Category: প্রশাসন

  • ঝালকাঠিতে নির্বাচনী সহিংসতা মামলায় আ’লীগ নেতা গ্রেপ্তার

    ঝালকাঠিতে নির্বাচনী সহিংসতা মামলায় আ’লীগ নেতা গ্রেপ্তার

    ঝালকাঠি প্রতিনিধি ::

    ঝালকাঠির রাজাপুরে উপজেলা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সহিংসতার ঘটনায় হওয়া মামলায়  উপজেলা আওয়ামী লীগের এক নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

    গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তির নাম মো. শাহিন মৃধা (৪০)। তিনি রাজাপুরের শুক্তাগড় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. মজিবুল হক মৃধার ছেলে। উপজেলা সদরের মেডিকেল মোড়ে নিজ বাসার সামনে থেকে শাহিনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

    বর্তমান আহ্বায়ক কমিটির আহ্বায়ক খাইরুল আলম সরফরাজ বলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সদ্য ভেঙে দেওয়া কমিটিতে শাহীন মৃধা সহসভাপতি ছিলেন।

    এলাকাবাসীর দাবি, শাহীন মৃধার বিরুদ্ধে জমি দখল ও বিদেশ পাঠানোর নামে একাধিক ব্যক্তির কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে টাকা নেওয়ার অভিযোগ আছে।

    পুলিশ জানায়, ২২ মার্চ উপজেলার কানুনিয়া গ্রামে উপজেলা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সংঘাতের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় স্থানীয় মো. জামাল হোসেনসহ পাঁচজন রক্তাক্ত জখম হন। ১৬ এপ্রিল মো. জামাল হোসেন বাদী হয়ে শাহীন মৃধাকে ১ নম্বর আসামি করে ১৭ জনের নাম উল্লেখসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে ঝালকাঠি আদালতে মামলা করেন। ওই মামলায় শাহীন মৃধাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ছাড়া তাঁর বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি মামলা আছে।

    রাজাপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবুল কালাম জানান, শাহীন মৃধাকে আজ ঝালকাঠি আদালতে পাঠানো হয়েছে।

  • ঝালকাঠিতে রাতে শিক্ষার্থীদের আড্ডা বন্ধে আবারও পুলিশের অভিযান

    ঝালকাঠিতে রাতে শিক্ষার্থীদের আড্ডা বন্ধে আবারও পুলিশের অভিযান

    ঝালকাঠি প্রতিনিধি ::

    ঝালকাঠিতে স্কুল কলেজে পড়ৃয়া শিক্ষার্থীদের রাতের আড্ডা বন্ধ করে ঘরমুখি করতে পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে আবারো বিশেষ অভিযান চালিয়েছে জেলা পুলিশ।

    বুধবার (৪সেপ্টেম্বর) রাতে ঝালকাঠি জেলা পুলিশের বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে শহরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে আড্ডারত শিক্ষার্থীদের বুঝিয়ে বাড়িতে পাঠান পুলিশ সুপার ফাতিহা ইয়াসমিন। একই সময় পুলিশ সুপার শহরের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি পয়েন্টে যানজট নিরশনের জন্য গাড়ি চেক করেন।

    জেলা পুলিশের এ বিশেষ অভিযানে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এমএম মাহমুদ হাসান, জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) অফিসার ইনচার্জ ইকবাল বাহার খান অংশ নেন।

    পুলিশ সুপার ফাতিহা ইয়াসমিন বলেন, সন্ধ্যার পর লেখাপড়া ফাকি দিয়ে যেসব শিক্ষার্থী চায়ের দোকান এবং পার্কসহ শহরের বিভিন্ন স্থানে আড্ডা দিয়ে সময় নষ্ট করছে তাদেরকে বুঝিয়ে বাড়ি পাঠানোর ব্যবস্থা করেছি। লেখাপড়া ফাকি দিয়ে আড্ডার ফলে যুবসমাজ যাতে ধ্বংশের পথে পা বাড়াতে না পারে সে দিকে খেয়াল রেখে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান পুলিশ সুপার।

    উল্লেখ্য, পুলিশ সুপার ফাতিহা ইয়াসমিন গত ৫ আগস্ট রাতে ঝালকাঠি শহরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে আড্ডারত শিক্ষার্থীদের বাড়ি পাটানোর উদ্যোগ নেন। তার এ উদ্যোগের ফলে বর্তমানে শহরে রাতে শিক্ষার্থীদের আড্ডা অনেকাংশেই কমে এসেছে।

  • আবাসিক হোটেল থেকে আটক, কোতোয়ালি থানায় বিয়ে

    আবাসিক হোটেল থেকে আটক, কোতোয়ালি থানায় বিয়ে

    অনলাইন ডেস্ক ::

    দিনাজপুরের একটি আবাসিক হোটেল থেকে প্রেমিক যুগলকে আটকের ১৫ ঘণ্টা পর কোতোয়ালি থানায় ৮ লাখ টাকা দেনমোহরে বিয়ে দেয়া হয়েছে। গতকাল বুধবার বিকেল ৩টায় থানায় বিয়ের কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর পুলিশ ৫৪ ধারায় তাদের গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে প্রেরণ করে। পরে আদালত প্রেমিক যুগলের জামিন মঞ্জুর করেন।

    প্রেমিক আল মামুনুর রশিদ সরকার (২৬) ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলার ভাদুরিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা শাহজাহান আলী সরকারের ছেলে। আর প্রেমিকা দুলালী পারভীন ( ২৩) একই উপজেলার টেংরিয়া গ্রামের নাজিম উদ্দিনের মেয়ে।

    কোতোয়ালি থানা পুলিশের সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) রুহুল আমিন জানান, দিনাজপুরের একটি আবাসিক হোটেলে স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দিয়ে গত মঙ্গলবার রাতে রাত্রিযাপন করার সময় তাদেরকে আটক করা হয়। আটকের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা একে অপরকে ভালোবাসেন বলে স্বীকার করেন। পরবর্তীতে উভয়পক্ষের অভিভাবকদের অনুমতিক্রমে কোতোয়ালি থানায় ৮ লাখ টাকা দেনমোহর ধার্য করে বিয়ের কাজ সম্পন্ন করা হয়। পরে তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে ৫৪ ধারায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে প্রেরণ করা হয় ।

    তিনি আরও জানান, স্থানীয় কাজী আব্দুল গাফফার মিয়া থানায় উপস্থিত হয়ে মেয়ের খালু মতিউর রহমানের উকালতিতে এই বিয়ের কাজ সম্পন্ন করেন।

    স্থানীয় কাজী আব্দুল গাফফার মিয়া জানান, উভয়পক্ষের সম্মতিতে ইসলামী শরীয়ত মোতাবেক ৮ লাখ টাকা দেনমোহর ধার্য করে যৎ সামান্য টাকা মেয়েকে বুঝিয়ে দিয়ে বিয়ের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। বিয়ে সম্পন্ন হওয়ার পর স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও একজন জনপ্রতিনিধির উপস্থিতিতে নবদম্পতির মঙ্গল কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

    দিনাজপুর পৌর এলাকার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর রবিউল ইসলাম রবি জানান, তার উপস্থিতিতে ৮ লাখ টাকা দেনমোহর ধার্য করে ইসলামী শরীয়ত মোতাবেক উভয়পক্ষের অভিভাবকের উপস্থিতিতে বিয়ের কাজ সম্পন্ন করা হয় ।

    তবে কোতোয়ালি থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজওয়ানুর রহিম বলেন, থানায় কোনো বিয়ে হয়নি। থানা বিয়ের জায়গা নয়। আমরা প্রেমিক যুগলকে আটক করে আদালতে চালান দিয়েছি।

  • বরিশালে সিআইডি পরিচয়ে ছিনতাই, আওয়ামী লীগ নেতাসহ আটক-২

    বরিশালে সিআইডি পরিচয়ে ছিনতাই, আওয়ামী লীগ নেতাসহ আটক-২

    বরিশাল নগরীতে সিআইডি পরিচয়ে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাভর্তি অবৈধ পলিথিন ছিনতাইকালে সহযোগীসহ ধরা পড়েছেন নাসির উদ্দিন নামে এক আওয়ামী লীগ নেতা। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে তাদের শহরের আমানতগঞ্জ এলাকা থেকে আটক করে পুলিশ। তবে এসময় তাদের অপর এক সহযোগী শিপন পালিয়ে গেছেন।

    পুলিশ জানায়- শহরের নথুল্লাবাদ থেকে একটি অটোরিকশাযোগে ৫ বস্তা অবৈধ পলিথিন ব্যাগ নতুবা বাজার এলাকায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। সেখানে পৌছানোর পরে শহরের ৫ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক নাসির কমান্ডার এবং আমানতগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা আক্কাস হোসেন নিজেদেরকে সিআইডি পরিচয় দিয়ে অটোরিকশাটি নিয়ে যায়। পরে পলিথিন বোঝাই অটোরিকশাটি আমানতগঞ্জ এলাকার একটি নির্জন স্থানে লুকিয়ে রাখা হয়। এই ঘটনায় অভিযোগ পেয়ে সংশ্লিষ্ট ফাঁড়ি পুলিশ অভিযান চালিয়ে পলিথিন বোঝাই অটোরিকশাটি উদ্ধারের পাশাপাশি আওয়ামী লীগ নেতাকে এক সহযোগীসহ আটক করা হয়।

    তবে এসময় তাদের আরও এক সহযোগী শিপন পালিয়ে যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে আমানতগঞ্জ ফাঁড়ি পুলিশের ইনচার্জ টিএসআই আবু বক্কর জানান, এই ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে একটি ছিনতাইয়ের মামলার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।’

  • র‌্যাব-৮ কোম্পানি কমান্ডার হিসেবে যোগ দিলেন রইছ উদ্দিন

    র‌্যাব-৮ কোম্পানি কমান্ডার হিসেবে যোগ দিলেন রইছ উদ্দিন

    র‌্যাব-৮ সিপিসি-১ (পটুয়াখালী-বরগুনা) জেলার কোম্পানি কমান্ডার হিসেবে যোগ দিয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রইছ উদ্দিন।

    ২৮তম বিসিএস পুলিশ ক্যাডারের এই কর্মকর্তা কর্মক্ষেত্রে দক্ষতা এবং সুনামের সঙ্গে বিভিন্ন জায়গায় দায়িত্ব পালন করেছেন। বিশেষ করে মাদক, খুন ও অস্ত্র উদ্ধারে সফলতা অর্জনকারী রইছ উদ্দিন প্রায় দুই বছর র‌্যাব-৮ সিপিসি-২ (ফরিদপুর-রাজবাড়ী) এর কোম্পানি কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করেন। র‌্যাব-৮ সিপিসি-২ এর দায়িত্ব পালনকালে অস্ত্র উদ্ধারে ব্যাপক সফলতা অর্জন করেন এই চৌকস কর্মকর্তা। অস্ত্র উদ্ধারে বিশেষ অবদান রাখায় পুরস্কৃতও হয়েছেন তিনি।

    পরবর্তী সময়ে র‌্যাব-৮ সিপিসি-৩ (মাদারীপুর-গোপালগঞ্জ) এর কোম্পানি কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করেন রইছ উদ্দিন। ছয় মাস দায়িত্ব পালনকালে তিনি অনেক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করে আইনের কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন।

    ১ সেপ্টেম্বর থেকে র‌্যাব-৮ সিপিসি-১ (পটুয়াখালী-বরগুনা) এর কোম্পানি কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করছেন রইছ উদ্দিন।

  • জনাব প্রলয় চিসিম উপ-পুলিশ কমিশনার ট্রাফিক অফিস পরিদর্শন করেন

    জনাব প্রলয় চিসিম উপ-পুলিশ কমিশনার ট্রাফিক অফিস পরিদর্শন করেন

    আজ বুধবার অদ্য ০৪/০৯/২০১৯ খ্রিঃ উপ-পুলিশ কমিশনার ট্রাফিক অফিস পরিদর্শন করেন জনাব প্রলয় চিসিম,  অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার । এ সময় তার সাথে ছিলেন অন্যান্য পুলিশ কর্মকরতারা।

    Image may contain: 6 people, people standing, people playing sport and outdoor

    Image may contain: 2 people, people standing and outdoor

  • বরিশালে আত্মসমর্পণ করলেন আব্বা গ্রুপের প্রধান সৌরভ বালা ও জুয়েল

    বরিশালে আত্মসমর্পণ করলেন আব্বা গ্রুপের প্রধান সৌরভ বালা ও জুয়েল

    নিজস্ব প্রতিবেদক ::

    বরিশালের দুর্ধর্ষ কিশোর সন্ত্রাসীদের দল ‘আব্বা গ্রুপ’-এর প্রধান সৌরভ বালা ও তার সহযোগী ইয়াছিন হোসেন জুয়েল আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন।

    বুধবার তারা বরিশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণ করলে তাদের জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেয় বিচারক মো. আনিছুর রহমান।

    তাদের বিরুদ্ধে বরিশাল সিটি কলেজের অধ্যক্ষ সুজিত কুমার দেবনাথের ওপর হামলার ঘটনায় মামলায় তারা আদালতে আত্মসমর্পণ করেন

    ৩১ জুলাই সকালে সিটি কলেজের মধ্যে এ হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ওই গ্রুপের সদস্য মিজানুর রহমান রুবেলকে গ্রেফতার করে। এই ঘটনায় মামলা দায়েরের পর সংবাদ প্রকাশিত হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদককে হত্যার হুমকিও দেয়া হয়।

    সিটি কলেজের অধ্যক্ষের ওপর হামলার ঘটনার মামলায় প্রধান অভিযুক্ত সৌরভ বালাকে ৩৪ দিনেও গ্রেফতার করতে পারেনি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। সর্বশেষ সৌরভ বালা ও তার সহযোগী ইয়াছিন হোসেন জুয়েল আদালতে আত্মসমর্পণ করেন।

    জানা গেছে, সৌরভ বালা এই দীর্ঘ সময়ে ঢাকায় ছিলেন। আব্বা গ্রুপের আরেক প্রধান তানজিম রাব্বিও পলাতক ছিল। সম্প্রতি তিনি বরিশালে বেশ প্রকাশ্যেই ঘুরছেন। নগরীর ফকিরবাড়ি রোড, সদর রোড, বিবির পুকুর পাড়, বাংলাদেশ ব্যাংকের মোড়ে খোশ মেজাজে আড্ডা দিতে দেখা গেছে বলে বিশ্বস্ত সূত্র নিশ্চিত করেছে।

    ৪০ থেকে ৪৫ জনের এই কিশোর সন্ত্রাসী আব্বা গ্রুপের বিরুদ্ধে ৭/৮টি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে সিটি কলেজের হিসাব রক্ষক । ভয়ংকর এই গ্রুপটি সদর রোডসহ আশপাশের এলাকা নিয়ন্ত্রণে কাজ করত।

  • ‘বরগুনায় বাবাকে বন্দুক ঠেকিয়ে হত্যার চেষ্টা’, ছেলে গ্রেপ্তার

    ‘বরগুনায় বাবাকে বন্দুক ঠেকিয়ে হত্যার চেষ্টা’, ছেলে গ্রেপ্তার

    নিউজ ডেস্ক ::

    বরগুনা শহরে এক অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষকের হত্যাচেষ্টা মামলায় তার ছেলেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

    বুধবার সকালে রিপন হাজীকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে আদালতে হাজির করা হলে তাকে জেল হাজতে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়।

    রিপন পৌর শহরের চরকলোণী এলাকার বাসিন্দা বরগুনা সরকারি বালিকা উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আজহার আলীর ছেলে।

    বরগুনা সদর থানার ওসি আবির মোহাম্মদ হোসেন বলেন, বুধবার সকালে আজহার আলী তার ছেলে রিপনের বিরুদ্ধে বরগুনা সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

    মামলায় তিনি অভিযোগ করেন, তার ছেলে রিপন বেশ কিছুদিন ধরে পৈত্রিক সম্পত্তি নিজের নামে লিখে দেওয়ার জন্য তাকে চাপ প্রয়োগ করে আসছেন।

    সম্প্রতি তার বাড়ির নাম পরিবর্তন করে তার ছেলের (আজহার আলীর নাতি) নামে নামকরণ করেছেন। এতে আজহার আলীর সম্মতি ছিল না। এ নিয়ে পারিবারিক অসন্তোষ সৃষ্টি হয় বলে মামলায় বলা হয়।

    অভিযোগে আরও বলা হয়, এ বিষয়ে মঙ্গলবার রাতে পারিবারিক বৈঠকের এক পর্যায়ে ছেলে রিপন হাজী বাবা আজহার আলীকে লাঞ্ছিত করার পাশাপাশি হত্যার জন্য বন্দুক তাক করেন।

    মামলার পরপরই রিপনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

  • মিন্নির পর জামিন পেল আরেক আসামি আরিয়ান শ্রাবণ

    মিন্নির পর জামিন পেল আরেক আসামি আরিয়ান শ্রাবণ

    বরগুনার আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যাকাণ্ডের তদন্তে বেরিয়ে আসা সন্দেহভাজন আসামি আরিয়ান শ্রাবণকে জামিন দিয়েছেন আদালত। বুধবার বরগুনা জেলা ও দায়রা জজ আদালতে জামিন শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।দুই পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে বিকেল ৪ টার দিকে আদালতের বিচারক আছাদুজ্জান আরিয়ান শ্রাবণের জামিন মন্জুর করেন। দুই দফা এই জামনি শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। দুপুর ১২ টার দিকে আদালতের জামিন শুনানি শুরু হয়ে ১০ মিনিট চলার পর আদালত তা মুলতবি করেন।

    মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে মামলার তথ্য আদালতে নথি নিয়ে আদালতে তলব করা হয়ে। পরে বিকেল তিনটার পরে এই আবার শুনানি শুরু হয়।গতকাল সকালে আরিয়ানের পক্ষে জামিন শুনানিতে ১১০ জন আইনজীবী অংশ নেন।

    এর আগে ২৪ জুলাই বরগুনার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিমের আদালতে আরিয়ানের জামিনের আবেদন করা হলে আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক ইয়াসিন আরাফাত তা নামঞ্জুর করেন।

    এর আগে ৮ জুলাই সকালে রিফাত হত্যার ঘটনায় সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে আরিয়ান শ্রাবণকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ওইদিন বিকেলে আরিয়ানকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন আদালত ।পরে দুই দফা রিমান্ড শেষে ১৮ জুলাই রিফাত হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে বরগুনার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম গাজীর আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেনআরিয়ান।

    গত ২৬ জুন সকালে স্ত্রী আয়েশাকে বরগুনা সরকারি কলেজ থেকে আনতে যান তার স্বামী রিফাত শরীফ। এ সময় কলেজের মূল ফটকের সামনে থেকে ধরে নিয়ে কোপানো হয় তাঁকে। স্থানীয় লোকজন রিফাতকে গুরুতরআহত অবস্থায় উদ্ধার করে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে ওই দিন দুপুরে রিফাত শরীফের মৃত্যু হয়।এ ঘটনায় রিফাত শরীফের বাবা আবদুলহালিম বাদী হয়ে ২৭ জুন বরগুনা থানায় ১২ জনের নামে একটি হত্যা মামলা করেন। এই মামলার প্রধান আসামি সাব্বির আহম্মেদ ওরফে নয়ন বন্ড গত ২ জুলাই পুলিশের সঙ্গে বন্দুক যুদ্ধে নিহত হন।

  • কলাপাড়ায় কোচিং বানিজ্য বন্ধে উপজেলা প্রশাসনের অভিযান শুরু

    কলাপাড়ায় কোচিং বানিজ্য বন্ধে উপজেলা প্রশাসনের অভিযান শুরু

    কলাপাড়া প্রতিনিধি:

    শিক্ষা ব্যবস্থায় ’কোচিং’ বন্ধে তৈরী করা নীতিমালা বৈধ বলে মহামান্য হাইকোর্ট রায় দেয়ার পরও পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের নীতি মালাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে শহরের অলি গলিতে অবাধে চলছে একাধিক কোচিং সেন্টার। সরকারের দেয়া সকল সুযোগ-সুবিধা ভোগ করার পরও কোচিংবাজ এসব শিক্ষকরা তাদের নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠদানে যত্নবান না থেকে শিক্ষার্থীদের বাধ্য করছেন নিজেদের পরিচালিত প্রাইভেট টিউশনে ও কোচিং সেন্টারে যেতে। শিক্ষার্থীদের নিকট থেকে কোচিংবাজ এসব শিক্ষকরা প্রতি মাসে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিলেও এদের বিরুদ্ধে এতদিন কোন পদক্ষেপ নেয়নি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

    এরপর দেরীতে হলেও এসব কোচিং বন্ধে অভিযান শুরু করেছে উপজেলা প্রশাসন। এদিকে কোচিং বানিজ্য বন্ধে সরকারের নীতিমালা অনুযায়ী ইউএনও, শিক্ষা কর্মকর্তা ও শিক্ষকদের সমন্বয়ে গঠিত মনিটরিং কমিটি থাকার পরও সম্প্রতি শিক্ষা মন্ত্রনালয় নির্দেশনা অনুসারে প্রতি স্কুলে ৫ সদস্যের কমিটি গঠন ও কোচিং বন্ধে পদক্ষেপ নেয়ার কথা বলা হয়েছে। এরপরও প্রাথমিক স্তর থেকে উচ্চ মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের জিম্মি করে এসব কোচিংবাজ শিক্ষকরা নিজেদের বাসায় ব্যাচ করে প্রাইভেটের আদলে কিংবা বাড়ী ভাড়া করে সকাল থেকে রাত ৯টা-১০টা পর্যন্ত নির্বিঘ্নে চালিয়ে যাচ্ছে কোচিং বানিজ্য।

    এ সকল শিক্ষকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে তাদের পরিচালিত কোচিং সেন্টারে না পড়লে শ্রেনী কক্ষে শারিরীক-মানসিক নির্যাতন সহ পরীক্ষার খাতায় ও ব্যবহারিক বিষয়ে নম্বর কমিয়ে দেয়ার।সরেজমিনে জানা যায়, কলাপাড়া পৌরশহরের নাচনাপাড়া এলাকায় মর্নিং সান কোচিং সেন্টার, উম্মুলকুরা কোচিং সেন্টার, এডুকেশন সেন্টার, এতিমখানা এলাকায় রোজ গার্ডেন কোচিং সেন্টার, সমাজকল্যান রোডে হলি চাইল্ড স্কুল কোচিং সেন্টার, ইসলামপুর রোডে প্রতিভা কোচিং সেন্টার, কুমারপট্রি এলাকায় কলাপাড়া কোচিং সেন্টার ছাড়াও রহমতপুর, নজরুল ইসলাম সড়ক, চিংগড়িয়া, আখড়াবাড়ি সড়ক, কর্মকার পট্টি, কুমার পট্টি, সবুজ বাগ, কলেজ রোড, অফিস মহল্লা সহ শহরের বেশ কয়েকটি আবাসিক এলাকায় প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের একাধিক শিক্ষক হাইকোর্টের রায়ের পরও শিক্ষা কোচিং বানিজ্য চালিয়ে আসছেন। একই চিত্র মহিপুর থানা শহর ও কুয়াকাটা পৌরশহরে।

    এসকল কোচিং সেন্টারে কিংবা শিক্ষকদের বাসায় সকাল ৬টা থেকে ৭টা, ৭টা থেকে ৮টা, ৮ট থেকে ৯টা, বিকেল ৩টা থেকে ৫টা এবং সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ৯টা-১০টা পর্যন্ত শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের নীতিমালা ও হাইকোর্টের রায়ের তোয়াক্কা না করে স্বস্ব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের পড়াচ্ছেন। এমনকি অতিরিক্ত ক্লাশের নামে দু’একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এখনও চলছে কোচিং বানিজ্য।

    এতে দরিদ্র পরিবারের ছেলে-মেয়েরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে তাদের শিক্ষার অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়ে বিদ্যালয় বিমুখ হয়ে পড়ছে। মেয়েরা শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়ে বাল্য বিয়ের শিকার হচ্ছে। এছাড়া শহরের আবাসিক এলাকায় রাত ৯টা-দশটা পর্যন্ত চলমান এসকল কোচিং সেন্টারের উঠতি বয়সের শিক্ষার্থীরা যথাযথ নজরদারীর অভাবে ক্রমশ: বিপথগামী হয়ে পড়ছে। অপরদিকে বানিজ্যিক ভিত্তিতে গড়ে ওঠা শহরের কয়েকটি কিন্ডার গার্টেনের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের জিম্মি করে কোচিং পরিচালনা করার অভিযোগ রয়েছে। এসকল কিন্ডার গার্টেনের শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত ক্লাশের কথা বললেও মাথাপিছু আদায় করে নিচ্ছে মোটা অংকের টাকা।

    এদিকে কিন্ডার গার্টেনের পাশা পাশি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরাও জড়িয়ে পড়ছেন কোচিং বানিজ্যে। তারাও বাড়ী ভাড়া নিয়ে কিংবা নিজেদের বাসা-বাড়ীতে গড়ে তুলেছেন টিচিং হোম। যদিও কোচিং বানিজ্য বন্ধে শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের ২০১২ এর নীতিমালার অনুচ্ছেদ ১৩ এর (ক)এ কোচিংবাজ শিক্ষকদের এমপিও স্থগিত, বাতিল, বেতন ভাতাদি স্থগিত, বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি স্থগিত, বেতন এক ধাপ অবনমিতকরন, সাময়িক বরখাস্ত, চূড়ান্ত বরখাস্ত, অনুচ্ছেদ ১৩ এর (খ)এ এমপিও ভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এমপিও বিহীন কোচিংবাজ শিক্ষকদের প্রতিষ্ঠান প্রদত্ত বেতন ভাতাদি স্থগিত, সাময়িক বরখাস্ত, চূড়ান্ত বরখাস্ত, অনুচ্ছেদ ১৩ এর (গ)এ এমপিও বিহীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোচিংবাজ শিক্ষকদের প্রতিষ্ঠান প্রদত্ত বেতন ভাতাদি স্থগিত, সাময়িক বরখাস্ত, চূড়ান্ত বরখাস্ত, অনুচ্ছেদ ১৩ এর (ঘ)এ কোচিং বানিজ্যে জড়িত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদ ব্যবস্থা গ্রহন না করলে পরিচালনা পর্ষদ ভেঙ্গে দেয়া সহ প্রতিষ্ঠানের পাঠ দানের অনুমতি, স্বীকৃতি, অধিভুক্তি বাতিল, অনুচ্ছেদ ১৩ এর (ঙ)এ সরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোন শিক্ষক কোচিং বানিজ্যে জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে সরকারী কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপীল) বিধিমালা ১৯৮৫ এর অধীন অসদাচরন হিসেবে গন্য করে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহনের কথা বলা হলেও এর প্রয়োগ না থাকায় কলাপাড়ায় এখনও বেপরোয়া গতিতে চলছে কোচিং বানিজ্য। এর আগে উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে কোচিং বানিজ্যে জড়িত শিক্ষকদের নামের তালিকা মন্ত্রনালয়ে প্রেরন করা হয়েছে।

    প্রেরিত ওই তালিকায় সরকারী খেপুপাড়া মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের গনিত, ইংরেজী ও ব্যবসায় শিক্ষা বিষয়ের শিক্ষক, বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ইংরেজী, গনিত ও বিজ্ঞান বিষয়ের শিক্ষক, লালুয়া জনতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শরীর চর্চা শিক্ষক, নুর মোহম্মদ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিষয়ের শিক্ষক, চাকামইয়া বেতমোর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের গনিত বিষয়ের শিক্ষক, শিশু পল্লী একাডেমীর গনিত বিষয়ের সহকারী শিক্ষক, লালুয়া নয়াপাড়া দাখিল মাদ্রাসার ইংরেজী বিষয়ের শিক্ষক, নেছার উদ্দীন ফাজিল মাদ্রাসার কয়েক কোচিংবাজ প্রভাষক, কলাপাড়া মহিলা ডিগ্রী কলেজের ইংরেজী ও ব্যবসায় শিক্ষা বিষয়ের শিক্ষক, সরকারী মোজাহার উদ্দীন বিশ্বাস ডিগ্রী কলেজের ইংরেজী, গনিত, রসায়ন বিষয়ের শিক্ষকদের নাম রয়েছে।

    এছাড়া রহস্যজনক কারনে তালিকাভুক্ত করা হয়নি ধানখালী ডিগ্রী কলেজের তথ্য প্রযুক্তির শিক্ষক, মহিলা ডিগ্রী কলেজের হিসাব বিজ্ঞান শিক্ষক, সরকারী মোজাহার উদ্দীন বিশ্বাস কলেজের পদার্থ বিজ্ঞান বিষয়ের শিক্ষক ছাড়াও বেশ কিছু মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ইংরেজী, গনিত, বিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা, তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ের কোচিংবাজ শিক্ষকদের নাম। যারা বীরদর্পে চালিয়ে যাচ্ছেন কোচিং বানিজ্য।

    উপজেলা ভারপ্রাপ্ত মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো: মনিরুজ্জামান জানান, ’শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের নির্দেশনা অনুসারে কোচিং বানিজ্য বন্ধে শিক্ষা অফিস থেকে বিদ্যালয় গুলোর প্রধান শিক্ষকদেরকে চিঠি দিয়ে জানানো হয়েছে। যে সমস্ত শিক্ষক কোচিং বানিজ্যে জড়িত রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে নামের তালিকা শিক্ষা মন্ত্রনালয়ে প্রেরন করা হয়েছে বলে জানান তিনি।’

    কলাপাড়া ইউএনও মো: মুনিবুর রহমান জানান, ’আমি ইতোমধ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোর প্রধান, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ও উপজেলা শিক্ষা কমিটির সদস্যদের নিয়ে সভা করেছি এবং ওই সভায় প্রতিষ্ঠান প্রধানদের শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের নীতিমালা অনুযায়ী তাদের স্ব স্ব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের অনতিবিলম্বে কোচিং থেকে নিবৃত্ত করার জন্য নির্দেশ দিয়েছি।

    এরপরও সরেজমিনে দেখলাম রাত ৯টা-১০টা পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা স্কুল ব্যাগ কাধে নিয়ে ঘুরছে, যা নিতান্তই দু:খজনক।’ইউএনও আরও জানান, ’রবিবার রাতে এসিল্যান্ড কে সাথে নিয়ে অভিযানে গিয়ে দেখি এডুকেশন সেন্টার নামের একটি কোচিং সেন্টারে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা কোচিং করাচ্ছে। ইতোমধ্যে সেই সংক্রান্ত ডকুমেন্ট জব্দ করা হয়েছে, যা পরবর্তীতে বিধি ও আইন মোতাবেক ব্যবস্থা নেয়া হবে। এবং এ কার্যক্রম ক্রমান্বয়ে সমগ্র কলাপাড়ায় চলবে।’