Category: প্রশাসন

  • অসুস্থ বৃদ্ধা রাস্তায় দুই ঘন্টা, সাহায্যে পুলিশ

    অসুস্থ বৃদ্ধা রাস্তায় দুই ঘন্টা, সাহায্যে পুলিশ

    বরিশাল নগরীতে সেকান্দার আলী নামে অসুস্থ এক বৃদ্ধ সর্দি-কাশিতে অসুস্থ হয়ে দুই ঘন্টা পরে থাকলেও কেউ এগিয়ে না এলেও এগিয়ে এসেছে পুলিশ। বৃদ্ধার বয়স ৮০ বছর।

    বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নগরীর কলেজ অ্যাভিনিউ লিচুশাহ্ সড়কে এ ঘঠনা ঘটে। ওই বৃদ্ধ একবার বমিও করেছিলেন।

    পরে স্থানীয় এক যুবক ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে বিষয়টি জানান। খবর পেয়ে দুপুর আড়াইটার দিকে পুলিশ সেকান্দার আলীকে উদ্ধার করে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে।

    বৃদ্ধ সেকান্দার আলী ভোলার ভেদুরিয়ার ব্যাংকের হাট এলাকার মৃত মজিদ আলীর ছেলে।

    ঘটনাস্থল থেকে বৃদ্ধকে উদ্ধারকারী নগরীর কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. রিয়াজ বলেন, দুপুর আড়াইটার দিকে ৯৯৯ নম্বর থেকে ফোন পেয়ে কলেজ অ্যাভিনিউ লিচুশাহ্ সড়কের পাশ থেকে ৮০ বছর বয়সী ওই বৃদ্ধকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যাই। পরে তাকে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করি।

    এসআই রিয়াজ বলেন, শারীরিকভাবে তিনি খুবই অসুস্থ। কোনো কিছু জানতে চাইলে শুধু বলছেন তার বাড়ি ভোলার ভেদুরিয়ার ব্যাংকের হাট এলাকায়। পরিবার ও স্বজনদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি কাঁদছেন। একবার বলছেন তার এক ছেলে আছে। ছেলের কথা জানতে চাইলে তিনি ফের কাঁদতে শুরু করেন। যে কারণেই হোক তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত, শারীরিকভাবেও অসুস্থ। তাই তার কাছে আর কিছু জানতে চাওয়া হয়নি। তার কাছে নগদ ২ হাজার ৫০০ টাকা পাওয়া গেছে। ওই টাকা থানায় রাখা হয়েছে। সুস্থ হলে তাকে টাকা ফিরিয়ে দেয়া হবে।

    তিনি আরও বলেন, সেকান্দার আলীকে উদ্ধারের সময় স্থানীয়দের কাছ থেকে জানতে পারি দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে তিনি নগরীর কলেজ অ্যাভিনিউ লিচুশাহ্ সড়কের একটি দোকানের পাশে পড়েছিলেন। বার বার কাশি দিচ্ছিলেন। একবার বমিও করেছেন। বুকে ব্যথার কথা বলছিলেন বার বার। তাকে উদ্ধারের পর ওসি স্যারের উদ্যোগে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার শরীর অনেক দুর্বল। বয়সের কারণে নানা রোগে আক্রান্ত। তাকে স্যালাইনসহ প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

    কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নুরুল ইসলাম জানান, বৃদ্ধ সেকান্দার আলী শারীরিকভাবে খুবই অসুস্থ। আগে তার সুস্থ হয়ে ওঠা দরকার। তাই তাকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সুস্থ হয়ে উঠলে তার সম্পর্কে জানা যাবে।

  • বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে বিএমপির পুষ্পমাল্য অর্পণ

    বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে বিএমপির পুষ্পমাল্য অর্পণ

    জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫ তম শাহাদাৎবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু উদ্যানে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে ১৫ই আগস্ট পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার শাহাবুদ্দিন খান বিপিএম-বার ।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন বিএমপি’র শীর্ষ কর্মকর্তাবৃন্দ।

  • সিনহা হত্যায় পুলিশের করা মামলার তিন সাক্ষী গ্রেপ্তার

    সিনহা হত্যায় পুলিশের করা মামলার তিন সাক্ষী গ্রেপ্তার

    মেজর (অব.) সিনহা হত্যা মামলায় কক্সবাজারের বাহারছড়া এলাকার তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। তাঁরা সবাই সিনহা হত্যার পর পুলিশের করা মামলার সাক্ষী।

    র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখা এ খবর জানিয়েছে।

    র‌্যাব জানিয়েছে, আদালতের কাছে তারা এই তিনজনে ১০ দিনের রিমান্ড চেয়েছে।

    গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মো. নুরুল আমিন, মো. আয়াছ ও মো. নিজাম উদ্দিন।

    মো. নুরুল আমিন টেকনাফের মারিশবুনিয়ায় কমিউনিটি পুলিশিংয়ের সদস্য। গত ৩১ জুলাই সিনহা হত্যাকাণ্ডের পর পুলিশ বাদী হয়ে টেকনাফ থানায় মামলা করে।

    ওই মামলায় টেকনাফ থানার উপপরিদর্শক নন্দদুলাল রক্ষিত বলেন, কমিউনিটি পুলিশিংয়ের সদস্য নুরুল আমিন সে রাতে মুঠোফোনে ফাঁড়ির ইনচার্জকে জানান, কয়েকজন ডাকাত পাহাড়ে ছোট ছোট টর্চলাইট জ্বেলে এদিক–সেদিক হাঁটাহাঁটি করছে। এরপর নিজামউদ্দিন মাইকে ডাকাত এসেছে বলে ঘোষণা দেন ও গ্রামবাসীকে একত্র হতে বলেন। তাঁরা নেমে এসে মেরিন ড্রাইভ দিয়ে কক্সবাজার যাওয়ার সময় নুরুল আমিন ফোনে বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ লিয়াকত আলীকে খবর দেন।

    স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গ্রেপ্তার তিনজন ঘটনার পর থেকে নিখোঁজ ছিলেন।

    মেজর (অব.) সিনহার বোন শাহরিয়া শারমিন ফেরদৌসের করা হত্যা মামলায় এই নিয়ে ১০ জন গ্রেপ্তার হলেন।

    র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক আশিক বিল্লাহ জানান, এই হত্যাকাণ্ডে কার কী দায়, রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের পর সে সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

  • এএসআইয়ের গালে চড় মারা সেই ওসি প্রত্যাহার

    এএসআইয়ের গালে চড় মারা সেই ওসি প্রত্যাহার

    বরগুনার বামনা থানার এএসআই নজরুল ইসলামকে চড় মেরে আলোচনায় আসা একই থানার ওসি মো. ইলিয়াস আলী তালুকদারকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

    এএসআইকে চড় মারার ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির সুপারিশে মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দুপুরের দিকে তাকে প্রত্যাহার করে বরগুনা পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করার আদেশ দেওয়া হয়।

    বরগুনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও এ তদন্ত কমিটির প্রধান মো. মফিজুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    এর আগে রোববার (৯ আগস্ট) রাত ১১টার দিকে সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) নজরুল ইসলামকে প্রত্যাহার করে বরগুনা পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়।

    উল্লেখ্য, ৩১ জুলাই কক্সবাজারে পুলিশের গুলিতে নিহত হন মেজর (অব.) সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান। তাকে হত্যার পর তার গাড়িতে থাকা তথ্যচিত্র নির্মাণের সহযোগী সাহেদুল ইসলাম সিফাত এবং পরে শিপ্রা রানী দেবনাথকে আটক করে পুলিশ। সিফাত ও শিপ্রা স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী। তাদের বিরুদ্ধে পরে মামলাও দেওয়া হয়েছে।

    সিফাতের মুক্তি দাবিতে তার নিজ জেলা বরগুনার বামনা উপজেলায় শনিবার (৮ আগস্ট) দুপুর ১২টায় বরগুনার বামনা উপজেলার কলেজ রোড এলাকায় সিফাতের সহপাঠীরা মানববন্ধন শুরু করলে পুলিশ বাধা দেয়। একপর্যায়ে ওই মানববন্ধনে মাইক কেড়ে নিয়ে লাঠিচার্জ শুরু করে বামনা থানা পুলিশ। এ সময় মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীদের ওপর লাঠিচার্জ করতে দেরি হওয়ায় এএসআই নজরুলকে প্রকাশ্যে চড় মারেন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইলিয়াস আলী তালুকদার। এতে চারিদিকে উঠেছে সমালোচনার ঝড়। লাঠিচার্জে প্রায় ১০ জন শিক্ষার্থী আহত হন। পরে এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি করা হয়।

    অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মফিজুল ইসলাম বলেন, এএসআইকে চড় মারার ঘটনার সত্যতা পেয়েছে তদন্ত কমিটি। তাই আমাদের তদন্ত প্রতিবেদনে বামনা থানার ওসি মো. ইলিয়াছ আলী তালুকদারকে প্রত্যাহারসহ বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে বরিশালের ডিআইজি অফিসের এক চিঠির মাধ্যমে বামনা থানার ওসি মো. ইলিয়াছ আলী তালুকদারকে থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে পাঠানো হয়।

  • থাপ্পড় খেয়ে এবার থানাও ছাড়তে হলো এএসআইকে

    থাপ্পড় খেয়ে এবার থানাও ছাড়তে হলো এএসআইকে

    বরগুনার বামনা থানার এক সহকারী উপ-পরিদর্শককে (এএসআই) শত শত মানুষের থাপ্পর মেরেছিলেন ওই থানারই ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)। এরপর ওই এএসআইকেই বামনা থানা থেকে সরিয়ে বরগুনা পুলিশলাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে। তবে ওসির বিরুদ্ধে এখনও কোনো ব্যবস্থা নেওয়ার সংবাদ পাওয়া যায়নি।

    ওসির থাপ্পর মারার ঘটনায় জেলা পুলিশের গঠন করা তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি ইতোমধ্যেই কাজ শুরু করেছে।

    রোববার (৯ আগস্ট) রাত ১১টার দিকে ভুক্তভোগী ওই এএসআইকে পুলিশলাইন্সে সংযুক্ত হওয়ার নির্দেশ দেন পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এর পর পরই দাপ্তরিক কাজকর্ম ও নিজের ব্যাগ-বাক্স গোছানোর প্রস্তুতি শুরু করেন তিনি।

    সোমবার (১০ আগস্ট) ওই এএসআই বলেন, ‘আমি পুলিশলাইন্সে সংযুক্ত হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছি। তবে কেন বা কি কারণে আমাকে সংযুক্ত করা হয়েছে, তা আমি এখনও অবগত নই।’

    বরগুনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মফিজুল ইসলাম জানান, ওই এএসআইকে অন্য স্থানে পদায়নে থানা থেকে সরিয়ে পুলিশলাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে।

    বরগুনা পুলিশলাইন্সের রেসিডেন্সিয়াল ইনচার্জ (আরআই) মো. মোজাম্মেল হক বলেন, ‘বামনার অনাকাঙ্ক্ষিত সেই ঘটনায় ওই এএসআইকে এখানে সংযুক্ত হতে বলা হয়েছে। তবে তিনি এখনও সংযুক্ত হননি। কেন বা কি কারণে তাকে পুলিশলাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে, তা আমি জানি না।’

    পুলিশের গুলিতে নিহত মেজর (অব.) সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খানের ভিডিওচিত্র নির্মাণ সহকারী বামনার বাসিন্দা সাহেদুল ইসলাম সিফাতের মুক্তির দাবিতে গত শনিবার (৮ আগস্ট) দুপুর ১২টায় মানববন্ধন করেন এলাকাবাসী। সেই মানববন্ধনে লাঠিচার্জ করেন বামনা থানার ওসি মো. ইলিয়াস আলী তালুকদার। এ সময় তিনি থানার ওই এএসআইকে থাপ্পর মারেন

  • ওসি প্রদীপের রোষানলে ২৩ মাস ধরে কারাগারে স্থানীয় সাংবাদিক

    ওসি প্রদীপের রোষানলে ২৩ মাস ধরে কারাগারে স্থানীয় সাংবাদিক

    কক্সবাজারের টেকনাফ থানার সদ্য প্রত্যাহার হওয়া ওসি প্রদীপ কুমার দাসের রোষানলে পড়ে ২৩ মাস কারাগারে পড়ে আছেন স্থানীয় সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফা খান। ক্রসফায়ারের ভয় এবং নিরাপত্তার কারণে তাকে জামিনে বের করতেও চাইছেন না পরিবার।

    তাদের অভিযোগ, দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশের জেরে ‘কক্সবাজার বাণী’ পত্রিকার সম্পাদক ফরিদুলকে মাদক মামলায় ফাঁসিয়েছেন ওসি প্রদীপ। এমনকি কোনো পরোয়ানা ছাড়াই ঢাকার পল্লবী থেকে তাকে ধরে নিয়ে তিন দিন আটকে রাখা হয়। চলে অমানুষিক নির্যাতন। পরে মিথ্যা মামলা দিয়ে আদালতে পাঠানো হয় স্থানীয় এ সাংবাদিককে।

    ফরিদুল মোস্তফার স্ত্রী হাসিনা আক্তারের অভিযোগ, তার স্বামী বিভিন্ন সময় টেকনাফ থানার ওসিসহ পুলিশ সদস্যদের নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশ করেছেন। এ কারণে তাকে গত বছরের ২১ সেপ্টেম্বর রাজধানীর মিরপুর এলাকার বাসা থেকে ধরে নিয়ে শারীরিক নির্যাতন করে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়। তার চোখে মরিচের গুঁড়া দিয়ে নির্যাতন করায় দুটি চোখই নষ্ট হওয়ার উপক্রম।

    থানায় আটকে রেখে হাত-পাও ভেঙে দিয়েছে পুলিশ। চিকিৎসক জানিয়েছেন, ফরিদুলের এক চোখ নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তিনি আরও দাবি করেন, তাদের পরিবারের কেউই কোনো মামলার আসামি নয়। কখনো তারা কোনো অনিয়মেও জড়াননি। এর পরও পুলিশ ঠাণ্ডা মাথায় তার স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে সমাজে পুরো পরিবারটিকেই হেয় করেছে।

    এদিকে সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর (অব) সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যা মামলায় ওসি প্রদীপ কুমার দাস কারাগারে থাকায় এ বিষয়ে তার কোনো বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

  • ওয়েট মেশিন থেকে বিস্ফোরণ, ঘটনার তদন্ত হবে : পুলিশ

    ওয়েট মেশিন থেকে বিস্ফোরণ, ঘটনার তদন্ত হবে : পুলিশ

    পুলিশের অভিযানে তিনজন সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করে পল্লবী থানায় নিয়ে আসার পর তাদের সঙ্গে থাকা একটি ওয়েট মেশিনের মতো ডিভাইস থেকে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরণে পুলিশের চার সদস্যসহ মোট ৫ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত হবে।

    বুধবার (২৯ জুলাই) রাজধানীর মিরপুরে পল্লবী থানা ভবন পরিদর্শন করে ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার কৃষ্ণপদ রায় এ তথ্য জানান।

    কৃষ্ণপদ রায় বলেন, রাজধানীর পল্লবী থানায় বিস্ফোরণের ঘটনায় কোনো জঙ্গি সংশ্লিষ্টতা নেই।

    ঘটনা সম্পর্কে তিনি বলেন, পল্লবী থানা পুলিশ ও মিরপুরের ডিবির নেতৃত্বে একটা টিম কাজ করছিল কয়েকদিন ধরে। এ অঞ্চলে মাঝে মাঝে ক্রাইম হয় নানা ধরনের। একটি গ্রুপ ক্রাইম করতে পারে বা ক্রাইম হতে পারে, এমন তথ্যের ভিত্তিতে গত রাত ২টার দিকে কালশী কবরস্থানের দিকে পুলিশের একটি টিম যায়। সেখানে একটি সংঘবদ্ধ গ্রুপ সমবেত হয়ে ক্রাইম করার পরিকল্পনা করছে- এমন খবরে পল্লবী থানা পুলিশ সেখানে অপারেশনে গিয়ে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে।

    যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তারা হলেন- রফিকুল ইসলাম, শহীদুল ও মোশারফ।

    তিনি বলেন, সেখানে আরও কয়েকজন ছিল যারা পালিয়ে যায়। সেখান থেকে দুটি আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করা হয়। একটি ডিভাইস উদ্ধার করা হয় যেটি ওয়েট মেশিনের মতো।

    তিনি আরও বলেন, ওজন মেশিনের মতো কোনো জিনিস কেন তাদের কাছে থাকবে… সেটা কী প্রশ্ন ওঠায় রাতেই বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটকে খবর দেওয়া হয়। কিছুক্ষণের মধ্যে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট থানায় চলে আসে। তারা ওই ডিভাইসটিকে স্টাডি করে। সেটা দেখার পর তারা আরও বিশদভাবে ডিভাইসগুলো খতিয়ে দেখতে আরও কিছু পর্যবেক্ষণ মেশিনসহ আসার জন্য ইউনিটের অন্য সহকর্মীদের খবর দেয়।

    তারা যখন আরও পর্যবেক্ষণ মেশিন নিয়ে আসছিল তখন থানার ভেতর একটি বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণ ঘটার পরে আমাদের চার পুলিশ সদস্যসহ পাঁচ সদস্য আহত হন। তারা সবাই চিকিৎসাধীন আছেন।

    পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, এক্সপার্ট টিম এসে পৌঁছানোর পর তারা পুরো এলাকা সিকিউরড করে। প্রাথমিক স্তরে থেকে তারা তারা ধারণা দেয় যে আরও কিছু বিস্ফোরক অবিস্ফোরিত থাকতে পারে। এরপর আরও দুটি অবিস্ফোরিত এক্সপ্লোসিভ নিষ্ক্রিয় করে থানা ভবন নিরাপদ করা হয়। আমরা এ ব্যাপারে কাজ করছি। আমরা তদন্ত করছি আমাদের গোয়েন্দা সংস্থা কাজ করছে।

  • বরিশাল নগরীতে ডিবির ফাঁদে ৩ মাদক বিক্রেতা

    বরিশাল নগরীতে ডিবির ফাঁদে ৩ মাদক বিক্রেতা

    বরিশাল নগরীর বিমানবন্দর থানাধীন কাশিপুর এলাকা থেকে ৩২০ পিস ইয়াবাসহ তিন মাদকবিক্রেতাকে গ্রেফতার করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

    গ্রেফতারকৃতরা হলো- বরিশাল নগরীর ২৯নং ওয়ার্ড কাশিপুরের ইছাকাঠি এলাকার মানিক মিয়া নামক এক ব্যক্তির ভাড়াটিয়া আগৈলঝাড়া উপজেলার বাসিন্দা কয়েশ সরদার (৩৪) এবং তার সহযোগী কামাল সরদার (৩৫) ও রনি পাইক (৩২)।

    রবিবার (২৬ জুলাই) দুপুর সোয়া ২টার দিকে বরিশাল মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কার্যালয় থেকে পাঠানো এক ইমেল বার্তার মাধ্যমে বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করা হয়।

    ওই বার্তায় জানানো হয়েছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার (২৫ জুলাই) গভীর রাতে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) উপ-পুলিশ কমিশনার মো. রেজাউল করিমের নেতৃত্বে পুলিশ পরিদর্শক কমলেশ চন্দ্র হালদারসহ একটি টিম নগরীর ২৯নং ওয়ার্ড কাশিপুরের ইছাকাঠি এলাকায় অভিযান চালায়।

    এ সময় স্থানীয় মানিক মিয়া নামক এক ব্যক্তির ভাড়াটিয়া বাসার একটি কক্ষ থেকে ওই তিন মাদক বিক্রেতাকে আটক করা হয় এবং তাদের কাছ থেকে ৩২০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করে ডিবি পুলিশ। এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে বিমানবন্দর থানায় একটি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ডিবি পুলিশ বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছে।

  • গরু-ছাগলের ভিআইপি চোর চক্র আটক, প্রাইভেটকার ও পিকআপ জব্দ

    গরু-ছাগলের ভিআইপি চোর চক্র আটক, প্রাইভেটকার ও পিকআপ জব্দ

    বেশভূষায় ছিমছাম। ভালো পোশাক পড়ে প্রাইভেটকারে করে ঘুরে বেড়াতেন বিভিন্ন এলাকায়। বাইরে থেকে দেখে মনে হতো ভদ্রলোক। কিন্তু তারা চোর। প্রাইভেটকারে করে করতেন ছাগল চুরি; আর পিকআপ ভ্যানে করে করতেন গরু চুরি। মূলত ঈদ-উল-আযহা এলে সক্রিয় হয়ে উঠতো দক্ষিণাঞ্চলের এই সিন্ডিকেটটি।

    সম্প্রতি দায়ের হওয়া পৃথক দুটি মামলার তদন্ত করতে গিয়ে এমন তথ্য পায় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের এয়ারপোর্ট থানা। সেই সূত্র ধরে চুরি যাওয়া পাঁচটি গরু উদ্ধার করে পুলিশ। এসময়ে চোর সিন্ডিকেটের তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়। জব্দ করা হয় চুরিকাজে ব্যবহৃত প্রাইভেটকার ও পিকআপ ভ্যান।

    বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করে এসব তথ্য জানায় বরিশাল মেট্রোপলিটন পলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার (উত্তর) খাইরুল আলম।

    তিনি জানান, ১৯ জুন রাতে এয়ারপোর্ট থানার উত্তর কড়াপুরের বাসিন্দা জাকির হোসেন শাকিলের গোয়ালঘর থেকে ৪ টি গরু চুরি হয়। ২৬ জুন মাধবপাশা ইউনিয়নের চন্দ্রপাড়ার বাসিন্দা দিলিপ কুমার মন্ডলের গোয়ালঘর থেকে ৫ টি গরু চুরি হয়।এ ঘটনায় থানায় হয়।মামলা তদন্তে নেমে পুরো সিন্ডিকেটের তথ্য পায় পুলিশ। বুধবার (২২ জুলাই) রাতে অভিযান চালিয়ে তারা তিন চোরকে গ্রেফতার করেন।এ সময় তাদের কাছ থেকে চুরি হওয়া ৫ টি গরু উদ্ধার করা হয়।

    আটককৃতরা হলেন, সুমন প্যাদা (৩৭), শাহ আলম (৩৫) এবং ইমরান হাওলাদার (২২)। এর মধ্য সুমন প্যাদা ও শাহ আলমকে বরিশাল শহর থেকে এবং ইমরান হাওলাদারকে ঝালকাঠী জেলার রাজাপুর উপজেলার কৈখালী গ্রাম থেকে গ্রেফতার করা হয়। আটককৃতদের স্বীকারোক্তি মোতাবেক চোরাই কাজে ব্যবহৃত প্রাইভেট কার ও একটি পিকআপ ভ্যান জব্দ করা হয়।

    খাইরুল আলম জানান, বরিশালের বিভিন্ন এলাকা থেকে গরু চুরি করে পিকআপে উঠিয়ে পটুয়াখালী, বরগুনা, ঝালকাঠী ও পিরোজপুর নিয়ে বিক্রি করত।আর প্রাইভেটকারটি ছাগল চুরি ও চুরির স্থান নির্ধারনের জন্য ব্যবহার করত।চুরির সাথে জড়িত পুরো সিন্ডিকেট গ্রেফতারের তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানান এই কর্মকর্তা।

    সংবাদ সম্নেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (উত্তর) জাকারিয়া রহমান জিকু, এয়ারপোর্ট থানার সহকারী কমিশনার নাসরিন জাহান, অফিসার ইনচার্জ এসএম জাহিদ বিন আলম।

  • বরিশালে যানজট নিরসনে ট্রাফিক পুলিশের বিশেষ উদ্যোগ

    বরিশালে যানজট নিরসনে ট্রাফিক পুলিশের বিশেষ উদ্যোগ

    বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার শাহাবুদ্দিন খানের নির্দেশে ডিসি ট্রাফিক জাকির হোসেন মজুমদারের নেতৃত্বে নগরীতে যানজট নিরসনে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহন করেছে ট্রাফিক পুলিশ।

    বুধবার বেলা ১১টায় বরিশাল নগরীর প্রবেশদ্বার রুপাতলী বাস টার্মিনাল ও নথুল­াবাদ কেন্দ্রীয় বাসটার্মিনাল এলাকায় কোন দিয়ে গাড়ী পার্কিংয়ের বিশেষ ব্যাবস্থা নির্ধারণ ও দুরপাল্লার যানবাহন চলাচল নিশ্চিত করতে লেপলেন গুলো যানজট মুক্ত রাখার ব্যাবস্থা গ্রহন করা হয়েছে।

    এ সময় ডিসি ট্রাফিক জাকির হোসেন মজুমদার বলেন, বরিশাল নগরীর প্রবেশদ্বার ২ টি বাসটার্মিনালের গোল চত্বরকে যানজট মুক্ত রাখতে বিশেষ ব্যাবস্থা গ্রহন করা হয়েছে। নির্বিঘ্নে দুরপাল্ল­ার যানবাহন চলাচল নিশ্চিত করতে লেপলেনগুলো পরিস্কার রাখার ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে। এছাড়াও কোন দিয়ে সাধারন গাড়ী পার্কিংয়ের এলাকা চিহ্নিত করে দেয়া হয়েছে।

    এ সময় তিনি আরও বলেন, এ বিশেষ ব্যাবস্থার কারনে একদিকে বাসটার্মিনাল এলাকায় যানজট ও সড়ক দুর্ঘটনা কমে যাবে। নগরবাসীরা নিরাপদে যাতায়াত করতে পারবেন।

    • এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ট্রাফিক পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার (দক্ষিন) মাসুদ রানা, টিআই আঃ রহিম, সার্জেন্ট সরোয়ারসহ অন্যান্য পুলিশ সদস্যরা।