Category: প্রশাসন

  • বরিশালে পলিথিন বিরোধী অভিযানে ২ জনের জেল-জরিমানা

    বরিশালে পলিথিন বিরোধী অভিযানে ২ জনের জেল-জরিমানা

    নিজস্ব প্রতিবেদক:

    বরিশালে নিষিদ্ধ ঘোষিত পলিথিন শপিং ব্যাগ প্রদর্শন, মজুত ও বিতরণ করার অপরাধে  ২ ব্যবসায়ীকে কারাদন্ড ও জরিমানা প্রদান করা হয়েছে।

    আজ বুধবার (৪ সেপ্টেম্বর) পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো: আবদুল হালিমের নেতৃত্বে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ানের সহযোগিতায় বরিশাল সদর উপজেলার সাহেবের হাট এলাকায় এলাকায় ভ্রাম্যমান আদালতের এ অভিযান চালানো হয়।

    পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিদর্শক  মো: তোতা মিয়া তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান , অভিযানে নিষিদ্ধ ঘোষিত পলিথিন শপিং ব্যাগ বিক্রয় এবং বিক্রয়ের জন্য প্রদর্শন, মজুত ও বিতরণ করার অপরাধে ওই এলাকার মেসার্স জৈনপুরী এন্টারপ্রাইজের প্রোপাইটর মো: সাইদুর ইসলামকে ০৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড, পাশাপাশি ২০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায় ২২ দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করা হয়েছে।

    অপরদিকে মেসার্স সিকদার এন্ড সন্সের প্রোপাইটর মো: নাঈম সিকদারকে ০১ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড, পাশাপাশি ৫ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায় ০৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করা হয়েছে।

  • ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার বরিশাল সভাকক্ষে  চুক্তি নবায়ন এবং এক মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

    ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার বরিশাল সভাকক্ষে চুক্তি নবায়ন এবং এক মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

    গতকাল সোমবার ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার বরিশাল সভাকক্ষে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার ও সহোযোগী এনজিওদের সাথে চুক্তি নবায়ন এবং স্টিয়ারিং কমিটির সদস্যদের সাথে এক মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    Image may contain: one or more people, plant, shoes, tree, table, child and outdoor

    উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, জনাব আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ্, উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর-দপ্তর) বিএমপি।

    Image may contain: 2 people

    অনুষ্ঠানের উপস্থাপক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জনাব শারমিন সুলতানা রাখী, সহকারী পুলিশ কমিশনার ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার বিএমপি।

    উক্ত সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মোঃ শাহাবু্দ্দিন খান বিপিএম-বার মহোদয়, মাননীয় পুলিশ কমিশনার বিএমপি।

    Image may contain: 2 people

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন  জনাব প্রলয় চিসিম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার বিএমপি।

    Image may contain: 2 people, people smiling, people sitting

  • বরগুনায় সেই কিশোরীর পাশে দাঁড়িয়েছে উপজেলা প্রশাসন

    বরগুনায় সেই কিশোরীর পাশে দাঁড়িয়েছে উপজেলা প্রশাসন

    বরগুনা প্রতিনিধি :

    সংবাদ প্রকাশের পর সেই কিশোরীর পাশে দাঁড়িয়েছে বেতাগী উপজেলা প্রশাসন।

    বেতাগী উপজেলার নির্বাহী কমকর্তা (ইউএনও) মো. রাজিব হোসেন জানান, সদ্য জন্ম নেওয়া শিশু ও তার মাকে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে চিকিৎসাসহ সব ধরনের সহযোগিতা করা হচ্ছে।

    জানা যায়, বরগুনার বেতাগী উপজেলার দক্ষিণ হোসনাবাদ গ্রামের এক কিশোরীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করেন একই গ্রামের কালাম বেপারীর ছোট ছেলে আক্কাস বেপারী। ওই কিশোরী অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যরা তাকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যায়। এরপর চিকিৎসকেরা জানায় ওই কিশোরী চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা।

    ঘটনাটি ছড়িয়ে পড়লে আক্কাসের পরিবারে ওই কিশোরীকে বিয়ে করার জন্য চাপ আসে। সমাজের প্রভাবশালী মহল থেকে আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসার জন্য নির্যাতিত ওই কিশোরীর পরিবারেও প্রস্তাব আসে।

    ওই কিশোরীর পরিবার এতে অসম্মতি জানিয়ে ন্যায় বিচারের জন্য বরগুনা নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালে মামলা করে। খবর পেয়ে আক্কাস ওই কিশোরীকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে এলাকা থেকে পালিয়ে যান। এমন পরিস্থিতিতে গত বুধবার (২৮ আগস্ট) রাতে নির্যাতিত ওই কিশোরী একটি ছেলে সন্তানের মা
    হয়।

    এ বিষয়ে নির্যাতিত ওই কিশোরী জানায়, ‘আমি যে আমার পোলার একটা নাম রাখবো সেই সৌভাগ্যও আমার হয়নি। যেদিন আমি প্রসব বেদনায় ছটফট করেছিলাম । সেদিনও আমাকে মারার জন্য আমার ঘরের দরজা কুপিয়ে গেছেন আক্কাসের বাবা কালাম বেপারী। একটি প্রভাবশালী মহলের দাপটে তারা আমাদের ভয়ভীতি দেখিয়ে চলছে।’

    হোসনাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান খলিলুর রহমান খান বলেন, এ ঘটনার পর থেকেই আক্কাস বেপারীকে ওই মেয়েটিকে বিয়ে করার জন্য বলেছি। কিন্তু মামলা প্রক্রিয়াধীন থাকার কারণে কোনো ধরনের মীমাংসা করা সম্ভব হয়নি।

  • বরিশালে বাদীর কাছ থেকে ওসি’র ৩ লাখ টাকা উৎকোচ গ্রহণ

    বরিশালে বাদীর কাছ থেকে ওসি’র ৩ লাখ টাকা উৎকোচ গ্রহণ

    বরিশাল মেট্রোপলিটন বন্দর (সাহেবেরহাট) থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোস্তফা কামাল হায়াদারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির আরও একটি গুরুতর অভিযোগ প্রকাশ পেয়েছে। এবার জমি সংক্রান্ত একটি মামলা নিয়ে খোদ আদালতের দেওয়া আদেশ উপেক্ষা করে তিনি অবস্থান রাখলেন বিবাদীর পক্ষে। এমনকি সেই আদেশ বাস্তবায়ন প্রতিশ্রুতি দিয়েও ওসি মামলার বাদী সাহেবেরহাট কুন্দিয়ালপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মো. হামেদ গাজীর (৬০) কাছ থেকে ৩ লাখ টাকা উৎকোচ গ্রহণ করেছেন। যা নিয়ে পুলিশের ভেতরে শুরু হয়েছে তোলপাড়। একই থানার বকশি ফায়জুর রহমানের মধ্যস্ততায় ঘুষ গ্রহণের এ ঘটনাটিতে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও বিব্রত।

    যদিও এই ঘুষ কেলেংকারির ঘটনাটি বাংলাদেশ পুলিশ মহাপরিদর্শকের নির্দেশে ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু করে দিয়েছে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ বিভাগ। সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশের সহকারি কমিশনার (এসি) প্রকৌশলী শাহেদ আহম্মেদ চৌধুরী এই ঘটনায় প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্যগ্রহণও করেছেন বলে শোনা গেছে।

    এর আগেও বন্দর থানার ওসি মোস্তফা কামাল হায়দার ও বকশি ফায়জুরের বিরুদ্ধে রেণুপোনা পাচারে সহযোগিতাসহ নানা দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। সেই সময়ও মেট্রোপলিটন পুলিশ বিভাগ তাদের বিরুদ্ধে তদন্তে নামলে উভয়ের চেয়ার দুটি নড়বড়ে হয়ে যায়। কিন্তু বরিশালের সাংসদ মর্যাদায় এক আওয়ামী লীগ নেতা তাদের পক্ষে ভুমিকা রাখায় সেই দফায় রক্ষা পেয়েছিলেন।

    তবে এবারে এই ঘুষ গ্রহণের অভিযোগটি প্রমাণিত হলে তাদের ভবিষ্যত বিষিয়ে উঠতে পারে বলে আভাস দিয়েছে পাওয়া গেছে। কারণ পুলিশ কমিশনার শাহাবুদ্দিন খান ঘটনাটি নিয়ে এমন মন্তব্য করে সিদ্ধান্তও জানিয়ে দিয়েছেন বলে দাবি করেছে পুলিশের একটি সূত্র।

    অভিযোগ সূত্রে জানা যায়- বরিশাল সদর উপজেলার সাহেবেরহাট কুন্দিয়ালপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মো. হামেদ গাজীর ২১ শতাংশ ভুমির দখল করার পায়তারা চালিয়ে আসছিলেন একই গ্রামের মো. শামীম খান লিখন। সাম্প্রতিকালে সেই জমিতে প্রতিপক্ষ জবরদস্তি স্থাপনা নির্মাণের তোড়জোড় শুরু করলে হামেদ গাজী আদালতে ১৪৪ ধারায় একটি অভিযোগ করেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বিচারক অভিযোগটি আমলে নিয়ে সেই ভুমিতে স্থাপনা উত্তোলনে নিষেধাজ্ঞা জারি করেন।

    কিন্তু বিষ্ময়কর ব্যাপর হচ্ছে এই আদেশটি বাস্তবায়নে কালক্ষেপন করে আসছিলেন বন্দর থানার ওসি মোস্তফা কামাল হায়দার। পরবর্তীতে তিনি বাদীর আবেদনের প্রেক্ষিতে সম্মত হলেও ২ লাখ টাকা উৎকোচ দাবি করেন। এই টাকা দেওয়ার পরেও তিনি আদেশটি বাস্তবায়ন না করলে আরও এক লাখ টাকা দাবির প্রেক্ষিতে দেওয়া হয়। এই ঘুষ লেনদেনের মধ্যস্ততা করেন থানার বকশি ফায়জুর রহমান।

    কিন্তু এরপরেও ওসি বাদীর পক্ষে কোন ভুমিকা না রেখে উল্টো বিবাদী স্থাপনা উত্তোলনে সহযোগিতা করেন। এবং পরবর্তীতে সেই ভুমিতে ঘর তুলে ভাড়া দিয়ে ওসি ও বিবাদী নিচ্ছেন।

    বাদী হামেদ গাজীর অভিযোগ করেন- এই বিষয়টি নিয়ে ফের বাড়াবাড়ি করা হলে ওসি তাকে ডেকে নিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে মামলায় জড়িয়ে দেওয়ারও হুমকি দেন। এতে তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন দাবি করে বলেন- পুরো ঘটনাটি একটি অভিযোগ আকারে বাংলাদেশ পুলিশ মহাপরিদর্শকের কাছে তুলে ধরে প্রতিকার চেয়েছেন।

    তবে অভিযোগটি তদন্তকারী কর্মকর্তা বন্দর থানার সহকারি কমিশনার (এসি) প্রকৌশলী শাহেদ আহম্মেদ চৌধুরী এই বিষয়ে কোন ধরনের মন্তব্য করতে নারাজ জানিয়ে বরিশালটাইমসকে বলেন- তদন্ত কার্যক্রম শেষের পথে। আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন পুলিশের উচ্চমহলে তুলে ধরা হবে। কিন্তু তাদের তদন্তে কী উঠে এসেছে সেই বিষয়টি নিয়েও তিনি অপারগতা প্রকাশ করেছেন।

    এদিকে ওসি মোস্তফা কামাল হায়দার ও বকশি ফায়জুর রহমান অভিযোগটি পুরোপুরি ভেগ দাবি করলেও মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. শাহাবুদ্দিন বরিশালটাইমসকে বলছেন অভিযোগটি প্রমাণিত হলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে। বরং উভয়ের বিরুদ্ধে শাস্তির আর্জি জানিয়ে হেডকোয়াটার্সে সুপারিশ রাখার সিদ্ধান্ত রয়েছে।’

  • বরিশালে পরকীয়ার জেরে স্ত্রী তার প্রেমিকের হাতে স্বামী খুন

    বরিশালে পরকীয়ার জেরে স্ত্রী তার প্রেমিকের হাতে স্বামী খুন

    নিজস্ব প্রতিবেদক ::

    বরিশালের হিজলা উপজেলার হরিনাথপুর ইউনিয়নের চর ছয়গাঁও গ্রামের পরকিয়া প্রেমিকের সাখে মিলে ধারালো অস্ত্র দিয়ে স্বামীকে খুনের অভিযোগ উঠেছে স্ত্রী বিরুদ্ধে। এঘটনায় পরকিয়া প্রেমিক মাসুদ বেপারী ও ঘাতক স্ত্রী শাজেদা বেগমকে আটক করেছে পুলিশ।

    জানা গেছে, জামেদালী দপ্তরীর ছেলে কাওছার দপ্তরী স্ত্রী শাজেদা বেগম ৫ সন্তানের জননীর সাথে একই গ্রামের মোটর সাইকেল চালক এলেন বেপারীর ছেলে মাসুদ বেপারীর পরকীয়া প্রেম চলে আসছে দীর্ঘ দিন যাবত।

    এ ব্যপারে পূর্বেও একাধিকবার স্থানীয় শালিসের মাধ্যমে এদের বিচার করা হয়েছিলো।

    একটি সূত্র বলছে, সোমবার দিবাগত রাতে শাজেদা বেগম ও মাসুদ বেপারীর পরকীয়া স্বামী কাওছারের কাছে ধরা পড়লে মাসুদ বেপারী ও স্ত্রী শাজেদা বেগম তার স্বামীকে ধারালো অস্ত্রের অঘাতে করে । এতে তার মৃত্যু হয়। পরে লাশ খালে ফেলে দেয়া হয়।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মঙ্গলবার সকাল ৭ টার দিকে একই এলাকার আবুল বেপারীর বাড়ির সামনে খালের পাশ থেকে কাওছারের লাশ দেখে। পরে পুলিশকে খবর দিলে লাশ উদ্ধার করে হিজলা থানা পুলিশ।

    হিজলা থানা অফিসার ইনচার্জ অসীম কুমার সিকদার জানায়, এ ব্যপারে প্রথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য স্ত্রী শাজেদা বেগম ও তার পরকীয়া প্রেমিক মাসুদ বেপারীকে আটক করা হয়েছে। মামলা প্রকৃয়াধীন। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • বরিশালে মাদক বিক্রেতার যাবজ্জীবন

    বরিশালে মাদক বিক্রেতার যাবজ্জীবন

    নিজস্ব প্রতিবেদক ::

    বরিশালে মাদক মামলায় আনোয়ার নামে এক কারবারির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি ২০ হাজার টাকা অর্থ দণ্ড দিয়েছে করা হয়েছে।

    মঙ্গলবার (৩ সেপ্টেম্বর) জেলা জন নিরাপত্তা বিঘ্নকারী অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে শহীদ আহম্মেদ এ রায় দেন।

    দণ্ডপ্রাপ্ত আনোয়ার যশোরের বেনাপোল থানার পোড়াবাড়ি এলাকার বাসিন্দা আমিন উদ্দিন মৃধার ছেলে।

    আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১২ সালের ১০ অক্টোবর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বরিশাল মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা (ডিবি) শাখার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শাখাওয়াত হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল নগরের আমতলা মোড় এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় একটি প্রাইভেট কারকে থামানোর জন্য সংকেত দিলে তা অমান্য করে গাড়িটি নথুল্লাবাদ বাসস্ট্যান্ডের দিকে পালিয়ে যায়।

    পরে ডিবি পুলিশের সদস্যরা ধাওয়া করলে জিয়া সড়ক এলাকায় প্রাইভেটকারটি থামিয়ে চালক পালিয়ে যান। পরে ডিবি পুলিশের সদস্যরা প্রাইভেটকার থেকে দুই হাজার ৭৫০ বোতল ফেনসিডিলসহ আনোয়ারুলকে আটক করে। এ ঘটনায় ওই দিনই সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা দায়ের করা হয়। পরবর্তীতে ২০১২ সালের ২১ নভেম্বর ডিবির এসআই ইরানুল ইসলাম ঘটনার তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। আদালত ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে এ রায় দেন।

    তবে রায়ের সময় আনোয়ারুল পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন করা হয়।

  • পটুয়াখালীতে ৪ লাখ মিটার কারেন্টজাল জব্দ, ব্যবসায়ীর কারাদণ্ড

    পটুয়াখালীতে ৪ লাখ মিটার কারেন্টজাল জব্দ, ব্যবসায়ীর কারাদণ্ড

    পটুয়াখালী প্রতিনিধি :

    পটুয়াখালীর দশমিনায় নৌ-পুলিশের অভিযানে ৪ লাখ মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়েছে। পাশাপাশি এর সঙ্গে জড়িত ব্যবসায়ী রহিমকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ১ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

    মঙ্গলবার (০৩ সেপ্টেম্বর) বেলা দেড়টার দিকে দশমিনা উপজেলার কেজিরহাট বাজারে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান চালায় নৌ-পুলিশ।

    হাজিরহাট নৌ-পুলিশের ইনচার্জ উপ পরিদর্শক (এসআই) উত্তম কুমার দাস তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, অভিযানে জব্দ হওয়া সব কারেন্টজাল অবৈধ। ব্যবসায়ী আবদুর রহিম দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় কারেন্টজাল বিক্রি করে আসছিলেন।

    গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে কারেন্টজালসহ রহিমকে আটক করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শুভ্রা দাস পরিচালিত আদালতের সোপর্দ করা হয়।

    পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত ব্যবসায়ী আবদুর রহিমকে ১ বছরের কারাদণ্ড ও জব্দ জালগুলো ধ্বংস করার সিদ্ধান্ত দেন।

  • সরকারি-বেসরকারি সকল প্রতিষ্ঠানের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে

    সরকারি-বেসরকারি সকল প্রতিষ্ঠানের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে

    রাতুল হোসেন রায়হান:

    বরিশালের জেলা প্রশাসক এস এম অজিয়র রহমান বলেছেন, জলবায়ু অর্থায়নে প্রকল্প বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠানসমূহের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণে প্রশাসনের পক্ষ থেকে যতটুকু সহযোগিতা প্রদান করা প্রয়োজন, সেটি করা হবে। কেবলমাত্র সরকারি প্রতিষ্ঠানের নয়, সরকারি-বেসরকারি সকল প্রতিষ্ঠানের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে।’

    মঙ্গলবার (০৩ সেপ্টেম্বর) বরিশাল নগরের সদররোডস্থ বিডিএস মিলানায়তনে টিআইবি’র সহায়তায় সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক) আয়োজনে জলবায়ু অর্থায়নে প্রকল্প বাস্তায়নকারী কর্তৃপক্ষসমূহের সাথে অধিপরামর্শ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    সনাক সভাপতি প্রফেসর শাহ্ সাজেদা’র সভাপতিত্বে সভায় স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন সনাকের জলবায়ু অর্থায়নে বিষয়ক উপকমিটির আহ্বায়ক অধ্যক্ষ গাজী জাহিদ হোসেন।

    সভায় “জলবায়ু অর্থায়নে প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং অংশগ্রহণ: চ্যালেঞ্জ এবং সম্ভাবনা” শীর্ষক প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন টিআইবি’র অ্যাসস্ট্যিান্ট ম্যানেজার- রিসার্চ (জলবায়ু অর্থায়নে সুশাসন) মো: রাজু আহম্মদে মাসুম।

    সভায় সনাক এর পক্ষ থেকে ‘জলবায়ু অর্থায়নে প্রকল্প বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠানসমূহের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণে সুপারিশমালা প্রদান করা হয়। সুপারিশগুলো হলো: প্রতিষ্ঠানের সেবা সংক্রান্ত নাগরিক সনদ স্থাপন করা, দাত্বিপ্রাপ্ত তথ্য কর্মকর্তা নিয়োগ ও তার নামের বোর্ড জনসম্মুখে স্থাপন, তথ্য প্রদানে রেজিস্টার অনুসরণ করা, সেবা বিষয়ক তথ্যপত্র প্রকাশ ও প্রচার করা, অভিযোগ ও পরামর্শ বাক্স স্থাপন, অভিযোগ নিরসন কমিটি গঠন ও গৃহীত অভিযোগ যথাসময়ে নিষ্পত্তি করণ, অভিযোগ গ্রহণ ও নিরসন রেজিস্টার চালু করা, যে কোন অভিযোগ জানানোর জন্য হট নাম্বার চালু করা, বিভিন্ন কমিটিতে নারী সদস্যে অন্তভুক্তিকরণ, সেবার ক্ষেত্রে নারীদের অগ্রাধিকার প্রদান, প্রকল্প এলাকায় গণশুনানী আয়োজন করা, প্রকল্পের বাজেট, কাজের বিবরণ এবং সময়কাল উল্লেখ পূর্বক বোর্ড স্থাপন, প্রকল্পের চাহিদা অনুযায়ী স্থানীয় জনসাধারণের মধ্য থেকে যোগ্যতা অনুসারে কর্মসংস্থানের সুযোগ প্রদান ইত্যাদি।

    অন্যান্যের মধ্যে আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. আবুল কালাম, সনাক উপদেষ্টা ডা. সৈয়দ হাবিবুর রহমান, আনোয়ার জাহিদ, সনাক সদস্য সাইফুর রহমান মিরণ, এলজিইডি’র সহকারি প্রকৌশলী সৈয়দ মাইনুল মাহমুদ, প্ল্যান ইন্টারন্যাশনালের বিভাগীয় ব্যবস্থাপক শাহরুখ সোহেল,সেভ দ্য চিল্ড্রেনের সিনিয়র ম্যানেজার মো. ফারুক হোসেন, ঢাকা আহছানিয়া মিশন এর প্রকল্প সমন্বয়কারি মো. নাসির উদ্দিন, বেলা’র সমন্বয়কারি লিংকন বায়েন প্রমূখ।

  • বরিশালে এডিশ মশার লার্ভা খুঁজে পাওয়ায় ২ ভবন মালিককে জরিমানা

    বরিশালে এডিশ মশার লার্ভা খুঁজে পাওয়ায় ২ ভবন মালিককে জরিমানা

    নিজস্ব প্রতিবেদক ::

    বরিশাল নগরীর ৬টি ভবনে অভিযান চালিয়ে দুটি বাড়িতে অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ ও মশার লার্ভা খুঁজে পাওয়ায় চার হাজার টাকা জরিমান করেছে ভ্রাম্যমান আদালত।

    মঙ্গলবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুুরে নগরের কাটপট্টি ও কালিবাড়ি রোড এলাকায় জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফারজানা আক্তার ও সুব্রত বিশ্বাস দাস এর নেতৃত্বে এই ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান পরিচালিত হয়।

    এসময় নির্মানাধিনসহ ৬টি বাড়িতে তল্লাঁশী করেন। এসময় কাটপট্টি রোড এলাকার অর্পনা ঘোষের মালিকানাধিন ‘ঘোষ ভবন’ ও মাহাবুবুর রহমান পিন্টু’র নির্মানাধীন ভবনে অপরিচ্ছন্ন ও মশার লার্ভা খুঁজে পাওয়া যায়। এজন্য দুটি ভবনের মালিককে ভ্রাম্যমান মাধ্যমে দুই হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়।

    অভিযানে প্রসিকিউশন করেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের স্যানিটারি ইন্সপেক্টর সৈয়দ এনামুল হক সাইফুল। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেডিকেল অফিসার ডা. খন্দকার মঞ্জুরুল ইসলাম শুভ্রসহ পুলিশ সদস্যরা।

  • অবশেষে জামিনে মুক্ত সেই মিন্নি

    অবশেষে জামিনে মুক্ত সেই মিন্নি

    বরগুনা প্রতিনিধি:

    বহুল আলোচিত বরগুনার রিফাত হত্যা মামলার প্রধান সাক্ষী থেকে আসামি বনে যাওয়া মিন্নি কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। সকল আইনি প্রক্রিয়া ও দাফতরিক কাজ সম্পন্ন শেষে মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে কারাগার থেকে মুক্তি পান মিন্নি।

    কারাগার থেকে মিন্নি বের হওয়ায় সময় উপস্থিত ছিলেন- মিন্নির বাবা মোজাম্মেল হোসেন কিশোর ও তার আইনজীবী মাহবুবুল বারী আসলাম। কারাগার থেকে বের হওয়ার পর মিন্নিকে অ্যাম্বুলেন্সযোগে বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়। মিন্নি কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে কারাগার প্রাঙ্গণে উপস্থিত হয় উৎসুক জনতা। কারাগার প্রাঙ্গণে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সদস্যরাও।

    এর আগে দুপুর ১২টার দিকে মিন্নির জামিনের আদেশের কপি বরগুনার আদালতে পৌঁছায়। সেখানে আইনি প্রক্রিয়া শেষে জামিনের আদেশের কপি কারাগারে পাঠানো হয়।

    মিন্নির আইনজীবী মাহবুবুল বারী আসলাম বলেন, মিন্নিকে দেয়া হাইকোর্টের অন্তবর্তী জামিনের আদেশের স্বাক্ষরিত কপি দুপুর ১২টার দিকে বরগুনার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এসে পৌঁছে। পরে মিন্নির পক্ষে বেলবন্ড দাখিলের অনুরোধ করা হয়। বিচারক বেলবন্ড গ্রহণ করে কারা কর্তৃপক্ষকে রিলিজ অর্ডার পাঠান। সব দাফতরিক কাজ শেষে বিকেল সোয়া ৪টার দিকে কারামুক্ত হন মিন্নি।

    এর আগে রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় তার স্ত্রী মিন্নিকে হাইকোর্টের দেয়া জামিন স্থগিত চেয়ে করা রাষ্ট্রপক্ষের আপিল আবেদনের ওপর সোমবার নো-অর্ডার (কোনো আদেশ নয়) দেন সুপ্রিম কোর্টের চেম্বার আদালত। এর ফলে মিন্নির জামিনে মুক্তিতে বাধা কাটে। চেম্বার বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর আদালত এ আদেশ দেন।

    গত ২৯ আগস্ট মিন্নিকে কেন জামিন দেয়া হবে না- মর্মে জারি করা রুলের চূড়ান্ত শুনানি শেষে হাইকোর্টের বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ দুই শর্ত দিয়ে মিন্নির অন্তর্বর্তী স্থায়ী জামিন মঞ্জুর করে রায় দেন।

    শর্ত দুটি হলো- ১. জামিনে থাকাবস্থায় মিন্নি তার বাবা মোজাম্মেল হোসেন কিশোরের জিম্মায় থাকবেন; ২. জামিনে থাকাবস্থায় তিনি গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে পারবেন না। এই দুই শর্তের ব্যত্যয় ঘটলে মিন্নির জামিন বাতিল হবে বলে রায়ে উল্লেখ করেন হাইকোর্ট।

    মঙ্গলবার সকালে রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় কারাগারে থাকা ১৪ জন অভিযুক্তকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। মামলার দিন ধার্য থাকায় মঙ্গলবার বরগুনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. সিরাজুল ইসলাম গাজীর আদালতে তাদের হাজির করা হয়।

    আদালতে হাজিরের জন্য একটি প্রিজনভ্যানে বরগুনা জেলা কারাগার থেকে প্রথমে ১৩ পুরুষ অভিযুক্তকে আনা হয়। এরপর একই ভ্যানে রিফাতের স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নিকে আদালতে হাজির করে পুলিশ।

    এরই মধ্যে গত রোববার (১ সেপ্টেম্বর) রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় রিফাতের স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নিসহ ২৪ জনের বিরুদ্ধে বরগুনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দেয় পুলিশ। একই সঙ্গে রিফাত হত্যা মামলার ১ নম্বর আসামি নয়ন বন্ড বন্দুকযুদ্ধে নিহত হওয়ায় তাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।

    গত ২৬ জুন রিফাতকে বরগুনার রাস্তায় প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সারাদেশে আলোচনার সৃষ্টি হয়। পর দিন রিফাত শরীফের বাবা আবদুল হালিম দুলাল শরীফ ১২ জনকে আসামি করে একটি মামলা করেন, তাতে প্রধান সাক্ষী করা হয়েছিল মিন্নিকে। পরে মিন্নির শ্বশুর তার ছেলেকে হত্যায় পুত্রবধূর জড়িত থাকার অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করলে ঘটনা নতুন দিকে মোড় নেয়।

    গত ১৬ জুলাই মিন্নিকে বরগুনার পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে দিনভর জিজ্ঞাসাবাদের পর এ মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়।

    পর দিন আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে পাঠান। রিমান্ডের তৃতীয় দিন শেষে মিন্নিকে আদালতে হাজির করা হলে সেখানে তিনি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন বলে পুলিশ জানায়।

    তার আগের দিনই পুলিশ সুপার মো. মারুফ হোসেন এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেন, ‘মিন্নি হত্যাকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা এবং হত্যা পরিকল্পনাকারীদের সঙ্গে বৈঠক করেন। মিন্নিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে হত্যা পরিকল্পনার সঙ্গে মিন্নির যুক্ত থাকার প্রমাণ পেয়েছে পুলিশ।’

    মিন্নি পরে জবানবন্দি প্রত্যাহারের আবেদন করেন জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালতে। মিন্নির বাবা অভিযোগ করে আসছেন, ‘নির্যাতন করে ও ভয়ভীতি দেখিয়ে’ মিন্নিকে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে বাধ্য করেছে পুলিশ। এর পেছনে স্থানীয় প্রভাবশালী রাজনীতিবিদদের হাত আছে বলেও তার দাবি।

    বরগুনার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালত এবং জেলা ও দায়রা জজ আদালতে মিন্নির জামিন আবেদন নাকচ হয়ে যাওয়ার পর গত ৫ আগস্ট হাইকোর্টে জামিন আবেদন করেন তার আইনজীবীরা।

    রিফাত হত্যা মামলায় এখন পর্যন্ত গ্রেফতার হওয়া সবাই আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। গত ২ জুলাই এ মামলার প্রধান আসামি সাব্বির আহম্মেদ ওরফে নয়ন বন্ড পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন।