Category: প্রশাসন

  • বরিশালে অস্ত্রসহ ডাকাত দলের তিন সদস্য আটক

    বরিশালে অস্ত্রসহ ডাকাত দলের তিন সদস্য আটক

    বরিশাল নগরীর বিভিন্নস্থানে রাতে অভিযান চালিয়ে দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্রসহ জেলার বিভিন্ন থানার (২৪) মামলার আসামী ও আন্ত জেলা ডাকাত দলের তিন সদস্যকে আটক করেছে কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশ।

    আটক কৃর্ত আন্ত জেলা ডাকাত সদস্যরা হচ্ছেন বরিশাল জেলার বাখেরগঞ্জের কনৃকাঠী ইউনিয়নের বারেক হাওলাদেরের ছেলে,ও ৩ ডাকাতী মামলার আসামী ফিরোজ হাওলাদার(৩২), জেলার মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার ভাষানচর ইউনিয়নের সাজাহান মাতুব্বরের ছেলে ডাকাতী সহ (১৪) মামলার আসামী মোঃ লিটন মাতুব্বর ও বরিশাল মেট্রোপলিটন এয়ারপোর্ট থানাধীন হরিপাশা এলাকার সাজাহান মোল­ার ছেলে ডাকাতী সহ বিভিন্ন (৭),মামলার আসামী লিটন মোল্লাকে দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্রসহ গ্রেফতার করে।

    আজ বুধবার (২২ই) জুলাই তথ্য দিয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করেন কোতয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নুর“ল ইসলাম পিপিএম।

    ওসি নুর“ল ইসলাম বলেন, মঙ্গলবার বিশেষ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার মোঃ রাসেল আহম্মেদের নেতৃত্বে ওসি নুরুল ইসলাম, ওসি (অপরেশন) মোজাম্মেল হক,এস আই মামুন,এস আই রুমান সহ একদল পুলিশের বিশেষ বাহিনী নিয়ে অভিযান চালিয়ে নগরীর বিএমকলেজ রোডস্থ সোবহান মিয়ার পুল এলাকা সহ আরো কয়েকটি এলাকা থেকে আন্ত জেলা ডাকাত দলের (২৪) মামলার তিন সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়।

    এসময় এদের কাছ থেকে দেশীয় অস্ত্র রাম দা, বগি দা সহ চাইনিজ কুড়াল ও বিভিন্ন ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। ধারনা করা হচ্ছে এরা নতুন করে নগরীতে ডাকাতী কার্যক্রম চালানোর প্রস্তুতি নিছ্ছিল।

    কোতয়ালী মডেল থানার এস আই রুমান বাদী হয়ে আটককৃর্তদের বিরুদ্ধে বাদী হয়ে একটি ডাকাতী মামলা দায়ের করেন।

  • সাবরিনা একের পর এক ভয়াবহ তথ্য দিচ্ছেন

    সাবরিনা একের পর এক ভয়াবহ তথ্য দিচ্ছেন

    করোনা ভাইরাসের চিকিৎসা নিয়ে চলছে প্রতারনার মহাউৎসব করোনা পরীক্ষা না করেই টাকার বিনিময় দিয়েছেন করোনা নেভেটিভ সনদ। এই প্রতারনার শিকার হয়েছে গ্রাম কিংবা শহরের হাজারো মানুষ কিন্তু টাকা দিলেও সঠিক কোন রিপোর্ট দিতেন না জোবেদা খাতুন হেলথ কেয়ারের (জেকেজি) চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা ও তার স্বামী আরিফ চৌধুরীকে দ্বিতীয় দফা রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে ডিবি। একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য দিচ্ছেন তারা। আলোচিত শাহেদ করিমের সঙ্গেও সখ্য ছিল সাবরিনার। তারা একে অপরের পূর্ব পরিচিত। একসঙ্গে ডিজে পার্টিতেও যেতেন তারা ও তাদের মূল লক্ষ্যই ছিলো সাধারন মানুষের সাথে প্রতারনা করে টাকা হাতিয়ে নেওয়া।

    এছাড়া জেকেজির উত্থানের নেপথ্যে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদফতরের বড় একটি চক্র কাজ করেছে বলে জানা গেছে। ওই চক্রের মাধ্যমেই জেকেজি হেলথ কেয়ারের চেয়ারম্যন ডা. সাবরিনা স্বাস্থ্য অধিদফতরের কাছ থেকে করোনা পরীক্ষার অনুমতি বাগিয়ে নেন।

    রিমান্ডে জেকেজিতে করোনা জালিয়াতির তিন মূলহোতাকে জিজ্ঞাসাবাদে চক্রের বেশ কিছু তথ্য গোয়েন্দাদের কাছে এসেছে। তবে তদন্তের স্বার্থে এসব তথ্য তারা এ মুহূর্তে প্রকাশ করছেন না। তারা তথ্যের সত্যতা যাচাই-বাছাই করছেন।

    রোববার (১৮ জুলাই) একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে গোয়েন্দা সূত্রের বরাতে এ সব তথ্য জানা গেছে।

    জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানান, অন্যের সিমকার্ড ব্যবহার করে ডা. সাবরিনা প্রতারণা করেছেন।ডা. সাবরিনা ও আরিফের মোবাইল ফোনের কললিস্টের সূত্র ধরে গোয়েন্দারা প্রায় দুই ডজন সন্দেহভাজনকে শনাক্ত করেছেন। তাদের নজরদারিতে রাখা হয়েছে। তাদের ব্যাকগ্রাউন্ডসহ নানা তথ্যউপাত্ত যাচাই করা হচ্ছে। তাদের গতিবিধিও পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। তাদের মধ্যে ওভাল গ্রুপ ও জেকেজির সাত পরিচালকসহ স্বাস্থ্য অধিদফতর, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, আরিফ ও সাবরিনার বন্ধু ও বান্ধবীও রয়েছেন। তবে তদন্তের স্বার্থে এখনই তাদের নাম প্রকাশ করছেন না গোয়েন্দারা।

    সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানায়, শুক্রবার মধ্যরাতে রিজেন্ট হাসপাতালের মালিক মো. শাহেদ এবং জেকেজির ডা. সাবরিনাকে মুখোমুখি করা হয়েছিল। তাদের দুজনের মুখেই স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রভাবশালী এক কর্মকর্তার নাম উঠে আসায় দুজনকে সামনাসামনি করে ওই কর্মকর্তা সম্পর্কে জানার চেষ্টা করেন গোয়েন্দারা। এ সময় সাবরিনা জানান, আরিফের সঙ্গে বিরোধ তৈরি হলে স্বাস্থ্য অধিদফতরে গিয়ে তিনি ওই কর্মকর্তাকে অনিয়ম সম্পর্কে জানিয়েছেন। তাকে বলেছিলেন, এখন থেকে আমি (সাবরিনা) আর আরিফের সঙ্গে নেই। উত্তরে তিনি বলেছিলেন, যা হওয়ার তো হয়েই গেছে, এখন আর মাথা গরম করা যাবে না। তবে শাহেদ কি বলেছেন, সে বিষয়ে কিছু বলতে চায়নি সূত্রটি।

  • দেড় কেজি গাঁজাসহ বরিশালে মাদক বিক্রেতা আটক

    দেড় কেজি গাঁজাসহ বরিশালে মাদক বিক্রেতা আটক

    বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলায় দেড় কেজি গাঁজাসহ বিক্রেতা ফারুক আহমেদ সেন্টু সরদারকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (১৮ জুলাই) রাতে গৈলা ইউনিয়নের অশোকসেন গ্রামে এই অভিযানের সময় সেন্টুর এক সহযোগী পালিয়ে যায়।

    এ ঘটনায় রোববার সকালে থানার এসআই সুশান্ত কুমার বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। দুপুরে সেন্টুকে ওই মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরন করে পুলিশ। সেন্টু ওই উপজেলার অশোকসেন গ্রামের হারুন অর রশিদ সরদারের ছেলে।

    আগৈলঝাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আফজাল হোসেন  জানান, গত শনিবার রাতে উপজেলার অশোকসেন গ্রামের করম আলী সরদারের বাড়ির পুকুর পাড়ে মাদক বিক্রির গোপন খবর পেয়ে পুলিশ ওই বাড়িতে অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে একজন পালিয়ে গেলেও সেন্টু সরদারকে একটি ব্যাগসহ আটক করা হয়। পরে ব্যাগ তল্লাশি করে ১ কেজি ৬০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

    মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্বাস উদ্দিন জানান, মাদক মামলায় সেন্টুকে আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক তাকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

  • মাস্ক ছাড়া বের হওয়ায় কানে ধরিয়ে রাস্তায় বসিয়ে রাখল পুলিশ

    মাস্ক ছাড়া বের হওয়ায় কানে ধরিয়ে রাস্তায় বসিয়ে রাখল পুলিশ

    সুনামগঞ্জে দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা। এ অবস্থায় স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে হঠাৎ পুলিশের অ্যাকশন শুরু হয়েছে।

    শনিবার (১৮ জুলাই) সকালে শহরের ট্রাফিক পয়েন্ট এলাকায় স্বাস্থ্যবিধি না মানায় কয়েকজন পথচারীকে কানে ধরিয়ে রাস্তায় বসিয়ে রাখে পুলিশ। স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানায় পুলিশ।

    পুলিশ জানায়, সুনামগঞ্জে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য আবারও মাঠে নেমেছে পুলিশ। মাস্ক পরা ও স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে সুনামগঞ্জ শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে বসানো হয়েছে চেকপোস্ট। মাইকিং করে জনসাধারণকে মাস্ক পরার জন্য উৎসাহ দিয়েছেন পুলিশ সদস্যরা। এরপরও স্বাস্থ্যবিধি না মেনে মাস্ক ছাড়া রাস্তায় বের হওয়ায় কানে ধরিয়ে রাস্তার পাশে বসিয়ে রাখে পুলিশ।

    সুনামগঞ্জের পুলিশ সুপার (এসপি) মিজানুর রহমান বলেন, করোনাভাইরাসের সংক্রমণের মধ্যে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য কঠোর অবস্থানে রয়েছে পুলিশ। স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছি। এরপরও যারা স্বাস্থ্যবিধি অমান্য করছেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে পুলিশ।

  • করোনায় মারা গেলেন সিএমপির ডিসি মিজানুর

    করোনায় মারা গেলেন সিএমপির ডিসি মিজানুর

    করোনা সংক্রমণে মৃত্যুবরণ করেছেন চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা উত্তর বিভাগের উপ কমিশনার মো. মিজানুর রহমান। তিনি রাজধানীর রাজারবাগ কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ সোমবার (১৩ জুলাই) ভোরে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন।

    চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের জনসংযোগ কর্মকর্তা ও অতিরিক্ত উপ কমিশনার মির্জা সায়েম মাহমুদ মিজানুর রহমানের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    মির্জা সায়েম মাহমুদ বলেন, করোনায় আক্রান্ত হয়ে গত ২৮ থেকে রাজারবাগ কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন মিজানুর রহমান। সেখানে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি গতরাত ৩টা ৪১ মিনিটে মৃত্যুবরণ করেন।

    মিজানুর রহমানের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. মাহাবুবর রহমান।

    উল্লেখ্য, মিজানুর রহমান প্রথম পুলিশ সুপার পদের কর্মকর্তা যিনি মাঠপর্যায়ে করোনা প্রতিরোধে কাজ করতে গিয়ে মৃত্যুবরণ করলেন। এই নিয়ে চট্টগ্রামে পুলিশের পাঁচ সদস্য মৃত্যুবরণ করেছেন।

  • তদবির নয়, বদলি হবে নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে : আইজিপি

    তদবির নয়, বদলি হবে নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে : আইজিপি

    পুলিশ অফিসার এবং বাহিনীর জন্য বাস্তবসম্মত বদলি ও পদায়ন নীতিমালা প্রণয়ন এবং বাস্তবায়নের মাধ্যমে বদলির তদবির কালচার বিদায় করা হবে বলে জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ।

    আজ শনিবার বিকেলে রাজারবাগে পুলিশ অডিটোরিয়ামে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) আয়োজিত বিশেষ অপরাধ ও আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা জানান। ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ডিএমপির সব থানার ওসিসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    আইজিপি জানান, ইতোমধ্যে গতানুগতিক ধারা পাল্টে বদলিতে আনা হয়েছে নতুনত্ব। অধিকাংশ পুলিশ অফিসার এবং সদস্য সন্তানদের লেখাপড়ার সুবিধার কথা বিবেচনা করে ঢাকার বাইরে যেতে চান না, এই সংকট নিরসনের লক্ষে ঢাকার বাইরে বিভাগীয় শহরে মানসম্মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপনের উদ্যোগের কথা জানান আইজিপি।

    দেশের বিভাগীয় পর্যায়ে পুলিশের চাকরিকে আর্কষণীয় করতে বিভাগীয় শহরগুলোতে পুলিশ সদস্যদের জন্য মানসম্মত চিকিৎসা সুবিধা নিশ্চিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

    ড. বেনজীর আহমেদ বলেন, করোনাভাইরাসের এ সময়ে গত তিন মাসে পুলিশ বদলে গেছে। পুলিশ জনগণের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছে। জনগণের অকুণ্ঠ সমর্থন ও বিশ্বাস অর্জন করেছে। করোনায় পুলিশ জনগণের পাশে গিয়ে যেভাবে সেবা দিয়েছে, এর বেশিরভাগই পুলিশের কাজ ছিল না। কিন্তু পুলিশ এ কাজটি করেছে একান্তই নিজের দায়িত্ববোধ থেকে।

    তিনি বলেন, স্বাধীনতা যুদ্ধের পর পুলিশ এতো সম্মান, এতো মর্যাদা আর কখনো পায়নি, গত তিনমাসে যা পেয়েছে। এখন জনগণ পুলিশের পক্ষে কথা বলছে, পুলিশের জন্য লিখছে, যারা কথায় কথায় পুলিশের সমালোচনা করতেন, তারাও আজ পুলিশের পক্ষে হৃদয় উজাড় করে বলছেন, পুলিশকে সমর্থন করেছেন। যে সম্মান-মর্যাদা আমরা গত তিন মাসে পেয়েছি তা টাকা দিয়ে কেনা যায় না, মানুষের ভালোবাসা পেতে হলে মানুষের সাথে থাকতে হয়, তাদের কাছে যেতে হয়, মানুষকে ভালোবাসতে হয়।

    তিনি বলেন, জনগণের পুলিশ হতে হলে এ বাহিনীকে সব ধরনের দুর্নীতিমুক্ত হতে হবে। পুলিশে কোনো দুর্নীতিবাজের ঠাঁই নেই। মাদকের সাথে কোনো পুলিশ সদস্যের সম্পর্ক থাকবে না। পুলিশকে হতে হবে মাদকমুক্ত। পুলিশকে যেতে হবে জনগণের দোরগোড়ায়।

    করোনা আক্রান্ত পুলিশ সদস্যদের সর্বোচ্চ চিকিৎসায় গৃহীত পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে আইজিপি বলেন, রাজারবাগ কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালকে মাত্র দুই সপ্তাহে ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতাল থেকে ৫০০ শয্যার কভিড হাসপাতালে পরিণত করা হয়েছে। করোনা পরীক্ষার জন্য মাত্র ১২ দিনে পিসিআর মেশিন স্থাপন করা হয়েছে। ঢাকায় একটি হাসপাতাল ভাড়া করা হয়েছে। ঢাকার বাইরে বিভাগীয় হাসপাতাল আধুনিকায়ন করা হয়েছে।

    তিনি বলেন,শুধু তাই নয়, পুলিশ সদস্যদের সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে আবাসন ব্যবস্থা এবং ডিউটিতে পরিবর্তন আনা হয়েছে। ফলে পুলিশ সদস্যদের আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যা কমেছে এবং মৃত্যু হার হ্রাস পেয়েছে।

    আইজিপি আশা প্রকাশ করে বলেন, আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকলে, ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করলে আরও ভালো কিছু করা সম্ভব। আসুন, আমরা পরিবর্তিত হই, দেশকে পরিবর্তন করি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আগামী প্রজন্মের জন্য একটি উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তুলি।

    আইজিপি বক্তব্যের শুরুতে করোনায় দায়িত্ব পালনকালে জীবন উৎসর্গকারী ৪৬ পুলিশ সদস্যের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি তাদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনাও জানান। আইজিপি এসব পরিবারের অংশ হিসেবে সুখে-দুঃখে তাদের সাথে থাকার দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

  • মানুষের ভালোবাসা সম্মান ও শ্রদ্ধা কেনা যায় না, অর্জন করতে হয়: আইজিপি

    মানুষের ভালোবাসা সম্মান ও শ্রদ্ধা কেনা যায় না, অর্জন করতে হয়: আইজিপি

    মানুষের ভালোবাসা, সম্মান ও শ্রদ্ধা কেনা যায় না, অর্জন করতে হয়। করোনাকালে পুলিশ বাহিনী মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে পুলিশ মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করে তাই অর্জন করতে পেরেছে। বললেন বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক ড. বেনজীর আহমেদ।

    আজ বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) পুলিশ সদর দফতরে পুলিশ সদস্যদের মতামত গ্রহণ বিষয়ক পাঁচ দিনের কর্মশালার শেষ দিনে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    আইজিপি বলেন, করোনাকালীন মাত্র তিন মাসে পুলিশ মানুষের হৃদয়ের মণিকোঠায় স্থান করে নিয়েছে। বিশ্বব্যাপী আমাদের পুলিশ বাহিনীর প্রশংসা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীও প্রশংসা করেছেন। কিন্তু একসময় করোনা চলে যাবে তখন কী আমরা কি আগের অবস্থায় ফিরে যাব? না, আমরা যেখানে গিয়েছি সেখান থেকে আর ফিরে আসব না। সেখান থেকে আরও এগিয়ে যাব।

    তিনি আরও বলেন, দেশে করোনা সংক্রমণের প্রথম দিন থেকেই কোনও ধরনের ব্যক্তিগত সুরক্ষা সামগ্রীর জন্য অপেক্ষা না করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাংলাদেশ পুলিশের সদস্যরা জনগণের পাশে গিয়ে দাঁড়িয়েছে। ফলে অনেক পুলিশ সদস্য নিজের আক্রান্ত হয়েছেন। এখন পর্যন্ত জীবন দিয়েছেন ৪৪ জন সম্মুখযোদ্ধা বীর পুলিশ সদস্য।

    আইজিপি বলেন, করোনা আক্রান্ত পুলিশ সদস্যদের চিকিৎসার জন্য রাজারবাগ কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালকে মাত্র দুই সপ্তাহে ২৫০ থেকে ৫০০ বেডের কোভিড হাসপাতালে রূপান্তর করেছি।

    প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় ঢাকায় আধুনিক চিকিৎসা সুবিধাসম্পন্ন একটি হাসপাতাল ভাড়া করা হয়েছে। এছাড়া করোনা পরীক্ষার জন্য মাত্র ১২ দিনে কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে পিসিআর ল্যাব স্থাপন করতেও সক্ষম হয়েছি।

  • বরিশাল মেট্রোপলিটন বন্দর থানার ওসি আনোয়ার করোনায় আক্রান্ত, ঢাকায় প্রেরণ

    বরিশাল মেট্রোপলিটন বন্দর থানার ওসি আনোয়ার করোনায় আক্রান্ত, ঢাকায় প্রেরণ

    বরিশাল মেট্রোপলিটন বন্দর (সাহেবের হাট) থানার ওসি আনোয়ার হোসেন তালুকদারের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এবং তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় প্রেরণ করা হয়েছে।

    বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের স্টাফ অফিসার (সহকারী পুলিশ কমিশনার) আব্দুল হালিম।
    তিনি জানান, পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে ওসি আনোয়ার তালুকদার করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় প্রেরণ করা হয়েছে।

    এদিকে বরিশাল সিভিল সার্জন ডা. মনোয়ার হোসেন জানিয়েছেন, বন্দর থানার ওসি আনোয়ার হোসেন তালুকদার করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর তার সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে।

    এদিকে বন্দর থানার একজন পুলিশ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, ওসির করোনা শনাক্ত হওয়ার পর তার সঙ্গে যেসব পুলিশ কর্মকর্তা ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতেন হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে।

  • বরিশাল বিএমপির শীর্ষ পদে রদবদল

    বরিশাল বিএমপির শীর্ষ পদে রদবদল

    বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) কয়েকটি জোনের উচ্চ পর্যায়ে কিছু রদবদল করা হয়েছে।

    মঙ্গলবার (৩০ জুন) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সহকারী পুলিশ কমিশনার (কাউনিয়া জোন অ্যান্ড স্টাফ অফিসার) মো. আ. হালিম।

    এর আগে সোমবার (২৯ জুন) বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. শাহাবুদ্দিন খানের স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে দু’জন উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) এবং চার জন অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) পদে এ রদবদল করা হয়।

    অফিস আদেশে জানা যায়, উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিবি) মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর মল্লিককে উপ-পুলিশ কমিশনার (সিএসবি) পদে বদলি করা হয়েছে এবং উপ-পুলিশ কমিশনার (সাপ্লাই অ্যান্ড লজিস্টিকস) ভারপ্রাপ্ত খাঁন মুহাম্মদ আবু নাসেরকে উপ-পুলিশ কমিশনার (সাপ্লাই অ্যান্ড লজিস্টিকস) পদে পদায়ন করা হয়েছে। এছাড়া উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিবি) পদে মো. মনজুর রহমানকে পদায়ন করা হয়েছে।

    এদিকে অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি-উত্তর) মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদকে এডিসি (দক্ষিণ), অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) রুনা লায়লাকে (পিএমটি) এডিসি হেডকোয়াটার (অতিরিক্ত দায়িত্ব), অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার জাকারিয়া রহমানকে এডিসি (অ্যাডমিন) থেকে এডিসি (উত্তর), অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আকরামুল হাসানকে এডিসি (দক্ষিণ) থেকে এডিসি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) পদে বদলি করা হয়েছে। অবিলম্বে এ আদেশ কার্যকর হবে বলে জানা গেছে।

  • পুরনো কোন বদনাম যেন আর ঘাড়ে না আসে : বিএমপি কমিশনার শাহাবুদ্দিন খান

    পুরনো কোন বদনাম যেন আর ঘাড়ে না আসে : বিএমপি কমিশনার শাহাবুদ্দিন খান

    প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসকে জয় করা ৩৪ সদস্যকে বরণ করে নিয়েছে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ (বিএমপি)। বুধবার দুপুরে নগরীর পুলিশ লাইন্স গ্রীড সেডে ফুল এবং উপসহার সামগ্রী দিয়ে তাদের গ্রহন করে নেন বিএমপি কমিশনার মো. শাহাবুদ্দিন খান- বিপিএম (বার) সহ অন্যান্য উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। সেই সাথে ওই ৩৪ পুলিশ সদস্যকে পুনরায় দেশের স্বার্থে করোনা যুদ্ধে দায়িত্ব পালনের অনুমতি প্রদান করা হয়েছে।

    সুস্থ হয়ে পুনরায় কাজে যোগদান করা পুলিশ সদস্যদের মধ্যে ২ জন, এসআই (নিরস্ত্র), ৪ জন এসআই (সশস্ত্র). একজন টিএসআই, ৬ জন নায়েক ও ১৬ জন কনস্টেবল। এছাড়াও করোনা জয় করে ফেরা আরও ৪২ জন এখনো আইসোলেশনে রয়েছেন। পর্যায়ক্রমে তাদেরও বরণ করে নেয়া হবে।

    এদিকে করোনাভাইরাস থেকে সম্পূর্ণ সুস্থ হওয়া পুলিশ সদস্যদের বরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি’র বক্তৃতায় বিএমপি কমিশনার মো. শাহাবুদ্দিন খান বলেন, ‘মূল্যবোধ সম্পন্ন মানবিক পুলিশ, জনগণের পুলিশ নিয়ে বঙ্গবন্ধু যে স্বপ্ন দেখেছিলেন এই মহা দুর্যোগে আমরা সেই পুলিশ হিসেবে নিজেদেরকে তুলে ধরেছি। দুর্যোগ চলে গেলে তা ধরে রাখতে হবে।

    তিনি আরও বলেন, ‘করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে লকডাউন, জননিরাপত্তা ছাড়াও অসহায়দের খাদ্য সহায়তা, লকডাউন এলাকা পাহাড়া, কোয়ারেন্টাইনে থাকা ব্যক্তিদের নজরদারি, রোগীকে হাসপাতালে আনা, মৃতদেহ গোসল, দাফন ও সৎকারে গিয়ে আমরা সংক্রমিত হয়েছি। তবে এ মহামারিতে পুলিশ ও সাধারণ মানুষের মধ্যে যে মানবিক ভাবমর্যাদা তথ্যা আস্থা তৈরি হয়েছে তা থেকে পিছিয়ে যাওয়ার সময় নেই।

    পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশ্যে বিএমপি কমিশনার বলেন, ‘পরনো কোন বদনাম যেন আর ঘাড়ে না আসে। জনগণের সাথে কোন প্রকার অসৌজন্য আচরণ করা যাবে না। পুলিশের প্রতি জনগণের আস্থাহীনতা শূন্যের কোঠায় আনতে হবে। আইজিপি মহোদয়ের নির্দেশনা বাস্তবায়নে সাধারণ মানুষের দ্বারে দ্বারে সেবা পৌঁছে দেওয়ার যে মানসিক চেহারা তৈরি হয়েছে সেই গ্রহণযোগ্য পুলিশিং ধরে মাঠে কাজ করার পাশাপাশি জনগণের পাশে থাকার আহ্বান জানান তিনি।

    পরে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করা সম্মুখ যোদ্ধাদের রুহের মাগফেরাত ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান। একই সাথে আক্রান্ত পুলিশ সদস্যদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করে নগরবাসী তথা দেশবাসীর প্রতি দোয়া কামনা করেন নগর পুলিশের এই উর্ধ্বতন কর্মকর্তা।

    এদিকে খোঁজ নিয়ে জানাগেছে, গত ৯ মে প্রথম বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের একজন সদস্যের করোনাভাইরাস পজেটিভ সনাক্ত হয়। তিনি বিএমপি’র উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর জোন) এর কার্যালয়ে কর্মরত অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনারের গাড়ি চালক ছিলেন। এর পর থেকেই বিএমপিতে বাড়তে থাকে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা।

    সবশেষ বুধবারের তথ্য অনুযায়ী বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের মোট ১৮৩ জন সদস্য করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত সনাক্ত হয়েছেন। এর মধ্যে সুস্থ হয়েছেন মোট ৭৬ জন। এর মধ্যে করোনা উপসর্গ নিয়ে মঙ্গলবার প্রথম একজন পুলিশ সদস্য’র মৃত্যু হয়েছে। তিনি রাজারবাগ কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তাছাড়া সুস্থতা লাভ করাদের মধ্যে ৩৪ জন আইসোলেশন সম্পন্ন করে বুধবার থেকে কাজে যোগদান করেছেন। এছাড়া আরও ৪২ জন যোগদানের অপেক্ষায় আছেন।