Category: প্রশাসন

  • ভালো কাজের জন্য পুরস্কৃত হবে আবার অপরাধের জন্য তিরস্কারও গ্রহন করতে হবে : মেয়র সাদিক

    ভালো কাজের জন্য পুরস্কৃত হবে আবার অপরাধের জন্য তিরস্কারও গ্রহন করতে হবে : মেয়র সাদিক

    রাতুল হোসেন রায়হান:

    ভালো কাজের জন্য পুরস্কৃত হবে আবার অপরাধের জন্য তিরস্কারও গ্রহন করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।

    মেয়র সাদিক আরো বলেন, পুলিশকে জনগনের সেবায় নিরলসভাবে কাজ করতে হবে। যারা মাদক কারবারের সাথে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে চলমান অভিযান আরো জোরদার করতে হবে।

    মেয়র বলেন, যারা অন্যায় করবে তাদের শাস্তির আওতায় আনতে হবে তবে যারা নিরাপরাধ তারা যেন কেউ অযথা হয়রানীর শিকার না হয়।

    সোমবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টায় এ্যানেক্স ভবনে মেয়রের দপ্তরে বিএমপি পুলিশ সদস্যদের সম্মাননা স্মারক প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

    অনুষ্ঠানে বরিশাল মেট্টোপলিটন পুলিশের উপ- পুলিশ কমিশনার (দক্ষিন) মোয়াজ্জেম হোসেন ভুইয়া উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে কোতয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নুরুল ইসলাম ছাড়াও, এস আই সমীরন মন্ডল, এ এস আই শরিফ হোসেন, আসাদুজ্জামান, বিধান চন্দ্র গনপতি, সুমন হাওলাদার এবং কনস্টেবল আল আমিন ও কবির হোসেনের হাতে সম্মানানা স্মারক তুলে দিয়ে ফটো সেশনে অংশগ্রহন ও মধ্যাহ্ণ ভোজে মিলিত হন মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ।

    শুভেচ্ছা স্মারক গ্রহন করে পুলিশ সদস্যরা মেয়রের ভুয়ষী প্রশংসা করে বলেন, তাদের জানা মতে দেশের কোন মেয়র প্রথম বারের মতো তাদের এভাবে সন্মান জানালো। যা তাদের কাজের ক্ষেত্রে অনুপ্রেরনা হয়ে কাজ করবে। তারাসহ বরিশালের পুলিশ সদস্যরা মেয়রের সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস প্রতান করেন।

  • বিএমপির সাহসী পুলিশদের সম্মাননা স্বারক দিলেন মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ

    বিএমপির সাহসী পুলিশদের সম্মাননা স্বারক দিলেন মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ

    স্টাফ রিপোর্টার//রেজয়ানুর রহমান সফেন:: 

    বরিশাল মেট্টোপলিটন পুলিশের আওতাধীন বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নুরুল ইসলাম পিপিএমসহ পুলিশের ৮ সদস্যকে শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান করেছেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।

    সম্প্রতি বরিশাল মেট্টো পলিটন পুলিশের সফল অভিযানে ২০ হাজার পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক করাবারী আটক হওয়ায় বিএমপির কমিশনার মোঃ শাহাবুদ্দিন খানসহ অভিযানে অংশ নেয়া সকল পুলিশ সদস্যকে অভিনন্দন জানিয়ে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নুরুল ইসলামসহ অভিযানে অংশ নেয়া চৌকস পুলিশ সদস্যদেরকে শুভেচ্ছা স্মারক প্রদানের ঘোষনা দেন।

    সে ঘোষনা অনুযায়ী ২ সেপ্টেম্বর সোমবার দুপুর ২টায় শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান করা হয়। এ্যানেক্স ভবনে মেয়রের দপ্তরে অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে শুভেচ্ছা স্মারক পাওয়া পুলিশ সদস্যদের পুনরায় অভিনন্দন জানিয়ে মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ বলেন, পুলিশকে জনগনের সেবায় নিরলসভাবে কাজ করতে হবে। যারা মাদক কারবারের সাথে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে চলমান অভিযান আরো জোরদার করতে হবে।

    মেয়র বলেন, যারা অন্যায় করবে তাদের শাস্তির আওতায় আনতে হবে তবে যারা নিরাপরাধ তারা যেন কেউ অযথা হয়রানীর শিকার না হয়। মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ আরো বলেন, ভালো কাজের জন্য পুরস্কৃত হবে আবার অপরাধের জন্য তিরস্কারও গ্রহন করতে হবে।

    অনুষ্ঠানে বরিশাল মেট্টোপলিটন পুলিশের উপ- পুলিশ কমিশনার (দক্ষিন) মোয়াজ্জেম হোসেন ভুইয়া উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে কোতয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নুরুল ইসলাম ছাড়াও, এস আই সমীরন মন্ডল, এ এস আই শরিফ হোসেন, আসাদুজ্জামান, বিধান চন্দ্র গনপতি, সুমন হাওলাদার এবং কনস্টেবল আল আমিন ও কবির হোসেনের হাতে শুভেচ্ছা স্মারক তুলে দিয়ে ফটো সেশনে অংশগ্রহন ও মধ্যাহ্ণ ভোজে মিলিত হন সিটি মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ।

    শুভেচ্ছা স্মারক গ্রহন করে পুলিশ সদস্যরা মেয়রের ভুয়ষী প্রশংসা করে বলেন, তাদের জানা মতে দেশের কোন মেয়র প্রথম বারের মতো তাদের এভাবে সন্মান জানালো। যা তাদের কাজের ক্ষেত্রে অনুপ্রেরনা হয়ে কাজ করবে। তারাসহ বরিশালের পুলিশ সদস্যরা মেয়রের সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস প্রতান করেন।

  • জেলে কেক কেটে খুনীর জন্মদিন পালন

    জেলে কেক কেটে খুনীর জন্মদিন পালন

    জন্মদিনের রাজকীয় আয়োজন জেলের ভিতর। তাও আবার কার?‌ পিন্টু তিওয়ারি নামে এক খুনীর। এমন ছবিই দেখা গেল ভারতের বিহারের সীতামারি জেলে। বেলুন দিয়ে জেল সাজিয়ে, মাংস রান্না করে এই খুনীর জন্মদিন পালন করেছে জেলের অন্যান্য কয়েদিরা। কেউ কেউ আবার পিন্টুর জন্য উপহার নিয়েও হাজির হয়েছিল।

    জানা গেছে, ২০১৫ সালে বিহারের দারভাঙা জেলায় দুই ইঞ্জিনিয়ারকে খুনের ঘটনায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়েছিল পিন্টু তিওয়ারির। এই ঘটনার পরে আরও একবার বিহারের পুলিশ প্রশাসন নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করল। ঘটনাটির একটি ভিডিও ইতিমধ্যেই ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়ায়।

    ভিডিওটিতে দেখা গিয়েছে, এই রাজকীয় আয়োজন দেখে বেশ খুশিতেই জন্মদিনের কেক কাটছে পিন্টু। অন্যান্য কয়েদিরা পিন্টুর জন্য শুভ জন্মদিনের গান গাইছে। কেক কাটার পর্ব শেষ হওয়ার পর দেখা গেল কয়েদি মাটিতে বসে ভাত আর মাংস খাচ্ছেন। শেষে সকল কয়েদির মধ্যে মিষ্টিও বিতরণ করা হয়েছে।
    জেলের ডিজিপি গুপ্তেশ্বর পান্ডে ঘটনাটি জানতে পেরেই দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, ‘‌আমি জেলের আইজির সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি একটি তদন্তকারী দল গঠন করেছেন। ঘটনার দ্রুত তদন্ত হবে। অপরাধীরা শাস্তি পাবে।

  • পাঠাও চালক মিলন হত্যার মূল আসামি গ্রেপ্তার

    পাঠাও চালক মিলন হত্যার মূল আসামি গ্রেপ্তার

    রাজধানীতে পাঠাও মোটরসাইকেল চালক মিলনকে গলাকেটে হত্যা করে বাইক ছিনতাইয়ের ঘটনায় মূল আসামি নুরুজ্জামান অপুকে গ্রেপ্তার করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। আটক অপু যাত্রীবেশে বাইকে উঠে মগবাজার-মৌচাক ফ্লাইওভারের শাহাজানপুর থানা অংশে গিয়ে পেছন থেকে গলায় ধারালো বস্তু দিয়ে আঘাত করে হত্যা করেছিল বলে জানিয়েছে ডিবি।

    রবিবার দিবাগত রাত সাড়ে তিনটার দিকে রাজধানীর গুলবাগ এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

    ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের পূর্ব বিভাগের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) জুয়েল রানা তাঁকে আটকের বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।

    মিলন ছুরিকাহত হন গত ২৫ আগস্ট দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে। ফ্লাইওভারের মধ্যবর্তী স্থান (পদ্মা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কাছে) থেকে মিলনকে গুরুতর আহতাবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভোরে তাঁর মৃত্যু হয়।

  • মিন্নির মুক্তিতে বাধা নেই

    মিন্নির মুক্তিতে বাধা নেই

    আয়শা সিদ্দিকা মিন্নিকে হাইকোর্টের দেয়া স্থায়ী জামিনের রায় স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদন শুনানিতে নো অর্ডার দিয়েছেন আপিল বিভাগের চেম্বার জজ আদালত। এর ফলে হাইকোর্টের দেয়া মিন্নির স্থায়ী জামিন বহাল রয়েছে জানিয়ে তার আইনজীবী জেড আই খান পান্না বলেন, এতে মিন্নির মুক্তিতে আর বাধা রইল না।

    রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন শুনানি নিয়ে সোমবার আপিল বিভাগের বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর চেম্বারজজ আদালত এ আদেশ দেন। আদালতে আজ মিন্নির পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী জেড আই খান পান্না ও সুপ্রিম কোর্ট বারের সভাপতি জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ এম আমিন উদ্দীন। তাদের সঙ্গে ছিলেন জামিউল হক ফয়সাল। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জাহিদ সারোওয়ার কাজল ও মো. সারোয়ার হোসেন বাপ্পী। এ সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

    রোববার (১ সেপ্টেম্বর) রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশের পর সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় রাষ্ট্রপক্ষ থেকে মিন্নির জামিন স্থগিত চেয়ে আবেদন করা হয়

    গত ২৯ আগস্ট মিন্নিকে কেন জামিন দেয়া হবে না- মর্মে জারি করা রুলের চূড়ান্ত শুনানি শেষে হাইকোর্টের বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ শর্ত দিয়ে মিন্নির অন্তর্বর্তী স্থায়ী জামিন মঞ্জুর করে রায় ঘোষণা করেন

    রায়ে আদালত বলেন, তদন্ত প্রক্রিয়া যেহেতু শেষের দিকে এবং এ অবস্থায় তদন্ত প্রভাবিত করার কোনো সুযোগ নেই। তাই আমরা জামিন মঞ্জুর করলাম।

    মিন্নির জামিনে আদালতের দেয়া উল্লেখযোগ্য শর্ত হলো- এক. মিন্নি কোনো গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে পারবেন না, দুই. তাকে তার বাবার জিম্মায় থাকতে হবে। শর্ত দিয়ে স্থায়ী জামিন দেয়ার সময় হাইকোর্ট বলেছেন, শর্ত ভঙ্গ করলে তার জামিন বাতিল হবে।

    জামিন-পরবর্তী প্রতিক্রিয়ায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সারওয়ার হোসেন বাপ্পী বলেছিলেন, আমরা মর্মাহত। আমরা এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

    গত (২৮ আগস্ট) তার জামিন প্রশ্নে রুলের ওপর শুনানি শেষে পরের দিন (২৯ আগস্ট) বৃহস্পতিবার রায়ের জন্য দিন ধার্য করা হয়। এর আগে ২০ আগস্ট এক সপ্তাহের রুল জারি করেছিলেন হাইকোর্ট।

    একইসঙ্গে, মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে সিডি (কেস ডকেট) নিয়ে (২৮ আগস্ট) হাইকোর্টে হাজির হতে বলা হয়। এ ছাড়া মিন্নির সংশ্লিষ্টতার বিষয় জানিয়ে করা সংবাদ সম্মেলনের বিষয়ে পুলিশ সুপারকে (এসপি) লিখিত ব্যাখ্যা দিতেও বলা হয়। সে অনুসারে তদন্ত কর্মকর্তা কেস ডকেট নিয়ে হাজির হন। তার পরে শুনানি নিয়ে আদালত রায় দেন।

    গত ২৬ জুন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে নয়ন বন্ডের নেতৃত্বে সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে রামদা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে রিফাত শরীফকে। তার স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নি হামলাকারীদের সঙ্গে লড়াই করেও তাদের দমাতে পারেননি। গুরুতর আহত রিফাতকে ওইদিন বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে বিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

    রিফাতকে কুপিয়ে হত্যার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ওই ভিডিওতে প্রাথমিকভাবে রিফাতের স্ত্রী মিন্নির সাহসী ভূমিকা দৃশ্যমান হলেও পরবর্তীতে নানা নাটকীয়তায় শেষ পর্যন্ত এই হত্যাকাণ্ডে আসামি হয়ে কারাগারে যেতে হয় মিন্নিকে। তবে মিন্নির বাবা শুরু থেকেই দাবি করে আসছেন, তার মেয়েকে ফাঁসানোর চেষ্টা চলছে।

  • রিফাত হত্যা : বহু নাটকীয়তার পর ৭ নম্বর আসামি মিন্নি

    রিফাত হত্যা : বহু নাটকীয়তার পর ৭ নম্বর আসামি মিন্নি

    বরগুনার আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় রিফাতের স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নিসহ ২৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দিয়েছে পুলিশ।

    রোববার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বরগুনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ চার্জশিট দাখিল করা হয়। দুই ভাগে বিভক্ত করে চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রাপ্তবয়স্ক রয়েছেন ১০ জন আর অপ্রাপ্তবয়স্ক রয়েছে ১৪ জন।

    ৬১৪ পৃষ্ঠার এ চার্জশিটে নিহত রিফাতের স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নিকে সাত নম্বর আসামি করা হয়েছে। প্রাপ্তবয়স্ক ১০ জনকে নিয়ে গঠন করা চার্জশিটে মিন্নির নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তবে মিন্নির বিরুদ্ধে কি কি অভিযোগ আনা হয়েছে তা এখনো জানা যায়নি। একই সঙ্গে রিফাত হত্যা মামলার ১ নম্বর আসামি নয়ন বন্ড বন্দুকযুদ্ধে নিহত হওয়ায় তাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।

    এ মামলার ১ নম্বর আসামি করা হয়েছে রিফাত ফরাজীকে, যিনি বরগুনা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেনের ভায়রার ছেলে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পরিদর্শক মো. হুমায়ুন কবির রোববার বরগুনা জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম গাজীর আদালতে এ অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

    পরিদর্শক মো. হুমায়ুন কবির বলেন, মামলার এজাহারের ১ নম্বর আসামি সাব্বির আহম্মেদ ওরফে নয়ন নয়ন বন্ড পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হওয়ায় তার নাম অভিযোগপত্রে আসামির তালিকায় রাখা হয়নি। অভিযোগপত্রের ২৪ আসামির মধ্যে নয়জন পলাতক, বাকি ১৫ জন কারাগারে।

    বরগুনা জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালতের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা (জিআরও) এম এ হান্নান বলেন, বিকেল সাড়ে ৪টায় পুলিশের ওই প্রতিবেদন হাতে পাই। ততক্ষণে এজলাস থেকে বিচারক নেমে যাওয়ায় প্রতিবেদনটি দাখিল করা যায়নি। সোমবার সকালে আদালত বসলে প্রতিবেদনটি বিচারকের কাছে দাখিল করা হবে।

    মিন্নির আইনজীবী অ্যাডভোকেট মাহবুবুল বারী আসলাম বলেন, বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেছে পুলিশ। সময় স্বল্পতার কারণে আজ আদালতে চার্জশিট জমা দিতে পারেননি জিআরও।

    বরগুনা জেলা পুলিশ থেকে পাঠানো প্রেস রিলিজে বলা হয়েছে, চার্জশিটে রিফাত হত্যা মামলায় ২৪ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। চার্জশিটে পেনালকোড ৩০২, ৩৪, ২১২, ১০৯, ১১৪, ১২০ বি (১) এই ধারায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে। এ অভিযোগপত্রের নম্বর ২৮০ ও ২৮০(১)।

    রিফাত হত্যা মামলায় গত ২২ আগস্ট আদালতে চার্জশিট জমা দেয়ার দিন ছিল। সেদিন মামলার প্রতিবেদন তৈরি করতে না পারায় আদালতে চার্জশিট জমা দেয়া হয়নি। আগামী ৩ সেপ্টেম্বর এ মামলার চার্জশিট দাখিলের দিন ধার্য করেন আদালত। কিন্তু এরই মধ্যে তড়িঘড়ি করে রোববার (১ সেপ্টেম্বর) আদালতে চার্জশিট জমা দেয় পুলিশ। বহু নাটকীয়তার পর মিন্নিকে ৭ নম্বর আসামি করা হয়।

    এর আগে গত ২৯ আগস্ট হাইকোর্টের বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ দুই শর্তে মিন্নির জামিন মঞ্জুর করেন। এরই মধ্যে রোববার হাইকোর্টে জামিন পাওয়া রিফাতের স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নির জামিন স্থগিত চেয়ে আপিল আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ।

    রিফাত হত্যা মামলায় এখন পর্যন্ত ১৫ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তারা হলেন- রিফাত ফরাজী, রিশান ফরাজী, চন্দন সরকার, রাব্বি আকন, হাসান, অলি, টিকটক হৃদয়, সাগর, কামরুল ইসলাম সাইমুন, আরিয়ান শ্রাবণ, রাফিউল ইসলাম রাব্বি, তানভীর, নাজমুল হাসান, রাতুল সিকদার ও আয়শা সিদ্দিকা মিন্নি।

    তবে মামলার এজাহারভুক্ত ৫ নম্বর আসামি মুসা বন্ড, ৭ নম্বর আসামি মোহাইমিনুল ইসলাম সিফাত, ৮ নম্বর আসামি রায়হান ও ১০ নম্বর আসামি রিফাত হাওলাদারকে এখনো গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। এ মামলার প্রধান আসামি নয়ন বন্ড গত ২ জুলাই পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন।

    গত ২৬ জুন সকালে প্রকাশ্যে বরগুনা সরকারি কলেজ গেটের সামনে রিফাতকে কুপিয়ে আহত করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় বরিশাল নেয়ার পর মারা যান রিফাত। এ ঘটনায় রিফাতের বাবা আবদুল হালিম দুলাল শরীফ বাদী হয়ে ১২ জনকে আসামি করে বরগুনা থানায় হত্যা মামলা করেন।

    মামলার প্রধান সাক্ষী মিন্নিকে গত ১৬ জুলাই রাতে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরদিন তাকে পাঁচদিনের রিমান্ডে নেয়া হয়। দুদিন পরে মিন্নিকে আদালতে হাজির করে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়।

    ২৬ জুন স্ত্রী মিন্নির সামনে স্বামী রিফাতকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। সে সময় স্বামীকে বাঁচাতে মিন্নির চেষ্টার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সারাদেশে আলোচনার সৃষ্টি হয়। পরদিন রিফাত শরীফের বাবা দুলাল শরীফ ১২ জনকে আসামি করে যে মামলাটি করেন, তাতে মিন্নিকে প্রধান সাক্ষী করা হয়েছিল।

    ১৬ জুলাই মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বরগুনার মাইঠা এলাকার বাবার বাসা থেকে মিন্নিকে জিজ্ঞাসাবাদ ও তার বক্তব্য রেকর্ড করতে বরগুনা পুলিশ লাইন্সে নিয়ে যায় পুলিশ। দীর্ঘ ১০ ঘণ্টার জিজ্ঞাসাবাদ শেষে রাত ৯টায় মিন্নিকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

    পরদিন মিন্নিকে আদালতে হাজির করা হয়। আদালতে তার পক্ষে কোনো আইনজীবী ছিলেন না। আদালত মিন্নির পাঁচদিনের রিমান্ড আবেদন মঞ্জুর করেন আদালতের বিচারক মো. সিরাজুল ইসলাম গাজী।

    এর পরদিন বরগুনার পুলিশ সুপার মো. মারুফ হোসেন সংবাদ সম্মেলনে বলেন, মিন্নি তার স্বামী রিফাত শরীফ হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। এ হত্যার পরিকল্পনার সঙ্গেও তিনি যুক্ত ছিলেন।

    এর পরদিন বিকেলে মিন্নি একই আদালতে তার স্বামী রিফাত শরীফ হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। পরে আদালত তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

  • গোপন ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে দেয়ায় ববির ২ শিক্ষার্থী পুলিশ হেফাজতে!

    গোপন ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে দেয়ায় ববির ২ শিক্ষার্থী পুলিশ হেফাজতে!

    ব্যক্তিগত গোপনীয় ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়ার ঘটনায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ শিক্ষার্থীকে পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়েছে।

    রবিবার বেলা দেড়টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে থেকে তাদের তুলে নিয়ে যায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। তারা উভয়েই বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্তিকা ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী।

    ববি পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এস আই সবুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এক মেয়ের ব্যক্তিগত গোপনীয় ভিডিও ভাইরাল করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে ২ জন শিক্ষার্থীকে বেশ কয়েকজন মিলে মারধর করার চেষ্টা করলে নিরাপত্তার জন্য আমরা তাদের পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে আসি। তবে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়নি।

    তিনি আরও জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও প্রক্টরকে ঘটনাটি জানিয়েছি। তারা ভিকটিম ও পুলিশি হেফাজতে থাকা ২ জন শিক্ষার্থীকে নিয়ে আলোচনায় বসবেন। ভিকটিম যদি অভিযোগ করে মামলা দায়ের করেন তাহলে তাদের গ্রেপ্তার করা হবে।

    সন্ধ্যায় ভিকটিম সহ অভিযুক্ত দুই শিক্ষার্থীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন‍্য বন্দর থানায় নেওয়া হয়। সেখানে ভিকটিম শিক্ষার্থী গোপন ভিডিও ভাইরালের ঘটনায় অভিযুক্ত দুই শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দেন। তদন্তের স্বার্থে অভিযুক্ত দুই শিক্ষার্থীকে বন্দর থানায় পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে বলে বন্দর থানা সূত্রে জানা যায়।

  • পুলিশের এ কেমন ওয়েবসাইট!

    পুলিশের এ কেমন ওয়েবসাইট!

    দেশের প্রায় সব সরকারি প্রতিষ্ঠান ও সংস্থার ওয়েবসাইট রয়েছে। এর মধ্যে কোনও কোনও মন্ত্রণালয়, দফতর বা অধিদফতরের ওয়েবসাইট খুবই সমৃদ্ধ। এগুলো নিয়মিত হালনাগাদ (আপডেট) করা হয়। তবে কিছু কিছু ওয়েবসাইটে নিয়োগ-বদলি ছাড়া অন্য কোনও তথ্য হালনাগাদ করা হয় না। এর মধ্যে পুলিশ সদর দফতরসহ তাদের বিভিন্ন ইউনিট ও ব্যাটালিয়নের ওয়েবসাইটগুলোর অবস্থা আরও বেহাল। অপরাধ বিষয়ক পরিসংখ্যানসহ গুরুত্বপূর্ণ অনেক তথ্যই সেখানে পাওয়া যায় না। অথচ কয়েক বছর আগেও নিয়মিতভাবে এসব তথ্য হালনাগাদ করা হতো।
    অবশ্য পুলিশ সদর দফতরের আইসিটি শাখার দাবি, নিয়মিতভাবে ওয়েবসাইটের তথ্য হালনাগাদ করা হয়। তবে কখনও কখনও কাজের চাপে তথ্য আপলোডে সময় লেগে যায়।
    পুলিশ সদর দফতর: ওয়েবসাইটে ‘ক্রাইম স্ট্যাটিসটিক’ নামে একটি ক্যাটাগরি ছিল। তবে সেটি পাওয়া যায় না। ফলে অপরাধ বিষয়ক তথ্যও পুলিশ সদর দফতরের ওয়েবসাইটে নেই। তবে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে পুলিশের কার্যক্রম নিয়ে হালনাগাদ তথ্য দেখা যায় সেখানে। পুলিশের হাউজিং নিয়েও ২৯ আগস্ট (২০১৯) পর্যন্ত কিছু বিষয়ে হালনাগাদ তথ্য রয়েছে। আছে টেন্ডার সংক্রান্ত তথ্যও। ‘রিস্টেন্ট অ্যাকটিভিটিজ’ ক্যাটাগরিতে আইজিপির বিভিন্ন অনুষ্ঠানের কিছু প্রেসরিলিজ রয়েছে। তবে অনলাইন পুলিশ ক্লিয়ারেন্সসহ বিভিন্ন নাগরিক সুবিধাসংক্রান্ত কোনও ক্যাটাগরিতে হালনাগাদ কোনও তথ্য নেই। কোনও কোনওটি খোলেই না।
    পুলিশের দুটি ব্যাটালিয়নসহ কয়েকটি ইউনিট রয়েছে। ব্যাটালিয়ন দুটি হলো র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) ও আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)। এর মধ্যে র‌্যাবের আলাদা একটি ওয়েবসাইট রয়েছে। মূল ব্যাটালিয়ন এপিবিএন-এর আলাদা কোনও ওয়েবসাইট না থাকলেও তাদের একটি ইউনিট এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশের আলাদা ওয়েবসাইট রয়েছে। যেখানে ওই টিমের কাজ ও কর্মকর্তাদের বিষয়ে কিছু তথ্য দেওয়া আছে।
     র‌্যাব: পুলিশের অন্যান্য ইউনিটের চেয়ে কিছুটা হালনাগাদ থাকে। ওয়েবসাইটে তাদের ১৫টি ইউনিটের তথ্যসহ বিভিন্ন বিষয়ে তথ্য পাওয়া যায়।
    পিবিআই: বর্তমান সময়ে বিভিন্ন মামলার তদন্তের কারণে পুলিশের বিশেষ তদন্ত সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) আলোচিত। ইউনিটটির আলাদা ওয়েবসাইট রয়েছে। পুলিশের অন্যান্য ইউনিটের চেয়ে তাদের ওয়েবসাইটে সংস্থাটির বিষয়ে তথ্য দেওয়াসহ কিছু নতুনত্ব আনার চেষ্টা চোখে পড়ে। তবে সেখানেও প্রয়োজনীয় সব তথ্য পাওয়া যায় না।
    এসবি: স্পেশাল ব্রাঞ্চের (এসবি) নিজস্ব কোনও ওয়েবসাইট নেই। তবে পুলিশ সদর দফতরের ওয়েবসাইটের ‘এসবি ক্যাটাগরি’তে ক্লিক করলে ইমিগ্রেশন পুলিশের ওয়েবসাইট খোলে। সেখানে ইমিগ্রেশন সংক্রান্ত কিছু তথ্য দেওয়া আছে।
    ডিএমপি: ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ওয়েবসাইটে ২০১৯ সালের জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারির অপরাধসংক্রান্ত তথ্য রয়েছে। তবে দুটি মাসেই ক্লিক করলে কেবল ফেব্রুয়ারির প্রতিবেদন দেখা যায়। সেখানেও কেবল অস্ত্র, গোলাবারুদ ও বিস্ফোরক, চোরাইগাড়ি ও মাদকদ্রব্য উদ্ধারের তথ্য দেখা যায়। ২০১৮ সালের সব মাসেরও ডেটাতেও কেবল এসব বিষয়ের তথ্য রয়েছে। ২০১৭ সালের তথ্য রয়েছে জানুয়ারি থেকে অক্টোবর পর্যন্ত। তবে ২০১৫ সালের তথ্য মোটামুটি বিস্তারিতভাবে আছে। ২০১১ সালের ফাইলগুলো খোলে না।
    তবে ‘ডিএমপি নিউজ’ নামে তাদের একটি আলাদা নিউজ পোর্টাল রয়েছে। এতে ডিএমপি কমিশনারের বিভিন্ন অনুষ্ঠানের বক্তব্য ও ছবি ছাড়াও ঢাকা মহানগর পুলিশের বিভিন্ন উদ্ধার অভিযান, গ্রেফতার, ট্রাফিক পুলিশের মামলাসংক্রান্ত হালনাগাদ কিছু তথ্য পাওয়া যায়।
     ওয়েবসাইট নিয়মিত কেন আপডেট করা হয় না জানতে চাইলে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) উপ কমিশনার (সদর দফতর ও প্রশাসন) মুহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘কিছু বিষয় আছে, যেমন প্রতিমাসেই আমাদের ক্রাইম কনফারেন্স হচ্ছে। যেখানে যেভাবে আপডেট করা দরকার আমরা সেভাবে করে রাখি।’ ক্রাইমের পরিসংখ্যানের বিষয়টিও কীভাবে নতুন করে আপডেট করা যায় সেটা তারা দেখবেন বলে জানান তিনি।
    সিএমপি: চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) ওয়েবসাইটেরও একই অবস্থা। ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরের পর আর কোনও অপরাধ বিষয়ক তথ্য হালনাগাদ করা হয়নি। তবে যে পর্যন্ত তথ্য দেওয়া আছে সেগুলো পুলিশের পুরানো নিয়মে থানা ও অপরাধের ক্যাটাগরি অনুযায়ী মোটামুটি বিস্তারিতভাবে আছে।
    আরএমপি: রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) ওয়েবসাইটে ‘আওয়ার সার্ভিস’ কলামে ১০টি ক্যাটাগরি রয়েছে। এর মধ্যে ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট ও ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারের দুটো পাতা খোলে। এ দুটি পাতায় দুটি বিভাগ সম্পর্কে কিছু কথা লেখা রয়েছে। বাকি ৮টি ক্যাটাগরিতে ক্লিক করলে দেখা যায় ‘আন্ডার কনস্ট্রাকশন’।
    তবে ‘আরএমপি নিউজ’ নামে একটি ক্যাটাগরি আছে। যেখানে বিভিন্ন উদ্ধার অভিযানের তথ্য রয়েছে। সেটি গত ২৯ আগস্ট পর্যন্ত হালনাগাদ।
    খুলনা মহানগর পুলিশের (কেএমপি), বরিশাল মহানগর পুলিশ (বিএমপি), সিলেট মহানগর পুলিশ (এসএমপি), গাজীপুর মহানগর পুলিশ ও রংপুর মহানগর পুলিশ এবং ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, রংপুর, ময়মনসিংহ ও রেলওয়ে রেঞ্জের কোনও ওয়েবসাইট পাওয়া যায়নি।
    পুলিশের ওয়েবসাইটের তথ্য হালনাগাদের বিষয়ে জানতে চাইলে পুলিশ সদর দফতরের আইসিটি শাখার প্রধান অ্যাডিশনাল ডিআইজি মনিবুর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, তারা নিয়মিতই ওয়েবসাইট আপডেট করে থাকেন। তবে কখনও কখনও কাজের চাপের কারণে তথ্য আপলোড করতে সময় লাগে বলে জানান তিনি।

  • বরিশালে মাদক বিক্রেতার ১০ বছরের কারাদণ্ড

    বরিশালে মাদক বিক্রেতার ১০ বছরের কারাদণ্ড

    নিজস্ব প্রতিবেদক ::

    বরিশালে ইদ্রিস বরকান্দজ নামে এক মাদক বিক্রেতাকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আসামি পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে সাজা ও গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

    রোববার (১ সেপ্টেম্বর) বরিশাল জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. রফিকুল ইসলাম এ রায় দেন।

    দণ্ডপ্রাপ্ত ইদ্রিস মাদারীপুর জেলার উত্তর রমজানপুর এলাকার মৃত আইউব আলী বরকান্দজের ছেলে। জামিনে বের হয়ে ইদ্রিস পলাতক রয়েছেন।

    মামলা ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১৭ সালের ১৫ অক্টোবর বরিশালের গৌরনদী পিংলাকাঠি বাজারে অভিযান চালিয়ে ইদ্রিসকে আটক করে পুলিশ। এসময় তার কাছে থেকে পাঁচশ’ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়।

    এ ঘটনায় ওইদিনই গৌরনদী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ছগির হোসেন বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করেন। একই বছরের ৮ নভেম্বর আদালতে চার্জশিট জমা দেন থানার এসআই মাজহারুল ইসলাম।

    মামলায় সাতজনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আসামির অনুপস্থিতিতে রায় ঘোষণা করা হয়। পাশাপাশি আসামি পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে সাজা ও গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

  • বরিশালের জেলা প্রশাসকের ধন্যবাদ জ্ঞাপন

    বরিশালের জেলা প্রশাসকের ধন্যবাদ জ্ঞাপন

    প্রিয় বরিশাল বাসি জেলা প্রশাসন বরিশাল এর পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা নিবেন, গতকাল ৩১ আগস্ট ২০১৯ তারিখ, জেলা প্রশাসন বরিশাল কর্তৃক আয়োজিত শোকাবহ আগস্ট স্মরণে দোয়া ও স্মৃতিচারণমূলক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে আপনারা সবাই সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে অনুষ্ঠানকে সফল ও সার্থক করেছেন। অনুষ্ঠানে আগত প্রধান অতিথি জনাব আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ্, মাননীয় আহবায়ক (মন্ত্রী পদমর্যাদা), পার্বত্য শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন কমিটি ও সংসদ সদস্য, বরিশাল-১। গেস্ট অব অনার জনাব জাহিদ ফারুক, এমপি, মাননীয় প্রতিমন্ত্রী, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় ও সংসদ সদস্য, বরিশাল-৫। বিশেষ অতিথি জনাব গোলাম কিবরিয়া টিপু, মাননীয় সংসদ সদস্য, বরিশাল-৩, বেগম নাসরিন জাহান রতনা, মাননীয় সংসদ সদস্য, বরিশাল-৬, এ্যাড. সৈয়দা রুবিনা আক্তার মিরা, মাননীয় সংসদ সদস্য, মহিলা আসন-২৮, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ। প্রধান আলোচক জনাব সাহান আরা বেগম, সহ-সভাপতি, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, বরিশাল জেলা শাখা। মুখ্য আলোচক জনাব সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ, মেয়র, বরিশাল সিটি কর্পোরেশন। অন্যান্য বিশেষ অতিথি জনাব মুহাম্মদ ইয়ামিন চৌধুরী, বিভাগীয় কমিশনার, বরিশাল বিভাগ, জনাব মোঃ শফিকুল ইসলাম, বিপিএম, পিপিএম (বার), উপ-মহা পুলিশ পরিদর্শক, বরিশাল রেঞ্জ, জনাব মোঃ শাহাবুদ্দিন খান, বিপিএম (বার), পুলিশ কমিশনার, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ, তালুকদার মোঃ ইউনুস, সাধারণ সম্পাদক, জেলা আওয়ামীলীগ বরিশাল, এ্যাডঃ গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলাল, সভাপতি, মহানগর আওয়ামীলীগ বরিশাল, এ কে এম জাহাঙ্গীর, সাধারণ সম্পাদক, মহানগর আওয়ামীলীগ বরিশাল, ১৫ আগস্টের নির্মমতার শিকার জনাব খন্দকার জিল্লুর রহমানসহ অন্যান্যরা, র‌্যাব-৮ এর সিও, পুলিশ সুপার বরিশাল, চেয়ারম্যান, শিক্ষা বোর্ড বরিশাল, পরিচালক, শেবাচিম, উপজেলা নির্বাহী অফিসারবৃন্দ, বীর প্রতীক মহিউদ্দিন মানিকসহ বরিশাল জেলার সকল উপজেলা চেয়ারম্যান, বরিশাল সিটি কর্পোরেশন এর ওয়ার্ড কাউন্সিলর, ইউনিয়ন চেয়ারম্যান, উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের সকল সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারিবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি, বীর মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দ, সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীবৃন্দ, বেসরকারি উন্নয়ন সহযোগীবৃন্দ, সকল প্রেস ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ, বরিশালের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সদস্যবৃন্দ, পুলিশ বাহিনীর সদস্যসহ সকল আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত সদস্যরা, সুধী সমাজের প্রতিনিধিবৃন্দ, বিএনসিসি, রোভার স্কাউট ও গার্লস গাইডের সদস্যবৃন্দ এবং বরিশালের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ব্যক্তিবর্গ সবাইকে জেলা প্রশাসন বরিশালের পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা। বিশেষ কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি শহীদ আবদুর রব সেরনিয়াবাতের পরিবারের সদস্যবৃন্দের প্রতি, বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়রসহ কর্মকর্তা-কর্মচারিবৃন্দ, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ বরিশালের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীবৃন্দ ও ক্রিডেন্স ব্যান্ডদলের সদস্যবৃন্দকে।

    ধন্যবাদান্তে
    এস, এম, অজিয়র রহমান
    জেলা প্রশাসক,
    বরিশাল।