Category: প্রশাসন

  • বরিশাল নগরে পৃথক অভিযান চালিয়ে ইয়াবা ট্যাবলেট, মদ ও গাঁজাসহ ৬ মাদক কারবারিকে আটক করেছে র‌্যাব-৮ ও মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের সদস্যরা। এরমধ্যে বরিশাল মেট্রোপলিটনের এয়ারপোর্ট থানাধীন ক্ষুদ্রকাঠি এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৪৪৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও মাদক বিক্রিত ৩ শত টাকাসহ ২ মাদক কারবারিকে আটক করেছে র‌্যাব-৮ এর সদস্যরা।  শনিবার (১০ অক্টোবর) সকালে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে র‌্যাব-৮। এরআগে শুক্রবার দিবাগত রাতে র‌্যাব-৮, বরিশাল সিপিএসসি কোম্পানী এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল ওই অভিযানটি পরিচালনা করেন।  অভিযানে আটককৃত মোঃ আবুল হোসেন(৪৫) বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার ইদিলকাঠী এলাকার বাসিন্দা এবং মোঃ সাইফুল ইসলাম(২৫) বরিশাল নগরের এয়ারপোর্ট থানাধীন ক্ষুদ্রকাঠি এলাকার বাসিন্দা। অপরদিকে মহানগর গোয়ন্দো শাখার সহকারী পুলিশ কমিশনার নরেশ চন্দ্র কর্মকারের নেতৃত্বে পুলিশ পরিদর্শক বিপ্লব মিস্ত্রি, এসআই সৈয়দ খায়রুল আল, মোঃ মহিউদ্দিন ও তাদের তাদের সঙ্গীয় ফোর্সসহ নগরের উত্তর বগুড়া রোডস্থ বিভাগীয় বন কর্মকর্তার কার্যালয় সংলগ্ন সড়কে অভিযান চালানো হয়। এসময় নগরের অক্সফোর্ড মিশিন রোড এলাকার রিয়াজ তালুকদার (৪০) ও রুইয়া হাওলাদার বাড়ি এলাকার মোঃ জামাল মোল্লা ওরফে রামু (৪৫) কে আটক করা হয়। এসময় রিয়াজের কাছ থেকে ১ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এরআগে মহানগর গোয়ন্দো শাখার সহকারী পুলিশ কমিশনার মোঃ রবিউল ইসলাম শামিমের নেতৃত্বে নগরের পিডাব্লিউডি রোডে অপর এক অভিযানে ৩ বোতল ইমপেরিয়াল হুইস্কিসহ ২ জনকে আটক করা হয়।  আটককৃতরা হলো বরিশাল নগরের বাজার রোড সাগর গলি এলাকার মোঃ মাসুদুল ইসলাম হাওলাদার (৩০) ও স্ব-রোডস্থ বাকলার মোড় এলাকার পিয়াস বনিক (২৫)। এসব ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানায় মাদক নিয়ন্ত্রন আইনে পৃথক তিনটি মামলা দায়ের করেছে র‌্যাব ও পুলিশের সদস্যরা

    বরিশাল নগরে পৃথক অভিযান চালিয়ে ইয়াবা ট্যাবলেট, মদ ও গাঁজাসহ ৬ মাদক কারবারিকে আটক করেছে র‌্যাব-৮ ও মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের সদস্যরা। এরমধ্যে বরিশাল মেট্রোপলিটনের এয়ারপোর্ট থানাধীন ক্ষুদ্রকাঠি এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৪৪৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও মাদক বিক্রিত ৩ শত টাকাসহ ২ মাদক কারবারিকে আটক করেছে র‌্যাব-৮ এর সদস্যরা। শনিবার (১০ অক্টোবর) সকালে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে র‌্যাব-৮। এরআগে শুক্রবার দিবাগত রাতে র‌্যাব-৮, বরিশাল সিপিএসসি কোম্পানী এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল ওই অভিযানটি পরিচালনা করেন। অভিযানে আটককৃত মোঃ আবুল হোসেন(৪৫) বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার ইদিলকাঠী এলাকার বাসিন্দা এবং মোঃ সাইফুল ইসলাম(২৫) বরিশাল নগরের এয়ারপোর্ট থানাধীন ক্ষুদ্রকাঠি এলাকার বাসিন্দা। অপরদিকে মহানগর গোয়ন্দো শাখার সহকারী পুলিশ কমিশনার নরেশ চন্দ্র কর্মকারের নেতৃত্বে পুলিশ পরিদর্শক বিপ্লব মিস্ত্রি, এসআই সৈয়দ খায়রুল আল, মোঃ মহিউদ্দিন ও তাদের তাদের সঙ্গীয় ফোর্সসহ নগরের উত্তর বগুড়া রোডস্থ বিভাগীয় বন কর্মকর্তার কার্যালয় সংলগ্ন সড়কে অভিযান চালানো হয়। এসময় নগরের অক্সফোর্ড মিশিন রোড এলাকার রিয়াজ তালুকদার (৪০) ও রুইয়া হাওলাদার বাড়ি এলাকার মোঃ জামাল মোল্লা ওরফে রামু (৪৫) কে আটক করা হয়। এসময় রিয়াজের কাছ থেকে ১ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এরআগে মহানগর গোয়ন্দো শাখার সহকারী পুলিশ কমিশনার মোঃ রবিউল ইসলাম শামিমের নেতৃত্বে নগরের পিডাব্লিউডি রোডে অপর এক অভিযানে ৩ বোতল ইমপেরিয়াল হুইস্কিসহ ২ জনকে আটক করা হয়। আটককৃতরা হলো বরিশাল নগরের বাজার রোড সাগর গলি এলাকার মোঃ মাসুদুল ইসলাম হাওলাদার (৩০) ও স্ব-রোডস্থ বাকলার মোড় এলাকার পিয়াস বনিক (২৫)। এসব ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানায় মাদক নিয়ন্ত্রন আইনে পৃথক তিনটি মামলা দায়ের করেছে র‌্যাব ও পুলিশের সদস্যরা

    বরিশাল নগরে পৃথক অভিযান চালিয়ে ইয়াবা ট্যাবলেট, মদ ও গাঁজাসহ ৬ মাদক কারবারিকে আটক করেছে র‌্যাব-৮ ও মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের সদস্যরা। এরমধ্যে বরিশাল মেট্রোপলিটনের এয়ারপোর্ট থানাধীন ক্ষুদ্রকাঠি এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৪৪৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও মাদক বিক্রিত ৩ শত টাকাসহ ২ মাদক কারবারিকে আটক করেছে র‌্যাব-৮ এর সদস্যরা।

    শনিবার (১০ অক্টোবর) সকালে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে র‌্যাব-৮। এরআগে শুক্রবার দিবাগত রাতে র‌্যাব-৮, বরিশাল সিপিএসসি কোম্পানী এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল ওই অভিযানটি পরিচালনা করেন।

    অভিযানে আটককৃত মোঃ আবুল হোসেন(৪৫) বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার ইদিলকাঠী এলাকার বাসিন্দা এবং মোঃ সাইফুল ইসলাম(২৫) বরিশাল নগরের এয়ারপোর্ট থানাধীন ক্ষুদ্রকাঠি এলাকার বাসিন্দা। অপরদিকে মহানগর গোয়ন্দো শাখার সহকারী পুলিশ কমিশনার নরেশ চন্দ্র কর্মকারের নেতৃত্বে পুলিশ পরিদর্শক বিপ্লব মিস্ত্রি, এসআই সৈয়দ খায়রুল আল, মোঃ মহিউদ্দিন ও তাদের তাদের সঙ্গীয় ফোর্সসহ নগরের উত্তর বগুড়া রোডস্থ বিভাগীয় বন কর্মকর্তার কার্যালয় সংলগ্ন সড়কে অভিযান চালানো হয়। এসময় নগরের অক্সফোর্ড মিশিন রোড এলাকার রিয়াজ তালুকদার (৪০) ও রুইয়া হাওলাদার বাড়ি এলাকার মোঃ জামাল মোল্লা ওরফে রামু (৪৫) কে আটক করা হয়। এসময় রিয়াজের কাছ থেকে ১ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এরআগে মহানগর গোয়ন্দো শাখার সহকারী পুলিশ কমিশনার মোঃ রবিউল ইসলাম শামিমের নেতৃত্বে নগরের পিডাব্লিউডি রোডে অপর এক অভিযানে ৩ বোতল ইমপেরিয়াল হুইস্কিসহ ২ জনকে আটক করা হয়।

    আটককৃতরা হলো বরিশাল নগরের বাজার রোড সাগর গলি এলাকার মোঃ মাসুদুল ইসলাম হাওলাদার (৩০) ও স্ব-রোডস্থ বাকলার মোড় এলাকার পিয়াস বনিক (২৫)। এসব ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানায় মাদক নিয়ন্ত্রন আইনে পৃথক তিনটি মামলা দায়ের করেছে র‌্যাব ও পুলিশের সদস্যরা

  • বাকেরগঞ্জে ৪ শিশু গ্রেফতার : কথিত ধর্ষণ মামলার নেপথ্যে অন্যকিছু, বিশিষ্টজনের উদ্বেগ

    বাকেরগঞ্জে ৪ শিশু গ্রেফতার : কথিত ধর্ষণ মামলার নেপথ্যে অন্যকিছু, বিশিষ্টজনের উদ্বেগ

    বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জে ছয় বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার চার শিশুকে যশোর শিশু উন্নয়ন ও সংশোধন কেন্দ্রে পাঠিয়েছে আদালত। বুধবার (৭ অক্টোবর) বিকেলে বিচারক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. এনায়েতউল্লাহ ওই নির্দেশ দেন। সন্ধ্যায় শিশুদেরকে প্রিজনভ্যানে তোলার সময়ে হৃদয় বিদারক পরিবেশের সৃষ্টি হয় আদালত পাড়ায়। কথিত ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতারকৃত চার শিশুর চিৎকার, আতঙ্কগ্রস্থ চেহারা আর অনুনয়-বিনয়ে প্রত্যক্ষদর্শীরাও কেঁদে ফেলেন। খবর ছড়িয়ে পড়লে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বরিশালের বিশিষ্টজন।

     

    এদিকে বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) ঘটনাস্থলে কথা হয় ওই এলাকার সংরক্ষিত আসনের ইউপি সদস্য নাজমা বেগম ও রঙ্গশ্রী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বশির উদ্দিনের সাথে। চেয়ারম্যান বশির উদ্দিন বলেন, ঘটনাটি ধর্ষণ নয়। ধর্ষণ সাজানো হয়েছে। মূলত বাদী ও বিবাদীর পরিবার আপন চাচা-ভাতিজা। উভয় পক্ষের মধ্যে ১৫ শতাংশ জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এ নিয়ে অসংখ্যবার শালিস আমি নিজেও করেছি। পুরানো শত্রুতার জের ধরে এই মামলা।

    ইউপি সদস্য নাজমা বেগম বলেন, ধর্ষণ হয়েছে বলে আমার কাছে কোন তথ্য নেই। আমি তাদের প্রতিবেশী। তাছাড়া ধর্ষণ ৪ তারিখ হলে মেয়ের গোপনাঙ্গে ৬ তারিখতো ব্যথা লাগতে পারেন না।

    তবে বাকেরগঞ্জ থানার ওসি আবুল কালাম বলেছেন, মামলার সঙ্গতি বা অসঙ্গতি নিয়ে আমি কোন কথা বলতে পারবো না। এ বিষয়ে আমাদের এ্যাডিশনাল এসপি স্যার কথা বলবেন। এটুকু বলবো, আমরা অভিযোগ পেয়েছি ধর্ষণের, আসামীদের গ্রেফতার করেছি।

    গ্রেফতার হওয়া ওই চার শিশু হলো মো. সাইদুল ইসলাম (১১), মো. সোলায়মান ইসলাম তামিম (১০), মো. হাফিজুল ইসলাম লাবিব (১০) ও মো. শাওন হাওলাদার (১০)। এদের বাড়ি বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার রঙ্গশ্রী ইউনিয়নে রুনসি গ্রামে। এজাহারে এদের বয়স ১০ ও ১১ বছর দেখানো হলেও প্রকৃতপক্ষে তিনজনের বয়স ৯ বছর এবং ৯ বছর তিন মাসের মধ্যে। আর সাইদুলের বয়স দশ বছর দুইমাস বলে স্বীকার করেছেন ওসি আবুল কালাম।

    মামলার বাদী জাহিদুর রহমান রুবেল এজাহারে উল্লেখ করেছেন, ৬ বছরের তার কন্যা শিশুটির খেলার সাথী ওই চার শিশু দ্বারা ৪ অক্টোবর বিকেলে তাদের বানানো খেলার ঘরে ধর্ষণ করে। এ বিষয়ে বাদী জাহিদুর রহমান রুবেলের কাছে জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিকদের সাথে কথা বলতে রাজি হননি।

    তবে প্রতিবেশীরা বলছে ভিন্ন কথা। তারা বলছেন জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরেই এদেরকে ফাঁসানো হয়েছে।

    প্রতিবেশী কালাম হাওলাদার, নাসির উদ্দন জানান, ধর্ষণের কোন ঘটনা ঘটেছে বলে জানা নেই। মামলার বাদী রুবেল ও গ্রেফতার হওয়া শিশুদের পিতার সাথে জমির শরিক নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ চলছে। সে কারনে এ ধরনের মামলা হতে পারে বলে মনে করছেন তিনি।

    যা বললেন বরিশালের বিশিষ্টজন

    বাকেরগঞ্জে কথিত ধর্ষণকান্ডে চার শিশু গ্রেফতারে এই বিষয়ে বিস্ময় ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেকেই। তারা ঘটনার নেপথ্যের কারন কিংবা এটি আদৌ কোন ধর্ষণ ঘটনা কিনা তা খতিয়ে দেখার দাবী জানান।

    আর বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চিকিৎসা বিজ্ঞানের সংজ্ঞা বদলে ফেলেছে বাকেরগঞ্জের এই মামলাটি। তাদের মতে ১০ বছরের শিশুদের শরীরে শুক্রানু তৈরী হয় না। যাদের শরীরে শুক্রানু তৈরী হয় না তারা ধর্ষণ কিভাবে করে সেটিও প্রশ্ন।

    এ বিষয়ে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান ডাঃ অসীম কুমার সাহা বলেন, দশ বা এগারো বছরের শিশু কখনোই ধর্ষণ করতে পারেন বলে আমার অভিজ্ঞতায় এবং চিকিৎসা শাস্ত্র পড়তে গিয়ে পাইনি। ওই শিশুর শারীরীক প্রস্তুতি ১০-১১ বছর বয়সে হয় না। আপনি যা বললেন, আমি জানি না আসলে ঘটনা কি? কিন্তু ধর্ষণের সংজ্ঞা যদি নতুন করে লেখা হয় তাহলে সম্ভব। নতুবা যৌনাঙ্গ র্স্পশ করলেই যদি ধর্ষণ হয় তাহলেও সম্ভব। কিন্তু ‘ইন্টারকোর্স’ বলতে যে বিষয় রয়েছে সেটাইতো মানবদেহে এই বয়সে সঞ্চারিত হয় না। অকল্পনীয়, অসম্ভব ব্যপার হচ্ছে শিশুরা ধর্ষণ করতে পারে বলে। খোঁজ নিয়ে দেখেন, এটা অন্য কিছু।

    বরিশাল সাংস্কৃতিক সংগঠন সমন্বয় পরিষদের সভাপতি কাজল ঘোষ মনে করেন, একটি অসম্ভব ঘটনা হচ্ছে ১০-১১ বছরের শিশুরা ধর্ষণ করেছে। আমি মনে করি পরিণত ধর্ষকদের বিরুদ্ধে যখন আন্দোলন চলছে তখন কেউ কেউ ব্যক্তি স্বার্থ উদ্ধার করতে এসব অভিযোগ করছেন। আসলে মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে কখনো দেখিনি বা শুনিনি এই অপরিপক্ব ধর্ষণের কথা। যদি কখনো অভিযোগ উঠেছে তা মিথ্যা প্রমানিত হয়েছে। এটিও তেমন।

    বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) বরিশাল জেলার সদস্য সচিব ডাঃ মনীষা চক্রবর্তী বলেন, আমি সুনির্দিষ্ট করে বলতে চাই বাকেরগঞ্জের এই ধর্ষণ মামলাটি আসলে কতটুকু সত্য তা নিয়ে আমার কাছেই সংশয় রয়েছে। মূলত পারিবারিক বিরোধে প্রতিশোধ নিতে অনেকে আজকাল এমন অভিযোগ করে থাকেন। তবে চিকিৎসা বিজ্ঞান বলছে অতটুকুন একটি বাচ্চা কখনো ধর্ষণ করতে পারেন না।

    বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন বরিশাল জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক কাজী আল-মামুন বলেন, ১০-১১ বছরের শিশুরা ধর্ষণের জন্য পরিণত হয় না চিকিৎসা বিজ্ঞানের এমন কথা আমারও সত্য বলে মনে হয়। যেহেতু দেশে ধর্ষণ বিরোধী একটি অবস্থান সৃষ্টি হয়েছে তখন কেউ হয়তো সেটিকে সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করতে পারে। এজন্য আমি আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি অনুরোধ রাখবো অভিযোগ পেলে অবশ্যই তা খতিয়ে দেখে এ্যাকশনে যাওয়া উচিত। অন্যথায় পক্ষ-বিপক্ষের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।

  • বরিশালে ফ্ল্যাট থেকে গৃহবধুর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার, স্বামী আটক

    বরিশালে ফ্ল্যাট থেকে গৃহবধুর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার, স্বামী আটক

    বরিশাল নগরীর হাসপাতালের রোডে একটি ফ্ল্যাট থেকে তিশা কর্মকার (২৩) নামের এক গৃহবধুর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। স্বামীসহ শ্বশুর পরিবারের লোকজন এই বিয়োগান্তের ঘটনাটিকে আত্মহত্যা করে দাবি করলেও পুলিশ তরুণীর শরীরের একাধিক স্থানে আঘাতের চিহ্ন দেখে করে খুনের আলামত পাচ্ছে। ওই এলাকার কর্মকার ভবনের তৃতীয় তলায় প্রাণবিয়োগের এই ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে শনিবার দিনভর চলে নাটকীয়তা। এর আগে শুক্রবার রাতে তরুণীর ঝুলন্ত লাশটি উদ্ধার করে। পুলিশ এই ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তরুণীর স্বামী বাপ্পীকে হেফাজতে নিয়েছে।

    নিহত তিশা কর্মকার পিরোজপুরের স্বরূপকাঠি উপজেলার বাশতলা গ্রামের সুকদেব কর্মকারের মেয়ে। তিন বছর পূর্বে পারিবারিকভাবে বাপ্পীর সাথে তিশার বিয়ে হয়।

    পুলিশ জানায়, গৃহবধূ তিশার হাতে ও গলায় আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য স্বামী বাপ্পী কর্মকারকে আটক করা হয়েছে। তিশার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরসহ আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার হবে।

    এদিকে স্বামী বাপ্পীর দাবি, শুক্রবার রাতে বাথরুম থেকে বের হওয়ার পর তিশাকে ফ্যানের সাথে ঝুলতে দেখে দ্রুত নামিয়ে আনেন। এবং বুঝতে পারি তিশার আর বেঁচে নেই। এ সময় বাসায় আমার বোন রাখিও উপস্থিত থেকে সেও বিষয়টি দেখেছে। এরপর তিশার পরিবারকে বিষয়টি জানানো হয়। বিষয়টিতে আইন জটিলতার কারণে কাউকে জানানো হয়নি। তিশা যে কোন কারণে ক্ষুব্ধ হয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়, এমনটিও দাবি করেন বাপ্পীর।

    তবে স্থানীয়রা বলছে, দীর্ঘদিন ধরে বাপ্পী ও তিশার পরিবার ওই ভবনে ভাড়া থাকেন। তাদের মধ্যে ঝগড়া বিবাদ লেগেই থাকতো। তবে কি কারণে এবং কিসের জন্য তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হতো সে বিষয়ে তারা তেমন কিছু জানা যায়নি। তবে ধারণা, যৌতুক নিয়ে তাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব রয়েছে।

    বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার (কোতয়ালি) মো. রাসেল জানান, খবর পেয়ে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। তিশার শরীরে আঘাতের চিহ্ন পেয়েছে পুলিশ। এই ঘটনায় অভিযোগের প্রেক্ষিতে স্বামী বাপ্পী কর্মকারকে আটক করে নিয়ে আসা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে, জানান পুলিশ কর্মকর্তা।’

  • ধর্ষণের অভিযোগে ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার

    ধর্ষণের অভিযোগে ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার

    এবার ধর্ষণের অভিযোগে মিরপুর মডেল থানায় দায়ের করা মামলায় ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সবুজ আল সাহবাসহ দু’জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাতে এক তরুণী ছাত্রলীগ নেতা সবুজের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ এনে মিরপুর মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

    পরে রাতেই রাজধানীর একাধিক জায়গায় অভিযান চালিয়ে ছাত্রলীগ নেতা সবুজকে ও বিবি ফাতেমা ঝুমুর (৩৫) নামে আরেকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মামলায় বিবি ফাতেমাকে ধর্ষণে সহায়তাকারী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

    ধর্ষণের আলামত পরীক্ষার জন্য ভুক্তভোগী তরুণীকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

    মামলার এজাহার অনুযায়ী পুলিশ জানায়, গত ২৮ সেপ্টেম্বর রাজধানীর ৬০ ফিট এলাকায় নিজ বাসায় নিয়ে ওই তরুণীকে ধর্ষণ করেন সবুজ।

    মিরপুর মডেল থানার ওসি মোস্তাজিরুর রহমান জানান, বুধবার রাতে ধর্ষণের অভিযোগ এনে ভুক্তভোগী এক তরুণী নিজেই বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। পরে রাতেই সবুজ আল সাহবা ও বিবি ফাতেমা নামে দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    গ্রেফতারদের রাজনৈতিক পরিচয়ের বিষয়ে জানতে চাইলে ওসি বলেন, তাদের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ রয়েছে এজন্য গ্রেফতার করা হয়েছে। এখানে রাজনৈতিক পরিচয় মুখ্য নয়। তবে বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি। গ্রেফতারদের বৃহস্পতিবার আদালতে পাঠানো হবে বলেও জানান তিনি।

    ঢাকা মহানগর উত্তর শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. ইব্রাহিম বলেন, ‘আমাদের কাছে অভিযোগ এসেছে, আমরা তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করছি। এ ধরনের অপরাধের সঙ্গে আমাদের কেউ জড়িত থাকলে সংগঠনে থাকতে পারবে না’।

  • বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের মোবাইল নম্বর পরিবর্তন

    বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের মোবাইল নম্বর পরিবর্তন

    বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের মোবাইল নম্বরেও পরিবর্তন এসেছে। পূর্বের সকল নম্বর পরিবর্তন করে নতুন সিরিজের মোবাইল নম্বর পেয়েছেন পুলিশ কর্মীরা। বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর) মো. খাইরুল আলম বিষয়টি বরিশালটাইমসকে বৃহস্পতিবার দুপুরে নিশ্চিত করেন।

    পুলিশ কর্মকর্তা  জানান, জনগণকে দ্রুত সময়ে কাঙ্ক্ষিত সেবা নিশ্চিত করতে আইজিপি থেকে শুরু করে বাংলাদেশ পুলিশ সদস্যদের মোবাইল ফোন একই সিরিজের আওতায় আনতে পুরাতন নম্বর পরিবর্তন করে নতুন নম্বর দেওয়া হয়েছে। যা আজ ১ অক্টোবর থেকে কার্যকর হয়েছে।

    বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার বলেন, বাংলাদেশ পুলিশের প্রয়োজন সর্বাধুনিক ও সেরা প্রযুক্তির যোগাযোগ নেটওয়ার্ক। বর্তমান তথ্য প্রযুক্তির যুগে যোগাযোগের ক্ষেত্রে মোবাইল কমিউনিকেশন অতি গুরুত্বপূর্ণ। সে লক্ষে বাংলাদেশ পুলিশে বর্তমানে বিভিন্ন সিরিজের মোবাইল নম্বর ব্যবহৃত হচ্ছে। ফলে এসব মোবাইল নম্বরের সঠিকতা নিয়ে একদিকে পুলিশ সদস্যরা যেমন বিভ্রান্ত হওয়ার সুযোগ আছে। অন্যদিকে জনগণও বিভ্রান্ত হচ্ছে। এতে পুলিশের কার্যক্রম বিঘ্নিত হচ্ছে এবং জনগণকে কাঙ্ক্ষিত সেবা দেওয়া বিলম্বিত হচ্ছে। তাই বাংলাদেশ পুলিশের কমিউনিকেশন সিস্টেমকে একই প্লাটফর্মে নিয়ে আসতে নতুন মোবাইল নম্বর দেওয়া হয়েছে।

    এজন্য বাংলাদেশ পুলিশকে একই সিরিজের তিন লাখ মোবাইল ফোন সংযোগ দেওয়া হয়েছে।

    বিএমপি পুলিশের গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তিত নম্বরসমূহ হচ্ছে- পুলিশ কমিশনার: ০১৩২০-০৬৪০০০, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (হেডকোয়ার্টারস): ০১৩২০-০৬৪০০৫, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন): ০১৩২০-০৬৪০০৬, উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর দপ্তর): ০১৩২০-০৬৪০২০, উপ-পুলিশ কমিশনার (সাপ্লাই অ্যান্ড লজিস্টিকস): ০১৩২০-০৬৪০২২, উপ-পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড প্রসিকিউশন): ০১৩২০-০৬৪৩৯০, উপ-পুলিশ কমিশনার (সিএসবি): ০১৩২০-০৬৪৫৩০, উপ-পুলিশ কমিশনার(ডিবি): ০১৩২০-০৬৫১১০, উপ-পুলিশ কমিশনার(দক্ষিণ): ০১৩২০-০৬৫৪৪০, উপ-পুলিশ কমিশনার(উত্তর): ০১৩২০-০৬৫৫৫০, উপ-পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক): ০১৩২০-০৬৪৬৭০।

  • জনগণের বন্ধু অ্যাডিশনাল এসপি মাহমুদ

    জনগণের বন্ধু অ্যাডিশনাল এসপি মাহমুদ

     

    আরিফুর রহমান আরিফ:

    ঝালকাঠি জেলার আইন – শৃঙ্খলা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা এবং সবার জন্য আইনের ‘সমান অধিকার’ প্রতিষ্ঠার যে ব্রত নিয়ে অ্যাডিশনাল এসপি হিসেবে এসেছিলেন মাহমুদ হাসান , তার বিদায়জনিত কারণে সমাপ্তি অবশেষে। সম্প্রতি ঝালকাঠি জেলা থেকে এন্টি টেরোরিজম ইউনিট, ঢাকায় বদলী হন তিনি। রাষ্ট্রীয় কাঠামোর নিয়ম মেনে, সকল আবেগের ঊর্দ্ধে উঠে বিদায় নিয়েছেন ঝালকাঠি জেলার সাধারণ মানুষের কাছে আস্থা ও ভালোবাসা প্রিয় মানুষ হয়ে ওঠা প্রজাতন্ত্রের এই কর্মকর্তা। আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য হয়েও শুধু নির্দিষ্ট গন্ডির মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে যে মানুষটা সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে এসেছিলেন মানুষের অনেক কাছে, তার বিদায়ে ঝালকাঠিবাসী আবেগতাড়িত, বাকরুদ্ধ ও অশ্রুসিক্ত ।
    টানা পাঁচ বছর দায়িত্ব পালনের পর বুধবার রাতে তাঁর বদলিকৃত কর্মস্থলের উদ্দ্যেশে ঝালকাঠি ত্যাগ করেন। তাঁকে বিদায় জানাতে ঝালকাঠির সর্বস্তরের মানুষসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতারা তার কার্যালয়ে সকাল থেকে ভীড় করেন।
    মাহমুদ হাসান ২০১৫ সালের ২ সেপ্টেম্বর এএসপি(সদর সার্কেল) হিসেবে যোগদান করেন। দীর্ঘ ৫ বছরে দায়িত্ব পালনে অত্যন্ত সুনাম ও আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন তিনি।
    এসময়ে তিনি সেবামূলক প্রশংসনীয় কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ দুইবার সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পদক “প্রেসিডেন্ট পুলিশ মেডেল (পিপিএম-সেবা)”, টানা ১০ বার বরিশাল রেঞ্জের “শ্রেষ্ঠ সার্কেল অফিসার” এবং জনসেবায় ঝালকাঠি জেলা প্রশাসন থেকে “বেস্ট সেবা প্রদানকারী অফিসার” নির্বাচিত হন। একজন জনবান্ধব পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে নিজেকে জেলাবাসীর পরম বন্ধু হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন।
    এছাড়াও প্রতিদিন শতশত সেবাপ্রার্থী সাধারণ মানুষ নির্বিঘ্নে তার অফিসে ছুটে এসে তাদের সমস্যা নিয়ে কথা বলতে পেরেছে এবং তাৎক্ষনিকভাবে তাদের সমস্যার সমাধানও পেয়েছে।
    পুলিশের পাশাপাশি সাধারণ মানুষ, জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দদের সাথে সু-সম্পর্ক রেখেই কাজ করেছেন তিনি।

    বিদায় বেলায় এই কর্মকর্তা নিজের ফেইসবুকে আবেগঘন স্ট্যাটাস দেন। যা সবার দৃষ্টি কাড়ে- “দীর্ঘ ০৫ বছর ঝালকাঠি জেলা পুলিশে কর্মরত ছিলাম। নতুন কর্মস্থলে যোগদানের উদ্দেশ্যে ঝালকাঠি থেকে আজ বিদায় নিলাম। সম্মানিত রেঞ্জ ডিআইজি স্যার, এসপি ঝালকাঠি স্যার, অ্যাডিশনাল এসপি হাবিবুল্লাহ স্যারসহ সকল সহকর্মী, মিডিয়া কর্মী সহ ঝালকাঠি জেলার সকলের কাছে আমি চির কৃতজ্ঞ।ঝালকাঠিকে আমি কোনদিনই ভুলবনা, বিদায় বেলায় এ জেলার মানুষের অশ্রুসিক্ত ভালোবাসার কাছে আমি চিরঋণী হয়ে রইলাম।
    “My beloved Jhalokati, I’ll miss you”.

    সাধারণ মানুষের আস্থা ও ভালোবাসার এক প্রিয় নাম অ্যাডিশনাল এসপি মাহমুদ হাসান। তার কর্মকালে সকলের সাথে সুসম্পর্ক রেখে জনসাধারণকে তিনি উজার করা সেবা দিয়েছেন, বিপদে-আপদে জনগণের পাশে দাড়িয়ে অসহায় ও নিপীড়িতদের সাহস ও শক্তি যুগিয়েছেন। ঝালকাঠিবাসীর আত্নার মানুষ ছিলেন তিনি।
    জানা যায়, ছাত্রজীবন থেকেই তিনি অত্যন্ত মেধাবী ও পরিচ্ছন্ন ইমেজের ছিলেন। বিসিএস পরীক্ষায় পুলিশ ক্যাডারে তিনি মেধা তালিকায় ২য় স্থান অধিকার করেন। তিনি একজন আদর্শবান শিক্ষকের সন্তান। শুধু কর্মস্থলে নয়, নিজ এলাকা পটুয়াখালী জেলার দুমকি উপজেলার সকল শ্রেণি -পেশার মানুষের কাছেও তিনি সকলের প্রিয় মানুষ, প্রিয় ব্যক্তিত্ব।

    ঝালকাঠিতে বারবার ফিরে আসুক মাহমুদ হাসান। বাংলাদেশ পুলিশের প্রতিটি স্তরে ছড়িয়ে পড়ুক এমন মানিবক মাহমুদ হাসান। তবেই সাধারণ মানুষ নিরাপদে থাকবে। মাহমুদ হাসানের প্রতি এমন অভিব্যক্তি সমগ্র জেলাজুড়ে।

    সত্যিকার অর্থেই তিনি একজন মানবিক পুলিশ। কর্মকালে ঝালকাঠিবাসীকে তিনি পরম মমতায় সেবা দিয়েছেন। বিদায়লগ্নে হাজার হাজার মানুষ অশ্রুসিক্ত নয়নে প্রিয় মানুষটিকে বিদায় জানাতে এসেছেন তার কার্যালয়ে।
    বিদায় বলে নিজেও অশ্রুসিক্ত নয়নে সকলের কাছে দোয়া প্রার্থনা করেন এ বিদায়ী কর্মকর্তা।
    ##
    01739548225

  • বরিশাল রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ পুলিশ সুপার ফাতিহা ইয়াসমিন

    বরিশাল রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ পুলিশ সুপার ফাতিহা ইয়াসমিন

    নাগরিক তথ্য ব্যবস্থাপনা পদ্ধতিতে (সিআইএমএস) সফলতার সঙ্গে কাজ করায় বরিশাল রেঞ্জের মধ্যে ঝালকাঠির পুলিশ সুপার ফাতিহা ইয়াসমিন শ্রেষ্ঠ নির্বাচিত হয়েছেন। সোমবার সকালে বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ে অপরাধ পর্যালোচনা সভায় এ ঘোষণা দেওয়া হয়। পরে পুলিশ সুপার ফাতিহা ইয়াসমিনকে ক্রেস্ট ও সনদপত্র তুলে দেন বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজি মো. শফিকুল ইসলাম।

    জানা যায়, ঝালকাঠি জেলায় সাত লাখ নাগরিকের মধ্যে এক লাখেরও বেশি তথ্য সংগ্রহ করে লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। এতে নাগরিকের জাতীয় পরিচয়পত্র ও মোবাইল নম্বর রয়েছে। এ কার্যক্রম সম্পন্ন হলে দ্রæততম সময়ের মধ্যে একজন নাগরিকের তথ্য পেতে মাত্র একমিনিট সময় লাগবে পুলিশের। নাগরিক তথ্য ব্যবস্থাপনা পদ্ধতিতে বরিশাল বিভাগের মধ্যে ঝালকাঠি জেলা সবচেয়ে এগিয়ে আছে। তাই এ জেলার পুলিশ সুপারকে রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ ঘোষণা করা হয়েছে।

    ফাতিহা ইয়াসমিন ঝালকাঠিতে যোগদানের পর বিভিন্ন অভিযান করায় অপরাধ কমে এসেছে। সন্ত্রাস দমনে ও মাদক নির্মূলে তিনি অসাম্য ভূমিকা রাখছেন। মাদক কারবারি, সেবনকারীদের গ্রেপ্তার ও তাদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের আড্ডা বন্ধ ও কিশোর গ্যাং প্রতিরোধেও কার্যকর পদক্ষেপ নিয়েছেন পুলিশ সুপার। তিনি বিট পুলিশিং, কমিউনিটি পুলিশিং ও স্টুডেন্ট কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রমের সফলতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ মোকাবেলায় দিন রাত মাঠে রয়েছেন তিনি। মানুষকে সচেত করা, মাস্ক বিতরণ, পিপিই ও খাদ্যসামগ্রীও দিয়েছেন অসংখ্য মানুষকে। এছাড়াও তিনি সড়কে চাঁদাবাজী বন্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন। ট্রাফিক বিভাগকে গতিশীল করে নানা সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন।

    এ ব্যাপারে ঝালকাঠির পুলিশ সুপার ফাতিহা ইয়াসমিন বলেন, ঝালকাঠিবাসীকে সেবা দেওয়াই আমার উদ্দেশ্য। আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি আগের যেকোন সময়ের চেয়ে এখন ভাল আছে। আমরা সিটিজেন ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমেও এগিয়ে আছি। পুস্কার পাওয়া মানে কাজেরপ্রতি দায়িত্ব আরো বেড়ে গেল। এ পুরস্কার জেলার জন্য গৌরবের।

  • কোটিপতি ওই ড্রাইভারের ১৪ দিনের রিমান্ড চাইবে পুলিশ

    কোটিপতি ওই ড্রাইভারের ১৪ দিনের রিমান্ড চাইবে পুলিশ

    জাল টাকা, অবৈধ অস্ত্র ও চাঁদাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া স্বাস্থ্য অধিদফতরের গাড়িচালক আব্দুল মালেককে আদালতে তোলা হয়েছে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বেলা পৌনে ১১টার দিকে তাকে ঢাকা মহানগর হাকিম দেবদাস চন্দ্র অধিকারীর আদালতে তোলা হয়। আদালতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১৪ দিনের রিমান্ড আবেদন করবে পুলিশ।

    তুরাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি, তদন্ত) মো. শফিউল্লাহ বার্তা২৪.কমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    তিনি জানান, বেলা পৌনে ১১টার দিকে আব্দুল মালেককে আদালতে তোলা হয়েছে। আদালতে তোলার পর তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১৪ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হবে। তার মধ্যে অবৈধ অস্ত্র আইনে করা মামলায় সাত দিন ও জাল টাকার মামলায় সাত দিন করে রিমান্ড চাওয়া হবে।

    এর আগে র‌্যাব বাদী হয়ে তুরাগ থানায় গাড়িচালক আব্দুল মালেকের বিরুদ্ধে একটি মামলা করে।

    রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর তুরাগ এলাকার বামনেরটেকের বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। পরে সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাব জানায়, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মালেক ড্রাইভারের শত কোটি টাকার সম্পদের সন্ধান পাওয়া গেছে। স্বাস্থ্য অধিদফতরের তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী মালেক পেশায় একজন ড্রাইভার। মালেকের স্ত্রীর নামে দক্ষিণ কামারপাড়ায় ২টি সাততলা বিলাসবহুল ভবন আছে।

    ধানমন্ডির হাতিরপুল এলাকায় ৪.৫ কাঠা জমিতে একটি নির্মাণাধীন ১০ তলা ভবন আছে এবং দক্ষিণ কামারপাড়ায় ১৫ কাঠা জমিতে একটি ডেইরি ফার্ম আছে। এছাড়াও বিভিন্ন ব্যাংকে নামে-বেনামে বিপুল অর্থ গচ্ছিত রয়েছে।

    গাড়িচালক আব্দুল মালেকের শিক্ষাগত যোগ্যতা ৮ম শ্রেণি। তিনি ১৯৮২ সালে সর্বপ্রথম সাভার স্বাস্থ্য প্রকল্পে ড্রাইভার হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ১৯৮৬ সালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিবহন পুলে ড্রাইভার হিসেবে চাকরি শুরু করেন। বর্তমানে তিনি প্রেষণে স্বাস্থ্য ও শিক্ষা অধিদফতরে কর্মরত রয়েছেন।

  • সেবা দেয়াই পুলিশের কাজ: বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি

    সেবা দেয়াই পুলিশের কাজ: বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি

    বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি মে. শফিকুল ইসলাম- বিপিএম (বার), পিপিএম বলেছেন, ‘কোন ধরনের অপরাধীদের সাথেই পুলিশের সক্ষতা থাকতে পারে না। পুলিশ জনগণের বন্ধু, সেবা দেওয়াই পুলিশের কাজ। সুতরাং বরিশাল রেঞ্জে অপরাধীদের কোন ঠাঁই নাই।

    আজ সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বরিশাল রেঞ্জের মাসিক অপরাধ সভায় ডিআইজি মোঃ শফিকুল ইসলাম এ কথা বলেছেন।

    মাসিক অপরাধ সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ এহসান উল্লাহ, বরিশাল জেলা পুলিশ সুপার মোঃ সাইফুল ইসলামসহ অন্যন্য কর্মকর্তাবৃন্দ।

    সভায় বরিশালের বাকেরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল কালামকে বরিশাল রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ এর সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

    ডিআইজি শফিকুল ইসলাম তার হাতে এ ক্রেস্ট তুলে দেন। এসময় অতিরিক্ত ডিআইজি এবং বরিশাল জেলার পুলিশ সুপার উপস্থিত ছিলেন।

  • ‘প্রেস’ লেখা গাড়িতে বরিশালে আসে ইয়াবা

    ‘প্রেস’ লেখা গাড়িতে বরিশালে আসে ইয়াবা

    করোনাকালে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) মাদকবিরোধী অভিযান কার্যত শিথিল করা হয়েছিল। সেই সুযোগে মাদকের বড় বড় চালান ঢুকে পড়েছে এই অঞ্চলে।

    পুলিশ জানিয়েছে, বছরের প্রথম তিনমাস জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত মেট্রোপলিটন এলাকায় ২৭০টি মাদক নিরোধক আইনে মামলা হয়েছে। এ সময়ে গ্রেপ্তার হয়েছেন ৩৫৭ জন। কিন্তু করোনার পিক-টাইম মার্চ থেকে জুলাই পর্যন্ত চারমাসে মাদক নিরোধক আইনে মামলা হয়েছে ৫৯টি। গ্রেপ্তার হয়েছেন ৮৩ জন মাদক কারবারি।

    পুলিশ জানিয়েছে, করোনার প্রকোপ কমতে শুরু করায় বড় চালান আটক হতে শুরু করেছে। বুধবার (০৯ সেপ্টেম্বর) গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে পাঁচজনকে আটক করেন পুলিশ পরিদর্শক আব্দুল হালিম খন্দকার। এ সময় এক হাজার পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়।

    বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) ই-মেইল বার্তায় গোয়েন্দা পুলিশের সহকারী কমিশনার রবিউল ইসলাম শামীম দাবি করেন, দুই স্থান থেকে পাঁচজনকে আটক করা হয়। এর মধ্যে রূপাতলী ডোস্ট পাম্পের সামনে থেকে তিনজনকে এবং ৯নং ওয়ার্ডের পোর্ট রোডস্থ আনিচুজ্জামান খান কামালের মালিকানাধীন ভবন জনতা ব্যাংক কার্যালয়ের সামনে থেকে দুইজনকে আটক করা হয়।

    তবে আভিযানিক দলে থাকা এসআই দেলোয়ার হোসেন জানিয়েছেন, তিন স্থান থেকে পাঁচজনকে আটক করা হয়। এর মধ্যে লঞ্চঘাট এলাকা থেকে দুইজন, রূপাতলী বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে একজন এবং শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মাঝখানের গেট সংলগ্ন বান্দরোডের ওপর থেকে দুইজন।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ইয়াবা ব্যবসার অভিযোগে যাদের আটক করা হয়েছে তাদের মধ্যে দুইজন ‘প্রেস’ লেখা মোটরসাইকেলে এসেছেন। তারা হলেন, বরগুনার বেতাগী উপজেলার বিবিচিনি ইউনিয়নের শাহাবুদ্দিন মৃধা সাজু ও মির্জাগঞ্জ উপজেলার ৬নং ওয়ার্ডের সুমন হাওলাদার।

    পুলিশ জানিয়েছে, চেকপোস্টে মোটরসাইকেল চেক করতে থামানো হলে তারা নিজেদের ‘সাংবাদিক’ পরিচয় দিয়ে চলে আসতেন। তাছাড়া গাড়ির সামনে ‘প্রেস’ লেখা থাকায় অনেক চেকপোস্টই নমনীয় নজরে দেখতো। সেই নমনীয়তাকে পুঁজি করে বড় বড় মাদকের চালান পটুয়াখালী ও বরগুনায় নিয়ে যেতেন তারা।

    আটককৃত অন্য তিনজন হলেন, মির্জাগঞ্জ উপজেলার মনির হোসেন মৃধা, রিয়াজুল ইসলাম রাজিব ও জাহাঙ্গীর মৃধা। পুলিশের নির্ভরযোগ্য সূত্র বলছে, একজনের কাছে ইয়াবা পাওয়া যায়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নগরী থেকে অভিযান চালিয়ে বাকিদের আটক করা হয়।

    পুলিশের দাবি, মাদক কারবারিরা চেকপোস্ট অতিক্রমে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পেশার ছদ্মবেশ ধারণ করে থাকেন। সেই ছদ্মবেশ থেকে ‘সাংবাদিক’ পেশাটিও বাদ যাচ্ছে না।