Category: প্রশাসন

  • স্মার্ট পুলিশ গড়ে তুলতে নিয়মিত মাষ্টার প্যারেডের বিকল্প নেই : পুলিশ কমিশনার

    স্মার্ট পুলিশ গড়ে তুলতে নিয়মিত মাষ্টার প্যারেডের বিকল্প নেই : পুলিশ কমিশনার

    বরিশাল মেটোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোঃ শাহাবুদ্দিন খান বলেছেন, যাঁদের টাকায় আমাদের বেতন রেশন হয়, সেই জনগণকে সর্বোচ্চ আস্থা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সাথে সেবা প্রদানের লক্ষে আরও বেগবান হওয়ার পাশাপাশি নিজেদের স্মার্ট পুলিশ হিসেবে গড়ে তুলতে নিয়মিত মাষ্টার প্যারেডের বিকল্প নেই।

    পুলিশ কমিশনার বলেন, মাষ্টার প্যারেড শৃঙ্খলার একটা অংশ, আমাদের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয় বা স্ট্যান্ডার্ড নষ্ট হয় এমন আচরণ থেকে বিরত থাকতে শৃঙ্খলার সাথে কাজ করতে হবে। বাড়তি সতর্কতার পাশাপাশি জাতীয় জীবনে গুরুত্বপূর্ণ মাসগুলোতে নজরদারি, চেকপোষ্ট বৃদ্ধির দ্বারা সংঘবদ্ধ অপরাধিদের ধরে আইনের আওতায় আনতে হবে।

    শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) বরিশাল মেটোপলিটন পুলিশের আয়োজিত মাষ্টার প্যারেডে তিনি এসব কথা বলেন।

    অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এসপি) মোঃ ছালেহ্ উদ্দিনের নেতৃত্বে মাষ্টার প্যারেডে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার প্রলয় চিসিম, উপ-পুলিশ কমিশনার নগর বিশেষ শাখা মোঃ জুলফিকার আলী হায়দার, উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর দপ্তর) আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ্, উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) মোঃ মোকতার হোসেন পিপিএম-সেবা, উপ-পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) জাকির হোসেন মজুমদার পিপিএম-সেবা,  উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিবি) মোঃ জাহাঙ্গির মল্লিক, উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর) মোঃ খাইরুল আলম, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর) মোঃ আবুল কালাম আজাদ, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিবি) মোঃ রেজাউল করিম, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (নগর বিশেষ শাখা) মোঃ মাহাবুবুর রহমান  (পিপিএম), অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার ( ফোর্স) মোঃ আব্বাসউদ্দীন, সহকারী পুলিশ কমিশনার কোতোয়ালি মডেল থানা মোঃ রাসেল আহমেদ, সহকারী পুলিশ কমিশনার (কাউনিয়া থানা এন্ড স্টাফ অফিসার) মোঃ আঃ হালিম, সহকারী পুলিশ কমিশনার ( ট্রান্সপোর্ট এন্ড এয়ারপোর্ট থানা) মোঃ রবিউল ইসলাম শামীম, সহকারী পুলিশ কমিশনার (প্রসিকিউশন এন্ড ক্রাইম) মোঃ মতিউর রহমান, সহকারী পুলিশ কমিশনার (ডিবি) নরেশ কর্মকার, সহকারী পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মোঃ ফায়জুর রহমানসহ অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।

  • বরিশালে ছোট ভাইকে ইট দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করল বড় ভাই

    বরিশালে ছোট ভাইকে ইট দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করল বড় ভাই

    বরিশাল নগরীতে আপন ভাইয়ের পিটুনিতে নিহত হয়েছেন ফরিদ হোসেন (৪৫) নামে অপর এক ভাই।

    শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় নগরীর বগুড়া সড়কে এ ঘটনা ঘটে।

    নিহত ফরিদ হোসেন বগুড়া প্রধান সড়ক সংলগ্ন জেসমিন ভিলা নামক বাড়ির বাসিন্দা। তার পিতা মরহুম মজিদ খান ধণাঢ্য ঠিকাদার ছিলেন। তার ১০ ছেলে ও ৩ মেয়ে। ফরিদ হোসেন এক সময় ওষুধ প্রস্তুত প্রতিষ্ঠানে চাকরি করলেও বর্তমানে বেকার অবস্থায় ছিলেন। তিনি এক সন্তানের জনক। তার স্ত্রী বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরি করেন বলে জানা গেছে।

    স্থানীয়রা জানায়, নগরীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকা বগুড়া প্রধান সড়কে মরহুম মজিদ খানের রেখে যাওয়া সম্পত্তি নিয়ে তার সন্তানদের মধ্যে বিরোধ চরমে। প্রায়ই তাদের মধ্যে হাতাহাতি ও মারামারির ঘটনা ঘটত। এর ধারাবাহিকতায় শনিবার সকালে ভাইদের মধ্যে মারামারি হয়। তখন ফরিদ হোসেনকে একটি লোহার পাইপ দিয়ে বেদম পেটানোর পর মাথায় ইট দিয়ে আঘাত করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে বড় ভাই মফিজুল ইসলাম নান্না, আরেক ভাই মজিবর রহমান উপস্থিত থাকলেও মূলত শাহ আলমই পিটিয়েছে ফরিদকে।

    ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, জেসমিন ভিলা নামক বাড়ির প্রধান ফটক সংলগ্ন একটি স্টলের ভাড়া আদায় নিয়ে দুই ভাই ফরিদ ও শাহ আলমের মধ্যে বিরোধ ছিল। শনিবার সকালে ফরিদ ভাড়াটিয়া কাজলের কাছে জানুয়ারি মাসের ভাড়া চাইলে কাজল তাকে দিতে অস্বীকার করেন। এ সময় সেখানে শাহ আলমও উপস্থিত হন। তখন দুই ভাইয়ের মধ্যে তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে মারামারিতে ফরিদ আহত হন। তাকে উদ্ধার করে শেরে-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

    বিষয়টি নিশ্চিত করে বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মো. নুরুল ইসলাম বলেন, প্রধান অভিযুক্ত নিহত ফরিদের ভাই শাহ আলমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়া জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে সবার বড় ভাই মফিজুল ইসলাম নান্না ও তার ছেলে সিয়ামকে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

  • বরিশালের ১২ ভিক্ষুক পেলেন ৬ লক্ষ টাকা

    বরিশালের ১২ ভিক্ষুক পেলেন ৬ লক্ষ টাকা

    বরিশাল সদর উপজেলায় ভিক্ষুক মুক্তকরণ সভা ও পুনর্বাসনের লক্ষে ১২ ভিক্ষুকের মাঝে ৬ লাখ টাকার চেক বিতরণ করা হয়েছে। রোববার বেলা সকাল ১১টায় সদর উপজেলা পরিষদের হলরুমে জেলা প্রশাসন ও সমাজসেবা অধিদপ্তরের উদ্যোগে এই সভা ও চেক বিতরণ করা হয়।

    চেক বিতরণ করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক এসএম অজিয়র রহমান। সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মোশারফ হোসেনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক আল-মামুন তালুকদার, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান মধু ও মুক্তিযোদ্ধা কাওছার হোসেনসহ অন্যান্যরা।

    সভায় সদর উপজেলা ভিক্ষুকমুক্ত করতে নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়। একইসাথে ১২ ভিক্ষুককে পুনর্বাসনের জন্য ৫০ হাজার টাকা করে মোট ৬ লাখ টাকার চেক বিতরণ করা হয়।

    এই টাকা দিয়ে তারা গাভী পালন, ক্ষুদ্র ব্যবসা পরিচালনা ও ভ্যান কিনে পরিচালনা করবেন। এ কর্মকাণ্ড বাস্তবায়ন হচ্ছে কিনা তা ফলোআপ করবেন সমাজসেবা বিভাগের কর্মকর্তারা।

  • বরিশালের ১২ ভিক্ষুক পেলেন ৬ লক্ষ টাকা

    বরিশালের ১২ ভিক্ষুক পেলেন ৬ লক্ষ টাকা

    বরিশাল সদর উপজেলায় ভিক্ষুক মুক্তকরণ সভা ও পুনর্বাসনের লক্ষে ১২ ভিক্ষুকের মাঝে ৬ লাখ টাকার চেক বিতরণ করা হয়েছে। রোববার বেলা সকাল ১১টায় সদর উপজেলা পরিষদের হলরুমে জেলা প্রশাসন ও সমাজসেবা অধিদপ্তরের উদ্যোগে এই সভা ও চেক বিতরণ করা হয়

    চেক বিতরণ করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক এসএম অজিয়র রহমান। সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মোশারফ হোসেনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক আল-মামুন তালুকদার, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান মধু ও মুক্তিযোদ্ধা কাওছার হোসেনসহ অন্যান্যরা।

    সভায় সদর উপজেলা ভিক্ষুকমুক্ত করতে নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়। একইসাথে ১২ ভিক্ষুককে পুনর্বাসনের জন্য ৫০ হাজার টাকা করে মোট ৬ লাখ টাকার চেক বিতরণ করা হয়।

    এই টাকা দিয়ে তারা গাভী পালন, ক্ষুদ্র ব্যবসা পরিচালনা ও ভ্যান কিনে পরিচালনা করবেন। এ কর্মকাণ্ড বাস্তবায়ন হচ্ছে কিনা তা ফলোআপ করবেন সমাজসেবা বিভাগের কর্মকর্তারা।

  • বাবুগঞ্জে প্রতিবন্ধী কিশোরী ধর্ষণ, ১২ ঘন্টায় সব আসামী গ্রেফতার করলেন ওসি!

    বাবুগঞ্জে প্রতিবন্ধী কিশোরী ধর্ষণ, ১২ ঘন্টায় সব আসামী গ্রেফতার করলেন ওসি!

    বাবুগঞ্জে এক বুদ্ধি প্রতিবন্ধী কিশোরী ধর্ষণের শিকার হয়েছে। ওই ধর্ষণের ঘটনায় মামলা দায়েরের ১২ ঘন্টার মধ্যেই মূল আসামী ও তার সহযোগীকে গ্রেফতার করছে বাবুগঞ্জ থানা পুলিশ। বাবুগঞ্জ থানার ওসি মো. মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে থানা পুলিশের একটি দল শনিবার রাতে বাহেরচর ক্ষুদ্রকাঠী এলাকায় অভিযান চালিয়ে ধর্ষক রিমনকে (১৬) গ্রেফতার করেন এবং আগের মধ্যরাতে ধর্ষকের সহযোগী সুমনকে (১৮) আটক করেন।

    ধর্ষক রিমন বাবুগঞ্জ উপজেলার দেহেরগতি ইউনিয়নের বাহেরচর ক্ষুদ্রকাঠী গ্রামের দুলাল দফাদারের ছেলে এবং তার সহযোগী সুমন মুলাদী উপজেলার কাজিরচর এলাকার মৃত আইয়ুব আলী ফকিরের ছেলে। প্রতিবন্ধী কিশোরী ধর্ষণের ঘটনায় শনিবার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে বাবুগঞ্জ থানায় দু’জনকে আসামী করে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার সন্ধ্যায় দেহেরগতি ইউনিয়নের বাহেরচর ক্ষুদ্রকাঠী গ্রামের বুদ্ধি প্রতিবন্ধী কিশোরীকে স্থানীয় দুলাল দফাদারের ছেলে রিমন তার বন্ধু সুমনের সহযোগিতায় ফুসলিয়ে পার্শ্ববর্তী নোমান মাস্টারের বসতঘরে নিয়ে জোরপূর্বক আটকে উপর্যুপরি ধর্ষণ করে। এসময় ওই কিশোরীর বাবা ও মা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ডাক-চিৎকার দিলে ধর্ষক রিমন পালিয়ে যায়।

    এদিকে অভিযোগ পেয়ে রাতেই তাৎক্ষনিক অভিযান চালিয়ে ধর্ষকের সহযোগী আসামী সুমনকে গ্রেফতার করেন বাবুগঞ্জ থানার ওসি এবং ধর্ষিতা কিশোরীকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রেরণ করেন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করা হয়।

    এদিকে ওই ধর্ষণের ঘটনায় শনিবার বাবুগঞ্জ থানায় ২ জনকে আসামী করে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করে ২৪ ঘন্টার মধ্যে ধর্ষককে গ্রেফতার করার ঘোষণা দেন বাবুগঞ্জ থানার চৌকস ওসি মিজানুর রহমান। তবে ওই ঘোষণার ১২ ঘন্টার মধ্যেই তিনি শনিবার রাতে মামলার মূল আসামী ধর্ষক রিমনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হন।

    এ ঘটনায় সত্যতা স্বীকার করে বাবুগঞ্জ থানার ওসি মো. মিজানুর রহমান বলেন, প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের ঘটনায় আসামী গ্রেফতার করার কাজকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়ে দিনরাত নাওয়া-খাওয়া ভুলে দফায় দফায় বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে মামলার ২ আসামীকেই গ্রেফতার করা হয়েছে।

    উল্লেখ্য, ধর্ষক রিমনের পিতা দেহেরগতি ইউনিয়নের বাহেরচর ক্ষুদ্রকাঠী গ্রামের দুলাল দফাদার (৪৫) নিজেও বিগত প্রায় ৪ বছর আগে একই এলাকায় তার বেয়াইনের ১২ বছরের শিশুকন্যাকে ধর্ষণের পর হত্যা করেন। ওই ঘটনায় দুলাল দফাদারের বিরুদ্ধে শিশুধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে দায়েরকৃত মামলায় প্রায় ৩ বছর কারাভোগ করেন তিনি।

    এছাড়াও তিনি বাহেরচর ক্ষুদ্রকাঠী গ্রামের খান বাড়িতে ডাকাতির অপরাধে মোস্তফা খানের দায়েরকৃত মামলায় দীর্ঘদিন জেলহাজতে থাকার পরে বর্তমানে আদালতের জামিনে রয়েছেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ধর্ষক ও খুনি পিতা দুলাল দফাদারের সাহস এবং শেল্টারেই মাত্র ১৬ বছর বয়সেই বাপের মতো জঘন্য অপকর্ম শুরু করেছে রিমন। তাই এ ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেছেন সর্বস্তরের এলাকাবাসী।

    এদিকে শনিবার রাতে ধর্ষিতা কিশোরীকে দেখতে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে গিয়েছেন বাবুগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব কাজী ইমদাদুল হক দুলাল ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) নুসরাত জাহান খান। এসময় তারা ধর্ষিতা প্রতিবন্ধী কিশোরীর সার্বিক খোঁজখবর নেয়াসহ তার পরিবারকে সর্বাত্মক সহায়তার আশ্বাস দেন।

  • ‘আইজিপি’ পদক পেলেন বরিশাল বিমান বন্দর থানার ওসি ফয়সাল আহমেদ

    ‘আইজিপি’ পদক পেলেন বরিশাল বিমান বন্দর থানার ওসি ফয়সাল আহমেদ

    ভালো কাজের স্বীকৃতি হিসেবে পুলিশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পুরস্কার ‘আইজিপি এক্সেমপ্লারি গুড সার্ভিস ব্যাজ’ পেলেন বরিশাল মেট্রোপলিটন বিমান বন্দর থানা পুলিশের ওসি (তদন্ত) শাহ্ মোঃ ফয়সাল আহমেদ

    মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) সকাল ১১ টায় রাজার বাগ পুলিশ লাইনসে এ পুরস্কার প্রদান করেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী।

    পুলিশ সদর দফতর সূত্রে এ তথ্য নিশ্চিত করা হযেছে।

    এ ব্যাপারে বরিশাল মেট্রোপলিটন বিমান বন্দর থানা পুলিশের ওসি (তদন্ত) শাহ্ মোঃ ফয়সাল আহমেদ জানান, কর্মক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ তার এ প্রাপ্তিতে পেশাদারিত্ব ও কর্ম উদ্দীপনা আরো বাড়িয়ে দেয়। এ পদককে পুঁজি করে আগামীতে আরো ভালো কাজ করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

    তার এ প্রাপ্তির জন্য বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোঃ শাহাবুদ্দিন খানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।

    একজন চৌকস কর্মকর্তা হিসেবে ভালো কাজের স্বীকৃতি স্বরুপ এই প্রাপ্তিতে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোঃ শাহাবুদ্দিন খানসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা বিমান বন্দর থানা পুলিশের ওসি (তদন্ত) শাহ্ মোঃ ফয়সাল আহমেদকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।

  • বরিশালে বিসিএস কোচিং বন্ধের নির্দেশ

    বরিশালে বিসিএস কোচিং বন্ধের নির্দেশ

    বরিশালে সব বিসিএস কোচিং সেন্টার বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বরিশাল জেলা প্রশাসক (ডিসি) এস এম অজিয়র রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শনিবার (৪ জানুয়ারি) থেকে ৮ জানুয়ারি (বুধবার) পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন নিয়ন্ত্রিত ৪০তম বিসিএস পরীক্ষা-২০১৮ এর আবশ্যিক বিষয়ের লিখিত পরীক্ষা সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজ, বরিশাল কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে। এ সময়ের মধ্যে কোনো বিসিএস কোচিং সেন্টারের কার্যক্রম চলমান পাওয়া গেলে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • ভালো কাজের স্বীকৃতি পাচ্ছেন বরিশাল ডিসি ট্রাফিক খাইরুল

    ভালো কাজের স্বীকৃতি পাচ্ছেন বরিশাল ডিসি ট্রাফিক খাইরুল

    কর্মক্ষেত্রে ভুমিকা রেখে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অন্তত ৫ শতাধিক সদস্য সরকারের তরফ থেকে বিশেষ মর্যাদা পেতে যাচ্ছেন। পুলিশ বাহিনীর কেন্দ্রীয় দপ্তর তাদের ৬ টি ক্যাটাগারিতে কাজের স্বীকৃতিস্বরুপ পুরস্কার দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। এই তালিকায় উঠে এসেছে বরিশাল মেট্রোপলিটন ট্রাফিক পুলিশের ডিসি খাইরুল আলমসহ তিন কর্মকর্তার নাম। বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী আগামী ৫ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের পুরস্কারস্বরুপ ‘আইজিপি’স এক্সেমপ্ল্যারি গুড সার্ভিসেস ব্যাজ’ পরিয়ে দেবেন।

    খাইরুল আলম ট্রাফিক পুলিশের ডিসি হিসেবে যোগদানের পরে কর্মদক্ষতার মাধ্যমে পুরো বিভাগকে স্বচ্ছতার একটি প্ল্যাটফরমে নিয়ে আসেন। বিশেষ করে কীর্তনখোলার তীর জনপদ বরিশাল শহরের সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে বেশ যুগপযোগী ভুমিকা রাখেন। আপসহীন এই কর্মকর্তা দুর্ঘটনা রোধে যানবাহন আরোহীদের সচেতনার লক্ষে বেশ কয়েকটি কার্যকরি পদক্ষেপ রেখেও প্রশংসিত হয়েছেন। তার দিক-নির্দেশনায় মাঠপর্যায়ে ট্রাফিক পুলিশ মোটরসাইকেল আরোহীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে হেলমেট ব্যবহারে কঠোর মনভাব দেখান। ইতিমধ্যে এই নির্দেশনা অনেকাংশে বাস্তবায়নও হয়েছে। ট্রাফিক পুলিশের সম্পর্কে মানুষের অনেক নেতিবাচক ভাবনা থাকলে তাও অকেটা দুর করতে সক্ষম হয়েছেন ডিসি খাইরুল আলম।

    একটি সূত্র জানায়- সৎ-চিন্তা চেতনার অধিকারী ডিসি খাইরুল আলম তৎসময়ের কর্মস্থল বরিশাল র‌্যাবেও বেশ ভুমিকা রেখে প্রসংশিত হয়েছিলেন। ২৪ ব্যাচের এই কর্মকর্তা র‌্যাবের সহকারি পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে তিনি পদন্নোতি পেয়ে দিনাজপুরের সার্কেল এসসি সেখান থেকে সিলেট আর আর এফ পুলিশে বদলি হন। এই পুলিশ কর্মকর্তা পরবর্তীতে বরিশাল আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়নে সহ-অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন শেষে পদন্নোতি পেয়ে মৌলভীবাজার জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হন। বরিশাল মেট্রোপলিটনে যোগদানের পূর্বে তিনি নাটোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

    প্রতিটি কর্মস্থলেই খাইরুল আলম বেশ সাহসীকতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখেন। তবে এই পুলিশ কর্মকর্তা বেশিমাত্রায় আলোচিত হয়েছেন বরিশালের সড়কে যানবাহনে শৃঙ্খলা ফেরানোর প্রশ্নে। সড়কে নেমে তিনিও অপরাপর সদস্যদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করে উর্ধ্বতনদের দৃষ্টিও কাড়েন। মূলত এই কাজের স্বকৃতিস্বরুপ তিনি আজ পুরস্কার পেতে যাচ্ছেন বলে এই কথা পুলিশের ভেতর থেকেই শোনা যাচ্ছে।

    বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের একটি সূত্র জানায়- ডিসি খাইরুল আলম যে পুরস্কৃত হতে যাচ্ছেন এটা অনেকেরই অনুমান ছিল। কারণ সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে বিশেষ ভুমিকা রেখে তিনি শীর্ষ পুলিশ কর্মকর্তাদের আস্থা অর্জনেও সফল হয়েছেন। এছাড়া প্রসংশাও কুড়িয়েছেন বেশ।

    এদিকে ‘আইজিপি’স এক্সেমপ্ল্যারি গুড সার্ভিসেস ব্যাজ’ পেতে যাওয়ার খবরে ফুরফুরে মেজাজে রয়েছেন ডিসি খাইরুল আলম।

    এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি বরিশালটাইমস’র এ প্রতিবেদককে বলেন- সংবাদটা আসলেই খুশির। আগামী ৫ জানুয়ারি পুরস্কার গ্রহণ করতে তিনি রাজধানীতে থাকবেন। এবং এ জন্য সকল প্রস্তুতিও শেষ করেছেন।’

  • বরিশালে জেএমবি সক্রিয় সদস্য জোবাইদুল গ্রেপ্তার

    বরিশালে জেএমবি সক্রিয় সদস্য জোবাইদুল গ্রেপ্তার

    নিষিদ্ধ ঘোষিত জেএমবির এক সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে বরিশাল র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের একটি টিম। জোবাইদুল ইসলাম (৩৫) নামের ওই জেএমবি সদস্যকে সোমবার রাতে রাজধানী ঢাকার খিলগাঁও ফ্লাইওভার টোলপ্লাজা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

    পরে মঙ্গলবার রাতে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বরিশাল র‌্যাব অফিস এই তথ্য গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছে।

    গ্রেপ্তার জোবাইদুল লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ থানার কিসমাত মাদাতী গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের ছেলে।

    র‌্যাব অফিস সূত্র জানায়- গ্রেপ্তার জোবাইদুল র‌্যাবের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নিজেকে জেএমবি’র একজন সক্রিয় সদস্য বলে স্বীকার করেছে। সে স্থান ও সময় ভেদে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন পেশা গ্রহণ করে। তৎসময়ে ঢাকায় লেখাপড়ার সময় শীর্ষ জেএমবি সদস্যদের সান্নিধ্যে জেএমবি কর্মকাণ্ডে অনুপ্রাণিত হয়। পরে সে ঢাকা, গাজীপুর, কুমিল্লা, লালমনিরহাটসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে জেএমবি’র দাওয়াতি কর্মকাণ্ড চালিয়েছে।

    বুধবার তাকে একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করে র‌্যাব।

  • বরিশাল জেলা প্রশাসক অফিসে চাকরির সুযোগ

    বরিশাল জেলা প্রশাসক অফিসে চাকরির সুযোগ

    জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, বরিশাল -এ জেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদে ‘হিসাব সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর’ পদে নিয়োগের জন্য বরিশাল জেলার স্থায়ী বাসিন্দাদের থেকে দরখাস্ত আহ্বান করেছে।

    পদ-

    ১) পদের নাম: আফিস সহায়ক।
    পদ সংখ্যা: ২৬টি
    বেতন স্কেল: ৮,২৫০/-  ২০,০১০/ টাকা।
    শিক্ষাগত যোগ্যতা: ৮ম শ্রেণি পাস।

    কাজের ধরণ ফুল টাইম

    বেতন- আলোচনা সাপেক্ষে ।

    আবেদন করার প্রক্রিয়া:

    আবেদনের সময়সীমা:  ২৩/০১/২০২০ ইং তারিখ পর্যন্ত।