ব-১১-৭৫১৫), ১টা ২৫ মিনিটে রমনা হোটেলের সামনে চলন্ত গাড়ি (ঢাকা-মেট্রো-গ-১৫-০৫৮৯) ভিক্টর ক্লাসিক পরিবহনে, শাহবাগ আজিজ সুপার মার্কেটের সামনে দেড়টার দিকে দেওয়ান পরিবহনে (ঢাকা-মেট্রো-ঘ-১৩-১৫৭২), ২টা ১০ মিনিটে বাংলাদেশ সচিবালয়ের উত্তর পাশে রজনীগন্ধা পরিবহন (ঢাকা-মেট্রো-ব-১২-০৬৪৪) এবং বংশাল থানাধীন নয়াবাজার এলাকায় দুপুর ২টা ২৫ মিনিটে দিশারী পরিবহনে (ঢাকা-মেট্রো-ব-১১- ৯২৫৫) আগুন লাগানোর ঘটনা ঘটে।

    দুপুর ২টা ৪৫ মিনিটে পল্টন থানাধীন এলাকায় জৈনপুরী পরিবহন (চট্ট-মেট্রো-জ-১১-০৭১৮), ৩টায় মতিঝিল থানাধীন পূবালী পেট্রল পাম্প সংলগ্ন দোতলা বিআরটিসি বাসে (ঢাকা-মেট্রো-ব-১৫-৫০০১), ভাটারা থানাধীন কোকাকোলা মোড়ে ভিক্টর ক্ল্যাসিক পরিবহনে (ঢাকা-মেট্রো-ব-১৫-৫৩২৫) বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের দুষ্কৃতিকারীরা আগুন দেয়।

    ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের প্রচেষ্টায় এসব বাসের আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। বেশিরভাগ গাড়ির অধিকাংশ পুড়ে যায় এবং ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাৎক্ষণিকভাবে থানা পুলিশের মোবাইল টিম এবং সিনিয়র অফিসাররা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় কোনো হতাহতের সংবাদ পাওয়া যায়নি।

    এদিকে রাজধানীর সাতটি স্থানে বাসে অগ্নিকাণ্ডের কথা জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তরের ডিউটি অফিসার রাসেল শিকদার আমাদের সময়কে বলেন, ‘প্রথম আগুনের ঘটনা ঘটে শাহজাহানপুরে একটি বাসে। এরপর কাঁটাবন, মতিঝিলের মধুমিতা সিনেমা হলের কাছে, গুলিস্তানে গোলাপ শাহ মাজার এলাকা, বংশালের নয়াবাজার, প্রেসক্লাবের কাছে বাসে আগুন দেওয়া হয়। প্রতিটি ঘটনায় ফায়ার সার্ভিস আগুন নেভানোর কাজ করেছে।’

    ফায়ার সার্ভিসের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘সবশেষ বিকেলে ৪টা ৪০ মিনিটে রাজধানীর নর্দ্দা এলাকায় বাসে আগুন লাগার খবর পেয়ে আমাদের একটি ইউনিট আগুন নেভানোর জন্য পাঠানো হয়।’

  • রায়হান হত্যা: এসআই আকবর গ্রেফতার

    রায়হান হত্যা: এসআই আকবর গ্রেফতার

    পুলিশি নির্যাতনে রায়হান হত্যা মামলার প্রধান অভিযুক্ত এসআই আকবরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাকে সিলেটের কানাইঘাট সীমান্ত থেকে গ্রেফতার করা হয়।

    পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) গত মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) এই মামলায় সিলেটের পরিদর্শক আওলাদ হোসেনকে নতুন তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়।

    কথিত ছিনতাইয়ের অভিযোগ এনে গত ১০ অক্টোবর রাতে সিলেট নগরীর আখালিয়া নিহারিপাড়ার বাসিন্দা রায়হানকে বন্দরবাজার ফাঁড়িতে তুলে নিয়ে নির্যাতন করা হয়।

    পরদিন ১১ অক্টোবর রায়হান মারা যান। রিকাবিবাজার এলাকার একটি রোগ নির্ণয় কেন্দ্রে চাকরি করতেন রায়হান। এ ঘটনায় ১১ অক্টোবর রাতে হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইনে তার স্ত্রী তাহমিনা আক্তার বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন।

    নগর পুলিশের প্রাথমিক অনুসন্ধানে ফাঁড়িতে নির্যাতনের সত্যতা পেয়ে ইনচার্জের দায়িত্বে থাকা উপপরিদর্শক (এসআই) আকবর হোসেন ভূঞাসহ চার পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত ও তিনজনকে ফাঁড়ি থেকে প্রত্যাহার করা হয়। ১৩ অক্টোবর আকবর পুলিশি হেফাজত থেকে পালিয়ে গা ঢাকা দেন।

  • বিসিসির সাবেক মেয়র কামালসহ ৫ জনের কারাদণ্ড

    বিসিসির সাবেক মেয়র কামালসহ ৫ জনের কারাদণ্ড

    দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা অর্থ আত্মসাতের মামলায় বরিশাল সিটি করপোরেশনের (বিসিসি) সাবেক মেয়র আহসান হাবিব কামালসহ পাঁচজনকে সাত বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

     

    পাশাপাশি এক নম্বর আসামি সাবেক মেয়র মো. আহসান হাবিব কামাল ও ৫ নম্বর আসামি বরিশাল নগরের কালিবাড়ি রোডের বাসিন্দা মো. জাকির হোসেনকে কোটি টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

     

     

    সোমবার (৯ নভেম্বর) বরিশাল বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মহসিনুল হক এ রায় ঘোষণা করেন।

     

     

    দণ্ডপ্রাপ্ত বাকিরা হলেন- সাবেক বরিশাল পৌরসভার (বর্তমান বরিশাল সিটি করপোরেশন) নির্বাহী প্রকৌশলী (বর্তমান অবসরপ্রাপ্ত) মো. ইসহাক, সাবেক সহকারী প্রকৌশলী (বর্তমান ঢাকা নগর ভবনের স্থানীয় সরকার বিভাগের আরবান পাবলিক অ্যান্ড এনভয়েরমেস্টাল হেলথ সেক্টর ডেভলপমেন্ট প্রজেক্টের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী) খান মুহাম্মদ নুরুল ইসলাম, সাবেক বরিশাল পৌরসভার উপ সহকারী প্রকৌশলী মো. আবদুস ছাত্তার ও বরিশাল নগরের কালিবারি রোডের বাসিন্দা মো. জাকির হোসেন।

  • বরিশালে ঐতিহ্যবাহী স্থানসমূহ রক্ষায় বিএমপির ট্যুরিস্ট বিভাগের উদ্যোগ

    বরিশালে ঐতিহ্যবাহী স্থানসমূহ রক্ষায় বিএমপির ট্যুরিস্ট বিভাগের উদ্যোগ

    বরিশালে পর্যটন শিল্পের বিকাশে দর্শনীয় ও ঐতিহ্যবাহী স্থানসমূহ পরিদর্শনের কার্যক্রম শুরু করেছে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্যুরিস্ট বিভাগ।
    জনসাধারণের মাঝে পর্যটন বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি এবং দর্শনীয় স্থানসমূহ রক্ষণা-বেক্ষণে এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। পাশাপাশি পর্যটক-দর্শনার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়টিকেও প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে। এরই মধ্যে ট্যুরিস্ট পুলিশের ভ্রাম্যমাণ টিম তাদের কার্যক্রম শুরু করেছে। তাদের এই সমসাময়িক উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন নগরবাসীও। আর বিষয়টি বিএমপির চলমান কার্যক্রমের অংশ বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

    পর্যটন ক্ষেত্রে বরাবরই অবহেলিত বরিশালসহ দেশের দক্ষিণাঞ্চল। সমন্বয়হীনতা এবং নানা প্রতিবন্ধকতার কারণে পিছিয়ে পড়েছিল বৃহত্তর বরিশাল। তবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্পের আওতায় বরিশালের পর্যটন শিল্প বিকাশে কাজ করছে বর্তমান আওয়ামীলীগ সরকার। এরই ধারাবাহিকতায় দক্ষিণাঞ্চলে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়, সেনানিবাস, নার্সিং ইন্সটিটিউট, আইএইচটির মতো প্রতিষ্ঠান। এছাড়া রেললাইন, মেরিন একাডেমি এবং শ্রম আদালত স্থাপনেরও কাজ চলছে।

    শিক্ষামন্ত্রণালয় ডিডিসি, ডিএসসিসহ একাধিক সংস্থা এই উন্নয়নে অংশীদারিত্বের কাজে নিয়োজিত রয়েছে। এরই অংশ হিসেবে নগরীতে নির্মিত হচ্ছে পর্যটন মোটেল ও ট্রেনিং ইন্সটিটিউট। এছাড়া দুর্গাসাগর দীঘিকে ঘিরে পূর্ণাঙ্গ পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলার কাজ করছে বরিশাল জেলা প্রশাসন।

    তবে এবার বরিশালের মসজিদ, মন্দির, গির্জাসহ বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা পর্যটন তালিকায় অন্তর্ভুক্তির উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বিএমপির ট্যুরিস্ট বিভাগ।
    পাশাপাশি গ্রামীণ জনগোষ্ঠীকে সম্পৃক্তকরণের বিষয়টিও প্রাধান্য পেয়েছে।

    জানা গেছে, বরিশাল নগরীসহ জেলা-উপজেলায় বিভিন্ন ধর্মের উপাসনালয় এবং দর্শনীয় স্থাপনায় আগতদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং পর্যটন শিল্প বিকাশে সরকারি নির্দেশনার অংশ হিসেবে কাজ করছে ট্যুরিস্ট পুলিশ। স্থানীয় স্টেক হোল্ডারদের সহায়তায় পরিচালিত এই কার্যক্রম ইতিমধ্যে সফলতার মুখ দেখেছে। মূলত কমিউনিটি পুলিশিং, বিট পুলিশিং এর আওতায় প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকেও এর আওতায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। আর এর ফলে বরিশালের পর্যটনখাত আরও এগিয়ে যাবে বলে ধারণা সংশ্লিষ্টদের।

    এ বিষয়ে বিএমপির ট্যুরিস্ট পুলিশের ইন্সপেক্টর বুলবুল জানান, বরিশালে ৮/১০ টি ঐতিহ্যবাহী স্থান রয়েছে। ধর্মীয় উপাসনালয় ছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ অন্যান্য স্থাপনাসমূহও রয়েছে এই তালিকায়। এরমধ্যে বরিশাল মহানগরীর এবায়দুল্লাহ মসজিদ, আর্য্যলক্ষ্মী ভবন, ক্যাথলিক চার্চ, দোহা মসজিদ, অক্সফোর্ড মিশন চার্চ, শংকরমঠ, চারণকবি মুকুন্দ লাল সরকারের বাসভবন, ত্রিশ গোডাউনের বধ্যভূমি উল্লেখযোগ্য। তারা ধারাবাহিকভাবে স্থানগুলো পরিদর্শন করছেন। সরকার কর্তৃক গৃহীত এই কার্যক্রমে পর্যটন শিল্পের বিকাশ এবং দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে বলে উল্লেখ করেছেন এই কর্মকর্তা।

  • ভুক্তভোগীর সেবা পৌঁছে দিতে অনৈতিকভাবে লাভবান হওয়ার সুযোগ নেই-অতি: বিএমপি কমিশনার

    ভুক্তভোগীর সেবা পৌঁছে দিতে অনৈতিকভাবে লাভবান হওয়ার সুযোগ নেই-অতি: বিএমপি কমিশনার

    ভুক্তভোগীর সেবা পৌঁছে দিতে অনৈতিকভাবে লাভবান হওয়ার সুযোগ নেই বলে ‍উল্লেখ করেছেন অতিরিক্ত বিএমপি কমিশনার।

    বুধবার বন্দর থানা বিএমপি কর্তৃক “ওপেন হাউজ ডে ” অনুষ্ঠিত হয়। অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার বিএমপি  প্রলয় চিসিম উক্ত ওপেন হাউজ ডে’তে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

    এসময়ে তিনি বক্তব্যে একথা বলেন। তিনি বলেন, আমরা পাকিস্তানের পুলিশ নই, আমরা স্বাধীন বাংলার পুলিশ।ভুক্তভোগীর সেবা পৌঁছে দিতে বেতন রেশনের বাহিরে অনৈতিকভাবে লাভবান হওয়ার সুযোগ নেই। তিনি আরও বলেন, দেশ উন্নত করার জন্য নারী পুরুষ সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে, মাদক থেকে সবাইকে দূরে থাকতে হবে।আমাদের দেশ মাদক তৈরি না করলেও কিছু কুলাঙ্গার মানুষ দেশকে নষ্ট করার জন্য মাদক চালানকারিদের সাহায্যের মাধ্যমে আমাদের দেশে মাদকের বিস্তার করার চেষ্টা করছে।

    তিনি আরও বলেন,থানা জনগণের শেষ আশ্রয়স্থল, অপরাধ দানাবাঁধার আগেই অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আনতে আমরা আরও ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র এরিয়ায় বিভক্ত হয়ে কমিউনিটি পুলিশিংএর পরিপূরক বিটপুলিশিং কার্যক্রম নিয়ে আপনাদের দোরগোড়ায় পৌঁছে গেছি। আমাদের তথ্য দিয়ে পাশে থাকুন। উপ-পুলিশ কমিশনার বিএমপি দক্ষিণ বিএমপি মোঃ মোকতার হোসেন পিপিএম সেবা বলেন, আমরা সুবিধা বঞ্চিত নারী তথা ভুক্তভোগীর পক্ষে। ভুক্তভোগী যেভাবে সুবিধা পাবে সেভাবেই ব্যবস্থা নেয়ার চেষ্টা করবো। অপরাধ নিয়ন্ত্রণে পুলিশ জনতা এক হয়ে কাজ করতে হবে। কোথাও কোন অপরাধ সংগঠিত হওয়ার আগেই পুলিশকে জানাতে হবে।

    এসময়ে উপস্থিত ছিলেন, সহকারী পুলিশ কমিশনার বন্দর থানা বিএমপি শারমীন সুলতানা রাখি, অফিসার ইনচার্জ বন্দর থানা বিএমপি সহ অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।

  • খেয়াঘাটে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় : চর কাউয়ায় মাঝি-মাল্লাদের জরিমানা

    খেয়াঘাটে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় : চর কাউয়ায় মাঝি-মাল্লাদের জরিমানা

    বিডি ক্রাইম ডেস্ক ::

    করোনা ভাইরাসের অজুহাতে জেলার খেয়াঘাট গুলোতে আদায় করা হচ্ছে অতিরিক্ত ভাড়া। ইতিপূর্বে যেখানে ট্রলার বা খেয়া পারাপারে ২ টাকা ভাড়া ছিল সেখানে রাখা হচ্ছে ৫-১০ টাকা পর্যন্ত। কোন প্রকার স্বাস্থ্য সুরক্ষা বা স্বাস্থ্যবিধির বালাই না থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘ দিন ধরেই অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করে আসছেন তারা। ফলে জিম্মি হয়ে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।

    তাই এসব ট্রলার বা খেয়াঘাটে অভিযানে নেমেছে বরিশাল জেলা প্রশাসন। এরই মধ্যে মঙ্গলবার দুপুরে বরিশাল জেলা প্রশাসক এর নির্দেশে নগরীর চরকাউয়া খেয়াঘাটে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। এসময় সেখানকার কয়েকটি ট্রলার মালিককে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অপরাধে ৬ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

    বরিশাল জেলা প্রশাসনের মিডিয়া সেলে জানানো হয়েছে, ‘চরকাউয়া খেয়াঘাটে নদী পারাপারের জন্য ট্রলার ভাড়া ২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। কিন্তু সেখানে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।

    এমন অভিযোগের ভিত্তিতে মঙ্গলবার দুপুরের দিকে জেলা প্রশাসনের একটি মোবাইল কোর্ট চরকাউয়া খেয়াঘাটে অভিযান পরিচালনা করেন। এসময় অভিযোগের সত্যতা পেয়ে ৬ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। পাশাপাশি নির্ধারিত ভাড়া ২টাকার অধিক যাত্রীদের কাছ থেকে আদায় না করার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

    খোঁজ নিয়ে জানাগেছে, ‘শুধুমাত্র চরকাউয়া খেয়াঘাটেই নয়, বরং বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ-মুলাদীর মধ্যবর্তী মীরগঞ্জ খেয়াঘাট, দপদপিয়ার সাবেক ফেরিঘাট সংলগ্ন খেয়াঘাট, নগরীর বেলতলা খেয়াঘাট, চরমোনাই ট্রলারঘাট, চর আইচা খেয়াঘাটসহ জেলার প্রতিটি খেয়াঘাটেই অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে যাত্রীদের কাছ থেকে।
    যাত্রীরা বলেন, ‘করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শুরুর পরে প্রশাসনের নির্দেশে সীমিত যাত্রী নিয়ে ট্রলার চলাচল স্বাভাবিক ছিলো।

    যাত্রী কম তোলার শর্তে ভাড়াও নির্ধারণ করে দেয়া হয়। বর্তমানে লকডাউন নেই, যাত্রীও সেই পূর্বের মতই বহন করা হচ্ছে ট্রলারগুলোতে। কিন্তু করোনাকালীন যে ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছিলো তা আর কমেনি।

    যাত্রীদের অভিযোগ করোনা পরবর্তী লকডাউন শিথিলের পরে প্রশাসন খেয়াঘাট গুলোতে দৃষ্টি দেয়নি। এ কারণেই প্রতিটি ঘাটেই যাত্রী পারাপারে অতিরিক্ত ভাড়ায় আদায় কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। তবে মঙ্গলবার নগরীর চরকাউয়া খেয়াঘাটে জেলা প্রশাসনের যে মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়েছে তা জেলার প্রত্যেকটি খেয়াঘাটে অব্যাহত থাকলে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধ হবে বলে আশাবাদী ভুক্তভোগীরা।

  • নিষেধাজ্ঞার ২১ দিনে বরিশালে ৫৮১ জেলের জেল-জরিমানা

    নিষেধাজ্ঞার ২১ দিনে বরিশালে ৫৮১ জেলের জেল-জরিমানা

    প্রজননক্ষম ইলিশ শিকারে দেয়া সরকারি নিষেধাজ্ঞা শেষ হচ্ছে ৪ নভেম্বর। এদিন রাত ১২টা বাজতেই নিষেধাজ্ঞা উঠে যাবে। তাই শেষ সময়ে সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নে মাঠ পর্যায়ে মোবাইল কোর্ট এবং অভিযান অব্যাহত রেখেছে প্রশাসন।

    ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে নিষেধাজ্ঞার ২১ তম দিন অর্থাৎ নভেম্বর বরিশাল জেলার বিভিন্ন নদ-নদীতে অভিযান চালিয়ে ২৯ জেলেকে আটক করেন তারা। পরে জেলা এবং উপজেলা প্রশাসনের মোবাইল কোর্টে তাদেরকে জেল-জরিমানা করা হয়েছে।

    এ নিয়ে অভিযানের গত ২১ দিনে বরিশাল জেলায় মোট ৫৮১ জেলেকে আটক করা হয়েছে। যার মধ্যে থেকে ৪৮১ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড এবং ৮০ জনের কাছ থেকে ৩ লক্ষ ৮৮ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। পাশাপাশি পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে জব্দকৃত প্রায় ২৯ লক্ষ ৮১ হাজার মিটার জাল।

    বরিশাল জেলা প্রশাসনের মিডিয়া সেল থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ‘গত ১৪ অক্টোবর থেকে বরিশাল জেলার ১০টি উপজেলায় প্রজননক্ষম ইলিশ রক্ষায় অভিযান পরিচালনা পরিচালিত হয়। র‌্যাব, থানা এবং নৌ পুলিশ, কোস্টগার্ড ও নৌ-বাহিনীর সহযোগিতায় পরিচালিত অভিযানের নেতৃত্ব দেন বরিশাল জেলা এবং উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগ।

    এসময় জেলায় গত ২১ দিনে মোট ১১৬টি অভিযান এবং মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়। এর অনুকূলে মামলা হয়েছে ৫৬১টি। যার মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫টি অভিযান এবং মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়। যার অনূকুলে মামলা হয়েছে ২৯টি। এ মামলায় ৮ জনের কাছ থেকে ৩৭ হাজার টাকা জরিমানা এবং ২১ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

    একই সময় পরিচালিত পৃৃথক অভিযানে ১ লক্ষ ৮১ হাজার মিটার জাল জব্দ করেন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্র্দেশে এবং মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে তা পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়েছে। পাশাপাশি জব্দকৃত ৮৬ কেজি ইলিশ দুস্থ এবং এতিমদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে।

  • বরিশালের বিভিন্ন নদীতে শেষ দিনে নৌ-পুলিশ সুপারের ঝটিকা অভিযান

    বরিশালের বিভিন্ন নদীতে শেষ দিনে নৌ-পুলিশ সুপারের ঝটিকা অভিযান

    বরিশালে জাতীয় সম্পদ ইলিশ ও প্রজননক্ষম সংরক্ষণ অভিযানের শেষ দিনে বরিশালের বিভিন্ন নদীতে বরিশাল অঞ্চলের নৌ-পুলিশ কফিল উদ্দিনের নেতৃত্বে এক ঝটিকা অভিযান পারিচালনা করা হয়। এসময় বিপুল পরিমানের সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল উদ্ধার করা হয়। এর পূর্বে জেলেরা নদীতে জাল ফেলে পালিয়ে যায়।

     

    আজ মঙ্গলবার (৩ই) নভেম্বর সকালে নৌ-পুলিশ সুপার কফিল উদ্দিন, বরিশাল নদী-বন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল্লাহ আল-মামুন সহ বেশ কিছু নৌ-পুলিশ সদস্যদের সাথে নিয়ে ঝটিকা অভিযান পরিচালনা করেন।

     

    অপরদিকে বরিশাল নদী-বন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল্লাহ আল-মামুন বলেন,গত ১৪ই অক্টোবর থেকে বরিশাল অঞ্চলের মেঘনা সহ বিভিন্ন নদীতে নৌ-পুলিশ সুপার কফিল উদ্দিনের নির্দেশক্রমে নৌ-পুলিশের সদস্যরা অভিযান চালিয়ে ২১দিনে ৬৫ জন অবৈধ ইলিশ শিকারী মৎস্য জেলে আটক করতে সক্ষম হয়। নৌ-পুলিশ কর্তৃক আটককৃর্ত জেলেদের বিরুদ্ধে বাদী হয়ে ৫টি মামলার পাশাপাশি ৩১ লক্ষ মিটার কারেন্ট জাল ও ১লক্ষ মিটার সুতা জাল উদ্ধার করে। একই সময় জাল উদ্ধার অভিযানের কালে ৪শ’ কেজি ইলিশ উদ্ধার করে বিভিন্ন মাদ্রাসার এতিম ছাত্রদের মাঝে বিলিয়ে দেয়া হয়।

     

    অভিযানকালে বরিশাল অঞ্চল নৌ-পুলিশ সুপার কফিল উদ্দিন বলেন,এই ২২দিনে ইলিশ প্রজননক্ষম রক্ষা কাজে আমার নৌ-পুলিশের সদস্যরা নৌ-পথের চলাচল ও দ্রুত অভিযানে যে পরিমানে যানবাহনের প্রয়োজন রয়েছে তা এখানে নেই। সংকট থাকার কারনে অনেক দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছতে বিলম্ব হয়।

    অন্যদিকে ১লা নভেম্বর থেকে ৬ মাস ব্যাপি ঝাটকা নিধন অভিযান রয়েছে সেখানে আমাদের নৌ-পুলিশ যথাযথ দায়ীত্ব পালনে কোন কাপর্ন করবে না।

    এছাড়া শুধু দেশীয় সম্পদ ইলিশ নয় নৌ-পথের সকল ক্ষেত্রে নৌ-পুলিশ সব সময় প্রস্তুত রয়েছে। এর পূর্বে নৌ সুপরি কফিল উদ্দিন নদী থেকে উদ্ধার করা ইলিশ নগরীর নুরিয়া স্কুলের পিছনে থাকা একটি এতিমখানা মাদ্রাশার কর্তৃপক্ষের মাঝে প্রদান করেন।

    অপরদিকে বরিশাল জেলা প্রশাসক এস এম অজিয়র রহমানের নির্দেশক্রমে জেলার নির্বাহী ম্যাজিস্টেটদের নেতৃত্বে নৌ-পুলিশ,র‌্যাব,কোষ্টগার্ড ও মৎস্য কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে এপর্যন্ত ১১১টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকালে ৭২ জন অবৈধ ইলিশ শিকারী জেলেদের জরিমানার মাধ্যমে ৩লক্ষ ৫১ হাজার টাকা রাজস্ব আদায় করা হয়।

    এসকল অভিযানে ৫৩২ টি মামলা দেয়া সহ বিভিন্ন মেয়াধে ৪৬০ জনকে কারাদন্ড প্রদান করেন নির্বাহী ম্যাজিস্টেট সহ বিভিন্ন উপজেলা প্রশাসন।

    পাশাপাশি অভিযানে বিভিন্ন নদী থেকে ২৭ লক্ষ ৯০ হাজার মিটার জাল উদ্ধারের পর তা পুড়িয়ে বিনিষ্ট করে দেন প্রশাসন।