Category: প্রশাসন

  • পুলিশ অপরাধ দমন করে নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করতে পারবে : পুলিশ কমিশনার

    পুলিশ অপরাধ দমন করে নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করতে পারবে : পুলিশ কমিশনার

    জাতীয় সংগীতের মধ্যদিয়ে ব্যান্ডের তালে তালে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ফেস্টুন এবং পায়রা উড়িয়ে বরিশালে কমিউনিটি পুলিশিং ডের কার্যক্রম শুরু হয়।

    মুজিববর্ষের মূলমন্ত্র কমিউনিটি পুলিশিং সর্বত্র এই শ্লোগান নিয়ে আজ শনিবার (৩১ই) অক্টোবন বেলা সাড়ে ১১টায় কমিউনিটি পুলিশিং ডে ৫ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে অশ্বিনী কুমার হলে প্রধান অতিথি হয়ে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. ছাদেকুল আরেফিন।

    বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. শাহাবুদ্দিন খান উদ্ধোধনকালে বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কমিউনিটি পুলিশিং এর বিকল্প নেই। এটা আধুনিক পুলিশিং, গণতান্ত্রিক পুলিশিং এবং জনবান্ধব পুলিশিং এর জন্য জনগণকে জনবান্ধব করার জন্যই আধুনিক পুলিশিং এর মূলমন্ত্র। এটি অপরাধ নিবারনে অনেক সহায়ক। এর মাধ্যমেই পুলিশের প্রতি আস্থা বৃদ্ধি পেতে পারে এবং একটি জনবান্ধব পুলিশ তৈরি করতে পারে। মানুষ যত বেশি পুলিশের প্রতি আস্থা আনবে তত বেশি পুলিশ তথ্য পাবে। এত করে পুলিশ দক্ষতার সাথে অপরাধকে দমন করে নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করতে পারবে।

    পরে অশ্বিনী কুমার টাউন হল মঞ্চে আরো বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার প্রলয় চিসিম, বরিশাল র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ান (র‌্যাব-৮) অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি আতিকা ইসলাম, বরিশাল পাবলিক প্রসিকিউটর এ্যাড, একেএম জাহাঙ্গীর হোসাইন, বরিশাল আইনজীবী সমিতি সভাপতি এ্যাড, আফজাল হোসেন, বরিশাল প্রেস ক্লাব সভাপতি এ্যাড, মানবেন্দ্র ব্যাটবল প্রমুখ।

    এর পূর্বে প্রধান অতিথির কাছ থেকে তিন পুলিশের সদস্য সেরা কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রমের সফলতা অর্জন করায় তাদেরকে ক্রেস্ট ও সনদ দিয়ে সম্মাননা প্রদান করা হয়।

  • সত্যিকারের জনগণের পুলিশ হতে চাই: বিএমপি কমিশনার

    সত্যিকারের জনগণের পুলিশ হতে চাই: বিএমপি কমিশনার

    বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) কমিশনার মো. শাহাবুদ্দিন খান বলেছেন, সাম্প্রতিক সময়ে ও বছরগুলোতে পুলিশের সেবার মান বাড়ানোর কল্পে অনেকগুলো জনসম্পৃক্তমূলক কর্মসূচি সারাদেশের মতো বরিশালেও আমরা নিয়েছি। বিশেষ করে জনগণকে সম্পৃক্ত করার জন্য যে কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রম সেটাকে নিবিড়ভাবে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করেছি।

    সোমবার (২৬ অক্টোবর) বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের ১৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নগরের বান্দরোডস্থ অফিসার্স মেস প্রাঙ্গণে আয়োজিত কেক কাটা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    শাহাবুদ্দিন খান বলেন, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসাসহ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের নিয়ে যে কমিউনিটি আছে, সমাজ আছে। সেখানে শান্তি শৃঙ্খলা ও শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখার পাশাপাশি আমাদের শিক্ষার্থীরা যাতে সত্যিকারের দেশপ্রেমিক, আইন মান্যকারী এবং মূল্যবোধ সম্পন্ন নাগরিক হয়ে ওঠে সেজন্য বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ থেকে একটি কর্মসূচি চলমান আছে। মহামারি করোনার কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার কারণে সেই কর্মসূচি সীমিত আকারে রয়েছে।

    তিনি বলেন, আইজিপি ড. বেনজীর আহমেদের সুদূর প্রসারী চিন্তা-ভাবনার মাধ্যমে সর্বোশেষ কমিউনিটি পুলিশিংয়ের পরিপূরক কর্মসূচি হিসেবে বিট পুলিশিং কার্যক্রমকে সারাদেশের মতো বরিশালেও শক্তিশালী করেছি। বরিশাল মেট্রোপলিটনে মোট ৯৭টি বিটের কার্যক্রম আমরা চালু করেছি। যার মধ্যে সিটি করপোরেশনের প্রতিটি ওয়ার্ডে দু’টি ও প্রতি ইউনিয়নে তিনটি করে বিট চালু করা হয়েছে। এরমধ্যে সিংহভাগ বিটের অফিস চালু করা হয়েছে।

    শাহাবুদ্দিন খান বলেন, ওপেন হাউজ ডেসহ বিভিন্ন কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রমের সভাগুলোতে পুলিশের জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার কল্পে এবং পুলিশের অনিয়ম-ব্যপ্তয় ও অন্য হয়রানিমূলক কাজকে চিরতরে বন্ধ করার জন্য সরাসরি জনগণের অভিযোগ-অনুযোগগুলো শুনি। সেখানে আমাদের সিনিয়র পুলিশ কর্মকর্তারা উপস্থিত থেকে সেবা কার্যক্রমগুলো জনগণের মধ্যে পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করে। এমনিভাবে নিবিড় তত্ত্বাবধায়ন, মনিটরিং, সুপারভিশনের মাধ্যমে আমাদের প্রতিটি পুলিশ সদস্য যাতে সঠিকভাবে, সঠিক নিয়মে নির্ভেজাল সেবা জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে পারে সেই প্রচেষ্টা আমরা নিয়েছি।

    তিনি বলেন, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের আজকের দিনের যে গ্রহণযোগ্যতা, সেই বিষয়ে সাংবাদিকদের মাধ্যমে আমরাও শুনি। তারপরও আজকে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বলবো আমরা এতেই সন্তুষ্ট নই। ‘মুজিবর্ষের অঙ্গীকার পুলিশ হবে জনতা’ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে আমাদের এ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার বাস্তবায়নে আমাদের প্রানান্তর প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। আমরা চাই সত্যিকারের জনগণের পুলিশ হতে। একটি সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গঠনে যে ধরনের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং নিরাপদ পরিবেশ দরকার সেটি বাস্তবায়নে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

    এ সময় অনুষ্ঠানে বিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার প্রলয় চিসিম, উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর দফতর) আবু রায়হাম মো. সালেহ, উপ-পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম, অপস অ্যান্ড প্রসিকিউশন) মো. জুলফিকার আলী হায়দার, উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) মো. মোকতার হোসেন (সেবা), উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর) খাইরুল আলম, উপ-পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. জাকির হোসেন মজুমদার, উপ-পুলিশ কমিশনার (নগর বিশেষ শাখা) মো. জাহাঙ্গীর মল্লিক, উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিবি) মো. মনজুর রহমান, উপ-পুলিশ কমিশনার (সাপ্লাই অ্যান্ড লজিস্টিকস) খান মুহাম্মদ আবু নাসের প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

  • অবৈধভাবে মা ইলিশ ধরায় জেলেকে ১ বছরের কারাদণ্ড

    অবৈধভাবে মা ইলিশ ধরায় জেলেকে ১ বছরের কারাদণ্ড

     

    নলছিটির সুগন্ধা নদীতে অবৈধভাবে মা ইলিশ ধরায় একজন জেলেকে মৎস্য সংরক্ষণ আইনের এক বছরের কারাদন্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। শুক্রবার ( ২৩ অক্টোবর) উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ সাখাওয়াত হোসেন’র নেতৃত্বে দিনভর এ অভিযান পরিচালনা করে একজনকে ১ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করা হয় ।

    সাজা প্রাপ্ত রিপন হাওলাদার (৩০) উপজেলার দপদপিয়া এলাকার বাসিন্দা।

    অভিযান চলাকালে ৫ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ করে আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট ও ৫ কেজি মাছ এতিমের মাঝে বিতরন করা হয়। এ সময় উপজেলা সহকারী কৃষি কর্মকর্তা ইলিয়াস হোসেন, নলছিটি থানার এসআই আবু হানিফ,এএসআই শাহ আলম,উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নাজির নাজিম উদ্দিন খান, কম্পিউটার অপারেটর এমএ কাইয়ুম উপস্থিত ছিলেন।

    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ সাখাওয়াত হোসেন জানান,সুগন্ধা নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে অভিযান পরিচালিত হয়। এ সময় কারেন্ট জাল দিয়ে ইলিশ মাছ ধরার অপরাধে ১ জনকে আটক করা হয়। পরে ঐ জেলেকে এক বছর করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয় ।উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোরভাবে অভিযান পরিচালনা করতে আছি। সুগন্ধা নদীতে মা ইলিশ ধরতে দেওয়া যাবে না। বাকী যে কদিন আছে সুগন্ধা নদীতে নৌকা ও জেলে মুক্ত রাখবো।

  • নলছিটিতে মা ইলিশ শিকারের দায়ে একজনকে জেল

    নলছিটিতে মা ইলিশ শিকারের দায়ে একজনকে জেল

     

    ঝালকাঠি প্রতিনিধি ।। নলছিটিতে মা ইলিশ শিকারের দায়ে শনিবার (১৭ অক্টোবর) মামুন খান(৩০) নামের এক জেলেকে ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদন্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত। সাজাপ্রাপ্ত মামুন খান উপজেলার মালিপুর গ্রামের বাসিন্দা। একই সাথে উপজেলা নির্বাহী অফিসার(ভারঃ) মো. সাখাওয়াত হোসেন’র নেতৃত্বে দিনভর নদীতে মা ইলিশ রক্ষার অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে আনুমানিক প্রায় ৯ হাজার মিটার কারেন্ট জাল ৫০ কেজি মা ইলিশসহ একটি ইঞ্জিন চালিত ট্রলার জব্দ করা হয়। জব্দকৃত জাল উপজেলার ফেরিঘাট সংলগ্ন এলাকায় জনসম্মুখে পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। এছাড়া উদ্ধারকৃত মাছ নান্দিকাঠি মারকাজুল কুরআন মাদ্রাসার ছাত্রদের মাঝে পৌছে দেওয়া হয়। অভিযানে আরও ছিলেন সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা রমনী কান্ত মিস্ত্রি,নলছিটি পুলিশ ফাড়িতে কর্মরত এএসআই সুজন হাওলাদার,উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নাজির নাজিম উদ্দিন খান,মৎস্য অফিসের ক্ষেত্র সহকারী এসএম সোয়েব ও শাহিন পঞ্চায়েত। ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার(ভারঃ) মো. সাখাওয়াত হোসেন।

  • পুলিশ নারী নির্যাতন প্রতিরোধে জিরো টলারেন্স হয়ে কাজ করছে : পুলিশ কমিশনার

    পুলিশ নারী নির্যাতন প্রতিরোধে জিরো টলারেন্স হয়ে কাজ করছে : পুলিশ কমিশনার

    বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোঃ শাহাবুদ্দিন খানঁ (বিপিএম) বার বলেছেন, আমাদের যে পুলিশ মানুষের স্বার্থে কাজ করে না। আমরা সেসকল পুলিশের বিরুদ্ধে ব্যবস্থ গ্রহন করে থাকি। এছাড়া কোন পুলিশের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ পেলে তাকেও ছাড় দেয়া হচ্ছে না। আমরা সেসকল পুলিশের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করে থাকি। আমার মেট্রোপলিটন পুলিশ সদস্যরা নারী নির্যাতনে প্রতিরোধের ক্ষেত্রে একেবারে জিরো টলারেন্স হয়ে কাজ করছে। এখানে সে যেই হোক পুলিশের পক্ষ থেকে একদম ছাড় দেয়া হবে না। আমার এলাকার জন সাধারনের সুবিধার জন্য বিট পুলিশের কন্টাক্ট নম্বর ঘড়ে ঘড়ে পৌঁছে দেব। আপনার সেই নম্বর সেইভ করে রাখবেন যখনই পুলিশকে স্মরন করবেন সাথে সাথে আমাদের পুলিশ হাজির হবে। আমি প্রতিটি এলাকাবাসীর সাথে পুলিশ বাহিনীর সাথে কোন সমন্বয়হীনতা রাখতে চাই না। আপনার এলাকায় যে ঘটনাই ঘটুক পুলিশকে জানাবেন কোন ঘটনার তথ্য এড়িয়ে যাবেন না।

    তিনি আরো বলেন, আমরা সকলেই মিলে যদি কাজ করি তাহলে যে কোন অপরাধ নিয়ন্ত্রনে আনা সম্ভব। কোন অপরাধীকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দেব না। খাদ্য, বস্ত্র, চিকিৎসা, বাসস্থান ও শিক্ষা যেমন মৌলিক অধিকার রয়েছে তেমনি আজ থেকে চলাফেরা বাসস্থানের নিরাপত্তার মৌলিক চাহিদা পুরন করার জন্য জনতা-পুলিশ একসাথে মিলে মিশে কাজ করতে পারি তাহলে একটি সুন্দরভাবে বাংলাদেশটাকে গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

    পুলিশ কমিশনার শাহাবুদ্দিন খান আরো বলেন, একটি পরিবার ও ঘড় হয়েছে আদর্শের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এখান থেকে ছেলে-মেয়েদের সঠিকভাবে গড়ে তুলতে পারি তাহলে সমাজ এত কলংতি হতে পারত না। এক্ষেত্রে পারবারের সদস্যদের একটু সচেতন হওয়ার জন্য তিনি আহবান জানান।

    আজ শনিবার (১৭ অক্টোবর) সারাদেশের ন্যায় বরিশালে নারী ধর্ষণ ও নির্যাতন বিরোধী বিট পুলিশিং সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতোয়ালী মাডেল থানার আয়োজনে সকাল ১১টায় অশ্বিনী কুমার টাউন হলে এই সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন।

    এখানে বক্তারা আরো বলেন, এই সমাবেশের মধ্যদিয়ে তারা জানান দিতে চান, নারীর প্রতি সহিংসতা বা ধর্ষকদের কোন মতেই ছাড় দেয়া যাবেনা। এই ধরণের অপরাধ প্রবণতা কমিয়ে আনতে জনগণকে সাথে নিয়ে পুলিশের পাশাপাশি বিট পুলিশের সদস্যরা কার্যকরী ভূমিকা রাখবে। এসময় তাদেরকে আরো সোচ্চার হয়ে পুলিশকে সহায়তা করার আহবান জানান বক্তারা।

    এসময় আরো বক্তব্য রাখেন অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি বরিশাল জেলা জজ কোর্টের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ও মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি এ্যাড. একেএম জাহাঙ্গীর হোসাইন, বরিশাল সরকারী বিএম কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রফেসর ড., মোহাম্মদ গোলাম কিবরিয়া, বরিশাল সাবেক সাংস্কৃতিক সংগঠন সমন্বয় পরিষদ সভাপতি, আবদুর রব সেরনিয়াবাত বরিশাল প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি এ্যাড. এস এম ইকবাল, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ক্যামিলিয়া খান, বরিশাল মহানগর ইমাম সমিতি সাধারন সম্পাদক মাওলানা সামসুল আলম, নারী নেত্রী ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর (বিসিসি) কহিনুর বেগম প্রমুখ।

    শাহাবুদ্দিন খান আরো বলেন, বরিশালে ১শত ৯৭টি বিটে পুলিশি কার্যক্রম গতিশীল করার জন্য এই ধরনের কর্মসূচি গ্রহন করা হয়েছে। একই সাথে প্রতিটি থানায় নারীদের জন্য ভিন্নভাবে ডেক্স করা হয়েছে। সেখানে নারী পুলিশ অফিসারদের কাছে আপনাদের অভিযোগ বলার পাশাপাশি আপনারা সকলেই পুলিশের ৯৯৯ নম্বরে কল করে অভিযোগ জানাবার জন্য সকলের প্রতি আহবান করেন।

    অনুষ্ঠানে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, নগরীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মাদ্রাসা, শিক্ষক, অভিভাবকসহ নগরীর বিভিন্নস্তরের মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

    অনুষ্ঠান সঞ্চলনা করেন কোতয়ালী মডেল থানা ইনচার্জ অফিসার (ওসি) নুরুল ইসলাম (পিপিএমবার)।

  • বরিশালে আলুর দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে দুই আড়তকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা

    বরিশালে আলুর দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে দুই আড়তকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা

    আলুর দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে বরিশাল নগরের পোর্ট রোড ও পেঁয়াজ পট্টি এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়েছে। এসময় দুটো পাইকারি আলু বিক্রির আড়তকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

    আজ শনিবার (১৭ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১২ টায় বরিশাল জেলা প্রশাসক এস.এম অজিয়র রহমানের নির্দেশনায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. জিয়াউর রহমান এ অভিযান পরিচালনা করেন।

    জানা গেছে, গত ৭ অক্টোবর কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের এক প্রজ্ঞাপনে আলুর সর্বোচ্চ বিক্রয় মূল্য পাইকারি-কেজি প্রতি ২৫ টাকা, খুচরা- কেজি প্রতি ৩০ টাকা নির্ধারণ করে দিলেও বরিশালের পাইকারি বাজারে তা মানা হচ্ছে না, ফলে প্রভাব পড়েছে খুচরা বাজারগুলোতেও।

    বাজার ঘুরে দেখা যায়, কেজি প্রতি পাইকারি ৩৫-৪০ টাকা এবং খুচরা ৫০-৫৫ টাকা দরে আলু বিক্রি হচ্ছে। আলুর উর্ধ্বমূল্য নিয়ন্ত্রণে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. জিয়াউর রহমান নগরের পোর্ট রোড ও পেঁয়াজ পট্টি এলাকায় আলুর পাইকারি বাজার মনিটরিং করেন এবং সকলকে সরকারি নির্দেশনা মেনে আলু বিক্রি করার নির্দেশনা দেন। এ সময় পেঁয়াজ পট্টি এলাকায় মোল্লা ট্রেডার্স ও পায়েল এন্টারপ্রাইজ নামের দুটো পাইকারি আলু বিক্রির আড়তকে অধিক মূল্যে বিক্রির অপরাধে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

    পরে বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক দুলাল মোল্লা ও অন্যান্য পাইকারদের সঙ্গে আলোচনাকালে সরকারের নির্ধারিত মূল্যে আলু বিক্রির নির্দেশনা দিয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. জিয়াউর রহমান বলেন, পেঁয়াজের মতো আলুর বাজারে কোন সিন্ডিকেট বা অস্থিতিশীল পরিস্থিতি রুখতে জেলা প্রশাসন সর্বোচ্চ নজরদাঁড়ি রাখবে। আর জনস্বার্থে এ অভিযানও অব্যাহত থাকবে।

    অভিযানে জেলা বাজার মনিটরিং কর্মকর্তা হাসান সারোয়ারসহ বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের একটি টিম উপস্থিত ছিল।

  • মা ইলিশ রক্ষায় নলছিটি উপজেলা প্রশাসনের অভিযান

    মা ইলিশ রক্ষায় নলছিটি উপজেলা প্রশাসনের অভিযান

    আরিফুর রহমান আরিফ :

    সরকারের নির্দেশনা অনুসারে জাতীয় সম্পদ ইলিশ রক্ষায় নানা কর্মসূচি ঘোষণা করেছে নলছিটি উপজেলা প্রশাসন।

    বুধবার (১৪ অক্টোবর) থেকে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ ধরা বন্ধ থাকা কালিন নলছিটির সুগন্ধা নদীতে ইলিশ মাছ ধরা, বহনকরা এবং বাজারগুলোতে যাতে কেনা-বেচা করতে না পারে সেজন্য মাঠে থাকবে উপজেলা প্রশাসন।

    এরই অংশ হিসেবে মা ইলিশ রক্ষা অভিযান পরিচালনা করছে তারা। অভিযানের ১ম দিনে রাতে, অভিযান পরিচালনা করা হয়। তবে অভিযান পরিচালনা কালে কোন মাছ ধরা ট্রলারকে নদীতে মাছ ধরতে দেখা যায়নি। এমনকি কোন জেলে আটক হয়নি।

    এসময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) সাখাওয়াত হোসেন জানান, প্রশাসনের পক্ষ থেকে মা ইলিশ রক্ষা অভিযান চলমান থাকবে। তিনি জাতীয় মাছ ইলিশ সংরক্ষণে জনসাধারণের সহযোগিতা কামনা করেন। এবং সকলকে আইন মেনে চলতে অনুপ্রাণিত করেন।

  • গৃহবধূকে বিবস্ত্র করে নির্যাতন, ওসি প্রত্যাহার

    গৃহবধূকে বিবস্ত্র করে নির্যাতন, ওসি প্রত্যাহার

    নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারুনুর রশীদকে প্রত্যাহার করে চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি অফিসে সংযুক্ত করা হয়েছে।

    মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৩টায় নোয়াখালী পুলিশ সুপার আলমগীর হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তবে কি কারণে প্রত্যাহার করা হয়েছে তার কোনো ব্যাখ্যা দেননি পুলিশ সুপার।

    এর আগে বেগমগঞ্জের এখলাশপুরে গৃহবধূকে বিবস্ত্র করে নির্যাতন ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়ার ঘটনায় হাইকোর্ট থেকে পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

    ওই ঘটনায় তদন্ত করে প্রতিবেদন ও একই সঙ্গে ওসির কোনো গাফিলতি আছে কিনা তাও রিপোর্টে দেয়ার জন্য বলা হয়েছে।

  • কাশবন থেকে ২১ কিশোর-কিশোরী আটক

    কাশবন থেকে ২১ কিশোর-কিশোরী আটক

    গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলা শহরের আশপাশের কাশবন ও টং দোকানে অভিযান চালিয়ে সোমবার বিকেলে (১২ অক্টোবর) ২১ কিশোর-কিশোরীকে আটক করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ১৫ কিশোরকে ৯ হাজার ৪০০ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

    ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোসা. ইসমত আরা।

    ইউএনও মোসা. ইসমত আরা জানান, ধর্ষণ ও যৌন হয়রানি রোধে কাপাসিয়ার বিনোদন কেন্দ্র ও হোটেল-মোটেলে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এ অভিযানের অংশ হিসেবে সোমবার বিকেলে উপজেলা শহরে কয়েকটি দোকান ও কাশবনে অভিযান চালানো হয়। আপত্তিকর অবস্থায় ছবি ওঠানো ও আড্ডা দেয়া অবস্থায় ১৫ জন কিশোর ও ছয়জন কিশোরীকে আটক করা হয়েছে।

    পরে তাৎক্ষণিকভাবে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ১৫ কিশোরকে ৯ হাজার ৪০০ টাকা জরিমানা এবং কিশোরীদের অভিভাবকদের হাজির করে সতর্ক করার পর মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। এ সময় তাদের কাছে থাকা একটি ক্যামেরা জব্দ করা হয়েছে। তাদের সকলের বয়স ১৫ বছর থেকে ১৮ বছরের মধ্যে।

  • বরিশালে হাঁতুরে ডাক্তারসহ ৫ ব্যবসায়ীকে জরিমানা

    বরিশালে হাঁতুরে ডাক্তারসহ ৫ ব্যবসায়ীকে জরিমানা

    বরিশালের উজিরপুরের শিকারপুর বন্দরের চিকিৎসক না হয়েও ব্যবস্থাপত্র দেয়াসহ বিভিন্ন অভিযোগে হাঁতুরে চিকিৎসক সঞ্জয় কুমার রায়কে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
    শনিবার দুপুরে উপজেলার শিকারপুর বন্দরে হাঁতুরে চিকিৎসক সঞ্জয় রায়ের নাইস হেলথ কেয়ার নামের ফার্মেসীতে অভিযান চালিয়ে এ জরিমানা করা হয়।
    অভিযান পরিচালনা করেন ভোক্তা অধিকার বরিশাল জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সুমি রানী মিত্র। এছাড়া ওই বন্দরের কীটনাশক ব্যবসায়ী জহিরুল মৃধাকে তিন হাজার ও মিষ্টি ব্যবসায়ী করিমকে এক হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
    এর আগে সকালে ইচলাদী বাসষ্ট্যান্ডের এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২ ওষুধ ব্যবসায়ীকে ৮ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।