Category: প্রশাসন

  • মা-মেয়েকে ধর্ষণ, গুলি করে আসামি ধরল পুলিশ

    মা-মেয়েকে ধর্ষণ, গুলি করে আসামি ধরল পুলিশ

    অনলাইন ডেস্ক ::

    সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলায় মা ও মেয়েকে ধর্ষণ ও অপহরণ মামলার আসামিকে গুলি করে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। খোকন মিয়া (৩০) নামে ধর্ষণ মামলার ওই আসামিকে রোববার রাত ১টার দিকে উপজেলার উমরপুর ইউনিয়নের কামালপুর গ্রাম থেকে গ্রেফতার করা হয়।

    একই সঙ্গে পুলিশের কাজে বাধা দেয়ার অভিযোগে খোকন মিয়ার বাবাকেও গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতার খোকন বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার ধননগর গ্রামের বাসিন্দা।

    জানা গেছে, খুলনার এক নারীকে বিয়ের কথা বলে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে ওসমানীনগরে একসঙ্গে ভাড়া বাসায় থাকতেন খোকন মিয়া। ১৪ আগস্ট ঢাকায় যাওয়ার কথা বলে ওই নারীর কিশোরী মেয়েকে (১৩) নিয়ে যান খোকন। এরপর থেকে দুজনের খোঁজ পাচ্ছিলেন না ওই নারী। মেয়ে নিখোঁজ উল্লেখ করে থানায় জিডি করেন তিনি।

    এরই মধ্যে ৪ সেপ্টেম্বর মেয়ে গোপনে মাকে ফোন করে জানায় খোকন তাকে অপহরণ করে উমরপুরে নিয়ে গেছে এবং একাধিকবার ধর্ষণ করেছে। বিষয়টি জেনে রোববার রাতে ওসমানীনগর থানায় মামলা করেন কিশোরীর মা।

    পুলিশ জানায়, রোববার রাত ১টার দিকে আসামি ধরতে উমরপুরের কামালপুরে অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় কিশোরীকে উদ্ধার করা হয়। খোকনকে গ্রেফতার করে ফেরার পথে খোকনের বাবা জাহাঙ্গীর আলীর নেতৃত্বে একদল লোক আসামি ছিনিয়ে নিতে পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এ সময় পুলিশ গুলি ছুড়লে খোকনের ডান পায়ে গুলি লাগে। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। সেই সঙ্গে জাহাঙ্গীরকেও গ্রেফতার করা হয়েছে।

    বিষয়টি নিশ্চিত করে ওসমানীনগর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম আল মামুন বলেন, কিশোরীকে উদ্ধার করে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করা হয়েছে। গুলিবিদ্ধ খোকনকেও হাসপাতালে ভর্তি করা রয়েছে। আর খোকনের বাবা জাহাঙ্গীর আলীকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

  • ঝালকাঠিতে খালে বিষ দিয়ে মাছ শিকার, ৫ জনের কারাদণ্ড

    ঝালকাঠিতে খালে বিষ দিয়ে মাছ শিকার, ৫ জনের কারাদণ্ড

    ঝালকাঠি প্রতিনিধি ::

    ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলায় খালে বিষ প্রয়োগ করে মাছ নিধনের অপরাধে পাঁচজনকে এক মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

    কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলো- উপজেলার পুখরীজানা গ্রামের মৃত সামসুর রহমানের ছেলে মো. হেমায়েত উদ্দিন (৫২), মৃত কালু সরদারের ছেলে মো. রুবেল (২৬), উত্তর সাউদপুর গ্রামের মো. ছিদ্দিক খলিফার ছেলে মো. রাসেল (২৭), মঠবাড়ি গ্রামের মৃত আব্দুল রশিদের ছেলে মো. সুমন (২৬) ও মৃত রশিদ মল্লিকের ছেলে মো. বেলায়েত মল্লিক (২৬)।

    সোমবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার মঠবাড়ি এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সোহাগ হাওলাদার এ দণ্ড প্রদান করেন।

    ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে অভিযুক্তরা বিভিন্ন খালে বিষ প্রয়োগ করে মাছ নিধন করে আসছিল। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে সোমবার ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে তাদের এক মাসের কারাদণ্ড প্রদান করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সোহাগ হাওলাদার।

    দণ্ডপ্রাপ্তদের সোমবার বিকাল ৪টার দিকে ঝালকাঠি কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

  • স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তি করা সেই ডলি বরখাস্ত

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তি করা সেই ডলি বরখাস্ত

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তির দায়ে সাতক্ষীরার ডেপুটি জেলার ডলি আক্তার ওরফে জলি মেহেজাবিন খানকে বরখাস্ত করে কারা অধিদপ্তরে ক্লোজড করা হয়েছে। রোববার সন্ধ্যায় কারা অধিদপ্তর থেকে সাতক্ষীরা জেলা কারাগারে নির্দেশনা পত্র এসেছে বলে নিশ্চত করেছেন সাতক্ষীরা জেল সুপার আবু জায়েদ।

    তিনি বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিয়ে ফেসবুকে কটূক্তির দায়ে সাতক্ষীরার ডেপুটি জেলার ডলি আক্তারকে সাময়িক বরখাস্ত করে কারা অধিদপ্তরে ক্লোজড করা হয়েছে। সন্ধ্যায় এ সংক্রান্ত একটি পত্র এসেছে সাতক্ষীরা কারা দপ্তরে।

    গত ৩ সেপ্টেম্বর ডেপুটি জেলার ডলি আক্তারের ব্যবহৃত জলি মেহেজাবিন খান ফেসবুক আইডি থেকে একটি পোস্টকৃত ছবির মন্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বিলাই (বিড়াল) লিখে কটূক্তি করেন তিনি।

    প্রসঙ্গত, ৩ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টা ৪৯ মিনিটে তিনি তার ব্যবহৃত জলি মেহেজাবিন খান নামের ফেসবুকে সেই ছবিটি পোস্ট করেন। ছবির ক্যাপশনে এ কারা কর্মকর্তা লেখেন, ৫৬তম ব্যাচ কারারক্ষী বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সের শপথ গ্রহণ ও সমাপনী কুচকাওয়াজ পরিদর্শন করবেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জনাব আসাদুজ্জামান খান এমপি। এ অনুষ্ঠানের ধারাভাষ্যকার হিসেবে আপনাদের সঙ্গে আছি আমি…………। (লেখাটি পরিমার্জিত)

    satkhira-doli-1

    ছবিতে কমেন্ট করেন এ নারী কর্মকর্তার অনেক শুভাকাঙ্ক্ষী। এর মধ্যে শারমিন ববি নামের একজন মন্তব্য করেছেন, ‘আফা মন্ত্রী বানান টা একটু ঠিক করে দেন, না হলে কিন্তু মাননীয় মন্ত্রী মাইন্ড খাইতে পারে।’ এ কমেন্টের প্রতিউত্তরে সাতক্ষীরার ডেপুটি জেলার ডলি আক্তার ওরফে জলি মেহেজাবিন খান লিখেছেন, ‘আমি চাটুকারিতা একদম পছন্দ করি না আফা (আপা), চাকরি করি জেলখানায়, এরকম বহু নামি-দামি ব্যান্ড (ব্র্যান্ড) ভেতরে আসলে বিলাই (বিড়াল) হয়ে যায়…যাই হোক, স্পেলিং মিসটেক হয়েছে এবং সেটা অনিচ্ছাকৃত।’ তার উত্তরে শারমিন ববি লিখেছেন, তোকেতো ভালো করেই চিনি, চাটুকারিতা যে করিস না সেটাও জানি, জাস্ট বানান ভুলটা চোখে পড়লো তাই তোকে জানালাম।’

    সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিয়ে স্ট্যাটাস দিয়ে সেখানে মন্ত্রীকে নিয়ে এমন কটূক্তি কতটা যুক্তিযুক্ত হয়েছে সেই বিষয়ে পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হয় ডেপুটি জেল সুপার ডলি আক্তার অরফে জলি মেহেজাবিন খানের সঙ্গে।

    তিনি বলেন, ফেসবুক আমার ব্যক্তিগত ব্যাপার। সেখানে আমি কি লিখবো সেটা অন্য কাউকে তো বলবো না। আর কোন প্রসঙ্গে কার সঙ্গে বলেছি সেটাও আপনার জানতে হবে।

    তিনি আরও বলেন, আমি সরকারি কর্মকর্তা। সরকারের মন্ত্রীকে কটাক্ষ আমি করতেই পারি না। তখন তিনি ফেসবুকটি তার নয় বলে অস্বীকার করেন। তখন ফেসবুকে তার ছবির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি কোনো উত্তর দিতে পারেননি।

    ডেপুটি জেলারের এমন ফেসবুক মন্তব্যের বিষয়ে সাতক্ষীরা কারাগারের জেল সুপার আবু জায়েদ বলেন, সম্প্রতি সাতক্ষীরা কারাগারে যোগদান করেছেন ডলি আক্তার। কাশিমপুর কারাগারের অনুষ্ঠানে আমিও ছিলাম। তবে ফেসবুকে ডলি আক্তার কি লিখেছেন সেটি আমি দেখিনি। তাছাড়া আমাদের কারা আইনে রয়েছে সবকিছু ফেসবুকে দেয়া যাবে না।

  • বরিশালে আইসক্রীম ফ্যাক্টরিসহ দুই প্রতিষ্ঠানকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা

    বরিশালে আইসক্রীম ফ্যাক্টরিসহ দুই প্রতিষ্ঠানকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা

    নিজস্ব প্রতিবেদক ::

    অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, উৎপাদন ও মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ না থাকায় একটি আইসক্রীম ফ্যাক্টরি সহ দুই প্রতিষ্ঠানকে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে ২০ হাজার জরিমানা প্রদান করা হয়েছে।

    রোববার (০৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বরিশাল জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মনীষা আহমেদ ও ফারজানা আক্তার পরিচালিত পৃথক ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে এ জরিমানা প্রদান করা হয়।

    দন্ডিত প্রতিষ্ঠান দুটি হলো নগরের কাউনিয়া বিসিক শিল্প নগরী এলাকার সাগর আইসক্রীম ও নগরের নতুন বাজার এলাকার আব্দুল জলিল মিয়ার মালিকানাধীন ডায়মন্ড হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্ট।  দুই প্রতিষ্ঠানকে ১০ হাজার টাকা করে মোট ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

    তথ্য নিশ্চিত করে বরিশাল সিটি করপোরেশনের নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক সৈয়দ এনামুল হক জানান, ‘বরিশাল সিটি কর্পোরেশন এবং থানা পুলিশের সহযোগিতায় বিকাল ৪টা হতে সোয়া ৫টা পর্যন্ত জেলা প্রশাসনের দু’জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এই অভিযান পরিচালনা করেন।

  • বরিশালে মাদক ব্যবসায়ীদের আলোর পথে ফেরাতে “স্বপ্ন তরী” সমবায় সমিতি

    বরিশালে মাদক ব্যবসায়ীদের আলোর পথে ফেরাতে “স্বপ্ন তরী” সমবায় সমিতি

    বরিশাল রেঞ্জ উপ-মহা পুলিশ পরিদর্শক(ডিআইজি) মোঃ শফিকুল ইসলাম বলেছেন, মাদক ব্যবসায়ী ও সেবীদের মধ্যে থেকে যারা স্বাভাবিক জীবনে ফিরে এসেছে তাদেরকে আর্থিক ও কর্মসংস্থানের মাধ্যমে ভাল রাখতে না পারি তাহলে ওরা মাদক ব্যবসা বন্ধ করবে না।

    এই মাদক ব্যবসা থেকে ইতি মধ্যে যারা ফিরে এসেছে তাদেরকে “স্বপ্ন তরী” সমবায় সমিতির মাধ্যমে সহযোগীতা করা হবে ওরা যেন সারা জীবন ভাল থাকতে পারে এলক্ষে বরিশাল জেলা পুলিশ সর্বাত্বক কাজ করে যাচ্ছে

    তিনি আরো বলেন, ছেড়ে আসা মাদক ব্যবসায়ী ও সেবীদের পূর্ণবাসন করার পাশাপাশি তাদের বিরুদ্ধে আদালতে থাকা মামলাগুলো আইনগত ভাবে নিষ্পত্তি সমাধান করা হবে বলেও তিনি বক্তৃতায় একথা বলেন।

    আজ রবিবার সকাল ১১ টায় বরিশাল পুলিশ লাইনস্থ ড্রিলসেড মিলনায়তন সভাস্থলে ৬ জন নতুন মাদক ব্যবসায়ীর আত্মসমর্পণ ও আত্মসমর্পণের মাধ্যমে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসা মাদক ব্যবসায়ী ও সেবীদের নিয়ে গঠিত সমিতি “স্বপ্ন তরী’র শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথাগুলো বলেন।

    বরিশাল জেলা পুলিশ সুপার মোঃ সাইফুল ইসলাম বিপিএম(বার) এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প (বিসিক) বরিশাল শাখার উপ ব্যবস্থাপক মোঃ জালিশ মাহমুদ, বরিশাল সমাজ সেবা অধিদপ্তরের প্রবেশন অফিসার মোঃ সাজ্জাদ পারভেজ ও সমাজসেবক আমির হোসেন তালুকদার, উন্নয়ন সংস্থা সেন্ট বাংলাদেশ বরিশাল শাখা প্রতিনিধি মিয়া মজিবর রহমান।

    এসময় মঞ্চে আরো উপস্থিত ছিলেন বরিশাল রেঞ্জ অতিরিক্ত ডিআইজি) এ.কে.এম এহসান উল্লাহ্, বরিশাল জেলা জজ আদালতের লিগ্যাল এইড অফিসার সহকারী জজ নাজমুল হোসেন চৌধুরী, বরিশাল প্রেস ক্লাব সাবেক সভাপতি এস.এম ইকবাল ও উন্নয়ন সংস্থ আভাষ নির্বাহী পরিচালক রহিমা সুলতানা কাজল।

    প্রধান অতিথি ডিআইজি আরো বলেন, বরিশাল রেঞ্জ পুলিশ আজ অন্ধকার জগতের মানুষ গুলোকে আলোর পথে নিয়ে আসতে পেরেছে সেজন্য পুলিশের একটা বিশাল সাফল্য অর্জন বলে তিনি মনে করেন।

    এক্ষেত্রে আগামীতে সমাজকে সুন্দর রাখতে আলোর পথে পা দেয়া মানুষগুলোর জন্য কর্মসংস্থানের লক্ষে চেম্বার্স অব কমার্স, বিসিকি, সমাজসেবা অধিদপ্তর, বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা সহ সকলস্তরের মানুষের সহযোগীতা কামনা করেন তিনি।

    অনুষ্ঠানের এক প্রর্যায়ে বরিশাল জেলার উজিরপুর, হিজলা ও মেহেন্দিগঞ্জ থেকে ৬ জন নতুন মাদক ব্যবসায়ী আত্মসমর্পনের মাধ্যমে আলোর পথে আসার অঙ্গিকার করেন এসময় ডিআইজি, পুলিশ সুপার সহ বিভিন্ন অতিথিরা তাদেরকে ফুলেল শুভেচ্ছ দিয়ে অভিনন্দন জানান।

    জানা গেছে, আজ থেকে ২ বছর পূর্বে পুলিশের মাদকের বিরুদ্বে জিরো টলারেন্স অপরেশনের আওতায় ২শত২৫ জন মাদক ব্যবসায়ী আত্মসমর্পনের মাধ্যমে তারা স্বাভাবিক জীবনের আলোর পথে ফিরে আনতে পেরেছে।

    এছাড়া পুলিশের পক্ষ থেকে প্রায় ১৩ শত জনের মাদকসেবীকে মাদক নিরাময় কেন্দ্রসহ বিভিন্ন চিকিৎসা কেন্দ্র থেকে চিকিৎসা করিয়ে তাদেরকে স্বাভাবিক জীবনে চলার পথে আনতে সক্ষম হয়েছে।

    অনুষ্ঠানে জেলার সকল উপজেলার থানা কর্মকর্তা, বরিশাল জেলা কমিউনিটি পুলিশের কর্মকর্তাসহ সুশিল সমাজের প্রতিনিধিরা অংশ গ্রহন করেন।

    অনুষ্ঠান সঞ্চলনা করেন (পদন্নত্তিপ্রাপ্ত) পুলিশ সুপার আব্দুর রাকিব।

    পরে পুলিশ লাইনস্থ মাঠে ডিআইজি,পুলিশ সুপার সহ বিভিন্ন অতিথিরা বেলুন-ফেস্টুন অবমুক্ত করার মাধ্যমে “স্বপ্ন তরী’ সমবায় সমিতির উদ্বোধন করা হয়।

  • ঝালকাঠি সদর থানার ওসির বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড়, অবশেষে শাস্তিমুলক বদলি!

    ঝালকাঠি সদর থানার ওসির বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড়, অবশেষে শাস্তিমুলক বদলি!

    ঝালকাঠি প্রতিনিধি:

    ঝালকাঠি জেলার সদর থানার ভারপ্রাত কর্মকর্তা (ওসি) শোনিত কুমার গায়েনের বিরুদ্ধে মামলা গ্রহনের ক্ষেত্রে নানা দুর্নীতি অনিয়মের অভিযোগের পাহাড়। এ প্রেক্ষিতে গত ২ সেপ্টেম্বর তাকে থানা থেকে পুলিশ লাইনে ক্লোজড করা হয়

    ওসি শোনিত কুমার গাইনের বিরুদ্ধে বিগত সময়েও মামলার বাদী বিবাদীদের কাছ থেকে ঘুষ বাণিজ্যসহ অসংখ্য অভিযোগ ওঠে। ওই সময় তার চেয়ারটি নড়বড়ে হয়ে গেলেও ঝালকাঠির বাসিন্দা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় এক নেতা রক্ষায় প্রত্যক্ষ ভুমিকা রাখার ফলে সেই দফা তিনি রক্ষা পেয়েছিলেন।

    কিন্তু এবার সাম্প্রতিকালের দুটি ডাকাতির ঘটনায় এড়িয়ে যাওয়ার কারনে পড়েছেন বেকায়দায়। সম্প্রতি কিছুদিন পূর্বে একরাতে ঘটে যাওয়া দুটি ডাকাতির ঘটনাকে তিনি চুরি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে মামলা গ্রহণ না করে শুধুমাত্র সাধারন ডায়েরি হিসেবে গ্রহণের মধ্যদিয়ে ওসি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির বিষয়টি আড়াল করতে চেয়েছিলেন। উক্ত বিষয়টি কমবেশি জানাজানি হয়ে গেলে ওসির ভুমিকা নিয়ে প্রশ্নের দেখা দিলে এতে ঝালকাঠি জেলা পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারাও চরম বিতর্কের মুখে পড়েন।

    এই ঘটনাটি বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় পুলিশ একটি মাধ্যমে অবগত হয়ে গত ০২ সেপ্টেম্বর তাকে পুলিশ লাইনে সরিয়ে নেওয়ার আদেশ দেয়। পরবর্তীতে ওই থানার দায়িত্ব দেওয়া হয় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি/তদন্ত) আবু তাহরকে। তিনিই এখন থানায় ওসি হিসেবে নিয়োজিত রয়েছেন।

    যদিও ঝালকাঠি পুলিশের পক্ষ থেকে ওসি শোনিত কুমার গায়েনকে শাস্তিমুলক বদলি করার বিষয়টি নিয়ে কেউ মুখ খুলছেন না। তবে অনেকে প্রশাসনিক কারণে তাকে থানা থেকে সরিয়ে নেওয়ার দাবি করলেও বিষয়টি বুঝতে কারও বাকি নেই। এমনকি থানা পুলিশের ভেতর থেকেও শোনা গেছে- দুটি ডাকাতির পাশাপাশি নানা অনিয়ম ও ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগে তাকে শাস্তিমুলক বদলি করা হয়েছে জানা যায়

    থানা পুলিশের একটি সূত্র জানায়- শোনিত কুমার গায়েন ২০১৭ সালের ০৬ জুন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হিসেবে ঝালকাঠি সদর থানায় যোগদান করেন। কিন্তু সেই যোগদানের কয়েক মাসের মাথায়ই তিনি ঘুষ বাণিজ্যসহ নানা অনিয়মে জড়িয়ে পড়েন। এই ঘুষ বাণিজ্যে ওসির সাথে তৎকালীন সহকারি উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মিঠুন দাস এবং মিন্টু লালও সম্পৃক্ত ছিলেন। ওই দুই পুলিশ সদস্য শাস্তি পেলেও ওসি শোনিত কুমার গায়েন ছিলেন বহাল তবিয়াতে। তৎকালিন ওসি শোনিতের ঘুষ বানিজ্যে এএসআই মিঠুন ফেসে গিয়ে শাস্তিমুলক একবছরের জন্য এএসআই থেকে সেপাই করা হয় মিঠুনকে। বর্তমানে সেপাই হিসাবেই মিঠুন ভোলা ডিবিতে কর্মরত আছেন। এবার ওসি শোনিত কুমার গায়েনের বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড় হলেও তাকে এখনো কোন বড় ধরনের শাস্তি দেওয়া হয়নি এনিয়েও রয়েছে প্রশ্ন ? আসলে ওসি শোনিতের খুটির জোড় কোথায় এমন প্রশ্ন পুলিশ বিভাগেসহ সচেতন মহলে।

    তৎকালীন সময়ে তাদের নিয়ে পত্রিকায় ‘ঘুষ কেলেঙ্কারির’ সংবাদ প্রকাশ পেলে দুই এএসআইকে বরখাস্ত করা হলেও ওসি ছিলেন বহাল তবিয়তেই। এর পরে সেই আওয়ামী লীগকে পাশে পেয়ে ওসি শোনিত কুমার ঝালকাঠিতে দীর্ঘদিন কাটিয়ে দেন। এমনকি এবারের দুটি ডাকাতির ঘটনাও আড়াল করতে তিনি সেই আওয়ামী লীগ নেতার দারস্থ হয়েছিলেন। কিন্তু এই বিষয়টি ঝালকাঠি পুলিশের কেউ ইতিবাচক হিসেবে না নেওয়ায় তিনি এখন খেসারত দিচ্ছেন।

    যদিও ওসি শোনিত কুমার তাকে শাস্তিমূলক বদলির বিষয়টি অস্বীকার করে সাংবাদিককে জানান, স্বাভাবিক নিয়মেই তাকে থানা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এতে শাস্তির কোন প্রশ্নই আসে না। সেই সাথে তিনি বিগত সময়ের সকল অনিয়মের অভিযোগও অস্বীকার করেছেন।’

  • পটুয়াখালীতে মাইক্রোবাস চালককে পিটিয়ে হত্যা: আটক ১

    পটুয়াখালীতে মাইক্রোবাস চালককে পিটিয়ে হত্যা: আটক ১

    পটুয়াখালী প্রতিনিধি :

    পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় জমি বিরোধের জেরে কবির হোসেন বয়াতি (৪০) নামের এক মাইক্রোবাস চালককে পিটিয়ে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষরা। শনিবার সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে উপজেলার কনকদিয়া ইউনিয়নের কম্বুখালী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

    পুলিশ সুত্র জানায়, গত জুলাইয়ে ঢাকার মাইক্রো চালক কবির হোসেন বয়াতির ছেলেকে মারধর করেন কুদ্দুস হাওলাদার গংরা। এ ঘটনায় কবির বাদী হয়ে থানায় কুদ্দুসসহ চারজনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা করেন। ওই মামলার তিনজন আসামিকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এ ঘটনার পর কবির জীবিকার তাগিদে ঢাকায় চলে আসেন। পরে আসামিরা জামিনে বের হয়। ঢাকা থেকে নিজ বাড়িতে আসলে ওই আসামিরা কবিরকে হত্যা করে।

    নিহত কবিরের পরিবারের সদস্যরা জানান, কবির সন্ধ্যায় তার বাড়ি থেকে বগা বাজারের উদ্দেশ্যে যাওয়ার পথে, কনকদিয়ার শাহিন চেয়াম্যানের লোকজন কবিরকে প্রতিপক্ষ কুদ্দুস হাওলাদারের বাড়িতে নিয়ে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করে।

    বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, মাইক্রোবাস চালক কবিরকে পেটানোর সংবাদে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে ফোর্স পাঠানো হয়। পুলিশ গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত্যু বলে ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় মূল আসামি কুদ্দুসকে আটক করা হয়েছে। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দিলে মামলা হবে।

  • পটুয়াখালীতে পুলিশের সহযোগিতায় নতুন ঘর পেলেন বীরাঙ্গনা

    পটুয়াখালী উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সহযোগিতায় টিনের নতুন ঘর পেয়েছেন বীরাঙ্গনা ফুল বরু।

    শনিবার ইটবাড়িয়ায় তাকে ঘরের চাবি হস্তান্তর করেন সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান।

    জানাগেছে, একদিন সদর থানায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের অভিযোগ দিতে আসেন ইটবাড়িয়া এলাকার বাসিন্দা আজাহার মোল্লার বৃদ্ধ স্ত্রী বীরাঙ্গনা ফুল বরু।

    এরপর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান ফুলবরুর গ্রামের বাড়িতে যান। সেখানে গিয়ে জরাজীর্ণ ঘর দেখতে পেয়ে তাকে একটি নতুন ঘর বানিয়ে দেয়ার আশ্বাস দেন তিনি।

    এরপর সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা লতিফা জান্নাতির কাছ থেকে ২ বান্ডিল টিন ও ৮ হাজার টাকা সহযোগিতা নিয়ে নিজের অর্থ দিয়ে ঘর বানানোর উদ্যোগ নেন ওসি মোস্তাফিজুর রহমান।

    ওসি মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘ফুল বরু একজন ত্যাগী নারী। তিনি দেশের জন্য নিজের সর্বস্ব ত্যাগ করেছেন। তার স্বামী-সন্তান নেই। বহুকষ্টে জীবন কাটছিল। তাই ওনাকে একটি ঘর বানিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। সে অনুযায়ী সাধ্যমত ঘর বানিয়ে আজ তাকে হস্তান্তর করলাম।’

    অশ্রুশিক্ত নয়নে ফুলবরু বলেন, আমার খুব কষ্ট হচ্ছিল। যারা ঘর বানিয়ে দিয়েছেন আমি তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ।

    উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের ২মে পাক বাহিনীর গোলাগুলির মুখে পালিয়ে যাবার সময় ধরা পড়েন ফুলবরু। এরপর ১০ দিন পটুয়াখালী সার্কিট হাউজে আটকে রেখে তার ওপর নিপীড়ন চালায় পাক সেনারা।

    এক পর্যায়ে অসুস্থ হয়ে পড়লে কচাবুনিয়া নদীর তীরে তাকে ফেলে রেখে যায় তারা। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করেন। পরবর্তীতে ফুলবরুর সংসার হয়েছে, কিন্তু তিনি মা হতে পারেননি।

  • ভোলায় ছাত্রলীগ সভাপতির বিরুদ্ধে মামলা, কলেজছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণ

    ভোলার মনপুরা উপজেলার মনপুরা সরকারি ডিগ্রি কলেজের সভাপতি রাকিব হাসান রনির (২৪) বিরুদ্ধে একই কলেজের ছাত্রীকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ওই ছাত্রী শুক্রবার রাতে মনপুরা থানায় রাকিবের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন।

    ধর্ষণের শিকার কলেজছাত্রী ও মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, কলেজছাত্রী ও ছাত্রলীগ সভাপতির বাড়ি মনপুরা উপজেলার মনপুরা ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের চরযতিন গ্রামে। তারা একই কলেজে পড়াশোনা করেন। এক বছর আগে ওই ছাত্রীতে প্রেমের প্রস্তাব দেন রাকিব হাসান রনি। এতে রাজি হননি কলেজছাত্রী।

    পরে ২০১৮ সালের ৬ জুন কলেজছাত্রীকে বিয়ের প্রস্তাব দেন রাকিব। এরপর তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সেই থেকে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক চলে আসছিল।

    চলতি বছরের ১৪ এপ্রিল ওই ছাত্রীকে বিয়ে করার কথা বলে মনপুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসতে বলেন রাকিব।সেখানে গেলে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণ করা হয়।

    এরই মধ্যে গত সোমবার (০২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কলেজছাত্রীকে বিয়ে করবে বলে রাকিবের বাড়িতে আসতে বলা হয়। বাড়িতে গেলে ছাত্রীকে ধর্ষণ করেন রাকিব। সেই সঙ্গে বিয়ে করবে না বলে ছাত্রীকে বাসা থেকে বের করে দেয়া হয়। ওই সময় ছাত্রী বাড়িতে যাবে না বললে তাকে মারধর করেন রাকিব। পরে স্থানীয়রা ছাত্রীকে উদ্ধার করে বাড়িতে পৌঁছে দেয়। এ নিয়ে শুক্রবার রাতে থানায় মামলা করেন কলেজছাত্রী।

    এ বিষয়ে জানতে মনপুরা সরকারি ডিগ্রি কলেজের সভাপতি রাকিব হাসান রনির মোবাইলে বার বার কল দিয়েও রিসিভ করেননি।

    মনপুরা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফোরকান আলী বলেন, মনপুরা সরকারি ডিগ্রি কলেজের সভাপতি রাকিব হাসান রনির বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা করেছে কলেজছাত্রী। মামলার তদন্ত ও রনিকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

  • বাবুগঞ্জ থানায় ওসি হিসেবে মিজানুর রহমানের যোগদান

    বাবুগঞ্জ থানায় ওসি হিসেবে মিজানুর রহমানের যোগদান

    বরিশালের ঐতিহ্যবাহী বাবুগঞ্জ থানার নতুন অফিসার ইন চার্জ (ওসি) হিসেবে যোগদান করেছেন মোঃ মিজানুর রহমান।

    তিনি সদ্য বিদায়ী অফিসার ইন চার্জ ( ওসি) দিবাকর চন্দ্র দাস’র স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন। গত মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৪ টায় ওসি মোঃ মিজানুর রহমান নতুন কর্মস্থল বাবুগঞ্জ থানায় যোগদান করেছেন।

    এ সময় তাকে বাবুগঞ্জ থানায় কর্মরত সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা শুভেচ্ছা জানান। বরিশালের স্বরুপকাঠী উপজেলার ইন্দ্রের হাট গ্রামের কৃতি সন্তান মোঃ মিজানুর রহমান ১৯৯৯ সালের বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে এসআই পদে যোগদান করেন।

    বাবুগঞ্জ থানায় যোগদানের আগে তিনি পটুয়াখালী জেলার মহিপুর থানার অফিসার ইন চার্জ হিসেবে দীর্ঘদিন কর্মরত ছিলেন।

    শনিবার সকালে সাংবাদিকদের দেওয়া এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে কোন আপোষ চলবে না, বাবুগঞ্জ থানাকে মাদক মুক্ত করতে তিনি কঠোর অবস্থানে থাকবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

    তিনি বলেন অসহায় মানুষের আইনি সেবা প্রদানের মাধ্যমে দৃষ্টান্ত স্থাপনের এর মাধ্যমে পুলিশ বিভাগের ভাবমূর্তি উজ্জল করাই হবে আমার অঙ্গীকার। সময় তিনি বাবুগঞ্জে দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করেন।