Category: প্রশাসন

  • নির্মোহতার নজির গড়লেন আইজিপি বেনজীর আহমেদ

    নির্মোহতার নজির গড়লেন আইজিপি বেনজীর আহমেদ

    নির্মোহতার নজির গড়লেন পুলিশের মহাপরির্দশক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ। দেশের গুরুত্বপূর্ণ ক্রীড়া সংস্থা কাবাডি ফেডারেশনের সভাপতির পদ পেয়েও নেননি তিনি। পদাধিকার বলে এই পদ তাঁর অলঙ্কৃত কথা থাকলেও দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়ে তাতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।

    জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, এলিট ফোর্স র‌্যাবের মহাপরিচালক থাকতেই বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশনের সভাপতি নির্বাচিত হন তিনি। শুধু তাই নয়, নবগঠিত দক্ষিণ এশিয়ান দাবা কাউন্সিলরেরও প্রথম সভাপতি ড. বেনজীর আহমেদ। দুটো গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্বে থাকায় নতুন করে কাবাডি ফেডারেশনের সভাপতি পদটিতে বসতে চাননি তিনি।

    ওদিকে আন্তর্জাতিক দাবা সংস্থাও (ফিদে) চায় বেনজীর আহমেদের মতো একজন দক্ষ প্রশাসক থাকুক দাবা ফেডারেশনে। তিনি নিজেও সাচ্ছন্দ্যবোধ করছেন দাবার সঙ্গে।

    অতীতে যারা পুলিশের আইজিপি হয়েছেন রেওয়াজ অনুযায়ী তারাই কাবাডি ফেডারেশনের সভাপতির পদটি অলঙ্কৃত করেছেন। এ ক্ষেত্রে নির্মোহতার নজির গড়েছেন আইজিপি বেনজীর আহমেদ।

    এদিকে দাবা ফেডারেশনের আগের কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ায় নতুন অ্যাডহক কমিটি দিয়েছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ। যেখানে সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আগের নেতৃত্বস্থানীয়রাই থাকছেন। সহসভাপতি হিসেবে থাকছেন চার জন, আর যুগ্ম সম্পাদক দুই এবং কোষাধ্যক্ষ পদে একজনকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। কার্যনির্বাহী বোর্ডের সদস্য হিসেবে আছেন ১৭ জন।

    এ বছরের গত ৮ এপ্রিল নতুন আইজিপি হিসেবে নিয়োগ পান ড. বেনজীর আহমেদ। ১৫ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব নেন তিনি। এর আগে তিনি র‌্যাবের মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্বপালন করছিলেন।

    ২০১৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর তাকে র‌্যাবের মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। ২০১৫ সালের ৭ জানুয়ারি দায়িত্ব বুঝে নিয়ে জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস, মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধ দমনে ভূমিকা পালন করে ব্যাপক প্রশংসা কুড়ান তিনি। দেশের ক্রীড়াক্ষেত্রেও অবদান রাখেন বেনজীর।

    হলি আর্টিজান হামলায় প্রাথমিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং পরবর্তীতে তিনি বাংলাদেশে জঙ্গিবাদ নির্মূলে বিশেষ ভূমিকা রাখেন। প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান ‘চল যাই যুদ্ধে, মাদকের বিরুদ্ধে’ অভিযাত্রাকে একটি সামাজিক আন্দোলনের রূপ দিয়ে বেগবান রেখেছেন মাদকবিরোধী অভিযান। সুন্দরবনের জলদস্যুতার অবসান ঘটিয়ে একটি স্বস্তির উপকূলীয় অঞ্চল প্রতিষ্ঠায় বিশেষ অবদান রেখেছেন। সাম্প্রতিক ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান তার সাফল্যের মুকুটে আরও একটি উজ্জ্বল পালক।

    বাংলাদেশ পুলিশে বেনজীর আহমেদ মেধাবী, সৎ ও চৌকস কর্মকর্তা হিসেবে সুপরিচিত। তিনি ১৯৬৩ সালের ১ অক্টোবর গোপালগঞ্জের সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। শিক্ষাজীবনে বেনজীর আহমেদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে এমএ এবং এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করেন। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের এশিয়া প্যাসিফিক সেন্টার ফর সিকিউরিটি স্ট্যাডিজ, অস্ট্রেলিয়ার ক্যানবেরা চার্লস স্ট্রার্ট ইউনিভার্সিটি ও সিঙ্গাপুরের বিশ্বব্যাংক আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে পড়াশোনা করেন।

    সপ্তম বিসিএস পুলিশ ক্যাডারের কর্মকর্তা বেনজীর আহমেদ ১৯৮৮ সালে সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) হিসেবে চাকরিতে যোগ দেন। বেনজীর আহমেদের গ্রামের বাড়ি গোপালগঞ্জে। র‌্যাবের ডিজি হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন ছয় বছরের বেশি। তার আগে তিনি প্রায় সাড়ে চার বছর ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার ছিলেন। বিএনপি সরকার ক্ষমতায় থাকাবস্থায় একটি নির্দিষ্ট জেলার জন্য তার পদোন্নতি হয়নি বলে অভিযোগ ছিল।

    এ ছাড়া তিনি কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার, ডিএমপিতে ডিসি নর্থ, পুলিশ একাডেমির প্রধান প্রশিক্ষক, পুলিশ সদর দফতরের এআইজি, পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার টাঙ্গাইলের কমান্ড্যান্ট, ডিআইজি (প্রশাসন ও অপারেশনস্) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তাছাড়া জাতিসঙ্ঘের শান্তিরক্ষা বিভাগে চিফ অব মিশন ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড সাপোর্ট সার্ভিসেস হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত জাতিসঙ্ঘ সদর দফতরে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদে কাজ করেছেন। কর্মদক্ষতায় তিনবার জাতিসঙ্ঘ শান্তিপদক অর্জন করেন।

    পুলিশের সর্বোচ্চ পদক লাভ

    চাকরিজীবনে সব সময় দায়িত্ববান ছিলেন বেনজীর আহমেদ। এজন্য অর্জন করেছেন পুলিশের সর্বোচ্চ পদক পুলিশ মেডেল (বিপিএম)। ২০২০ সালে ষষ্ঠ বারের মতো বাংলাদেশ পুলিশের সর্বোচ্চ পদক বিপিএম (সাহসিকতা) অর্জনের রেকর্ড গড়েন বেনজীর আহমেদ। এর আগে তিনি ২০১১, ২০১২, ২০১৪, ২০১৬ ও ২০১৯ সালে পদক পেয়েছিলেন।

    ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন

    ২০১৯ সালে বেনজীর আহমেদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেন। ‘কনট্রিবিউশন অব বাংলাদেশ ইউএন পিস কিপিং ফোর্স টু আওয়ার ন্যাশনাল ইকোনমি’ শিরোনামে তার অভিসন্দর্ভে জাতীয় অর্থনীতিতে পুলিশ শান্তিরক্ষীদের অবদান এবং শান্তিরক্ষা মিশনে প্রায় তিন দশক দায়িত্ব পালনে লব্ধ অভিজ্ঞতা দেশের পুলিশ বাহিনী সংগঠনে ইতিবাচক পরিবর্তনে কী ধরনের ভূমিকা পালন করেছে তা তুলে আনেন বেনজীর আহমেদ। গবেষণায় জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে অংশ নেওয়া বাংলাদেশের বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যদের বিশ্বশান্তি রক্ষায় অনন্য অবদান রাখার পাশাপাশি ব্যক্তিগত ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তার বিষয়টি তুলে ধরেন। প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়নের মাধ্যমে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় শান্তিরক্ষা মিশনের ভূমিকা বস্তুনিষ্ঠভাবে তথ্য-উপাত্তের মাধ্যমে উপস্থাপন করা হয়।

    ক্রীড়া ক্ষেত্রে অবদান

    গতবছরের ২৯ নভেম্বর দক্ষিণ এশীয় দাবা কাউন্সিলের প্রথম নির্বাচনে সভাপতি নির্বাচিত হন বেনজীর আহমেদ। সার্ক অঞ্চলের এই আট দেশের দাবা কাউন্সিলরদের সর্বসম্মত ভোটে তিনি সভাপতি নির্বাচিত হন। এর আগে তিনি বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশনের সভাপতি ছিলেন। এরপর শতশত দাবাড়ু তৈরি করতে কাজ শুরু করেন তিনি। তার উদ্যোগে দক্ষিণ এশীয় আট দেশ নিয়ে ঢাকায় হয় ‘ফার্স্ট সার্ক চেজ চ্যাম্পিয়ন’ প্রতিযোগিতা। ‘বাংলাদেশ স্কুল দাবা টুর্নামেন্টের’ জন্য বেনজীর আহমেদের আহ্বানে স্পন্সর হয় আবুল খায়ের গ্রুপ।

    ক্যাসিনো অভিযান

    প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ২০১৯ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর দেশব্যাপী ক্যাসিনো অভিযান শুরু করে র‌্যাব। অভিযানে সরকার দলীয় বাঘাবাঘা রাজনীতি নেতা-নেত্রী, ঠিকাদার, ক্রীড়া সংগঠকসহ বিভিন্ন ব্যক্তি ধরা পড়ে। উদ্ধার হয় নগদ টাকা, হাজার হাজার ভরি স্বর্ণালঙ্কার, ক্যাসিনো সরঞ্জাম। এসব অভিযানের নেতৃত্ব স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী র‌্যাবকে দেন। তার নেতৃত্বে সততার সঙ্গে অভিযান পরিচালনা করে র‌্যাব।

  • বরিশালে ৭০ বছরের বৃদ্ধাকে ধর্ষণ, একঘন্টায় ধর্ষক গ্রেফতার

    বরিশালে ৭০ বছরের বৃদ্ধাকে ধর্ষণ, একঘন্টায় ধর্ষক গ্রেফতার

    স্টাফ রিপোর্টের ইয়াকুব হোসাইন ঃবরিশালের বাবুগঞ্জে পুলিশের হাত থেকে বাঁচার কথা বলে ঘরে আশ্রয় নিয়ে ৭০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধাকে ধর্ষণ করেছে মাদকাসক্ত যুবক। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের এক ঘন্টার মধ্যেই অভিযুক্ত ধর্ষক জাকির সিকদারকে (৩০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

    মঙ্গলবার রাত ২ টার দিকে উপজেলার উত্তর আগরপুর গ্রামে ওই ধর্ষণের ঘটনা ঘটে।

    গ্রেফতার অভিযুক্ত ধর্ষক জাকির সিকদার আগরপুর গ্রামের খালেক সিকদারের ছেলে এবং মাদকাসক্ত একজন জুয়াড়ি।

    এ ঘটনায় ধর্ষিতা বৃদ্ধার ছেলে বাদী হয়ে ধর্ষণের অভিযোগে বাবুগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করেন। বাবুগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মিজানুর রহমান এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    মামলার এজাহার, পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ছেলে-মেয়েরা ঢাকায় থাকার কারণে ওই বৃদ্ধা উত্তর আগরপুর গ্রামের বাড়িতে একা থাকতেন। এই সুযোগে প্রায়ই স্থানীয় মাদকাসক্ত ও জুয়াড়ি জাকির সিকদার ও তার সহযোগীরা তাদের বাড়ির পার্শ্ববর্তী একটি টিনের ঝুপড়ি মধ্যে তাসের আড্ডা বসাতো। সেখানে বসে জুয়া খেলা ছাড়াও মাদকসেবন করতো তারা। বিষয়টি জানতে পেরে কিছুদিন আগে জাকির সিকদারকে বকাঝকা করেন এবং পরবর্তীতে বাড়িতে এসে আবার নেশা ও জুয়ার আসর বসালে পুলিশে জানিয়ে দেবার হুমকি দেন গৃহকর্ত্রী ওই বৃদ্ধা। এতে ক্ষিপ্ত হলেও তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া দেখায়নি জাকির সিকদার।

    পুলিশ জানায়- গত ২২ জুন দিবাগত রাত ১০টার দিকে বাড়ির বাইরে দাঁড়িয়ে বৃদ্ধাকে চাচী বলে সম্মোধন করে বাইরে ডাকে সে। ডাক শুনে বাইরে বের হলে পূর্বের সকল ঘটনার জন্য বৃদ্ধার কাছে ক্ষমা চায় জাকির সিকদার। এবং পুলিশ তাকে ধাওয়া করেছে মিথ্যা অজুহাত দেখিয়ে বাকি রাতটুকু ওই বৃদ্ধার বাড়িতে থাকার জন্য আশ্রয় চায়।

    জুয়া ও মাদক ছেড়ে ভালো হয়ে যাওয়ার পরে পুলিশ এখন তাকে তাড়ায়, -এমন কথা শুনে সরল বিশ্বাস করে ওই রাতে জাকির সিকদারকে নিজের শয়নকক্ষের পাশের একটি কক্ষে থাকতে দেন ৭০ বছর বয়সী ওই বৃদ্ধা মা। এরপর রাত ২টার দিকে বখাটে ও মাদকাসক্ত জাকির তার পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী বৃদ্ধার গলায় ধারালো অস্ত্র ঠেকিয়ে ধর্ষণ করে। ঘটনার আকস্মিকতায় বৃদ্ধা মা হতবিহ্বল ও অসুস্থ হয়ে পড়লে ধর্ষণের পরে রাতেই পালিয়ে যায় লম্পট জাকির সিকদার।

    এদিকে ঘটনার পরে বৃদ্ধার ডাক-চিৎকার শুনে প্রতিবেশী ও স্থানীয়রা এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে আগরপুর উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যান। এসময় প্রতিবেশীদের মাধ্যমে খবর পেয়ে পরে বৃদ্ধার ছেলে মঙ্গলবার ঢাকা থেকে বাড়ি আসেন এবং বাবুগঞ্জ থানায় একটি মামলা করেন।

    বৃদ্ধা মাকে ধর্ষণের অভিযোগে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে ছেলে আক্কাস আলী খান বাদী হয়ে বাবুগঞ্জ থানায় ওই মামলাটি করেন। মামলাটি নথিভুক্ত হওয়ার একঘন্টার মাথায় বাবুগঞ্জ থানার ওসি মো. মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে আগরপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের একটি দল অভিযান চালিয়ে গৌরনদীর সরিকল এলাকা থেকে অভিযুক্ত ধর্ষক জাকির সিকদারকে গ্রেপ্তার করেন।

    বাবুগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মিজানুর রহমান জানান, ‘ধর্ষণ মামলা দায়েরের একঘন্টার মধ্যেই মামলার একমাত্র অভিযুক্ত ধর্ষক জাকির সিকদারকে আটক করা হয়েছে। পাশাপাশি ভিকটিম বৃদ্ধা মাকে উদ্ধার করে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। বুধবার বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগে তার প্রয়োজনীয় ডাক্তারী পরীক্ষা করানো হবে।’

  • পুলিশের প্রতি জনগণের অস্থাহীনতা শূন্যের কোটায় আনতে হবে: বিএমপি কমিশনার

    পুলিশের প্রতি জনগণের অস্থাহীনতা শূন্যের কোটায় আনতে হবে: বিএমপি কমিশনার

    মূল্যবোধ সম্পন্ন মানবিক পুলিশ, জনগণের পুলিশ নিয়ে বঙ্গবন্ধু যে স্বপ্ন দেখেছিলেন ,এই মহা দুর্যোগে আমরা সেই পুলিশ হিসেবে নিজেকে তুলে ধরেছি ;দুর্যোগ চলে গেলেও তা ধরে রাখতে হবে।

    COVID-19 আক্রান্ত থেকে সম্পূর্ণ সুস্থ্য হয়ে কর্মস্থলে ফেরা ২ জন এসআই নিরস্ত্র , ৪ জন এসআই সশস্ত্র , ১ জন টি এসআই , ৬ জন নায়েক ও ১৬ জন কনস্টেবল সহমোট ৩৪ জন করোনা জয়ী যোদ্ধাদের আইসোলেশন শেষে বরণ করে নিতে আজ বুধবার সকাল ১১টায় বরিশাল পুলিশ লাইন্সে করোনা বিজয়ীদের ফুলেল শুভেচ্ছা ও উপহার সামগ্রী বিতরণ শেষে এ কথা বলেন ।

    তিনি বলেন ,করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে লকডাউন, জননিরাপত্তা ছাড়াও অসহায়দের খাদ্যসহায়তা , লকডাউন এলাকায় পাহাড়া, কোয়ারেন্টাইনে থাকা ব্যক্তিদের নজরদারি, রোগীকে হাসপাতালে আনা, মৃতদের গোসল, দাফন ও সৎকারে গিয়ে আমরা সংক্রমিত হয়েছি। তবে এ মহামারীতে পুলিশ ও সাধারণ মানুষের মধ্যে যে মানবিক ভাবমর্যাদা তথা আস্থা তৈরি হয়েছে, তা থেকে পিছিয়ে যাওয়ার সময় নেই।

    এসময় তিনি আরো বলেন, “পুরনো কোন বদনাম যেন আর ঘাড়ে না আসে, জনগণের সাথে কোন প্রকার অসৌজন্য আচরণ করা যাবেনা, পুলিশের প্রতি জনগণের অস্থাহীনতা শূন্যের কোঠায় আনতে হবে” ।

    সব শেষে করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করা সম্মুখ যোদ্ধাদের রুহের মাগফেরাত ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ একই সাথে আক্রান্ত পুলিশ সদস্যদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করে সম্মানিত নগরবাসী তথা দেশবাসীর প্রতি দোয়া কামনা করেন

  • বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের এএসআই’র ঢাকায় মৃত্যু

    বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের এএসআই’র ঢাকায় মৃত্যু

    বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) এক এএসআই ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেছেন। মঙ্গলবার (২৩ জুন) রাতে রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন তিনি।

    তবে মারা যাওয়া এএসআই হাবিবুর রহমান করোনা আক্রান্ত কিনা তা নিশ্চিত হওয়া যাননি। মৃত্যুর পর তার নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। রিপোর্ট এলে জানা যাবে আক্রান্ত ছিলেন কিনা।

    তবে হাবিবুর রহমানের আগে থেকেই লিভারের সমস্যা ও ডায়বেটিক ছিলো, সাথে হার্টে রিং ও পড়ানো ছিলো। নানান ধরণের রোগে আক্রান্ত শারীরীক অসুস্থতার কারনে সে ঢাকার পুলিশ হাসপাতালে গত সপ্তাহে ভর্তি হয় বলে জানিয়েছেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মোঃ শাহাবুদ্দিন খান।

    বরিশাল মেট্রোপলিটনের অতিরিক্ত উপ পুলিশ কমিশনার (উত্তর) মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ জানান, ১৬ জুন অসুস্থ হয়ে পড়লে হাবিবুর রহমানকে বরিশাল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে ওই দিন রাতে তাকে রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে তিনি ইন্তেকাল করেন।

    1. এএসআই হাবিবুর রহমান বরিশাল মেট্রোপলিটনের অতিরিক্ত উপ পুলিশ কমিশনার (উত্তর) অফিসে কর্মরত ছিলেন। তার গ্রামের বাড়ি বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার কলসকাঠি গ্রামে।তিনি ১৯৮৯ সালে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদেন
  • বরিশালে ফেইসবুকে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কুটক্তি এপিপি’র মামলা

    বরিশালে ফেইসবুকে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কুটক্তি এপিপি’র মামলা

    বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার কলসকাঠি গ্রামের নাসির হাওলাদারের ছেলে নাসিম আহমেদ কাওসার নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ( ফেইসবুক )এ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ সরকারের নীতিনির্ধারকদের নিয়ে অশালীন মন্তব্য’র অভিযোগ উঠেছে।নাসিম আহমেদ কাওসার অত্র এলাকার প্রভাবশালী পরিবারের সন্তান হওয়ায় নাসিমের বিরুদ্ধে কেউ ভয়ে মুখ খুলতে সাহস পায় না।

    গত রবিবার (২১ জুন) বরিশাল জজকোর্ট এর এপিপি ও বরিশাল মহানগর আওয়ামী যুবলীগ নেতা অ্যাডভোকেট ইশতিয়াক কবির রকি বাদী হয়ে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে কোতোয়ালি মডেল থানায় ওই যুবকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।

    মামলা সূত্রে জানা যায়, নাসিম তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডি হতে দীর্ঘদিন ধরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ ও অশালীন মন্তব্য করে আসছে। পাশাপাশি আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুর কাদেরসহ তাঁর এই কুরুচিপূর্ণ অপকর্ম হতে বাদ যায়নি সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ হতে শুরু করে সরকারের সাবেক ও বর্তমান নীতি-নির্ধারকেরা। এমনকি স্বচ্ছ রাজনীতির ব্র্যান্ডিং করা আওয়ামী লীগের প্রয়াত সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সর্বজনপ্রিয় সৈয়দ আশারাফ সম্পর্কেও কটাক্ষ করেছেন বলে জানায় বরিশালের আওয়ামী নেতাকর্মীরা।

    মামলার বাদী এপিপি অ্যাডভোকেট ইশতিয়াক কবির রকি জানান, নাসিম নামের ছেলেটি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীসহ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে কটুক্তি করে আসছে। যা আইনের পরিপন্থী।  গত ১৭  জুন ২০২০ তারিখ ‘বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, বরিশাল বিভাগ’ নামের গ্রুপে এই বিষয়ে পোস্ট দেওয়া হলে তা আমার চোখে পড়ে। তার এহেন উস্কানিমূলক ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের জন্য তাকে আইনের আওতাভুক্ত করতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে অশালীন মন্তব্যের জন্য তার শাস্তি আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই নিশ্চিত করা হবে বলে জানায় এই আইনজীবি।

  • পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগে আবেদন করা যাবে অনলাইনে

    পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগে আবেদন করা যাবে অনলাইনে

    বাংলাদেশ পুলিশে কনস্টেবল পদে নিয়োগের জন্য আবেদন ও নিয়োগ প্রক্রিয়া আধুনিকায়ন করা হচ্ছে। পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগ পদ্ধতির আধুনিকায়নে আবেদন প্রক্রিয়া অনলাইনভিত্তিক করার নির্দেশ দিয়েছেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ।

    আজ মঙ্গলবার পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে অনুষ্ঠিত কনস্টেবল পদে নিয়োগ প্রক্রিয়ার আধুনিকায়ন সম্পর্কে হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট ডিরেক্টরেটের কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক সভায় এ নির্দেশনা দেন পুলিশ প্রধান।

    আইজিপি বলেন, কনস্টেবল নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যে কোনো ধরনের দুর্নীতি ও অনিয়ম রোধে একটি বাস্তবসম্মত পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে। প্রার্থীদের ভেরিফিকেশনের জন্য যথাযথ সিকিউরিটি ফিচার অনুসরণ করতে হবে, যাতে কেউ ভুয়া ঠিকানা বা ভুল তথ্য দিয়ে চাকরি না পায়। অথবা কোনো অসাধু চক্র কোনোভাবেই নিয়োগ প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে না পারে। পাশপাশি অনলাইন আবেদন ফরম যেন সহজবোধ্য হয়, যাতে সাধারণ মানুষ সহজেই বুঝতে পারে, সেদিকে খেয়াল রেখে আবেদন ফরম প্রণয়ন এবং পরীক্ষা পদ্ধতি অনুসরণের জন্য সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেন আইজিপি।

    সাধারণ মানুষকে দ্রুততম সময়ে কাঙ্ক্ষিত সেবা প্রদানের লক্ষ্যে পুলিশ কর্মকর্তাদের আরো বেশি দক্ষ, চৌকস ও ত্বরিৎকর্মা হওয়ার আহ্বান জানিয়ে আইজিপি বলেন, পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি নিয়মিত পড়াশোনা ও জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে পেশাগত দক্ষতার উন্মেষ ঘটাতে হবে। দেশ ও জনগণের কল্যাণে নিজেদের যোগ্যতার বিকাশ ও তা সদ্ব্যবহারের কোনো বিকল্প নেই বলেও উল্লেখ করেন আইজিপি।

  • রাজাপুরে ৫ জুয়ারীকে কারাদন্ড

    রাজাপুরে ৫ জুয়ারীকে কারাদন্ড

    আরিফুর রহমান আরিফঃ

    ঝালকাঠির রাজাপুরের দক্ষিন সাউতপুর এলাকার ৫ জুয়াড়িকে ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমান আদালত। আজ রোববার (২৩জুন) রাত সাড়ে ৮ টার দিকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো: সোহাগ হাওলাদার এ দন্ড দেন। দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন, দক্ষিন সাউতপুর গ্রামের আলি আজিম খানের ছেলে রিপন (৪০), ইদ্রিস হাওলাদারের ছেলে স্বপন হাওলাদার (৩০), মৃত. আব্দুল জলিলের ছেলে ইকবাল হোসেন (৩০), আ: সোবাহান হাওলাদারের ছেলে ইলিয়াস হাওলাদার (৩৭), নুর মোহাম্মদ এর ছেলে জাফর হাওলাদার (৩৫)।

    সূত্র জানায়, রোববার রাতে দক্ষিন সাউতপুর এলাকার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে একজায়গায় বসে মোবাইলে জুয়া খেলতেছিল এ অবস্থায় নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটের নির্দেশে রাজাপুর থানা পুলিশ তাদের আটক করে। এ সময় তাদের কাছ থেকে মোবাইল জব্দ করা হয়।

  • বরিশালে করোনা সন্দেহে রাস্তায় ফেলে যাওয়া অসুস্থ বৃদ্ধাকে উদ্ধার করলো পুলিশ

    বরিশালে করোনা সন্দেহে রাস্তায় ফেলে যাওয়া অসুস্থ বৃদ্ধাকে উদ্ধার করলো পুলিশ

    বৈশ্বিক প্রাণঘাতী মহামারি করোনা ছোবলে সমাজ-পরিবার থেকে মানবতা আজ ভূলুন্ঠিত! করোনা সন্দেহে অসুস্থ আপন বৃদ্ধা পিসিকে মহাসড়কের পাশে ফেলে রেখে সটকে পরেছে আপন ভাইর ছেলে। উৎসুক জনতা সড়কের পাশে পড়ে থাকা বৃদ্ধাকে দেখতে ভীর জমালেও মানবতা বিবেক জাগ্রত না হওয়ায় প্রায় চার ঘন্টা পর সংবাদকমীদের তৎপরতায় পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করেছে ওই বৃদ্ধাকে। বর্তমানে অসহায় ওই বৃদ্ধাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছে থানা পুলিশ।

    হৃদয় বিদারক এই ঘটনাটি ঘটেছে আজ সোমবার (২২ জুন) বিকেলে বরিশালের আগৈলঝাড়া-ঢাকা-পয়সারহাট আঞ্চলিক মহাসড়কের ফুল­শ্রী বাইপাস বাস স্ট্যাান্ড নামক স্থানে।

    মহাসড়কের পাশে পড়ে থাকা ৭০ বছরের অসুস্থ বৃদ্ধা দীপু বালা এই জানান, তার স্বামী ও বাবার বাড়ি আগৈলঝাড়া উপজেলার বাগধা ইউনিয়নের আস্কর গ্রামে। স্বামী অশ্বিনী বালা ৩-৪ বছর আগে মারা যান। দাম্পত্য জীবনেতাদের কোন সন্তান নেই। মানুষের বাসায় ঝি’য়ের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছিলেন তিনি। বর্তমানে তিনি বরিশাল কাঠপট্টি রোডের ধীরেণ সিকদারের বাসায় কাজ করতেন। ওই বাসায় কর্মরত অবস্থায় ৪-৫দিন আগে শরীরে দুর্বলতা ও বার্ধক্য জনিত কারণে হঠাৎ অসুস্থ হন তিনি। তার মালিক ধীরেণ সিকদার স্থানীয়ভাকে ডাক্তার দেখিয়ে অষুধ কিনে দেন। খবর দেয়া হয় তার গ্রামের বাড়িতে।

    আস্কর গ্রামের বাড়ি থেকে তার ভাই মনোরঞ্জন সাহার ছেলে মিথুন সাহা বরিশাল থেকে সোমবার বৃদ্ধা পিসিকে বাড়ি আনতে গিয়ে গন্তব্য পয়সারহাট বাস স্ট্যান্ডে না নেমে পথিমধ্যে আগৈলঝাড়া বাইপাস সড়কের বাস স্যান্ডে নামেন তারা। বয়সের ভারে নূব্দ হওয়া ও দুর্বলতার কারণে চলাফের করতে না পারা পিসি দীপু বালাকে সাড়ে বারোটার দিকে সড়কের পাশে রেখে সটকে পরেন ভাইপো মিথুন। নড়া চড়া করতে না পেরে অসহায় অসুস্থ বৃদ্ধা সড়কের উপরই শুয়ে পড়েন বাধ্য হয়ে। সাড়ে বারোটা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত সময় গড়িয়ে গেলেও আর দেখা মেলেনি ভাইপো মিথুনের। বৃষ্টি আসন্ন দেখে স্থানীয় সাংবাদিকেরা বৃদ্ধা দীপু বালাকে সড়কের একটি হোটেলের বারান্দায় নিয়ে বসান।
    এক পর্যায়ে স্থানীয় সংবাদ কর্মীরা বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও থানাকে অবহিত করলে উপজেলা প্রশাসনের কোন লোক এগিয়ে না আসলেও ওসির নির্দেশে পুলিশের এসআই শাহজাহান তাৎক্ষনিক ঘটনাস্থলে গিয়ে অসুস্থ বৃদ্ধাকে উদ্ধার করে উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করান।

    খবর পেয়ে বৃস্টি উপেক্ষা করে হাসপাতালে ছুটে যান থানা অফিসার ইন চার্জ মো. আফজাল হোসেন। হাসপাতালে অসুস্থ বৃদ্ধার সকল প্রকার চিকিৎসা, খাদ্য সহায়তাসহ আনুসাঙ্গিক সুবিধা প্রদানের কথা জানান ওসি মো. আফজাল হোসেন।

    উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. বখতিয়ার আল মামুন জানান, বৃদ্ধাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা প্রদান করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে বৃদ্ধার করোনা উপসর্গ নেই বলে মনে হলেও চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রয়োজনে তার করোনা পরীক্ষা করানো হবে।

    ওসি মো. আফজাল হোসেন বলেন, করোনা মোকা বেলায় মানুষের বিবেক জাগ্রহ হওয়া দরকার। মানবিকতা বিবর্জিত হলে মাহামারী সংকট আরও ঘনিভুত হবে। বৃদ্ধার ভাইপোর অবহেলার বিষয়টি খতিয়ে দেখে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার কথাও জানান তিনি।

  • ফেসবুকে ‘প্রোফাইলের মালিক মৃত’ ছবি দিয়েই র‍্যাব সদস্যের আত্মহত্যা

    ফেসবুকে ‘প্রোফাইলের মালিক মৃত’ ছবি দিয়েই র‍্যাব সদস্যের আত্মহত্যা

    নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে পোস্ট দিয়ে এক র‌্যাব সদস্যর আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। আত্মহত্যাকারী ওই র‌্যাব সদস্য জাকির হোসেন রংপুর নগরীর কলেজ রোড হাবিবনগর এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে স্ত্রীসহ বসবাস করতেন।

    শুক্রবার (১৯ জুন) সন্ধ্যায় স্ত্রীর সঙ্গে তার ঝগড়া হয়। এই ঘটনার জেরে তার মামাশ্বশুর এসে স্ত্রীকে নিয়ে তাদের বাড়িতে চলে যান। এখন ফেসবুক প্রোফাইলে চোখ বুলালেই দেখা যাচ্ছে, মাত্র ক’ঘণ্টা আগেই প্রোফাইল ছবি পরিবর্তন করেছেন।

    প্রোফাইল ছবিতে লিখেছেন, ‘এই প্রোফাইলের মালিক মৃত’ সত্যিই এই প্রোফাইলের মালিক এখন মৃত। গলায় ফাঁশ লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। আইডির মালিক র‍্যাব সদস্য জাকির হোসেন।
    গতকাল শুক্রবার (১৯ জুন) সন্ধ্যায় স্ত্রীর সঙ্গে তার ঝগড়া হলে ঘটনার জেরে তার মামাশ্বশুর এসে স্ত্রীকে নিয়ে তাদের বাড়িতে চলে যান। সেই রাতেই স্ত্রীর মোবাইল ফোনে, ‘আজ থেকে কোন কথা হবেনা’ লিখে ম্যাসেজ পাঠান তিনি।

    দাম্পত্য কলহের জেরে স্ত্রী বাড়ি ছেড়ে চলে যাওয়ায় রংপুর র‌্যাব-১৩ গোয়েন্দা শাখায় কর্মরত জাকির হোসেন (২৭) গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। রংপুর মেট্রোপলিটান পুলিশের কোতয়ালী থানার ওসি আব্দুর রশীদ আত্মহত্যার ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন।

    সেই রাতেই স্ত্রীর মোবাইল ফোনে, “আজ থেকে কোন কথা হবেনা” লিখে ম্যাসেজ পাঠান তিনি। এছাড়াও ডায়রিতে কিছু কথা লিখে সম্ভবত রাতেই গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেন।

    বাসার মালিক হাফিজুর রহমান জানান, ছয়মাস আগে তারা বাসা ভাড়া নেন। শনিবার সকাল পর্যন্ত কোনও সাড়া-শব্দ না পেয়ে এবং ঘরের দরজা বন্ধ পাওয়ায় পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে কোতয়ালী থানার ওসি আব্দুর রশীদ পুলিশ ফোর্স নিয়ে আসেন।

    এরপর বাসার দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে গলায় রশি দিয়ে ফাঁস লাগানো অবস্থায় জাকির হোসেনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

    কোতয়ালী থানার ওসি আব্দুর রশিদ জানান, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর মেডিক্যাল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে। জাকির হোসেনের বাবার বাড়িতে খবর পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হবার পর মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানান তিনি।

    র‌্যাব-১৩ রংপুরের সহকারী পুলিশ সুপার মিডিয়া ছিদ্দিক আহাম্মেদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “বিষয়টি আমরা পরে আনুষ্ঠানিকভাবে জানাবো।”

  • সাংবাদিক কামাল লোহানীর মৃত্যুতে আইজিপি’র শোক

    সাংবাদিক কামাল লোহানীর মৃত্যুতে আইজিপি’র শোক

    বরেণ্য সাংবাদিক ও বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব কামাল লোহানীর মৃত্যুতে বাংলাদেশ পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ বিপিএম (বার) গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

    এক শোকবাণীতে আইজিপি বলেন, আমাদের সাংবাদিকতা ও সাংস্কৃতিক জগতে কামাল লোহানী ছিলেন এক উজ্জ্বল নক্ষত্র ও অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব। দেশের শিল্পাঙ্গন ও সাংস্কৃতিক জগতে অনন্য সাধারণ অবদানের জন্য তিনি চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন। ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানে পূর্ব বাংলার শিল্পীদের নিয়ে কামাল লোহানী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে দেশকে শত্রুমুক্ত করেছেন। একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির উপদেষ্টা হিসেবে কামাল লোহানীর সাহসী ভূমিকা বাঙালি জাতি আজীবন শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ রাখবে। জনগণের মৌলিক অধিকার আদায়ের আন্দোলনে আজীবন সোচ্চার ছিলেন তিনি। কামাল লোহানীর মৃত্যুতে আমাদের সাংবাদিকতা, শিল্প ও সাংস্কৃতিক জগতে এক গভীর শূন্যতার সৃষ্টি হল। জাতি হারালো একজন আদর্শবান, মেধাবী ও গুণী মানুষ।

    আইজিপি মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।