Category: প্রশাসন

  • সরকারি চাল জব্দ, আ.লীগ নেতা গ্রেপ্তার

    সরকারি চাল জব্দ, আ.লীগ নেতা গ্রেপ্তার

    জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ৭২০ কেজি চাল জব্দ করেছে র‌্যাব-১৪–এর একটি দল। সোমবার রাতে উপজেলার বাট্টাজোড় নতুন বাজার এলাকার একটি ঘর থেকে ওই চাল জব্দ করা হয়।

     

    ওই দিন রাতেই র‌্যাব বাদী হয়ে বকশীগঞ্জ থানায় একটি মামলা করে। মঙ্গলবার বেলা একটার দিকে পুলিশ অভিযান চালিয়ে মামলার আসামি আওয়ামী লীগের এক নেতাকে গ্রেপ্তার করে। তিনি হলেন উপজেলার বাট্টাজোড় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মুন্নাফ আলী।

     

     

    র‌্যাব ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জামালপুর র‌্যাব-১৪–এর একটি দল সোমবার রাতে বাট্টাজোড় নতুন বাজারে অভিযান চালায়। এ সময় স্থানীয় আনিছুর রহমানের একটি টিনশেড ঘরে মজুত রাখা খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ৭১০ কেজি চাল জব্দ করা হয়। পরে ওই ঘরের মালিক আনিছুর রহমানের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে র‍্যাব জানতে পারে, কালোবাজারে চাল বিক্রির জন্য বকশীগঞ্জ পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আবুল কালাম ও বাট্টাজোড় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মুন্নাফ আলী ওই চাল মজুত করেন। এরপর র‌্যাবের জামালপুর ক্যাম্পের উপসহকারী পরিচালক মো. আফতাব হোসেন বাদী ওই দুজনের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে বকশীগঞ্জ থানায় একটি মামলা করেন। পরে বকশীগঞ্জ থানা–পুলিশ মঙ্গলবার বেলা একটার দিকে অভিযান চালিয়ে মুন্নাফ আলীকে গ্রেপ্তার করে।

     

     

    বকশীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, উপজেলা পরিষদ এলাকায় অভিযান চালিয়ে মামলার আসামি মুন্নাফ আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অপর আসামিকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

  • বরিশালে আটকে রাখা যাচ্ছে না খেটে খাওয়া মানুষদের

    বরিশালে আটকে রাখা যাচ্ছে না খেটে খাওয়া মানুষদের

    : বরিশালে প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাস সংক্রমণ ও জণসমাগম থেকে সাধারন মানুষকে দূরে রাখার জন্য জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, র‌্যাব ও সেনাবাহিনীসহ ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে জেল জরিমানা করা সহ কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহন করেও নিত্য আয়ের খেটে খাওয়া শ্রমজীবী মানুষদের প্রয়োজনীয় খাবার পৌছে দেবার বিষয়টি পুরোপুরি নিশ্চিত করতে না পারার কারনেই তাদেরকে ঘড়ে আটকে রাখা যাচ্ছে না।

     

    এদিকে নগরীর সদরঘাটস্থ হাটখোলা মসজিদ গলির ভিতরে বেশ কয়েকটি প্লাষ্টিক কারখানার বাহিরের সাটার টেনে ভিতরে জড়ো হয়ে মহিলা শ্রমীকদের কাজ করানো হচ্ছে।

     

    আজ মঙ্গলবার দুপুরে নগরীর হাটখোলা মসজিদ গলির আঃ সোবহান প্লাষ্টিক সেন্টার কারখানায় গেলে সেখানে দেখা যায় প্রায় ২৫ থেকে ৩০ জন একত্রিত হয়ে বিভিন্ন প্লাষ্টিকের দ্রব্য ভাঙ্গার কাজ করেছে।

     

    কাজের সময় মহিলা শ্রমীকরা সামাজীক নিরাপত্তা রক্ষা করছেন না পাশাপাশি তারা ব্যবহার করছেন না মাক্স। এসময় ছবি তুললে কারখানার মালিক আঃ সোবহান হাস্যরত অবস্থায় বলেন তোলেন ভাই ভাল করে ছবি তোলেন।

     

    মহিলা শ্রমীকরা একসাথে জড়ো হয়ে বসে কাজ করছে তাদের সামাজিক নিরাপত্তার ব্যবস্থা করছেন না কেন জানতে চাইলে সোবহান মিয়া বলেন, বাসায় খাবার পাঠাইয়া দেন মহিলাগো বাসায় বাসায় পাঠাইয়া দিমু।

     

    এব্যাপারে মহিলা শ্রমীকদের কাছে জানতে চাইলে তারা বলেন, কাজ না করলে খামু কি? প্রতিদিন এই প্লাষ্টিক কারখানায় কাজ করে একক জনে সকাল ৮ টা থেকে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত কাজ করে কেহ ২শ’ থেকে ৩শ’ টাকা পায় যা দিয়ে সংসার চলে যায়।

     

    তারা এসময় বলে করোনা হলে আমাদেরতো না খেয়ে মরতে হবে। জানি তাহলে কাজ করে কিছু খাইয়া মরি। আমাগোতো কেহ খাওয়ন দেই না। আমাগো সংসারের খাওয়ন দেন দেখবেন মোরা কাল থেকে কাজে আসুম না।

     

     

    অন্যদিকে গত ১২ই এপ্রিল থেকে জেলা প্রশাসন কর্তৃক নগরীতে লকডাউন ঘোষনা করা হলেও সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সরকারীভাবে অনুমোদিত প্রয়োজনীয় ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান ঔষধের ফার্মেসির পাশাপাশি চুপেচাপে ইলেক্টনিক্স ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সহ বিভিন্ন ধরনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলে চালিয়ে যাচ্ছে ব্যবসা সেই সাথে সামাজীক নিরাপত্তার বিষয়টি মানছে তারা।

     

    এছাড়া এখনো নগরীর হাটখোলা সদরঘাট সড়ক, পলাশপুর বিভিন্ন গুচ্ছগ্রামের অলিগলিতে দিনভর দলবেধে চলছে আড্ডাবাজী তাদেরকে করা যায়নি ঘড়মুখো।

     

    শুধু মাত্র নগরীর সদররোড সহ বেশ কয়েকটি এলাকায় সন্ধ্যা ৬টা থেকে সকাল ৬ টা পর্যন্ত কিছুটা লকডাউন কার্যকর হতে দেখা যায়। অন্যদিকে বস্তি এলাকা পোর্টরোড, সদরঘাট, হাটখোলা থেকে শুরু করে পলাশপুর সহ বিভিন্ন ওয়ার্ডের রাত পর্যন্ত মোড়ে দলবদ্ধ হয়ে মহিলা-পুরুষ ও যুবক শ্রেনীর সদস্যরা প্রাণঘাতী করোনাকে কিছুই মনে করছেনা তারা একসাথে বসে দিয়ে গল্প ও আলাপচারিতা করেই যাচ্ছেন।

     

    এদিকে দেখা যায় পুলিশ প্রশাসন, র‌্যাব সদস্যরা বিকাল থেকে সন্ধা ৭ টা পর্যন্ত শহরের বিভিন্নস্থানে মাইকিং করা সহ টহল দিয়ে সবাইকে ঘড়ে যাবার কথা বলে তারাও চলে যায়। কিন্ত রাত ৮ টার পর কোতয়ালী মডেল থানা ও কাউনিয়া থানা পুলিশের সদস্যরা এলাকাভিত্তিক টহল ব্যবস্থা জোরদার করেন তাহলে লকডাউন আইন কার্যকর করা প্রশাসনের পক্ষে করা সম্ভব হবে।

  • বরিশালে করোনার ভয়ে যুবকের লাশ রেখে পালালো স্বজনেরা, দাফন করল পুলিশ

    বরিশালে করোনার ভয়ে যুবকের লাশ রেখে পালালো স্বজনেরা, দাফন করল পুলিশ

    বরিশালে করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া এক যুবকের লাশ হাসপাতালে রেখে পালিয়ে যায় স্বজনেরা। মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার উলানিয়া গ্রামের ৩২ বছর বয়সী ওই যুবক রোববার বিকেলে শের-ই বাংলা মেডিকেলের করোনা ওয়ার্ডে মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যু আগ পর্যন্ত স্বজনেরা হাসপাতালে ঘোরাঘুরি করলেও পরে আর তাদের খোঁজ করে পাওয়া যায়নি। বিষয়টি কোতয়ালি থানা পুলিশ নিশ্চিত হয়ে একদিন পরে সোমবার দুপুরে ওই যুবকের লাশ উদ্ধারে দাফন দিয়েছে। উপ-পরিদর্শক (এসআই) আরাফাত হাসানের নেতৃত্বে একটি টিম বিকেলে লাশটি শহরের রুপাতলীতে দাফন করেন।

     

    হাসাপাতাল ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে- বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার সুলাতানী গ্রামের বাসিন্দা ২৭ বছর বয়সী যুবক গত ১৭ এপ্রিল জ্বর, সর্দি ও কাশি নিয়ে হাসপাতালের সার্জারি ইউনিট-৩ এ ভর্তি হন। পরে উপসর্গে করোনা আক্রান্ত সন্দেহে তাকে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেল সাড়ে ৫টায় তার মৃত্যু হয়েছে। মৃত যুবক করোনা আক্রান্ত ছিলেন কী না তা নিশ্চিত হতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নমুনা সংগ্রহ করলেও ভয়ে আগেই পালিয়ে গেছে স্বজনেরা।

     

    কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুল ইসলাম জানান, যুবকের লাশ হাসপাতালে পড়ে থাকার খবর পেয়ে এসআই আরাফাত হাসানকে উদ্ধার করে দাফন দেওয়া নির্দেশ দেওয়া হয়। সোমবার দুপুরে তিনি লাশটি উদ্ধার করে গোসল ও যানাজা নামাজ শেষে রুপাতলী এলাকার আঞ্জুমান মফিদুল গোরস্থানে দাফন দেওয়া হয়েছে।’

  • বরিশালে ১৯ দোকানিকে সাড়ে ৭১ হাজার টাকা জরিমানা

    বরিশালে ১৯ দোকানিকে সাড়ে ৭১ হাজার টাকা জরিমানা

    স্টাফ রিপোর্টার//ইয়াকুব হোসাইন

    বরিশাল জেলা প্রশাসনের নিয়মিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজও বরিশাল নগরীতে মোবাইল কোর্ট অভিযান অব্যাহত আছে।

     

    আজ ২০ এপ্রিল সোমবার সকাল থেকে বরিশাল মহানগরীর চৌমাথা মোড়, নথুল্লাবাদ, কাশিপুর বাজার, বাংলা বাজার, আমতলার মোড়, সাগরদী, রুপাতলী, পুলিশ লাইন, বাজার রোড, কাঠপট্টি, পোট রোড, ফলপট্টি, গীর্জা মহল্লা,

     

    বান্দ রোড, চকবাজার, হাসপাতাল রোড, নতুন বাজার এবং লাকুটিয়া সড়ক এলাকায় জেলা প্রশাসন বরিশাল এর পক্ষ থেকে মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়।

     

    জনসমাগম করে অপ্রয়োজনীয় দোকান খোলা রেখে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত ও দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে বরিশাল জেলা প্রশাসনের মোবাইল কোর্ট অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন অপরাধে ১৯ টি দোকান কে মোট ৭১ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

     

    নগরীর বিভিন্ন স্থানে জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এস, এম, অজিয়র রহমানের নির্দেশনায় মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করেন।

     

    এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জেলা প্রশাসকের কার্যালয় বরিশাল মোঃ জিয়াউর রহমান এবং এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ সাইফুল ইসলাম।

     

    করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব সম্পর্কে গণসচেতনতা কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি এ সময় বিভিন্ন টি-স্টল, মুদি দোকান ও এলাকার মোড়ে মোড়ে যেখানেই জনসমাগম দেখা গেছে তা ছত্রভঙ্গ করা হয় এবং নিরাপদ দূরত্বে চলার নির্দেশনা, মাক্স পরার নির্দেশনা প্রদানের পাশাপাশি জেলা প্রশাসন এর পক্ষ থেকে মাক্স বিতরণ করা হয়।

     

    এসময় সবাইকে যৌক্তিক প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে আসতে নিষেধ করা হয় এবং সন্ধ্যা ৬ টার মধ্যে জরুরি ঔষধ ব্যতীত সকল প্রকার দোকান বন্ধ রাখার নির্দেশ প্রদান করা হয়।

     

    এসময় মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনায় করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ জিয়াউর রহমান। অভিযান পরিচালনাকালে নগরীর পোর্ট রোড এলাকায় বেশ কয়েকটি জুতার দোকান ও মাছ ধরার বিভিন্ন উপকরন জাল বিক্রি করার দোকান খোলা রেখে জনসমাগম করে পণ্য বিক্রয় করছে পাশাপাশি সরকারি আদেশ অমান্য করে দোকান খোলা রেখে রোগের বিস্তারে ঝুঁকি বৃদ্ধি করার কারণে পোর্ট রোডের ৬ টি দোকানকে সংক্রামক রোগ (প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইন ২০১৮ এর ২৫ (১) ধারায় বিভিন্ন অংকে মোট ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

     

    এরপর নগরীর গির্জা মহল্লা এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, মার্কেটের বাইরের অর্ধ শাটার খোল রেখে দোকানকে সংকেত দেয়ার জন্য বাইরে লোক দাঁড় করিয়ে রেখে ভেতরে স্বাভাবিকভাবেই দোকানের অভ্যন্তরে কাস্টমার রেখে কয়েকটি দোকানকে কার্যক্রম চালু অবস্থায় পাওয়া যায়।

     

    বিভিন্ন মোবাইল ও ইলেকট্রনিকস এর দোকান খোলা রেখে জনসমাগম করে দোকান পরিচালনা করছে তার এমন অভিযোগ আমলে নিয়ে গির্জা মহল্লা এলাকার ৯ টি দোকানকে একই আইনে মোট ৩৮ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। এসমসয়, বেশ কয়েকটি স্পটে টিসিবির পণ্য বিক্রয়ে ক্রেতাদের দীর্ঘ লাইনে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করা হয়। অভিযানের পাশাপাশি সচেতনামূলক কার্যক্রম হিসেবে বেশ কয়েকটি স্থলে মাস্ক বিতরণ করা হয়।

     

    আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা সহযোগিতা করেন এএসপি মুকুর চাকমার নেতৃত্বাধীন র‍্যাব-৮ এর একটি টিম। অপরদিকে করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতকরণ ও গণসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ সাইফুল ইসলাম এর নেতৃত্বে নগরীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করেন।

     

    এসময় নগরীর চকবাজার এবং বাজার রোডে অপ্রয়োজনীয় দোকান খোলা রেখে জনসমাগমের মাধ্যমে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের আশঙ্কা তৈরীর অপরাধে দন্ডবিধির ১৮৬০ এর ২৬৯ ধারা মোতাবেক চারটি দোকানকে মোট ৩ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়।

     

    অভিযানে আইনানুগ সহযোগিতা প্রদান করেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের একটি টিম। অভিযান শেষে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটদ্বয় বলেন, জনগণকে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে রক্ষা এবং করোনা ভাইরাসের বিস্তার এবং এটিকে পুঁজি করে অসাধু ব্যবসায়ীদের বাজার অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা রোধকল্পে জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এস, এম, অজিয়র রহমান সদা সচেষ্ট এবং তাঁর নির্দেশনায় নিয়মিত এ ধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • মডেল স্কুল এন্ড কলেজ শিক্ষক ফেন্সিডিলসহ বেনাপোলে আটক

    মডেল স্কুল এন্ড কলেজ শিক্ষক ফেন্সিডিলসহ বেনাপোলে আটক

    করোনা সংক্রমণ রোধে মোড়ে মোড়ে বিজিবির বসানো কঠোর নিরাপত্তা বেষ্টনী ভেদ ফেন্সিডিলের চালান পাচারের সময় বেনাপোল সীমান্ত থেকে ৮২ বোতল ভারতীয় ফেন্সিডিল ও একটি মোটরসাইকেল সহ বরিশাল সরকারী মডেল স্কুল এন্ড কলেজের সহকারী শিক্ষক নজরুল ইসলাম সুমন (৪৪) কে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যরা ।

    সোমবার (২০) বেলা ১২টার সময় বেনাপোল পোর্ট থানার শিকড়ী বটতলা থেকে তাকে আটক করে বেনাপোল বিজিবি কোম্পানী সদরের সদস্যরা ।

    আটক নজরুল বরিশালের সদর উপজেলার মকবুল আহমেদের ছেলে।

    বিজিবি জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে, অভিযান চালিয়ে বেনাপোল সীমান্তের শিকড়ী বটতলা এলাকা থেকে মোটরসাইকেল সহ সুমনকে আটক করা হয়। পরে তার কাছে থাকা একটি স্কুল ব্যাগ তল্লাশি করে ৮২ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার করা হয়। তিনি পুটখালী সীমান্ত থেকে ফেন্সিডিলের এ চালানটি নিয়ে বরিশালে যাচ্ছিলেন।

    আটক নজরুল ইসলাম সুমন জানান, তারা ৬ জন বরিশাল থেকে মোটরসাইকেলে করে বেনাপোলে এসে ফেন্সিডিল নিয়ে বরিশাল যাচ্ছিলো। তার ৫ সহযোগীরা এসময় ফেন্সিডিল নিয়ে পালিয়ে গেলেও তিনি আটক হন বিজিবির জালে।

    তার সহযোগীরা হলো, আইনজীবি আলম রশীদ লিখন (৪২), ডাক্তার মিঠু (৩৫), ব্যাংকার ডোনা (৩৫), ব্যবসায়ী হেলাল উদ্দিন বুলেট (৩৮) ও মনির হোসেন (৪০)। তারা নিয়মিত বেনাপোলে এসে ফেনসিডিল নিয়ে যেত বরিশালে।

    যশোর ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্ণেল মোঃ সেলিম রেজা জানান, একটি ফেন্সিডিল পাচার চক্র বরিশাল থেকে বেনাপোলে এসে ফেন্সিডিল নিয়ে যাওয়ার সময় একজনকে আটক করা হয়েছে। আটক ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে বেনাপোল পোর্ট থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

  • বরিশালে গভীর রাতে কপোত কপোতী আটক

    স্টাফ রিপোর্টার : ইয়াকুব হোসাইন:

    দশে জুড়ে মহামারী করোনা ভাইরাস। তবে এ সময়টা নিরব থাকায় যৌন চাহিদা মেটাটে শারীরিক অবৈধ সম্পর্কের গরে তোলে ওরা। সোমবার রাত ১২টা ৩০ মিনিটের দিকে বরিশাল নগরীর চাঁদমারী বঙ্গবন্ধু কলোনির আজিজ মাস্টারের ভাড়াটিয়া সেলিম খানের পুত্র ইব্রাহিম( ২০) ও বাকেরগঞ্জের দাড়িয়াল ইউনিয়নের এর বাসিন্দা কদম আলী শিকদারের মেয়ে শাহিনুর বেগম (৩০) কে আটক করে স্থানীয় জনতা ।

    অবৈধভাবে ঘনবসতি এলাকার মধ্যে অনৈতিক কর্মকান্ডের সময় দু’জনকেই স্থানীয়রা গনধোলাই দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।

    প্রত্যক্ষদর্শী এলাকাবাসী জানায়,রাতে এই মহামারী করোনাভাইরাসে বহিরাগত কেউ যেন এলাকায় প্রবেশ না করতে পারে সে জন্য এলাকার লোকজন প্রতিনিয়ত এলাকায় টহল দেয়। সেই সময় তাদেরকে অসামাজিক কাজে লিপ্ত থাকা অবস্থায় চোখে পড়ে। পরবর্তীতে তাদেরকে আটকে রেখে পুলিশে খবর দেয়া হলে পুলিশ তাদের নিয়ে যায়।

  • প্রশাসন ক্যাডারের আরও ৬ কর্মকর্তার কোভিড-১৯ শনাক্ত: জনপ্রশাসন সচিব

    প্রশাসন ক্যাডারের আরও ৬ কর্মকর্তার কোভিড-১৯ শনাক্ত: জনপ্রশাসন সচিব

    করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধযুদ্ধে বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিসের ৭ জন কর্মকর্তার এখন পর্যন্ত কোভিড-১৯ শনাক্ত হয়েছে। এরমধ্যে ২২তম ব্যাচের উপসচিব জালাল সাইফুর রহমান মারা গেছেন। তিনি দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) কর্মরত ছিলেন।

    শনাক্ত বাকি ৬ জন হলেন- সৌদি আরবের লেবার কাউন্সিলের মোঃ আমিনুল ইসলাম (২০তম ব্যাচ), গাজীপুরের টঙ্গী রাজস্ব সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ গোলাম মোর্শেদ খান পাভেল (৩৩তম ব্যাচ), কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট হিমাদ্রী খীসা (৩৪তম ব্যাচ) এবং নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট তানিয়া তাবাসসুম (৩৫তম ব্যাচ), সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ফারজানা আক্তার (৩৬ তম ব্যাচ), সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল মতিন খান (৩৭তম ব্যাচ)

    জনপ্রশাসন সচিব শেখ ইউসুফ হারুন রবিবার (১৯ এপ্রিল) এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

  • লকডাউন অমান্য করায় ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান : জরিমানা-দোকান সিলগালা

    লকডাউন অমান্য করায় ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান : জরিমানা-দোকান সিলগালা

    সরকারি নির্দেশ অমান্য করায় বরিশাল নগরীর গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেছে জেলা প্রশাসন। জেলা প্রশাসনের নির্বাহী হাকিম নাজমূল হুদা লকডাউন কার্যকরে গোটা নগরী চষে বেড়ান। এসময়ে শহীদ নজরুল ইসলাম সড়ক (পুলিশ লাইন্স), নথুল্লাবাদ, চৌমাথা, কাঠপট্টি, নতুনবাজার, ফলপট্টি, কাউনিয়া ও কাশিপুর এলাকায় অনিয়মকারীদের আইনের আওতায় এনে ২৮ হাজার ৫ শ টাকা জরিমানা করেন।

    জেলা প্রশাসনের মিডিয়া সেল জানিয়েছে, অভিযানে কাউনিয়া এলাকায় ইসমাইল ও জাহিদ লকডাউন অমান্য করায় ৫শ’ টাকা করে জরিমানা করা হয়। রনি নামে এক ব্যক্তি মোবাইল কোর্টের কর্মকান্ড ভিডিও করায় অপরাধে ২০০০ টাকা জরিমানা করা হয়। ইউনুস নামে এক ব্যক্তিকে অপ্রয়োজনীয় দোকান খোলা রেখে জনসমাগম করায় ১০০০ টাকা জরিমানা করা হয়। নতুনবাজার এলাকায় অপ্রয়োজনীয় দোকান খোলা রেখে জনসমাগম করায় ৩ দোকানকে মোট ৪০০০ টাকা জরিমানা করা হয়।

    চৌমাথা এলাকায় কয়েকটি ইলেকট্রনিক্স দোকানে জনসমাগম করায় ৩টি দোকানকে ৭৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়। কাঠপট্টি এলাকায় দোকান খোলা রেখে জনসমাগম করায় মামুনকে ৫০০০ টাকা ও ফোরকানকে ৮০০০ টাকা জরিমানা করা হয়।

    অন্য একটি দোকানে অধিক জনসমাগম ছিল কিন্তু আইন শৃঙ্খলা বাহিনী গেলে দোকান খোলা রেখে পালিয়ে যায়। তাদের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু না আসায় বাজার কমিটির মৌখিক অনুরোধের প্রেক্ষিতে সিলগালা করা হয়। এছাড়াও বেশ কয়েকটি স্পটে টিসিবির পণ্য বিক্রয়ে ক্রেতাদের দীর্ঘ লাইনে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করা হয়। অভিযানের পাশাপাশি সচেতনামূলক কার্যক্রম হিসেবে বেশ কয়েকটি স্থানে মাস্ক বিতরণ করেন নাজমুল হুদা।

    আর পুরো অভিযানে শৃঙ্খলা রক্ষায় সহযোগিতা করেন র‍্যাব-৮’র এএসপি মুকুর চাকমার নেতৃত্বাধীন একটি টিম।

  • বরিশালবাসীকে নিরাপদে রাখতে তৎপর প্রশাসন, উদাসীন সাধারণ মানুষ

    বরিশালবাসীকে নিরাপদে রাখতে তৎপর প্রশাসন, উদাসীন সাধারণ মানুষ

    বরিশালে করোনা রোগী শনাক্ত হওয়ার আগ থেকেই কঠোর অবস্থানে মাঠে নামে জেলা প্রশাসন। করোনা শনাক্তের পর সম্পূর্ণ বরিশাল জেলাকে লকডাউন (অবরুদ্ধ) ঘোষণা করা হয়। করোনা পরিস্থিতির শুরু থেকেই অদ্যবধি জেলা প্রশাসন, পুলিশসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ও চিকিৎসকদের তোড়জোড় ছিলো চোখে পড়ার মতো। বরিশালবাসীকে নিরাপদে রাখতে তাদের একীভূত কার্যক্রম দৃশ্যমান ও ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে।

    নাগরিক সমাজে সচেতনতার বার্তা পৌঁছে দিতে প্রশাসনিক কর্তব্যের বাইরে গিয়ে একাধিক কর্তাব্যক্তিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও বেশ সরব ভুমিকা রাখতে দেখা গেছে। তবে এসব কার্যক্রমে নগরবাসীর মধ্যে করোনা প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধি পেলেও, গ্রাম গঞ্জের মানুষদের মাঝে প্রকাশ পেয়েছে উদাসীনতা। এমনকি লকডাউন শুরুর আগে এবং এরমধ্যেও বিভিন্ন জেলার মানুষদের বরিশালে প্রবেশের খবর পাওয়া গেছে।

    বরিশাল সদর উপজেলার লামচরি এলাকার বাসিন্দা রাসেল হোসেন জানান, তাদের এলাকার মানুষজন করোনা প্রতিরোধে এখনও যথেষ্ট সচেতন নন। সামাজিক দূরত্ব না মেনে অনেকেই খোলা মাঠে নিয়মিত খেলাধুলায় অংশগ্রহণ করছেন। প্রশাসনের সচেতনতার বার্তাগুলো আমলে নিচ্ছেনা এক শ্রেণীর বয়োজ্যেষ্ঠরাও। বরিশাল বন্দর থানাধীন কর্ণকাঠি এলাকার এহসানুল হক বলেন, লকডাউন শুরু হবার পূর্বে বাইরের বিভিন্ন জেলা থেকে কিছু মানুষ এলাকায় এসেছে। তাদের ব্যাপারেও প্রবাসীদের মতো কোয়ারান্টাইনে রাখার পদক্ষেপ নেওয়া উচিত ছিল।

    করোনা পরিস্থিতি শুরুর সময় থেকে প্রশাসনিক কার্যক্রম ছাড়াও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জনগণকে সচেতনতার বার্তা দিয়ে যাচ্ছেন জেলা প্রশাসক এসএম অজিয়ার রহমান। তিনি বলেন, পৃথিবীর কেউই এখনো জানেন না বর্তমান সংকট থেকে উত্তরনে কার্যকর করণীয় কি হতে পারে। সংক্রমণ রুখতে সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নে আমরা যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। তিনি আরও জানান, লকডাউন উপেক্ষা করে নদীপথে কিছু মানুষ ঢুকছে। সেটা প্রতিহত করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। তবে এক্ষেত্রে জনগণের সচেতনতা সবচেয়ে মুখ্য ব্যাপার। আইন বা পুলিশের ভয় দেখিয়ে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়।

    তবে করোনার প্রাদুর্ভাব রুখতে সামাজিক দূরত্ব ভঙ্গ হয় এমন কোনো কাজ বরদাস্ত করা হবেনা বলে হুঁশিয়ারী দিয়েছেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ (বিএমপি) কমিশনার শাহাবুদ্দিন খান। তিনি জানান, নগরজুড়ে বিভিন্ন চেকপোস্ট ও টহল জোরদার করা হয়েছে। লকডাউন কার্যকর করতে সব ধরণের পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, লকডাউনের পূর্বে কিছু মানুষ বাইরে থেকে বরিশালে প্রবেশ করেছে এ ব্যাপারে নিশ্চিত হয়েছি। তাদেরকে কোয়ারান্টাইনে রাখার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

    সূত্রমতে, বরিশাল বিভাগের একমাত্র করোনা পরীক্ষাগার ও চিকিৎসা কেন্দ্র নগরীর শেরেবাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম)। সৃষ্টিকর্তার পর সেখানকার চিকিৎসা সেবায় নিয়োজিতরাই বরিশালবাসীর নিরাপত্তা ও সুস্থতার প্রধান কারিগর। ইতোমধ্যে রোগীদের পাশে থাকতে গিয়ে সেখানকার একজন চিকিৎসক, একজন সেবিকা ও একজন ছাত্র করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

    শেবাচিমের পরিচালক ডা. মো. বাকির হোসেন পেশাগত দায়িত্ব পালনের সাথে সাথে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও মানুষদের বারবার সতর্ক বার্তা প্রদান করছেন। পরিচালক বলেন, করোনার বিরুদ্ধে যুদ্ধে আমারা সবসময় মানুষদের পাশে থাকবো। কিন্তু সকলের প্রতি অনুরোধ দয়া করে সবাই ঘরে থাকুন। এই যুদ্ধে সকলের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে যদি ব্যক্তিগতভাবে নিরাপদ থাকা যায়।

  • ব‌রিশা‌লে নদীতে কোষ্টাগার্ডের প্রচার অভিযান

    ব‌রিশা‌লে নদীতে কোষ্টাগার্ডের প্রচার অভিযান

    ব‌রিশা‌লে ক‌রোনার সংক্রমন রো‌ধে নৌপথ ও নদী তীরবর্তী মানু‌ষের ম‌ধ্যে স‌চেতনতামূলক প্রচারনা চা‌লি‌য়ে‌ছে কোষ্টগার্ড।

    বৃহষ্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সকাল থেকে বরিশাল কীর্ত‌ন‌খোলা নদীর ডি‌সি ঘাট এলাকা থে‌কে কোষ্টগার্ড এই প্রচারণা কার্যক্রম শুরু ক‌রে।

    এ‌কে এ‌কে নগরের কেডিসি ঘাট, চাঁদমা‌রি ঘাট, ত্রিশ গোডাউন ঘাট, চরকাউয়া খেয়াঘাট, বেলতলা খেয়াঘাট, চর‌মোনাই খেয়াঘাটসহ কীর্তন‌খোলা, আঁড়িয়াল খা, ঝুনাহার নদীসহ জেলার বি‌ভিন্ন নদ-নদীর নানান প‌য়ে‌ন্টে ক‌রোনার সংক্রমন প্র‌তি‌রো‌ধে প্রচারনা চালা‌নো হয়। কোষ্টগার্ডের জাহাজ পাবনা’র অফিসার ইনচার্জ মোঃ মাসুদুল হাসান জানান, নদী তীরবর্তী মানুষ‌কে স‌চেতন কর‌তে এবং ঘ‌রে থাকা নি‌শ্চিত কর‌তে এই কার্যক্রম প‌রিচালনা করা হচ্ছে।