Category: প্রশাসন

  • নতুন সড়ক পরিবহন আইন কাউকে সাজা দেওয়ার উদ্দেশ্যে নয়: এসপি

    নতুন সড়ক পরিবহন আইন কাউকে সাজা দেওয়ার উদ্দেশ্যে নয়: এসপি

    ঝালকাঠিতে ‘নতুন সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮’ কার্যকরের লক্ষে পরিবহন মালিক ও শ্রমিকদের নিয়ে জনসচেতনতামূলক অবহিতকরণ সভা করেছে পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ।  শনিবার সকালে শহরের পেট্টোলপাম্প মোড়ে আয়োজিত এ সভায় পুলিশ সুপার ফাতিহা ইয়াসমিন প্রধান অতিথি ছিলেন। সভায় বক্তব্য দেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এমএম মাহমুদ হাসান, পৌর মেয়র লিয়াকত আলী তালুকদার, চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি সালাউদ্দিন আহমেদ সালেক, পৌর উন্সিলর তরুন কর্মকার, জেলা বাস ও মিনিবাস মালিক সমিতির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন আহম্মেদ।

    প্রাধান অতিথির বক্তব্যে পুলিশ সুপার ফাতিহা ইয়াসমিন বলেন, নতুন আইন করার মানে কাউকে সাজা দেয়ার উদ্দেশ নয়। এর উদ্দেশ্য হচ্ছে এ আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে মানুষ যেন আরও সচেতন হয়। নতুন আইন কার্যকরে সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতাও কামনা করেন পুলিশ সুপার।

    পরে মহাসড়কে চলাচলকারি বিভিন্ন যানবাহনের চালকদের সাথে নতুন এ আইন সম্পর্কে কথা বলেন পুলিশ সুপার। এসময় সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবু তাহের মিয়া, ট্রাফিক পুলিশের ইনচার্জ আল মামুন, ট্রাফিক পুলিশ পরিদর্শক হাবিবুর রহমান, আদেল আকবর উপস্থিত ছিলেন।

  • নতুন সড়ক পরিবহন আইনের প্রথম দিনে খুলনা

    নতুন সড়ক পরিবহন আইনের প্রথম দিনে খুলনা

    খুলনা প্রতিনিধি//জান্নাতুল ফেরদৌস:

    আতংক ছিল অনেকের মনে। তাই রাস্তায় তুলনামূলক কম গাড়ি বের হয় গতকাল। সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ গতকাল শুক্রবার থেকে বাস্তবায়ন হওয়ায় এমন চিত্র ছিল নগরীতে। তবে বিভিন্ন স্থানে ট্রাফিক পুলিশ চেক পোষ্ট বসিয়ে নতুন আইনের বিভিন্ন ধারা উল্লেখ করে লিফলেট বিতরণ করেছে এমন চিত্রও ছিল চোখে পড়ার মত। নগরীর বিভিন্ন স্থানে গতকাল ঘুরে দেখা যায়, অন্যান্য দিনের চেয়ে মোটর সাইকেলের সংখ্যা ছিল তুলনামূলক কম। ট্রাফিক পুলিশের পক্ষ থেকে আপাতত আইন বাস্তবায়নের চেয়ে জনসচেতনতার ওপর জোর দেয়ার কথা জানানো হলেও জনসাধারণের মধ্যে আতংক ছিল। এমনকি এ নিয়ে বিভিন্ন স্থানে আলোচনাও হয়। যেসব মোটর সাইকেল চলেছে তার মধ্যে হেলমেটবিহীন চালক ছিল খুবই কম। অনেকে আগে কাগজ সাথে না রাখলেও গতকাল থেকে কাছে রাখা শুরু করেছেন। ড্রাইভিং লাইসেন্সবিহীন মোটর সাইকেল চালালো অনধিক ছয় মাসের কারাদ- অথবা ২৫ হাজার টাকা জরিমানা এবং হেলমেটবিহীন চালালে অনধিক নিত মাসের কারাদ- অথবা ১০ হাজার টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে নতুন মোটরযান আইনে। এ আইন গতকাল অর্থাৎ পয়লা নভেম্বর থেকে কার্যকর হলেও সাপ্তাহিক ছুটির কারণে দু’দিন ছাড় দেয়া হতে পারে বলে ট্রাফিক বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়। তবে আগামীকাল রোববার থেকেই এ আইন কার্যকরে পদক্ষেপ নেয়া হতে পারে বলে সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে জানা গেছে।

  • কাল থেকে নতুন সড়ক পরিবহন আইন, রয়েছে সর্বোচ্চ শাস্তির ব্যবস্থা

    কাল থেকে নতুন সড়ক পরিবহন আইন, রয়েছে সর্বোচ্চ শাস্তির ব্যবস্থা

    ৭৯ বছরের পুরনো আইনের ভিত্তিতে তৈরি মোটরযান অধ্যাদেশ বাতিল করে আগামীকাল শুক্রবার থেকে সারা দেশে কার্যকর হতে যাচ্ছে আলোচিত সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮। এই আইনে সংশ্লিষ্ট অপরাধের ক্ষেত্রে গুরুদণ্ড নিশ্চিত হবে।

    বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) ও পুলিশসহ আইন প্রয়োগকারী সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তারা বলছেন, নতুন আইন কার্যকর করতে প্রস্ততি নেওয়া হচ্ছে।

    জানা গেছে, ১ নভেম্বর থেকে সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ কার্যকর করার জন্য গত ২২ অক্টোবর প্রজ্ঞপন জারি হয়। এরপর বিআরটিএ থেকে আইনটি কার্যকর করতে সকলের কাছে অনুরোধ জানিয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রচার শুরু হয়েছে। এতে বলা হচ্ছে, ‘আইন মেনে চালাবো গাড়ি, নিরাপদে ফিরব বাড়ি’।

    বিআরটিএ চেয়ারম্যান ড. কামরুল আহসান এরই মধ্যে সংশ্লিষ্ট নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের আইন কার্যকর করতে নির্দেশনা দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

    জানা গেছে, নতুন আইন তফসিলভুক্ত করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ। বিধিমালা প্রণয়নের কাজও চলছে। বিধিমালা প্রণয়নে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের একজন অতিরিক্ত সচিবের নেতৃত্বে একটি দল কাজ করছে।

    নতুন আইনে বেপরোয়া বা অবহেলায় গাড়ি চালানোর কারণে কেউ গুরুতর আহত বা কারো প্রানহানি হলে অপরাধীর সর্বোচ্চ পাঁচ বছর কারাদণ্ড বা অনধিক ৫ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। তদন্তে যদি দেখা যায় উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে চালক বেপরোয়া গাড়ি চালিয়ে হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, তাহলে দণ্ডবিধির ৩০২ ধারা অনুযায়ী শাস্তি দেওয়া হবে। অর্থাৎ সর্বোচ্চ সাজা হবে ফাঁসি। তবে এটা তদন্ত সাপেক্ষে এবং তথ্যের ওপর ভিত্তি করে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নির্ধারণ করবে। এটি অজামিনযোগ্য শাস্তি। আগের আইনে ছিল ৩ বছরের কারাদণ্ড ও তা জামিনযোগ্য।

    নতুন সড়ক আইনে শিক্ষানবিশ লাইসেন্স ছাড়া কর্তৃপক্ষের দেওয়া যে কোনো লাইসেন্সের বিপরীতে ১২ পয়েন্ট দেওয়া থাকবে। দোষ করলে তা কাটা যাবে। লালবাতি অমান্য, ওভারটেক, গতিসীমা অমান্য, বিপরীত দিক থেকে গাড়ি চালানো, ওজনসীমা লংঘন, নেশাগ্রস্ত হয়ে গাড়ি চালালে পয়েন্ট কাটা যাবে চালকের। এ বিধান আগে ছিল না।

    নতুন আইনে বৈধ চালক ছাড়া নিয়োগ না দেওয়ার বিধান আবারও যুক্ত করে বলা হয়েছে, কারো ড্রাইভিং লাইসেন্স না থাকলে তাকে চালক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া যাবে না। বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ অনুসারে, লিখিতভাবে চুক্তি সম্পাদন ও নিয়োগপত্র ছাড়া কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কোনো ব্যক্তিকে গণপরিবহনের চালক নিয়োগ করতে পারবে না। নিয়োগপ্রাপ্ত চালক তাঁর কাগজপত্র গাড়িতে প্রদর্শন করবেন। এ ছাড়া কন্ডাক্টর লাইসেন্স ছাড়া কন্ড্রাক্টর নিয়োগ করা যাবে না বলে বিধান করা হয়েছে। ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া গাড়ি চালালে ছয় মাসের কারাদণ্ড বা অনধিক ২৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। আগে এ অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি ছিল চার মাসের কারাদণ্ড বা ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড। কর্তৃপক্ষ ছাড়া কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান বা সমিতি ড্রাইভিং লাইসেন্স তৈরি, প্রদান ও নবায়ন করলে শাস্তি অনধিক দুই বছর। তবে অন্যূন ছয় মাসের জেল বা এক থেকে পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয়দণ্ডের বিধান রয়েছে। নিবন্ধন ছাড়া গাড়ি চালালে অনধিক ছয় মাসের জেল বা অনধিক ৫০ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে।

    নতুন আইনে ফিটনেস সনদ ছাড়া বা মেয়াদ পেরোনো ফিটনেস সনদ ব্যবহার করে ইকোনমিক লাইফ অতিক্রান্ত বা ফিটনেসের অনুপযোগী, ঝুঁকিপুর্ণ গাড়ি চালালে ছয় মাসের জেল বা অনধিক ২৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড দেওয়া হবে। এ ছাড়া আরো বেশ কয়েকটি ক্ষেত্রে আগের তুলনায় শাস্তি বাড়ানো হয়েছে।

    গত বছরের ২৯ জুলাই রাজধানীর বিমানবন্দর সড়কে বাসচাপায় দুই শিক্ষার্থীর প্রাণহানির ঘটনায় গড়ে উঠা নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে গত বছরের ১৯ সেপ্টেম্বর সড়ক পরিবহন আইনটি জাতীয় সংসদে পাস হয়। কিন্তু এর বিরুদ্ধে পরিবহন শ্রমিকরা মাঠে নামে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কোন সংশোধন ছাড়াই আইনটি কার্যকর হচ্ছে।

    সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব নজরুল ইসলাম বলেছেন, এই আইনের দাড়ি কমা সংশোধন করা হয়নি। শাস্তি বেশি বলেই এটি বাস্তবায়নে বাধা তৈরির চেষ্টা করা হয়েছিল।

    বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ওসমান আলী গতকাল বিকালে কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘অকারণে পরিবহন শ্রমিকরা কেন জরিমানা দেবে? এ আইন করা হয়েছে চালকদের শায়েস্তা করার জন্য। বিধিমালা না করেই এ আইন কার্যকর করা উচিত হবে না।’

    সড়ক পরিবহন আইনে শাস্তি-জরিমানা-

    অবহেলায় গাড়ি চালানোতে গুরুতর আহত বা প্রাণহানিতে সর্বোচ্চ পাঁচ বছর কারাদণ্ড বা অনধিক পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড

    উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হত্যাকাণ্ড প্রমাণ হলে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড

    লেন ভঙ্গ ও হেলমেট ব্যবহার না করায় অনধিক ১০ হাজার টাকা জরিমানা

    ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া গাড়ি চালানোয় ছয় মাসের জেল ও ২৫ হাজার টাকা বা উভয় দণ্ড

    নিবন্ধন ছাড়া গাড়ি চালানোয় ছয় মাসের জেল বা ৫০ হাজার টাকা বা উভয় দণ্ড

    ফিটনেসবিহীন গাড়ি চালানোয় ছয় মাসের জেল বা ২৫ হাজার টাকা বা উভয় দণ্ড

  • বরিশালে উগ্রপন্থী বইসহ জেএমবি সদস্য গ্রেপ্তার

    বরিশালে উগ্রপন্থী বইসহ জেএমবি সদস্য গ্রেপ্তার

    স্টাফ রিপোর্টার//রেজয়ানুর রহমান সফেন:

    বরিশালে উগ্রপন্থী বইসহ মো. ইমাম হোসেন (৪৮) নামে এক এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। বুধবার রাতে তাকে শহরের নথুল্লাবাদ বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে। বৃহস্পতিবার সকালে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে র‌্যাব গ্রেপ্তার অভিযানের খবর জানিয়ে দাবি করেছে- ইমাম নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জেএমবি সক্রিয় সদস্য।

    বরিশাল র‌্যাব কার্যালয় রুপাতলী সদর দপ্তর থেকে প্রেরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে- গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ইমাম হোসেন মাদারীপুরগামী একটি বাস থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় তার কাছ থেকে বিভিন্ন প্রকার উগ্রপন্থী লিফলেট ও বই উদ্ধার করা হয়েছে। ইমাম হোসেন বরিশালের মুলাদী উপজেলার তেরোচর গ্রামের মৃত আবুল হোসেন আকনের ছেলে।

    র‌্যাব জানায়- সে লন্ড্রীর দোকানের পাশাপাশি স্থানীয় মসজিদে ইমামতি করে। এবং শীর্ষ জেএমবি সদস্য মো. সুলতান নাসির উদ্দিন ওরফে নাসিরের সান্নিধ্য পেয়ে সে জেএমবি কর্মকান্ডে অনুপ্রাণিত হয়। এমনকি দাওয়াতি কাজ পরিচালনার জন্য রাজধানী ঢাকা ও বরিশালসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গমন করে। বর্তমানে সে তার নিজের পেশার আড়ালে ছদ্মবেশে আত্মগোপন করে উগ্রপন্থী কর্মকান্ড নতুনভাবে দেশব্যাপী গুছিয়ে আনতে পরিকল্পনা মোতাবেক কাজ করে আসছিল। গ্রেপ্তারের পরে জিজ্ঞাসাবাদে সে এমনটা স্বীকার করেছে বলে জানায় র‌্যাব।

    এই ঘটনায় তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব কার্যালয় সূত্র।

  • র‌্যাবের ‘বন্দুকযুদ্ধে’ তিন ডাকাত নিহত

    র‌্যাবের ‘বন্দুকযুদ্ধে’ তিন ডাকাত নিহত

    চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) সদস্যদের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ তিন ডাকাত সদস্য নিহত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর) ভোরে উপজেলার ছোটকুমিরা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

    র‌্যাব-৭ এর উপ-অধিনায়ক স্কোয়াড্রন লিডার শাফায়াত জামিল ফাহিম জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এছাড়া র‌্যাবের পক্ষ থেকে পাঠানো এক ক্ষুদে বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    বলা হয়, মঙ্গলবার ভোরে র‌্যাবের টহল দলের সঙ্গে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ‘বন্দুকযুদ্ধের’ ঘটনা ঘটে। পরে ঘটনাস্থল থেকে তিনজনের গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

    এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, বন্দুক, ১২ রাউন্ড গুলি ও ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে বলেও জানানো হয়।

  • বরিশালে দা এবং ছোড়াসহ একজন গ্রেফতার

    বরিশালে দা এবং ছোড়াসহ একজন গ্রেফতার

    বরিশালে পুলিশের বিশেষ অভিযানে একটি দা এবং একটি ছোড়াসহ একজনকে গ্রেফতার করেছে বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশ।
    পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গ্রেফতার কৃত ব্যাক্তিমোঃ হুমায়ুন হাওলাদার এর বাড়ি বরিশালের বাকেরগঞ্জ থানায়। তার পিতা মৃত মান্নান হাওলাদার। আটককৃত ব্যাক্তির বিরুদ্ধে কোতয়ালী থানায় ধারা-১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইনের মামলা করা হয়েছে। মামলা নং ১০২ ।তারিখঃ২৭/১০/২০১৯।

    এ সম্পর্কে বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুল ইসলাম বলেন, গ্রেপ্তারকৃত ব্যাক্তিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে। সকল শ্রেণী পেশার মানুষকে এ বিষয়ে সতর্ক থাকার আহবান জানিয়েছেন ওসি।

  • পটুয়াখালী র‌্যাব ৮ কর্তৃক ভূয়া ডাক্তার আটক, ৬ মাসের কারাদণ্ড

    পটুয়াখালী র‌্যাব ৮ কর্তৃক ভূয়া ডাক্তার আটক, ৬ মাসের কারাদণ্ড

    পটুয়াখালী র‌্যাব ৮ ক্যাম্প কর্তৃক ভূয়া ডাক্তার মোঃ শহিদুল ইসলাম (৪০), পিতাঃ মৃত আঃ আজিজ মৃধা, সাং পূর্ব কুকুয়া, থানাঃ আমতলী, জেলাঃ বরগুনাকে আটক করা হয়। গতকাল শনিবার বিকাল ৪.৩০ ঘটিকার সময় বরগুনা জেলার আমতলী থানাধীন মহিষকাঠা বাজারের নিজ চেম্বার হতে তাকে হাতেনাতে আটক করা হয়।
    র‌্যাব-৮, সিপিসি-১, পটুয়াখালী ক্যাম্প কোম্পানী অধিনায়ক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জনাব মোঃ রইছ উদ্দিন বলেন আটককৃত ভূয়া ডাক্তার মোঃ শহিদুল ইসলাম(৪০), চিকিৎসা শাস্ত্রে পেশাধারী ডিগ্রী অর্জন না করেও প্রতারনামূলক ভাবে ডাক্তার পদবী ব্যবহার করে মেডিসিন, চর্ম, যৌন, বাত ব্যাথা, মেরুদন্ড সমস্যা, মা ও শিশু রোগের চিকিৎসক হিসাবে দীর্ঘ দিন যাবৎ চিকিৎসা সেবা দেয়ার নামে প্রতারনা করে আসছে।

    এ সময় ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, আমতলী উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভুমি) জনাব কমলেশ মজুমদার অভিযুক্ত ভূয়া ডাক্তার মোঃ শহিদুল ইসলামকে বাংলাদেশ মেডিকেল এন্ড ডেন্টাল কাউন্সিল আইন ২০১০ এর ১২/২২/২৯ ধারা মোতাবেক ৬(ছয়) মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন। অভিযান পরিচালনার সময় বরগুনা সিভিল সার্জনের প্রতিনিধি জনাব ডাঃ ইমদাদুল হক চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

  • প্রধানমন্ত্রী বেয়াই পরিচয় দেওয়া ঝালকাঠির ইয়াছিন বরিশাল থেকে গ্রেপ্তার

    প্রধানমন্ত্রী বেয়াই পরিচয় দেওয়া ঝালকাঠির ইয়াছিন বরিশাল থেকে গ্রেপ্তার

    বাংলার মুখ ডেস্ক:

    ‘ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) হওয়ার পেছনে আমার ভূমিকা রয়েছে। সেজন্য তিনি আমাকে স্যার বলে ডাকেন। কিন্তু আমি তাকে বলেছি আপনি এখন বড় র্যাঙ্কের, তাই আমাকে স্যার ডাকার দরকার নেই’- ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ আনিসুর রহমানকে ফোন করে এই কথাগুলো বলেছিলেন মো. ইয়াছিন খাঁ (৪০) নামে এক ব্যক্তি।

    তিনি নিজেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেয়াই ও সাবেক মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেনের ছোট ভাই খন্দকার বাবর বলে পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে থাকেন।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর থানার একটি প্রতারণার মামলায় গতকাল শুক্রবার দুপুর আড়াইটার দিকে বরিশাল সদর উপজেলার কোতোয়ালী এলাকা থেকে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। এ সময় তার আরেক সহযোগী আব্দুর রহিমকেও (৩৩) গ্রেফতার করে পুলিশ।

    শনিবার দুপুরে নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে পুলিশ সুপার আনিসুর রহমান এসব তথ্য জানান।

    গ্রেফতার ইয়াছিনের বাড়ি ঝালকাঠি সদর উপজেলার লালমোন এলাকায় এবং রহিমের বাড়ি কুষ্টিয়ার সদর উপজেলার মনোহরদিয়া এলাকায়।

    পুলিশ সুপার আনিসুর রহমান জানান, ইয়াছিন নিজেকে খন্দকার বাবর এবং সরকারি বড় কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে চাকরি দেয়ার নাম করে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ আত্মসাৎ করেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার গোপালপুর এলাকার আবু মুছার ছেলে মো. ইছহাককে পুলিশ কনস্টেবল পদে চাকরি দেয়ার নাম করে তাদের কাছ থেকে বিভিন্ন সময়ে সাড়ে তিন লাখ টাকা নেন। এ নিয়ে ভুক্তভোগীরা নবীনগর থানায় মামলা করেন।

    তিনি আরও বলেন, ইয়াছিন আমাকে গত ৭ সেপ্টেম্বর ফোন করে দীর্ঘক্ষণ কথা বলে। সে জানায় চাকরি দেয়ার জন্য নেয়া টাকা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দিয়েছে। কিন্তু তারা চাকরি প্রার্থীর কথা ডিআইজি-এসপিকে বলেননি। পরবর্তীতে আমরা তদন্তে জানতে পারি সে একজন প্রতারক। মূলত সরকারের বড় কর্মকর্তা পরিচয়ে চাকরি দেয়ার নাম করে মানুষের কাছ থেকে অর্থ আত্মসাৎ করাই তার কাজ।

    সংবাদ সম্মেলনে জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আলমগীর হোসেন, নবীনগর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মেহেদী হাসান, জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার সহকারী পুলিশ সুপার আলাউদ্দিন চৌধুরী, বিশেষ শাখার ডিআইও-১ ইমতিয়াজ আমম্মেদ ও নবীনগর থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) রাজু আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।

  • ভোলায় নানা আয়োজনে পালিত হল কমিউনিটি পুলিশিং ডে

    ভোলায় নানা আয়োজনে পালিত হল কমিউনিটি পুলিশিং ডে

    ভোলা প্রতিনিধি// মো: নিশাত:

    “পুলিশ জনতা, জনতাই পুলিশ” এই স্লোগান কে সামনে রেখে
    ভোলায় র‌্যালি ও আলোচনা সভার মধ্যে দিয়ে কমিউনিটি পুলিশিং ডে ২০১৯ উদযাপন হয়েছে।
    আজ শনিবার সকাল ৯ টায় ভোলার পুলিশ সুপার কার্যালয় থেকে এই র‌্যালি বের হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে শেষ হয়।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন,ভোলার জেলা প্রশাসক মাসুদ আলম সিদ্দিক, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবদুল মমিন টুলু, পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার,

    সিভিল সার্জন ডাক্তার রথীন্দ্রনাথ মজুমদার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাফিন মাহমুদ, ভোলা প্রেসক্লাবের সভাপতি এম হাবিবুর রহমান, আবদুর রব স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ সাফিয়া খাতুন।
    আরো উপস্থিত ছিলেন, জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ওসি শহিদুল ইসলাম, সদর থানার ওসি এনায়েত হোসেনসহ পুলিশের বিভিন্ন শ্রেণীর অফিসারগন ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

  • বরিশালে পালিত হচ্ছে কমিউনিটি পুলিশিং ডে-২০১৯

    বরিশালে পালিত হচ্ছে কমিউনিটি পুলিশিং ডে-২০১৯

    স্টাফ রিপোর্টার//স্বর্না বিশ্বাস:

    ‘পুলিশের সঙ্গে কাজ করি, মাদক-জঙ্গি-সন্ত্রাসমুক্ত দেশ গড়ি’ এই স্লোগানে আজ শনিবার (২৬ অক্টোবর) বরিশালে পালিত হচ্ছে কমিউনিটি পুলিশিং ডে-২০১৯। সকাল ৯টায় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের আয়োজনে নগরীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে একটি র‌্যালী বের হয়। এরপর সকাল ১০টায় নগরীর বঙ্গবন্ধু উদ্যানে কমিউনিটি পুলিশিং সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

    বিএমপি কমিশনার মোঃ শাহাবুদ্দিন খান (বিপিএম-বার) এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি (মন্ত্রী পদমর্যাদা) আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ এমপি। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এডিশনাল আইজি (এসবি, ঢাকা) মীর শহীদুল ইসলাম বিপিএম-বার, পিপিএম।

    এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী কর্নেল (অবঃ) জাহিদ ফারুক শামীম এমপি, বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ, র‌্যাব-৮’এর অধিনায়ক আতিকা ইসলাম, বরিশাল জেলা প্রশাসক এস.এম অজিয়র রহমান, সাবেক এমপি তালুকদার মোঃ ইউনুস, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সাইদুর রহমান রিন্টু।

    এসময় অন্যান্যের মাঝে  উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (বিএমপি) প্রলয় চিসিম, উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর দপ্তর, বিএমপি) আবু সালেহ মোঃ রায়হান, উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর) মোকতার হোসেন, উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) মোয়াজ্জেম হোসেন ভুঞাসহ বিএমপি’র উর্ধ্বতনবৃন্দ, বীর মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দ, বরিশাল মেট্রোপলিটন ৪টি থানার অফিসার ইনচার্জগন, বিভিন্ন ওয়ার্ড ও থানা কমিউনিটি পুলিশিং সদস্য এবং সর্বস্তরের জনগণ।

    সভায় বক্তারা পুলিশ ও জনগণ মিলে সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ নির্মূল করে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে পুলিশ ও জনগণকে একত্রে কাজ করার আহবান জানান।

    এদিকে দিবসটি উপলক্ষে বরিশাল জেলা ও মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ থেকে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি পালন করা হবে। কর্মসূচীর মধ্যে রয়েছে রক্তদান কর্মসূচী, বিকাল ৪টায় পুলিশ লাইনে অনুষ্ঠিত হবে কাবাডি খেলা। এছাড়া সন্ধ্যা ৬টায় বঙ্গবন্ধু উদ্যানে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।