Category: প্রশাসন

  • করোনা প্রতিরোধে নিজেদের সুরক্ষিত রাখতে প্রস্তুত বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ

    করোনা প্রতিরোধে নিজেদের সুরক্ষিত রাখতে প্রস্তুত বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ

    ৬ষ্ঠ বারের মতো করোনা প্রতিরোধে স্বাস্থ্য সামগ্রী বিতরণে প্রস্তুত বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ। ডিউটি পালনে বাহির এবং ব্যারাকে প্রবেশের পূর্বে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের প্রতিটি সদস্য জীবাণুনাশক স্প্রে কক্ষ হয়ে যেতে হচ্ছে।

     

    বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার জনাব মোঃ শাহাবুদ্দিন খান কর্তৃক প্রদত্ত করোনা প্রতিরোধে স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী গ্রহণ সহ করোনা প্রতিরোধ যুদ্ধে করণীয় ও বর্জনীয় সচেতনতা মূলক নির্দেশনায় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ পরিবার করোনা প্রতিরোধে স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রীর সঠিক ব্যবহারে নিজেকে সুরক্ষিত রেখে অন্যের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

     

    বিএমপি কমিশনার মহোদয়ের সঠিক ও সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত ও নির্দেশনা তথা তদারকি কার্যক্রমে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ নিজেকে সুরক্ষিত রেখে আরও বেগবান হয়ে কাজ করতে সহায়ক ভূমিকা রেখেছে।

  • বরিশালে ৯ প্রতিষ্ঠান ও ২ ব্যক্তিকে জরিমানা

    বরিশালে ৯ প্রতিষ্ঠান ও ২ ব্যক্তিকে জরিমানা

    করোনা ভাইরাস সংক্রমণ (কোভিড-১৯) পরিস্থিতিতে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করায় বরিশালে ৯ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও ২ ব্যক্তিকে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। পাশাপাশি ২ প্রতিষ্ঠানের গোডাউন সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) দিনব্যাপী বরিশাল নগরের বিভিন্ন এলাকায় র‌্যাব ও পুলিশ সদস্যদের সহযোগিতায় এ অভিযান চালান জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. নাজমুল হুদা, মো. আতাউর রাব্বী ও সিটি করপোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইমতিয়াজ মাহমুদ জুয়েল।

    জেলা প্রশাসনের মিডিয়া সেল সূত্রে জানা যায়, নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মো. নাজমুল হুদা পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত নগরের কাঠপট্টি এলাকায় অভিযান চালিয়ে অপ্রয়োজনীয় ইলেক্ট্রনিক দোকান খোলা রাখায় ওবায়দুর রহমানকে ৪ হাজার ও সোহরাব হোসেনকে ৫শ টাকা জরিমানা করেন। এছাড়া নগরের পদ্মাবতি এলাকায় কাপড়ের দোকান খোলা রেখে লোক সমাগম করায় হারুন অর রশিদের দোকান থেকে ১৫ হাজার, মাজাহারুল ইসলামের দোকান থেকে ১০ হাজার এবং মো. আলমগীরের দোকান থেকে ২ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন।

    পরে নগরের কাউনিয়া বিসিক শিল্প নগরীতে অভিযান চালায় ভ্রাম্যমাণ আদালত। সেখানে উৎপাদনের নামে অন্য প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে জায়গা বরাদ্দ নিয়ে গোডাউন গড়ে তোলা ও গোডাউন খোলা রেখে স্বাস্থ্যবিধি না মেনে জনসমাগম করায় মাহাদী এন্টারপ্রাইজ ও সুমা এন্টারপ্রাইজকে ৫০ হাজার টাকা করে মোট ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। পাশাপাশি গোডাউন দুটি সিলগালা করে দেওয়া হয়।

    এ সময় মুঠোফোনে ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রমের ভিডিও ধারণ করে সরকারি কাজে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির দায়ে মো. জুয়েল নামে এক ব্যক্তিকে ১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

    অপরদিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আতাউর রাব্বী পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত নগরের চাঁদমারী পুলিশ অফিসার্স মেস এলাকায় অভিযান চালিয়ে স্বাস্থ্য বিধি অমান্য করায় একটি সেলুনকে ৫শ এবং একটি চায়ের দোকানকে ৫শ টাকা জরিমানা করেন।

    এছাড়া সিটি করেপোরেশেনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইমতিয়াজ মাহামুদ জুয়েল পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত সামাজিক দূরত্ব বজায় না রেখে পণ্য বিক্রি করায় চকবাজারের প্রগতী ট্রেডার্সের মালিক মুসা জামিলকে তিন হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

    ভ্রাম্যমাণ আদালত চলাকালে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা করোনার ভয়াবহতা সম্পর্কে জনসাধারনকে সচেতন করেন এবং এই ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে বাঁচতে সবাইকে স্বাস্থ্য বিধি অনুযায়ী নিজ নিজ ঘরে থাকার আহ্বান জানান। জনস্বার্থে এই অভিযান অব্যাহতভাবে চলবে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসনের সহকারি কমিশনার সুব্রত কুমার বিশ্বাস।

  • আক্রান্ত ২১৮ পুলিশ সদস্যের সার্বক্ষণিক খোঁজ নিচ্ছেন আইজিপি

    আক্রান্ত ২১৮ পুলিশ সদস্যের সার্বক্ষণিক খোঁজ নিচ্ছেন আইজিপি

    মৃতব্যক্তির সৎকার, জানাজা, করোনা আক্রান্ত পলাতক রোগীদের ধরে আনাসহ এই ক্রান্তিকালে হাজারো ইনোভেটিভ কাজ করছে বাংলাদেশ পুলিশের সদস্যরা। পুলিশ সদস্যরা সাধারণ মানুষের সুরক্ষার জন্য জেনেশুনেই জীবনের ঝুঁকি নিচ্ছেন। করোনা বিস্তাররোধে পুলিশকে প্রতিটি কাজেই মানুষের খুব কাছে যেতে হচ্ছে। নিজের অজান্তেই করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন পুলিশ সদস্যরা।

    পুলিশ সদর দফতরের দেয়া তথ্যমতে, বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) পর্যন্ত সারাদেশে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন কনস্টেবল হতে বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাসহ ২১৮ জন সদস্য। কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন ৬৫২ জন। আক্রান্ত পুলিশ সদস্যদের চিকিৎসার জন্য প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। করোনার এই সম্মুখ যোদ্ধাদের সুস্থ করে তুলতে পুলিশের হাসপাতালগুলোতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়, স্বয়ং পুলিশ প্রধান ড. বেনজীর আহমেদ ব্যক্তিগতভাবে খোঁজ খবর নিচ্ছেন এবং দিচ্ছেন প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা।

    তিনি নিয়মিত আক্রান্ত সদস্যদের পরিবারের খোঁজখবর নেয়ার জন্য প্রত্যেক ইউনিটের কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দিয়েছেন। পাশাপাশি করোনায় মাঠ পর্যায়ে দায়িত্বরত আর সবাইকে সুস্থ রাখার জন্যও প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

    বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ সদর দফতরের এআইজি (মিডিয়া) বলেন, মানুষের সুরক্ষায় হাসিমুখে জীবনের ঝুঁকি নিচ্ছেন পুলিশ সদস্যগণ। হচ্ছেন আক্রান্ত ও স্থাপন করছেন অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।

    তিনি বলেন, বিশ্ব জুড়েই সুরক্ষা সামগ্রীর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। বাংলাদেশও এই বাস্তবতা থেকে দূরে নয়। আমাদের দুই লক্ষাধিক সদস্যের একটি বড় অংশ সরাসরি মাঠে থেকে করোনার বিস্তাররোধে কাজ করছেন। তাদেরকে যথাসম্ভব সুরক্ষা সামগ্রী সরবরাহ করা হয়েছে। এখনও অনেক চাহিদা রয়েছে। চাহিদা পূরণে কাজ করছি আমরা।

    তিনি বলেন, সাধারণ মানুষের সুরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সব কিছু করা হচ্ছে। যে কোনো সমাবেশ ও লোকসমাগমে আইনি ব্যবস্থা, অপরাধ দমন, আসামী গ্রেফতার ও তাকে আদালতে প্রেরণ, মানুষের বেঁচে থাকার জন্য আবশ্যিক খাদ্য, ওষুধ ও অন্যান্য জরুরি সেবার সঙ্গে যুক্ত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিকে নিরাপত্তা দেয়া, দ্রব্য সামগ্রীর মূল্য নিয়ন্ত্রণ, মজুতদারি ও কালোবাজারি রোধ, সরকারি ত্রাণ ও টিসিবির পণ্য বিতরণে অনিয়মের ক্ষেত্রে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ, সামাজিক দূরত্ব বাস্তবায়ন, খোলা স্থানে বাজার স্থানান্তর, নিভৃতে সাধারণ মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে নিজস্ব উদ্যোগে খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দেয়া, কৃষি ও অর্থনীতির চাকাকে সচল রাখতে বিভিন্ন স্থানে ধান কাটার শ্রমিক প্রেরণ, অসুস্থ সাধারণ রোগীকে হাসপাতালে পৌঁছে দেয়া ও চিকিৎসা পেতে সহায়তা করা, প্রিয়জন পরিত্যক্ত ও পথের পাশে পড়ে থাকা মৃতব্যক্তির পাশে যখন আর কেউ নেই তখন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ও যথাযথ সম্মানের সঙ্গে সৎকার করার মতো হাজারো ইনোভেটিভ কাজ করছে বাংলাদেশ পুলিশের দেশপ্রেমিক সদস্যগণ।

    ইতোমধ্যেই পুলিশের এই সদস্যগণ সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসহ সাধারণ মানুষের কাছে অনুকরণীয় হয়ে উঠেছেন। পুলিশের এই ত্যাগে অনুপ্রাণিত হয়ে অনেকেই এগিয়ে আসছেন মানুষের সেবায়। পুলিশ তাদেরকেও সহায়তা করছে মানবিক কাজে।

    এ সব কাজ করতে গিয়ে পুলিশের সদস্যদের সাধারণ মানুষের সুরক্ষার জন্য জেনেশুনেই জীবনের ঝুঁকি নিতে হয়েছে এবং হচ্ছে। যেহেতু করোনা বিস্তার রোধে পুলিশকে প্রতিটি কাজেই মানুষের খুব কাছে যেতে হয়, মিশতে হয় মানুষের সঙ্গে, তাই নিজের অজান্তেই করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন পুলিশের কোনো কোনো সদস্য। ২৩ এপ্রিল সকাল পর্যন্ত সারাদেশে আক্রান্ত হয়েছেন কনস্টেবল হতে বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাসহ ২১৮ জন সদস্য। কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন ৬৫২ জন।

    সোহেল রানা বলেন, মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে পাক হানাদারদের বিরুদ্ধে এই পুলিশই যেমন ছুঁড়েছিল একাত্তরের প্রথম প্রতিরোধী বুলেটটি, যেমন বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে অকাতরে জীবন দিয়েছিল পুলিশের হাজারো সদস্য, তেমনি দুর্যোগে ও দুঃসময়ে সব সময়েই বাংলাদেশ পুলিশ রয়েছে সাধারণ মানুষের পাশে।

  • করোনা বিস্তার রোধে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে ডিআইজি শফিকুল

    করোনা বিস্তার রোধে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে ডিআইজি শফিকুল

    নিজস্ব প্রতিবেদক :: বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজি মো: শফিকুল ইসলামের নির্দেশনায় বরিশাল, পটুয়াখালী , ভোলা, পিরোজপুর , ঝালকাঠি ও বরগুনা জেলায় করোনা বিস্তার রোধে এবং সামাজিক দুরত্ব নিশ্চিত করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে পুলিশ সদস্যগণ। পাশাপাশি বাজার মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

    এরই ধারাহিকতায় করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে ঘরে থাকা কর্মহীন অসহায় মানুষের বাড়িতে বাড়িতে প্রতিনিয়ত খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছে এবং বাজার মনিটরিং করছে পুলিশ। পাশাপাশি বরিশাল রেঞ্জের জেলাসমূহের অসহায় কর্মহীন ও দরিদ্র মানুষের মাঝে ত্রাণ কার্যক্রমসহ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছে জেলা পুলিশ।

    ডিআইজি মো: শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘করোনার এই দুঃসময়ে সমাজের সকল বিত্তবানদের এগিয়ে আসা উচিত। বিশেষ করে যারা দিন আনে দিন খায়-তাদের অবস্থা খুবই করুন। তাই আমাদের পক্ষ থেকে যথাসম্ভব ত্রাণ সামগ্রী বিতরন করে সাহায্য করার চেষ্টা করছি।’

    করোনায় কাঁপছে বিশ্ব। বাংলাদেশেও বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। লকডাউন করা হয়েছে বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন জেলা। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে স্বল্প আয়ের মানুষেরা। সকলের উচিত এদের পাশে দাড়ানো।

  • ঝালকাঠিতে সাংবাদিকদের পিপিই দিলেন পুলিশ সুপার

    ঝালকাঠিতে সাংবাদিকদের পিপিই দিলেন পুলিশ সুপার

    ঝালকাঠিতে করোনা সংক্রমণ মোকাবেলায় মাঠেঘাটে ছুটে বেড়ানো ১৫ জন সাংবাদিককে পিপিই দিয়েছেন পুলিশ সুপার ফাতিহা ইয়াসমিন। বুধবার দুপুরে পুলিশ সুপার তাঁর কার্যালয়ে সাংবাদিকদের হাতে পিপিই তুলে দেন। জেলায় এই প্রথম সাংবাদিকদের কেউ পিপিই প্রদান করলো। ঝুঁকিপূর্ণ কাজে সাংবাদিকরাই মানুষের কাছে যায়, তাই তাদের পিপিই প্রয়োজন ছিল বলে জানিয়েছেন পুলিশ সুপার। পিপিই প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. হাবীবুল্লাহ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ছোয়াইব ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) এমএম মাহমুদ হাসান। পিপিই পেয়ে সাংবাদিকরা পুলিশ সুপারের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

  • বড় ধরণের বিপর্যয় থেকে নগরবাসীকে রক্ষা করলেন বিএমপি কমিশনার

    বড় ধরণের বিপর্যয় থেকে নগরবাসীকে রক্ষা করলেন বিএমপি কমিশনার

    চলছে করোনার মহা তান্ডব। বিশ্বব্যাপী ভয়ংকর এই ভাইরাসের থাবায় সন্ত্রস্ত সবাই। এর থেকে বাচতে এখন পর্যন্ত দুটি কর্মপন্থ উদ্ভাবন করেছেন গবেষকরা। প্রথমত হাত-মুখ জীবানুমুক্ত রাখা। দ্বিতীয়ত সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা। ৮ মার্চের পূর্বে বাংলাদেশও নিরাপদ ছিল। কিন্তু কমিউনিটি ট্রান্সমিশনে দেশের অবস্থাও এখন ভয়াবহ। তার উপরে দেশের মানুষ সামাজিক দূরত্ব মানতে নারাজ। পুলিশ-প্রশাসন সর্বাত্ম চেষ্টা করে ঘরে রাখতে বাধ্য করছেন। তারপরও ফুসরত পেলে ছুটে যান বাইরে নানান ইস্যুতে। এতে করে করোনা সংক্রমণের মারাত্মক ঝুঁকি থেকে যায় জনপদে।

    তেমনি বড় ধরণের ঝুঁকি থেকে বরিশাল নগরীকে বাচিয়ে দিলেন মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোঃ শাহাবুদ্দিন খান। এই কর্মকর্তার বিচক্ষণতায় এই যাত্রায় রক্ষা পেলো কমিউনিট ট্রান্সমিশন। আর তাই লোকমুখে প্রশংসায় ভাসছেন শাহাবুদ্দিন খান। ছোট্ট একটি সিদ্ধান্তে এটা সম্ভব হয়েছে। বিএমপি হেডকোয়াটার্স জানিয়েছে, মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোঃ শাহাবুদ্দিন খান সার্বক্ষণিক নগরীর সব জায়গার খোঁজ রাখেন। প্রত্যেক থানার, প্রত্যেক মহল্লার খবর তা্কে পৌঁছাতে হয় ঘন্টায় ঘন্টায়। এতে করে অবশ্য অনেক থানার কর্মকর্তারা রয়েছেন চাপের মুখে। কিন্তু করেনা প্রতিরোধ যুদ্ধে সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নে জিরো টলারেন্স গ্রহণ করায় এসবই মেনে নিতে হচ্ছে অফিসারদের।

    জানা গেছে, মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোঃ শাহাবুদ্দিন খান সরাসরি মনিটরিং করায় প্রত্যেক এলাকায় পৌঁছে গেছে সরকারি সেবা ও পুলিশি টহল। দিনে কয়েক দফায় টহল টিম ঘুরে ঘুরে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করেন।

    তারই অংশ হিসেবে মঙ্গলবার বরিশাল নগরীর দুটি এলাকায় কার্ফু জারি করেন মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোঃ শাহাবুদ্দিন খান। সূত্র মতে, বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের সাবেক সফল মেয়র, জনপ্রিয় রাজনীতিবিদ ও এমপি মরহুম শওকত হোসেন হিরনের বড় ভাই বীর মুক্তিযোদ্ধা হারুন অর রশিদ মৃত্যুবরণ করেন। ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হলে স্বজনরা দাফনের সিদ্ধান্ত নেন বরিশালে। সে অনুসারে নূরিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে জানাজার নামাজ এবং মুসলিম গোরস্থানে দাফন করা হয়।

    যেহেতু একজন সফল রাজনীতিবিদের ভাই এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন হারুন অর রশিদ। সেকারনে তার জানাজায় বিপুল পিরমানে জনসমাগমের সম্ভাবনা ছিল। তাছাড়া বরিশাল নগরীতে জনপ্রিয় এই পরিবারের মানুষের জন্য আলাদা ভালোবাসা রয়েছে নগরবাসীর। ফলে হারুন অর রশিদের জানাজায় ঘরে থাকার নির্দেশনা নাও মানতে পারেন নগরবাসী।

    যে কারনে সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নিয়ে ওই এলাকায় কার্ফু জারি করেন মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোঃ শাহাবুদ্দিন খান। আর সেই সংবাদ গণমাধ্যমে ফলাও করে প্রচার হলে নিবৃত হন মানুষ। যদিও ধর্মীয় বিধান অনুসারে বীর মুক্তিযোদ্ধা হারুন অর রশিদের দাফন সম্পন্ন হয়। দাফন সম্পন্ন করেন তার স্বজনরা।

    কিন্তু বৃহৎ কোন জনসমাগম না হওয়ায় করোনা সংক্রমনের বড় ধরনের ঝুঁকির বাইরে রইলো নগরী।

    আমতলার জুমরি খান সড়কের বাসিন্দা খলিলুর রহমান মুঠোফোনে জানান, আমরা ভয়ে ছিলাম মরহুম হারুন অর রশিদ সাহেবের জানাজাকে কেন্দ্র করে জনসামাগম হতে পারে। হলে বড় ধরণের বিপর্যয়ের মুখে পড়তাম এলাকাবাসী।

    এই বাসিন্দা বলেন, হারুন সাহেব খুব ভালো মানুষ ছিলেন। তার সুনাম নগরীতে ছিল। সঙ্গত কারনে তাকে শেষ বিদায় দিতে অনেক মানুষ আসবেন। এটাই স্বাভাবিক। যদি আগেই মানুষ ঠেকানো না যেত তাহলে করেনার সংক্রমন ছড়াতে পাড়তো।

    স্কুল শিক্ষক আব্দুস সালাম মনে করেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার প্রশাসন যে ভুল করে ঝুঁকিতে ফেলেছে ওই জেলাকে তেমনি একটু অসর্তক হলে বরিশাল নগরীরও এই পরিণতি হতে পারতো। সেক্ষেত্রে কমিশনার বিচক্ষণার পরচিয় দিয়েছেন। নগরবাসী তার কথা সব সময় মনে রাখবেন বলে জানান।

    প্রসঙ্গত, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সরাইল উপজেলার বেড়তলা গ্রামে লাখো মানুষের অংশগ্রহণে মাওলানা জুবায়ের আহমদ আনসারীর নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জানাজায় বিপুল সংখ্যায় মানুষের উপস্থিতি ঠেকাতে ব্যর্থতায় সার্কেল এসপি ও সরাইল থানার ওসিকে প্রত্যাহার করা হয়েছে ইতিমধ্যে। একই সাথে সরাইল থানার ৪টি গ্রামের ১৬ হাজার ৫শ’ লোককে কোয়ারেন্টাইনে নেওয়া হয়েছে। তা নিয়ে পুরো দেশে বির্তক ওঠে। আতঙ্কও ছড়িয়ে পড়ে।

  • করোনার সংক্রমণ রোধে বরিশালের প্রবেশদ্বারে সিসি ক্যামেরা

    করোনার সংক্রমণ রোধে বরিশালের প্রবেশদ্বারে সিসি ক্যামেরা

    প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে একেরপর এক উদ্যোগ গ্রহন করছে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ। সবশেষ তারা করোনার বিস্তার রোধে জানাজা নামাজ ও দাফন কাজে লোকসমাগম ঠেকাতে কারফিউ জারি করেছেন মুসলিম গোরস্থানসহ তৎসংলগ্ন এলাকায়।

     

    অবশ্য করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় অনেক আগে থেকেই প্রস্তুতির কমতি ছিল না বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের। করোনা পরিস্থিতিতে পুলিশের এই ইউনিটের ভূমিকা সারাদেশে নজিরবিহীন বলে মনে করছেন এখানকার স্থানীয়রা।

     

    বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোঃ শাহাবুদ্দিন খান-বিপিএম (বার) এর নির্দেশনায় শুরু থেকেই করোনায় স্বাস্থ্য সম্পর্কিত সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নে প্রচার প্রচারণা, জীবাণুনাশক পানি স্প্রে করে নগরী ধুয়ে ফেলা, মানুষের ঘরে থাকা নিশ্চিত করা, মধ্যবিত্ত পরিবারে লুকিয়ে রাতের আধারে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া এমনকি করোনা উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হওয়া মানুষের জানাযা ও দাফন কাফনে তাদের কার্যক্রম বেশ প্রশংসিত হচ্ছে।

     

    শুধু তাই নয়, করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় বাইরের লোক প্রবেশ ও বাহির ঠেকাতে নগরীর বিভিন্ন পয়েন্টে বসানো হয়েছে বিশেষ চেকপোস্ট। প্রথমদিকে ছোট-বড় মিলিয়ে মোট দশটি চেকপোস্ট থাকলেও সেই সংখ্যা বেড়ে এখন ১১টি। এসব পয়েন্টে দিন-রাত ২৪ ঘন্টা নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারে কাজ করছে মেট্রোপলিটন পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের সদস্যরা।

     

    এদিকে শুধুমাত্র পুলিশের চেকপোস্ট নয়, এর পাশাপাশি বসানো হচ্ছে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা। এরই মধ্যে বরিশাল মহানগরীর তিনটি এন্ট্রিপয়েন্টে বসানো হয়েছে এ সিসি ক্যামেরা। এর একটি বরিশাল-পটুয়াখালী ও ভোলা মহাসড়কের মধ্যবর্তী বন্দর থানাধীন জিরো পয়েন্টে বসানো হয়েছে।

     

    অপর দুটির একটি বরিশাল-ঝালকাঠি মহাসড়কের কোতোয়ালি মডেল থানাধীন কালিজিরা ব্রিজ এবং অপরটি বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের বাবুগঞ্জ উপজেলার নতুনহাট নামক স্থানে। আর নতুন চেকপোস্ট বসানো হয়েছে বরিশাল-বাবুগঞ্জের বাইপাস সড়কের বটতলা নামক স্থানে।

     

    তবে এর আগে থেকেই এয়ারপোর্ট থানাধীন করাপুর স্টিল ব্রিজ, রহমত পুর মোড়, লাকুটিয়া সড়ক, নথুল্লাবাদ, গড়িয়ার পাড়, বন্দর থানাধীন লাহারহাট, তালুকদার হাট, খয়রাবাদ ব্রিজ, কোতয়ালী মডেল থানাধীন কালিজিরা ব্রীজ ও রূপাতলীতে চেক পোস্ট স্থাপন করা হয়।

     

    এ প্রসঙ্গে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার ও স্টাফ অফিসার মো. আব্দুল হালিম বলেন, কমিশনার স্যারের নির্দেশনা অনুযায়ী শুরু থেকেই আমরা শক্তসমর্থ হবে কাজ করছি। যাতে বরিশাল মহানগরী করমুক্ত রাখা যায়।

     

    তিনি বলেন, চেকপোস্ট গুলোতে কারা আসছে, কারা যাচ্ছে এবং পুলিশ সদস্যরা সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করছে কিনা সে বিষয়টি তদারকির জন্যই সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। যা কমিশনার স্যার নিজেই কার্যালয়ে বসে মনিটরিং করছেন।

     

    তিনি আরো বলেন, এই মুহূর্তে বরিশাল নগরীতে প্রবেশ এর সকল পথেই চেকপোস্ট রয়েছে। শুধুমাত্র বরিশাল-বাবুগঞ্জের অভ্যন্তরিন বাইপাস সড়কে কোন চেকপোস্ট ছিলনা। কিন্তু বাবুগঞ্জ উপজেলা করোনা ভাইরাসের জন্য ক্রমশ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে।

     

    তার মধে ওই পথ দিয়ে বাবুগঞ্জ এলাকার মানুষ বরিশাল নগরীতে আসা-যাওয়া করছিল। তাই বাবুগঞ্জ ও বরিশালের (লাকুটিয়া হয়ে) ওই সড়কটির বটতলা নামক স্থানে বসানো হয়েছে আরেকটি চেকপোস্ট।

     

    সরকারের স্বাস্থ্য সম্পর্কিত দিক নির্দেশনা মেনে ঘরে থাকার আহ্বান জানিয়ে পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, করোনাভাইরাস থেকে রক্ষা পাওয়ার এটাই একমাত্র পথ বা উপায়। তাই কষ্ট করে হলেও কিছু দিনের জন্য নিজের এবং পরিবারের কথা ভেবে অপ্রয়োজনে বাহির না হয়ে ঘরে থাকার পরামর্শ দেন তিনি।

  • খাইরুল আলমের পিতার মৃত্যু, বরিশাল মেট্টোপলিটন পুলিশের শোক

    খাইরুল আলমের পিতার মৃত্যু, বরিশাল মেট্টোপলিটন পুলিশের শোক

    বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর) মোঃ খাইরুল আলমের পিতা বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মোঃ লুৎফর রহমান (৭০) বার্ধক্য জনিত কারণে ইইন্তেকাল করেছেন (ইন্না-লিল্লাহ ওয়াইন্নালিল্লাহি রাজেউন)।

    আজ (২১এপ্রিল) সকালে যশোর জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন বাদিয়াটোলা গ্রামে তাহার নিজ বাস ভবনে ইন্তেকাল করেন।

    মরহুমেরবিদেহী আত্নার মাগফিরাত কামণা করছেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোঃ শাহাবুদ্দিন খানসহ বিএমপির সকল কর্মকর্তাগণ।

  • করোনা মোকাবেলায় রেঞ্জ পুলিশের ব্যাপক তৎপরতা

    করোনা মোকাবেলায় রেঞ্জ পুলিশের ব্যাপক তৎপরতা

    করোনা ভাইরাস মােকাবেলায় ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ব্যাপক কার্যক্রম চালাচ্ছে বরিশাল রেঞ্জ পুলিশ। রেঞ্জ ডিআইজি মোঃ শফিকুল ইসলামের সরাসরি তত্ত্বাবধায়নে বিভাগের সবজেলায় সার্বক্ষণিট টহল ও ত্রাণ সহায়তা চালিয়াচ্ছে। আজ মঙ্গলবার রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয় থেকে প্রেরিত এক ই-মেইল বার্তায় এই তথ্য জানােনা হয়।

     

    রেঞ্জ অফিস জানিয়েছেন-বরিশাল, পটুয়াখালী , ভোলা, পিরোজপুর , ঝালকাঠি ও বরগুনা জেলায় করোনার বিস্তার রোধে সামাজিক দুরত্ব নিশ্চিতকরণ ও কর্মহীন দরিদ্র মানুষের মাঝে ত্রাণ কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে।

    স্থানীয় প্রশাসনের সাথে সমন্বয় করে লকডাউন, মানুষের হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করা, সংশ্লিষ্ট এলাকায় যেন কোনভাবেই অপরাধ না বাড়ে তা নিশ্চিত করা এবং অসহায় মানুষকে সহায়তা করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সেই নির্দেশনা অনুযায়ী গতকাল ৬ জেলায় ব্যাপক তৎপরতায় চালায় পুলিশ।

  • বরিশালে ৩ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও ২ ব্যক্তিকে জরিমানা

    বরিশালে ৩ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও ২ ব্যক্তিকে জরিমানা

    বরিশালে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে অপ্রয়োজনীয় দোকান খোলা রাখায় ৩ ব্যবসায়ি প্রতিষ্ঠান ও অপ্রয়োজনে ঘোরাঘুরি করায় ২ ব্যক্তিকে মোট ১১ হাজার ৬শ’ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

    মঙ্গলবরা (২১ এপ্রিল) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মো. নাজমুল হুদা বরিশাল নগরে এ অভিযান পরিচালনা করেন।

    তিনি জানান, অভিযানে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করায় রিগ্যাল ও ভিশন এম্পোরিয়াম নামে দুটি শো-রুম ও একটি গ্যারেজকে জরিমানা করা হয়। এছাড়া অপ্রয়োজনে বাইরে ঘোরাঘুরি করায় ২ ব্যক্তিকে জরিমানা করা হয়। পাশাপাশি করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব সম্পর্কে গণসচেতনতা কার্যক্রম পরিচালনার সময় বিভিন্ন টি-স্টল, মুদি দোকান ও এলাকার মোড়ে মোড়ে যেখানেই জনসমাগম দেখা গেছে তাও ছত্রভঙ্গ করা হয়। শুধু তাই নয়, মানুষজনকে নিরাপদ দূরত্বে চলার নির্দেশনা, মাস্ক পরার নির্দেশনা প্রদানের পাশাপাশি জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাস্কও বিতরণ করা হয়।

    এ সময় যৌক্তিক প্রয়োজন ছাড়া কাউকে ঘরের বাইরে যেতে নিষেধ করা হয় এবং সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে জরুরি ওষুধ ব্যতীত সব প্রকার দোকান বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। অভিযানে র‌্যাব-৮-এর একটি টিম সহযোগিতা করে।