Category: প্রশাসন

  • বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি

    বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি

    বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটি ৮১তম বিএমএ দীর্ঘমেয়াদী কোর্সে নিয়োগ দেবে। এই পদে পুরুষ ও নারী উভয়ই আবেদন করতে পারবেন। আগ্রহ ও যোগ্যতা থাকলে আপনিও আবেদন করতে পারেন।

    শিক্ষাগত যোগ্যতা: মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট বা সমমান অথবা ‘ও’ লেভেল

    বয়স: ১৮-২৩ বছর

    উচ্চতা: পুরুষ-৫ ফুট ৪ ইঞ্চি ও মহিলা-৫ ফুট ২ ইঞ্চি

    বৈবাহিক অবস্থা: অবিবাহিত

    বেতন: সশস্ত্র বাহিনীর বেতনক্রম অনুসারে

    সময়সীমা: ৮ ফেব্রুয়ারি,২০২০

    আবেদনের প্রক্রিয়া: আবেদনের নিয়ম এবং বিজ্ঞপ্তি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইট www.army.mil.bd দেখুন।

    এছাড়াও বিজ্ঞপ্তিটি সরাসরি পেতে প্রতিষ্ঠানটির  এই লিংকটি দেখুন

  • বরিশাল সদর রোডে মোহনা স্টোরে জরিমানা

    বরিশাল সদর রোডে মোহনা স্টোরে জরিমানা

    বরিশাল নগরের সদর রোড এলাকায় অভিযান চালিয়ে মোহনা জেনারেল স্টোর নামে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

    সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) দুপুরে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আসমা জাহান সরকার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. জিয়াউর রহমান এ অভিযান পরিচালনা করেন।

    অভিযানকালে ওজন ও পরিমাপ মানদণ্ড আইন ২০১৮-এর ৩২(১) ধারা অনুযায়ী ওজন যন্ত্রের লাইসেন্স না থাকার অপরাধে মোহনা জেনারেল স্টোরকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এদিকে ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন ২০১৩ (সংশোধিত)-এর ৪ ধারা অনুযায়ী প্রকাশ্যে ধূমপান করার অপরাধে একজনকে ১০০ টাকা জরিমানা করা হয়।

    অভিযান পরিচালনাকালে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) প্রসিকিউশন অফিসার। অভিযানে করে বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ সদস্যরা।

    অভিযান শেষে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জিয়াউর রহমান জানান, নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে জনস্বার্থে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হচ্ছে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • বরিশালে খাল দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা গুড়িয়ে দিলো প্রশাসন

    বরিশালে খাল দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা গুড়িয়ে দিলো প্রশাসন

    বরিশালের হিজলা উপজেলার গুয়াবাড়ীয়া ইউনিয়নের কাউরিয়া বাজার খাল দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা অভিযান চালিয়ে গুড়িয়ে দিলেন নির্বাহী অফিসার আমিনুল ইসলাম।

    আজ শনিবার (২১ ডিসেম্বর) দুপুর ১টায় থেকে শুরু হয়ে বিকাল ৩ টা পর্যন্ত এ অভিযান চালানো হয়।

    জানা গেছে, এরআগে গত ১৮ ডিসেম্বর অবৈধ স্থপনার উচ্ছেদ অভিযান দিয়ে প্রায় ১০টি দোকান ঘর গুড়িয়ে দেওয়া হয়। সময় সল্পতার কারনে সকল স্থাপনা উচ্ছেদ করতে না পারায় তাদেরকে অতি জরুরী মালামাল সরানোর নির্দেশ দেয়া হয়। কিন্তু ঘর মালিকরা অবৈধ স্থপনার ঘর গুলো সরিয়ে না নিলে আজ দুপুর ২টার দিক অভিযান চালিয়ে ২০টি দেকান গুরিয়ে দেওয়া হয়।

    উপজেলা নির্বাহী অফিসার আমিনুল ইসলাম বলেন, এ সকল অবৈধ স্থপনার উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • মাদকাসক্ত পুলিশ সদস্যদের চিহ্নিত করতে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উদ্যোগ

    মাদকাসক্ত পুলিশ সদস্যদের চিহ্নিত করতে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উদ্যোগ

    বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ সদস্যদের মাদকমুক্ত রাখতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মাদকে আসক্ত সন্দেহের তালিকায় থাকা পুলিশ সদস্যদের ডোপ টেস্টের মাধ্যমে তাদের স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনতে এমন উদ্যোগ গ্রহন করা হয়েছে। মাস দুয়েক যাবত চলমান এই পরীক্ষায় বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য মাদক গ্রহণে অভ্যস্তের প্রমাণ মিলিছে। তাদের আনা হয়েছে শাস্তির আওতায়। আবার অনেকে একাধিকবার ডোপ টেস্ট্রের মুখোমুখি হওয়ায় নিজে ও তার পরিবার বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখে পড়েছে।

    দায়িত্বশীল পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন- বিতর্ক এবং স্বচ্ছতা পুনরুদ্ধারে নয়া পুলিশ কমিশনার মো. শাহাবুদ্দিন খান নিজেই এই উদ্যোগ নেন। সাম্প্রতিকালে বরিশালে মাদকসহ বেশ কয়েকজন মেট্রোপলিটন ও জেলা পুলিশের সদস্য আটক হওয়ায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ইমেজ সংকট দেখা দেয়। প্রশাসন যেখানে মাদকের বিরুদ্ধে জিরো ট্রলারেন্স অবস্থান নিয়েছে, সেখানে তাদেরই সদস্যরা মাদকের সাথে সম্পৃক্ত হওয়ার বিষয়টি একেবারে বেমানান।

    পুলিশের একটি সূত্র জানায়- পরিস্থিতির আলোকে পুলিশ কমিশনার ডোপ টেস্টের উদ্যোগ গ্রহণপূর্বক পুলিশ হেডকোয়াটার্সকে বিষয়টি অবহিত করেন। প্রাথমিক ভাবে কারা মাদক গ্রহণ করতে পারে সম্ভাব্য এ ধরনের পুলিশ সদস্যদের গোপনে চিহ্নিত করে একটি তালিকা প্রণয়ন করা হয়। পুলিশ কমিশনার কার্যালয় বিশেষ ব্যবস্থায় সন্দিগ্ধ পুলিশ সদস্যদের ধারাবাহিক এ পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। কিন্তু পুলিশ কমিশনার শাহাবুদ্দিন খান ডোপ টেস্টের চালুর কথা নিশ্চিত করলেও হেডকোয়াটার্সের অনুমতি নেওয়ার বিষয়টির সাথে দ্বিমত পোষণ করেন। তিনি জানান, পুলিশ বাহিনীতে স্বচ্ছতা ধরে রাখতে ইতিবাচক যেকোন উদ্যোগ স্থানীয়ভাবে নেওয়া যেতে পারে। তারই আলোকে ডোপ টেস্ট চালু করে পুলিশ সদস্যদের এক ধরনের সতর্ক বার্তা দেওয়া হয়েছে।

    এ পর্যন্ত কতজন পুলিশ সদস্য ডোপ টেস্টে মাদকাসক্ত হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে তার সংখ্যা কত এমন প্রশ্নে শীর্ষ এই পুলিশ কর্মকর্তা তাৎক্ষণিকভাবে সঠিক পরিসংখ্যান দিতে পারেনি। তিনি স্বীকার করেছেন বেশ কয়েকজন মাদকাসক্ত হিসেবে প্রমাণিত হওয়ার তাদের নজরদারির মাঝে রাখা হয়েছে।

    পুলিশের অসমর্থিত সূত্র জানায়- এ পর্যন্তত ১২ জনকে মাদকের সাথে সংশ্লিষ্টার প্রমাণ মিলিছে। তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলেও সেই পদক্ষেপের ধরণ কী প্রশাসনিক গোপনীয়তা রক্ষায় তার ব্যাখ্যা দিতে অস্বীকৃতি জানায়।

    ওই সূত্রটির ভাষ্যমতে- প্রায় প্রতিদিনই কোন না কোন পুলিশ সদস্যকে ডোপ টেস্টের প্রমাণ দিতে হচ্ছে। আবার কোন কোন পুলিশ সদস্য একবার নয়, একাধিকবার টেস্টের মুখোমুখি হয়েছে। সেখানেই বিপত্তি। পুলিশ সদস্যদের আপত্তি বারবার টেস্টের মুখোমুখি হওয়ার পরিবার পরিজনের কাছে প্রশ্নবিদ্ধ হতে হচ্ছে মাদকাসক্ত প্রসঙ্গে। বিব্রতকর এই পরিস্থিতিতে তারা মুখ খুলতেও পারছেন না স্বচ্ছতার নিরিকে নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় রাখতে। পুলিশ কমিশনার কার্যালয়ে স্বল্প পরিসরের ডোপ টেস্টের ব্যবস্থা থাকলেও পূর্ণাঙ্গভাবে পরীক্ষার জন্য বাইরের সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে সহায়তা নেওয়া হচ্ছে। সেই রিপোর্ট উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে জমা দিতে হয়।

    অপর একটি সূত্র বলছে- দাখিল করা রিপোর্ট সন্তোসজনক না হলেই পুনরায় তাদেরকে ডোপ টেস্টের মুখোমুখি হতে হয়। আবার সন্দেহের তালিকায় থাকা পুলিশ সদস্যদের একাধিকবার ডোপ টেস্ট করে রিপোর্ট নিশ্চিতের পরেই পরিত্রাণ মেলে। এনিয়ে পুলিশ প্রশাসনে বিব্রতকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হলেও অনেকেই স্বচ্ছ থাকতে স্বউদ্যোগেই ডোপ টেস্টে আগ্রহী হচ্ছেন।

    একজনের একাধিকবার ডোপ টেস্ট প্রসঙ্গে পুলিশ কমিশনার বলেন- স্বচ্ছতার তাগিদে এমনটি করা বেমানান কোথায়। প্রয়োজন থাকলে পর্যায়ক্রমে সবাইকেই এই পরীক্ষার আওতায় আনা হলেও বিতর্কের কিছু নেই।

    খোঁজ-খবর নিয়ে নিশ্চিত হওয়া গেছে- অত্যান্ত কঠোর মানসিকতার অধিকারী পুলিশ কমিশনার শাহাবুদ্দিন খান বরিশালে যোগদানের পরেই মেট্রোপলিটন পুলিশের চেহারা পাল্টে যায়। ফিরে আসে চেইন অব কমান্ড। এরই মাঝে পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে মাদকাসক্তের অভিযোগ উঠলে তিনি এই ডোপ টেস্ট চালু করেন। যার ইতিবাচক ফল হিসেবে মাদকের সাথে জড়িত অনেক পুলিশ সদস্য চাকরি বাঁচানোর স্বার্থে নেশা ছাড়তে বাধ্য হচ্ছেন। এমন অভিমত মাঠ পুলিশের ভেতর থেকেই পাওয়া গেছে।’

  • বরিশালের তিন থানার তদন্ত কর্মকর্তাকে বদলি

    বরিশালের তিন থানার তদন্ত কর্মকর্তাকে বদলি

    বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশে আকস্মিক সিদ্ধান্তে তিন থানার তদন্ত কর্মকর্তাকে রদবদল করা হয়েছে। কোতয়ালি মডেল, বন্দর ও বিমানবন্দর থানার ওসি তদন্ত হিসেবে দায়িত্বে থাকা এই তিন কর্মকর্তাকে বৃহস্পতিবার নতুন কর্মস্থলে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    বুধবার দুপুরে এই আদেশ জারির খবর সন্ধ্যার পরে খোলসা হয়। এই রদবদল অনেকটা স্ট্যান্ডরিলিজ আকারে গৃহীত হলেও দায়িত্বশীল পুলিশ কর্মকর্তারা বিষয়টিকে রুটিন মাফিক বদলি হিসেবে দেখছেন।

    পুলিশের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়- থানার কার্যক্রমে গতিশীলতা আনতে মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. শাহাবুদ্দিন খানের একক সিদ্ধান্তে এই রদবদল। যদিও বেশকিছু ধরে কোতয়ালি মডেল থানার ওসি তদন্ত পদে নতুন কাউকে নিয়ে আসার গুঞ্জন চলছিল। সেই সাথে ডিবি পুলিশে কর্মরত ওসি পদমর্যাদার বেশ কয়েকজন যেকোন থানায় যোগ দিতে পারেন এমন সম্ভবনার কথা শোনা যাচ্ছিল। বুধবার দুপুরে সিদ্ধান্ত আসে কোতয়ালি মডেল থানার তদন্ত কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামানকে বন্দর থানায় এবং তার স্থলে বিমানবন্দর থানার একই পদমর্যাদার কর্মকর্তা আব্দুর রহমান মুকুল ও বন্দর থানার তদন্ত কর্মকর্তা মো. ফয়সাল আহম্মেদকে বিমানবন্দর থানায় যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সাথে তাদের যোগদানে একদিনের সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়। মাঠপর্যায়ের এই তিন কর্মকর্তার রদবদলের পেছনে কোনরুপ অভিযোগ প্রাধান্য পায়নি। সকলেই কর্মক্ষেত্রে স্বচ্ছ কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তদুপরি আকস্মিক এক সাথে তিন কর্মকর্তার রদবদলের ঘটনাকে অনেকে স্বাভাবিকভাবে দেখতে নারাজ।

    রদবদলের তালিকায় থাকা কর্মকর্তারা তাদের স্থানান্তরিত খবর রাতে নিশ্চিত করেছেন। জানা গেছে- বুধবার দুপুরে রদবদলের এই সিদ্ধান্ত অনেকটা নিরবেই গৃহীত হয়। কিন্তু তা ভেদ করে সংশ্লিষ্ট থানায় এ খবর পৌঁছে যাওয়ার পরই তিন কর্মকর্তা নতুন কর্মস্থলে যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।’

  • মুক্তিযোদ্ধারা দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান : এসপি ফাতিহা

    মুক্তিযোদ্ধারা দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান : এসপি ফাতিহা

    মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয় ভূমিকা রাখায় পুলিশ সদস্য মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবারকে সংবর্ধনা দিয়েছে ঝালকাঠি জেলা পুলিশ।

    মঙ্গলবার (১৭ ডিসেম্বর) দুপুরে জেলার পুলিশ লাইন্সের ড্রিলসেডে এ সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

    সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ১৮ জন পুলিশ সদস্য মুক্তিযোদ্ধা ও ৪৬ জন পুলিশ সদস্য মুক্তিযোদ্ধার পরিবারকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান পুলিশ সুপার (এসপি) ফাতিহা ইয়াসমিন।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসপি ফাতিহা বলেন, মুক্তিযোদ্ধারা দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তারাই প্রধান অতিথি। মুক্তিযোদ্ধারা যেকোনো প্রয়োজনে পুলিশের কাছে গেলে তাদের বসিয়ে না রেখে তাৎক্ষণিক সেবা দিতে হবে। এ ব্যাপারে জেলা পুলিশের সব সদস্যদের নির্দেশ দেন পুলিশ সুপার।

    এ সময় তাদের ‘ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বই তুলে দেন এসপি ফাতিহা।

    সংবর্ধিত মুক্তিযোদ্ধা পুলিশ সদস্যরা ১৯৭১ সালে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে যুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন। পরে তারা অবসর গ্রহণ করেন। বর্তমানে তারা ঝালকাঠি জেলায় বসবাস করছেন।

    সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নাহিদা আক্তার, পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আব্দুল মান্নান রসুল, ঝালকাঠি চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি সালাউদ্দিন আহম্মেদ সালেক, প্রেসক্লাব সভাপতি কাজী খলিলুর রহমান, লেখক ড. কামরুন্নেছা আজাদ, পুলিশ মুক্তিযোদ্ধা মনোয়ার হোসেন (অব.)।

  • প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব জয়নুল আবেদীন আর নেই

    প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব জয়নুল আবেদীন আর নেই

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সামরিক সচিব মেজর জেনারেল মিয়া মোহাম্মদ জয়নুল আবেদীন মারা গেছেন (ইন্নালিল্লাহি…রাজিউন)।

    সিঙ্গাপুরে দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার মৃত্যুবরণ করেন তিনি।

    তার ভাগনে চট্টগ্রাম-১৫ আসনের সংসদ সদস্য আবু রেজা নদভী বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন।

    তিনি জানান, বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার বিকাল পাঁচটায় মিয়া মোহাম্মদ জয়নুল আবেদীন সিঙ্গাপুরে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
    তার মরদেহ আনার বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর দফতর তদারকি করছে বলেও জানান তিনি।

    এদিকে প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল মিয়া মোহাম্মদ জয়নুল আবেদীনের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    মঙ্গলবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে প্রেরিত এক বিবৃতিতে এ শোক জানান তিনি।

    অসুস্থ হয়ে দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। মৃত্যুকালে ‘বীর বিক্রম’ উপাধি পাওয়া এই সেনা কর্মকর্তার বয়স হয়েছিল ৫৯ বছর।

  • বরিশালে ট্রিপল ম্যাডারের প্রবাসীর স্ত্রী জড়িত, প্রমান পেয়েছে পুলিশ

    বরিশালে ট্রিপল ম্যাডারের প্রবাসীর স্ত্রী জড়িত, প্রমান পেয়েছে পুলিশ

    বরিশালের বানারীপাড়ায় কুয়েত প্রবাসীর বাড়িতে বৃদ্ধা মা মরিয়ম বেগম ও বোন জামাই শফিকুল আলমসহ তিন খুনের ঘটনায় স্ত্রী মিসকাত জাহান মিশুর জড়িত থাকার প্রমান পেয়েছে পুলিশ।

    তিন দিনের রিমান্ড মিশুকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

    এ বিষয়ে নাম গোপন রাখার শর্তে থানা পুলিশের এক কর্মকর্তা সাংবাদিকদের জানান, ৬ ডিসেম্বর রাতে উপজেলার পূর্ব সলিয়াবাকপুর গ্রামের কুয়েত প্রবাসী হাফেজ আব্দুর রবের বাড়িতে বৃদ্ধা মা মরিয়ম বেগম, বোন জামাই শফিকুল আলম ও খালাতো ভাই ভ্যান চালক ইউসুফকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া ঘাতক জাকিরের সঙ্গে পরোকীয়া ও হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তার সম্পৃক্ত থাকার শিকারোক্তি অনুযায়ী এক দিন পর প্রবাসীর স্ত্রী মিসকাত জাহান মিশুকে গ্রেফতার করা হয়।

    প্রথম থেকেই নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করে আসার পাশাপাশি ঘাতক জাকিরের সঙ্গে তার পরোকীয়ার সম্পর্কের কথাও অস্বীকার করে আসছিলেন।

    তবে প্রাবাসীর স্ত্রী মিশুর মোবাইল ফোনের কল লিস্টের সিডিআর সংগ্রহ করে তার কল লিস্টে ঘাতক জাকিরের সঙ্গে অসংখ্য বার কথা বলার প্রমানসহ প্রবাসীর বাড়িতে তিন খুনের ঘটনায় তার সম্পৃক্ততা পাওয়া যায় বলেও ওই পুলিশ কর্মকর্তা জানান।

    এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শিশির কুমার পাল বলেন, প্রবাসীর বাড়িতে তিন খুনের ঘটনায় জড়িত থাকা তিন জনকেই আমরা গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করতে সক্ষম হয়েছি।

    প্রাবাসীর স্ত্রী মিশুর সঙ্গে জাকিরের সম্পর্ক থাকার বিষয়ে মোবাইল ফোনের কল লিস্ট সংগ্রহ করা হয়েছে। সেগুলো আমরা পর্যবেক্ষণ করে দেখছি। এছাড়াও তিন খুনের ময়নাতদন্তর রিপোর্ট পেলেই এ ব্যাপারে আদালতে পুলিশ প্রতিবেদন দাখিল করা হবে বলেও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জানান।

    অপরদিকে সোমবার বেলা সাড়ে ১১টায় পৌর শহরের বাস স্ট্যান্ডে স্থানীয় বাসিন্দারা কুয়েত প্রবাসীর বাড়িতে তিন খুনের ঘটনায় জড়িতদের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন করেছেন।

    প্রসংঙ্গত কুয়েত প্রবাসী হাফেজ আব্দুর রবের বাড়িতে বৃদ্ধা মা মরিয়ম বেগম ও বোন জামাই শফিকুল আলমসহ তিন জনকে হত্যার ঘটনায় জড়িত জীনের বাদশা জাকির হোসেন ও তার সহযোগীকে গ্রেফতার করে।

  • বরিশালে মদের বারে পুলিশের অভিযান, আটক ৬২

    বরিশালে মদের বারে পুলিশের অভিযান, আটক ৬২

    বরিশাল নগরীর এরিনা হোটেলের মদের বারে অভিযান চালিয়ে ৬২ জনকে আটক করেছে পুলিশ। রাত সোয়া ১২টার দিকে এই তথ্য বরিশালটাইমসকে নিশ্চিত করেছেন বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সমীরণ মণ্ডল।

    এর আগে রাত সাড়ে ৯টা থেকে হোটেলটিকে চতুরদিক থেকে ঘিরে রাখে পুলিশ।

    পুলিশ জানায়- হোটেলটির বারে মদ বিক্রির অনুমোদন থাকলেও লাইসেন্সবিহীন কাউকে দেওয়ায় নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। কিন্তু সেই নির্দেশনা উপেক্ষা করে এই বারে মদ বিক্রি চলছিল। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়েছে এবং সেখান থেকে ৬২ জনকে আটক করা হয়।

    বিষয়টি নিশ্চিত করে ওসি নুরুল ইসলাম জানান, এই ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।’

  • ডিআইজি শফিকুল ইসলামের হাত ধরে ‘আলোর পথে’ আরও ২৩ মাদক কারবারি

    ডিআইজি শফিকুল ইসলামের হাত ধরে ‘আলোর পথে’ আরও ২৩ মাদক কারবারি

    ঝালকাঠিতে ২৩ জন মাদক কারবারি আত্মসমর্পণ করে ‘আলোর পথে’ ফিরে এসেছেন। আজ বুধবার বেলা ১২টায় ঝালকাঠি পুলিশ লাইনস মিলনায়তনে বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি মো. শফিকুল ইসলাম প্রধান অতিথি হিসেবে তাদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানান এবং আত্মকর্মসংস্থানসহ স্বাভাবিক জীবন যাপনে পুলিশের পক্ষ থেকে তাদের সব ধরনের সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন। তিনি আলোর পথে ফিরে আসা ব্যক্তিদের হাতে শীতবস্ত্রও তুলে দেন।

    এ নিয়ে ঝালকাঠি জেলায় এ পর্যন্ত ২০৩ জন মাদক কারবারি পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন। পুলিশ তাদেরকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে ‘আলোর পথে’ নামে একটি সংগঠন গড়ে তুলেছে। এ সংগঠনের মাধ্যমে তাদেরকে আইনি সহায়তাসহ বিভিন্ন ধরনের সহযোগিতা করা হচ্ছে।

    ঝালকাঠির পুলিশ সুপার ফাতিহা ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এম এম মাহমুদ হাসান, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট আবদুল মান্নান রসুল, প্রেস ক্লাব সভাপতি কাজী খলিলুর রহমান, যুব উন্নয়ন অধিপ্ততরের উপপরিচালক মিজানুর রহমান, সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক স্বপন কুমার মুখার্জী, সরকারি কারিগরী প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের (টিটিসি) অধ্যক্ষ প্রকৌশলী সাদেকা সুলতানা, সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ নীল রতন দত্ত, টেকিন্যাল অ্যান্ড ভোকেশনাল ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ মো. রেদোয়ান ও আত্মসমর্পণকারী মাদক ব্যবসায়ী রুবেল হওলাদার ও মাদকসেবী মিজানুর রহমান মিজু বক্তব্য দেন।

    অনুষ্ঠানে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তা, প্রিট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার প্রতিনিধসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।